ফিলিস্তিন আপডেট🇵🇸
Статистика★ফিলিস্তিন যুদ্ধের আপডেট। ★দখলদারদের জুলুম-নির্যাতনে করণীয়। ★ফিলিস্তিনের মুক্তি সংগ্রাম। ★বাংলাদেশ-ফিলিস্তিন সম্পর্কের ইতিহাস। ★বিশ্বের ইসলামী রেব্যুলেশনে আমাদের করণীয়। ★ইসলাম চর্চা.....
- Последний пост
- 20 дек.
- Последнее чтение
- 13 авг.
- Постов за неделю
- 0
- Всего постов
- 20
- Тип
- открытый
- Язык
- bn
- Категория
- Новости и СМИ (по похожим)
- В каталоге с
- 13 авг.
- 1/24сутки в ленте
- —
- 1/48двое суток
- —
- 1/72трое суток
- —
Оценка по просмотрам недавних постов: пост набирает почти всё за первые сутки.
Посты
⚠️শহীদ হাদিকে যাতে ইন্টারনেট থেকে মুছে ফেলতে না পারে সেজন্য আমি একটা ব্যাক্তিগত পদক্ষেপ নিলাম। এখন কাজের সময়। সরকারের জন্য অপেক্ষা করে লাভ নেই! আমার ভাইয়ের জন্য আমরাই যথেষ্ট! আপনারা এই উদ্যোগে অংশ নিন, দ্রুত এটা সারাদেশে সবার মাঝে ছড়িয়ে দিন!! শহীদ হাদির যত ভিডিও, টক শো, লেখা, ফেসবুক পোস্ট, ভাষণ, কনটেন্ট সব আর্কাইভ আকারে সংরক্ষণের লক্ষ্যে একটি গুগল ড্রাইভের লিংক শেয়ার করছি: https://drive.google.com/drive/folders/1Z6VSlz0okcc2I8W8YrtDTEZmR0QpV4Ek?usp=sharing ইন্টারনেট, ইউটিউব, ফেসবুকে হাদির যত পোস্ট, ভিডিও, টক শো, ছবি, লেখা, এমনকি আপনার ব্যাক্তিগত ফোনে ধারণ করা ভিডিও যা ইন্টারনেটে নেই - যা আছে সব এই ড্রাইভে আপলোড করেন। আপনার Google Account / Gmail এ লগইন করে তারপর এই গুগল ড্রাইভে আপলোড করতে পারবেন। সব ফাইল লোকাল কম্পিউটারের হার্ড ড্রাইভেও সেভ করা থাকবে। আপনারাও পুরা ড্রাইভটাও প্রতিদিন ডাউনলোড করে রাইখেন ব্যাকআপ হিসেবে। যাতে সবার ডুপ্লিকেট কাজ করতে না হয় তাই বলব যাদের নাম A, B, C, D, E, F, G, H, I, J, K, L, M দিয়ে শুরু তারা ২০২৫ সালের হাদির সব কনটেন্ট আপলোড করেন, আর বাকিরা ২০২৪ ও তার আগের সব কনটেন্ট আপলোড করেন। ফাইল গুলোর নামকরণে তারিখ, স্থান, অনুষ্ঠানের নাম, লোকেশন ইত্যাদি ছোট করে যথাসম্ভব উল্লেখ করবেন। আপলোডের আগে দেখে নিন ড্রাইভে অলরেডী কেউ সেই কনটেন্ট আপলোড করেছে কিনা। এইসব কনটেন্ট আপাতত ড্রাইভে সেভ করে রাখব, তারপর প্রপার ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ইনকিলাব মঞ্চ-এর সাথে সমন্বয় করে অফিসিয়াল আর্কাইভ হিসেবে প্রকাশ করা হবে। হাদির সবকিছু আর্কাইভ করার টার্গেট তারিখ জানুয়ারী ৩১ কিন্তু লাগলে সময় বাড়ানো হবে। গুগল ড্রাইভের লিংক হারিয়ে ফেল্লে বা মনে না থাকলে এই ওয়েবসাইটে গেলেই পেয়ে যাবেন, এইখানেও দিয়ে রেখেছি (মনে রাখা সহজ): https://osmanhadi.net/ Facebook & YouTube ভিডিও ডাউনলোডের টুলস গুগল করলেই পেয়ে যাবেন - সার্চ দিন "Facebook Video Downloader", "YouTube Video Downloader" লিখে। ভিডিও ডাউনলোড করতে ঐ ভিডিওর লিংক টুলসের ওয়েবসাইটে গিয়ে কপি পেস্ট করে দিলে ডাউনলোড করতে পারবেন, তারপর সে ভিডিও গুগল ড্রাইভে আপলোড করে দিবেন। (এই গুগল ড্রাইভ ডেইলি প্রতি ঘন্টায় ক্লিনআপ হবে! তাই শত্রুদের বলছি - উল্টাপাল্টা আপলোড করে লাভ নাই, পার্মানেন্ট ব্যান খাবি!)
видео или голосовое, без подписи
সব জেলা স্বাধীন করে করে আসিতেছে মুক্তিযোদ্ধারা, ইতিহাস ভালো করে পড়েন ১৪ই ডিসেম্বর,১৯৭১ সম্পূর্ণ ঢাকা ছিল ইন্ডিয়ান সেনাবাহিনী নিয়ন্ত্রণে। ২ দিন পর দেশ স্বাধীন। সেখানে পাকিস্তানিরা এতজনকে কিভবে হত্যা করে। কেউ বলবেন আমাকে? মেজর জলিল,মু-ক্তি যু-দ্ধের সবচেয়ে বড় ৯ নাম্বার সেক্টর কমান্ডার ছিলেন। তিনি তার রচিত "অ-রক্ষিত স্বাধীনতাই পরা-ধীনতা" বইয়ে উল্লেখ করেছেন,, ১৪ ডিসেম্বর যে সকল বুদ্ধিজীবীকে হ-ত্যা করা হয়েছিল,এরা সবাই ছিলেন পাকি-স্থান পন্থী!! এনারা কেউ যু-দ্ধে যাননি, বলেই সেদিন যার যার ঘরেই অবস্থান করছিলেন।অর্থাৎ ১৪ ই ডিসেম্বর পর্যন্ত এনারা কেউ পা-লিয়ে না গিয়ে তৎকালীন পাকি-স্তান গভমেন্টের সরকারী চাকরী করে যাচ্ছিলেন। তারা যু-দ্ধকালীন সময়কার অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সম্পর্কে অবহিত ছিলেন। এই রকম একজন হলেন, প্রখ্যাত চলচিত্রকার জহির রায়হান, যিনি যু-দ্ধের পুরাটা সময়, কল-কাতার সোনা-গাছিতে আওমী নেতারা যেসব আ-কাম-কু-কাম করেছিল তা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্টারি তৈরী করেছিলেন। তাই যু-দ্ধ পরবর্তী এই সকল ঘটনা ফাস হবার আশংকায়, পাকিস্থানিদের এ অনুগত বুদ্ধিজিবীদের ভা-রতীয় গোয়েন্দা সংস্থা "র" হ-ত্যা করেছিল। এই হলো মূলত ১৪ ই ডিসেম্বর বুদ্ধি-জীবী হ-ত্যা কান্ডের মূল কারণ,যেটাকে বিগত ৫৩ বছর ধরে ভুল ভাবে জাতির সামনে উপস্থাপন করা হচ্ছিল! কাদের সিদ্দিকীর বক্তব্য দেখতে পারেন....ভিডিও https://www.facebook.com/share/v/1Caz1DSit4/ . সিরাজুল ইসলাম খান কি কি বলে শুনেন.. প্রথম ২ মিনিট পরেই মুনীর চৌধুরী এবং সৈয়দ শামসুল হকের রাজাকার বিষয়ক তথ্য উঠে এসেছে।। https://www.facebook.com/share/v/16J8smWz2c/ সংগৃহীত Bangladesh and Global Politics
Gelin ey âşıklar gelin – Hu Mevlâm Hu এসো হে আল্লাহর প্রেমিকেরা, এসো — হু মাওলা হু। Bu menzil uzağa benzer – Hu Mevlâm Hu এই পথ অনেক দূরের মতো লাগে — হু মাওলা হু। Nazar kıldım şu cihane – Hu Mevlâm Hu আমি এই দুনিয়ার দিকে তাকালাম — হু মাওলা হু। Kurulmuş tuzağa benzer – Hu Mevlâm Hu এ দুনিয়া যেন এক ফাঁদের মতো তৈরি — হু মাওলা হু। Bir Pir'in eteğin tuttum – Hu Mevlâm Hu এক পীরের (মুর্শিদের) আশ্রয় ধরলাম — হু মাওলা হু। "Ana beni" deyüp gittim – Hu Mevlâm Hu তাঁকে “আমাকে গ্রহণ করুন” বলে তার পথে চললাম — হু মাওলা হু। Nice yüzbin günah ittim – Hu Mevlâm Hu অনেক লক্ষ গুনাহ করেছি — হু মাওলা হু। En küçüğü dağa benzer – Hu Mevlâm Hu যার সবচেয়ে ছোটটাও পাহাড়ের মতো ভারী — হু মাওলা হু। Şeyhime değemedim hele hele hele – Hu Mevlâm Hu আমি এখনো আমার শাইখ (গুরু)–এর মর্যাদায় পৌঁছতে পারিনি — হু মাওলা হু। Varamadım doğru yola – Hu Mevlâm Hu এখনো সঠিক পথে সম্পূর্ণভাবে পৌঁছাতে পারিনি — হু মাওলা হু। Günahım çok yüzüm kare – Hu Mevlâm Hu আমার গুনাহ এত বেশি যে আমার লজ্জায় মুখ কালো — হু মাওলা হু। Eller yüzü ağa benzer – Hu Mevlâm Hu অন্যদের মুখ উজ্জ্বল, আর আমার কালো — হু মাওলা হু। Çağla Aşık Yunus çağla – Hu Mevlâm Hu ওহে আশিক ইউনুস, জেগে উঠ, সজাগ হও — হু মাওলা হু। Sen özünü Hak'ka bağla – Hu Mevlâm Hu তোমার মনকে আল্লাহর সাথে জুড়ে দাও — হু মাওলা হু। Ağlar isen başına ağla – Hu Mevlâm Hu কাঁদলে নিজের গুনাহের জন্যই কাঁদো — হু মাওলা হু। Elden vefa yoğa benzer – Hu Mevlâm Hu মানুষের কাছ থেকে এখন আর বিশ্বস্ততা পাওয়া যায় না — হু মাওলা হু। https://www.facebook.com/share/v/1BbrgquRWi/
একটি স্বাধীন সার্বভৌম দেশে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (যিনি ভারতীয় নাগরিক ও ভারতের জাতীয় সংগীতের রচয়িতা) এর গানকে জাতীয় সংগীত হিসেবে চাপিয়ে দেওয়া হলো, যেখানে কাজী নজরুল ইসলামের মতো প্রতিভা প্রতিভাবান কবি উপস্থিত ছিলেন। পৃথিবীর ইতিহাসে এমন নজির নেই। পরবর্তীতে ভারতের নির্দেশনায় বাংলাদেশকে কোনো শক্তিশালী সামরিক বাহিনী গঠন করতে দেওয়া হয়নি। বাংলাদেশের কোনো স্বাধীন বৈদেশিক নীতি ছিল না। বাংলাদেশের আমলাতন্ত্র, শিক্ষাব্যবস্থা, স্বাস্থ্য, শিল্প ও কৃষি ব্যবস্থা– সবই পরিচালিত হতো ভারতীয় বিশেষজ্ঞদের ইচ্ছামতো! বীর উত্তম মেজর ডালিমের মতে, মুক্তিযোদ্ধাদের অনেক কমান্ডার এই সময় অনুধাবন করেন যে ভারতের একটি সুদূর প্রসারী চক্রান্তমূলক পরিকল্পনা ছিল বাংলাদেশকে প্রথমে ক্লায়েন্ট স্টেট, তারপর অঙ্গরাজ্য বানানোর। শেখ মুজিবুর রহমানকেই সেই 'লেন্দু' বা প্রধান বানিয়ে ভারতের উদ্দেশ্য বাস্তবায়ন করানো হয়। তখন তারা মুক্তিযু্দ্ধের আড়ালে একটি সেনাপরিষদ গঠন করেন। প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে সামনে রেখে ২১-দফা কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য কোরআন ছুঁয়ে শপথ নেন, যার মধ্যে শেখ মুজিবকে ক্ষমতাচ্যুত করার পরিকল্পনা অন্তর্ভুক্ত ছিল, কারণ তিনি ছিলেন ভারতীয় নকশা বাস্তবায়নের প্রধান কুশীলব! তবে, সুদূরপ্রসারী ভারতীয় হিন্দুত্ববাদের এই বিষাক্ত আগ্রাসনের বিরুদ্ধে একদল লোক সূচনালগ্ন থেকেই বিরোধিতায় ছিলেন। তাদের মধ্যে বিভিন্ন কর্নেল জেনারেল, সেনাবাহিনী সদস্য, মুক্তিযোদ্ধা সহ মরহুম প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, খালেদা জিয়া, সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী, অধ্যাপক গোলাম আযম, নিজামী, মীর কাসেম আলী, আল্লামা সাঈদীর মতো আরেক জন বিখ্যাত ব্যক্তিত্বরা। ভারত জানতো, এইসমস্ত মানুষগুলো থাকলে খুব শিগগিরই কব্জা করা বাংলাদেশ হাত ছাড়া হয়ে পড়বে। হয়তো বা পশ্চিম পাকিস্তানের সাথে বনিবনা করে নিজেদের জন্য হুমকিস্বরূপও হয়ে পড়বে। তাই, ভারত একে একে খুবই কৌশলে পথের কাঁটার মতো মানুষগুলোকে পথ থেকে সরিয়ে দিল। বর্তমান সময়ে ইতিহাসের কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে ভারতীয় যেসমস্ত হিন্দুত্ববাদের বিষাক্ত চর্চা চলছে, তা একদিনে কায়েম হয়নি। ব্রিটিশ আমলের হিন্দুত্ববাদী রবি ঠাকুর, বঙ্কিম, ঈশ্বরচন্দ্র ও রামমোহনরা যেমন মতাদর্শ নিয়ন্ত্রণ, বামপন্থা, বাঙালি সংস্কৃতি চর্চা, সেক্যুলারিজমের নামে তা করতো, তেমনিই আজকের বাংলাদেশে শাড়ি-টিপ সংস্কৃতি, ইস্কন, সংখ্যালঘু সহ নানা মাধ্যমে পরিকল্পিতভাবে কায়েম করা হয়েছে। কিন্তু, ফ্যাস্টিট হাসিনার উৎখাত, ইসকন বিরোধী প্রতিবাদ, শহিদ আবরার ফাহাদের শাহাদাতের মাধ্যমে বিষয়টা খুবই পরিষ্কার যে– বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্মের সিংহভাগ এন্টি-ইন্ডায়ান। তাদের মনোজগতে বিষয়টা ক্লিয়ার। ভারত বিরোধী প্যারাডাইম শিফটিং এর বীজ অনেক আগ থেকেই বপন করা ছিল এই বাংলাদেশে। কোনো এক মহানায়ক বলেছিলেন, ‘অতীতকে বাদ দিয়ে যেমন বর্তমানকে বুঝতে পারা যায় না, তেমনি বর্তমানকে বিশ্লেষণ ছাড়াও ভবিষ্যতের পরিকল্পনা গ্রহণ করা যায় না!’ – ফাইজান বিন হক Reference’s: ______ 1. https://drive.google.com/drive/folders/1fbWEzaH2qvG9ihjH03PfsosbMjg63xVp?usp=sharing 2. দি ইন্ডিয়ান মুসলমানস- উইলিয়াম হান্টার 3. The Bengal Muslims 1871–1906: A Quest for Identity (Rafiuddin Ahmed) 4. শর্ট হিস্ট্রি অব মুসলিম রুল ইন ইন্ডিয়া, ঈশ্বরী প্রসাদ 5. বাংলাদেশ স্বাধীনতা যুদ্ধ ১৯৭১: আত্মসমর্পণের আগে পাকিস্তানী সেনাদের সেই মুহূর্তগুলো (আকবর হোসেন/বিবিসি বাংলা/১৬ ডিসেম্বর ২০১৭) 6. বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর ডালিম (বীর উত্তম) - www.youtube.com/watch?v=UFMuU-9w4jM 7. https://bbc.in/3teKPVR 8. বাংলাদেশে যুদ্ধাপরাধ: বহুমাত্রিক বিশ্লেষণ (এম আই হোসেন) পৃ. ১৬২ 9. Anatomy of Violence Analysis of Civil War in East Pakistan in 1971 - Sarmila Bose 10 .RTV টক শো - ৬ অক্টোবর, ২০১১ 11. একাত্তরের ঘাতক দালাল কে কোথায়? (মুক্তিযুদ্ধ চেতনা বিকাশ কেন্দ্র ) পৃ. ২৩ 12. একশ' বছরের রাজনীতি: দৈনিক সংগ্রাম সম্পাদক ও রাজনৈতিক গবেষক জনাব আবুল আসাদ। 13.যা দেখেছি, যা বুঝেছি ও যা করেছি: আগস্ট- বিপ্লবের নেতা মেজর (অব.) ডালিম। 15. The Wahabi Movement in India, পৃষ্ঠা ৫৫–৮৩ 16 .Sarmila Bose – Dead Reckoning: Memories of the 1971 Bangladesh War 17. বাংলাদেশ: দি আনফিনিশড রেভল্যুশন, লরেন্স লিফশুলৎজ, (পৃষ্ঠা ৫৫–১৪৫)
মজার ব্যাপার এই যে, ভারত ভাগের ব্যাপারে অন্য আরেকপক্ষী আলেমদের পাশাপাশি তৎকালীন কট্টর-হিন্দুরা ছিল বেশ নারাজ, অসন্তুষ্ট। কারণ, মুসলমানদের উপর তাদের ক্ষমতায়ন থাকবে না বলে। মহাত্মা গান্ধী ভারত ভাগের বিরোধীতায় যেনো আধ-পাগল বনে গিয়েছিলেন। দিনশেষে, ৪৭-এ ভারত ভাগ হয়ে গেলো। কায়েদে আজম মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ দুই পাকিস্তান নিয়ে মুসলমানদের আলাদা রাষ্ট্র কায়েম করলেন। সেই বিভাজন আদতে কল্যাণজনক হয়েছে– বুঝতে বড় কোনো পলিটিক্যাল এনালিস্ট হওয়া লাগবে না। বর্তমান ভারতের দিকে তাকালেই দেখা যাবে। হিন্দুত্ববাদীরা একক ভারতে সংখ্যালঘু মুসলমানদের সাথে যেই নির্যাতন, নিষ্পেষণ, আগ্রাসন কায়েম করছে– ভারত ভাগ না হলে, তা আমাদের প্রত্যেকের সাথেই নিয়মিত হতো.. ইতিহাসের এই পর্যন্ত আলোচনা থেকে স্পষ্ট, ব্রিটিশ আমল থেকেই মুসলিম বিদ্বেষ হিন্দুত্ববাদীদের রক্তে মিশে ছিল। আরেকটা বিষয় বোঝার আছে, টিপিক্যাল হিন্দু আর কট্টর হিন্দুত্ববাদী– কখনোই এক না। হিন্দুত্ববাদরা সংঘবদ্ধভাবে ইস্কনের নামে অনেকটা গ্লোবাল জায়নিস্ট অর্গানাইজেশনের আদতে আগ্রাসন চালায় মুসলিম উপর.. স্বাধীনতার কয়েক বছরেই দুই পাকিস্তান খুব সুন্দরভাবে সবাইকে নিয়ে শান্তিতে বসবাস করছিল। বিগত ২০০ বছরের গোলামীর পর এই প্রথম দুই পাকিস্তান নিজেদের মতো উন্মুক্ত পরিবেশে ইসলাম পালনের সুযোগ, গোশত খাওয়ার তৃপ্তি এবং পর্দা-দাঁড়ির পরিবেশ পেয়েছিল। দুই পাকিস্তানের কায়েমের মাধ্যমে মুসলমানদের উপর হিন্দুত্ববাদীদের ক্ষমতায়ন কমে গেলে ভারতীয় হিন্দুত্ববাদীরা থেমে থাকতে চায়নি। ভৌগলিক অবস্থানে পূর্ব পাকিস্তানের চারদিকেই ভারত থাকায় তারা নতুন পরিকল্পনা কষতে শুরু করলো। কিন্তু কোনোভাবেই কিছুই কাজ করছিল না.. ১৯৭০ সালে সে সুযোগ চলে আসলো। পূর্ব পাকিস্তানে ইয়াহিয়া খানের সামরিক শাসনামলে যখন ইলেকশন হয়.. শেখ মুজিব সেখানে, তৎকালীন প্রেক্ষাপটে নিরঙ্কুশ জয় লাভ করে। কিন্তু, পশ্চিম পাকিস্তানের ক্ষমতাশালী গোষ্ঠী ক্ষমতা হস্তান্তরে অস্বীকৃতি জানায়, যা বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য চূড়ান্তভাবে নেতৃত্ব দেয়। এখান থেকেই শুরু হয় মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপট। তবে, প্রচলিত ইতিহাসের বিপরীতে 'স্বাধীনতা ছিল এদেশের মানুষের গণদাবী'– এই দাবিটি সম্পূর্ণ ভুল। সাধারণ মানুষ তো দূরের কথা, ২৫ মার্চ ১৯৭১ তারিখে অপারেশন সার্চলাইট শুরু হলে, দেশের তথাকথিত বড় নেতারা আত্মগোপন করেন। শেখ মুজিব স্বয়ং পাকিস্তান আর্মির কাছে ধরা দেন এবং পরিবারের ভরণপোষণের দায়িত্ব আর্মির হাতে তুলে দিয়ে পাকিস্তানে পাড়ি জমান। যুদ্ধ চলাকালে সীমান্তে ভারত গণহারে বিহারী মুসলিম হত্যা করে। ১৯৭১ সালের মার্চ-এপ্রিল মাসে আওয়ামী সন্ত্রাসী ও নিউক্লিয়াস দলগুলোর আক্রমণে বিহারী ও উর্দু ভাষী পাকিস্তানিদের উপর নির্মম হত্যাযজ্ঞ চালানো হয়, যার ফলে পাকিস্তান সরকারের শ্বেতপত্র অনুসারে প্রায় ২৬ হাজার মানুষ নিহত হয়। এই ঘটনাগুলোকেই এখন বাঙালি হত্যা বলে চালানো হয়ে থাকে.. গবেষক শর্মিলা বসুর মতে– ১৯৭১ সালে যত নারী-ধর্ষণ হয়েছে তার চেয়ে বহুগুণ বেশী হয়েছে সত্যকে ধর্ষণ। তিনি তার গবেষণায় পাকিস্তানি সেনাদের বিরুদ্ধে ধর্ষণের একটি ঘটনারও প্রমাণ পাননি। পাকিস্তানি সেনাদের বিরুদ্ধে আনা সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে মাত্র ১৯৫ জনের তালিকা তৈরি করা সম্ভব হয়, যার মধ্যে মাত্র ১৩ জনের বিরুদ্ধে মহিলাদের তুলে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ ছিল (যা প্রমাণিত নয়)। মুক্তিযুদ্ধের ইস্যু আসলেই জামায়াতের কথা চলে আসে। জামায়াত পাকিস্তান সমর্থন দিয়েছিল, গণহত্যা করেছিল– এসব। জামায়াতের পয়েন্ট অফ ভিউ ছিল– দুই পাকিস্তান আজ না হোক কাল আলাদা হবেই, স্বাধীনতা পাবেই.. কিন্তু সেই স্বাধীনতায় যদি ভারতের হাত থাকে, তাহলে তা হবে মুসলমানদের জন্য ভারতীয় গোলামীর জিঞ্জিরে আঁটকে পড়ার মতো। তারা সামরিক সংঘর্ষ পরিহার করে শান্তিপূর্ণ সমাধানের অনুরোধ জানিয়েছিল। বীর মুক্তিযোদ্ধা কর্নেল অলি আহমদ, আ স ম আব্দুর রব, মেজর হাফিজ সহ অনেকেই স্বীকার করেছেন যে– জামায়াত কোনো যুদ্ধাপরাধ, খুন, ধর্ষণ বা লুটপাট করেনি! কিন্তু, তারপরও পূর্ব পাকিস্তান ভারতের পূর্ণ সহযোগিতায় স্বাধীন হলো। ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তান সেনাবাহিনী যখন আত্মসমর্পণ করে, তখন তারা ভারতীয় সেনাবাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করে। মুক্তিবাহিনীর কমান্ড চিফ জেনারেল উসমানীর (যাকে সহায়ক শক্তির কমান্ডিং চিফ হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা ছিল) বদলে ভারতীয় বাহিনীর পক্ষে জেনারেল অরোরা চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর করেন। যার মাধ্যমে ভারত প্রমাণ করে যে বাংলাদেশ নামক যেই একটি রাষ্ট্র ইন্দো-পাকিস্তান যুদ্ধের ফলস্বরূপ অকালে জন্ম দেওয়া হয়েছে, যেখানে ভারতই বিজয়ী! ভারতের পরিকল্পনার ভিত্তিতেই আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতা গ্রহণ করে। সেই সাত দফা চুক্তির ভিত্তিতে, শেখ মুজিব প্রধানমন্ত্রী হন এবং ভারতের চার স্তম্ভের ডুপ্লিকেট বাংলাদেশে আমদানি করে তার উপরে শাসন কাঠামো তৈরি করা হয়।
৭১-এর মুক্তিযুদ্ধ, বাংলাদেশের স্বাধীনতা এবং হিন্দুত্ববাদের বিষাক্ত আগ্রাসন– তিনটি বিষয়ই এক সুতোয় শক্তিশালীভাবে বাঁধা। সেটা পলিটিক্যাল ল্যান্ডস্কেপ অথবা সভারেন্টি ইস্যু– যেই পয়েন্ট অফ ভিউ থেকে পর্যবেক্ষণ করা হোক না কেন.. শুরু থেকেই শুরু করি। স্বাধীন বাংলায় ব্রিটিশ কলোনিয়ালিজমের সূচনা হয় ১৭৫৭ সালে, বাংলার মুসলমানদের শেষ নওয়াব সিরাজ-উদ্দৌলার পরাজয়ের মাধ্যমে। একশত বছর পর, ১৮৫৭ সালে দিল্লির শেষ মোগল সম্রাট বাহাদুর শাহের কাছ থেকেও ক্ষমতা ছিনিয়ে ইংরেজরা নিজেদের আধিপত্য আরো বিস্তৃত করতে শুরু করলো। ১৮৩১ সালে ইতিহাসে প্রথম ব্রিটিশ আগ্রাসনের বিরুদ্ধে খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশে বালাকোট নামক স্থানে একটি গুরুত্বপূর্ণ যুদ্ধ হয়েছিল। বালাকোট যুদ্ধের নেতৃত্বে ছিলেন সাইয়েদ আহমদ ব্রেলভী (রহ) ও শাহ ইসমাইল (রহ).. কিন্তু, তাঁদের শাহাদাত এবং পরাজয় গোটা উপমহাদেশে ইংরেজদের শক্তি আরো দিল! তৎকালীন ভারত, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশ– অর্থাৎ যেই উপমহাদেশে মুসলমানরা প্রায় ৬০০ বছর ধরে শাসন পরিচালনা করে আসছিল, তাদের কাছ থেকে ক্ষমতা নিয়ে অতি সহজে গোলাম বানাতে সাদা চামড়ার ফিরিঙ্গীরা ছিল নারাজ। তাই, রাজত্ব এবং দাসত্ব স্থিতিশীল করার লক্ষ্যে ইংরেজরা মুসলমানদের সকল সেক্টর থেকে উৎখাত করা শুরু করলো। একইসাথে শিক্ষা, সরকারি চাকুরি, ব্যবসা-বাণিজ্য ও জমিদারীতে মুসলিমদের সরিয়ে দিয়ে এগিয়ে দিল অমুসলিম হিন্দু জাতিগুলোকে, যোগ্যতা না থাকা সত্ত্বেও। ফলে, রাতারাতি মুসলিমরা পরিণত হয়ে গেল দাসে, আর দাস-জাতের হিন্দুরা বনে গেল জমিদারে। বাঙালি মুসলমানরা প্রায় দু'শ বছর ইংরেজ আর হিন্দুদের গোলামীর জিঞ্জিরে আঁটকে গেল। একদিকে তারা রাজনৈতিক-প্রশাসনিক দিক দিয়ে ইংরেজদের অধীন হয়ে পড়লো, অন্যদিকে পদানত হতে বাধ্য হলো হিন্দু জমিদারদের। বিশেষ করে, সেই হিন্দু জমিদারেরা মুসলমানদের উপর কি ধরনের পশুসুলভ পাশবিক অত্যাচার শোষণ চালাতো– তা এখনকার সময়ে উপলব্ধি করা প্রায় অবাস্তব! অষ্টাদশ শতাব্দীর শেষের দিকে তৎকালীন বাংলায় মুসলমানদের সবধরনের প্রভাব কমাতে হিন্দু জমিদাররা 'বেঙ্গলি রেনেসাঁস' বা বাংলার পুনর্জাগরণ হাজির করেছিল– যার পুরোটাই ছিল হিন্দু সংস্কৃতি। সেই সময়কার বুদ্ধিজীবী রঠা, বঙ্কিমচন্দ্র, ঈশ্বরচন্দ্র ও রামমোহন-কে বাঙালি মুসলমানদের মধ্যে প্রাসঙ্গিক করে তোলা হয়েছিল পরিকল্পিতভাবে। তারা বুদ্ধি এঁটে দিল, এই ভূখণ্ডে ইসলাম ব্যতীত অন্য যেকোনো মতাদর্শ থাকলেই লাভবান হবে বৃহত্তর হিন্দু জনগোষ্ঠীরা। ফলে, হিন্দুত্ববাদ আগে বামপন্থা ও বাঙালি সংস্কৃতি চর্চার নামে মুসলমানদের ওপর আধিপত্য করতে শুরু করে। মুসলমানরা যখন সেসব গ্রহণ না করে ইসলামের ব্যাপারে সচেতন হলো, তখন এরা নিয়ে এলো সেক্যুলারিজমের বয়ান। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে যদি বলি, সেক্যুলারিজম-কে নিয়ন্ত্রণ করছে হিন্দুত্ববাদীরা। যদি হিন্দুরা বানর হয়, তবে সেই বানরের হাতের বন্দুকের নাম হলো সেক্যুলারিজম। প্রায় দু'শ বছর পর.. ১৯৪৭ সালে ইংরেজরা উপমহাদেশের শাসনভার ত্যাগ করলো না, বরং হস্তান্তর করলো ভারতীয় হিন্দুদের কাছে। তখন পর্যন্ত একক ভারতে হিন্দু এবং মুসলমানরা একসাথে ছিল। কিন্তু, ব্রিটিশদের রেখে যাওয়া সিস্টেম অনুযায়ী হিন্দুরাই ছিল মুসলমানদের উপর কর্তৃত্বশীল। ব্রিটিশরা চলে যাওয়ার পর উপমহাদেশের মুসলমানরা আর বসে থাকতে চাইলো না। তারা নিজেদের জন্য আলাদা রাষ্ট্র গঠন করার চিন্তা করলো। সেসময়, এমন কোনো যৌক্তিক কারণ ছিল না, যাতে মুসলমানরা হিন্দুদের সাথে ভারতে এক হয়ে বসবাস করবে। কিন্তু, মুসলমানদের জন্য আলাদা রাষ্ট্র গঠনের ছিল অগণন কারণ। প্রতিদিন হিন্দু জমিদারেরা শত শত মুসলমানদের হত্যা করতো। হাজার হাজার মুসলমানদের উপর অত্যাচার, নিষ্পেষণ চালাতো। লক্ষ লক্ষ মুসলমানদের ইসলাম পালনে বাঁধা দিত। নামাজ পড়ার নূন্যতম অধিকার ছিল না, গোশত খাওয়া ছিল নিষিদ্ধ, পর্দা-দাঁড়ি মানা ছিল অসম্ভব! এভাবেই মুসলমানদের নিয়ে একপক্ষ জোরালোভাবে আলাদা রাষ্ট্র গঠন করতে চাইলো, কিন্তু অন্য আরেকপক্ষও ছিল, যারা তা চাইলো না। পুরোটাই ছিল তাদের নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গি। তারা কেউ ভাবলেন, মুসলমানরা হিন্দুদের কাছ থেকে আলাদা হলেই ভালো, এতে মুসলিমরা নিজেদের ধর্ম পালন সহ নিরাপদে থাকবে। আবার অন্যরা ভাবলেন, না.. আলাদা হয়ে গেলে মুসলিমরা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়বে। এই প্রেক্ষাপটে.. মুফতি মুহাম্মদ শফি, আল্লামা ইকবাল, আশরাফ আলী থানভী, জাফর আহমদ উসমানী, শাব্বির আহমদ উসমানী সহ প্রখ্যাত মুরব্বি আলেম-ওলামা ভারত থেকে আলাদা হয়ে পাকিস্তান প্রতিষ্ঠায় প্রাণান্তকর চেষ্টা চালিয়ে গিয়েছিলেন। সেই প্রচেষ্টার শিরোনাম ছিল– 'পাকিস্তান কা মাতলাব কিয়্যা, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ!' তৎকালীন পরিপ্রেক্ষিতে, পাকিস্তান প্রতিষ্ঠা হওয়াটা খুব দরকার ছিল মুসলমানদের অস্তিত্ব রক্ষার জন্যে। কিন্তু, সেই সময়কার পাকিস্তান আর আজকের পাকিস্তান বা পাকিস্তানের অধিপতিকে একসাথে গুলিয়ে ফেললে হবে না।
গাজীপুরের কালিয়াকৈরে ১১ বছরের মাদ্রাসা ছাত্রীকে ৩ দিন যাবত আটকে রেখে গণধর্ষ*ণ করেছে হিন্দু যুবকরা! আমার বোনের এই কান্না আমি কখনোই মেনে নিবোনা, রাষ্ট্রীয় আইন অনুযায়ী তাকে মৃত্যুদন্ড দিতেই হবে। যদি প্রশাসন ন্যায়বিচার কার্য্যকর করতে ব্যার্থ হয় তবে মুসলমান যুবকরা চুপচাপ সহ্য করবেনা। ওইযে দেশের আইনশৃঙ্খলা নষ্ট হবে, বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হবে,ধর্মীয় সম্প্রীতি নষ্ট হবে এই সেই বলে আমাদেরকে থামাতে পারবেন না সুতরাং দ্রুত ন্যায়বিচার কার্য্যকর করুন।
видео или голосовое, без подписи
𝘿𝙞𝙨𝙧𝙚𝙨𝙥𝙚𝙘𝙩 𝙩𝙤 𝙩𝙝𝙚 𝙌𝙪𝙧’𝙖𝙣 𝙖𝙩 𝙉𝙎𝙐.. অপূর্ব পাল নামে স্টুডেন্ট আজ ৯ টায় NAC দোতালায় কুরআন অবমাননা করে। ⭕ মূল ঘটনা: অপূর্ব ক্লাস রুমের বাহিরে বসে কুরআন পায়ের নিচে রেখে ভিডিও করে এবং লাত্থি দেয়। কুরআনের পৃষ্ঠাও ছিড়ে। স্টুডেন্টরা দেখলে তার সাথে হাতাহাতি হয়। এরপর সিকিউরিটিরা তাকে সেইফ এক্সিট দিয়ে ক্যাম্পাস থেকে বাহির করে দেয়। এবার আসি তার প্রিভিয়াস হিস্ট্রি নিয়ে- ১) সে ক্যাম্পাস থেকে তিন সেমিস্টারের জন্য সাসপেন্ড হয় তার বিভিন্ন অপকর্মের জন্য। সাসপেন্ডের মূল কারণ ছিলো তার ডিপার্টমেন্টের টিচারদের অভিযোগ। ২) সে মসজিদ একদিন জুতা নিয়ে ঢুকে গিয়েছিলো এবং ইমাম সাহেব নিষেধ করায় ইমাম সাহেবকে সুতরা নিয়ে মারতে গেসে। ৩) সবচেয়ে ভ;য়া*নক ঘটনা হলো সে গত ডিসেম্বরে ঘাটপাড়ে একজনের গায়ে পেট্রোল ঢেলে আ*গু*/ন লাগিয়ে দেয়। ৪) এছাড়াও বিভিন্ন সময় অনেক ভাইদের সে আক্রমণাত্মক এটিচিউড দেখায়। যেমন: এক ভাইয়ের দাঁড়ি ধরে টান দেয়া। সে এক্সট্রিম লেভেলের সাই*/কো এবং সাথে ড্রাগ এডিক্টেড। তাকে শুধু ক্যাম্পাস থেকে বহিস্কার না, তাকে দ্রুত আইনের আওতায় আনতে হবে। কার্টেসি: Arnob Ahmed প্লিজ ব্যবস্থা নিন...
সাকিব নামা!! সকল সোর্সঃ ১. আদম পাচারে জড়িত সাকিবের প্রতিষ্ঠান ফিয়েস্তা!👉 https://www.dailyjanakantha.com/sports/news/114787 ২. সাকিবের কাছে কাঁকড়া ব্যবসায়ীদের পাওনা কোটি টাকা! 👉 https://www.banglatribune.com/amp/country/khulna/857206/সাকিবের-কাছে-কোটি-টাকার-বেশি-পাওনা-অভিযোগ-কাঁকড়া ৩. আ.লীগের সঙ্গে আমাদের পারিবারিক সম্পৃক্ততা আগে থেকেই: সাকিবের বাবা👉 https://www.deshrupantor.com/amp/470978/আ.লীগের-সঙ্গে-আমাদের-পারিবারিক-সম্পৃক্ততা-আগে ৪. জুয়ার সাইটের প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি, শাস্তি পেতে পারেন সাকিব! 👉 https://bangla.thedailystar.net/sports/cricket/news-378586 ৫. এক বছরের জন্য নিষিদ্ধ সাকিব 👉 https://amp.dw.com/bn/এক-বছরের-জন্য-নিষিদ্ধ-সাকিব/a-51035424 ৬. ৬ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার কারসাজিতে সাকিব, লেনদেন ১০৪ কোটি! 👉 https://www.dhakapost.com/amp/exclusive/152656 ৭. বাবার নাম ‘জাল’ করেছেন সাকিব : কী বলছে বিসিবি? 👉 https://www.kalerkantho.com/online/sport/2022/09/18/1184784 ৮. স্বাস্থ্যের পলাতক মিঠুর সঙ্গে ব্যবসায় বেনজীর-সাকিব! 👉 https://dainikamadershomoy.com/details/018fe17693a31 ৯. ক্যান্সার হাসপাতালের নামে নিউইয়র্কে চাঁদাবাজি! : প্রতারণা ব্যবসা ও মাঠে যত অপকর্ম! 👉 https://weeklybangladeshusa.com/যেখানে-টাকা-সেখানেই-সাকি/
ভাবুন তো— আপনি যদি একটি মোবাইল ফোন ব্যবহার করেন কিন্তু এটা চার্জ না দেন, তবে যত দামি ফোনই হোক, একসময় সেটা বন্ধ হয়ে যাবে। জীবনও তাই। নিজের Energy, Time, Power, Money দিয়ে নিজেকে চার্জ না করলে, আপনার ক্যারিয়ারও একসময় থেমে যাবে। ⸻ আমাদের চারপাশে দেখি— ✔ কেউ নিজের স্কিল, হেলথ, নেটওয়ার্কিং-এ ইনভেস্ট করে কয়েক বছরে এগিয়ে যায়। ✔ আর কেউ একই জায়গায় থেকে অভিযোগ করে “আমাকে কেউ সুযোগ দিচ্ছে না।” পার্থক্য? → একজন নিজেকে চার্জ দিচ্ছে, আরেকজন ফাঁকা ব্যাটারি নিয়েই দৌড়াতে চাইছে। ⸻ 💡 ৪টি মূল ইনভেস্টমেন্ট ① Energy • সুস্থ শরীর ও মন = দীর্ঘ ক্যারিয়ার। • প্রতিদিন ব্যায়াম, হেলদি খাবার, স্লিপ মানে নিজের ব্যাটারিতে ফুয়েল ভরা। ② Time • সময়কে আপনি বিনিয়োগ করবেন নাকি অপচয় করবেন সেটা নির্ধারণ করে আগামীকাল। • এক ঘণ্টা মুভি সিরিজের বদলে এক ঘণ্টা নতুন স্কিল লার্নিং → এটা-ই গেমচেঞ্জার। ③ Power (Skills & Knowledge) • জ্ঞানের ভাণ্ডারই আসল Power। • যত বেশি শিখবেন, তত বেশি ভ্যালু তৈরি হবে কর্মক্ষেত্রে। ④ Money • নতুন কোর্স, বই, ট্রেনিং, লার্নিং ম্যাটেরিয়ালস = খরচ নয়, বিনিয়োগ। • যে টাকা আজ নিজের উন্নতিতে ব্যয় করছেন, সেটাই কালকে আপনাকে বহুগুণে ফেরত আসবে। ⸻ 🚫 সাধারণ কয়েকটি ভুল • ভাবা: “চাকরি হলে তখন শিখব।” • অপ্রয়োজনীয় জায়গায় Time ও Energy নষ্ট করা। • নিজের স্কিল ডেভেলপমেন্ট ও স্বাস্থ্যকে অবহেলা করা। ⸻ 🔹 একজন তরুণ ইঞ্জিনিয়ার → প্রতিদিন অফিস শেষে ১ ঘণ্টা CAD সফটওয়্যার শিখেছে। এক বছরে শুধু নিজের ভেতরে ইনভেস্ট করে তার প্রোমোশন এসেছে। 🔹 আরেকজন → চাকরি নেই বলে ৬ মাস বসে থেকেছে, নতুন কিছু শেখেনি। আজও প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে। ⸻ তাই আজই একশন স্টেপ নিন 1. লিখে ফেলুন—আগামী ১ মাসে কোন স্কিলে ইনভেস্ট করবেন। 2. নিজের সময় নষ্টকারী কাজগুলো চিহ্নিত করুন। 3. প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট নিজের উন্নতিতে ব্যয় করুন। ⸻ যে নিজের জন্য ইনভেস্ট করে, তার ক্যারিয়ার কখনো থেমে থাকে না। Energy, Time, Power, Money — এগুলোকে নিজের জন্য ইনভেস্ট করুন। কারণ সবচেয়ে সেরা প্রফিটেবল এসেট হলো আপনি নিজেই।
видео или голосовое, без подписи
видео или голосовое, без подписи
видео или голосовое, без подписи
•| হারিয়ে যাওয়া মুসলিমদের জ্ঞান-বিজ্ঞান |•
শিক্ষার্থীর বাড়ি বাড়ি গিয়ে ডাকসুর জন্য ভোট চাচ্ছে স্থানীয়, বি এন পি নেতারা। অনেক ক্ষেত্রে বাধ্যও করছে...
শিক্ষার্থীর বাড়ি বাড়ি গিয়ে ডাকসুর জন্য ভোট চাচ্ছে স্থানীয়, বি এন পি নেতারা। অনেক ক্ষেত্রে বাধ্যও করছে...
ভিডিওটা দেখে আসুন সম্ভব হলে। খুবই গুরুত্বপূর্ণ... https://youtu.be/ZNaRSB8LPc4
ভিডিওটা দেখে আসুন সম্ভব হলে। খুবই গুরুত্বপূর্ণ... https://youtu.be/4NCuLQP67Bo