Creative Me
Статистика- Последний пост
- 18 мар.
- Последнее чтение
- 15 авг.
- Постов за неделю
- 0
- Всего постов
- 21
- Тип
- открытый
- Язык
- bn
- В каталоге с
- 15 авг.
- 1/24сутки в ленте
- —
- 1/48двое суток
- —
- 1/72трое суток
- —
Оценка по просмотрам недавних постов: пост набирает почти всё за первые сутки.
Посты
রাজধানীর সদরঘাটে ঈদযাত্রার আনন্দ মুহূর্তেই পরিণত হলো শোকে। প্রিয়জনদের সঙ্গে ঈদের হাসি ভাগাভাগি করতে বাড়ি ফিরছিলেন—কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিহাস, লঞ্চের ধাক্কায় প্রাণ হারাতে হলো একজন নিরীহ মানুষকে। গুরুতর আহত হয়ে মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছেন আরও একজন, আর এখনো নিখোঁজ অন্তত দুইজন—যাদের পরিবার জানে না তারা আদৌ ফিরে আসবেন কি না।
без подписи
без подписи
In the first picture, you see a child’s school bag soaked in blood, A kid killed when a so-called Iśrael -USA joint coalition bombed a school in Iran yesterday. In the second and third pictures, on that same day, someone in Bangladesh is trying way too hard to be funny. Yes, I get it. boycotting Coke isn’t going to stop Iśrael And U.S.A from bombing a school anywhere in the world. Even if every single Bangladeshi stopped buying Coke tomorrow, it wouldn’t make the tiniest dent in their lives. But that’s not even the point. It was never just about buying Coke. It’s about basic ethics. It’s about the respect you show to thousands of kids in Palestine who wake up to the sound of buildings collapsing over their heads. It’s about the humanity you show to a girl who went to school last day and never came back. And if you can’t even offer that much, at the very least, don’t turn it into a joke. Because honestly, for what it’s worth, you are not even funny. Credit : Abtahi Tahmid
In The Name Of Haidar
অনেকেই জানেন না যে এই যুদ্ধ কেন সংঘটিত হচ্ছে? সবই তো শান্তিতে ছিল। উত্তর হচ্ছে চীন। একটি বিষয় লক্ষ্য করুন, বহু বছর ভেনেজুয়েলাতে কিছুই ছিল না। একেবারে শান্তিপূর্ণ অবস্থা। হুট করে এমন আক্রমণের কারণ কী? তার জন্য আপনাকে বুঝতে হবে জ্বালানি নিরাপত্তা ও ডলার সিস্টেম। একটি সেনাবাহিনীকে যেমন দুই দিন না খেতে দিলে সে বিশ্বের সবচাইতে দুর্বল বাহিনীতে পরিণত হয় ঠিক তেমনি জ্বালানি না থাকলে একটি দেশ মুখ থুবড়ে পড়ে। সেজন্য জ্বালানি নিরাপত্তা বিষয়টি ক্রিটিকাল। আর এই জায়গাতেই আমেরিকার হাত। ডলার ছাড়া কোন জ্বালানি লেনদেন হতে দেয় না এবং যেদেশই অবাধ্য হয় তার উপর ডলার স্যাংশন আরোপ করে। এভাবে সে দুনিয়া জুড়ে ক্ষমতা দেখিয়ে বেড়ায়। কিন্তু যেই দেশের তেল আছে এবং অবাধ্য তাকে কি করবে? উত্তর হচ্ছে তার উপর ডলার অবরোধ দিয়ে কাউকে তেল বিক্রি করতে দিবে না আর এভাবে সম্পদশালী রাষ্ট্রকেও গরীব বানিয়ে রাখবে। ইরান ও ভেনেজুয়েলার সাথে ঠিক তাই করেছিল? কিন্তু তাহলে সমস্যা কোথায় আর চীনের সাথে কি সম্পর্ক? ব্যাখ্যা করছি। দেখুন, এক পক্ষ জ্বালানি নিরাপত্তা সংকটে আছে। আরেক পক্ষ তেল বিক্রি করতে পারছে না। উভয়ের সমস্যা ডলার। এখন চীন যদি ইরান বা ভেনেজুয়েলা থেকে তেল কিনে ডলার সিস্টেমকে বাইপাস করে আমেরিকা কোনদিন তা থামাতে পারবে না। এভাবে চীনের জ্বালানি নিরাপত্তা অর্জিত হলো, ইরান ভেনেজুয়েলা উপকৃত হলো। এর সমাধান কী? সমাধান আক্রমণ। চীনকে দুর্বল করতে তার জ্বালানি নিরাপত্তা ধ্বংস করতে হবে, বানিজ্যে এক ঘরে করতে হবে আর ডলার সিস্টেম না মানা রাষ্ট্র গুলোকে আমেরিকার গোলাম বানাতে হবে। সেজন্য ট্রাম্প আসার সাথে সাথেই বিভিন্ন রাষ্ট্রে ট্যারিফ দিয়ে চীন বিরোধী চুক্তি সই করিয়েছে। তারপরে চীনের জ্বালানি নিরাপত্তার সঙ্গী ভেনেজুয়েলা নিজের অধীন করেছে। এবারে ওপর সঙ্গী ইরানের উপর চোখ পড়েছে। সেজন্য একেবারে শান্তিপূর্ণ ভাবে বসে থাকার পরেও ইরানে এই বিশাল আক্রমণ শুরু করেছে। আর এই কারণে বিশাল প্রযুক্তি থাকা সত্বেও চীন খুব দ্রুত অনিরাপত্তার দিকে ঝুঁকছে। মোহাইমিন পাটোয়ারী
আজকের আপডেট: ১) হরমুজ প্রণালী অনফিশিয়ালি বন্ধ। তেলের দাম এবার হু হু করে বাড়বে যদি এই প্রণালী শীঘ্রই চালু না হয়। বাংলাদেশের অর্থনীতির উপর প্রভাব পড়বে। আমরাও ফকির হলাম, দেশে অকাল পড়ল অবস্থা। ২) দোহা, কাটার, বাহরাইনে ইরানিয়ান মিসাইল হিট করেছে। ৩) ইরান তার বিখ্যাত সেজিল মিসাইল লঞ্চ করেছে। গন্তব্য এখন পর্যন্ত ভেরিফাই করতে পারিনি। সেজিল মিসাইল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ টু-স্টেজ সলিড প্রোপেল্যান্ট মিডিয়াম-রেঞ্জ ব্যালিস্টিক মিসাইল। এটি ৭০০ থেকে ৭৫০ কেজি ওজনের ওয়ারহেড বহন করতে পারে, যা হাই-এক্সপ্লোসিভ, ক্লাস্টার বা সম্ভাব্য নিউক্লিয়ার হতে পারে। আমার মতে ইরানের নিউক্লিয়ার ওয়ার হেড নাই। এটা গাইডেড মিসাইল। রেঞ্জ ২০০০ কিলোমিটার, তার মানে এটা ইসরায়েল অভিমুখেই যাচ্ছে। টু-স্টেজ ডিজাইনে প্রথম স্টেজ পুড়ে শেষ হলে আলাদা হয়ে যায় এবং দ্বিতীয় স্টেজ ইগনিশন করে, ফলে রেঞ্জ ও গতি বাড়ে। এটি ফ্লাইটের বিভিন্ন স্তরে ম্যানিউভার করতে পারে, যার কারণে অ্যান্টি-ব্যালিস্টিক মিসাইল দিয়ে আটকানো খুব কঠিন হয়। সলিড ফুয়েলের বা প্রোপেলেন্ট এর সুবিধা হলো লিকুইড -ফুয়েলের মিসাইলের মতো ঘণ্টার পর ঘণ্টা ফুয়েলিং করতে হয় না, ফলে লঞ্চ প্রস্তুতি মাত্র কয়েক মিনিটের। এছাড়া ফুয়েলড অবস্থায় দীর্ঘদিন স্টোর করা যায় এবং সহজে লুকিয়ে রাখা যায়, যা শত্রুর স্যাটেলাইট বা ড্রোনের চোখে ধরা পড়ার সম্ভাবনা অনেক কমিয়ে দেয়। ৪) কুয়েত আর বাহরাইনে ইরানিয়ান আক্রমণগুলো তাদের শাহেদ কমিকাজী ড্রোন দিয়ে। আর তাতেই ড্রোন গুলো সেইসব দেশের আমেরিকান বেইসগুলোতে জায়গামত টার্গেট হিট করছে। ৫) ফার্স নিউজের তথ্য অনুসারে, আমেরিকা ও ইসরায়েলের হামলায় দক্ষিণ ইরানের মিনাবে অবস্থিত শাজারেহ তায়্যেবেহ গার্লস এলিমেন্টারি স্কুলে আঘাত হানায় অন্তত ৭০ জন লোক নিহত হয়েছে, যাদের মধ্যে প্রায় ৬০ জন শিশু। ৬) NATO-এর AWACS বিমানগুলো তুরস্কের কোন্যা ঘাঁটি থেকে ইরানের উপর নজরদারি বাড়িয়েছে, এবং এগুলো রাশিয়া থেকে ইরানে তাদের ফোকাস স্থানান্তরিত হয়েছে। তুরস্ক এই অপারেশনগুলোকে অনুমতি দিচ্ছে। তবে, তুরস্ক সরকারিভাবে ইরানের বিরুদ্ধে আমেরিকান সামরিক হস্তক্ষেপের বিরোধিতা করছে এবং মধ্যস্থতার প্রস্তাব দিয়েছে। ৭) ইরানের রেড ক্রিসেন্ট ইরানের ক্ষয়ক্ষতির হিসাব মতে: এখন পর্যন্ত আমেরিকান-ইসরায়েল আক্রমণে: আক্রমণ হয়েছে ইরানের ৩১ প্রভিন্সের মধ্যে ২৪ টায়। আহত হয়েছে ৭৪৭ জন ইরানি। নিহত হয়েছে ২০১ জন ইরানি। ৮) গত ২৪ ঘণ্টায় ইরান ও আমেরিকা-ইসরায়েলের আঘাতের তালিকা: ইরান যেসব লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করেছে: - ইসরায়েলে মিসাইল ও ড্রোন হামলা; বেশিরভাগ আটকে দেওয়া হয়েছে, আহতের সংখ্যা সামান্য । - দুবাই আর আবুধাবিতে অবস্থিত আমেরিকার মিলিটারি ঘাটি। - কাতার, বাহরাইন, কুয়েত, জর্ডান, সৌদি আরব ও ইরাকে অবস্থিত আমেরিকান মিলিটারি ঘাটি। - গাল্ফ অঞ্চলের অন্যান্য আমেরিকান সম্পদসমূহ। আমেরিকা-ইসরায়েল যেসব লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করেছে: - ইরানের বিভিন্ন শহরে (কমপক্ষে ৯টি) সামরিক লক্ষ্যবস্তু, ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ স্থান ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা; ইসরায়েল প্রায় ৫০০ লক্ষ্যবস্তুতে আঘাতের দাবি করেছে। - সুপ্রিম লিডারের বাসভবন সহ তেহরান ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক লক্ষ্যবস্তু। - ইরানের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, অ্যান্টিএয়ারক্রাফট সিস্টেম ও সামরিক সম্পদ। - আমেরিকা-ইসরায়েলের প্রায় ২০০ ফাইটারজেট ব্যবহার করে বিস্তৃত অপারেশন চালাচ্ছে। এটি চলমান ঘটনা। ঘন্টায় ঘণ্টায় পরিস্তিতি বদলে যাচ্ছে।
A small, blood-stained school bag of a first-grade Iranian girl.
🇮🇷
Iran
১৭ বছরের ক্ষতবিক্ষত বাংলাদেশ শেষ পর্ব: শহীদ ওসমান হাদি ২০২৪ সালের জুলাইয়ের সেই অগ্নিঝরা দিনগুলো। রাজপথ তখন উত্তাল, চারদিকে বুলেট আর বারুদের গন্ধ। সেই মিছিলে শামিল হয়েছিলেন ওসমান হাদি। তিনি কোনো বড় নেতা ছিলেন না, ছিলেন এক সাধারণ ঘরের সন্তান, যার চোখে ছিল আগামীর এক সুন্দর, ইনসাফপূর্ণ বাংলাদেশের স্বপ্ন। এ জন্য তিনি লড়ে গেলেন জুলাইয়ের পরেও। বাংলাদেশের নিজের সংস্কৃতি গড়ে তুলে আজাদী কায়েম করার স্বপ্ন নিয়ে চষে বেড়ালেন এ-প্রান্ত থেকে ঐ-প্রান্ত। ময়লার পানিও খেলেন, একটা সুন্দর সংসদের জন্য। কিন্তু সেই স্বপ্ন ডানা মেলার আগেই ঘাতকের বুলেট তার মস্তিষ্ক বিদীর্ণ করে দিল। ওসমান হাদি আর ফেরেননি। ফিরেছে তার রক্তভেজা নিথর দেহ। কিন্তু, তিনি আমাদের জন্য বলে গিয়েছেন, আগামীকাল নির্বাচনে কি করতে হবে। সময় নিয়ে চিন্তা করতে বললেন, এরপর ভোট দিতে বললেন। যারা হাদিকে নির্মমভাবে হত্যা করেছে, যারা এই হত্যাকাণ্ডে মদদ দিয়েছে, আর যারা ওসমান হাদির মৃত্যু নিয়ে উপহাস করে বিচারের দাবিকে অস্বীকার করেছে; তাদের হাতে এই দেশ আর নিরাপদ নয়। তারা যেন কোনোদিন এদেশের ক্ষমতায় আসতে না পারে।
The DARK Secrets of Epstein Files | America's Biggest Scandal | Dhruv Rathee
"মগবাজারে ফ্লাইওভার থেকে ছোড়া বোমা বিস্ফোরণে এক দোকান কর্মচারী নিহত" সিয়াম নামের ছেলেটা মগবাজারে একটা দোকানের কর্মচারী হিসেবে কাজ করতো।হোটেল থেকে নাস্তা নেয়ার জন্য এসেছিলো মগবাজার ফ্লাইওভারের নিচে। উপর থেকে হঠাৎ বো'মা এসে পড়ে সোজা মাথার ওপর! মুহুর্তেই মগজ ছিন্নভিন্ন হয়ে ছড়িয়ে ছিটিয়ে যায় রাস্তায়! মানে এমন একটা দেশে থাকি যেখানে জীবনের নূন্যতম নিরাপত্তাটুকুও নাই।
চট্রগ্রাম রাজাখালী খালের পাশের নতুন বেঁডিবাধ এলাকায় ভয়াবহ আগুন...ফায়ার সার্ভিস নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে....
ইয়া রব্বুল আলামীন! আপনার গায়েবি মদদ দিয়ে ওসমান হাদিকে জীবিত অবস্থায় ফিরে আসার তাওফিক দান করুন। Team Creative Me
Two Worlds, One Earth
без подписи
নামায পড়া ভুলে গিয়েছেন? কোরআন পড়া ভুলে গিয়েছেন? কোনো সমস্যা নেই " Just Restart. " এই শুক্রবার জুমার নামায থেকেই আবার নতুন করে Restart দিন। আর কিছু লাগবে না। শুধু নিজেকে ফিরিয়ে আনুন। “ফযর পড়ি নাই তাই যোহর পড়বো না”-এটা মাথায় আনবেন না, আর কেউ বললেও শুনবেন না। ইবাদত হলো ফিরে আসার নাম। শুরু করার নাম। থেমে যাওয়ার নয়। May we restart again, Say "In Sha Allah "
Talk about Sudan and Palestine...
রোগীর দুটো ছোট বাচ্চা। একেবারেই কোলের শিশু একজন। খুবই দরিদ্র পরিবারের । উনার ব্লাড ক্যান্সার । রক্তের গ্রুপ (AB Negative) এ বি নেগেটিভ । হিমোগ্লোবিন ও প্লাটিলেট একেবারেই নাই বললেই চলে । কেউ যদি এ বি (AB-) নেগেটিভ থাকেন বা কারোর পরিচিত যদি কোন এবি নেগেটিভ রক্তের কেউ থাকে তাহলে দয়া করে উক্ত নম্বরে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করছি । +8801550446528