tgindex
আল-আকসা ♥️

আল-আকসা ♥️

Статистика

♥️ ও. এম. প্রকাশনী (সাহিত্যের মাধ্যমে_তারুণ্যের সৃজনশীলতা বিকাশে দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ ) 🍀 O.M. MEDIA YouTube channel 👇 https://youtube.com/channel/UCDH_pJHz6kOSzsNymvRGfJA

Последний пост
15 авг.
Последнее чтение
15 авг.
Постов за неделю
6
Всего постов
28
Тип
открытый
Язык
bn
Категория
Видео
В каталоге с
13 авг.
Подписчики
912
0 за 1 дн.
Сутки
0
0,00%
Неделя
 
Месяц
 
Просмотров на пост
61
28 постов
Вовлечённость
6,7%
к подписчикам
Постов в день
0,9
всего 28
Упоминаний
0
каналов
Охват размещения
оценка
1/24сутки в ленте
31
1/48двое суток
35
1/72трое суток
38

Оценка по просмотрам недавних постов: пост набирает почти всё за первые сутки.

Посты

  • সত্যি বলতে এখন আর মুসলিম মেয়েদের সতর্ক করে পোস্ট করতে ইচ্ছে করে না, কারন কি জানেন???? আমার নিজ অভিজ্ঞতা থেকে কয়টা কথা বলি শুনেন? যখন দেখি মুসলিম মেয়েরা, হিন্দু ছেলের সাথে প্রেম করে, ওদের সাথে বিছানায় যায়, আল্লাহর দেয়া পবিত্র সতিত্ব টা, উগ্র হিন্দু কে বিলিয়ে দেই, তখন বড্ড কষ্ট হয় আফসোস লাগে? কেন জানি সব ফেইক মনে হয়, নিজেকে বিশ্বাস করাতে পারি না, আসলেই কি এই মেয়ে গুলো হিন্দু ছেলের বিছানায় বিছানায় যায়,হিন্দু ছেলের সামনে পাই'জামা খুলে??? নিজেকে বিশ্বাস করানোর জন্য ফেইসবুকে একটা ফেইক একাউন্ট খুলি, প্রোফাইল পিকটা দিছি বেশ আকর্ষণিও, যেনো মালুদের কে সহজেই কাবু করা যায়, এবং ওদের কাছ থেকে সহজেই সত্যি টা জানা যায়, তারপর এড হয় ১৮+ গ্রুপে, এড হয়ে পোস্ট করলাম, হিন্দু ছেলে বন্ধু চাই, কোনো হিন্দু ছেলে আমার বন্ধু হতে চাইলে, আমাকে ইনবক্সে করুন??? পোস্ট করার ৫.৭ মিনিটের মধ্যেই ৪০+৫০ জন হিন্দু ছেলে এবং মধ্যে বয়স্ক হিন্দু লোক জা'পিয়ে পরেছে, আমার ইনবক্সে, এড পাঠিয়ে শুরুতেই মেসেজ দিয়েছে, এই হিজাবী, আমি তোমার সাথে প্রেম করতে চাই, তোমাকে ভো'গ করতে চাই, তুমি কি আমার হবে??? উত্তরে আমি বল্লাম,জি আপনি যা চান সব হবে?তবে কয়টা সত্যি কথা বলতে হবে,পারবেন কি বলতে? তোমাকে পাওয়ার জন্য একটা কেন, হাজার টা সত্যি বলতে রাজি আছি, বলো সোনা, কি জানতে চাও? উত্তরে আমি বল্লাম যে রিলেশন করেন, সে হ্যা করি তো, আমি আবারো জিগ্যেস করলাম, কার সাথে? সে উত্তরে বল্লো, মুসলিম মেয়ের সাথে, আমি তার মেসেজে wow রিয়েক্ট দিয়ে, উৎসাহ মাখা শুরে বল্লাম বাহ ভালই তো, তারপর জিগ্যেস করলাম কখনো সরাসরি দেখা করছেন? সে বল্লো ২০ বারের উপর ভো'গ করেছি, আমি তাকে আবার জিগ্যেস করলাম যে এখন করেন না, সে উত্তরে বল্লো না এখন হয়না, আমি আবার জিগ্যেস করলাম কেন কি হয়েছে??? সে উত্তরে বল্লো,তার বিয়ে হয়ে গেছে, তবে সুযোগ পেলে আবার করবো, আরেক হিন্দু ছেলের সাথে কথা হল, সে ঢাকাতে থাকে, তার পাশের বাসায় একজন মুসলিম মহিলা থাকে, তার বয়স ৩০+ তার হাসবেন্ড বিদেশে থাকে, মুসলিম মেয়েটা তার দুইটা বাচ্চা নিয়ে ঢাকায় একা থাকে? জামাই বিদেশে গেছে ৫ বসর, এই ৫ বসরেই নাকি মুসলিম মেয়েটা কে ভোগ করে আসছে? জিগ্যেস করলাম এখন করেন না, সে উত্তরে বল্লো না,এখন হয়না, আমি জিগ্যেস করলাম কেন কি হয়েছে? সে বল্লো, এখন তার জামাই বিদেশ থেকে চলে আসছে, আরেক জন হিন্দু ছেলেকে সবার মতই জিগ্যেস করার পর, সেও বল্লো, আমি একজন মুসলিম কলেজ পরুয়া মেয়েকে অনেক দিন ভো'গ করেছি, আহ খুব মজা পাইছি??? বেশ কয়েক জন যুবক হিন্দু ছেলে এবং মধ্যে বয়স্ক হিন্দু লোকের সাথে কথা বলার পর, সবাই একি কথা , সবার মুসলিম GF আছে, তাদের কে ওরা একবার দুইবার নয়, বহুবার ধর্ষ'ণ করছে, সত্য যাচাই এর জন্য, পিক ভিডিও চাইলাম, সাথে সাথে মুসলিম মেয়ের সাথে se..করার ভিডিও পিক পাঠিয়ে দিয়েছে... এগুলো দেখার পর, নিজেকে কি ভাবে বুঝ দিবো বুঝতে পারছিলাম না, খুব খারাপ লাগছিল, আহারে এই মেয়ে গুলো যদি উগ্র হিন্দুর সাথে সম্পর্ক না করতো, তাহলে কি ওরা জোর করে তাকে ভোগ করতো পারতো, অবশ্যই না, ইচ্ছে করেই ওরা হিন্দু ছেলের ফাঁদে পা দিচ্ছে, আর নিজেকে ওদের কাছে ভোগের পাত্র বানাচ্ছে, দোষ তো আগে এ মেয়েদের, এরা নাপাক হিন্দু থেকে নিজেকে হেফাজত রাখলে, কোনো হি'ন্দু খান'কির পোলায় তাকে স্পর্শ করার সাহস পেতো, তার আগে আমাদের মুসলিম বঙ্গের ছেলেরা ওদের সেটা ভে'ঙে দিতো, দোষ তো তোর বেশি খান'কি,তুই কেন নাপাক হিন্দু ছেলের কাছে গেলি?? বিশ্বাস করেন ভাই, কোনো হিন্দু মেয়ে যদি আমাকে একা রুমে লেং'টা হয়েও বলে, Osama আমাকে গোয়া মারো, সত্যি মালিকের কসম, আমি তাকে দুইটা কি'ক মেরে চলে আসবো, তারপরও, হিন্দু মেয়ের সাথে se..করবো না, আরে ভাই আমি তো মুসলিম, মুসলমানদের তো একটা রুচি আছে তাইনা. সে যত সুন্দরী মেয়েই হক না কেন, তাকে ইগনোর করার ক্ষমতা আমি রাখি, আমার বহু মুসলিম ভাই, রাখে. যাইহোক কথা হচ্ছে এইটা যে, আমরা মুসলিম ছেলেরা যেখানে হিন্দু মেয়ের সাথে প্রেম করার প্রয়োজন মনে করি না, সেখানে আমাদের কিছু নামধারি মুসলিম খান*কি মেয়েরা কেমনে পারে নাপাক হিন্দু ছেলের সাথে বিছানায় যেতে এবং তার সামনে পাই'জামা খুলতে... সব শেষে এই মা'গিদের কে যখন, হিন্দু'রা ভো'গ করে খেয়ে চলে যায়, তখন বোরকা হিজাব পরে,একেবারে রাবেয়া বসরী সেজে,মুসলিম দারি ওয়ালা টাকা ওয়ালা, ছেলে দেখে ১০-২০ টাকা কাবিন লেখিয়ে বিয়ে করে নেই, আর আমাদের বোকা ছেলেরা তার অতিত নিয়ে প্রশ্নই করে না, মনে করে খুব ভাল মেয়ে পাইছে,উপরে যেমন সুন্দর নিচেও তেমন সুন্দর, তাই তার অতিত নিয়ে প্রশ্ন করার প্রয়োজন মনে করে না, আফসোস হে আল্লাহ আপনি দয়া করে, না'পাক হিন্দু থেকে আমাদের মুসলিম মেয়ে গুলো কে, হেফাজত করুন, তাদের কে সহি বুঝ দান করুন আমিন সংগৃহীত

  • ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহের জন্য দেখলাম ৩২১ কোটি টাকার ট্যাব কিনবে সরকার অলরেডি অনুমোদন ও হয়ে গেছে। অথচ এই ৩২১ কোটি টাকা দিয়ে অন্য কোন Sustainable Development করা সম্ভব। অল্প কিছু টাকা খরচ করে একটা Website Development করলেই হয়। যারা সুপারভাইজার হচ্ছে মোটামুটি প্রতিটা ছেলে মেয়ের হাতেই এখন Smart Phone আছে। তাদেরকে একটা ইউজার আর পাসওয়ার্ড দেওয়ার মাধ্যমে এই জিনিস সহজে আলাদা ডিভাইস ছাড়া তাদের ফোন থেকেই কাজ গুলো করা সম্ভব ছিলো। যাইহোক এই রাষ্ট্রে সুচিন্তিত করার মানুষের সংখ্যা অনেক কম সব সময় কিভাবে নতুন নতুন ধান্দা খোলা যায় আর কেমনে রাষ্ট্রের কোষাগারের পুনমেরে নিজের পকেটে মাল পানি ভরা যায় সেটা নিয়েই সবাই বেশি চিন্তিত থাকে। Family Card Project একটা সময় গিয়ে Failed করবে এটা আজকে আমি বলে রাখলাম সবচেয়ে বড় কারণ হবে এমন টাকার অপচয় এবং অব্যবস্থাপনা। একজন ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে রাষ্ট্রের এমন শত শত কোটি টাকা জলে ভাসিয়ে দিতে দেখে বেশ কষ্ট পাচ্ছি। পাশাপাশি ঘৃণা আর রাগে মনে মনে বলছি এই রাষ্ট্রের কখনো কোন দিন ভালো হবে না হওয়ার সম্ভাবনা ও নেই অদূর ভবিষ্যতেও।

  • দীর্ঘকাল মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে বঞ্চিত করে রাখা হয়েছিল৷ জুলাইয়ের কারণে সে তার মাকে মৃত্যুর আগে অন্তত ছুঁয়ে দেখতে পেরেছে। তাই জুলাইয়ের প্রতি তার কৃতজ্ঞ থাকা উচিত৷ জুলাই সনদ বাংলাদেশের মানুষের মুক্তির সনদ৷ বিএনপি যদি জুলাইকে গ্রহণ করে তাহলে তার কোনো ক্ষতি নাই৷ যদি গ্রহণ করে তাহলে বিএনপির জনপ্রিয়তা দ্বিগুণ হয়ে যাবে এবং বিরোধীদলীয় রাজনীতি নাই হয়ে যাবে৷ বিএনপির কাছে সুযোগ আছে। এখন দেখা যাক, কোনটা গ্রহণ করে৷ ১২. মির্জা আব্বাসের যদি বৈধতা থাকে তাহলে সিটে এসে বসা উচিত। আর যদি বৈধতা না থাকে তাহলে উপনির্বাচন হওয়া উচিত৷ ওই আসনের মানুষের তো একটা লোক দরকার। তারা তাদের দুঃখগুলো কাকে বলবে! ওসমান হাদি এখন আর ঢাকা-৮ আসনে সীমাবদ্ধ নাই, উনি এখন বাংলাদেশের আজাদির প্রতীক হয়ে গেছেন, স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের প্রতীক। ১৩. জাবেরের সিটি করপোরেশনে ইলেকশন করার এখনো কোনো চিন্তা নাই। র‍্যাপিড ফায়ার— ১. এখনো পর্যন্ত কোনো রাজনৈতিক দলে যোগদান করার চিন্তাভাবনা নাই কিন্তু প্রয়োজন পড়লে করবেন৷ ২. ইনকিলাব মঞ্চ জামাত-শিবিরের দোকান না, বাংলাদেশের দোকান। ৩. জাবের ৩ মাস ধরে বেকার। আগে একটা পত্রিকায় ফিচার রাইটার হিসেবে ছিলেন, মাসিক ১৫ হাজার টাকা বেতনে। এখন ঢাকায় নিজস্ব কোনো বাসা নাই৷ এখানে-ওখানে থাকেন। ৪. প্রিয় খাবার: মায়ের হাতের খিচুড়ি৷ ৫. হাদি ভাইয়ের প্রিয় খাবার: ভর্তা-ভাজি, পান্তাভাত ৬. ওসমান হাদির ৩টা সমালোচনা— • সবাইকে বিশ্বাস করতেন৷ • জীবনের শেষ সময়ে মিতব্যয়ী ছিলেন না৷ • পরিবারকে সময় দেননাই৷ ৭. এনছিপির ৩টা সমালোচনা— • জুলাইকে শুধু নিজেদের মনে করে৷ • ভাইব্রাদার কোরামের বাইরে বের হতে পারছে না। • জনগণের আকাঙ্ক্ষা পূরণ করতে খুব একটা সফল হয়নাই৷ ৮. বিএনপি ৩টা সমালোচনা— • ইতিহাস থেকে শিক্ষা নেয় না৷ • ১৭ বছর গুন-খুমের শিকার হবার পরেও আবার সেই রাজনীতিতেই ফেরত যাবার চেষ্টা করছে৷ • জুলাইয়ের পক্ষে দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ নাই৷ ৯. জামাতের ৩টা সমালোচনা— • নিজেদের বাইরের লোকদের খুব একটা পুতঃপবিত্র মনে করে না। • নিজেদের লোকদের ভেতরে থাকবার একটা প্রচেষ্টা থাকে সবসময়৷ • ভুল করলেও জাস্টিফাই করার চেষ্টা করে। ১০. পছন্দের রাজনীতিবিদ: নাহিদ ইসলাম (এনছিপি), সালাহউদ্দিন আহমেদ (বিএনপি), ডা. শফিকুর রহমান (জামাত) ১১. একদিনের জন্য প্রধানমন্ত্রী হলে: শহীদ ওসমান হাদির হোত্তার বিচার করবেন৷ ১২. সিরাতুল মুস্তাকিমের পথে চলতে চান৷ ১৩. মানুষ যদি মনে করে উনি সৎ, ওনার উপর বিশ্বাস রাখা যায় তাহলেই উনি নিজেকে সফল বলে মনে করবেন৷ পডকাস্টে মোটাদাগে ৩টা সমস্যা খুব চোখে লেগেছে— • এডিটিং ভালো হয়নি৷ • প্রশ্নের একটা ধারা থাকা উচিত ছিল, কেমন যেন খাপছাড়া৷ সাজেশন: একটা গ্রাফে ঢেউ আঁকলে যেমন হয়, তেমন করতে পারলে ভালো। • পিংপং খেলানো উচিত হয়নাই। এইটা শোবিজের লোকজনকে দেওয়া যায়। রাজনীতি একটা সিরিয়াস বিজনেস।

  • The Core Concept এর একটা পডকাস্টে অতিথি হিসেবে ছিলেন Abdullah Al Jaber ভাই৷ ১ ঘণ্টা ১৭ মিনিটের পডকাস্টটার লিংক কমেন্টে দিয়ে দিচ্ছি। সময় থাকলে দেখতে পারেন। সময় না থাকলে এই পোস্ট থেকে জিস্ট জেনে নিতে পারেন। মতামত জাবের ভাইয়ের নিজস্ব৷ এটির দায় আমার না। আমি চেষ্টা করেছি ওনার বক্তব্য যতটা সম্ভব অবিকৃত রাখার৷ ১. পডকাস্টে বেশ কয়েকবার হাদি ভাইয়ের পরিবারের সাথে ইনকলাব মঞ্চের নেতাকর্মীদের দ্বন্দ্ব নিয়ে প্রশ্ন করা হয়৷ প্রত্যেকবারই জাবের অত্যন্ত ডিপ্লোমেটিক উত্তর দেন৷ সম্মান দিয়ে কথা বলেন৷ হাদি ভাইয়ের বোন মাসুমা হাদি একটা সংবাদ সম্মেলনের উদ্দেশ্যে ঢাকায় আসলে জাবের ভাই বা জুমা তাকে কল করেনি। করা উচিত ছিল বলে জাবের বলেন। ওমর হাদির সরকারি চুক্তিভিত্তিক চাকরি নিয়ে দেশত্যাগ করাকেও উনি পজিটিভলি দেখেন। জাবেরের মতে, ভুল বোঝাবুঝি থাকতে পারে কিন্তু দ্বন্দ্ব নাই৷ ২. ইনকিলাব মঞ্চের কাজ চলছে। ওটা হয়তো ইন্টেরিম আমলের মতো অতো হাইলাইটেড হচ্ছে না মিডিয়ায়। ইস্কুল নামে একটা কিশোর পত্রিকা চালু করা হয়েছে৷ দ্বিতীয় সংখ্যা (আজাদি সংখ্যা) ৫,০০০ কপি ছাপানো হয়েছে। তার মধ্যে প্রি-অর্ডার-ই এসেছে ২,৫০০ কপি। নতুন পত্রিকা 'জন্মদাগ' বুদ্ধিবৃত্তিক লড়াইয়ে কাজ করবে। একটা কমিক্স আনার প্ল্যান আছে৷ শুধু ডকুমেন্টারি না, সিনেমা বানানোর পরিকল্পনা আছে। 'দেশভাগের' ন্যারেটিভে না, বরং 'আজাদি'-র সিনেমা। ৩. হাদি ভাইয়ের শাহাদাতের সময় থেকে ডোনেশন কার্যক্রম বন্ধ ছিল। কিছুদিন আগে 'খয়রাত লাগবে' বলে একটা ক্যাম্পেইন রান করা হয়৷ ইনকিলাব মঞ্চের ইউটিউব চ্যানেল এবং ফেইসবুক পেইজের মনিটাইজেশন অন হয়ে গেছে৷ বইমেলায় ১৫ লক্ষ টাকার বেশি রেভেনিউ জেনারেট হয়েছে। এভাবে অর্থের সংকুলান হচ্ছে৷ ৪. ৫ম শ্রেণির পাঠ্যপুস্তকে শহীদ ওসমান হাদির বীরত্বগাথা অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব হয়েছিল শুধু, ফাইনালাইজ কিছুই হয়নি। মিডিয়াগুলো টিআরপির জন্য ওভাবে সংবাদ প্রকাশ করে। জাবের বলেন, "শহীদকে সম্মান জানানোর দায়িত্ব রাষ্ট্রের। আমরা সর্বোচ্চ, রাষ্ট্রের কাছে আবেদন করতে পারি।" তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, বিএনপি সরকার অন্তর্ভুক্তির কাজটি করবে। ৫. জানামতে ফিরনাসের (হাদি ভাইয়ের সন্তান) আর্থিক টানাপোড়েন চলছে না। সরকার ফ্ল্যাট ও ফান্ড দিয়েছে। ৬. ওসমান হাদি হোত্তাকাণ্ডের যে মামলা তাতে বাদী জাবের। কেন উনিই বাদী হলেন এই প্রশ্নটা উনি এড়িয়ে যান এবং পুলিশের ADC ও IO এর কাছে জিজ্ঞেস করলে উত্তর মিলবে বলে জানান। ৭. ওসমান হাদি হোত্তাকাণ্ডের বিচারপ্রক্রিয়া আগায় নাই। ১৮ বার পিছিয়েছে৷ মমতা ব্যানার্জি গুরুতর অভিযোগ করলেও বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে সেটাকে কোনো গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। তবে, আজ হোক কাল হোক, ওসমান হাদির হোত্তার বিচার এই জমিনে হবে। হতেই হবে। জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত তিনি এই জায়গাতে লড়াই করে যেতে চান। ৮. কিছুদিন আগে হামে শিশুমৃত্যুর কারণ হিসেবে 'ফিটনেস ধরে রাখার জন্য নারীরা বাচ্চাদের বুকের দুধ খাওয়ান না' এরকম একটা মন্তব্যের কারণে সমালোচনার শিকার হন জাবের। সেজন্য তিনি ক্ষমা চান এই পডকাস্টে। অনেক কারণের মধ্যে ওটা একটা কারণ হলেও অবশ্যই একমাত্র কারণ না বলে স্বীকার করেন। ৯. হাদি ভাই জাবের ভাইয়ের থেকে ৫ বছরের বড়। তাদের গাঢ় বন্ধুত্বের সূচনা মূলত করোনার সময় থেকে। লকডাউনের সময় ত্রাণ পৌঁছে দেওয়া, এলাকার পাবলিক লাইব্রেরি পুনরায় চালু করা এগুলো থেকেই একসাথে লড়াইয়ের সূত্রপাত ঘটে৷ ৫ আগস্টের পরে নলছিটি উপজেলার মন্দির পাহারা দিতে গিয়ে একটা প্ল্যাটফর্ম করার আইডিয়া আসে। ৮ আগস্ট শাহবাগে ব্যানার ছাড়া খুমি হাসিনার বিচারের দাবিতে একটা প্রোগ্রাম করা হয়। ১৩ আগস্ট ইনকিলাব মঞ্চের ব্যানারে শাহবাগে প্রথম প্রোগ্রাম হয়৷ ১০. মোদি সরকার ক্ষমতা থেকে নামলেও যে ওসমান হাদি হোত্তার পিছনের নামগুলো বের হয়ে আসবে তা জাবের মনে করেন না। যে সরকারই আসুক, জাতীয় স্বার্থে ইন্ডিয়া যে সিক্রেসি মেইনটেইন করে, উনি তা স্মরণ করিয়ে দেন৷ ১১. নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পর জুলাই স্মৃতি জাদুঘরের কর্মীদের বেতন বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল৷ বাংলাদেশ ব্যাংকের CSR ফান্ড থেকে জুলাইয়ের শহীদ পরিবারকে ২ লক্ষ করে টাকা দেওয়া শুরু হয়েছিল৷ সেটা বন্ধ করে দিয়ে সরকারদলীয় শহীদদেরই এই টাকা দেওয়া হয় এখন। বর্তমান সরকার জুলাইয়ের সাথে প্রতারণা করেই ক্ষমতায় এসেছে। গণভোটে হ্যাঁ দিতে বলে এখন বাস্তবায়ন করছে না। এই সংবিধান গত ১৭ বছর তাদেরকে গুম হওয়া থেকে রক্ষা করতে পারেনাই, ফ্যাসিবাদ থেকে মানুষকে বাঁচাইতে পারেনাই, এই সংবিধান বেগম খালেদা জিয়াকে জেল থেকে মুক্ত করতে পারেনাই৷ সুতরাং এই সংবিধানের দোহাই দিয়ে যদি ১৪০০ শহীদের আর্তনাদ, রক্ত, ২০ হাজারের অধিক আহতদের বলিদানকে তুচ্ছ করা হয়.. বিএনপিকে আবারও আগের অবস্থার (ধানক্ষেতে রাত্রিযাপন) পুনরাবৃত্তি করতে হতে পারে৷

  • видео или голосовое, без подписи

  • видео или голосовое, без подписи

  • সবুজ পাসপোর্ট থাকাটাই কি আমাদের সবচেয়ে বড় অপরাধ? 💔 একটু চোখ বন্ধ করে ভাবুন তো - আপনি আপনার বয়স্ক বাবা-মা বা ছোট্ট বাচ্চাটাকে নিয়ে কানাডা থেকে দেশে ফিরছেন। হঠাৎ যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে আপনার ফ্লাইট ইতালির রোমে ইমার্জেন্সি ল্যান্ড করলো। আপনি ভাবছেন, দেশের জাতীয় পতাকাবাহী বিমান, নিশ্চয়ই বিপদে আপনাকে সর্বোচ্চ দেখভাল করবে। কিন্তু বাস্তবতা শুনলে আপনার শিউরে উঠতে হবে! গত ২২ ঘণ্টার বেশি সময় ধরে রোম এয়ারপোর্টের মেঝেতে রিফিউজির মতো পড়ে আছেন ১৭০ জনের বেশি বাংলাদেশি! অথচ একই ফ্লাইটের (BG-306) প্রায় ৮০ জন আমেরিকান ও কানাডিয়ান পাসপোর্টধারীকে ঠিকই ইমিগ্রেশন পার করে হোটেলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। কেন জানেন? কারণ তাদের হাতে বিদেশি পাসপোর্ট আছে, আর আমাদের যাত্রীদের হাতে আছে যেন এক 'অলিখিত অপরাধের চিহ্ন’-বাংলাদেশের সবুজ পাসপোর্ট! এমনকি যাদের আমেরিকার গ্রিন কার্ড আছে, শুধুমাত্র বাংলাদেশি পাসপোর্টধারী হওয়ায় ইতালির ইমিগ্রেশন তাদেরও কোনো ট্রানজিট ভিসা দেয়নি। তাদেরকেও ফ্লোরে রাত কাটাতে হচ্ছে! এর আগে টানা ৮ ঘণ্টা এসি ছাড়া একটা বদ্ধ বিমানে আড়াইশ যাত্রীকে আটকে রাখা হয়েছিল। শিশু আর বয়স্ক মানুষেরা গরমে আর কষ্টে অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। কারও কাছে জরুরি ওষুধ নেই, বাচ্চার খাবার নেই, ঘুমানোর জায়গা নেই। আর বিমানের কোনো প্রতিনিধির টিকিটিও সেখানে নেই! সবচেয়ে ভয়ংকর এবং লজ্জার বিষয় কী জানেন? বিমান বাংলাদেশ দেশে বসে দিব্যি প্রেস রিলিজ দিয়ে দিয়েছে- সব যাত্রীকে হোটেলে রাখা হয়েছে, খাবার দেওয়া হয়েছে! আর আমাদের দেশের গণমাধ্যমগুলোও যাচাই না করেই সেই নির্লজ্জ মিথ্যাচার ছেপে দিয়েছে। দেশে থাকা পরিবারগুলো পত্রিকা পড়ে ভাবছে তাদের প্রিয়জনরা আরামে হোটেলে আছে, অথচ তারা বিদেশের মাটিতে এয়ারপোর্টের শক্ত ফ্লোরে বসে ধুঁকছে আর কাঁদছে! ৪৮ বছর আগে ১৯৭৮ সালেও বিমানের এমন এক জঘন্য অব্যবস্থাপনার কারণে পুরো পরিচালনা পর্ষদকে বরখাস্ত করা হয়েছিল। আর আজ ২০২৬ সালে এসে তারা নিজেদের ব্যর্থতা ঢাকতে মিথ্যা প্রেস রিলিজ দিয়ে ধামাচাপা দিচ্ছে! আমি আপনাদের কাছে একটা প্রশ্ন রাখতে চাই- বিদেশের মাটিতে ভিনদেশি এয়ারলাইন্সগুলো যেখানে বিপদে পড়লে যাত্রীদের কোলে করে রাখে, সেখানে নিজেদের টাকায় চলা 'পতাকাবাহী' বিমান কি আদৌ আমাদের সম্মান করতে শিখেছে? নাকি আমরা প্রবাসীরা শুধু রেমিট্যান্স পাঠানোর মেশিন, মানুষ হিসেবে আমাদের এক পয়সাও দাম নেই? আমি জানি এই সত্যি কথাগুলো হয়তো কোনো পত্রিকার হেডলাইন হবে না। কিন্তু আপনাদের একটা শেয়ার হয়তো ঘুম ভাঙাতে পারে ওই এসি রুমে বসে থাকা নির্লজ্জ কর্তাদের। সত্যিটা সবার জানা দরকার! ভিডিও এবং প্রমাণগুলো কমেন্ট বক্সে দিলাম। আওয়াজ তুলুন, কারণ কাল এই জায়গায় আপনি বা আপনার পরিবারও থাকতে পারে! 👇

  • 🥰

  • বিএনপি সরকার ক্ষমাতায় আসার পর উদ্বোধনের পূর্বে জুলাই স্মৃতি জাদুঘর থেকে যা যা সরানো হয়েছে: ১. বর্ডার কিলিং রুম নামে একটি সেকশনে সীমান্ত হত্যার বিভিন্ন আলামত ও রেকর্ড সংরক্ষিত ছিল। উদ্বোধনের পূর্বে পুরো সেকশনটিই সরিয়ে ফেলা হয়েছে। ২. সীমান্ত হত্যার শিকার ফেলানীর ভাষ্কর্য সরিয়ে ফেলা হয়েছে। ৩. জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের লংমার্চ টু ঢাকা কর্মসূচির অংশটি সরিয়ে ফেলা হয়েছে। ৪. আগ্রাসনের বিরুদ্ধে মোদি বিরোধী আন্দোলনের ইতিহাস সম্বলিত সেকশনটি সরিয়ে ফেলা হয়েছে। ৫. ডিজিটাল সিক্যুরিটি অ্যাক্ট (ডিএসএ) এর মাধ্যমে নিপীড়নের শিকার ভিক্টিমদের আলামত এবং ইতিহাসের সেকশনটি ছোট করে ফেলা হয়েছে। এছাড়াও আরো ছোট ছোট অনেক এলিমেন্ট বাদ দিয়ে অনেক ক্ষেত্রেই কম্প্রোমাইজ করা হয়েছে।

  • আজকের জাতীয় মসজিদের খুতবা দিয়েছেন ভারতের দারুল উলুম দেওবন্দের মুহতামিম মুফতি আবুল কাসেম নুমানী সাহেব। নাতিদীর্ঘ বয়ানের বিষয়বস্তু ছিল নবিজির (ﷺ) বলা ৫ কথা। তিনি (ﷺ) লোকেদের ডেকে বলছেন, কে আছ আমার থেকে এই জিনিসগুলো জানতে চাও, নিজে পালন করতে চাও এবং অন্যদের কাছে পৌঁছুতে চাও? এরপর আবু হুরাইরা রাদ্বিআল্লাহু আনহুকে তিনি ৫টি লাইফ চেঞ্জিং শিক্ষা দেন। . এই হাদিস আমি আগেও শুনেছি। কিন্তু আজকের বয়ানে শুরুতে হৃদয় বিগলিত হয়ে গেল। আসলে জাতির আত্মশুদ্ধি নিয়ে কাজ করা আমলদার মানুষের কথার প্রভাব হয় ভিন্ন রকম। কারো মূল্যবান কথায় যদি মনে প্রভাব না ফেলে তাহলে সাধারণত দুইটার একটা ঘটেছে বলে ধরে নেওয়া যায়- বক্তা নিজে আমলদার নয়। পাপাচারী বা গাফিল মানুষের কথায় প্রভাব সেভাবে থাকে না। অথবা শ্রোতা এতটাই আমল থেকে দূরে যে, অন্তর মরে গেছে। শাইখ মাত্র মিনিট পনের কথা বলেছেন। কিন্তু পনের মিনিটেই জীবন পালটে দেওয়ার খোরাকি আছে। . উর্দু বয়ান শেষ। বাংলা তর্জমা করতে উঠে দাঁড়ালেন খোদ জাতীয় মসজিদের খতিব আব্দুল মালেক সাহেব হুজুর। তর্জমা অনেক কষ্টসাধ্য কাজ। সাধারণ উর্দু বঝে যে কেউ এটা করতে পারলেও উপমহাদেশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ মুহাদ্দিস নিজেই উঠে দাঁড়ালেন। আমি অবাক হয়ে দেখলাম আল্লাহর এই বান্দা হুবহু সবকিছু বলে গেলেন। উর্দু বক্তব্যে নুমানী হুজুর হাদিসের একটা পয়েন্ট ব্যাখ্যায় অন্য হাদিসের লতানো-পাতানো রেফারেন্সও তিনি মনে রেখেছেন। যে লাইন যেভাবে বলেছেন সেটাকে বাংলাতেও সেই ঢঙেই উপস্থাপনের চেষ্টা করেছেন। এখানে চূড়ান্ত অবাক করা বিষয় হচ্ছে তাবলীগের বিদেশি বয়ানগুলোতে সাধারণত কয়েক লাইন বলার পর সেগুলো বাংলা করে আরেকজন। কিন্তু আব্দুল মালেক সাহেব টানা ১৫ মিনিটের বয়ান হুবহু বাংলায় তুলে দিয়ে গেলেন কোনো নড়চড় ছাড়া। বক্তার কথায় নিজের কথা ঢোকাননি। ভাবেন একবার। . এই বয়সেও এরকম প্রখর মেধা দেখে শুধু একটা জিনিসই আরো ভালোভাবে বুঝে এল। মানুষ আসলে যার জন্য নিরবচ্ছিন্ন মেহনত করে, আল্লাহ তাকে সেটা আরো বেশি করার সুযোগ দেন এবং সেটাতেই তাকে সফলতা দান করেন। এটা পৃথিবীর নিয়ম। তিনি ইলমের পিছে জীবন উৎসর্গ করেছেন, আল্লাহ তাকে সেটাতেই সফল করেছেন। ফেরার পথে বাইকওয়ালা ভাড়া ত্রিশ টাকা বাড়িয়ে নিতে সারা রাস্তা মেহনত করেছে, শেষে তাই পেয়েছে। দুই লাখ টাকা দিয়ে ঢোকা ঘুসের চাকরিতে মেহনতকারী এখন নিজেই লাখ লাখ ঘুস পাচ্ছে। ভালো-খারাপ দুইদিকের হিসাবই এক রকম। মানুষ সত্যিই যা চায় এবং নিরন্তর লেগে থাকে, পৃথিবীতে আল্লাহ তাকে সেভাবেই চলতে দেন এবং তা-র সর্বোচ্চটা দান করেন। আবুল কাসেম নুমানী, আব্দুল মালেক হুজুররা নিজের জীবনটা ইসলামের জন্য ব্যয় করেছেন। আজ আল্লাহ তাদের যোগ্য সম্মান দান করেছেন। আনন্দের বিষয়, এই সম্মান আখিরাতেও যাবে। কিন্তু দুনিয়ারটা দুনিয়ার সাথেই শেষ হয়ে যাবে। এই বাস্তবতা কারো শ্বাস থাকতেই মনে পড়ে, কারো পাঁজর-ভাঙা কবরের প্রথম চাপে। . সাহাবিরা সবাই আল্লাহর নবির সান্নিধ্য চাইতেন, হাদিস মুখস্থ করতেন। কিন্তু সবচেয়ে বেশি চাইতেন আব্দুর রহমান ওরফে এক বিড়ালওয়ালা (আবু হুরাইরা)। এজন্য ইসলাম প্রচার শুরুর ২০ বছর পর দ্বীন গ্রহণ করেও সবচেয়ে বেশি হাদিস বর্ণনায় আল্লাহ তাকেই কবুল করেছেন। . জুমআয় মুহতামিম সাহেবের বর্ণিত হাদিসও তার থেকেই এসেছে। আবু হুরাইরা (রা) বলেছেন, “রাসূলুল্লাহ ﷺ বললেন, ‘কে আমার কাছ থেকে এই কথাগুলো গ্রহণ করবে, যাতে সে নিজে এগুলোর ওপর আমল করে অথবা অন্যকে শেখায়?’ আমি বললাম, ‘ইয়া রাসূলাল্লাহ, আমি।‘ এরপর তিনি আমার হাত ধরলেন এবং গুনে গুনে এই পাঁচটি কথা বললেন- ‘হারাম বিষয় থেকে বেঁচে থাক, তাহলে তুমি মানুষের মধ্যে সবচেয়ে বড়ো ইবাদতকারী হবে। তোমার ভাগ্যে আল্লাহ তা’আলা যা নির্ধারণ করেছেন তাতে খুশি থাকলে লোকদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ধনী হবে। প্রতিবেশীর সাথে ভদ্র আচরণ করলে প্রকৃত মুমিন হতে পারবে। যা নিজের জন্য পছন্দ কর তা-ই অন্যের জন্যও পছন্দ করতে পারলে প্রকৃত মুসলিম হতে পারবে। এবং অতিরিক্ত হাসাহাসি করো না। কারণ অতিরিক্ত হাসি অন্তরকে মেরে ফেলে।’” . প্রতিটা পয়েন্টে মুহতামিম সাহেব আরো ব্যাখ্যা করে গেছেন। পরে কখনো সময় পেলে বলব। যতটুকু পারলাম, পৌঁছে দিলাম। কারণ এগুলো রাসূলের রেখে যাওয়া সম্পদ। তার প্রিয় ওয়ারিশরা এভাবেই প্রিয় উম্মতের জন্য রেখে গেছেন যুগে যুগে। এ সম্পদ আমার নিজের অনেক পছন্দের। তাই ভাইদের জন্যও রেখে গেলাম। একমাত্র ঐ শিক্ষাই সফল যেটা প্রয়োগ (আমল) করা হয়। সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম। ©

  • видео или голосовое, без подписи

  • • জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ১ দফার ঘোষক তারেক রহমানই। নাহিদরা সে সময়ে লন্ডনে ছিল এবং আসিফরা পালিয়ে ছিল শিলংয়ে।

  • পরদিন অ্যাম্বুলেন্স ডাকতে হয়েছিলো। খবরে মাঝে মাঝে দেখেন না, রিহ্যাবে রোগীর মৃত্যু? বিশ্বাস করেন, ওগুলা দুর্ঘটনা না। মাসে একদিন ফ্যামিলি ডে ছিলো। মা আসতেন। গ্রিলের এপাশ থেকে আমার ন্যাড়া মাথায় হাত বুলিয়ে দিতেন আর কাঁদতেন। যাওয়ার সময় স্টাফদের হাতে পাঁচশো টাকা গুঁজে দিয়ে বলতেন, আমার ছেলেটারে একটু দেইখেন ভাই। ওরা টাকাটা পকেটে ঢুকিয়ে রাতে আমাকে পাইপ দিয়ে পেটাতো। আর সপ্তাহে একদিন হতো কাউন্সেলিং। চল্লিশজনকে এক ঘরে বসিয়ে প্রজেক্টরে একটা মোটিভেশনাল ভিডিও ছেড়ে দেওয়া হতো। এই দেশে মাদকের চিকিৎসার বাজেট এইটুকুই। ওই খোঁয়াড়ে আমি সেন্টু ভাইকে পেয়েছিলাম। বয়স তেতাল্লিশ। নয় নম্বর বারের মতো রিহ্যাবে। একসময় ব্যাংকে চাকরি করতো। গুলশানে পোস্টিং ছিলো। ইয়াবা তার চাকরি খেয়েছে, ফ্ল্যাট খেয়েছে। সবশেষে বউ আর সইতে না পেরে ছেলেকে নিয়ে চলে গেছে অস্ট্রেলিয়া। বালিশের নিচে ছেলের একটা ছবি রাখতো। পাঁচ বছরের বাচ্চা। এখন সতেরো। সেন্টু ভাই রাতে ছবিটার সাথে কথা বলতো। আমাকে একদিন বললো, বুঝলি রাফি, রিহ্যাব নেশা ছাড়ায় না। নেশাটারে খালি পজ করায়। প্লে বাটনটা থাকে গেটের ঠিক ওপাশে, রাস্তায়। আমি নয়বার প্রমাণ পাইছি। সেন্টু ভাইয়ের অষ্টমবারের গল্প শুনে একটা বড়সড় দীর্ঘশ্বাস ফেলেছিলাম। সেবার বের হয়ে সে এগারো মাস ক্লিন ছিলো। একটা কুরিয়ার কোম্পানিতে চাকরিও জুটিয়েছিলো। সপ্তাহে একদিন ছেলের সাথে ভিডিও কল হতো। তারপর এক ঈদের সকালে, ফাঁকা ঢাকায়, ফাঁকা মেসে, একলা ঘরে বসে তার মনে হলো, এতগুলা দিন ভালো থাকলাম, আজ একটু সেলিব্রেট করলে কী হয়। এগারো মাসের সাধনা ভাঙতে এগারো মিনিট লাগেনি। সেন্টু ভাই বলতো, নেশা হইলো কুমিরের মতো রে রাফি। সে তোরে তাড়া করবো না। ঘাটে চুপ কইরা বইসা থাকবো। সে জানে, তোর তেষ্টা একদিন পাইবোই। চার মাস পর বের হলাম। ওজন বাড়লো, চোখের নিচের গর্ত ভরলো। বাসায় ফিরে তিন মাস সত্যিই ক্লিন ছিলাম। তারপর এক বিকেলে ফেসবুক খুলে দেখি অথৈর বিয়ে। গায়ে হলুদের ছবি। হলুদ শাড়িতে ও হাসছে, যে হাসিটা একসময় আমার জন্য বরাদ্দ ছিলো। ক্যাপশনে লেখা, অ্যান্ড সো দ্য নিউ চ্যাপ্টার বিগিনস। ওই রাতেই আমি শাকিল ভাইয়ের নম্বরে কল দিলাম। সেন্টু ভাই ঠিক বলেছিলো। প্লে বাটনটা রাস্তায়ই ছিলো। এরপর যে কাজটা করলাম, তার কোনো ক্ষমা হয় না। কোনো অজুহাতও হয় না। টাকার জন্য ঘরে হাত দিলাম আবার। মায়ের শেষ সম্বল, নানির দেওয়া বালা জোড়া। মা হাতেনাতে ধরলেন। চিৎকার করলেন না। শুধু বালাটা আমার হাতে দিয়ে বললেন, নে বাবা, বেইচা খা। তাও চুরি করিস না। বাবা সেই রাতে আমার সামনে দাঁড়িয়ে আশ্চর্যরকম শান্ত গলায় বললেন, আজ থেকে তুই আমার কাছে মরা। এই বাড়িতে তোর জায়গা নাই। তিন্নি দরজার আড়াল থেকে দেখছিলো। আমার লক্ষ্মী বোনটা। যে ছোটবেলায় আমার প্লেট থেকে ভাত খেতো, সে আর আমার চোখের দিকে তাকায় না। এখন আমি একটা মেসে থাকি। শাকিল ভাই এখন আর মহল্লায় দাঁড়ায় না। কালো একটা গাড়িতে ঘোরে। কাউন্সিলরের প্রোগ্রামে মালা পরে। তার পুরোনো কাস্টমারদের মধ্যে দুইজন গত বছর মরে গেছে। একজন ছাদ থেকে লাফ দিয়ে। আরেকজন আদনান। হ্যাঁ, সেই আদনান, যে আমাকে প্রথম ফয়েলটা এগিয়ে দিয়েছিলো। চব্বিশ বছর বয়সে ঘুমের মধ্যে হার্ট বন্ধ হয়ে গেলো। ডাক্তার বললো, মেথ বহুদিন ধরে হার্টটাকে খেয়ে ফেলছিলো। ওর জানাজায় লোক হয়েছিলো এগারোজন। ফেসবুকে তিন দিন শোক। তারপর সবাই ভুলে গেছে। আমাদের জেনারেশন মরলে নিউজফিডে একটা রেস্ট ইন পিস হয়। এই যা! মা এখনো লুকিয়ে দেখা করেন। মাসে এক দুইবার, বাসার নিচের গলিতে। বাটিতে করে ভাত তরকারি নিয়ে আসেন। কিছু বলেন না, শুধু খাওয়া দেখেন। পৃথিবীর সবাই নেশাখোরকে ত্যাগ করতে পারে। মা পারে না। মায়েদের ওই ক্ষমতাটাই নাই। আজ আমার ক্লিন থাকার চার মাস তেরো দিন চলছে। রিকভারি মিটিংয়ে যাই। দিন গুনি। ডায়েরি লিখি। ডাক্তার বলছে সম্ভব, অনেকেই ফিরে আসে। আমি বিশ্বাস করার চেষ্টা করি। কিন্তু আপনাদের একটা সত্যি কথা বলি, যেটা কোনো ডাক্তারের সামনে বলিনি। আমার পকেটে একটা গোলাপি ট্যাবলেট আছে। বহুদিন ধরে। খাইনি, ছুঁইওনি। শুধু রাখি। রাতে যখন হাড়ের ভেতরটা চিনচিন করে, হাত দিয়ে পকেটের ওপর থেকে ওকে অনুভব করি। কী করবো বলেন। মানুষের তো বাবার কাছেই ফিরতে ইচ্ছা করে। আমার এক বাবা আমাকে মৃত ঘোষণা করেছে। আরেক বাবা প্রতি রাতে ফিসফিস করে ডাকে। আপনারা দোয়া কইরেন, আমি যেন প্রথমজনের কাছে ফিরতে পারি। বাবা তাইমুর মাহমুদ শমীক ২/৮/২০২৬

  • আয়নায় নিজেকে দেখে চিনতাম না। ছয় মাসে ওজন কমলো তেরো কেজি। গালে দুইটা গর্ত। মাড়ি থেকে রক্ত পড়ে। দুইটা দাঁত নড়ে ওঠে প্রায়ই। রাতে ঘুম নেই, দিনে মরার মতো পড়ে থাকি। আর মাথার ভেতর ফিসফিসানি। মনে হতো দেয়ালের ওপাশে কেউ আমার নামে কথা বলছে। মনে হতো মোবাইলের ক্যামেরা দিয়ে কেউ দেখছে। ডাক্তারি ভাষায় এর নাম মেথ সাইকোসিস। আমার ভাষায়, দোজখের ট্রেইলার। অথৈর কথা বলি। যেটা বলতে আমার সবচেয়ে কষ্ট হয়। নেশার প্রথম দিকে ইয়াবা শরীরটাকে জানোয়ার বানিয়ে দেয়। ভেতরে একটা খিদা জাগে। যেটা প্রেম না, ক্ষুধা। একদিন হাই অবস্থায় অথৈকে এমন আক্রোশে কাছে টেনেছিলাম যে ওর হাতের চুড়ি ভেঙে হাত কেটে গেলো। ও ছিটকে সরে গিয়ে যেভাবে আমার দিকে তাকালো, ওই দৃষ্টিটা আমি এখনো স্বপ্নে দেখি। ভয়। আমার অথৈ আমাকে ভয় পাচ্ছে। ও কাঁপা গলায় বলেছিলো, তুই আমাকে দেখছিস না রাফি। তুই আমার শরীর দিয়ে অন্যকিছু খাচ্ছিস। ও ঠিক বলেছিলো। আর সবচেয়ে নোংরা সত্যিটা কী জানেন? কিছুদিন পর ওই ক্ষুধাটাও মরে গেলো। ইয়াবা প্রথমে শরীর জাগায়। তারপর শরীরটাই মেরে ফেলে। শেষদিকে অথৈ পাশে বসলে আমার কিছুই হতো না। কিচ্ছু না। একটা চব্বিশ বছরের ছেলের ভেতরে ভালোবাসার মানুষ ছুঁয়ে দিলে যদি কিছু না জাগে, তার চেয়ে নির্মম প্রহসন আর নেই। আমার সব অনুভূতির একটাই দরজা তখন। গোলাপি। অথৈ তাও ছাড়েনি। ও আমার নেশার কথা জানতো। বাসায় জানায়নি। নিজের টিউশনির টাকায় আমাকে সাইকিয়াট্রিস্টের কাছে নিয়ে গেছে। ওষুধ কিনে দিছে। শেষবার ও আমার হাত ধরে বলেছিলো, রাফি, আমি তোর নেশার সাথে আর পারতেছি না। হয় ওইটা, নয় আমি। এক মাস টাইম। আমি কসম কেটেছিলাম। সতেরো দিনের মাথায় ও আদনানের ফ্ল্যাটে এসে আমাকে পেলো ফয়েল হাতে। ও চিৎকার করলে বাঁচতাম। থাপ্পড় মারলে বাঁচতাম। ও কিছুই করলো না। দরজায় দাঁড়িয়ে অনেকক্ষণ দেখলো। তারপর খুব আস্তে বললো, ভালো থাকিস। ব্যস। ভালোবাসা যখন মরে যায়, কোনো চিৎকার চেঁচামেচি হয় না জানেন। কেবল নিঃশব্দে একটা দরজা বন্ধ হয়ে যায়। যাওয়ার সময় ও একবারও আমার হাতের দিকে তাকালো না। হাতের তালুর ওই লেখাটা আমার আর জানা হলো না। কোনোদিন হবেও না। এরপরের অধ্যায়গুলো দ্রুত বলি। কারণ নেশার গল্পের মাঝের পার্টটুকু সব দেশে, সব ঘরে একই। টাকার জন্য মায়ের কানের দুল বেচলাম। তিন্নির ল্যাপটপের জমানো টাকা সরালাম। ভার্সিটি থেকে নাম কাটা গেলো। আর টাকা যখন কোথাও নেই, তখন শাকিল ভাই হাত বাড়ালো। এলাকার বড় ভাই। বললো, মামা, মাল টানবি টাকা লাগবো না। খালি দুই এক জায়গায় পৌঁছায় দিবি। আমি ক্যারিয়ার হয়ে গেলাম। মিরপুর থেকে ফার্মগেট। পুরিয়া পৌঁছে দেই। বিনিময়ে আমার ভাগ। শাকিল ভাই নিজে জীবনে একটা দানাও মুখে দেয়নি। একদিন জিজ্ঞেস করেছিলাম, ভাই আপনি খান না? সে হেসে বলেছিলো, পাগল নাকি। মাল হইলো কাস্টমারের লেইগা। বেপারীর লেইগা না। ওই হাসিটা মনে পড়লে আমার এখনো খুন করতে ইচ্ছা করে। আমাদের মতো ছেলেদের জ্যান্ত সমাধি বানিয়ে ওরা প্রাসাদ তোলে। ধরা খেলাম এক বৃহস্পতিবার রাতে, টেকনিক্যাল মোড়ের চেকপোস্টে। পকেটে বাইশটা দানা। থানায় যা হলো সেটা লিখতে হাত কাঁপছে। ওসির রুমের পাশের ঘরে নিয়ে দুইজন কনস্টেবল লাঠি দিয়ে পায়ের তালুতে মারলো। মুখে যা আসে তাই বলে গালি দিলো। খানকির পোলা, তোর বাপেরে ডাক। ভোরবেলা বাবা সত্যিই এলেন। শিক্ষক মানুষ। সারাজীবন কলার উঁচু করে হেঁটেছেন। ছেলের হাতে হাতকড়া দেখে উনি দারোগার সামনে হাতজোড় করে দাঁড়িয়ে রইলেন। আমার সব সহ্য হয়, বাবার ওই জোড়হাত সহ্য হয় না। মাদক আইনে মামলা হলো। তেইশ দিন কেরানীগঞ্জ কারাগারে ছিলাম। জানতে চান জেলখানা কেমন? মেঝেতে ঘুমানো একশো লোকের ওয়ার্ডে সবচেয়ে সহজলভ্য জিনিসটার নাম কী শুনবেন? বাবা। জ্বি। যে জিনিসের জন্য জেলে ঢুকলাম, জেলের ভেতর সে দ্বিগুণ দামে হাজির। এই দেশে চেইনটা কোথায় গিয়ে ঠেকেছে, ওই তেইশ দিনে আমি বুঝে গেছি। আর বুঝেছি বলেই বলি, ঘৃণা করলে আমাকে কইরেন না। ঘৃণা করেন ওদের, যারা চালানটা ঢোকায়। যারা মাসোহারা খেয়ে চোখ বোজে। যারা স্কুলগেটে বাচ্চাদের হাতে ফ্রি স্যাম্পল ধরায়া দেয়। বাবা ফিক্সড ডিপোজিট ভেঙে উকিল ধরলেন। জামিন হলো। তারপর আমাকে পাঠানো হলো রিহ্যাবে। সাভারের দিকে একটা প্রাইভেট নিরাময় কেন্দ্র। মাসে পঁচিশ হাজার। ভর্তির দিন মোবাইল কেড়ে নিলো। মাথা ন্যাড়া করলো, বেল্ট খুলে নিলো। ভেতরে ঢুকে বুঝলাম, এইটা হাসপাতাল না, খোঁয়াড়। চল্লিশজন ছেলে দুইটা ঘরে। ভোর পাঁচটায় ঠান্ডা পানিতে গোসল। খাবারে মাছি মরে লেপ্টে থাকে। উইথড্রয়ালের যন্ত্রণায় কেউ চিৎকার করলে ট্রিটমেন্ট একটাই, পিভিসি পাইপ। ওরা এটাকে বলতো মোটিভেশন। যে স্টাফরা মোটিভেশন দিতো, তারা নিজেরাই এক্স অ্যাডিক্ট। ডাক্তার সাইকোলজিস্ট কিছুই না। সাইনবোর্ডে লেখা ছিলো, ভালোবাসাই মাদকমুক্তির পথ। পাইপের বাড়ি পিঠে পড়লে ওই সাইনবোর্ডটা পড়তাম আর হাসতাম। এক রাতে পাশের ওয়ার্ডের একটা ছেলে পালাতে গিয়ে ধরা পড়লো। ওকে যেভাবে মারা হলো,

  • আমার বাবা দুইজন। একজন আমার সাথে আর কথা বলে না। আরেকজনকে আমি পকেটে নিয়ে ঘুরি। দ্বিতীয়জন একটা গোলাপি ট্যাবলেট। সাইজে বুটের দানার মতো। গায়ে ইংরেজিতে দুইটা অক্ষর খোদাই করা। রাস্তায় ওর অনেক নাম। গুটি, মাল। তবে সবচেয়ে চালু নামটা শুনলে আপনার গা শিউরে উঠবে। বাবা। হ্যাঁ, এই দেশের লাখ লাখ ছেলে ওই গোলাপি জিনিসটাকে বাবা বলে ডাকে। কেন ডাকে, সেটা বুঝতে আমার চব্বিশ বছর লেগে গেলো। বাবার মতোই ও আপনাকে আগলে রাখবে, ভরসা দেবে। আর একদিন দেখবেন ওকে ছাড়া আপনি কিছুই না। আমার নাম রাফি। মিরপুরের ছেলে। এই গল্পটা আমি লিখছি না, কনফেস করছি। কারণ আমার আর হারানোর কিছু নেই। তেইশ সালের কথা। আমি তখন একুশ। একটা প্রাইভেট ইউনিভার্সিটিতে সিএসই পড়ি। রাত জেগে ভ্যালোরেন্ট, ডিসকর্ডে আড্ডা, ফাইভারে টুকটাক লোগো ডিজাইন। মাথার ভেতর সারাক্ষণ উনিশটা ট্যাব খোলা। সিজিপিএ, ক্লায়েন্ট, কানাডার স্বপ্ন, বাবার প্রেশারের ওষুধ, ছোটবোন তিন্নির টিউশনের বেতন। আমাদের জেনারেশনটাই এমন। সবকিছুর সাথে কানেক্টেড। অথচ কারো সাথে কানেক্টেড না। বুকের ভেতর সারাক্ষণ একটা লো ব্যাটারি সাইন জ্বলে। আর আমরা সবাই পালাই। কেউ রিলসে, কেউ গেমে, কেউ হাসতে হাসতে ডিপ্রেশনের মিম বানায়। বড়রা বলে আমরা অলস। আমরা অকৃতজ্ঞ। তারা বোঝে না, চল্লিশ লাখ বেকারের লাইনে দাঁড়িয়ে ভবিষ্যতের দিকে তাকালে ঠিক কী দেখা যায়। আমরা কেউ ভালো নেই। আমি শুধু পালানোর সবচেয়ে খারাপ দরজাটা বেছে নিয়েছিলাম, এই যা তফাত। ওই ঝাপসা জীবনে একটাই স্বস্তির ব্যাপার ছিলো। অথৈ। আমার ক্লাসমেট। টিএসসিতে না। আমাদের প্রেম হতো ইউনিভার্সিটির সিঁড়িতে আর মেট্রোরেলে। ও টিফিন বক্সে নুডলস আনতো দুইজনের জন্য। প্ল্যান ছিলো, গ্র্যাজুয়েশনের পর দুজনে আইইএলটিএস দেবো। কানাডা যাবো। স্নো দেখবো। অথৈ বলতো, তুই খালি পাশটা কর রাফি। বাকিটা আমি সামলাবো। কেউ আমার দায়িত্ব নিতে চাইছে, এই ফিলিংসটাই আমার জীবনের সেরা নেশা ছিলো। তখনো জানতাম না। অথৈর একটা পাগলামি ছিলো। মন ভালো থাকলে ও আমার হাতের তালুতে আঙুল দিয়ে কী যেন লিখতো। জিজ্ঞেস করলে বলতো না। শুধু বলতো, তুই পাশ করে বের হ, সেদিন বলবো। আমি হাত মুঠো করে রাখতাম, যেন লেখাটা পড়ে না যায়। সেমিস্টার ফাইনালের আগের সপ্তাহে ঘটনাটা ঘটলো। তিন রাত ঘুমাইনি। দুইটা ব্যাকলগ, ক্লায়েন্টের ডেডলাইন। আদনান বললো, ওর বাসায় গ্রুপ স্টাডি হবে। গিয়ে দেখি স্টাডি না। টেবিলের ওপর সিগারেটের ফয়েল, একটা লাইটার আর ছোট্ট একটা গোলাপি দানা। আদনান হাসলো। বললো, টেনশন নিস না মামা। এইটা খেলে এক রাতে পুরা সিলেবাস শেষ। সবাই খায়। আর্মির পোলাপান খায়, বিসিএস ক্যাডাররাও খায়। আমি না করেছিলাম। সত্যি বলছি, প্রথমে না করেছিলাম। তারপর ভোর চারটায়, যখন চোখ জ্বলছে আর সিলেবাসের অর্ধেক বাকি, আদনান ফয়েলটা আমার দিকে এগিয়ে দিলো। বললো, একবার। জাস্ট একবার। পৃথিবীর সব সর্বনাশ এই শব্দটা দিয়ে শুরু হয়। একবার। প্রথম টানটার কথা আমি কবরে গিয়েও ভুলবো না। পোড়া মিষ্টি একটা ধোঁয়া গলা দিয়ে নামলো। আর দশ সেকেন্ডের মাথায় মনে হলো মাথার ভেতরের উনিশটা ট্যাব একসাথে বন্ধ হয়ে গেলো। প্রথমবারের মতো, জীবনে প্রথমবারের মতো, সব শান্ত। ক্লান্তি নেই, ভয় নেই, খিদা নেই, ঘুম নেই। শুধু বিদ্যুতের মতো একটা শিহরণ শিরদাঁড়া বেয়ে উঠছে আর নামছে। মনে হলো আমি চাইলে আজ রাতে গোটা সিলেবাস না, গোটা পৃথিবী মুখস্থ করে ফেলতে পারবো। মনে হলো আমার মতো সুখী কেউ কোনোদিন জন্মায়নি। এই যে ফিলিংটা, এইটাই ফাঁদ। স্বর্গ দেখিয়ে ও আপনার নাম, ঠিকানা লিখে নেয়। সেই রাতে আমি সত্যিই পুরো সিলেবাস শেষ করেছিলাম। পরীক্ষাও ভালো হলো। কিন্তু স্বর্গের ভাড়া আছে। দুইদিন পর নামলো ক্র্যাশ। মনে হলো কেউ আমার শরীর থেকে ব্যাটারিটা খুলে নিয়ে গেছে। টানা ষোলো ঘণ্টা ঘুমালাম। ঘুম ভেঙে দেখি পৃথিবীর রংটাই বদলে গেছে। সব ধূসর। সব বিস্বাদ। সবাই বিরক্তিকর। আর মাথার ভেতর মশার মতো একটা সূক্ষ্ম চিন্তা ঘুরছে। আরেকটা হলেই সব ঠিক হয়ে যায়। ব্রেইনের ভেতর হিসাবটা এভাবেই বসে গেলো। প্রেশার মানেই গোলাপি দানা। প্রথম মাসে সপ্তাহে একটা। পরের মাসে দুইটা। তিন মাসের মাথায় দিনে একটা লাগে। না হলে হাত কাঁপে। মেজাজ সপ্তমে চড়ে। মনে হয় খুলি খুলে ব্রেইনটা চুলকাই। তারপর টাকার খেলা শুরু। একেকটা দানার দাম তিনশো টাকা। ফাইভারের ইনকাম গেলো। টিউশনের বেতন গেলো। সেমিস্টার ফির সত্তর হাজার টাকা বাবার কাছ থেকে নিয়ে ভার্সিটিতে জমা দিলাম না। বাসায় একটার পর একটা মিথ্যা। ল্যাব ফি লাগবে। প্রজেক্টের জন্য হার্ডডিস্ক লাগবে। বন্ধু বিপদে পড়ছে। নেশাখোরের প্রতিভা জানেন? মিথ্যা বলার সময় আমাদের গলা কাঁপে না। কাঁপে শুধু হাত, দানাটা ফয়েলে বসানোর সময়।

  • মিসওয়াকের ব্যাপারে মানুষের আগ্রহ দেখে আমার এক্সপেরিয়েন্স অনুযায়ী একটা কমপ্লিট গাইডলাইন দিয়ে দিচ্ছি ইনশাআল্লাহ। যারা মিসওয়াক ব্যবহার শুরু করার কথা ভাবছেন তারা অবশ্যই পড়বেন। পূর্বের পোস্টে উল্লেখিত আপনাদের সমস্যাগুলো এবং আপনাদের বিভিন্ন প্রশ্নের আলোকে লেখার চেষ্টা করেছি। (১) কোন মিসওয়াক ব্যবহার করবেন? অনেকেই মিসওয়াকের স্মেলের জন্য মিসওয়াক ব্যবহার করতে গিয়েও করতে পারেন না। এক্ষেত্রে স্মেল ছাড়া মিসওয়াক হিসেবে শুকনো মিসওয়াকগুলো সিলেক্ট করতে পারেন। এগুলো সাধারণত খোলা অবস্থায়, শুকনো ডাল হিসেবে পাওয়া যায়। শুকনো মিসওয়াক দুই ধরণের আছে। মোটা ডালের এবং চিকন ডালের। যাদের দাঁত সোজা, ফাঁকফোকর কম তারক মোটা ডালের মিসওয়াক দিয়ে ভালো রেজাল্ট পাবেন। যাদের দাঁত আঁকাবাঁকা, চিপাচাপা বেশি তারা চিকন ডালের মিসওয়াক থেকে ভালো রেজাল্ট পাবেন। (২) মিসওয়াক শক্ত লাগে, করণীয় কী? মিসওয়াক সাধারণত ব্যবহারের পূর্বে দাঁত দিয়ে চিবিয়ে নরম করে নিতে হয়। প্রথমে পানিতে ভেজাবেন, এরপর ধীরে ধীরে Chew করবেন। ততটুকু অংশ নরম করবেন, যতটুকু নরম থাকলে আপনার দাঁতে ঠিকভাবে প্রেশার পড়বে। বেশি হলে এলোমেলো হয়ে যাবে, কম হলে ব্যথা পাবেন। (৩) মিসওয়াক কিছুদিন পর নষ্ট হয়ে যায়। সাদা ফাংগাস কিংবা ব্যাকটেরিয়া দেখা দেয়। করণীয় কী? মিসওয়াক মূলত গাছের ডাল। ব্যবহারের পরেও যদি দীর্ঘক্ষণ ভেজা অবস্থায় থাকে তাহলে এরকম সমস্যা হতে পারে। এই ধরণের সমস্যা এড়ানোর জন্য মিসওয়াক ব্যবহার করার পর নরম অংশটা আঙুল দিয়ে চিপে বাড়তি পানি ফেলে দিবেন যার ফলে মিসওয়াক দ্রুত শুকিয়ে যাবে। যদি এরপরেও সমস্যা হওয়ার সম্ভাবনা থাকে তাহলে উষ্ণ জায়গা (কিচেনে চুলার পাশে) কিংবা রোদে দিয়ে শুকিয়ে নেবেন। (৪) মিসওয়াক ব্যবহার করলে রিফ্রেশিং মনে হয় না, গন্ধ থেকে যায়। এক্ষেত্রে করণীয় কী? আপনাকে আগে জানতে হবে মুখে গন্ধ কেন হয়। আমাদের মুখের অভ্যন্তরে যে বায়োম আছে যেখানে প্রায় সাতশ ধরণের ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস এবং অণুজীব বসবাস করে। কিছু আছে Good bacteria কিছু আছে Bad বা ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া। এই ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়াগুলোর জন্যই বেশিরভাগ সময় মুখে দুর্গন্ধ হয়। টুথপেস্টে থাকা বিভিন্ন ক্ষতিকর রাসায়নিক উপাদান যেমন: ফ্লোরাইডসহ নানা রাসায়নিক উপাদান দুর্গন্ধ দূর করতে পারলেও মুখের বায়োম ঠিক করতে পারে না। এক্ষেত্রে মিসওয়াক ন্যাচারালি মুখের বায়োম ঠিক করে কিন্তু সেটা একটু সময়সাপেক্ষ ব্যাপার। এর আগ পর্যন্ত লবঙ্গ চিবিয়ে খাবেন। একটু ঝাঁজালো মনে হলেও লবঙ্গ ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া দূর করে, মাড়ি সুস্থ রাখে এবং মুখের বায়োম স্বাভাবিক করতে সাহায্য করে। ভালো ডালের মিসওয়াক ঘনঘন ব্যবহার করলেও একই রেজাল্ট পাবেন ইনশাআল্লাহ। (৫) মিসওয়াক ব্যবহারে মাড়ি থেকে রক্তক্ষরণ হয়। টুথব্রাশ থেকে মিসওয়াকে শিফট করলে এই সমস্যাটা প্রথম সপ্তাহে কিংবা দশ পনেরো দিন থাকতে পারে কারণ আমরা যেভাবে সস্তা ব্রাশ ব্যবহার করি সেটা কেবল আমাদের মাড়ি ক্ষয় করে এবং মাড়িকে দুর্বল করে দেয়। মিসওয়াক মাড়ির জন্য তুলনামূলক শক্ত হলেও এটা মাড়িতে ব্লাড সার্কুলেশন বৃদ্ধি করে এবং মাড়িকে মজবুত করে। ধারাবাহিকভাবে মিসওয়াক ব্যবহার করলে ইনশাআল্লাহ শুরুর দিকে রক্তক্ষরণ দেখলেও পরবর্তীতে আপনার মাড়ি মজবুত হবে এবং রক্তক্ষরণ বন্ধ হয়ে যাবে। (৬) মিসওয়াক ব্যবহারের পরেও ময়লা থেকে যায়। দাঁত সাদা হয় না। এই সমস্যার সমাধান হিসেবে মিসওয়াকের পাশাপাশি টুথ ফ্লস (Tooth floss) ব্যবহার করতে পারেন। দাঁতের প্রাকৃতিক রঙ যেহেতু হলদেটে তাই দাঁত সাদা করতে হবে এই মানসিকতা পরিহার করাই উপকারী সিদ্ধান্ত। শো অফ, গুড ফিল করার চেয়ে সুস্থতা অধিক উপকারী। এরপরেও কিছু জানার থাকলে কমেন্ট করতে পারেন ইনশাআল্লাহ। সম্ভব হলে জানাবো। তবে সব কথার শেষ কথা হলো মিসওয়াক ব্যবহার করা সুন্নাহ এবং এর মাধ্যমে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করতে পারবেন, এর চেয়ে বড় উপকার আর কিছুই হতে পারে না।

  • видео или голосовое, без подписи

  • видео или голосовое, без подписи

  • видео или голосовое, без подписи

  • видео или голосовое, без подписи