- Последний пост
- 12 авг.
- Последнее чтение
- 15 авг.
- Постов за неделю
- 4
- Всего постов
- 17
- Тип
- открытый
- Язык
- bn
- В каталоге с
- 13 авг.
- 1/24сутки в ленте
- 42
- 1/48двое суток
- 48
- 1/72трое суток
- 51
Оценка по просмотрам недавних постов: пост набирает почти всё за первые сутки.
Посты
Wa alaikumus salam wr না, আপনি যা খুজছেন তা খুজে পাওয়া যদি আপনার জন্য কল্যাণকর হয় তাহলে; আল্লাহ তা খুজে পাওয়ার তাওফিক দিক, আমীন৷
আল্লাহ আপনার পরিস্থিতি সহজ করুক। আপনি কম বেশি এই এডিকশনের ভয়াবহতা জানেন। আকাশের ওপারে আকাশ বইটায় বিস্তারিত পাবেন ইন শা আল্লাহ, অনুমোদিত পিডিএফ দিয়ে দিচ্ছি এ বিষয়টা লম্বা আলোচনা করা দরকার, প্রতিটা মানুষের এডিকশনের ধরণ একই রকম না আর পরিস্থিতি সাপেক্ষে সমাধান ভিন্ন হয়। কিন্তু আমাদের চারপাশে এমন কোনো প্রতিষ্ঠান জানা নেই যারা আল্লাহর জন্য এমন সেবা দিয়ে থাকে, কাউন্সেলিং করে। পেইড কিছু হয়ত থাকতে পারে। আপনি যতটুক বলেছেন সেটার সাপেক্ষে কিছু নাসিহা করছি আপাতত- ১. দেখুন, প্রথমে আপনার ভেতর থেকে একটা বিষয় অনুধাবন করুন, এ গুনাহটা কত ভয়াবহ। এ গুনাহের কারণে আপনি আল্লাহর কাছ থেকে কত রহমত বরকত হারাচ্ছেন, আপনার আমলের গুণগত মান নষ্ট হচ্ছে। একটু মন দিয়ে ভাবুন। ২. যেকোনো এডকিশন না কমালে এটা বাড়বেই। এটা সম্ভব না যে এডিকশন একই ধারায় চলবে। আপনার জীবনসঙ্গীর কথা ভাবুন। আপনার এই অভ্যাস আপনাকে শারীরিক মানসিক ভাবে যে কতটা ক্ষতি করছে তা আপনি যেমন ফেস করতে হবে তেমনি আপনার জীবনসঙ্গী ও। আর এ অবস্থায় যদি মৃত্যু হয় তবে? আজ যেটা সল্পমাত্রায় আছে সেটা একদিন আপনার দুনিয়া ও আখিরাত সব শেষ করে দিবে। ৩. এই ধরনের গুনাহের অন্যতম ভয়ানক দিক, যেটা অনেক ভাইবোন সামলাতে পারেন না সেটা হলো হুট করে মনের মধ্যে গুনাহের ইচ্ছে চলে আসে এবং এই ইচ্ছে দমানো অসম্ভব হয়ে পরে৷ কেউ কেউ দেখা গিয়েছে সাপ্তাহ মাস নিজেকে কন্ট্রোল করলো কিন্তু হঠাৎ কয়েক সেকেন্ডের জন্য এই গুনাহের কিছু সামনে চলে আসলো তখনই যে গুনাহের উদ্রেক হয় তা থেকে আর বের হতেই পারেন না৷ অন্তরে গুনাহর কল্পনা চলতেই থাকে। গুনাহ হয়েই যায়। সপ্তাহ, মাস ধরে যে সবর করা হয়েছে তা মূর্হুতে শেষ হয়ে যায়। এতে করে করে মানুষটা ভেতর থেকে দূঃখ কষ্ট হতাশায় শেষ হয়ে যায়। এ গোলকধাঁধা আপনাকে মানসিক ভাবে শেষ করে দিবে। আল্লাহ চাইলে কখনো বিস্তারিত লিখব, ইন শা আল্লাহ। নিচে দুটো বই সহ বিস্তারিত বেশ কিছু রিসোর্স দিলাম, সময় করে পড়বেন, শুনবেন৷ টপিক: পর্ণ, অশ্লীলতা থেকে বেঁচে থাকার উপায় অনুমোদিত পিডিএফ: আকাশের ওপারে আকাশ: https://t.me/Hope24hoursbook/215 মুক্ত বাতাসের খোজে: https://t.me/Hope24hoursbook/144 প্রয়োজনীয় কিছু অডিও: https://t.me/islamicpodcastBN/2955 প্রয়োজনীয় কিছু ভিডিও: (আর দেখব না পর্ণ সিরিজ) https://t.me/RijalatTaqwa/56 মৃত্যু ও আখিরাত নিয়ে: (মৃত্যুর ভয় ও ইমান বৃদ্ধির জন্য) https://t.me/BaseeraUnofficial/7 @a_teardrop aka @HopeDM
без подписи
এমনটা চিন্তা করেছি অনেক আগেই। ছোট পরিসরে অল্প কিছু মানুষকে গাইড করা হয়েছে। বড় পরিসরে এরকম পরিকল্পনা করেও আগানো হয়নি। কারণ এমন কোনো এপ আপাতত নেই যেখানে ইউজাররা একজন আরেকজন থেকে আলাদা করে রাখা যাবে। টেলিগ্রাম, ফেসবুক যে গ্রুপেই রাখা হোক পরে ইউজারদের নিয়ন্ত্রণ করা কষ্টকর হয়ে যাবে। একজন আরেকজনের সাথে যোগাযোগ করা, মন্তব্য করা এসব বিষয় হাতের বাইরে চলে যাবে। এ ধরনের কোনো কিছু শুরু করলে মূল লক্ষ্য এটাই হবে যে একজন ব্যাক্তি তার সমস্যাটা গোপন রেখে পরামর্শ নিতে পারছে এবং সমস্যাটা একজন বা অল্প কয়েকজনই জানতে পারছে। কারণ গুনাহ প্রকাশ অত্যন্ত ভয়াবহ রকমের গুনাহ। অত্যন্ত। ধাপে ধাপে একটা মানুষকে গাইড করা, তার সমস্যা বুঝে তাকে মোটিভেট করে গাইড করা। বেশ বড় প্রসেস। সব ভেবে এ বিষয়ে আগানো হয়নি। ভবিষ্যতে আল্লাহ সার্মথ্য দিক, আপাতত এই দুআ করে দিন। @a_teardrop aka @HopeDM
“হে মুমিনগণ! তোমরা আল্লাহর কাছে তাওবা কর---বিশুদ্ধ তাওবা; সম্ভবত তোমাদের রব তোমাদের পাপসমূহ মোচন করে দেবেন।”[সূরা আত-তাহরীম আয়াত: ৮] “গুনাহ্ থেকে তাওবাকারী ব্যক্তি ঐ ব্যক্তির মত, যার কোনো গুনাহ্ নেই।”[ইবনু মাজাহ, হাদিস নং- ৪২৫০ ] "কিন্তু যারা তাওবা করবে এবং ঈমান আনবে আর নেক কাজ করতে থাকবে আল্লাহ তাদের পাপসমূহকে পুণ্যে পরিবর্তন করে দিবেন। আর আল্লাহ বড়ই করুণাময়।" (সূরা আল ফুরকান) ----- গুনাহ হয়ে যাবার পর বান্দা যখন তওবার দিকে আগায় তখন শয়তান তাকে প্রথম যে ফাদে ফেলে তা হলো আরেহ এত বড় গুনাহ করেছো, হক নষ্ট করেছো, তোমার ত কষ্টে মরে যাওয়াই ভালো, তুমি সবচেয়ে নিচ, তুমি ভালো কিছুর যোগ্য না... অথচ স্বয়ং আল্লাহ কুরআন ও হাদীসে বহুবার বান্দাকে বলেছেন আল্লাহ তওবাকে কত ভালোবাসেন। এমনকি এটাও বলেছেন যে তওবা করলে অতীতের গুনাহ মুছে দিয়ে নেক আমল দিয়ে পরিবর্তন করে দিবেন। হে আমার বোন, শয়তান কি চাইবে আপনি আবার পবিত্র আত্নার অধিকারী হোন? সে ত আপনার গুনাহের বোঝা ভারী করতে চায়। অথচ আল্লাহ চান আপনার বোঝা হালকা হোক। নিশ্চয়ই, মা শা আল্লাহ বারাকাল্লাহু ফী আপনাকে আল্লাহ ভালোবাসেন। ভালোবাসেন বলেই গুনাহতে লিপ্ত রাখেননি। দেখুন চারপাশে কোটি কোটি তরুণ তরুণী আল্লাহর নাফরমানি করছে, আল্লাহ ত আপনাকে ভালোবাসেন বলেই তাদের অন্তর্ভুক্ত করেননি। আজ যখন আল্লাহর পথে আসছেন তখন এমন সব ভাবছেন যা আপনাকে আল্লাহ ভাবতে বললেনি। তিনি গুনাহের পরিণতি মুছে দিবেন, তিনিই ত বলেছেন তওবার পর নেক আমল দিয়ে সেই অতীত পরিপূর্ণ করে দিবেন...বলেননি? নির্ভার হোন বোন, আল্লাহর কাছে ফিরে আসুন নিশ্চিন্ত চিত্তে... ---- ঘুমিয়ে পড়ুন, তাহাজ্জুদ এর বান্দা হোন, এই পথের শেষ যেন জান্নাত হয়... @a_teardrop aka @HopeDM
без подписи
শয়তান সফল হয়েছে, কি ভাবছেন, ছবি দেয়াতে সে সফল? না, আপনি ছবি দিয়ে অনুশোচনায় ভুগছেন, কিন্তু এই যে অনলাইনে পছন্দ... গায়রে মাহরাম এর সাথে এসব বিষয় যে কি ভয়ংকর গুনাহ সেটা কত হালকা হয়ে গিয়েছে। বরং ছবির বিষয়টাকে শয়তান আপনাকে এখন কত বড় করেই না দেখাচ্ছে। অথচ শয়তান আপনাকে একদিন এ এখানে আনেনি, বরং গুনাহ করাতে করাতে গুনাহকে হালকা করে তবেই এখানে এনেছে। কোনো ছেলেকে ভালো লাগলে পারিবারিক ভাবে প্রস্তাব দিন বা দিতে বলুন। যে পরিবার সহ আপনাকে চাইতে আসলো না তার কাছে আপনার মূল্যই বা কতটুকু? আর বিয়েটা না হলে আপনার ভবিষ্যৎ স্বামীর কথা ভেবে প্রচন্ড কষ্ট হচ্ছে। আল্লাহ সবর এর তাওফিক দিক, আমীন। আর বোন, যে চোখ কিয়ামতের দিন আল্লাহকে দেখবে সে চোখের জন্য এসব মানায়? আপনার জন্য সময় করে কিছু কথা লিখব, আজ এখানে থাকুক। সকালের এই সময়ে সকল প্রাণী আল্লাহর প্রশংসা করে, আপনিও দুআ তাসবিহ তে ব্যস্ত থাকুন৷ গুনাহ এখানেই থামিয়ে দিন। মা শা আল্লাহ এতটুকুতেই আপনার অন্তর পুড়ে যাচ্ছে, এই অনুশোচনাই তওবা। আর না হোক...@HopeDM @a_teardrop
আমি জানি না, আমার সমাধান জানা নেই। আমার পুরো একটা জীবন চোখের সামনে শ খানেক মানুষকে দেখেছি যারা আপনার মত পরিস্থিতিতে গিয়েছে। (আমি নিজে ও পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া) তবে আমি একটা জিনিস জানি, এ বিষয়গুলোর পরিণতি জানি। একটা সময় আসবে এই আবেগ বাস্তবতার সাথে আর মিলবে না। বাস্তবতার ধাক্কায় দেখবেন হুট করে বয়সটা অনেক হয়ে গিয়েছে। নিজের ভেতরে থাকা আবেগ গুলো শেষ হয়ে গিয়েছে। না পেয়েছেন ওই মানুষকে, না পেয়েছেন নিজেকে। নিজের বলে কিছুই নেই, কিছুই ভালো লাগে না। আর আখিরাত? দিনকে দিন এই গুনাহের ফলে আল্লাহ কে অনুভব করা ত দূরে থাকুক, তওবা করা যে প্রয়োজন সেটাই হয়তো ভুলে যাবেন। আমার সত্যিই জানা নেই আপনার সমস্যার সমাধান, শুধু জানি, আপনার সামনে একটা ভয়ংকর পরিস্থিতি অপেক্ষা করছে যদি বের হতে না পারেন। ছোট্ট একটা পরামর্শ দিতে পারি, বুঝতে পারলে হয়ত পরিস্থিতি বুঝবেন। আগুন লাগা ঘরে আসবাবপত্রের মায়া করতে নেই, জীবনটা নিয়ে বের হওয়াই আসল। কিন্তু হারামের আগুনের পোড়াটা বহুবছর পর হয়, তাই জীবনটা নিয়ে বের হওয়ার আগেই অনেকে মারা যায়... কখনো যদি সব শেষ হয়ে যায়, যে পরিস্থিতির কথা বলেছি সেটায় চলে যান লিভ আস আ নক @HopeDM ... @a_teardrop
হ্যাঁ, এটাই তোমার শেষ পরিণতি। অথচ 'আজ তোমার কত অহংকার'!
প্রশ্ন: দুজন ভিন্ন বোনের প্রশ্নের বিষয়বস্তু এমন যে বাসার বাইরে পড়াশোনার জন্য অবস্থান করতে হচ্ছে, ও নানা কষ্ট সহ্য করতে হচ্ছে। নিজেদের এ অবস্থা থেকে বের করার মত কেউ নেই ওনাদের। পরিবার বাধ্য করছে এমন পরিবেশে অবস্থান এর জন্য। তাদের জন্য উত্তর: আপনি সহ অনেককেই এমন প্রতিকূল পরিবেশ সহ্য করতে হচ্ছে, আমাদের সমাজ ব্যবস্থা আমাদের ছেলেমেয়েদেরকে এমন একটা পরিবেশে ঠেলে দিচ্ছে যেখানে সুকুন বলতে কিছু নেই। বরং রয়েছে হারাম, অশ্লীলতা আর কষ্টের ছড়াছড়ি। ক্যারিয়ার পড়াশোনার নামে অনৈসলামিক এই পরিবেশ আমাদের অন্তরগুলোকে ভেঙ্গে দিচ্ছে। অনেক সময় এই অন্ধকার কতটা নিকষ কালো তা আমরা নিজেরাও বুঝি না। কারণ আমরা অনেকেই পরিপূর্ণ ইসলামিক পরিবেশে বড়ই হইনি। ফলে আমাদের অন্তরের পক্ষে সুকুন এর কল্পনা প্রায় অসম্ভব। আর দূঃখজনক ভাবে, ফিতনার ভয়াবহ এই দিনগুলোতে মিথ্যা ও মুনাফেকী ইসলামিক লেবাসে আমাদের চারপাশ পরিপূর্ণ হয়ে গিয়েছে। এখন করণীয় আসলে কি? স্ট্রেট ফরোয়ার্ড করণীয় এমন কিছু বলা মুশকিল, সবার পরিবেশ, চাহিদা ভিন্ন। খুব সংক্ষিপ্তভাবে করণীয় এমন যে, ব্যাক্তিগত ভাবে ফরজ আমল গুলোকে গুরত্ব দেয়া আর গুনাহ থেকে দূরে থাকা। যিকির করা। এতে করে আল্লাহ অন্তরকে কিছুটা হলেও স্টেবল রাখবেন, ইন শা আল্লাহ। এরপর উত্তম কিছুর নিয়ত করে দুআ করা। এবং হারাম পরিবেশ থেকে মুক্ত হওয়ার জন্য দুআ করুন। আমরা দুআ কে বেশ হালকা ভাবে নিই। কারণ চারপাশে অধিক দুআ করা মানুষ অনুপস্থিত। অধিক দুআ ও আল্লাহর উপর ভরসা একটা বিশেষ আমল। এটা একটা সিড়ির মত, যেখানে মুমিন পরীক্ষা ও বিপদের পর দুআ আর ভরসার মাধ্যমে আল্লাহর কাছাকাছি যেতে থাকে। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘আর আমরা তোমাদের অবশ্যই পরীক্ষা করব কিছু ভয়, ক্ষুধা এবং ধন-সম্পদ, জীবন ও ফসলের ক্ষয়ক্ষতি দ্বারা। আর আপনি সুসংবাদ দিন ধৈর্যশীলদের।’ (সুরা বাকারা, আয়াত : ১৫৫) ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত, ‘যদি সব উম্মত তোমার কোনো উপকারের উদ্দেশ্যে ঐক্যবদ্ধ হয়, তাহলে ততটুকু উপকার করতে পারবে, যতটুকু আল্লাহ তাআলা তোমার জন্য লিখে রেখেছেন। অন্যদিকে যদি সব উম্মত তোমার কোনো ক্ষতি করার উদ্দেশ্যে একতাবদ্ধ হয়, তাহলে ততটুকু ক্ষতি করতে সক্ষম হবে, যতটুকু আল্লাহ তাআলা তোমার তকদিরে লিখে রেখেছেন। কলম তুলে নেওয়া হয়েছে এবং লিখিত কাগজও শুকিয়ে গেছে।’ (তিরমিজি, হাদিস : ২৫১৬ ) আল্লাহ যার কল্যাণ চান তাকে বিপদে আক্রান্ত করেন। -সহীহ বুখারী, হাদীস ৫৬৪৫ তাই দুআ আমল দ্বারা বিপদ ও কষ্ট মোকাবেলা করুন। সবর এর মাধ্যমে দিনগুলো অতিবাহিত করুন। ফিতনা, অশ্লীলতা ও কষ্ট থেকল বাচার দুআ ও সর্বাত্নক চেষ্টা করুন। আমি লম্বা সময় চেষ্টা করেছি, হোপে কুরআনের তাফসীর নিয়ে সিরিজ শুরু করার। এটা হচ্ছে না। নানা কারণে, সবচেয়ে বড় কারণ, হয়ত আমি বড় গুনাহগার। তাই এত ভালো কাজ এর তাওফিক আল্লাহ দিচ্ছেন না। যদি কুরআন ও সহজ কোনো তাফসীর নিয়ে গভীর ভাবে পড়েন, তাহলে আপনি প্রতিটা বিপদে আল্লাহকে অনুভব করতে পারবেন। বিশেষ, আপনারা যারা নিজের কোনো ভুল কিংবা পরিবারের কারণে বাধ্য হয়ে কষ্টে পতিত হয়েছেন, কিন্তু সাহায্য করার মত দুনিয়াতে কেউ অবশিষ্ট নেই। কুরআন খুব জীবন্ত কিতাব, আপনি যখনই কুরআন পড়বেন, বুঝার চেষ্টা করবেন, দেখবেন আল্লাহ কিছু না কিছু আপনার পরিস্থিতি অনুযায়ী নির্দেশনা দিচ্ছেন। এখানে, উল্লেখ্য, আমার মত গুনাহগারের অভিজ্ঞতায় দেখেছি, এরকম জার্নিতে আরেকটা গুরত্বপূর্ণ জিনিস হলো, নিজের সাথে প্রতারণা না করা৷ সেটা আবার কি? যেমন গুনাহ হয়ে গেলে দূর্বলতা স্বীকার করে দ্রুত আল্লাহর কাছে ফিরে আসুন। ভুল গুলো স্বীকার করুন৷ অলসতা করছেন, সময় মত ইবাদত হচ্ছে না, আল্লাহ কে বলুন। কখনো আল্লাহর দয়া নিয়ে সিরিজ করবো, আমরা অনেকে জানিই না আল্লাহ কতটা দয়ালু। আল্লাহ বোঝার তাওফিক দিক, আমীন। অনেক কথা লিখে ফেলেছি, আল্লাহ আপনাদের এই গুনাহগার বান্দার কঠিন কথা সহজ করে বোঝার তাওফিক দিক, আমীন। সময় করে প্রতিটা উল্লেখ করা টপিক বিস্তারিত লেখার চেষ্টা করব ইন শা আল্লাহ। @a_teardrop
হুশআপ থেকে। - Shihab Ahmed Tuhin
মানুষের থেকে আশা করা থামিয়ে দিন, দুনিয়ার প্রতি গুরত্ব কমিয়ে দিন। আল্লাহর সাথে সম্পর্ক উন্নয়নের চেষ্টা করুন। আল্লাহকে ভালোবাসেন সেটা কাজে আর ইবাদতে প্রমাণ করার চেষ্টা করুন। নিজের সাথে যদি সৎ থেকে চেষ্টা চালিয়ে যান, খুব শীঘ্রই অন্তরে সুকুন পাবেন। ক্ষেত্র বিশেষে নিয়ত করার সাথে সাথেই। বেশি বেশি দুরুদ পাঠ করুন। অধীনস্থ কেউ থাকলে তাদের উপর জুলুম করবেন না। ইন শা আল্লাহ সব ঠিক হয়ে যাবে
হ্যা, হোপের লেখা বাইরে শেয়ার,কপি করতে পারেন
অনেক বেশি দুআ আর তাহাজ্জুদ এর আমল করুন। আজকের যুগে দ্বীনদার জীবনসঙ্গী আল্লাহর দেয়া বিশেষ নিয়ামত৷ মানুষের প্রচেষ্টা করা উচিত, তবে তা চাইলেও পুরোপুরি সম্ভব নয়। তাই এটা দুআয় সর্বোচ্চ গুরত্ব দিন।
A Queen 🎀
Channel photo updated
Channel created