tgindex
Mohammad Abid | মুহাম্মাদ আবিদ

Mohammad Abid | মুহাম্মাদ আবিদ

Статистика

লোক || ডায়েরি || অতিসাধারণ

Последний пост
14 авг.
Последнее чтение
15 авг.
Постов за неделю
24
Всего постов
30
Тип
открытый
Язык
bn
В каталоге с
13 авг.
Подписчики
461
+7 за 2 дн.
Сутки
0
0,00%
Неделя
 
Месяц
 
Просмотров на пост
178
28 постов
Вовлечённость
38,6%
к подписчикам
Постов в день
3,4
всего 30
Упоминаний
4
каналов
Охват размещения
оценка
1/24сутки в ленте
154
1/48двое суток
176
1/72трое суток
190

Оценка по просмотрам недавних постов: пост набирает почти всё за первые сутки.

Посты

  • ঢাকার বাইরে বসে কাজ করার ডাবল খাটনি। সব ধরনের কাজেই কষ্ট, পরিশ্রম বেশি করতে হয়। একেকটা প্রোগ্রামের জন্য আমাদের কি পরিমান দৌড়ঝাপ করা লাগে এর হিসাব নাই। ঢাকাতে কমিউনিটির লোকজন আছে তাই এদিক সেদিক থেকে নুসরত আছে। মানুষ গুরুত্ব দেয়। জানি আল্লাহ বেশি পরিশ্রমের জন্য বেশি বিনিময় দিবেন কিন্তু তবুও আমরা মানুষ তো — ক্লান্ত লাগে। মাঝে মাঝে মনে হয় ঢাকা রেখে এদিকে আসা মস্ত বড় ভুল হয়েছে, আবার মাঝে মাঝে হুশ হয় এটাই আমার তাকদির। মাঝে মাঝে মনে হয় সব ছেড়ে রেখে চলে যাই। এভাবে আর হয়না। নিজের উপরেই বিরক্তি চলে আসে। আমার জন্য আপনারা একটু খাছ করে দুআ করবেন। আল্লাহ যেনো আমাকে সহিসালামতে এখান থেকে সফলভাবে বের করে ভালো কোথাও থিঁতু করেন।

  • হযরত আশরাফ আলী থানভী রহ. বলেন, এমনভাবে সুপারিশ করবেন না যার দ্বারা অন্য মানুষ প্রভাবিত হয়। যার দ্বারা চাপ পড়ে এ জাতীয় সুপারিশ জায়েয নেই। কেননা ‘সুপারিশ’ এর মর্ম হল ‘মনোযোগ আকৃষ্ট করা।’ অর্থাৎ আমার বিবেচনায় এ ব্যক্তি অভাবগ্রস্ত এবং আমি আপনার মনোযোগ আকৃষ্ট করছি যে ইনি খরচের যথোপযুক্ত খাত। এ ব্যক্তির পিছনে কিছু খরচ করলে আপনি ইনশাআল্লাহ অনেক সাওয়াব পাবেন। সুপারিশের অর্থ এই নয় যে এ কাজটা আপনি অবশ্যই করে দিন। আপনি করে না দিলে আমি অসন্তুষ্ট হয়ে যাব। মনক্ষুণ্ন হব। এটা সুপারিশ নয় বরং চাপ প্রয়োগ। বই: ইরশাদাতে আকাবির পৃ. ২২ ইরশাদাতে আকাবির বইটি হলো মুফতি তাকী উসমানী দা. বা. এর বিভিন্ন মজলিশে দেওয়া বক্তব্যের সংকলন যেখানে তিনি আকাবিরদের বিভিন্ন উপদেশ ও নির্দেশ বর্ণনা করেছেন।

  • মনের মানুষ বলতে শুরুতে আসলে কিছু হয়না। বিয়ের পর ধীরে ধীরে দুজন মনের মানুষ হয়ে উঠে। মনের মানুষ মানে তার সাথে কোনো অভিমান নেই, অভিযোগ নেই এমন নয়। এসব থেকেও সে মনের মানুষ হয়ে উঠে। দুজনের প্রতি দুজনের আত্মার সম্পর্ক তৈরি হয়ে যায়। তখন দেখা যায় বছরের পর বছর দুজন মানুষ বিনা শেঁকলে মুক্ত পাখির মতো হয়েও ঘর ছেড়ে যাচ্ছেনা। যেনো মন ও আত্মার কোনো অদৃশ্য টান আছে। মানুষ মনোযোগের জন্য ক্ষুধার্ত। বিয়ের পর শুরুতে মনোযোগ সবাই দিতে পারে। তবে সারাজীবন মনোযোগের মাঝে রাখা হচ্ছে গুরুত্বপূর্ণ। তাকে সময় দিন, গুরুত্ব দিন, সম্মান দিন এবং এগুলোর মিশ্রণ হলো মনোযোগ। ছোট থেকে ছোট দৈনন্দিন কাজে তাকে উল্লেখ করুন। যেনো মনে হয় সে আছে বলেই আপনার দিনে সূর্য আর রাতে তারা আসছে। সে না থাকলে পৃথিবী আজ বন্ধ হয়ে যেতো। সত্যিই এমন হতে হবে না, যেনো সে এমন অনুভব করে সেটা হতে হবে। একে অপরের কাজকে মূল্যায়ন করুন, চেষ্টাকে উৎসাহিত করুন, অবদানের কৃতজ্ঞতা আদায় করুন। স্বামী তার স্ত্রীর জন্য ভালো খাবার কিনে আনবে, সুন্দর পোশাক কিনে আনবে এটা স্বাভাবিক। তবুও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে হবে। আপনি খুশি আপনি কৃতজ্ঞ আপনি তাকে নিয়ে সন্তুষ্ট একথাটি জানিয়ে দিন। স্ত্রী স্বামীর জন্য রান্না করবে, সুন্দর করে ঘরদোর গুছিয়ে রাখবে, অধীর হয়ে অপেক্ষা করবে এটা স্বাভাবিক। তবুও তার রান্না যে চমৎকার হয়, সে আপনাদের বাসাকে পরিপাটি রাখে, সে আপনার জন্য অপেক্ষা করে। এজন্য আপনি খুশি, কৃতজ্ঞ, সন্তুষ্ট একথাটি বলে দিন। তাকে ধন্যবাদ জানান। আপনার জন্য তিনি যা করেন এরজন্য তাকে মন থেকে সম্মান করুন। কৃতজ্ঞতা প্রকাশের একটি পরোক্ষ কিন্তু প্রভাবশালী উপায় হলো তার পছন্দের কাজগুলো করা এবং অপছন্দের কাজগুলো করা থেকে নিজেকে সরিয়ে রাখা। এগুলো দুজনের ভিন্নতাকে আড়াল করে এবং মনকে একত্রিত করে। ধারণা; বিয়ে স্বপ্ন থেকে অষ্টপ্রহর বই থেকে। লেখক: মির্জা ইয়াওয়ার বেইগ প্রকাশনী: সিয়ান পাবলিকেশন (হুবহু না, নিজের মতো শর্ট করলাম)

  • আমাদের সমাজের অনেক মা তাদের ছেলেদের বিয়ে দিতে আতঙ্কিত বোধ করেন। তারা মনে করেন, ছেলের বউ এলে তিনি তার গুরুত্ব হারাবেন। তাই ছেলের বউ ঘরে এলে তার সাথে এক ধরনের অলিখিত প্রতিযোগিতা শুরু হয়ে যায়। মনে রাখবেন, আপনি যদি আপনার ছেলের বউয়ের প্রতিযোগী হয়ে ওঠেন, আপনি হারলে তো হারলেনই; জিতলেও হারলেন। তাই এই পথ ছেড়ে দিন, ওদেরকে ওদের মতোই থাকতে দিন। তাদের দাম্পত্য জীবন, সাংসারিক কিংবা ব্যক্তিগত বিষয়ে কোনো প্রশ্ন করবেন না। ‘তোমরা কি সুখী?’—এ ধরনের প্রশ্ন তো ভুলেও করতে যাবেন না। বাবা-মা এবং শ্বশুর-শাশুড়ি যাদের দাম্পত্য জীবনে অতিরিক্ত আগ্রহ দেখিয়েছেন এমন কোনো সংসার আমি শান্তিপূর্ণভাবে টিকে থাকতে দেখিনি। একই সাথে নব দম্পতিদের বলছি, আপনাদের দাম্পত্য জীবন সম্পর্কে বাবা-মা’র অতি উৎসাহ দেখতে পেলে তাদের নিরুৎসাহিত করুন। বিয়ে করার যথেষ্ট বয়স যখন আপনাদের হয়েছে, সমস্যা সমাধানের বয়সও হয়েছে আপনাদের। সমস্যা হলেই যদি বাবা-মা’র কাছে দৌড়াতে হয় তাহলে ডায়াপার পরে বসে থাকুন। আপনি আসলে সংসার করার জন্যই প্রস্তুত হননি এখনো। আপনার মা যদি আপনাকে ফোন করে বলেন, “যখন তুমি তাকে ‘এটা’ বলেছিলে তখন সে ‘কী’ বলেছিল?” তখন মা’কে বলুন, “সরি মা, ও আমাকে কী বলেছে সেটা আমি তোমাকে বলতে পারব না।” কথাটি হাসিমুখে এবং স্পষ্ট করে বলুন। বই: বিয়ে (স্বপ্ন থেকে অষ্টপ্রহর) লেখক: মির্জা ইয়াওয়ার বেইগ প্রকাশনা: সিয়ান পাবলিকেশন

  • বিয়ের পর দুজনের মাঝে একে অপরের অপছন্দনীয় বৈশিষ্ট্য চোখে পড়তে শুরু করে। প্রথম কয়েক সপ্তাহ বৈচিত্র্য হিসাবে এগুলো ভালো লাগলেও একসময় সমস্যা হয়। সুখের বিষয় হলো এগুলোর সমাধান আছে। সমাধান হলো, বিপরীত বৈশিষ্ট্যগুলোকে স্বীকার করে সঙ্গীর সমালোচনা থেকে একদম বিরত থাকা। তিনি একজন ভিন্ন মানুষ তার ভিন্ন পছন্দ, অপছন্দ, ভালো লাগা, মন্দ লাগা আছে। এটাকে স্বাভাবিকভাবে নেয়া। সব বিষয়ে মন্তব্য করা যাবেনা। কিছু বিষয় এড়িয়ে যেতে হবে। গুরুতর অন্যায় ছাড়া বিভিন্ন বিষয়ে কঠোর হওয়া যাবেনা। একজন নয়, দুজনকেই করতে হবে। ধারণা; বিয়ে স্বপ্ন থেকে অষ্টপ্রহর বই থেকে। লেখক: মির্জা ইয়াওয়ার বেইগ প্রকাশনী: সিয়ান পাবলিকেশন (হুবহু না, নিজের মতো শর্ট করলাম)

  • Highly recommended টপিক: ইসলামের ইতিহাস বনাম বিকৃতি আলোচক: ইমরান রাইহান https://youtu.be/q9jdTnaoJA8

  • বিলম্ব হলেও তালা মজবুত কিনেছি ডুকতে দিবনা কাউকে ‐ হয়তো দূর থেকে তালা দেখে তুমিও উঁকি দেবে না! তা–তে–কি! আমার হযবরল হৃদয় না হয় পরিত্যক্ত দালানের মতো রইলো কালেভদ্রে দুটো চড়ুই কবুতর বাসা বাঁধবে। না হয় কেউ এলো না, একাই থাকলো হৃদয় তা–তে–কি? আমি তো খেয়ানত করিনি! একটি ভগ্ন তবুও কাঙ্গাল হৃদয় আমার পাওনা — জমিয়েছি দু আনা সুখ ধার দিব। দূর থেকে তালা দেখে না আসা তুমি হয়তো নেবে না সে সুখ! তা–তে–কি? আমি না হয় দু আনা সুখ নতুনগঞ্জে বিঁকিয়ে দেবো! /:

  • আমাদের প্রত্যেকের মাঝে কিছু প্রান্তিকতা থাকে। হয়তো কেউ অনেক বেশি একরোখা। কারো হয়তো হৈ-হুল্লোর একদম পছন্দ না। কারো হয়তো সহজেই রাগ চলে আসে। কেউ হয়তো কথা বলা ছাড়া থাকতে কষ্ট হয়। আবার কারো হয়তো কথা কম বলা পছন্দ। কারো ঘরে থাকতে ভাল্লাগে আবার কারো ঘরে বসে থাকা অপছন্দ। বিয়ের পর এধরনের প্রান্তিকতা ছাড়তে হয়, দুজনের বিপরীত বৈশিষ্ট্য থাকলে মাঝামাঝি একটা বোঝাপড়া তৈরি করতে হয়। হয়তো একজনের মাঝে মাঝে বাইরে ঘুরতে ভালো লাগে কিন্ত অন্যজনের ভালো লাগেনা। তখন মাঝামাঝি হিসাবে কখনো কখনো বাইরে যেতে হয়। এভাবে বিষয়গুলো মীমাংসা করতে হয়, মানিয়ে নিতে হয়, ছাড় দিতে হয়। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সবকিছু একরকম মিলিয়ে বিয়ে করা যায়না। মূল গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলো একরকম হলে, বাকিগুলো মানিয়ে নেওয়ার মন প্রস্তুত করে নিতে হয়। পৃথিবীর ভিন্ন দুটি মানুষ কখনো এক হয়না। ভিন্নতা থাকে। সব স্বামী-স্ত্রীর মাঝেই ভিন্নতা আছে। মানিয়ে নেওয়ার মাঝেই শান্তি ও ভালোবাসা। ধারণা; বিয়ে স্বপ্ন থেকে অষ্টপ্রহর বই থেকে। লেখক: মির্জা ইয়াওয়ার বেইগ প্রকাশনী: সিয়ান পাবলিকেশন (হুবহু না, নিজের মতো শর্ট করলাম)

  • পাত্র-পাত্রীর সাক্ষাত প্রথম দেখায় কূটনৈতিকভাবে সঠিক বা বিনয়ী হওয়ার ভান করবেন না। কোনো বিষয়ে আপনার কোনো দৃঢ় অভিমত থাকলে কথোপকথন ঠিক রাখার স্বার্থে সেটাকে লুকাবেন না বা তুচ্ছ জ্ঞান করবেন না। হতে পারে সেটা আপনার ধর্মীয় কিংবা পারিবারিক মূল্যবোধ সংক্রান্ত কোনো বিষয়। হতে পারে সেটা বাবা-মা’র সাথে একসঙ্গে থাকা, বা আপনার পোষা বিড়ালটি আপনার সাথে বিছানায় থাকার মতো বিষয়। যা-ই হোক না কেন—এটা যদি গুরুত্বপূর্ণ কিছু হয়—বলে দিন। পরে আবিষ্কার করার চাইতে আগেভাগেই সব বলে দেওয়া অনেক বেশি ভালো এবং কম যন্ত্রণাদায়ক। আপনার কাছে যেটা ‘তুচ্ছ’ কোনো বিষয়, অন্যের কাছে সেটা অনেক গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। তখন আপনি যদি তার মতের প্রতি অশ্রদ্ধা দেখান তাহলে সেটা সাংসারিক জীবনে হবে বেশ বিপজ্জনক। বই: বিয়ে (স্বপ্ন থেকে অষ্টপ্রহর) লেখক: মির্জা ইয়াওয়ার বেইগ প্রকাশনা: সিয়ান পাবলিকেশন সংযোজন: অনেকের ব্যক্তিগত পছন্দের কিছু ব্যাপার থাকে। অপছন্দের কিছু ব্যাপার থাকে। সেগুলো আলোচনা করে ফেলা উচিত। দেখা গেলো আগে তুচ্ছ মনে করে বলা হলো না, বিয়ের পর সেটা থেকে মন খারাপ হচ্ছে। এর থেকে আগেই বলে ফেলা ভালো। প্রয়োজনে কি কি বিষয়ে আপত্তি আছে, কি কি বিষয় অবশ্যই চাই এর একটা তালিকা লিখে নিয়ে যাওয়া যেতে পারে। দেখার আগেই সেটা পৌঁছে দিলে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে সুবিধা হবে। বিয়ের পর অনাকাঙ্ক্ষিত সমস্যা কমবে।

  • অজনপ্রিয় কথা ভালোবাসা কোনো একক অনুভূতি নয়। বিয়ের পর দুজনের মাঝে ভালোবাসা সৃষ্টি হয় — সত্য বলা, যত্ন নেওয়া, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ এই তিনটি গুণ থেকে এবং এখানে প্রচলিত অর্থে ভালোবাসা বোঝানো হচ্ছেনা। প্রচলিত অর্থে ভালোবাসা বলতে যা গেলানো হয়, তা মূলত শারীরিক আকর্ষণ ও আগ্রহের বহিঃপ্রকাশ। শুধুমাত্র শারীরিক সৌন্দর্য ভালোবাসা হতে পারেনা। শারীরিক সৌন্দর্যের সম্পর্ক বিপরীত লিঙ্গের প্রতি জৈবিক আগ্রহ ও আকর্ষণের সাথে, যার সাথে মিশে থাকে মোহ ও কামনা। দীর্ঘদিন বিশ্বস্ততা, সততা, দায়িত্ব পালন, সম্মান ও শ্রদ্ধাবোধ থেকে যে অনুভুতির সৃষ্টি হয় — সেটিই হচ্ছে প্রকৃত ভালোবাসা। নিজের আগে সঙ্গীকে প্রাধান্য দেওয়া এবং পারস্পরিক সম্মান ও শ্রদ্ধাবোধ ছাড়া ভালোবাসা হতে পারেনা। শারীরিক আকর্ষণ ও আগ্রহ মানুষের বয়স বাড়ার সাথে সাথে কমতে থাকে। মানুষ এভাবেই তৈরি। বয়স বাড়ার সাথে সাথে বাহ্যিক সৌন্দর্য কমতে থাকে কিন্তু সাধারণ ধৈর্য্য, দয়া, মায়া, সততা, জ্ঞান বাড়তে থাকে। মানুষ বয়সের সাথে সাথে আরো কোমল ও নরম হতে থাকে। আরো বেশি সম্মান ও বিশ্বাস পাওয়ার যোগ্য হয়ে ওঠে। এই গুণগুলোর জন্য যে ভালোবাসা তৈরি হয়, সেটিই স্থায়ী ও প্রকৃত ভালোবাসা। মানুষ এভাবেই তৈরি, তার অভ্যন্তরীণ আগ্রহ ও আকর্ষণ তার সহজাত বৈশিষ্ট্য, সহজাত প্রবণতা। তবে এগুলো স্থায়ী নয়। দাম্পত্য জীবনে বোঝাপড়া ঠিক রেখে সুখী মানুষ থাকার মূলমন্ত্র হলো, গুণগুলোকে আয়ত্ব করা এবং সঙ্গীর গুণগুলোকে ইতিবাচক চোখে দেখা ও মূল্যায়ন করা। বিয়ে: স্বপ্ন থেকে অষ্টপ্রহর বই থেকে নেওয়া; হুবহু না নিজের মতো শর্ট করেছি। বই: বিয়ে (স্বপ্ন থেকে অষ্টপ্রহর) লেখক: মির্জা ইয়াওয়ার বেইগ প্রকাশনা: সিয়ান পাবলিকেশন

  • সূরা আহযাবের তিন নম্বর আয়াতের অর্থটা অনেক সুন্দর — وَتَوَكَّلْ عَلَى ٱللَّهِ ۚ وَكَفَىٰ بِٱللَّهِ وَكِيلًا আর তুমি আল্লাহর উপর ভরসা করো, কর্ম সম্পাদনে আল্লাহই যথেষ্ট। .

  • বিয়ে একেবারে নিঃস্বার্থ কিছু না। বাস্তবে এখানে দুজন দুজনের থেকে উপকৃত হবে এই আশায় বিয়ে করে। এই উপকারের ধরণ এক এবং ভিন্ন উভয় হতে পারে। এজন্যই অপরকে উপকৃত করতে হবে। দুজনের উপকারের পরিমাণ যত বেশি হবে তত দ্রুত দুজন সংযুক্ত হবে। তত বেশি বিয়ে সফল হবে। এখানে উপকারের জন্য সমান সমান হতে হবেনা। স্বামীর খরচে সংসার চললে রান্নাটা করবে স্ত্রী। স্ত্রীর জন্য পোশাকটা স্বামীর টাকায় এলেও স্বামীর পোশাক পরিষ্কার রাখছে স্ত্রী। সন্তানের বাবা স্বামী হলেও মা হিসাবে সব দেখভাল করে স্ত্রী। আবার দুজনের জৈবিক চাহিদা ও বন্ধুর অভাব পূরণ করে দুজনেই, এখানে দুজনের ভূমিকা ভিন্ন অবদান এক। এসবই উপকারের বিভিন্ন ধরণ। আপনি কিছুই করবেন না আর দুনিয়ার কোনো এক মানুষ শুধু শুধু আপনাকে ভালোবাসবে এমনটি কখনো হয়নি, হবেওনা। ধারণা; বিয়ে স্বপ্ন থেকে অষ্টপ্রহর বই থেকে। লেখক: মির্জা ইয়াওয়ার বেইগ প্রকাশনী: সিয়ান পাবলিকেশন (হুবহু না, নিজের মতো শর্ট করলাম)

  • বিয়ে (স্বপ্ন থেকে অষ্টপ্রহর) বই থেকে — কোনো মানুষ যদি আল্লাহর কথাকেই গুরুত্ব না দেয়, সে একসময় আপনার কথাকেও অবহেলা করবে। জীবনের কঠিন মুহূর্তে পরিবারের সমস্যা সমাধানে ইনসাফের চর্চা আসে মূলত আল্লাহর প্রতি ভয় থেকে। একে অপরের প্রতি অন্যায় করা থেকে মানুষ তখন বিরত থাকে। তাই তার মাঝে আল্লাহর ভয় (তাকওয়া) থাকার ব্যাপারে একটু খোঁজ নিন। মানুষের জীবনের যেকোনো সমস্যা সমাধানের সর্বশ্রেষ্ঠ উৎস হলো কুরআন ও সুন্নাহ (দ্বীন) এবং সে যদি এবিষয়ে আন্তরিক না হয় তখন নিজেদের সমস্যা সমাধানে সে ইনসাফ করতে পারবেনা। (হুবহু না, মূল কথা লিখে রাখলাম)

  • সন্তানদের বেড়ে ওঠা সহ নানা বিষয়ে যৌথ পরিবার বেশ সহায়ক ভূমিকা পালন করে। বিভিন্ন পরিস্থিতিতে পুরো পরিবারকে পাশে পাওয়া যায়। তবে একই সাথে সেখানে অন্যেরা আপনার ব্যক্তিগত ব্যাপারে অযাচিত মত দেওয়ার চেষ্টা করবে, আপনার জীবনে নাক গলানোর সুযোগ পাবে। তাদের এই হস্তক্ষেপকে আপনি ‘যত্ন’ হিসেবে নেবেন নাকি ‘যন্ত্রণা’ হিসেবে—সেটা সম্পূর্ণ আপনার উপর। ভালো-মন্দ দুটোই রয়েছে এখানে। পরিবারকে ফেলে আলাদা থাকতে চাওয়া সবসময় সম্ভব না-ও হতে পারে। সম্ভব যদি হয়ও, তাতে আপনজনদের কষ্টের দীর্ঘশ্বাস মিশে থাকবে। দিনশেষে পড়ে থাকবে আহত মর্যাদাবোধ, ক্ষত-বিক্ষত অনুভূতি আর চিড় ধরা সম্পর্ক। ব্যাপারটা মোটেই উপভোগ্য নয়। তাই সম্ভব হলে এমনটি না করাই উচিত। বই: বিয়ে (স্বপ্ন থেকে অষ্টপ্রহর) লেখক: মির্জা ইয়াওয়ার বেইগ প্রকাশনা: সিয়ান পাবলিকেশন

  • আপনি হয়তো ভাবছেন, দ্বীনদারি যদি ঠিক থাকে তাহলে চরিত্র, আচার-আচরণ তো এমনিতেই ভালো হবে। কিন্তু দ্বীন পালনের দিক থেকে ভালো হওয়া স্বত্তেও সবার আচার-ব্যবহার ভালো না-ও হতে পারে। অথচ আচার-ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ব্যাপার। বই: বিয়ে (স্বপ্ন থেকে অষ্টপ্রহর) লেখক: মির্জা ইয়াওয়ার বেইগ প্রকাশনা: সিয়ান পাবলিকেশন

  • বিয়ের পর বদলে ফেলবো!

  • এই উপমহাদেশকে যদি স্বর্ণপ্রসবা বলা হয়, তবে যে কয়জন স্বর্ণসন্তান এই উপমহাদেশের আছে, মাওলানা মুঙ্গেরি রহ. তাদের একজন। নদওয়াতুল উলামা ও দারুল উলুম নদওয়াতুল উলামার প্রতিষ্টাতা, পরিচালক এই মাওলানা তার সমগ্র জীবনটাকে একপ্রকার উৎসর্গ করেছিলেন এই অঞ্চলের মানুষের আকীদা-ঈমান-আমলের হিফাজতে। মুঙ্গেরির জীবন ও কর্ম এত বিস্তৃত ছিল যে, হালাকাহর নোট করতে গিয়ে আমি হয়রান হয়ে গেছিলাম, কোনটা ছেড়ে কোনটা রাখি! কোনোকিছুর মুলোৎপাটন করাকে আরবীতে বলা হয়- ক্বলা কমা করে দেয়া। ভারত উপমহাদেশে খৃষ্টান মিশনারি প্রজেক্টকে দুজন মানুষ একেবারে ক্বলা কমা করে দিয়েছিলেন। একজন হলেন মাওলানা রহমাতুল্লাহ কিরানভী, আরেকজন মাওলানা মুহাম্মদ আলী মুঙ্গেরি। আসুন শুনি তাহলে, মাওলানা মুহাম্মদ আলী মুঙ্গেরি রহ. জীবন ও বহুমাত্রিক কর্ম। আলোচক: আম্মারুল হক https://youtu.be/T6tKx7YoFwk

  • বিয়ের পর বদলে ফেলবো! যেসব দুঃসাহসী মানুষ মনে করেন তারা অন্যদের বদলে ফেলতে পারেন, তারা মনে রাখবেন, হিদায়াত একমাত্র আল্লাহর হাতে। আপনার হাতে যদি সমস্ত ক্ষমতা থাকত তাহলে আপনি মানুষকে পরিবর্তন করতে পারতেন। কিন্তু আপনি সম্ভবত পৃথিবীর সেই ৯৯.৯% মানুষদের মতো একজন যারা মনে করেন সে মানুষকে বদলাতে পারে। যে মানুষ বিয়ের আগে কাউকে দেখে বলে, ‘আমি তাকে বদলে একজন চমৎকার মানুষ বানিয়ে ফেলব’, সে আসলে তার জীবনটাকে আঁধারিক অর্থেই যেন নিজের হাতে তুলে নিচ্ছে। আপনি যদি এমন মানুষকে বিয়ে করতে চান যার পরিবর্তন প্রয়োজন, তাহলে সে কাজটা আপনি তাকেই করতে দিন। আপনি বরং তাকে তার মতোই থাকতে দিন এবং এমন কাউকে খুঁজে বের করুন যাকে দেখে আপনি মুগ্ধ হবেন; আপনিও তার মতো একজন হতে চাইবেন। ইন্টারনেটে কারও প্রোফাইল দেখে কাউকে বিয়ে করাকে তুলনা করা যায় ‘রাশিয়ান রুলেট’ নামের জুয়া খেলার সাথে: যে খেলায় রিভলভারের ছয়টি চেম্বারের যেকোনো একটাতে বুলেট থাকে। সবার প্রতি আমার আন্তরিক পরামর্শ থাকবে, এমন প্রাণঘাতী জুয়া খেলা যেন এড়িয়ে চলা হয়। অনেককে ধ্বংস হতে দেখেছি আমি। জীবনসঙ্গী বা সঙ্গিনীর ব্যাপারে যথেষ্ট খোঁজখবর না নিয়ে তাকে বিয়ে করতে যাবেন না। সম্ভাব্য জীবনসঙ্গীর ব্যাপারে খোঁজখবর নেওয়ার এবং বিয়ের আগে মাহরামের উপস্থিতিতে সাক্ষাৎ করার অনুমোদন ইসলাম আপনাকে দিয়েছে, যাতে করে বিয়ের আগে সবকিছু ভালোভাবে জেনে নিতে পারেন। আমি এতক্ষণ যা উল্লেখ করেছি তার সবই একটি বা দুটি সাক্ষাতেই জেনে নেওয়া সম্ভব, যদি আপনি চোখ-কান খোলা রাখেন এবং জানেন যে আপনি ঠিক কী খুঁজছেন। আশা করি, আপনারা বিষয়গুলোর প্রতি খেয়াল রাখবেন। পরিশেষে বলছি, আমরা যেন এ বিষয়গুলো ভুলে না যাই। উপরে যা যা বলেছি সেগুলো খেয়াল রেখে নিজেকে জিজ্ঞেস করুন, ‘অন্যের মধ্যে যে জিনিসগুলো খুঁজছি, আমার মধ্যে সেগুলো কতটুকু আছে? আমি নিজে কতগুলো শর্ত পূরণ করতে পেরেছি? যাকে বিয়ে করতে যাচ্ছি আমি কি তার একজন ভালো জীবনসঙ্গী হতে পারব?’ বিয়েকে গুরুতরভাবে নিন। সচেতন ও আন্তরিক লোকেরাই কেবল সুখী দাম্পত্য জীবনযাপন করতে পারে। তাই আন্তরিকভাবে গুরুতরতার সাথে বিষয়টি নিয়ে ভাবুন। কেননা, আমরা যে জীবন নিয়ে কথা বলছি সেটা আপনার জীবন; হ্যাঁ, আপনারই! বই: বিয়ে (স্বপ্ন থেকে অষ্টপ্রহর) লেখক: মির্জা ইয়াওয়ার বেইগ প্রকাশনা: সিয়ান পাবলিকেশন

  • চান্নি পসর রাইতে ঘুম ভাইঙ্গা দেখব তোমার ঘুম ভেঁজা মুখখানা ফুইলা আছে আমার মাথার বালিশখানা তোমার কাছে নিবো নরোম কাথা টাইনা দিব তোমার উপর আবার ঘুমাবো — হয়তো ধরবেনা ঘুম চান্নি পসর রাইতে — তুমি আমার পাশে তোমার চুলের এলেবেলে উড়া দেখবো ফ্যানের হাওয়ায় আমি তোমার পাশে — চান্নি পসর রাইতে হয়তো উঠে বসে বারান্দায় বসবো তুমি ঘুমাবে আমি চাঁনরে জিগাবো কে বেশি সুন্দর? জবাব আমার ঠিক করাই আছে! /:

  • দুজনের জীবনের কিছু অভিন্ন লক্ষ্য নির্ধারণ করা: দুজনের আগ্রহের বিষয় ও জীবনের উদ্দেশ্যের মধ্যে অভিন্ন কিছু জিনিস খুঁজে দেখুন। বিশেষ কোনো কাজ বা বিষয়ের প্রতি যদি প্রবল আগ্রহ থাকে, তাহলে সেটার মধ্যেও এমন কিছু খুঁজে বের করুন, যা আপনারা উভয়ে পছন্দ করেন। জীবনের বাকি সময়টা যেহেতু আপনারা একই সাথে বসবাস করতে যাচ্ছেন, তাই আপনাদের জীবনের লক্ষ্য-উদ্দেশ্যও একই রকম থাকা ভালো। নয়তো জীবনের লম্বা একটা সময় একাকী থাকতে হবে অথবা গোটা জীবন জুড়েই আপনাকে লড়াই করে যেতে হবে। বই: বিয়ে (স্বপ্ন থেকে অষ্টপ্রহর) লেখক: মির্জা ইয়াওয়ার বেইগ প্রকাশনা: সিয়ান পাবলিকেশন

Mohammad Abid | মুহাম্মাদ আবিদ — tgindex