tgindex
প্রজন্ম

প্রজন্ম

Статистика

সবাই মিললে শক্তিশালী ✊

Последний пост
11 июн.
Последнее чтение
13 авг.
Постов за неделю
0
Всего постов
21
Тип
открытый
Язык
bn
В каталоге с
13 авг.
Подписчики
239
мало замеров
Замеров пока мало
Сутки
0
0,00%
Неделя
 
Месяц
 
Просмотров на пост
51
20 постов
Вовлечённость
21,3%
к подписчикам
Постов в день
0,0
всего 21
Упоминаний
0
каналов
Охват размещения
оценка
1/24сутки в ленте
1/48двое суток
1/72трое суток

Оценка по просмотрам недавних постов: пост набирает почти всё за первые сутки.

Посты

  • সবচেয়ে বড় ভয় হইতেছে এইটাই যে, জীবনের এই পুরো সময়টা আমরা যে স্ট্যাটাস, যে টাকা, যে ক্যারিয়ারের জন্য দৌড়ালাম, কবরের ওই ওয়েটিং রুমে ঢোকার সাথে সাথেই সেই সবকিছুর ভ্যালু জিরো হয়ে যাবে। জিরো! সেদিন আল্লাহ জিজ্ঞেস করবেন, "আমি তোমাকে যেই সময়, যেই এনার্জি আর যেই নেয়ামত দিয়েছিলাম, সেটার শুকরিয়া কোথায়?" আমরা সারা জীবন "সেটেল" হওয়ার স্বপ্ন দেখি। কিন্তু সূরা তাকাসুর আমাদের একটা ভয়ংকর সত্য মনে করিয়ে দেয় - দুনিয়াতে কেউ কখনো সেটেল হতে পারে না, যতক্ষণ না সে কবরের ওই ট্রানজিট লাউঞ্জে গিয়ে পৌঁছায়। :) ~ Towhidul Mansur

  • কিছুদিন আগে রাতে বসে কোরআন পড়তেছিলাম। একটা ঘোরের মধ্যে ছিলাম, হঠাৎ ফ্লো ভেঙে যায় তিরিশ পারার একদম শেষের দিকের একটা ছোট সূরা, সূরা তাকাসুরে এসে। প্রথম দুইটা আয়াত পড়েই আমি রীতিমতো ভ্যাবাচেকা খাইছি! আল্লাহ বলতেছেন, "অধিক পাওয়ার প্রতিযোগিতা তোমাদেরকে ভুলিয়ে রেখেছে (গাফলতির মধ্যে ফেলে রেখেছে)।" "যতক্ষণ না তোমরা কবরে উপস্থিত হও।" (সূরা তাকাসুর: ১-২) আয়াত দুইটা পড়ে আমার মাথা কিছুক্ষণের জন্য পুরা ব্ল্যাংক হয়ে গেছিলো। আমি আয়াতটার আরবি শব্দগুলো আবার দেখলাম- "হাত্তা যুরতুমুল মাক্বাবির"। এখানে আল্লাহ 'যুরতুম' শব্দটা ব্যবহার করেছেন। 'যুরতুম' মানে হলো জিয়ারত করা, ভিজিট করা বা বেড়াতে যাওয়া। আমার মাইন্ড ব্লো হয়ে গেছে ঠিক এই জায়গাটাতেই! আমি পুরা জিনিসটা আবার রিয়েলাইজ করার চেষ্টা করলাম। আল্লাহ বলতে চাইতেছেন কি?! মানুষ মারা গেলে কবরে যায়, সেখানে মাটি চাপা দেওয়া হয়। কিন্তু আল্লাহ বলছেন, তোমরা কবরে "ভিজিট" করতে যাও! ভিজিট তো মানুষ কিছুক্ষণের জন্য করে, পার্মানেন্টলি থাকার জন্য তো কেউ ভিজিট করতে যায় না!!! আমি সাথে সাথে তাফসির সার্চ দিলাম। তাফসিরে ইবনে কাসির আর অন্যান্য কয়েকটা গ্রন্থ পড়লাম। তারপর আমার রিয়েলাইজেশনে যা আসলো, তা হলো: কবর মানুষের শেষ গন্তব্য না! কবর হচ্ছে জাস্ট একটা "ওয়েটিং রুম" বা ট্রানজিট লাউঞ্জ। যেমন এয়ারপোর্টে মানুষ কিছুক্ষণ ওয়েট করে আসল ফ্লাইটে ওঠার জন্য, কবরটাও ঠিক তেমন। আর আমরা বোকা মানুষরা দুনিয়াতে ভাবি, এই বুঝি সব শেষ! এরপর আমি প্রথম আয়াতের "তাকাসুর" (التكاثر) শব্দটার তাফসির পড়লাম। আল্লাহ এখানে বলেন নাই যে "টাকা" তোমাদের ভুলিয়ে রেখেছে। আল্লাহ বলছেন "তাকাসুর" তোমাদের ভুলিয়ে রেখেছে। তাকাসুর মানে কী? তাকাসুর মানে হলো- "ওর চেয়ে আমার বেশি লাগবে।" এইটা কোনো বস্তুর নাম না, এইটা একটা মেন্টালিটি। একটা অসুস্থ মানসিক প্রতিযোগিতা। আমার একটা ফোন আছে, কিন্তু ফ্রেন্ডের আইফোন প্রো ম্যাক্স দেখলে আমারও ওটা লাগবে। আমার একটা ডিগ্রি আছে, কিন্তু অন্যের আরেকটা ভালো ডিগ্রি দেখলে আমারও সেটা লাগবে। ব্যাংকে টাকা আছে, কিন্তু আরেকজনের বেশি থাকলে আমার আরো লাগবে। ক্যারিয়ার, স্ট্যাটাস, স্যালারি- এই "আরো চাই, আরো চাই" করতে করতে আমাদের জীবনের আসল ফোকাসটাই আমরা হারিয়ে ফেলি। এই সূরা শুরুই হইছে একটা সাইকোলজিক্যাল ওয়ার্নিং দিয়ে। আল্লাহ মানুষকে বলতেছে, দেখো, একটা পশু শুধু ততটুকুই খায় যতটুকু তার ক্ষুধা মেটায়। কিন্তু তুমি মানুষ, তোমার পেট ভরার পরও তুমি জমা করো, কারণ তুমি অন্যের চেয়ে নিজেকে বড় দেখাতে চাও। এইটা কোনো সাধারণ কথা না, এইটা আমাদের অস্তিত্বের সবচেয়ে বড় crisis। তাফসিরে বলা হয়েছে, "আলহাকুম" মানে এমন কোনো খেলা বা বিনোদন যা তোমাকে তোমার আসল ইমার্জেন্সি কাজ ভুলিয়ে দেয়। ধরেন, আপনার কালকে ফাইনাল এক্সাম বা বিশাল কোনো প্রেজেন্টেশন, আর আপনি আজকে রাতে বসে নেটফ্লিক্সে সিরিজ দেখতেছেন। এই সিরিজ দেখাটা হলো "আলহাকুম"। আল্লাহ বলছেন, এই দুনিয়ার ক্যারিয়ার, ব্যাংক ব্যালেন্স, আর সেটেল হওয়ার টেনশন তোমাদেরকে আখেরাতের ফাইনাল এক্সামের কথা ভুলিয়ে দিয়েছে! সবচেয়ে ভয়ংকর আয়াত আসে এরপর: "কক্ষনো নয়, তোমরা শীঘ্রই জানতে পারবে।... সেদিন তোমাদেরকে অবশ্যই নেয়ামত সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হবে।" (সূরা তাকাসুর: ৩, ৮) এখানে আল্লাহ আমাদের অভিযুক্ত করতেছেন না, আল্লাহ আমাদের বাস্তবতা দেখাচ্ছেন। আমরা ভাবি আমাদের সমস্যা হচ্ছে আমাদের টাকা নাই, আমাদের ভালো জব নাই, আমাদের অমুক জিনিসটা নাই। কিন্তু সবচেয়ে গভীর Realisation, এই আয়াত আসলে বলতেছে: তোমার সবচেয়ে বড় সমস্যা তোমার অভাব না। তোমার সমস্যা হচ্ছে তুমি এক অলীক প্রতিযোগিতায় দৌড়াচ্ছো। তুমি এমন একটা গন্তব্যের জন্য জিনিসপত্র প্যাকিং করতেছো, যেখানে তুমি থাকবাই না! ফ্লো টা দেখেন: ১. মানুষ "আরো লাগবে" প্রতিযোগিতায় অন্ধ হয়ে দৌড়াচ্ছে। ২. সে আসল উদ্দেশ্য ভুলে গেছে। ৩. দৌড়াতে দৌড়াতে হঠাৎ একদিন সে কবরে গিয়ে ব্রেক কষে (ভিজিট করে)। ৪. কবরে যাওয়ার পর তার ঘোর কাটে, কিন্তু তখন আর ফিরে আসার সময় থাকে না। ৫. শেষমেশ তাকে আল্লাহর সামনে দাঁড়াতে হয় হিসাব দেওয়ার জন্য। আমরা কেন রবকে ভুলে যাই? কারণ আমাদের মস্তিষ্ক already occupied। আমরা সারাদিন হিসাব করি কীভাবে আরো দুই টাকা বেশি কামানো যায়, কীভাবে সিভিটা আরো ভারি করা যায়, কীভাবে অন্যের চেয়ে একটু বেটার লাইফ লিড করা যায়। এই ইঁদুর দৌড়ে আমরা আমাদের যৌবন শেষ করি, পরিবারকে সময় দিই না, নিজের আত্মার যত্ন নিই না। সমস্যা এই না যে মানুষ পরিশ্রম করে। ইসলাম তো পরিশ্রম করতে উৎসাহিত করে। সমস্যা হইতেছে, মানুষ ভুল ট্র্যাকে দৌড়ায়। আপনি একটা ট্রেনের টিকিট কেটেছেন চিটাগাং যাওয়ার জন্য, কিন্তু আপনি ভুলে উঠেছেন সিলেটের ট্রেনে। এখন সেই ট্রেনের এসি বগিতে বসে আপনি যতই কমফোর্ট ফিল করেন না কেন, আপনি তো আপনার আসল গন্তব্যে পৌঁছাচ্ছেন না!

  • ♻️৭৬। বেটা ! তুমি যেদিন হইতে দুনিয়াতে আসিয়াছ, প্রতিদিন আখেরাতের নিকটবর্তী হইতেছে।

  • হযরত লোকমান (আঃ) নিজের ছেলেকে দেওয়া ৭৬ টি উপদেশ! ♻️১। বৎস! কর্জ হইতে নিজেকে হেফাজাত রাখিও। কেননা ইহা দিনের বেলায় অপমান এবং রাত্রিতে দুশ্চিন্তা। ♻️২। বৎস ! তুমি মোরগের চাইতে বেশী অক্ষম হইও না। সে তো শেষ রাত্রিতে জাগিয়া চিৎকার শুরু করিয়া দেয়, আর তুমি নিজের বিছানায় পড়িয়া ঘুমাইতে থাকো। ♻️৩। বৎস! গুরুত্ব সহকারে জানাযায় শরীক হইও এবং অহেতুক অনুষ্ঠানাদি শরীক হওয়া হইতে বাঁচিয়া থাকিও। ♻️৪। বৎস আল্লাহর সান্নিদ্ধ অবলম্বন করবে। ♻️৫। অন্যকে উপদেশ দেওয়ার আগে নিজে আমল করার চেষ্টা কর। ♻️৬। নিজের মান মর্যাদা বজায় রেখে কথা বলবে। ♻️৭। ভাল মানুষ রূপে বিবেচিত হওয়ার চেষ্টা করবে। ♻️৮। স্বীয় অধিকারের প্রতি সচেতন থাকবে। ♻️৯। গোপন তথ্য কারো নিকট প্রকাশ করবে না। ♻️১০। বিপদে বন্ধুর পরীক্ষা নিবে। ♻️১১। বন্ধুদের ভাল মন্দ উভয়টাই পরীক্ষা করবে। ♻️১২। বিচক্ষণ এবং জ্ঞানী ব্যক্তিদের সাথে বন্ধুত্ব করবে। ♻️১৩। ভাল কাজে পুণঃপুণঃ অংশগ্রহণ করবে । ♻️১৪। নিজের কথা প্রমাণ করে দিবে। ♻️১৫। বন্ধুদের সাধ্যমত ভালবাসবে। ♻️১৬। শত্রু মিত্র সকলের সাথে হাসিমুখে সাক্ষাৎ করবে। ♻️১৭। মাতা পিতাকে সর্বাধিক সম্মান করবে। ♻️১৮। শিষ্যকে সর্বাধিক মর্যাদার দৃষ্টিতে দেখবে। ♻️১৯। আয়ের প্রতি লক্ষ্য রেখে ব্যয় করবে। ♻️২০। কথা বলার সময় মুখ আয়ত্বের মধ্যে রাখবে। ♻️২১। বীরত্ব কে নীতি হিসাবে গ্রহণ করবে। ♻️২২। শরীর এবং পোষাক পরিস্কার পরিচ্ছন্ন রাখবে। ♻️২৩। ঐক্যবদ্ধ হয়ে থাকবে। ♻️২৪। প্রচলিত অস্ত্র সস্ত্র ও যানবাহন পরিচালনা শিখে নিবে। ♻️২৫। প্রত্যেক ব্যক্তিকে তার যোগ্যতা অনুযায়ী দায়িত্ব প্রদান করবে। Nabeen ARIF ♻️২৬। রাতের বেলায় যদি কথা বলার প্রয়োজন হয় তাহলে আস্তে এবং নরম স্বরে কথা বলবে। ♻️২৭। দিনের বেলায় কথা বলার সময় চতুর্দিকে লক্ষ্য করে কথা বলবে। ♻️২৮। কম কথা বলা কম খাওয়া এবং কম ঘুমানোর অভ্যাস করবে। ♻️২৯। নিজের জন্য যা পচন্দ করো না তা অন্যের জন্য পচন্দ করবে না। ♻️৩০। বিচক্ষণতা ও কৌশল অবলম্বন করে কাজ করবে। ♻️৩১। উপযুক্ত শিক্ষিত না হয়ে অন্যকে শিখাতে যেও না। ♻️৩২। অন্যের ধন সম্পদের প্রতি লক্ষ্য করবে না। ♻️৩৩। নীতিহীনদের কাছ থেকে কৃতজ্ঞতা আশা করবে না। ♻️৩৪। কোনো কাজেই চিন্তামুক্ত হইও না। ♻️৩৫। যে কাজ তুমি করনি এরূপ কাজ করেছ বলে মনে করো না। Nabeen ARIF ♻️৩৬। আজকের কাজ আগামীকালের জন্য ফেলে রাখবে না। ♻️৩৭। বড়দের সাথে হাসি ঠাট্টা করতে যেও না। ♻️৩৮। আল্লাহর সাথে কাউকে শরীক করিও না। ♻️৩৯। তোমার প্রতি যারা আশা রাখে তাদের নিরাশ করো না। ♻️৪০। বড়দের সামনে কথা দীর্ঘায়িত করবে না। ♻️৪১। অতীতের তিক্ততা মনে রেখো না । ♻️৪২। নিজের ধন সম্পদের কথা অন্যের নিকট প্রকাশ করবে না। ♻️৪৩। সৎ লোকদের নিন্দা করবে না । ♻️৪৪। আপনজনদের কাছ থেকে কখনও বিচ্ছিন্ন হইও না। ♻️৪৫। অহংকার করবে না। ♻️৪৬। মানুষের সামনে দাঁত খেলাল করবে না। ♻️৪৭। মানুষের সামনে মুখে বা নাকে অঙ্গুল প্রবেশ করবে না। ♻️৪৮। শব্দ করে থুতু ফেলবে না। ♻️৪৯। হাই তোলার সময় মুখে হাত রাখবে। ♻️৫০। কাউকে জনসম্মুখে লজ্জা দিবে না। ♻️৫১। চোখ দিয়ে ইঙ্গিত করবে না। ♻️৫২। এক কথা বারবার বলবে না। ♻️৫৩। তামাশা মূলক অবাস্তব কথা বলবে না। ♻️৫৪। ঠাট্টা বিদ্রুপ থেকে বিরত থাকবে। ♻️৫৫। অন্যের সামনে নিজের প্রশংসা করবে না। ♻️৫৬। মেয়েদের ন্যায় সাজসজ্জা করবে না। ♻️৫৭। কথা বলার সময় হাত নাড়াচাড়া করবে না। ♻️৫৮। আপনজনদের শত্রুর সাথে উঠাবসা করবে না। ♻️৫৯। কারো মৃত্যুর পর তার সম্পর্কে খারাপ মন্তব্য করবে না। ♻️৬০। যথাসম্ভব ঝগড়া বিবাদ থেকে বিরত থাকবে। ♻️৬১। সৎলোকের প্রতি সুধারণা রাখবে। ♻️৬২। নিজের খানা অন্যের দস্তারখানায় নিয়ে যাবে না। ♻️৬৩। কোনো কাজেই তাড়াহুড়ো করবে না । ♻️৬৪। পার্থিব স্বার্থের মোহে নিজেকে দুঃখ কষ্টে ফেল না। ♻️৬৫। রাগান্বিত অবস্থায়ও ধীর শান্ত ভাবে কথা বলবে। ♻️৬৬।জামার আস্তিন দ্বারা নাক পরিস্কার করবে না। ♻️৬৭। সূর্য উদয়ের পূর্বেই শয্যা ত্যাগ করবে। ♻️৬৮। পথ চলার সময় বড়দের আগে চলবে না। ♻️৬৯। এদিক সেদিক উকি মেরে দেখবে না । ♻️৭০। অন্যের কথার মধ্যে বাধা দিয়ে কথা বলবে না। ♻️৭১। মেহমানের সামনে কারো প্রতি রাগান্বিত হইও না। ♻️৭২। সন্দেহ প্রবণতা ত্যাগ করতে না পারলে দুনিয়ায় তুমি কোনো বন্ধু খুঁজে পাবে না। ♻️৭৩। বেটা ! তুমি এত মিষ্ট হইও না যে, মানুষ তোমাকে গিলিয়া ফেলে। আরএত তিক্ত হইও না যে মানুষ তোমাকে থুথুর মতো ফেলিয়া দেয়। ♻️৭৪। বেটা! নিজের খানা আল্লাহভীরু লোকদের ব্যতীত কাহাকেও খাওয়াইও না। আর নিজের কাজে আলেমগনের নিকট হইতে পরামর্শ লইতে থাকিও। ♻️৭৫। বেটা! মূর্খের সহিত বন্ধুত্ব করিও না। এমন না হয় তাহার মূর্খতা সুলভ কথাবার্তা তোমার ভালো লাগিত আরম্ভ করে। আর জ্ঞানী লোকের সহিত শত্রুতা করিও না। এমন না হয় যে, সে তোমার দিক হইতে মুখ ফিরাইয়া রাখে।

  • হোক অগণন গাঢ় প্রহসন আলেয়ার হাতসানি তবুও তোমার প্রবল সাহস- নির্দেশ আসমানী। — কবি মতিউর রহমান মল্লিক

  • প্রজন্ম pinned «আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা বলেনঃ وَلَا تَمُدَّنَّ عَيْنَيْكَ اِلٰى مَا مَتَّعْنَا بِهٖۤ اَزْوَا جًا مِّنْهُمْ زَهْرَةَ الْحَيٰوةِ الدُّنْيَا ۙ لِنَفْتِنَهُمْ فِيْهِ ۗ وَرِزْقُ رَبِّكَ خَيْرٌ وَّاَبْقٰى "তুমি কক্ষনো চোখ খুলে তাকিও না ঐ সব বস্তুর প্রতি…»

  • আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা বলেনঃ وَلَا تَمُدَّنَّ عَيْنَيْكَ اِلٰى مَا مَتَّعْنَا بِهٖۤ اَزْوَا جًا مِّنْهُمْ زَهْرَةَ الْحَيٰوةِ الدُّنْيَا ۙ لِنَفْتِنَهُمْ فِيْهِ ۗ وَرِزْقُ رَبِّكَ خَيْرٌ وَّاَبْقٰى "তুমি কক্ষনো চোখ খুলে তাকিও না ঐ সব বস্তুর প্রতি যা আমি তাদের বিভিন্ন দলকে পার্থিব জীবনে উপভোগের জন্য সৌন্দর্য স্বরূপ দিয়েছি, এসব দিয়ে তাদেরকে পরীক্ষা করার জন্য। তোমার প্রতিপালকের দেয়া রিযকই হল সবচেয়ে উত্তম ও সবচেয়ে বেশী স্থায়ী।" (সূরা: ত্ব-হা-১৩১)

  • “আমি অন্যদেরকে যা উপভোগ করার জন্য দিয়েছি, তার দিকে তোমার দৃষ্টি প্রসারিত করো না… তোমার রবের দেওয়া রিজিকই উত্তম ও অধিক স্থায়ী।” আল কুরআন [২০:১৩১]

  • "গুনাহের একটি শাস্তি হলো সেই ব্যক্তি হিদায়াত হারিয়ে ফেলবে 🥹 এবং দ্বীনি জ্ঞান থেকে বঞ্চিত থাকবে।"* 😢

  • কীসের জন্য কোন সূরা? ১. সূরা হজ্ব পড়লে বিয়ে সহজ হয়। ২. সূরা আম্বিয়া পড়লে যাদের বাচ্চা কাচ্চা হচ্ছে না তাদের বাচ্চা হবে। ৩. সূরা মারইয়াম পড়লে গর্ভধারণ সহজ হবে। ৪. সূরা ইনশিক্বাক পড়লে ডেলিভারি সহজ হয়। ৫. নিউবর্ন বাচ্চাকে ঘুম পাড়াতে সূরা গাশিয়াহ পড়ে শুনাবেন। - উস্তাদ আম্মারুল হক হাফি.

  • পৃথিবীতে কিছু জিনিস আল্লাহ দিয়েছেন যেগুলো আমাদের সারাক্ষণ আকর্ষণ করে রাখে। একটা নির্ভার জীবনের নিশ্চয়তা দেয়। সারাদিন খেটে না মরে শান্তিতে নি:শ্বাস ফেলার আরাম এনে দেয়। মানসিকভাবে নিজেকে কষ্ট না দিয়ে খুব সহজে নিজের শরীরকে অমন পরিবেশে মানিয়ে নেওয়া যায়। তবে দু:খজনকভাবে সবগুলো না হলেও এসবের অধিকাংশই হারাম। সুস্পষ্ট হারাম। আল্লাহ এবং তাঁর রাসুল বারবার বলেছেন হারাম। আর কিছু আছে হালালও না, হারামও না। আল্লাহ ইচ্ছা করেই এই ধোঁয়াশাটা রেখেছেন। সাথে এও বলে দিয়েছেন আমরা যাতে এই "অন্তবর্তীকালীন" ব্যাপারগুলো থেকেও নিজেদের সরিয়ে রাখি। নতুবা সেখান থেকেই হারামে পড়ে যাওয়ার ভালো একটা সম্ভাবনা থাকে। . আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্যে কোন কিছু ছেড়ে আসতে গেলে কয়েকটা ব্যাপার কাজ করে। প্রথমত, আল্লাহর উপর বিশ্বাস। আল্লাহকে না দেখেই বিশ্বাস করার ব্যাপারটা। একজন সত্ত্বা যাঁকে দেখিই নি - তাঁর একটা আদেশ "শুনলাম আর মেনে নিলাম" এই টেন্ডেন্সি থাকার জন্যে আল্লাহকে ভালোমত চিনতে হয়। তাঁর সিফাতগুলো জানতে হয়। দ্বিতীয়ত, উক্ত বস্তু কেবল আল্লাহর খুশির জন্যেই ছাড়া লাগে। অধিকাংশ মানুষই আছেন যারা হারামের পেছনে দৌড়ে শেষ বেলায় এসে হাঁপিয়ে উঠেন। তারপর পরাজয় মেনে ছেড়ে আসেন। এটাও ভাল। আল্লাহ অন্তত তাকে গুনাহের কাজ থেকে বাঁচিয়েছেন।।তবে উত্তম ঈমানের দাবি হলো খারাপ কাজটা ফার্স্ট প্লেইসেই ছেড়ে দেওয়া। তৃতীয়ত, আল্লাহ এর বিনিময় হিসেবে আরো ভালো কিছু দিবেন। এই আশা রাখা। হয়ত এই দুনিয়াতেও দিয়ে দিতে পারেন। আর না পেলে আখিরাতে আল্লাহ বঞ্চিত করবেন না - কিছুতেই না; এই বিশ্বাস রাখা। . আপনার চারপাশে এমন অনেক মানুষ দেখতে পাবেন যারা সত্যিকারভাবে আল্লাহকে ভালোবাসেন। এরা জীবনে অনেক বড় বড় সুযোগ ছেড়ে এসেছেন, হাতের কাছে পেয়েও - যেই জায়গায় একবার যেতে অনেক মানুষ রাত দিন খেটে চলেছে। লালায়িত কুকুরের মত নিজের সম্মান বিসর্জন দিয়ে চরিত্রের জলাঞ্জলি দিয়ে এসেছেন। পঞ্চইন্দ্রিয়ের সামান্য স্বস্তির জন্যে কোনটা আল্লাহর কাজ আর কোনটা শয়তানের কাজ তা ভুলে গিয়ে অবাধ্যতার অন্ধকারে পা বাড়িয়েছেন। . একটা জিনিস খুব ভালো করে আমাদের মনে রাখা দরকার - যেকোন ওয়ার্ল্ডলি এফেয়ার হোক তা সোশ্যাল, ইকোনমিক্যাল, পলিটিক্যাল কিংবা নিতান্ত ইন্ডিভিজুয়্যাল ; তা যদি আল্লাহর হুকুম অমান্য করেই শুরু হয় সেটা জীবনেও সেটেল হবে না। আল্লাহর কসম! আপনি হয়তো ভাবছেন জীবন গুছিয়ে নিয়েছেন, লাইফটা সেটেল হয়ে গেল, এতদিনে ঝামেলা নামলো কাঁধ থেকে। তবে জেনে রাখুন, আল্লাহর অবাধ্যতা করে আপনি বরং দ্বিগুণ বা তার চেয়েও বেশি ভারি বোঝা স্বেচ্ছায় কাঁধে চাপিয়ে নিলেন। . সেজন্য আমাদের দুয়া করতে হবে। يَا مُقَلِّبَ الْقُلُوبِ ثَبِّتْ قَلْبِى عَلَى دِينِكَ -- হে হৃদয়সমূহকে ঘুরিয়ে দেয়ার অধিকারি ! আমার হৃদয়কে তোমার দ্বীনের উপর অবিচলভাবে প্রতিষ্ঠিত কর। ইয়া মুক্বাল্লিবাল ক্বুলুব, সাব্বিত ক্বালবি আলা দ্বীনিক। . . رَبَّنَا لاَ تُزِغْ قُلُوبَنَا بَعْدَ إِذْ هَدَيْتَنَا وَهَبْ لَنَا مِن لَّدُنكَ رَحْمَةً إِنَّكَ أَنتَ الْوَهَّابُ হে আমাদের রব, আপনি হিদায়াত দেয়ার পর আমাদের অন্তরসমূহ বক্র করবেন না এবং আপনার পক্ষ থেকে আমাদেরকে রহমত দান করুন। রব্বানা-লা-তুযিগ্ কুলূবানা- বা’দা ইয্ হাদাইতানা-অহাবলানা-মিল্ লাদুন্কা রহ্মাতান্ , ইন্নাকা আন্তাল্ অহ্হা-ব্। . . رَبِّ إِنِّي لِمَا أَنزَلْتَ إِلَيَّ مِنْ خَيْرٍ فَقِيرٌ হে আমার পালনকর্তা, তুমি আমার প্রতি যে অনুগ্রহ নাযিল করবে, আমি তার মুখাপেক্ষী। রব্বি ইন্না লিমা- আনজালতা ইলাইয়্যা মিন খইরিন ফাক্বির। (সুরা কাসাসের ২৪ নম্বর আয়াত) লেখা : মিসবাহ মাহীন (কুরআনের দুআগুলো বাংলা উচ্চারণ দেখে না পড়াই ভালো‌)

  • সিজদাহ, শেষ আশ্রয়, শেষ পরিচয়। . মাটির বুকে নীরবে দাঁড়িয়ে থাকা একটি কবর… চারপাশে নিস্তব্ধতা। মানুষ চলে গেছে, আলো নিভে গেছে, পৃথিবীর কোলাহল থেমে গেছে। কিন্তু এই নীরবতার মাঝেই যেন এক গভীর সত্য কথা বলে—একদিন আমাদের প্রত্যেকেরই যেতে হবে এই কবরে। পবিত্র কুরআনে মহান আল্লাহ বলেন: “এবং (তোমরা) অবশ্যই মুসলমান না হয়ে মৃত্যুবরণ করো না।” — সূরা আলে ইমরান, আয়াত: ১০২। এই আয়াত আমাদের শুধু একটি নির্দেশই দেয় না; এটি আমাদের জীবনকে নতুন করে ভাবতে শেখায়। কারণ মুসলমান হয়ে মৃত্যুবরণ করা মানে শুধু মুখে ঈমানের কথা বলা নয়—বরং এমন এক জীবন যাপন করা, যার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকে আল্লাহর প্রতি আত্মসমর্পণ। আর সেই আত্মসমর্পণের সবচেয়ে গভীর প্রতীক হলো সিজদাহ। সিজদাহ এমন একটি মুহূর্ত, যখন মানুষ তার সমস্ত অহংকার ভেঙে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। যে কপাল দিয়ে আমরা পৃথিবীর সামনে গর্ব করি, সেই কপালই সিজদায় গিয়ে মাটির সাথে মিশে যায়। সেখানে নেই কোনো পদমর্যাদা, নেই কোনো অহংকার—আছে শুধু বান্দা আর তার রব। হয়তো আমরা অনেক কিছু হারিয়েছি, অনেক ভুল করেছি, অনেক দূরে চলে গেছি আল্লাহর পথ থেকে। কিন্তু সিজদাহ এমন এক দরজা, যা কখনো বন্ধ হয় না। বান্দা যখন সিজদায় মাথা রাখে, তখন তার চোখের অশ্রু মাটিতে পড়ে আর আকাশের দরজা খুলে যায়। ভাবুন, আজ যে কপাল সিজদায় নত হয় না, একদিন সেই কপালই এই মাটির নিচে নিথর হয়ে শুয়ে থাকবে। তখন আর কোনো সুযোগ থাকবে না—না তাওবা করার, না নতুন করে শুরু করার। তখন আল্লাহর কাছে আত্মসমর্পণ করেও কোনো লাভ হবে না। তাই আজই নিজেকে প্রশ্ন করা দরকার আমাদের কপাল কি সত্যিই সিজদায় অভ্যস্ত? আমাদের হৃদয় কি সত্যিই আল্লাহর সামনে নত? কারণ যে কপাল দুনিয়ায় আল্লাহর সামনে সিজদায় নত হয়, সেই কপালই কিয়ামতের দিন সম্মানিত হবে। আর যে হৃদয় সিজদায় কাঁদতে জানে, তার জন্যই আল্লাহর রহমতের দরজা উন্মুক্ত থাকে। শেষ পর্যন্ত মানুষ কিছুই সঙ্গে নিতে পারে না, না সম্পদ, না ক্ষমতা, না খ্যাতি। কবরের অন্ধকারে আমাদের একমাত্র আলো হবে সেই সিজদাগুলো, যেগুলো আমরা একান্তে আল্লাহর জন্য করেছি। মুসলমান মানে শুধু মুখে বললাম আর হয়ে গেল বিষয় টা এমন নয়। প্রকৃত মুসলমান তো সেই যার হৃদয় জুড়ে থাকবে আনুগত্যের ছাপ, প্রকাশ পাবে কাজে ও কর্মে। তাই আসুন, আজ থেকেই আমরা আমাদের কপালকে সিজদায় অভ্যস্ত করি। যেন যখন মৃত্যুর মুহূর্ত আসে, তখন আমরা সত্যিই সেই সৌভাগ্য অর্জন করতে পারি। মুসলমান হয়ে এই পৃথিবী থেকে বিদায় নেওয়ার সৌভাগ্য যেন অর্জিত হয় তার জন্য কি প্রস্তুতি নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ নয়? ° এমন কোন কিতাব, যা গভীরভাবে চিন্তা করতে বাধ্য করে?

  • আবরাহা যখন কাবা আক্রমণ করতে আসে মক্কার কয়েকজন নারী তখন গর্ভবতী ছিলেন। আবরাহা যখন দেখলো সবাই মক্কায় যাচ্ছে হজ্জ করতে, সে ভাবলো— কেমন হয় আমিও যদি এরকম একটা উপাসনালয় বানাই? তাহলে তো আমাদের এখানেও (ইয়েমেন) লোকজন আসবে। কাবার কারণে মক্কাবাসী বাণিজ্যিক এডভান্টেজ পাচ্ছে। মক্কা হয়ে যাচ্ছে এই অঞ্চলের বাণিজ্যিক কেন্দ্র। এটা ভেবেই আবরাহা নির্মাণ করেছিলো 'আল-কুল্লাইস' নামে একটা গীর্জা। তার চিন্তা ছিলো এরকম একটা স্থাপনা নির্মাণ করলেই মানুষকে আকৃষ্ট করা যাবে। কিন্তু, কোথায় ইব্রাহিম আলাইহিস সালাম এবং ইসমাইল আলাইহিস সালামের নির্মিত কাবা আর কোথায় 'আল-কুল্লাইস'! মক্কার এক লোক ইয়েমেন গিয়ে এমন এক কাজ করে, যার ফলে আবরাহা সিদ্ধান্ত নেয় তার কম্পিটিশন শেষ করে দিবে কাবা আক্রমণ করে! কারণ, সে যে উদ্দেশ্যে আল-কুল্লাইস নির্মাণ করেছিলো সেটা সফল হয়নি। এতো বিশাল প্রজেক্ট করেও সেটা থেকে সে প্রত্যাশিত লাভ পাচ্ছে না। যার ফলে যতোটা না মক্কার লোকটির কারণে, তারচেয়েও বেশি তার প্রজেক্টটা লস করার কারণে কাবা আক্রমণে বের হয়। . আবরাহার বাহিনীর কী পরিণতি হয় সেটা 'সূরা ফিল' এ আল্লাহ আমাদেরকে জানিয়েছেন। তার উদ্দেশ্য তো পূরণ হয়নি। এমনকি আর কেউ মক্কা আক্রমণ করতে ভয় সাহস পায়নি। আবরাহা যদি মক্কা আক্রমণ করতো, সে কি শুধু কাবা ধ্বংস করতো? সেখানকার মানুষজনের কী অবস্থা হতো? কাবা ঘর আক্রমণ করতে আসা কয়েক হাজার সৈন্য মক্কাবাসীর ওপর কেমন নির্যাতন চালাতো? কাবার ৫০০ মিটার কাছে থাকা পরিবারগুলোর কী অবস্থা হতো? . সেই সময়ের একজন নারীর কথা চিন্তা করুন। যিনি সন্তানসম্ভবা। এমন সময় একজন নারীর মানসিক সাপোর্ট অনেক দরকার। কিন্তু, সেই নারীর স্বামী কয়েক মাস আগে ইন্তেকাল করেছেন। তিনি যে সন্তান জন্মদান করবেন, সেই সন্তান পৃথিবীতে আসার পর বাবাকে পাবে না। এমন সময় যখন সেই নারী শুনতে পেলেন ইয়েমেন থেকে বিশাল বাহিনী আসছে কাবা আক্রমণ করতে; অথচ কাবা থেকে তাঁর বাসার দূরত্ব মাত্র ৫০০ মিটার, তখন তাঁর মানসিক অবস্থা কেমন হয়েছিলো? তাঁর স্বামী বিদেশে ব্যবসায়িক সফরে গিয়ে ইন্তেকাল করেছেন। এমন সময় যে বাহিনী ধ্বংসাত্মক কাজের জন্য আসছে, এ থেকে তিনি এবং তাঁর গর্ভের সন্তান কীভাবে রক্ষা পাবেন? একজন গর্ভবতী মা নিজের চাইতেও বেশি কনসার্ন থাকেন তাঁর অনাগত সন্তানকে নিয়ে। . মক্কার লোকজন আবরাহার বাহিনী থেকে আত্মরক্ষার কোনো উপায়ই দেখতে পাচ্ছিলো না। কারণ, এতো বিশাল বাহিনী তারা জীবনে দেখেনি। আব্দুল মুত্তালিব আল্লাহর কাছে দুআ করেন। যেই দুআর বদৌলতে আল্লাহ কাবা ঘর রক্ষা করেন। . আল্লাহ কি শুধুই কাবা ঘর রক্ষা করেছিলেন? নাকি সেখানকার মানুষদের? সেইসব সন্তানদের, যারা তখনো মায়ের গর্ভে? সেই মাকে, যার স্বামী ইন্তেকাল করেছেন এবং তিনি অপেক্ষায় আছেন তাঁর সন্তানের আগমনের? আবরাহার ঘটনার মাত্র ৪০/৫০ দিন পর মক্কায় একজন সন্তান জন্মগ্রহণ করেন। যাকে আল্লাহ তাঁর 'হাবিব' বলে উল্লেখ করেন। যাকে সমগ্র মানবজাতির জন্য রহমত হিসেবে পাঠান। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। আবরাহার হাত থেকে কি আল্লাহ শুধু কাবাই রক্ষা করেছিলেন? নাকি কাবার চেয়েও মূল্যবান রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে হেফাজত করেছিলেন! সুবহানাল্লাহ! . আবরাহার কাবা আক্রমণের সময় মক্কার কয়েকজন নারী যে সন্তানসম্ভবা ছিলেন, সেটার হিন্টস পাওয়া যায় হালিমা রাদিয়াল্লাহু আনহা ধাত্রী হিসেবে যখন মক্কায় আসেন, তখন সবাই সন্তান পেয়ে গেলেও তিনি পাননি। সর্বশেষ পেয়েছিলেন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে। এই ঘটনা ঘটে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের জন্মের প্রায় ২ মাসের মধ্যে। তার মানে সেসব সন্তানরা আবরাহার ঘটনার সামান্য আগে-পরে জন্মগ্রহণ করেন।

  • আদিব হুজুরের 'তুরষ্কে তুর্কিস্তানের সন্ধানে' বইটা তো অনেকে পড়েছেন নিশ্চয়ই। বইয়ে সুন্দর একটা দুআ শেখানো হয়েছে। আদিব হুজুর এয়ারপোর্টে যেতে যেতে জ্যামে পড়েছিলেন। বর্ণনাটা অনেকটা এমনই। তখন তিনি একটা দুআ পড়তে থাকেন। সব সমাধান হয়ে যায়। এই দুআটা আমি যখন থেকে পেয়েছি, প্রতিটা বিপদে পড়ি এবং বিশ্বাস করুন, মহান আল্লাহর অসীম দয়ায় একটা না একটা সমাধান পেয়ে যাই। এইটা আমার কারামত না, দুআর ফসল। বান্দা যখন ইয়াক্বীন ও ইখলাসের সাথে কোনো আমল করে, তখন সে গোনাহগার হলেও আল্লাহ তার দুআ কবুল করেন। শর্ত হলো, ইখলাস থাকা। আল্লাহ তায়ালা অবশ্যই করবেন এই নিয়ত হাজির রাখা। আমি ছোট থেকে ছোট সমস্যায়ও দুআটা পড়ি। জ্যামে পড়লে, টিকেট না পেলে, গাড়ী না পেলে, কোথাও কোনো বিপদের আশংকা করলে। দেখতে পাই, একটা সমাধান মাথায় এসে যায়। দুআটা হাদিসে এসেছে, সহীহ ইবনে হিব্বানে আনাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর রিওয়ায়াতে, اللهُمَّ لا سَهْلَ إلا مَا جَعَلتَهُ سَهْلا وَ أنتَ تَجْعَلُ الحزْنَ إذا شِئْتَ سَهْلا 'আল্লাহুম্মা লা সাহলা ইল্লা মা জাআলতাহু সাহলা, ওআনতা তাজআলুল হুযনা ইযা শি'তা সাহলা' অর্থ: হে আল্লাহ! আপনি যা সহজ করেছেন তা ব্যতীত সহজ আর কিছুই নেই। এবং আপনি চাইলে দুঃখ কষ্টকেও পরিণত করতে পারেন সহজতায়... লেখা- উস্তাদ আম্মারুল হক

  • কল্পনা করো, সম্ভবত তোমার ফ্যামিলির প্রত্যেককে একে একে বিদায় দেয়া মানুষটা তুমিই হবা। হয়তো তোমার মৃ*ত্যুর সময়টাতে তোমার মা-বাবা, ভাই-বোন, স্বামী/স্ত্রী কেউই থাকবে না। সবাই-ই তোমার আগে নিজের ঠিকানায় পাড়ি জমাবে। কিংবা হয়তো তুমিই সবার আগে সবাইকে ছেড়ে চলে যাবা। যেভাবেই হোক না কেন, সবাইকে, সবকিছুকে একদিন তোমার ছাড়তে হবেই। একদিন সেই আল্লাহ ছাড়া তোমার আর কেউ থাকবে না, যে আল্লাহ'র সাথে সম্পর্কটা ছিলো তোমার লাইফে জাস্ট একটা "পার্ট টাইম রিলেশনশীপ"। যার কাছে তুমি "না পারতে", অর্থাৎ শুধু ঠেকায় পরলেই যেতে। অথচ তিনিই সত্য। শুধু তিনিই থাকেন, থাকবেন। সেই দিন সব ইকুয়েশানের ভুল উত্তর দেখে যেন ঘাবড়ে যেও না। কারণ, জীবনের সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ যে ইকুয়েশানটা মেলানোর জন্য তুমি সর্বোচ্চ সময় আর চেষ্টাটা দাওনি, সেই ইকুয়েশান তোমার জন্য কখনোই মিলবে না। মিলবার কথাও না। এটাই স্বাভাবিক। কাজেই, "তুমি রিয়েলিটি মাইনে নেও।" আর নিজের পায়ে নিজেই কো'পায়ে যাও। অথবা, স্টিয়ারিং হাতে নাও। গাড়িটা ঘোরাও। নতুন করে শুরু করো। ঠিক রাস্তায় চালাও। তুমি জানো না, হয়তো এই লেখাটাই তোমার জন্য শেষ রিমাইন্ডার। © মোহাম্মদ তোয়াহা আকবর

  • (প্রকৃত) মুসলিম ওই ব্যক্তি, যার জিভ ও হাত থেকে অন্য মুসলিম নিরাপদে থাকে। -বুখারি, হাদিস : ৬৪৮৪

  • শাইখ মুহাম্মাদ ইবনে সালেহ আল-উসাইমিন (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন — “কারো বয়স যদি এগারো হয় তাহলে সে আর বিয়ের জন্য অপ্রাপ্তবয়স্ক নন। আমর ইবনুল আস (রাদিআল্লাহু আনহু) এগারো বছর বয়সে বিয়ে করেন। যার মাধ্যমে তাঁর একটি ছেলেও হয়। বলা হতো, তাঁর এবং তাঁর ছেলে আব্দুল্লাহর মাঝে তেরো বছরের বেশি ব্যবধান ছিল না।” [আল লিকায়ুশ শাহরী, ৩/২২]

  • শাইখুল ইসলাম ইমাম ইবনু তাইমিয়্যাহ (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন — “পিতা যদি অন্যায়ভাবে তার সন্তানের বিরুদ্ধে বদ-দু‘আ করে, তাহলে সে গুনাহগার হবে। এই বদ-দু‘আ সন্তানের জন্য কাফফারা হবে এবং ধৈর্যধারণের জন্য সে (সন্তান) নেকী অর্জন করবে।” [মাজমূউল ফাতাওয়া, ৩১/৩০৩]

  • বর্তমান তরুণ তরুণীদের সবচেয়ে ভয়াবহ মানসিক সমস্যাগুলোর অন্যতম হলো ‘একাকীত্ব।’ এই লোনলিনেস সমস্যার জন্য ডিপ্রেসড থাকে, টাইম ওয়েস্ট হয়, কাজে ফোকাসড হতে পারে না ও প্রোডাক্টিভিটি কমে যায়। এটা থেকে কাটিয়ে ওঠার সবচেয়ে ভালো সলিউশন হলো ‘বিয়ে করা।’ একাকীত্ব কাটানোর জন্য গার্লফ্রেন্ড/বয়ফ্রেন্ড কখনোই ভালো অপশন না। বরং হারামের গুনাহের পাশাপাশি এটা আরও অনেক বড় বড় মানসিক সমস্যা তৈরি করে।

  • দুনিয়ার বাস্তবতা ও মৃত্যু! 🎙️ আব্দুল্লাহ বিন আব্দুর রাজ্জাক (হাফিজাহুল্লাহ)

প্রজন্ম — tgindex