Alor poth(আলোর পথ)
Статистикаআর রহমানের বান্দা তারাই, যারা পৃথিবীতে নম্রভাবে চলাফেরা করে। [সূরা ফুরকানঃ ৬৩] Our bot : @alorpoth_25_bot
- Последний пост
- 14 авг.
- Последнее чтение
- 15 авг.
- Постов за неделю
- 6
- Всего постов
- 27
- Тип
- открытый
- Язык
- bn
- Категория
- Новости и СМИ (по похожим)
- В каталоге с
- 14 авг.
- 1/24сутки в ленте
- 73
- 1/48двое суток
- 83
- 1/72трое суток
- 90
Оценка по просмотрам недавних постов: пост набирает почти всё за первые сутки.
Посты
"প্রত্যেক সম্প্রদায়ের একটি মেয়াদ রয়েছে। যখন তাদের সেই মেয়াদটি চলে আসবে, তখন তারা না এক মুহূর্ত পেছনে যেতে পারবে, আর না এগিয়ে আসতে পারবে।" - সূরা আ‘রাফ (৭:৩৪), সূরা ইউনুস (১০:৪৯) copy
sabar
видео или голосовое, без подписи
Just Din is permanant
Inshaa allah
Allah always with you
you are not happy and thinking just you have problem its not reality the reality is it
May allah Bless you and me
видео или голосовое, без подписи
видео или голосовое, без подписи
Belive in Allah @copy
Salallahu alahi oa salam “And your Lord is going to give you, and you will be satisfied.” — Al Qur'an [93:5] copy
প্রকৃতি কোনো ঋণ রাখে না; সময়ই সব ফিরিয়ে দেয়। হাসবিয়াল্লাহু ওয়া নি'মাল ওয়াকীল। (ভুল হয়ে থাকলে ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।)"
তাকদিরে (আল-কদর) বিশ্বাস করা কেন জরুরি? (বিস্তারিত) তাকদিরে বিশ্বাস করা ইসলামের ঈমানের ৬টি মূল স্তম্ভের একটি। একজন মুসলিমের জন্য এটি অপরিহার্য। তাকদির বলতে বোঝায়—আল্লাহ তাআলা সবকিছু তাঁর জ্ঞান, ইচ্ছা ও প্রজ্ঞা অনুযায়ী নির্ধারণ করেছেন। ১. এটি ঈমানের অংশ কুরআন এবং সহিহ হাদিস অনুযায়ী, ঈমানের মধ্যে আল্লাহ, ফেরেশতা, কিতাব, রাসুল, আখিরাত এবং ভালো-মন্দ তাকদিরের ওপর বিশ্বাস অন্তর্ভুক্ত। ২. আল্লাহর প্রতি পূর্ণ আস্থা জন্মায় যখন মানুষ বিশ্বাস করে যে সবকিছু আল্লাহর জ্ঞান ও হিকমত অনুযায়ী হচ্ছে, তখন তার অন্তরে আল্লাহর প্রতি ভরসা (তাওয়াক্কুল) বৃদ্ধি পায়। ৩. বিপদে ধৈর্য ধরতে সাহায্য করে জীবনে দুঃখ, কষ্ট বা ক্ষতি এলে একজন মুমিন জানে—এটি আল্লাহর ফয়সালা। তাই সে ধৈর্য ধারণ করে এবং আল্লাহর কাছ থেকে প্রতিদান আশা করে। ৪. সফলতায় অহংকার থেকে বাঁচায় কোনো সাফল্য পেলে সে মনে করে না যে সবই তার নিজের কৃতিত্ব। বরং বুঝে যে আল্লাহর অনুগ্রহ ছাড়া কিছুই সম্ভব নয়। এতে অহংকার কমে এবং কৃতজ্ঞতা বাড়ে। ৫. হতাশা ও অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা কমায় যা চলে গেছে তা নিয়ে অতিরিক্ত আফসোস না করে, আর ভবিষ্যৎ নিয়ে অযথা ভয় না পেয়ে মানুষ আল্লাহর ওপর ভরসা করতে শেখে। ৬. সঠিক চেষ্টা করার শিক্ষা দেয় তাকদিরে বিশ্বাস মানে হাত গুটিয়ে বসে থাকা নয়। ইসলাম শিক্ষা দেয়—প্রথমে সর্বোচ্চ চেষ্টা করতে হবে, তারপর ফলাফল আল্লাহর ওপর ছেড়ে দিতে হবে। কুরআনের প্রমাণ "পৃথিবীতে কিংবা তোমাদের নিজেদের ওপর যে বিপদই আসে, তা ঘটার আগেই তা একটি কিতাবে লিপিবদ্ধ রয়েছে। নিশ্চয়ই এটি আল্লাহর জন্য সহজ।" — সূরা আল-হাদীদ, ৫৭:২২ হাদিসের শিক্ষা মুহাম্মদ বলেছেন: "শক্তিশালী মুমিন আল্লাহর কাছে দুর্বল মুমিনের চেয়ে অধিক প্রিয়। যা তোমার উপকারে আসে তার জন্য চেষ্টা করো, আল্লাহর সাহায্য চাও এবং দুর্বল হয়ো না। যদি কোনো কিছু ঘটে, তবে বলো না: 'যদি আমি এমন করতাম।' বরং বলো: 'আল্লাহ যা নির্ধারণ করেছেন এবং যা চেয়েছেন তাই করেছেন।'" (সহিহ মুসলিম) সংক্ষেপে তাকদিরে বিশ্বাস: ঈমানকে পূর্ণ করে। আল্লাহর প্রতি ভরসা বাড়ায়। বিপদে ধৈর্য শেখায়। সফলতায় বিনয়ী রাখে। হতাশা কমায়। চেষ্টা ও তাওয়াক্কুলের সঠিক ভারসাম্য শেখায়। মনে রাখবেন: তাকদিরে বিশ্বাস মানে ভাগ্যের দোহাই দিয়ে অলস হয়ে বসে থাকা নয়। ইসলাম আমাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা করতে এবং ফলাফল আল্লাহর ওপর ছেড়ে দিতে শিক্ষা দেয়।
*গোপন সমস্যার জন্য গোপন আমল করুন!* ১) আপনার সেই অসুখ, যা কেউ জানে না। তার জন্য দিন একটি গোপন সদকা, যা কেউ জানবে না। ২) আপনার সেই কষ্ট, যা আপনার বুক চেপে ধরে। তার জন্য করুন একটি গোপন ইস্তিগফার, যা কেউ শুনবে না। ১) আপনার সেই উদ্বেগ, যা শুধু আপনাকেই কুরে কুরে খায়। তার জন্য গভীর রাতে পড়ুন দুই রাকাআত নফল নামাজ, যা কেবল আল্লাহই দেখতে পান .!ইন শা আল্লাহ —ইবনুল কাইয়্যিম (রহ.) —সংগৃহীত ©️PathwayToNoor
সূরা কাহাফ তিলাওয়াত রিমাইন্ডার 📢 আবু সাইদ খুদরী (রা.) হতে বর্ণিত, রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, ❝যে ব্যক্তি জুমু'আর দিন সূরা কাহাফ তিলাওয়াত করবে, আল্লাহ তা'আলা এক জুমু'আ থেকে পরবর্তী জুমু'আ পর্যন্ত তার জন্য নূরের আলো দ্বারা আলোকিত করে রাখবেন।❞ — বাইহাকী, হাদিস : ৬২০৯ ©️Sirah
আর যে ব্যক্তি আল্লাহর ওপর ভরসা করে, তিনি তার জন্য যথেষ্ট।" — কুরআন
ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন — وأنَّ إثمه عندَ اللهِ أعظمُ من إثمِ قَتلِ النَّفسِ وأخذِ الأموالِ، ومن إثمِ الزِّنا والسَّرقةِ وشُربِ الخَمرِ. “আল্লাহর কাছে সালাত ত্যাগের পাপ মানুষকে হত্যা করা, সম্পদ লুন্ঠন করা, জিনা করা, চুরি করা এবং মদ পান করার পাপের চেয়েও গুরুতর।” [আস সালাতু ওয়া হুকমু তারিবিহা, পৃষ্ঠা : ২৯]
জুলুমকারীদের (অত্যাচারীদের) পরিণতি: আল্লাহ জুলুমকারীদের ভালোবাসেন না। দুনিয়ায় তারা অপমান ও শাস্তির মুখোমুখি হতে পারে। কিয়ামতের দিন তাদের কঠিন হিসাব হবে। যদি তওবা না করে, তবে আখিরাতে কঠিন শাস্তি অপেক্ষা করছে। জুলুম শেষ পর্যন্ত ধ্বংসের কারণ হয়। অত্যাচারিতদের (মজলুমদের) পরিণতি: আল্লাহ মজলুমের পাশে থাকেন। মজলুমের দোয়া আল্লাহ কবুল করেন। ধৈর্য ধরলে আল্লাহ বড় প্রতিদান দেন। কিয়ামতের দিন তাদের ন্যায়বিচার করা হবে। জুলুমকারীকে তার জুলুমের জন্য জবাবদিহি করতে হবে এবং মজলুম তার অধিকার ফিরে পাবে। রাসুল ﷺ বলেছেন: "মজলুমের দোয়াকে ভয় করো; কারণ তার দোয়া ও আল্লাহর মাঝে কোনো পর্দা নেই।" — সহিহ আল-বুখারি ও সহিহ মুসলিম আল্লাহ আমাদেরকে জুলুম থেকে বাঁচিয়ে ন্যায়ের পথে চলার তাওফিক দান করুন। আমীন।
আলী (রা.) বলেন— তিনটি কাজের মাধ্যমে বুঝা যাবে যে, ব্যক্তির মধ্যে রিয়া বা লৌকিকতা রয়েছে। ১. যখন সে নির্জনে একাকী কোন আমল করবে, তখন অলসতা করবে। ২. যখন মানুষের সামনে থাকবে, তখন উদ্যম - উৎসাহ দেখাবে। ৩. কেউ তার প্রশংসা করলে অধিক পরিমাণে আমল করবে, আর কেউ সমালোচনা করলে ত্রুটিপূর্ণ আমল করবে। [সূত্র : ইহইয়াউ উলুমিদ্দিন, ৪/৮৪] ©️Sirah