tgindex
Pathway To Noor

Pathway To Noor

Статистика

আস-সালামু 'আলাইকুম ইসলাম প্রচার ও ইসলাম সম্বন্ধে সবাইকে অবগত করার জন্য আমাদের ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা ❤️ FB Page- https://www.facebook.com/PathwayToNoor WP: https://whatsapp.com/channel/0029VbBD7VA1SWssAQh17W2n

Последний пост
15 авг.
Последнее чтение
15 авг.
Постов за неделю
9
Всего постов
31
Тип
открытый
Язык
bn
Категория
Новости и СМИ (по похожим)
В каталоге с
13 авг.
Подписчики
3 304
+2 за 2 дн.
Сутки
−4
−0,12%
Неделя
 
Месяц
 
Просмотров на пост
228
31 постов
Вовлечённость
6,9%
к подписчикам
Постов в день
1,3
всего 31
Упоминаний
0
каналов
Охват размещения
оценка
1/24сутки в ленте
158
1/48двое суток
181
1/72трое суток
195

Оценка по просмотрам недавних постов: пост набирает почти всё за первые сутки.

Посты

  • ঘুমানোর আগে নির্দিষ্ট সময়ে ফোন রেখে দেবেন। রাতের অপ্রয়োজনীয় জেগে থাকা কমাবেন। অযু করে শোয়ার চেষ্টা করবেন। মাসনূন যিকর ও দু‘আ পড়বেন। ফজরের সময় অনুযায়ী যথেষ্ট ঘুমের সুযোগ রাখবেন। তারপর অ্যালার্ম দেবেন এবং আল্লাহর কাছে সত্যিই সাহায্য চাইবেন। কয়েকদিনেই সব নিখুঁত হয়ে যাবে—এমন নয়। কিন্তু ধীরে ধীরে আপনি হয়তো বুঝবেন, ফজরের সঙ্গে আপনার যুদ্ধটা শুধু অ্যালার্মের ছিল না। আপনার পুরো রাতটাই আপনাকে হয় ফজরের দিকে নিয়ে যাচ্ছিল, নয়তো ফজর থেকে দূরে সরিয়ে দিচ্ছিল। তাই আজ প্রশ্নটা শুধু— “কাল ফজরে উঠব কীভাবে?” না। আরও গভীর প্রশ্ন হলো— “আজ রাতে আমি এমন কী করছি, যা আমাকে আগামীকাল ফজরের সামনে দাঁড়াতে সাহায্য করবে?” হয়তো আপনার ভোর বদলানোর জন্য প্রথমে ভোর নয়—রাতটাই বদলাতে হবে। আল্লাহ আমাদের রাতকে শান্ত করুন, ঘুমকে উপকারী করুন, অপ্রয়োজনীয় রাতজাগা থেকে হেফাজত করুন এবং ফজরের সালাতকে আমাদের দিনের সবচেয়ে প্রিয় শুরু বানিয়ে দিন। আমিন। আপনার ফজরে উঠতে সবচেয়ে বড় বাধা কোনটা—দেরিতে ঘুমানো, ফোন, নাকি অনিয়মিত রুটিন? ━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━ 📌 পোস্ট-টি সদকায়ে জারিয়া এবং ইসলাম প্রচারের স্বার্থে শেয়ার করে অশেষ সওয়াবের ভাগিদার হোন। এই পোস্ট আপনার আখেরাতের কঠিন মুসিবাতের সময় নাজাতের ওসিলা হয়ে যাক, আমিন🤲 NahWa Ad-Deen 🍁 Collected @PathwayToNoor

  • ফজরের সমস্যা ছিল না—সমস্যাটা শুরু হতো আগের রাতেই আপনি হয়তো অনেকবার ভেবেছেন, “আমি কেন ফজরে উঠতে পারি না?” একটা অ্যালার্মে কাজ হয় না, তাই তিনটা অ্যালার্ম দেন। ফোনটা একটু দূরে রাখেন। ঘুমানোর আগে নিজেকে শক্ত করে বলেন, “কাল যেভাবেই হোক উঠব।” কিন্তু সকাল হলে আবার একই দৃশ্য—অ্যালার্ম বন্ধ করে কখন ঘুমিয়ে পড়েছেন, সেটাও মনে নেই। চোখ খুলে ঘড়ির দিকে তাকিয়ে বুকটা ধক করে ওঠে। ফজর চলে গেছে। তারপর নিজের ওপর রাগ হয়। মনে হয়, “আমার ঈমানই বোধহয় দুর্বল। আমি এত অলস কেন?” কিন্তু কখনো কি আগের রাতটার দিকে তাকিয়েছেন? হয়তো আপনার ফজরের সমস্যা সকাল ৫টায় শুরু হয়নি। শুরু হয়েছিল রাত ১২টায়, যখন আপনি বলেছিলেন, “আর পাঁচ মিনিট ফোন দেখি।” তারপর একটা ভিডিও থেকে আরেকটা, একটা রিল থেকে আরেকটা। ঘড়িতে ১টা বাজল। এরপরও ফোন নামল না। কখনো রাতের ভারী খাবার, কখনো অপ্রয়োজনীয় কথাবার্তা, কখনো বিছানায় শুয়েও মাথার ভেতর শত চিন্তা। শেষ পর্যন্ত যখন ঘুমালেন, শরীর তখনই ক্লান্তির সীমায়। তারপর সেই শরীরকে কয়েক ঘণ্টা পর অ্যালার্ম দিয়ে বলা হলো—“এখন উঠে দাঁড়াও।” আমরা তখন অ্যালার্মকে দোষ দিই। অথচ অনেক সময় অ্যালার্ম শুধু শেষ জায়গাটায় ব্যর্থ হচ্ছে; আসল সমস্যাটা আমরা তৈরি করে রেখেছি কয়েক ঘণ্টা আগেই। ফজরের জন্য প্রস্তুতি আসলে রাত থেকেই শুরু হয় আল্লাহ তাআলা বলেন, “সূর্য ঢলে পড়ার পর থেকে রাতের অন্ধকার পর্যন্ত সালাত কায়েম করুন এবং ফজরের কুরআনও। নিশ্চয়ই ফজরের কুরআন প্রত্যক্ষ করা হয়।” — সূরা আল-ইসরা, ১৭:৭৮ ফজর দিনের শুরুতে শুধু আরেকটি কাজ নয়। এটি এমন একটি মুহূর্ত, যখন আপনার দিন শুরু হওয়ার আগেই আপনি আপনার রবের সামনে দাঁড়ান। কিন্তু আমরা কখনো এমন জীবনযাপন করি, যেন ফজর আমাদের রাতের রুটিনের সঙ্গে সম্পর্কহীন। রাত ২টা পর্যন্ত স্ক্রল করব, প্রয়োজনের বাইরে জেগে থাকব, ঘুমকে এলোমেলো করব—তারপর আশা করব কয়েক ঘণ্টা পর শরীর সতেজভাবে উঠে যাবে। শুধু “নিয়ত ভালো” থাকলেই শরীরের প্রয়োজন বদলে যায় না। শরীরও আল্লাহর দেওয়া আমানত। তাকে প্রয়োজনীয় বিশ্রাম না দিয়ে প্রতিদিন ফজরের সময় তার সঙ্গে যুদ্ধ করা দীর্ঘমেয়াদে কঠিন হয়ে যায়। আপনি হয়তো আরও জোরে অ্যালার্ম চান, অথচ দরকার আরও শান্ত একটি রাত একটু নিজের রাতটা দেখুন। ঘুমানোর শেষ এক ঘণ্টায় আপনার হাতে কী থাকে? ফোন? কাজ? ভিডিও? অপ্রয়োজনীয় চ্যাট? নাকি ধীরে ধীরে মনকে দিনের ব্যস্ততা থেকে সরিয়ে আল্লাহর দিকে ফেরানোর চেষ্টা? অনেকের ঘুমানোর ঠিক আগের দৃশ্য হলো উজ্জ্বল স্ক্রিন, দ্রুত বদলে যাওয়া ভিডিও আর অসংখ্য তথ্য। শরীর বিছানায় যায়, কিন্তু মস্তিষ্ক তখনও যেন দৌড়াচ্ছে। এখানেই ছোট একটি পরিবর্তন অনেক বড় পার্থক্য তৈরি করতে পারে। ঘুমের কিছু সময় আগে ফোন সরিয়ে রাখুন। সম্ভব হলে রাতকে একটু আগে শেষ করুন। প্রয়োজন ছাড়া জেগে থাকার অভ্যাস কমান। ফজরের সময় মাথায় রেখে নিজের ঘুমের সময় ঠিক করুন। কারণ আপনি যখন সত্যিই কোনো গুরুত্বপূর্ণ ভোরের ফ্লাইট ধরতে চান, তখন আগের রাতের পরিকল্পনাও বদলে দেন। ফজর কি তার চেয়েও কম গুরুত্বপূর্ণ? ঘুমানোর আগের কয়েক মিনিটও ইবাদতের পথে নিয়ে যেতে পারে রাসূলুল্লাহ ﷺ আল-বারা ইবনু ‘আযিব رضي الله عنه-কে ঘুমানোর আগে সালাতের অযুর মতো অযু করে ডান পাশে শুতে এবং নির্দিষ্ট দু‘আ পড়তে শিক্ষা দিয়েছিলেন। — সহিহ আল-বুখারি, হাদিস ২৪৭ ভাবুন, দিনের শেষ মুহূর্তটিও রাসূল ﷺ আমাদের এলোমেলোভাবে ছেড়ে দেননি। অযু করলেন। বিছানায় এলেন। ঘুমের মাসনূন যিকর ও দু‘আ পড়লেন। ডান পাশে শুলেন। নিজের সব দুশ্চিন্তা নিয়ে আরেক ঘণ্টা স্ক্রল না করে আল্লাহর কাছে নিজেকে সঁপে দিলেন। এতে ঘুম কোনো জাদুকরীভাবে “ইবাদত” হয়ে যায় না। কিন্তু হালাল বিশ্রাম যখন ভালো নিয়ত, সুন্নাহ অনুসরণ এবং পরের দিনের ইবাদতের প্রস্তুতির সঙ্গে যুক্ত হয়, তখন একজন মুমিনের সাধারণ জীবনও সওয়াবের পথে চলে যেতে পারে। আপনি ঘুমাচ্ছেন যেন শরীর শক্তি পায়, ফজরে উঠতে পারেন, দায়িত্ব ঠিকভাবে পালন করতে পারেন—এই নিয়ত ঘুমকেও অর্থপূর্ণ করে দেয়। একটা বিষয় খুব জরুরি: নিজেকে ঘৃণা করা সমাধান নয় কখনো সত্যিকার চেষ্টা করার পরও ঘুম ভেঙে যায় না। অসুস্থতা থাকতে পারে, শিশুর কারণে রাত জাগতে হতে পারে, শিফটের কাজ থাকতে পারে, ঘুমের সমস্যা থাকতে পারে। ইসলাম এসব বাস্তবতা অস্বীকার করে না। আর কেউ যদি ঘুমের কারণে অনিচ্ছাকৃতভাবে সালাত মিস করে, তাহলে জেগে ওঠার পর সালাত আদায় করবে—রাসূলুল্লাহ ﷺ এ নির্দেশ দিয়েছেন। তাই উদ্দেশ্য নিজেকে অপরাধী বানিয়ে ভেঙে দেওয়া নয়। বরং সৎভাবে দেখা— আমি যেটুকু নিয়ন্ত্রণ করতে পারি, সেটুকু কি সত্যিই করছি? আমি কি ফজরের জন্য উঠতে চাই, কিন্তু রাতের অভ্যাসে প্রতিদিন সেই চাওয়ার বিপরীতে কাজ করছি? এই প্রশ্নটা একটু অস্বস্তিকর। কিন্তু অনেক পরিবর্তন শুরু হয় ঠিক এই জায়গা থেকেই। আজ রাতে বিশাল কিছু বদলাতে হবে না শুধু কয়েকটি সিদ্ধান্ত নিন।

  • видео или голосовое, без подписи

  • *ফেসবুকে পুরুষের ছবি দেওয়া]🌸* বোনদের পর্দা, ফেসবুকে ছবি দেওয়া নিয়ে দেখি অনেক লেখালেখি হয়। তবে ভাইদের নিয়েও লেখা উচিত। আমরা মনে করি পর্দা নারীর জন্যই নাযিল হ'য়েছে!? _🌼 আপনি যখন ফেসবুকে একটা স্টাইলিস ছবি আপলোড করেন এর ফলে যদি কোন নারীর মনে সামান্য অনুভূতিরও সৃষ্টি হয়, কথা দিচ্ছি; এর জন্যও অবশ্যই আপনাকে জিজ্ঞাসিত করা হবে। আপনি বলতে পারেন পুরুষের তো মুখ পর্দার অন্তর্ভুক্ত নয়।_ -হুম তা অন্তর্ভুক্ত নয়। কিন্তু মেয়েদের মনে আপনার চেহারা দেখেই তো শয়তান ফিতনার সৃষ্টি করবে। _কেননা ওই নারীরাই সেদিন শাস্তি থেকে বাঁচার জন্য আপনার বিরুদ্ধে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লার কাছে অভিযোগ জানাবে। কোন জাহান্নামীই সেদিন চাইবে না সে একা জাহান্নামী হোক, আর তার বদ আমলের অংশীদার জান্নাতের আরাম আয়েশ ভোগ করুক।_ আপনার কি মনে হয় শয়তান শুধু পুরুষদেরকেই ওয়াসওয়াসা দেয়!? -না, সে সবাইকে ওয়াসওয়াসা দেয়। _🌿 আপনার ছবি দেখে যতজন মহিলা চোখের যিনা করছে এর একটা অংশ অবশ্যই আপনার আমলনামায় যুক্ত করা হবে। ঠিক তেমনি; যেমনভাবে কোন নারীকে আপনি দেখলে তার একটা অংশ ঔ নারীর আমলনামায় ও যুক্ত করা হয়।_ আমাদের সমাজ মনে করে পর্দা, চোখের হেফাজত এগুলো নারীদের জন্য পুরুষের জন্য না.....না ভাই পর্দা নারী পুরুষ উভয়ের জন্যই ফরজ⚫🥀 আল্লাহ তাআলা সবাইকে সঠিকটা বোঝার তৌফিক দান করুন আমীন 🍀 সংগৃহীত পরকালের প্রস্তুতি @PathwayToNoor

  • যখন কেউ আপনাকে ভুল বুঝবে, সেটাকে আল্লাহর তরফ থেকে বিশেষ নিয়ামাত ভেবে নেবেন। ভাল কাজের প্রতিদান দুইভাবে হতে পারে, কোন মানুষ দ্বারা অথবা আল্লাহ-দ্বারা। মানুষ যখন কোন প্রতিদান দিয়ে দিবে, তখন আর কিছু বাকি থাকল কিনা সেই প্রশ্ন থেকেই যায়। কিন্তু সৎ প্রচেষ্টার পরেও মানুষ যখন আপনাকে ভুল বুঝবে, তখন এটার শুধু একটাই মানে - প্রতিদানটা পুরোপুরি আল্লাহ নিজ হাতে দেবেন। পৃথিবীর মানুষকে তিনি বুঝতেও দেবেননা যে আপনি কিছু করেছিলেন... "সৎকাজের প্রতিদান উত্তম পুরস্কার ছাড়া কি হতে পারে?" – সূরা আর রাহমান ৬০♥️ ©© @PathwayToNoor

  • তুমি কি জানতে চাও, আল্লাহর কাছে তোমার সম্মান কতটুকু? তাহলে দেখ, তিঁনি তোমাকে কোন অবস্থায় রেখেছেন? . - যদি দেখ তিঁনি তোমাকে তার যিকিরে মশগুল রেখেছেন, তাহলে জেনে রেখ, তিঁনি তোমাকে স্মরণ করতে চান। . - যদি দেখ তিঁনি তোমাকে কুরআন দ্বারা মশগুল রেখেছেন, তাহলে জেনে রেখ, তিঁনি তোমার সাথে কথা বলতে চান। . - যদি দেখ, তিঁনি তোমাকে ইবাদাত/আনুগত্যে ব্যস্ত রেখেছেন, তাহলে জেনে রেখ, তিঁনি তোমাকে তাঁর সান্নিধ্যে টেনে নিয়েছেন। . - যদি দেখ, তিঁনি তোমাকে দুনিয়া দিয়ে ব্যস্ত করে দিয়েছেন, তাহলে জেনে নাও, তিঁনি তোমাকে দূরে ঠেলে দিয়েছেন। . - যদি দেখ, তিঁনি তোমাকে লোকজনের সাথে মশগুল বানিয়ে দিয়েছেন, তাহলে জেনে নাও, তিঁনি তোমাকে অপমানিত করেছেন। . - যদি দেখ, তিঁনি তোমাকে দু'আর দ্বারা ব্যস্ত রেখেছেন, তাহলে জেনে নাও, তিঁনি তোমাকে কিছু দিতে চান। . অতএব, সবসময় নিজের অবস্থা দেখ। তুমি কোন কাজে মশগুল? . আল্লাহ তোমাকে যে কাজে ব্যস্ত রেখেছেন, সেটাই তোমার অবস্থান তাঁর কাছে। . . লেখা : ড. রাতিব আন-নাবলুসি অনুবাদ : ড.বি. মফিজুর রহমান আল-আযহারী

  • প্রায় তিন বছর আগে আমি জীবনের সবচেয়ে ভয়াবহ আর কঠিন পরীক্ষার মুখোমুখি হয়েছিলাম। মানসিকভাবে এতটাই ক্লান্ত হয়ে পড়েছিলাম যে নিজেকে আর নিয়ন্ত্রণ করতে পারছিলাম না। একদম চুপচাপ হয়ে গিয়েছিলাম। দিন আর রাতের কোনো পার্থক্যই তখন বুঝতে পারতাম না। সে সময় আমি এক জিনিসকে আঁকড়ে ধরেছিলাম, নিয়মিতভাবে দুরুদে ইব্রাহীম পড়া। দিন হোক বা রাত, প্রতিটি মুহূর্তে আমি দুরুদে ইব্রাহীম পড়তাম। আল্লাহর শপথ! সেই মাসেই আল্লাহ আমার সকল বিপদ দূর করে দিলেন, সাথে মানসিক অশান্তিও দূর করে দিলেন। আর আজও আমি আমার জীবনে সেই দু'আর বরকত আর প্রভাব দেখতে পাই। আলহামদুলিল্লাহ—সমস্ত প্রশংসা অফুরন্ত, অন্তহীনভাবে কেবল আল্লাহর জন্যই। "পরিমার্জিত - তাইয়্যেবাহ" দুরুদে ইব্রাহীম এর তাৎক্ষণিক ফলাফল আমি সবচেয়ে বেশি পেয়েছি। আমার সাথে আজ পর্যন্ত এমন হয়নি যে, হঠাৎ খুব বিপদে পড়েছি বা কোনো সমস্যায়; তখন দূরুদে ইব্রাহীম পড়েও বিপদ থেকে উদ্ধার হইনি। দূরুদে ইব্রাহীম সত্যিই অনেক পাওয়ারফুল আমল। : তাইয়্যেবাহ Collected @PathwayToNoor

  • *গাইরতহীন স্বামীর প্রতি স্ত্রীর চিঠি। 🥀* ভাগ্যবিড়ম্বিতা আফিফা। তার নামের মতোই সে পবিত্র ও দ্বীনদার এক নারী। বিয়ের আগে দ্বীনের ওপর ছিল অটল। কিন্তু বিয়ের পর তার জীবনে নেমে আসে অন্ধকার। স্বামী শুধু গাইরতহীনই নয়, বরং দ্বীন-ধর্মে উদাসীন, রুক্ষ ও রগচটা। মুখে কিছু বললে হয়তো আরও সমস্যা বাড়বে-তাই হৃদয়ের কান্না মিশিয়ে সে একদিন লিখে ফেলে একটি চিঠি, তার প্রিয়তম স্বামীর উদ্দেশে- প্রিয় স্বামী, একটু মন দিয়ে আমার কথাগুলো শুনো। তুমি জানো, আমি সবসময় চাই তোমাকে সম্মান দিতে। কিন্তু এমন কিছু বিষয় আছে, যা চুপ থাকতে পারি না। তুমি যখন আমার পর্দা, অজু, ইবাদতের ব্যাপারে উদাসীনতা দেখাও, আমি ভেতরে ভেতরে ভেঙে পড়ি। তুমি যখন অন্য পুরুষদের দৃষ্টির সামনে আমাকে তুলে ধরো, আমি কাঁদি। তুমি যখন অন্যায় আচরণ দেখেও চুপ থাকো, আমি অসহায় বোধ করি। তুমি কি জানো, আমি একা বাইরে বের হলে কেমন অনিরাপদ বোধ করি? আমার আব্রু যেন আমারই দায়, অথচ তোমার কোনো দায়বোধ নেই! তুমি কি ভুলে গেছো, স্ত্রীকে রক্ষা করা স্বামীর অন্যতম দায়িত্ব? তুমি আমার নেকাব খুলে দিতে বলেছিলে, বলেছিলে "তোমাকে কেউ চিনবে না।" কিন্তু আমি তখনই বুঝে গেছি-তোমার জন্য আমার লজ্জা ও ইজ্জতের কোনো মানে নেই। আমি জানি, তুমি রেগে যাও সহজেই-কখনো আমাদের সন্তানের ছোট ভুলে, কখনো বাসার ছোটখাটো গণ্ডগোলে, কিন্তু নিজের দ্বীন, দায়িত্ব আর গাইরতহীনতাকে নিয়ে কখনোই তুমি বিচলিত হও না। আমি চাই তুমি বদলাও, আমি চাই তুমি আমার দিকে গর্বভরে তাকাও, আমি চাই তুমি এমন একজন স্বামী হও, যার পাশে আমি নিজেকে নিরাপদ মনে করি, গর্বিত মনে করি। তুমি যদি আমার এই কান্নাভেজা চিঠিটা পড়ে একটুও কষ্ট পাও, তাহলে বুঝবো, তোমার হৃদয় এখনো পুরোপুরি মরেনি। পারো। —তোমার স্ত্রী, আফিফা নোট: প্রিয় পাঠক/পাঠিকা, "গাইরত" শব্দটি অনেকের কাছে অপরিচিত হতে পারে। গাইরত হলো-নিজের পরিবার, স্ত্রী-সন্তান, ইজ্জত ও দ্বীনের ব্যাপারে দায়িত্ববোধ, আত্মমর্যাদা ও ঈমানদারির পরিচায়ক। একজন পুরুষের মূল গুণাবলির একটি। — সংগৃহিত_ @PathwayToNoor

  • তিঁনিই সে সত্তা, যিঁনি আসমান থেকে পানি বর্ষণ করেন, যাতে রয়েছে তোমাদের জন্য পানীয় এবং তা থেকে হয় উদ্ভিত, যাতে তোমরা জন্তু চরাও। এর মাধ্যমে তিঁনি তোমাদের জন্য ফসল, জয়তুন, খেজুর গাছ, আঙুর ও সর্বপ্রকার ফল উৎপাদন করেন। নিশ্চয় যারা চিন্তা করে, তাদের জন্য এসব বিষয়ে নিদর্শন রয়েছে। (সূরা নাহল, ১০-১১) কিন্তু বান্দা, তুমি কবে ভাবো এসব? তোমার সময় কোথায় যে, একটু আল্লাহকে নিয়ে ভাববে? আমি তোমার জন্য করে যাই সবকিছু। কিন্তু তুমি আমার কথা একবারও মনে করো না। বিশ্বাস করো, তুমি যখন নামাজে দাঁড়িয়েই আমাকে বলো, 'সকল প্রশংসা সেই আল্লাহর, যিনি সমূহ জগতের পালনকর্তা।' তখন আমার অন্তর শীতল হয়ে যায়। তুমি যখন নামাজে দাঁড়িয়ে থাকো, আমি তোমার সঙ্গে কথা বলতে থাকি। [বই : খুঁজে ফিরি তারে, পৃ. ২১] Sirah @PathwayToNoor

  • এক চায়ের দোকানে এসে বসেছি। চা আসার অপেক্ষা। সামনেই তিন চারজন লোক খোশগল্প করছে। খোশগল্প না বলে আসলে গালিগালাজ করছে বলা যায়। কারো প্রতি ক্ষুব্ধ হয়ে কিংবা কোন ব্যক্তিকে গালিগালাজ করছে এমন কিন্তু না, হুদাই কথায় কথায় কুৎসিত, কানে আঙুল দেওয়া লাগে এমন সব গালি। সেদিন গ্রামের বাড়িতে টমটমে চড়ছিলাম শখের বসে। সাথে আরও কয়েকজন ছিলো। একে অন্যের সাথে কথা বলছিলো, সেই একই অবস্থা, কোন কারণ ছাড়াই মা বাপ তুলে এমন কুৎসিত সব গালি! আমরা যেমন বলি,অমুক ভাই, অমুকের ছেলে, ঠিক তেমনি এরা সেই অমুকের মা-বাপ তুলে একটা কুৎসিত গালি দিয়ে, তবেই তাকে সম্বোধন করে। . রাস্তা ঘাটে, পাবলিক বাসে, রিকশায় চড়তে গেলে দুই রিকশাওয়ালার মাঝে...এসব গালি, কুৎসিত কথা, নোংরা ভাষা আমাদের নিত্য সঙ্গী। আমাদের মনের অজান্তেই আমাদের হৃদয়ে এসবের একটা প্রভাব আছে। মুমিনের অন্তরে এর প্রভাব আরও বেশী। মিথ্যা শুনলে আমাদের খারাপ লাগে, বাজে কথা, গালমন্দ এসব আমাদের মন খারাপ করে। মিথ্যা কথা বলতে আমাদের ভালো লাগে না, কিন্তু কেন? কারণ আমাদেরকে মিথ্যা কথা বলার জন্য তৈরি করা হয়নি। এটা আমাদের ফিতরাত বিরুদ্ধ। কিন্তু চারপাশে মানুষ যে এত অনায়াসে মিথ্যা কথা বলে যাচ্ছে? তাদের ফিতরাত নষ্ট হয়ে গেছে। আর সেই নষ্ট ফিতরাতে ভরা মানুষের ভিড়ে অল্প কিছু ফিতরাতওয়ালা মানুষের অবস্থা ডাঙায় তোলা মাছের মত, হাপড়াতে থাকে। . আর তাই আমাদের রব তাঁর বান্দাদের জন্য এমন জান্নাতের কথা বলেছেন যেখানে কোন গালিগালাজ নেই, যেখানে কেউ মিথ্যা কথা বলে না, যেখানে কোন অসার, অর্থহীন কথাও কেউ বলবে না। যেখানে কুৎসিত গালি শুনে কারো মন খারাপ হবে না। আল্লাহ্‌ কুরআনে বলেন, . ﻳَﺘَﻨَﺎﺯَﻋُﻮﻥَ ﻓِﻴﻬَﺎ ﻛَﺄْﺳًﺎ ﻻ ﻟَﻐْﻮٌ ﻓِﻴﻬَﺎ ﻭَﻻ ﺗَﺄْﺛِﻴﻢٌ "তারা পরস্পরের মধ্যে পানপাত্র বিনিময় করবে; সেখানে থাকবে না কোন বেহুদা কথাবার্তা এবং কোন পাপ কাজ।" (সূরাহ আত-তুর, ৫২:২৩) . .ﻓِﻲ ﺟَﻨَّﺔٍ ﻋَﺎﻟِﻴَﺔٍ ﻻ ﺗَﺴْﻤَﻊُ ﻓِﻴﻬَﺎ ﻻﻏِﻴَﺔً "সুউচ্চ জান্নাতে। সেখানে তারা শুনবে না কোন অসার বাক্য।" (সূরাহ গাশিয়াহ, ৮৮: ১০-১১) . ﻻ ﻳَﺴْﻤَﻌُﻮﻥَ ﻓِﻴﻬَﺎ ﻟَﻐْﻮًﺍ ﻭَﻻ ﻛِﺬَّﺍﺑًﺎ "তারা সেখানে শুনবে না কোন অসার ও মিথ্যা কথা।" (সূরাহ আন-নাবা, ৭৮: ৩৫) . ﻻ ﻳَﺴْﻤَﻌُﻮﻥَ ﻓِﻴﻬَﺎ ﻟَﻐْﻮًﺍ ﻭَﻻ ﺗَﺄْﺛِﻴﻤًﺎ ﺇِﻻ ﻗِﻴﻼ ﺳَﻼﻣًﺎ ﺳَﻼﻣًﺎ "তারা সেখানে শুনতে পাবে না কোন বেহুদা কথা, এবং না পাপের কথা; শুধু এই বাণী ছাড়া, ‘সালাম, সালাম’।" (সূরাহ ওয়াকিয়া, ৫৬: ২৫-২৬) . দুনিয়ার যা কিছু কষ্টের, মন খারাপের, শূন্যতার, তার বিপরীতে জান্নাতের আনন্দ, সুসংবাদ আর অফুরন্ত নেয়ামতের প্রতিশ্রুতি আল্লাহর পক্ষ থেকে আছে। এমনকি খারাপ কথা, নোংরা বাক্য শুনে মুনিনের মন খারাপ হয়, এই মানসিক কষ্টের ব্যাপারটিও আল্লাহ্‌ উল্লেখ করেছেন এবং প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন জান্নাতে এসব থাকবে না। সুবহানআল্লাহ্‌! এমন এক জান্নাতে যেতে না পারলে এর চেয়ে বড় আফসোস আর কী হতে পারে! -সংগৃহীত @PathwayToNoor

  • আসসালামু আলাইকুম.... আল্লাহ আমাকে এই চ্যানেলের এডমিন হওয়ার সুযোগ করে দিয়েছেন আলহামদুলিল্লাহ... এই চ্যানেলে আল্লাহ তায়ালার রহমতে কিছু পোস্ট দেওয়ার চেষ্টা করি। কিন্তু আজকে এই পোস্টের মাধ্যমে আমি আপনাদের কাছে দোয়া চাচ্ছি:... আল্লাহ কার দোয়া কবুল করবেন, তা আমরা কেউই জানি না। কার হাত তুলে করা দোয়া আমার রবের কাছে প্রিয় হয়ে যাবে, কার একটি আন্তরিক দোয়া আমাদের জন্য রহমতের কারণ হয়ে যাবে—একমাত্র তিনিই তা জানেন। 🤲 তাই আজ আপনাদের সকলের কাছে আমার বাবা-মা ও পরিবারের জন্য আন্তরিকভাবে দোয়া চাইছি। সবার দোয়ারই প্রয়োজন। হয়তো আপনাদের মধ্যে কারও একটি ছোট্ট, আন্তরিক দোয়াই আল্লাহর দরবারে কবুল হয়ে যাবে। আল্লাহ যেন আমার আম্মুকে দ্রুত সুস্থতা দান করেন এবং তাঁকে নেক হায়াত দান করেন। আমার বাবা-মা ও পরিবারের প্রতিটি সদস্যকে তাঁর বিশেষ রহমত ও হেফাজতে রাখেন, সকল বিপদ-আপদ দূর করে দেন এবং আমাদের জন্য যা কল্যাণকর, তা সহজ করে দেন। দয়া করে আমাদের জন্য মন থেকে একটু দোয়া করবেন। আপনাদের দোয়া আমাদের জন্য অনেক বড় নিয়ামত হবে ইনশাআল্লাহ 🤲 আল্লাহ আপনাদের প্রত্যেকের দোয়া কবুল করুন, আপনাদের পরিবারকেও তাঁর রহমত ও হেফাজতে রাখুন এবং সবাইকে উত্তম প্রতিদান দান করুন। আমিন ইয়া রব্বুল আলামিন।

  • *_ফেসবুকে আসক্তি কমাবেন যেভাবে..._* ফেসবুক আসক্তি দিন দিনই প্রকট হয়ে উঠেছে মানব জীবনে। এতে ব্যক্তি যেমন মানসিক সমস্যায় ভুগতে শুরু করেছেন, তেমনি স্বাস্থ্যের ওপরও পড়ছে এর নেতিবাচক প্রভাব। সামাজিক ও পারিবারিক জীবনও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।ব্যক্তিগত জীবনে ভারসাম্য আনতে ফেসবুকের উপর নির্ভরশীলতা কমানো তাই জরুরি। নিচে ফেসবুক আসক্তি কমানোর সহজ ১০ দশ পরামর্শ দেওয়া হলো:- ▪️নির্দিষ্ট সময় নির্ধারণ করুন- ফেসবুকে কতক্ষণ সময় কাটাবেন, সেটি আগে থেকেই নির্ধারণ করুন। প্রতিদিন একটি নির্দিষ্ট সময় নির্ধারণ করে সেই সময়ে শুধু ফেসবুক ব্যবহার করুন। ▪️নোটিফিকেশন বন্ধ করুন-ফেসবুকের নোটিফিকেশন বন্ধ রাখুন। নতুন আপডেট বা মেসেজ পেলে বারবার চেক করার প্রবণতা থাকে। নোটিফিকেশন বন্ধ রাখলে ফেসবুক ব্যবহার কমে আসবে। বিকল্প কাজ খুঁজে নিন ফেসবুকের পরিবর্তে কোনো প্রিয় বই পড়া, খেলাধুলা করা, অথবা নতুন স্কিল শেখার মতো কাজ খুঁজে নিন। এতে ফেসবুকের উপর নির্ভরশীলতা কমবে। ▪️অ্যাপ আনইনস্টল করুন বা লিমিট সেট করুন-ফোনে ফেসবুক অ্যাপ থাকলে সেটি আনইনস্টল করুন অথবা স্ক্রিন টাইম লিমিট সেট করুন, এভাবে আপনি বারবার ঢুকতে পারবেন না,ফলে আসক্তি কমবে। দিন শেষে অ্যাপ ব্যবহারের সময় দেখুন প্রতিদিন ফেসবুকে কতক্ষণ কাটাচ্ছেন তা স্ক্রিন টাইম বা অ্যাপ ব্যবহারের সময় দেখে বুঝতে পারবেন। এই তথ্য আপনাকে সচেতন করবে এবং আসক্তি কমাতে সহায়তা করবে। ▪️কাজের জন্য আলাদা সময় বরাদ্দ রাখুন- ফেসবুক ব্যবহারের আগে নিজেকে প্রশ্ন করুন, এটি আপনার কাজের জন্য প্রয়োজনীয় কিনা। অপ্রয়োজনীয় সময়ে ফেসবুক ব্যবহারের পরিবর্তে নিজের দায়িত্বগুলোতে মনোযোগ দিন। ▪️ ভালো বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দিন- অফলাইনে বন্ধুবান্ধব বা পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সময় কাটান। এতে ফেসবুকে সময় কমিয়ে বাস্তব জীবনের সম্পর্কগুলোতে মনোযোগ দিতে পারবেন। ▪️দৈনন্দিন লক্ষ্য তৈরি করুন- প্রতিদিন একটি লক্ষ্য তৈরি করুন যা ফেসবুক ব্যবহার ছাড়াই পূরণ করতে পারেন। এটি আপনাকে ব্যস্ত রাখবে এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে দূরে থাকতে সহায়তা করবে! ▪️অপ্রয়োজনীয় পেজ এবং গ্রুপ আনফলো করুন- প্রয়োজনীয় পেজ এবং গ্রুপ ছাড়া বাকি সব আনফলো করুন। অনেক সময় অহেতুক পেজ এবং গ্রুপে থাকা ফিডে বেশি সময় কাটাতে প্ররোচিত করে! ▪️রাতে ফোন দূরে রাখুন- ঘুমানোর সময় ফোন বা ল্যাপটপ দূরে রাখুন। এতে ফেসবুক স্ক্রল করার প্রবণতা কমে যাবে এবং সুস্থভাবে ঘুমাতে পারবেন! ইসলামী জীবনের চর্চা করুন... এই টিপসগুলো অনুসরণ করলে ফেসবুক আসক্তি কমানো সহজ হবে এবং আপনি আরো কার্যকরভাবে সময় ব্যয় করতে পারবেন। নিজের লক্ষ্য ঠিক করে নিয়মিত চর্চা করলে ফেসবুকের উপর নির্ভরশীলতা অনেকটাই কমে আসবে ইন'শা'আল্লাহ... (লেখা-সংগৃহীত) আমলী জীবন! @PathwayToNoor

  • দুরুদে ইবরাহীমই সকল দুরুদের পরিপূর্ণ রূপ! দুরুদে ইবরাহীম হাদিসে বর্ণিত সবচেয়ে উত্তম দুরুদ। সাহাবায়ে কেরাম যখন দুরুদ কিভাবে পাঠ করবেন,এ বিষয়ে আল্লাহর রাসুল ﷺ কে জিজ্ঞেস করেছিলেন, তখন তিনি (ﷺ) তাদের দুরুদে ইবরাহীম শিখিয়েছিলেন। দুরুদে ইবরাহীমে কেবল মুহাম্মাদ ﷺ এর জন্যই দুআ করা হয় না,বরং তাঁর পরিবারবর্গের জন্যও শান্তি ও বরকতের দুআ করা হয়। একই সঙ্গে ইবরাহীম আলাইহিস সালাম ও তাঁর পরিবারবর্গের জন্যও একই দুআ করা হয়। আপনি যখন অন্য ছোট দুরুদগুলো পাঠ করেন, তখন মূলত আল্লাহর রাসুল ﷺ এর জন্যই দুআ করেন। আর কোনো মুসলিমের জন্য দুআ করলে ফেরেশতারাও তার জন্য দুআ করেন। ভাবুন, যখন দুরুদে ইবরাহীম পাঠের মাধ্যমে আপনি দুই শ্রেষ্ঠ নবী এবং তাঁদের পরিবারবর্গের জন্য দুআ করেন, তখন আপনার নিজের ও পরিবারের জন্যও কল্যাণের দুয়ার উন্মুক্ত হয়! অর্থাৎ, কেউ যখন দুরুদে ইবরাহীম পাঠ করে, তখন সে পক্ষান্তরে নিজের পরিবারেরই কল্যাণ কামনা করে। তাই সামগ্রিক কল্যাণ লাভের উদ্দেশ্যে অধিক পরিমাণে দুরুদে ইবরাহীম পাঠ করুন। আল্লাহ চান তো, দুরুদের বরকতেই আল্লাহ আপনার ও আপনার পরিবারের দুনিয়া ও আখিরাত সমৃদ্ধ করে দিবেন। ____সংগৃহীত পরকালের প্রস্তুতি @PathwayToNoor

  • 7 авг.308182

    পাপের পর দুই রাকাত তওবাহের নামাজ শয়তানের জন্য পাপের চেয়েও ভারী, কারণ তা শয়তানের ফিসফিস এবং পাপ করতে প্ররোচনার ক্ষমতাকে দুর্বল করে দেয়। অর্থাৎ, তওবাহ করে নামাজ পড়লে শয়তানের প্রভাব কমে যায় এবং সে পাপের দিকে ঠেলে দিতে পারে না। আল্লাহ আমাদের সকলকে তওবাহ কবুল করার তাওফীক দান করুন।🥀 Collected @PathwayToNoor

  • 6 авг.28261из PathwayToNoor

    জুমার দিনের গুরুত্বপূর্ণ ৪টি আমলঃ ✅ সূরা আল-কাহফ পাঠ করা নোট: যদি পুরো সূরা সম্ভব না হয় কোনো কারণে তাহলে (প্রথম ১০ আয়াত ও শেষের ১০ আয়াত ) পড়ে নিবেন ইন-শা-আল্লাহ 🤍 ✅ অধিক পরিমাণে দরুদ পড়া اَللّٰهُمَّ صَلِّ وَسَلِّمْ عَلَى نَبِيِّنَا مُحَمَّدٍ [“আল্লা-হুম্মা সাল্লি ওয়াসাল্লিম ‘আলা নাবিয়্যিনা মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)”] ✅ বেশি বেশি ইস্তিগফার পড়া أَسْتَغْفِرُ اللّٰهَ [“আস্তাগফিরুল্লা-হ”] ✅ আসর ও মাগরিবের মধ্যবর্তী সময়ে দু'আ করা অবশ্যই বেশি বেশি পৃথিবীর সকল দেশের মাজলুম, মুজাহিদ, কারাবন্দী মুসলিম ভাই-বোন ও দ্বীনের দাঈদের জন্য দু'আ করবেন। আল্লাহ তা'আলা সকল জা'লি'ম, মুনা'ফি'ক, তা'গু'ত ও কু'ফফা'রদের হেদায়েত লিখা থাকলে হেদায়েত দিন নয়তো তারা জাতির ক্ষতির কারন হলে ধ্বং*স দিন তাদের, আমিন। সংযোজন: আমাদের শহীদ হাদি ভাইকেও জুম্মার দিনই গুলি করা হয়েছে এন্ড পরবর্তী জুম্মার রাতেই শহীদ হন। সবার দোয়ায় হাদি ভাইকে রাখবেন যেন তার শেষ চাওয়া বিচারটা অন্তত এই দেশে হয়!! সবাই দোয়া রাখবেন 🌝 @PathwayToNoor ✅ ‌‌

  • 6 авг.26874из PathwayToNoor

    🌟 Daily ইবাদত 🌟 দিনে একবার করে হলেও যে আমল গুলো  করবেন.... আর বেশি  করতে পারলে তো আরও ভালো....📿 [নিয়মিত ইবাদতকারীকে আল্লাহ বেশি পছন্দ করেন] ১. ইস্তেগফার- ১০০ বার ২. দরুদ- ১০০ বার ৩. দোয়া ইউনুস- ১০০ বার ৪. ইয়া জালজালালি ওয়াল ইকরাম- ১০০ বার ৫. সুবহানাল্লাহ- ১০০ বার ৬. আলহামদুলিল্লাহ- ১০০ বার ৭. আল্লাহ আকবর- ১০০ বার ৮. লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ - ১০০ বার ৯. সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি     সুবহানাল্লাহিল আলিয়্যিল আযীম ১০. লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারিকা লাহু লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু ওয়া হুয়া আলা কুল্লি শাইয়িন কাদির- ১০০ বার ১১. সুরা ফাতিহা- ৭ বার ১২. সুরা ইখলাস- ৩ বার ১৩. সুরা ফালাক- ৩ বার ১৪. সুরা নাস- ৩ বার ১৫. সালামুন আলা নূহীং ফিল আলামীন- ৭ বার ১৬. হাসবিয়াল্লাহু লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু আলাইহি তাওয়াক্কালতু ওয়া হুয়া রাব্বুল আরশিল আযিম- ৭ বার ১৭. আল্লাহুম্মা আজিরনি মিনান্নার - ৭ বার ১৮. আল্লাহুম্মা ইন্নী আস-আলুকাল জান্নাতা ওয়া আ'উযু বিকা মিনান্নার"- ৭ বার ১৯. লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রসুলুল্লাহ - ১০০ বার ২০. ‘সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি আদাদা খলকিহি, ওয়া রিদা নাফসিহি, ওয়া জিনাতা আরশিহি, ওয়া মিদাদা কালিমাতিহ।’- (যতবেশি পড়তে পারেন) ২১. "রাদিতু বিল্লাহি রাব্বান, ওয়াবিল ইসলামী দ্বীনান, ওয়াবি মুহাম্মাদিন নাবিয়্যান" (সন্ধ্যায় ৩ বার সকালে ৩ বার) ২২. ইয়া হাইয়্যু ইয়া কাইয়ুম বিরাহমাতিকা আস্তাগিছ - (যত বেশি পারেন) ২৩. হাসবুনাল্লাহু ওয়া নি'মাল ওয়াকিল- ১০০ বার ২৪.আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আফুউন কারিমুন তুহিব্বুল আফওয়া ফা'ফু আন্নি" (اللَّهمَّ إنَّك عفُوٌّ كريمٌ تُحِبُّ العفْوَ، فاعْفُ عنِّي -- (যত বেশি পারেন) ২৫.ইয়া রাব্বি লাকাল হামদু কামা ইয়ামবাগি লিজলালি ওয়াজহিকা ওয়ালি আজিমি সুলত্বানিকা– যতবেশি পড়তে পারেন ২৬.রাব্বি ইন্নি লিমা আনজালতা ইলাইয়া মিন খাইরিন ফাকির— যতবেশি পড়তে পারেন ২৭."সালামুন কাওলাম মীর রাব্বীর রাহীম"-১০০ বার               ........★★........ এই ইবাদত গুলো ফজর এবং মাগরিবের পরে করার চেষ্টা  করবেন। যদি না পারেন সারাদিন এ যে কোনো সময় একবার কমপক্ষে করার চেষ্টা করবেন ✅ ⚠️ বি:দ্র: বাংলা লিখা তো যদি কোনটা ভুল থাকে উচ্চারনে ইনশাআল্লাহ সঠিক করে পড়বেন, দয়া করে ভুল গুলো ক্ষমার দৃষ্টিতে ইনশাআল্লাহ দেখবেন !! 🌝 @PathwayToNoor

  • পরকালে আগুনে পুড়লে ইহকালের জনপ্রিয়তার কোনও দাম নেই। ইহকালে মানুষ আপনার কথা সারাজীবন স্মরণ করলে কী লাভ যদি আপনি পরকালে সারাজীবন আগুনের অধিবাসী হয়ে যান? [বই : সবুজ পাতার বন, পৃ. ১৪৪] Sirah @PathwayToNoor

  • 5 авг.335103

    *১ বার দরুদ পড়লে—* – আল্লাহ তায়ালা ১০টি রহমত দেন, [সহীহ্ মুসলিম : ৪০৮] – ১০টি গুনাহ মাফ করেন, – ১০টি মর্যাদা বাড়িয়ে দেন, [মিশকাতুল মাসাবীহ : ৯২২] – আল্লাহর ফেরেশতারা দুআ করেন, [সুনান ইবনু মাজাহ : ৯০৭] – আল্লাহর রাসূল ﷺ এর কাছে দরুদ পৌঁছে দেওয়া হয়। পৌঁছানোর সময় আমার নাম, আমার বাবার নাম বলা হয়। [সহীহুল জামে : ১২০৭] – এরপর নবীজি ﷺ নিজে দুআ করেন। সালাম দিলে সালামের জবাব দিয়ে দেন। [আবু দাউদ : ২০৪১] – যে বেশি বেশি দরুদ পড়বে, আল্লাহ তায়ালা তার দুনিয়ার টেনশন, মনের কষ্ট দূর করে দিবেন। [মিশকাত : ৯২৯] – দুআ কবুল করবেন। [মিশকাত : ৯৩০] – আখিরাতে সে রাসূল ﷺ এর শাফায়াত পাওয়ার বেশি যোগ্যতা অর্জন করবেন। [সহীহ্ মুসলিম : ৭৩৫] *আর কিছু বাকি আছে দুনিয়া আখিরাতে?* লেখা : ড. খোন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর (রহ.) এর দরুদ সংক্রান্ত আলোচনা থেকে সংগৃহীত। > সংগৃহীত @PathwayToNoor

  • 4 авг.348164

    "যে ব্যক্তি নিয়মিত সূরা বাকারাহ তেলাওয়াত করার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ কিন্তু দেখেন যে এর প্রভাব বা তাদের আশা পূরণে বিলম্ব হচ্ছে - তাদের জানা উচিত যে পাপের কারণে সাড়া এবং ফলাফল অর্জনে বিলম্ব হতে পারে।" পাপ রিযিক বন্ধ করে দেয়, দরজা বন্ধ করে দেয় এবং প্রার্থনা পূরণে বাধা দেয়। অতএব, যে ব্যক্তি তাদের জীবনে সূরা বাকারাহের প্রভাব দেখতে চায় তার উচিত ক্ষমা প্রার্থনা (ইস্তেগফার) বৃদ্ধি করা। -- ইস্তেগফার পাপ মুছে দেয়, রহমতের দরজা খুলে দেয় এবং আল্লাহর সাহায্য নিয়ে আসে। © @PathwayToNoor

  • 3 авг.434204

    *🌷 এক বোনের ঘটনা শুনেছিলাম।* আন্ডার গ্রাজুয়েট করা অবস্থায় বাবা বিয়ে দেননি। তার বাবা তাকে বলেছিলেন, “আগে পড়াশোনা শেষ করুক, বিয়ে পরে হবে”। _🌸 মেয়ে বাবার কথা রাখল। আন্ডার গ্রাজুয়েট, পোস্টগ্রাজুয়েট, পিএইচডি—সব শেষ করল। কিন্তু এই পড়াশোনার ফাঁকে ফাঁকে তার হৃদয়ের ভেতর জমতে থাকল নীরব দীর্ঘশ্বাস।_ সময় গড়াল। সে ভার্সিটির প্রফেসর হলো। বিয়ের প্রস্তাব এলো—কিন্তু বাবা প্রত্যাখ্যান করলেন। কখনো বললেন, ছেলেটার চেহারা ভালো না। কখনো বললেন, ছেলেটার সামর্থ্য কম। হয়তো তিনি ‘পারফেক্ট’ ছেলে খুঁজছিলেন—ভুলে গিয়েছিলেন, দুনিয়ায় কেউই পারফেক্ট নয়। _🧊 এভাবেই মেয়েটার বয়স ত্রিশ পেরিয়ে চল্লিশে পৌঁছাল। একসময় সে ভেঙে পড়ল। ডিপ্রেশনে অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হলো। অল্প অসুখই ভয়ং*কর হয়ে উঠল। শেষ পর্যন্ত সে চলে গেল।_ মৃত্যুর আগে বাবাকে ডেকে বলল, ‘বাবা, বলুন—আমীন।’ বাবা বললেন, ‘আমীন।’ সে আবার বলল, ‘আরেকবার বলুন—আমীন।’ বাবা বললেন, ‘আমীন।’ আবার বলল, ‘আরেকবার বলুন—আমীন।’ বাবা বললেন, ‘আমীন।’ বাবাকে দিয়ে তৃতীয়বার ‘আমীন’ বলিয়ে নিয়ে মেয়েটা কাঁপা কণ্ঠে বলল, ‘আল্লাহর কসম, আল্লাহ যেন আপনাকে আখিরাতে জান্নাতের আনন্দ থেকে বঞ্চিত করেন—যেভাবে আপনি আমাকে আমার যৌবনে বিয়ের আনন্দ থেকে বঞ্চিত করেছেন।’ এজন্য ছেলে-মেয়ে যখন বিয়ের উপযুক্ত হয়, তখন তাকে আটকে রাখবেন না। দেরি অনেক সময় শুধু সময়ই নেয় না, একটা জীবনও নিয়ে যায়। > – মাওলানা কোব্বাদি হাফিজাহুল্লাহ পরকালের প্রস্তুতি @PathwatToNoor

Pathway To Noor — tgindex