ধুমকেতু-Dhumketu
СтатистикаHere you will find everything, that you want 🫶 Like- Political news Present situation news Technical problem solve Premium app in free And more and more features you will get For any help 👉 @iftekhar_bin_asaduzzaman
- Последний пост
- 1 мар.
- Последнее чтение
- 13 авг.
- Постов за неделю
- 0
- Всего постов
- 20
- Тип
- открытый
- Язык
- bn
- В каталоге с
- 13 авг.
- 1/24сутки в ленте
- —
- 1/48двое суток
- —
- 1/72трое суток
- —
Оценка по просмотрам недавних постов: пост набирает почти всё за первые сутки.
Посты
বিশ্বে ৫৭'টি মুসলিম দেশ। অথচ ইরাক, লেবানন আর ইয়েমেনের মতো দুর্বল দেশগুলো ছাড়া আর কেউই সহযোগিতা নিয়ে এগিয়ে আসে নি৷ এর মধ্যে সৌদি, কুয়েত, কাতারের মতো ধনী দেশ ছিল। পাকিস্তান, মিশর, তুরস্কের মতো উচ্চ সামরিক ক্ষমতাধর দেশও ছিল। তারপরেও এগিয়ে আসে নি তারা। ইরান লড়েছে একা। কিন্তু পতন তার একার হয় নি৷ ইরানের সাথে সাথে পতন হয়েছে সমগ্র মুসলিম বিশ্বের।
видео или голосовое, без подписи
видео или голосовое, без подписи
видео или голосовое, без подписи
видео или голосовое, без подписи
আজকে ছাত্র-জনতার কর্মসূচি— তিন দফা দাবিতে বিকাল তিনটা থেকে শাহবাগে ছাত্র-জনতার গণ-জমায়েত। সারাদেশের জুলাই-স্পটে ছাত্রজনতার গণ-অবস্থান। ছাত্র-জনতার তিন দফা দাবি- ১. আওয়ামী লীগকে সন্ত্রাসী সংগঠন ঘোষণা করে নিষিদ্ধ করতে হবে। ২. আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনে আওয়ামী লীগের দলগত বিচারের বিধান যুক্ত করতে হবে। ৩. জুলাইয়ের ঘোষণাপত্র জারি করতে হবে।
https://youtu.be/ZCgFp-3JHWU?si=wQHAZRE1OhsL1erZ
ইন্ডিয়ার সাথে মিলে মুসলমানদের সাথে যুদ্ধ করবো। --ট্রাম্প!! মোদি আবার দাড়িয়ে হাতে তালি দিয়ে তাকে সমথর্ন করছে। একটা হাদিস মনে পড়ে গেল: "রাসূল (সা) একদিন পুর্ব দিকে তাকিয়ে বড় বড় নিশ্বাস নিচ্ছিলেন। এমন সময় এক সাহাবী রাসূল (সা) কে জিজ্ঞেস করলেন, ইয়া রাসূলুল্লাহ আপনি এমন করছেন কেন। রাসূল (সা) বললেন: আমি পুর্ব দিকে বিজয়ের গন্ধ পাচ্ছি। সাহাবী জিজ্ঞেস করলেন ইয়া রাসূলুল্লাহ আপনি কিসের বিজয়ের গন্ধ পাচ্ছেন। রাসূল (সা) বললেন: পুর্ব দিকে মুসলিম ও মুশরিকদের (যারা মুর্তিপুজা করেন) তাদের সাথে যুদ্ধ শুরু হবে। যুদ্ধটা হবে অসম। মুসলিম সেনাবাহিনী থাকবে সংখ্যায় সীমিত কিন্তু মুশরিক সেনাবিহিনী থাকবে সংখ্যায় অধিক। ঐ যুদ্ধে মুসলিমরা এত বেশি মারা যাবে যে রক্তে মুসলিমদের পায়ের টাকুনি পর্যন্ত ডুবে যাবে। ঐ যুদ্ধে মুসলিমরা তিন ভাগে বিভক্ত থাকবে: এক ভাগ বিশাল মুশরিক বাহিনী দেখে ভয়ে পালিয়ে যাবে তারাই হলো জাহান্নামী। আর এক ভাগ সবাই যুদ্ধে শহীদ হবেন। শেষ ভাগ আল্লাহর ওপর ভরসা করে যুদ্ধ চালিয়ে যাবে এবং শেষ পর্যন্ত জয় লাভ করবেন। নবীজি মুহাম্মদ ﷺ বলেন: এই যুদ্ধ বদর সমতুল্য (সুবহানাল্লাহ)। তিনি আরো বলেছেন: ঐ সময় মুসলিমরা যে যেখানেই থাকুক না কেন তারা যেন সেই যুদ্ধে শরিক হন।" (নাসায়ী খন্ড ০১,পৃষ্টা ১৫২) যুদ্ধ আমাদের দরজায় কড়া নাড়ছে। আর আমরা মুসলিমরা নিজেদের ভিতরে মারামারি করছি। গণতন্ত্রের জন্য নিজ জাতির উপরে জুলুম করছি। করবোই না বা কেন? এই গণতন্ত্র তো তারাই আমাদের দিয়েছে, যেন নিজ জাতির বিরুদ্ধেই চিরকাল লড়াই করে নিজেদের মাঝে ফাটল তৈরি করে রাখতে পারি। এতে বিশ্ব জালিমদের বিরুদ্ধে লড়াই করার কোনো সামর্থ যেন সৃষ্টি না হয়। লিখে নেন এই দশকেই যুদ্ধের দামাম বাজবে ইনশাআল্লাহ্ তাই প্রস্তুত হও নওজোয়ান ভাইয়েরা... বিইযনিল্লাহ 🖤
বর্তমানে সেনাবাহিনীর ভেতরকার অবস্থা :- জুনিয়র অফিসার (লেফটেন্যান্ট থেকে মেজর) দের মাঝে ক্রমান্বয়ে বিদ্রোহী মনোভাব ফুটে উঠছে। অধিকাংশ সেনা ক্যাম্প এর টহলের পরিমাণ কমিয়ে দিয়েছে যোন কমান্ডাররা। কমান্ডার স্যারদের বিভিন্ন অনাচার-অনিয়ম এর ব্যাপারে ইনফর্ম করলেও তারা একশনে যেতে বাধা দিচ্ছে। মিডিয়ায় বলা হচ্ছে এই কয়দিনে ডেভিল হান্ট অপারেশন এ ৯হাজার লীগ গ্রেফতার। এটা স্রেফ মিথ্যা কথা। বাস্তবিক সং্খ্যা এর অর্ধেক ও না। পুলিশের আইজিপি আজ ঘোষণা দিয়েছে র্যাব,পুলিশ আর এন্টি টেররিজম ইউনিট মিলে যৌথ অভিযানের।উদ্দেশ্য দেশের এই কয়দিনের অরাজকতা বন্ধ করা। অথচ সেনাবাহিনী এই অভিযান এ নামবে না। সেনা হেল্প লাইন নাম্বার অফ করে দিয়েছে যেগুলা ৫ই আগস্ট এর পর চালু করা হয়েছিল।ক্যান্টনমেন্ট এ কেও কোনো বিচার চাইলেও ক্যান্টনমেন্ট থেকে কোনো প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছে না। আমি গত রাতেই আমার অনলাইন টিম এর সদস্যদের বলেছিলাম,দেশে এখন অরাজকতা হবে।কিন্তু সেনাবাহিনী তৎক্ষনাৎ সেখানে গিয়ে অরাজকতা রোধ করবে না। আমার কথার প্রমাণ আজ ১ঘন্টা আগেই স্পষ্ট হয়েছে ওয়াকার স্যারের বিবৃতিতে।উনি সেনা সদস্যদের মানা করে দিয়েছে যাতে কেও হার্ড একশনে না যায়। সেনাবাহিনী কে অচল করে ফেলা হচ্ছে। আমরা আশঙ্কা করছি আমাদের থেকে ম্যাজেস্ট্রেসি পাওয়ার তুলে নিয়ে ক্যান্টনমেন্ট এ ফেরত পাঠানো হবে না তো! সেনাবাহিনী অচল হয়ে যাওয়া মানে দেশের আকাশে কালো মেঘ জড়ো হচ্ছে। যদি উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা নিজেদের না শুধরে নেয় তাহলে সেনাবাহিনীর ভেতরে এখন বিদ্রোহ শুরু হওয়া সময়ের দাবি। তবে শেষে একটা কথাই বলতে চাই, বিশ্বে এমন অনেক নজির আছে যেখানে সৈনিক দের হাতে সেনা প্রধান খু*ন। সবাই কপি ও শেয়ার করে ছড়িয়ে দিয়ে সবাইকে বাস্তবতা জানার সুযোগ দিন। ✍️ লেফটেন্যান্ট আবির হাসান ফারাবী
সিলেটের একটি ‘পার্ক এন্ড রিসোর্টে’ ৯ টি কাপলকে অসামাজিক অবস্থায় ধরা হয়েছে। তারা রুম ভাড়া নিয়ে একান্ত সময় কাটিয়েছে। এলাকাবাসী তাদের ধরে বিয়ে দিয়ে দিয়েছে। ধরা পড়া ছেলেমেয়েদের বয়স ২০-এর নিচে। কারো ১৫, কারো ১৬, কারো ১৮। তাদের অধিকাংশই স্কুল-শিক্ষার্থী। স্কুল ফাঁকি দিয়ে তারা রিসোর্টে এসেছে। ৯টি মেয়ের মধ্যে প্রত্যেকের পরনেই বোরকা ছিল। তাদের দেখে সহজেই ধারণা আসবে, তারা ভদ্র পরিবারের ভদ্র মেয়ে। অথচ, শ* য়* তা*;নের ধোঁকায় পড়ে স্কুলের নাম করে আজ তারা রিসোর্টে একান্তে সময় কাটিয়েছে। এটাই আজকের বাস্তবতা। অল্প বয়সে তারা প্রেম করে। হোটেলে যায়। জিনায় লি।প্ত হয়। তবুও এসব আচরণ অনেক সময় অভিভাবকদের চোখে পড়ে না। স্কুল বা প্রাইভেট টিউশনের অজুহাতে তাদের অ* নৈ* তিক কার্যকলাপ চলতে থাকে। এমনকি, কোনো কোনো পরিবার এসব খবর জানলেও, সহজে বিয়ের মতো বৈধ পথকে মেনে নেয় না। ছেলেমেয়েরা জি।নায় লি।প্ত হলে সমস্যা নেই, কিন্তু বিয়ের কথা বললেই বলা হয়—‘‘এখনো তাদের বিয়ের বয়স হয়নি।’’
🛑 নাতি-নাতনি কোটা: পুরনো ভূতের আধিপত্য কবে শেষ হবে? 🛑 📉 ৭০-৭১ নম্বর পেয়েও মেডিকেলে চান্স নেই, আর ৪৪-৪৫ নম্বর পেয়ে কোটা সুবিধায় কেউ আরামে ভর্তি হচ্ছে। এটা কতটা ন্যায্য? 🤔 📜 মেডিকেল ভর্তি প্রশ্নপত্র: পুরনো প্রশ্ন কপি-পেস্ট করে পরীক্ষায় দেওয়া হয়।আরো অনেক বেশি গভীর কন্সেপ্টুয়াল প্রশ্ন হওয়া উচিৎ। সেরা মেধাবী বাছাই করার এ কেমন পদ্ধতি? ❌ ⏳ সময় এসেছে পরিবর্তনের। পুরনো ভূত 🧟 সরিয়ে নতুন দিনের আলো ☀️ আনতে হবে। তোমার মতামত কী? 💬
তুমি আবার আসবে কখন-কোথায়? নারী তুমি ধন্য ১৭ বছর অপেক্ষা'র পর মিলন হলো,সব নারী এক হয় না এটা'ই তার বাস্তব প্রমাণ,-তাদের মতো কিছু নারীদে'র জন্য এখনো না'রী জাতিকে বিশ্বাস করা যায়!🌼💗
একজন অপদার্থ কাণ্ডজ্ঞা-নহীন পিতার গল্প বলি: পিতাটা আমি নিজেই। আমার জমজ ছেলে দুটো মেডিক্যাল কোচিং করেছে, আগামীকাল পরীক্ষা। আমি বিশ্বাস করি লক্ষাধিক মেধাবী সন্তানের পিতার স্বপ্ন মেডিক্যাল। অথচ আসনসংখ্যা পাঁচ হাজার। তো আমি ভীত হই। কিন্তু ছেলের জন্য একটা বিশ্ববিদ্যালয়ের আসনতো চাই ই চাই। ছেলেরাও এমনটা অনুভব করছিল। দেখলাম, ওরা ডিপ্রেশনে ভুগছে। উদ্ভাসে টেস্ট গুলোতে খাপছাড়া রেজাল্ট। টোটালি হতাশ ওরা। বাবা হিসাবে আমি বো-কার মতো ওদের পড়ালেখার চাপ কমিয়ে দিয়ে ঘুরতে বের হতাম। ফুচকা খাওয়া, কাচ্চি ভাইয়ের কাচ্চি খাওয়া, ব্র্যান্ডের জামা দেয়া, ব্যয়বহুল গাড়ি নিয়ে কুয়েটের উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেয়া। ছেলেরা পরীক্ষার হলে ঢুকার ত্রিশ মিনিট আগে ওদেরকে দুটো চুটকি শোনালাম: বাবারা, নারায়ণগঞ্জ থেকে খুলনা বহুদূর! এতো দূরে তোমাদেরকে পড়াবো না। নিয়ে আসলাম, জাস্ট কুয়েটটা ঘুরে দেখাতে। তাই পাশ ফেল নিয়ে ভাবিও না। জাস্ট ইনজয় করো। চুটকি নাম্বার টু- ধরো যুদ্ধ ক্ষেত্রে তুমি এমন একটা জঙ্গল ঘরে আটকা পড়েছো, যার চতুর্পাশে শত্রু রাইফেল তাক করে আছে, দরজার সামনে বাঘ। এখন তুমি কী করবে? ঘরে বসে বসে গুলি খেয়ে মরবা? তারচেয়ে ভালো, সাহস করে ঘর থেকে বেরিয়ে যাও, ডু অর ডাই, যাই হোক, উত্তর দাগাতে থাকো। পরীক্ষা শেষ করে ছেলেরা বের হলো। জানতে চাইলাম, সব দাগিয়েছো? বললো, পা*গল নাকি, ৮০% মার্ক কারেক্ট হবে অনুভব করে আর দাগাইনি। ইনশাআল্লাহ মেরিট লিস্টে থাকবো। কথাগুলো শোনে আমি মনে মনে হাসলাম। আর হাসলাম। কারণ আমি আহাম্মক অপদার্থ পিতা। পরীক্ষার ফলাফল হলো, দেখলাম - ওরা দুজনেই টিকে গেছে। আলহামদুলিল্লাহ। বাবারা, তোমরা যারা চান্স পাওনি, টেক ইট ইজি। পৃথিবী অনেক সুন্দর, অনেক। মেডিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার তো সুন্দরবনের বিড়াল। কৃষকদের বাঘেরাও ভয় পায়। তাই জীবনকে ইনজয় করো। নো ডিপ্রেশন। বেঁচে থাকলে জীবনে মানুষ হওয়া যায়। তোমাদের নিকট হতে বাবা মা টাকা চায় না, তোমাদের কোমল মুখ দেখলেই তারা খুশি। সো ইনজয়, ঘুরো আর পরীক্ষা দিতে থাকো। Follow 👉👉 Exam Preparation ©️
মেডিকেল প্রশ্নপত্র, বহুমত এবং স্বপ্নপূরণের ইঁদুর দৌড়! -------------------------------------- তিনজন মানুষের কাছে মেডিক্যালের প্রশ্ন সহজ। ১। পরীক্ষার হলের বাইরে থাকে যে। ২। সিনিয়র ৩। জুনিয়র; যে এখনো বইয়ের ৩০% পড়েনি। শুধু পরীক্ষার্থীদের কাছে সহজ নয়। একই প্রশ্ন পরীক্ষার হলে একরকম, বাইরে আসলে আরেকরকম। পরীক্ষার হলে প্রতিটা প্রশ্নের উপরে চারটা বিষয় ভর করে। ১। বাবা-মায়ের স্বপ্ন (চাপিয়ে দেওয়া স্বপ্ন) ২। সময় স্বল্পতার অস্থিরতা ৩। আত্মসম্মানবোধ (না চান্স পেলে মুখ দেখাবো কীভাবে?) ৪। হেইটস্পীচ (চান্স না পেলে আত্মীয়স্বজন কী বলবে) পরীক্ষার হলে বসে প্রতিটা প্রশ্নের শব্দ, প্রতিটা সেকেন্ডের সাথে উপরের চারটি বিষয় সংযুক্ত করে দাও। দেখবে- প্রশ্নপত্র সহজ মনে হবে না। মেডিক্যালের প্রশ্নপত্র কেমন হয়েছে? সহজ হয়নি। ©️
ক্যালিফোর্নিয়া থেকে ওয়াশিংটন, ছড়িয়ে পড়ুক দা'বা'ন'ল! জ্বলে-পুড়ে ভস্মীভূত হোক বিশ্ব মা'ফি'য়া'দে'র পাপের নগর। — মাহমুদুল হাসান গুনবি (হাফিঃ)
видео или голосовое, без подписи
স্বৈরাচার হাসিনা ভোটকে একেবারে ছেলে খেলায় পরিণত করেছিল। ভোটের কোনো মূল্যই ছিল না। (গত বছরের এই দিনে)
কে মেজর ডালিম? শরিফুল হক ডালিম (জন্ম: ১৯৪৬)যিনি মেজর ডালিম নামে অধিক পরিচিত, হলেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একজন প্রাক্তন সামরিক কর্মকর্তা। ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট বাংলাদেশের তৎকালীন রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার সাথে তিনি জড়িত ছিলেন।শেখ মুজিব নিহত হবার পর মেজর ডালিম (পরবর্তীতে লেফটেন্যান্ট কর্নেল) বাংলাদেশ বেতারে নিজেই হত্যার সাথে জড়িত থাকার ঘোষণা দেন।পরবর্তী গণপ্রজাতন্ত্রী সরকার তাকে বিদেশে বিভিন্ন বাংলাদেশি দূতাবাসে বিভিন্ন পদে নিয়োগ দেয়। কর্মজীবন🗣️🗣️ শরিফুল হক ডালিম প্রথমে ১৯৬৪ সালে পাকিস্তান বিমান বাহিনীতে যোগদান করেন। ১৯৬৫ সালের পাক-ভারত যুদ্ধের পর তিনি বিমান বাহিনী থেকে সেনাবাহিনীতে যোগদান করেন। পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে ১৯৭১ সালের এপ্রিল মাস পর্যন্ত কর্মরত ছিলেন।১৫ই আগস্ট ১৯৭৫ সালের শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যাকাণ্ডের পর তাকে সেনাবাহিনীতে পুনঃনিয়োগ করা হয় এবং লে. কর্ণেল পদে পদোন্নতি দেয়া হয়। ১৯৭৬ সালে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে নিয়োজিত হবার পর গণচীনে তাকে কূটনীতিক হিসাবে প্রেরণ করা হয়। ১৯৮০ সালে তিনি লন্ডন হাই কমিশনের সাথে যুক্ত হন। ১৯৮২ সালে কমিশনার হিসাবে হংকং-এর দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। ১৯৮৮ সালে রাষ্ট্রদূত হিসাবে কেনিয়ায় দায়িত্ব পালন করেন। একই সাথে তাকে তানজানিয়ার দায়িত্ব দেয়া হয়। ইউনেপ (UNEP) এবং হেবিটাট (HABITAT) এ বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি হিসাবেও তিনি দায়িত্ব পালন করেন। সোমালিয়ায় যুদ্ধকালীন সময়ে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা বাহিনীর অংশ হিসাবে প্রেরিত বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সদস্যদের সার্বিক তত্ত্বাবধানের বিশেষ দায়িত্বও তিনি পালন করেন। ১৯৯৫ সালে তিনি সরকারি চাকুরি থেকে অবসর লাভ করেন। শেখ মুজিব হত্যা🗣️🗣️ ১৯৭৫-এ বাংলাদেশের তৎকালীন রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার সাথে মেজর ডালিম সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন।মেজর সৈয়দ ফারুক রহমান, খন্দকার আবদুর রশিদ ও মেজর ডালিমসহ আরও কয়েকজন সেনা কর্মকর্তা ১৯৭৫ সালে একটি সেনা অভ্যুত্থানের পরিকল্পনা করেন। ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট ডালিমকে রাষ্ট্রপতি মুজিবকে হত্যা করতে নেতৃত্ব দিতে বলা হয় তবে ডালিম সেটি করতে অস্বীকার করেন।এরপর তাকে দ্বিতীয় ফিল্ড আর্টিলারি রেজিমেন্টের দায়িত্ব দেওয়া হয়। সেনা-অভ্যুত্থান চলাকালে শেখ মুজিবকে হত্যা করা হয়। পরে ডালিম বাংলাদেশ বেতারের নিয়ন্ত্রণ নেন এবং একটি ঘোষণা দেন: ‘আমি মেজর ডালিম বলছি, শেখ মুজিবকে হত্যা করা হয়েছে। খন্দকার মোশতাক আহমদের নেতৃত্বে সেনাবাহিনী ক্ষমতা দখল করেছে। কারফিউ জারি করা হয়েছে। শেখ মুজিব হত্যা মামলায় মেজর ডালিমকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়। তবে বর্তমানে তিনি পলাতক আছেন।
видео или голосовое, без подписи
ইয়া আল্লাহ! ইয়া মাবুদ! ইয়া রব! এসব সহ্য করা যায় না, ইয়া রব! ছোট্ট নিষ্পাপ ফুলটা..