UNN-Bangla.
Статистикаলড়াইয়ের পর লড়াই হবে!জয় হবে পরাজয় হবে!! কিন্তু একটা দল সত্যের উপর অবিচল থাকবে!!! কোন অবস্থাতেই তারা পিছু হটবে না!!!
- Последний пост
- 31 июл.
- Последнее чтение
- 14 авг.
- Постов за неделю
- 0
- Всего постов
- 22
- Тип
- открытый
- Язык
- bn
- Категория
- Новости и СМИ (по похожим)
- В каталоге с
- 14 авг.
- 1/24сутки в ленте
- 756
- 1/48двое суток
- 866
- 1/72трое суток
- 934
Оценка по просмотрам недавних постов: пост набирает почти всё за первые сутки.
Посты
. এটাই ছিল সেই প্রজন্ম, যারা মৃত্যুর দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়েও নিজের তৃষ্ণার চেয়ে ভাইয়ের তৃষ্ণাকে বড় মনে করত। কুরআনের সেই আয়াত যেন তাদের জীবনেই বাস্তব রূপ নিয়েছিল— "তারা নিজেদের অভাব থাকা সত্ত্বেও অন্যদেরকে নিজেদের ওপর অগ্রাধিকার দেয়।" (সূরা আল-হাশর, ৫৯:৯) . ইকরিমা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) একদিন ইসলামের বিরুদ্ধে তলোয়ার তুলেছিলেন। কিন্তু জীবনের শেষ প্রহরে তিনি এমন এক উত্তরাধিকার রেখে গেলেন, যা প্রমাণ করে—আল্লাহর পথে ফিরে আসা একজন মানুষ তাঁর অতীত দিয়ে নয়, তাঁর শেষ পরিণতি দিয়েই ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকেন। . . 📚 ঐতিহাসিক সূত্রঃ • ইবন কাসীর, আল-বিদায়াহ ওয়ান নিহায়াহ, ইয়ারমুক যুদ্ধের বিবরণ। • ইবনুল আসীর, আল-কামিল ফিত-তারীখ, খণ্ড ২, ইয়ারমুক যুদ্ধ। • আয-যাহাবী, সিয়ার আ'লাম আন-নুবালা, ইকরিমা ইবন আবি জাহল (রা.)-এর জীবনী। • Futūḥ al-Shām (আল-ওয়াকিদীর নামে প্রচলিত বর্ণনা), ইয়ারমুক যুদ্ধের ঘটনাপ্রবাহ।
কে আছে, আমার হাতে মৃত্যুর শপথ নেবে? . ৬৩৬ সালের ইয়ারমুক উপত্যকা। মাত্র ৪০হাজার মুসলিম বাহিনীর সামনে রোমান সাম্রাজ্যের ২লাখের বিশাল বাহিনী। যুদ্ধ ততক্ষণে ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। ধুলোয় ঢেকে গেছে আকাশ। তলোয়ারের ঝনঝনানি, আহতদের আর্তনাদ আর তাকবীরের ধ্বনিতে কেঁপে উঠছে পুরো উপত্যকা। . মুসলিম বাহিনীর একটি অংশ প্রচণ্ড চাপের মুখে পড়েছে। শত্রুর অবিরাম আক্রমণে কিছুটা নড়বড়ে হয়ে গেছে মুসলিম বাহিনী। ঠিক তখনই এক যোদ্ধা তার ঘোড়া থেকে নেমে এলেন। হাতে তলোয়ার। চোখে অদম্য দৃঢ়তা। . তিনি উচ্চস্বরে ডাক দিলেন— "কে আছে, আমার হাতে মৃত্যুর শপথ নেবে?" এই ঘোষণা কোনো আবেগতাড়িত স্লোগান ছিল না। এটি ছিল বাইআতুল মাওত—মৃত্যু পর্যন্ত অবিচল থেকে যুদ্ধ করার অঙ্গীকার। যারা তার ডাকে সাড়া দেবেন, তাদের অধিকাংশই হয়তো আর জীবিত ফিরে আসবেন না—এ কথা সবাই জানতেন। কিন্তু তবুও একে একে এগিয়ে এলেন সাহসী মুমিনরা। . . কে ছিলেন সেই মহান ঘোষক... . তিনি কোনো সাধারণ যোদ্ধা ছিলেন না। তিনি ছিলেন সেই ব্যক্তির সন্তান, যার নাম ইসলামের ইতিহাসে অহংকার, অবিশ্বাস ও শত্রুতার প্রতীক হয়ে আছে। তিনি ছিলেন আবু জাহলের পুত্র—ইকরিমা ইবন আবি জাহল (রাদিয়াল্লাহু আনহু)। . একসময় তিনি বদর, উহুদ, খন্দক—একের পর এক যুদ্ধে ইসলামের বিরুদ্ধে তলোয়ার তুলেছিলেন। রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছিলেন। মুসলিমদের ধ্বংস করাই ছিল তার জীবনের লক্ষ্য। কিন্তু আল্লাহ যখন কোনো হৃদয়কে হিদায়াতের আলোয় আলোকিত করেন, তখন সেই হৃদয়কে আর কেউ অন্ধকারে ফিরিয়ে নিতে পারে না। . মক্কা বিজয়ের পর ইকরিমা (রা.) ইসলাম গ্রহণ করেন। সেই দিন থেকেই তাঁর জীবনের দিক বদলে যায়। অতীতের প্রতিটি ভুলকে তিনি তাওবা, ঈমান ও আত্মত্যাগ দিয়ে মুছে দিতে চেয়েছিলেন। ইসলামের জন্য তিনি এমনভাবে নিজেকে উৎসর্গ করেছিলেন যে, একসময় রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর বিরুদ্ধে যে তলোয়ার উঠেছিল, আজ সেই তলোয়ারই ইসলামের পতাকা রক্ষায় ঝলসে উঠছে। . ইয়ারমুকের সেই রক্তাক্ত প্রান্তরে দাঁড়িয়ে তাঁর কণ্ঠে উচ্চারিত "কে আছে, আমার হাতে মৃত্যুর শপথ নেবে?"—এই আহ্বান ছিল শুধু যুদ্ধের ডাক নয়; এটি ছিল একজন তাওবাকারী মুমিনের ঘোষণা, যিনি নিজের জীবন দিয়ে প্রমাণ করতে চেয়েছিলেন যে, আল্লাহর পথে ফিরে আসা মানুষ অতীতের অন্ধকারকে পেছনে ফেলে ইতিহাসের উজ্জ্বলতম নক্ষত্রে পরিণত হতে পারে। . . কি ঘটেছিল বাইআতুল মাওতের পর? . ইতিহাসের বিভিন্ন বর্ণনায় উল্লেখ আছে, প্রায় চার শতাধিক যোদ্ধা ইকরিমা (রা.)-এর হাতে এই অঙ্গীকার করেন। তারা প্রতিজ্ঞা করেন, “আজ হয় বিজয়, নয় শাহাদাত—ফিরে আসার জন্য আমরা অঙ্গীকার করিনি।” এ সময় ইকরিমা (রা.) তার সঙ্গীদের উদ্দেশে বলেছিলেন— "আমি বহু যুদ্ধে রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছি। আজ কি রোমানদের সামনে থেকে পালিয়ে যাব? আল্লাহর কসম! তা কখনো হবে না।" . এরপর তিনি ও তার সঙ্গীরা শত্রুর সবচেয়ে কঠিন অংশের দিকে ঝাঁপিয়ে পড়েন। তাদের এই আত্মোৎসর্গী আক্রমণ রোমানদের অগ্রযাত্রা মুহূর্তের জন্য থামিয়ে দেয়। সেই ক্ষণিক বিরতিই মুসলিম বাহিনীকে পুনরায় সারিবদ্ধ হওয়ার অমূল্য সুযোগ এনে দেয়। বদলে যায় যুদ্ধের গতি। শেষ পর্যন্ত আল্লাহ মুসলিমদের এমন এক বিজয় দান করেন, যা শামের ইতিহাসই বদলে দেয়। . . মৃত্যুর মুখেও অটুট ভ্রাতৃত্ব... . শত্রুর ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ার পর ইকরিমা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) অসংখ্য আঘাতে রক্তাক্ত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়লেন। এসময় তার সঙ্গে ছিলেন চাচা আল-হারিস ইবন হিশাম (রা.) এবং আরেক বীর সাহাবি আইয়াশ ইবন আবি রাবীআহ (রা.)। তিনজনই মৃত্যুর দ্বারপ্রান্তে। প্রচণ্ড তৃষ্ণায় তাদের ঠোঁট শুকিয়ে গিয়েছিল। . এমন কঠিন মুহূর্তে একজন সৈনিক সামান্য পানি নিয়ে এগিয়ে এল। প্রথমে পানি দেওয়া হলো ইকরিমা (রা.)-কে। ঠিক তখনই তিনি মারাত্মক আহত হারিস (রা.)-এর কাতর শব্দ শুনতে পেলেন। তিনি ইশারায় বললেন—"আগে তাকে দাও।" . পানি নিয়ে যাওয়া হলো হারিস (রা.)-এর কাছে। কিন্তু তিনিও দেখলেন, আইয়াশ (রা.) আরও বেশি কষ্টে আছেন। তিনিও বললেন—"আগে তাকে দাও।" . পানি পৌঁছাল আইয়াশ (রা.)-এর কাছে। তিনি পানি পান করার আগেই দেখলেন, অন্য দুজনের অবস্থা আরও সংকটাপন্ন। তিনি আবার ইশারা করলেন—"আগে তাদের কাছে ফিরে যাও।" . এসময় সৈনিক দ্রুত ইকরিমা (রা.)-এর কাছে ফিরে এলেন। কিন্তু...ততক্ষণে তিনি আল্লাহর ডাকে সাড়া দিয়েছেন। এরপর উক্ত সৈনিক দ্রুত হারিস (রা.)-এর কাছে ছুটে এলেন। দেখলেন তিনিও শাহাদাত বরণ করেছেন। শেষে তিনি আইয়াশ (রা.)-এর কাছে পৌঁছালেন। দেখলেন তিনিও আর দুনিয়ায় নেই। এক ফোঁটা পানিও কেউ পান করেননি। তিনজনই নিজের প্রয়োজনের আগে ভাইয়ের প্রয়োজনকে স্থান দিতে গিয়ে আল্লাহর কাছে ফিরে গেলেন।
আগামী ২ সেপ্টেম্বর ফ্লাইনাস এয়ারে ১ লাখ ৪৫ হাজার টাকায় ডিরেক্ট ফ্লাইটে স্টান্ডার্ড মানের প্যাকেজ রেডি আছে। কেউ আগ্রহী হলে, অথবা পরিচিত কেউ থাকলে 01855640147 হোয়াটসঅ্যাপে নক দিন... B2B available.
দায়িত্বগুলো মিলেমিশে আদায় করতে হয়। শুধু আপনারা দায়িত্ব পালন করবেন, বাঘ মামা কোনো দায়িত্ব পালন করবেন না, এটা তো হতে পারে না। এজন্য বন বিভাগের কার্যালয় একটু ঘুরে যেতে এসেছিলেন তিনি। আদব-কায়দা রক্ষা করে আপনারা স্বাগত জানান নাই, তাই বেশিক্ষণ তিনি থাকেন নাই। ঘুরে চলে গেছেন। বন বিভাগের ভাইয়েরা, দায়িত্ব ঠিকঠাক মতো পালন কইরেন। না হলে সরকার খেয়াল করুক বা না করুক বাঘ সাহেব কিন্তু খেয়াল কবরের মধ্যে নিয়ে আসতে পারেন। নিজে নেগরানি ভবিষ্যতে বন্ধ করে দেবেন এরকম কোনো নিশ্চয়তা নাই। জিম্মামাদারি ও নেগরানি চলবে।... .
এমন উন্মাদনায় মেতে থাকা লোকগুলো কোনো কথা ছাড়াই দাজ্জালকে রব হিসাবে স্বীকৃতি দিবে... আল্লাহ এমন বিকৃত মানসিকতা থেকে সবাইকে হেফাজত করুন, আমীন।
একটি সূত্র টোলা নিউজ-কে নিশ্চিত করেছে যে, ইমারতে ইসলামি এবং ইউরোপের কয়েকটি দেশের মধ্যে ইমারতে ইসলামির কূটনীতিকদের গ্রহণ করার বিষয়ে একটি সমঝোতা হয়েছে। সূত্রটির মতে, আগামী কয়েক দিনের মধ্যে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে অবস্থিত আফগান দূতাবাসগুলোতে দায়িত্ব গ্রহণের জন্য ইমারতে ইসলামির ছয়জন কূটনীতিককে পাঠানো হবে।
হজ্বের মহাবিস্ময় (২) কাবা: যা কখনো পরিবর্তিত বা নতুন হয় না: পবিত্র কাবা শরিফ মানবজাতির ইবাদতগাহগুলোর মধ্যে শ্রেষ্ঠত্ব ও মর্যাদার দিক থেকে প্রথম স্থান অধিকার করেছে। কোনো উপাসনালয়, আশ্রম, গির্জা বা ক্যাথেড্রাল এর সমকক্ষ হওয়া তো দূরের কথা, প্রতিযোগিতাও করতে…
হজ্বের মহাবিস্ময় (২) কাবা: যা কখনো পরিবর্তিত বা নতুন হয় না: পবিত্র কাবা শরিফ মানবজাতির ইবাদতগাহগুলোর মধ্যে শ্রেষ্ঠত্ব ও মর্যাদার দিক থেকে প্রথম স্থান অধিকার করেছে। কোনো উপাসনালয়, আশ্রম, গির্জা বা ক্যাথেড্রাল এর সমকক্ষ হওয়া তো দূরের কথা, প্রতিযোগিতাও করতে পারে না। মহান আল্লাহ বলেন: "নিশ্চয়ই মানবজাতির জন্য সর্বপ্রথম যে ঘরটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, তা বাক্কায় (মক্কায়) অবস্থিত; এটি বরকতময় এবং বিশ্ববাসীর জন্য হেদায়েতস্বরূপ।" [সূরা আল-ইমরান: ৯৬] যারা মানুষকে এই ঘর থেকে বিমুখ করে অন্য দিকে ফেরানোর চেষ্টা করেছিল, তারা সবাই ব্যর্থ হয়েছে। কাবা আল্লাহর একত্ববাদের প্রতীক এবং তাঁর সামনে অন্য সবকিছুর তুচ্ছতার প্রমাণ হিসেবে সগর্বে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে। এটি নিজেই একটি মোজেজা (অলৌকিক ঘটনা)। তবে মানুষের বুদ্ধি আরও বেশি স্তব্ধ হয়ে যায় অন্য এক মোজেজা দেখে তা হলো কাবাকে কেন্দ্র করে অবিরাম তাওয়াফ (প্রদক্ষিণ)। শীত-গ্রীষ্ম, দিন-রাত কখনোই এই তাওয়াফ বন্ধ হয় না। ঠিক যেমন সূর্যকে কেন্দ্র করে পৃথিবীর ঘূর্ণন এক অদ্ভুত ছন্দে চলতে থাকে, যা প্রমাণ করে মহাবিশ্বের এই সব গতিই কোনো না কোনোভাবে আল্লাহর ইবাদত।
আমাদের সাথে জুলাইয়ে উমরাহ পালন করতে চাইলে যোগাযোগ করুন। হোয়াটসঅ্যাপ: 01855-640147
একবার দরুদ, দশবার রহমত! দরুদ— দুঃশ্চিন্তার মহৌষধ! দরুদ— দোয়া কবুলের সোপান! দরুদ— কবরে নূর! দরুদ— কি*য়ামতে সুপারিশের সনদ! দরুদ— জান্নাতের পথের আলো! দরুদ মানেই রাসূল (ﷺ)- এর রাজ্যের মমতামাখা জবাব! দরুদ মানেই জান্নাতে নবীজির (ﷺ) সান্নিধ্যলাভ! দরুদে মিশে থাকুক হৃদয়, দরুদেই জুড়াক আত্মা! দরুদে কাটুক দিন, দরুদে কাটুক রাত! দরুদে রাঙুক জীবন, দরুদেই সাজুক ম’রণ! সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম! সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম! সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম! — উমায়ের কোব্বাদি (হাফি.)
হজ্বের মহাবিস্ময়... (১)
হজ্বের মহাবিস্ময়... (১)
আমাদের সপ্তম সীরাত প্রতিযোগিতার রেজিস্ট্রেশনের শেষ দিন আজ... যারা এখনও রেজিস্ট্রেশন করেন নি, দ্রুত সময়ের মধ্যে করে নিন... রেজিস্ট্রেশন লিংক: https://forms.gle/3xMDq5v6AgrVoX9i6
তারা কিন্তু দিন-রাত ৭/২৪ আমাদেরকে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির সবক শেখায়!!
без подписи
без подписи
без подписи
আলহামদুলিল্লাহ, আমাদের ৩৯ জনের কাফেলা মদীনায় পৌঁছেছে... জুলাই মাসে দুইটি কাফেলা যাবে, ইনশাআল্লাহ হোয়াটসঅ্যাপ: 01855640147
অনেকেই আজ আশ্চর্য হয়ে প্রশ্ন করেন: “দ।জ্জ।ল সম্পর্কে এত স্পষ্ট ও বিস্তারিত দিকনির্দেশনা থাকার পরও মানুষ কীভাবে তার অনুসারী হবে? মানুষ কীভাবে একজন চোখা-খোঁড়া মানুষকে ‘রব’ হিসেবে মেনে নেবে? বিশেষ করে নামধারী মুসলিমরাই বা কীভাবে এই ধোঁকায় পা দেবে?” এই কঠিন প্রশ্নগুলোর সহজ এবং বাস্তবসম্মত জবাব পেতে হলে, বর্তমান সময়ের ফুটবল উন্মাদনা ও ফুটবলার প্রেমের মনস্তত্ত্বের দিকে একটু নজর দিন: আমরা ঠিক যেই কারণে, যেই উদ্দেশ্যে এই তারকাদের ভালোবাসি; যেভাবে তাদেরকে নিজের 'আইডল' বানিয়ে অন্যের কাছে উপস্থাপন করি এবং তাদের বিরুদ্ধে কোনো কটু কথা সহ্য করতে পারি না—ঠিক এই মানসিক দুর্বলতাগুলোই একদিন মানুষকে দ।জ্জ।লের ধোঁকায় পতিত করবে। ১. অলৌকিকত্ব ও মোহের কাছে অন্ধত্ব: আজ আমরা কোনো ফুটবলারের জাদুকরী পারফরম্যান্সে এতটাই মুগ্ধ থাকি যে, মাঠের বাইরে তার ব্যক্তিগত বা নৈতিক চরিত্র কেমন, তা নিয়ে মাথা ঘামাই না। মোহের কারণে আমাদের যুক্তি-বুদ্ধি লোপ পায়। দ।জ্জ।লের ক্ষেত্রে: দ।জ্জ।ল যখন তীব্র দুর্ভিক্ষ ও সংকটের সময়ে আসবে, তখন তার একহাতে থাকবে রুটির পাহাড়, অন্যহাতে পানির নদী। তার ইশারায় আকাশ থেকে বৃষ্টি পড়বে, জমিন শস্য-শ্যামল হবে। ক্ষুধার্ত মানুষ তখন তার চরিত্রের চেয়ে নিজের পেটের ক্ষুধা মেটানো এবং তার অলৌকিক ক্ষমতার মোহে অন্ধ হয়ে তাকে অনুসরণ করবে। ২. তারকাদের মনস্তাত্ত্বিক দাসত্ব: আজকের দিনে মানুষ যেভাবে প্রিয় খেলোয়াড়ের জার্সি গায়ে জড়ায়, তার প্রতিটি আচরণ অন্ধভাবে অনুকরণ করে এবং তার কোনো সমালোচনা সহ্য করতে পারে না; এটা এক ধরণের মনস্তাত্ত্বিক দাসত্ব। দ।জ্জ।লের ক্ষেত্রে: মানুষের এই ‘চমকপ্রদ ক্ষমতার প্রতি অন্ধ আকর্ষণ’ এবং ‘ব্যক্তিপূজা’র মানসিকতাকেই দ।জ্জ।ল সবচেয়ে বেশি ব্যবহার করবে। সে যখন মৃত মানুষকে জীবিত করে দেখাবে, তখন এই তারকা-পূজারী মন খুব সহজেই তাকে ‘সুপারহিরো’ বা (নাউজুবিল্লাহ) ‘রব’ হিসেবে মেনে নেবে। ৩. নামে মুসলিমদের ঈমানী দুর্বলতা: অনেকে ভাবেন, “আমি তো জানি সে দ।জ্জ।ল, আমি কেন তাকে মানব?” কিন্তু ঈমান শুধু জানার নাম নয়, মানার নাম। বাস্তবতা: একজন মুসলিম খুব ভালো করেই জানেন যে পাঁচ ওয়াক্ত সালাত ফরজ। অথচ স্রেফ একটা ফুটবল ম্যাচের উত্তেজনায় কোটি কোটি মুসলিম সালাত কাজা করছেন, রাত জেগে ঈমানী শক্তি ক্ষয় করছেন, এমনকি প্রিয় দলের হার-জিতে একে অপরের সাথে বিবাদে জড়াচ্ছেন। আসল সংকট: যে মন আজ সামান্য একটা চামড়ার বলের খেলা আর বিনোদনের মোহে আল্লাহর হুকুম অনায়াসে ভুলে যেতে পারে, সে চরম সংকটের মুহূর্তে দ।জ্জ।লের বিশাল ফেতনা ও দুনিয়াবী লোভের সামনে নিজের ঈমান ধরে রাখতে পারবে!? তার নিশ্চয়তা কী? মূল কথা: দ।জ্জ।লের ফেতনা হঠাৎ করে আকাশ থেকে পড়বে না। আজকের মিডিয়া, বিনোদন আর তারকা সংস্কৃতি যেভাবে মানুষের মন থেকে আল্লাহর ভয় তাড়িয়ে দিয়ে "চাকচিক্য ও মোহের" দাস বানাচ্ছে, এটাই আসলে দা-জ্জা-লের অনুসারী হওয়ার প্রাথমিক মানসিক প্রস্তুতি (Groundwork)। যে হৃদয় আজ আল্লাহর চেয়ে দুনিয়ার কোনো সৃষ্টিকে বেশি ভালোবাসতে শিখেছে, সেই হৃদয় আগামীতে দা.জ্জা.লের জাদুতে অন্ধ হয়ে তাকে 'প্রভু' ডাকতেও দ্বিধা করবে না। আল্লাহ আমাদের সবাইকে এই ভয়াবহ ফেতনা থেকে হিফাজত করুন। আমিন। ✍️Iqbal Ahmed
без подписи