ফিলিস্তিনের আপডেট
Статистикаবর্তমান ফিলিস্তিনের সর্বশেষ অবস্থা জানতে সবায় এই লিংকে যুক্ত হোন। আমরা আলজাজিরাসহ আরবী নির্ভরযোগ্যসূত্র থেকে সঠিক ও নির্ভরযোগ্য সংবাদ প্রচারের চেষ্টা করছি। https://t.me/fariduddin23
- Последний пост
- 3 июл.
- Последнее чтение
- 15 авг.
- Постов за неделю
- 0
- Всего постов
- 20
- Тип
- открытый
- Язык
- bn
- Категория
- Новости и СМИ (по похожим)
- В каталоге с
- 14 авг.
- 1/24сутки в ленте
- —
- 1/48двое суток
- —
- 1/72трое суток
- —
Оценка по просмотрам недавних постов: пост набирает почти всё за первые сутки.
Посты
ইজরাইল কী পরিমান জুলুম করেছে তা এই লিংকে গিয়ে কিছুটা দেখতে পারেন। আমেরিকা ইজরায়েল মিলে এই সাইটটিকে বন্ধ করে দিয়েছিল এখন নতুন করে আবার উদ্ধার করা হয়েছে https://archivegenocide.com/?fbclid=IwY2xjawS0vepleHRuA2FlbQIxMQBzcnRjBmFwcF9pZA80MDk5NjI2MjMwODU2MDkAAR4okyS7WYw_GrudM9WA7gecQvOdMOKFJyYCfluzYA_OHtiLttg1hfJkGmAa2Q_aem_kcZHw5HcFgYFlTUanVQWCA
সিওয়ার। এক বছরের একটি মেয়ে। মায়ের কোলে ঘুমন্ত অবস্থায়ই দখলদাররা গতকাল ওকে শহীদ করে ফেলেছে। ... আমাদের আরব শাসকরা শুধু গাযযার মানুষদের ওপর চাপ প্রয়োগ করে তাদের প্রতিরোধ বন্ধ করার ক্ষমতা রাখে; কিন্তু ওরা দখলদারদের অন্যায় হামলার বিরুদ্ধে টু শব্দটুকুও উচ্চারণ করতে পারে না!!! تذكّروا أنّ إخوانكم المستضعفين لازالوا يتعرضون - يوميًا - لمذابح وحشية ليلهم، ونهارهم، الأطفال والكبار، والنّساء والرّجال، تراق فيها دماؤهم البريئة، التي أصبحت أهون من قطةٍ علقت على عمودٍ لا تستطيع النّزول. وصول مجمع ناصر الطبى شهيدتين و4 إصابات جرّاء استهداف ارض البصل غربي مدينة خانيونس، والشهداء هم: #ديانا محمد سالم ابودراز 23 عام. #ابنتها سوار ثائر ابو دراز تبلغ من العمر عام واحد.
видео или голосовое, без подписи
এরা শুধু সংখ্যা নয়, এরা মানুষ!! গতকাল ইসরায়েলের পার্লামেন্ট একটি আইন পাস করেছে, যে আইন দিয়ে ৯০ দিনের মধ্যে ইসরায়েলে থাকা সব ফিলিস্তিনি বন্দিকে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হবে। বিষয়টি আরও উদ্বেগজনক হলো, তারা নাকি ইতোমধ্যেই এক্সিকিউশন রুমও প্রস্তুত করে ফেলেছে। বিশ্ব সংবাদ মাধ্যম হতে জানা গেছে যে, বর্তমানে ইসরায়েলে প্রায় ৯৫০০ ফিলিস্তিনি বন্দি রয়েছে। এসব বন্দিদের মধ্যে প্রায় ৩৪০০ জন এমন আছেন, যাদের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগই নেই, তাদের কোনো অপরাধই প্রমাণিত হয়নি, এমনকি কোনো চার্জও আনা হয়নি। সবচেয়ে হৃদয়বিদারক বিষয় হলো, এই বন্দিদের মধ্যে শিশুরাও রয়েছে। তাদের বিরুদ্ধেও অভিযোগ এনে ৯০ দিনের মধ্যে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার কথা বলা হচ্ছে। তাদেরও এই আইনের অধীনে হত্যা করা হবে। কিন্তু এরা শুধু সংখ্যা নয়, এরা মানুষ, এদের জীবন আছে, স্বপ্ন আছে, পরিবার আছে, অনুভূতি আছে। তাদের এভাবে হত্যা করা হবে, এটা কল্পনাতীত নির্মমতা।বলুন তো, মানবাধিকর প্রতিষ্ঠার রঙ্গিন স্বপ্ন এবং স্লোগানের এই যুগে মানবজীবনের মূল্য আর কতটা নিচে নামতে পারে? তাই আমার ফলোয়ার্স ভাই-বোনদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি যে, আপনারা যারা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করেন, যদি এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বলতে না পারেন, তাহলে সেই ব্যবহারই বা কীসের? আপনার ফলোয়ার, আপনার আইডি, এসবেরই বা মূল্য কী, যদি আপনি সত্যের পক্ষে দাঁড়াতে না পারেন? আর যদি আপনার ফলোয়ার না-ও থাকে, তবুও অন্তত নিজের কণ্ঠ তুলুন। ফিলিস্তিনিদের পাশে দাঁড়াতে আপনাকে মুসলিম, হিন্দু, খ্রিস্টান বা বৌদ্ধ কিছুই হতে হবে না। আপনাকে শুধু একজন মানুষ হতে হবে। আপনার সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করুন, এই বার্তাটি ছড়িয়ে দিন। শুধু শেয়ার করলেই হবে না ইসরাঈলের এমন মানবতা বিরোধী অপরাধের বিরুদ্ধে ফিলিস্তিনিদের পক্ষে কথা বলুন।
видео или голосовое, без подписи
видео или голосовое, без подписи
১০ হাজার ফিলিস্তিনি বন্দীকে মৃত্যুদন্ড দিতে বির্তকিত আইন পাশ হলো ইসরায়েলের সংসদে কী ভয়ংকর আইন পাশ করলো এই জালেম দেশটি। তারা পুরো বিশ্বের সামনে আইন বানিয়ে অপরাধ করছে! পুরো বিশ্ব চুপ! আল্লাহ্ এই জালেমদেকে কওমে আদ সামুদের মত ধ্বংস করে দিন।
ট্রাম্প: আমি ইরানের সাথে যুক্ত বিরতি করতে চাই। ইরান: আমরা চাই না।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইসরায়েলকে ইরানের জ্বালানি স্থাপনাগুলোতে হামলা চালানো থেকে বিরত থাকতে বলেছেন। সূত্র: ইসরাইলি আর্মি রেডিও
তাকাব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম। ঈদ মোবরক।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বরাতে ফার্স নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে: আমেরিকানরা আমাদের ড্রোনের মতো ড্রোন তৈরি করেছে এবং তা ব্যবহার করে আরব দেশগুলোর বিভিন্ন স্থানে হামলা চালাচ্ছে। : আল জাজিরা অর্থাৎ আমেরিকা ইজ্রায়েল চাচ্ছে আরব রাষ্ট্রগুলো ইরানের বিরুদ্ধে নেমে পড়ুক। আরব দেশগুলো এখনো এই ফাঁদে পা দেয়নি। কিন্তু আমেরিকা ইজ্রায়েল চক্রান্ত করে যাচ্ছে।
মার্কিন সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহাম সৌদি আরবকে হুমকি দিয়ে বলেছে যদি আমেরিকা-ইজরাইলের হয়ে যুদ্ধে অংশগ্রহণ না করে, তাহলে এর পরিণতি ভোগ করতে হবে। ট্রাম্পকে বলছে এমন মিত্র দিয়ে কী লাভ, যে বিপদে পাশে দাঁড়ায় না। গ্রাহামের এই হুমকির জবাবে আরব আমিরাতের বিজনেস টাইকুল ও মাল্টি বিলিওনিয়ার খালাফ আল হাবতুর বলছে আমাদের উপর কে যুদ্ধ চাপিয়ে দিয়েছে, সে সম্পর্কে আমরা পুরোপুরি সচেতন। এই অঞ্চলে যাদেরকে মিত্র মিত্র ডাকে, সেসব মিত্রদের কারো সাথে পরামর্শ না করে গোটা অঞ্চলকে ভয়াবহ সহিংসতার দিকে কে নিয়ে গেছে, আমরা তা জানি ও বুঝি। হাবতুর আমিরাতের অন্যতম আইকন। বাংলাদেশের এস আলম কিংবা বসুন্ধরার মত। তাই তার মত আমিরাতি ব্যক্তিত্বের এই কথার জিওস্ট্রাটেজিক্যাল ইম্পোর্ট্যান্স অসম্ভবরকম। যুদ্ধের আগে ইজরাইল ভাবছিল কোনোভাবে যদি ইরান গালফ কান্ট্রিগুলোতে আক্রমণ করে, সবাই সুড়সুড়িয়ে ইজরাইলের কোলে গিয়ে উঠবে। কিন্তু দেখা যাচ্ছে ঘটনা ঘটতেছে পুরোপুরি উলটো। কুয়েত ইরানের আক্রমণের অন্যতম কেন্দ্রবিন্দু। কিন্তু কুয়েত ইউনিভার্সিটির এক প্রফেসরের সাক্ষাৎকার নিছে সিএনএন। তার ভাষ্য হইল আমেরিকা আফগানিস্তান থেকে পোটরাপাটরি নিয়ে ভাগছে। ইরাক থেকে ভাগছে। এই যুদ্ধ শেষেও আমেরিকা গাট্টিবোচকা নিয়ে চলে যাবে হাজার মাইল দূরে। কিন্তু ইরান এখানেই থাকবে। আমাদের পাশে। ফলে ইরানের সাথে প্রতিবেশিসুলভ সম্পর্ক গড়ে তোলার কোনো বিকল্প নাই। এতে কয়েক দশক লাগলেও! এক্সাক্টলি নাইস আন্ডারস্ট্যান্ডিং। আন্তর্জাতিক সম্পর্কের প্রবাদতুল্য নীতি হইল-ইউ ক্যান চেঞ্জ ইউর এনিমি, চেঞ্জ ইউর ফ্রেন্ড, বাট নেভার চেঞ্জ ইউর নেইবর। ইরানের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী জাভেদ জারিফ এক সাক্ষাৎকারে বলছিল আগে যখন আঞ্চলিক দেশগুলোর সাথে ক্লোজ ডোর কিংবা টপ সিক্রেট মিটিং এ বসত, ঘুরেফিরে থ্রেট হিসেবে ইরানের নাম আসত। কিন্তু গত বছর ১২ দিনের যুদ্ধের পর সে এরকম চারটা ক্লোজ ডোর বৈঠকে বসছে, যার একটাতেও ইরানের নাম আসে নাই। আসছে আরেকটা দেশের নাম। সহজ কথা হল-সৌদি থেকে শুরু করে ইজরাইলের পোষ্য আমিরাত, সবাই বুঝতে পারছে এই অঞ্চলের বিষফোঁড়া আসলে কে। তারা এটাও বুঝতে পারতেছে যে আমেরিকা তাদের বিপদের সময় পাশে থাকে না, থাকবে না ইন ফিউচারও, তার একটা ডেমো এবারেই দেখা গেল। উলটো বরং আমেরিকার উপস্থিতিই বিপদের কারণ। ফলে এই যুদ্ধের পর মধ্যপ্রাচ্যের জোটনীতিতে গুরুতর শিফট আসবে। সব দেশ ইরানের সাথে সুসম্পর্ক গড়ে তুলতে সচেষ্ট হবে। ইজরাইলই বরং অবরুদ্ধ, একঘরে এবং বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়বে। এখন যেটা হচ্ছে ইরানের সাথে।
চলমান যুদ্ধের চাবিকাঠি এখন ইরানের হাতে। টোটালি ইরান ড্রাইভিং সিটে। এখন আপনাদের মনে হইতে পারে যে মার তো খাচ্ছে ইরান, ড্রাইভিং সিটে কিভাবে থাকে! রাইট? দেখেন, ইরানের হুমকির পর কাতারে থাকা HSBC ব্যাংকের সমস্ত শাখার কার্যক্রম আজ থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করা হইছে। বৃটিশ ব্যাংক। বৃটেনের ঘাঁটি থেকে মার্কিন বোমারু বিমান উড্ডয়নের পর ইরান ইজরাইল ও বৃটিশদের সাথে কানেক্টেড ব্যাংকগুলো থেকে মানুষকে দূরে থাকতে বলছে। আবার হরমুজ প্রণালি দিয়ে এই দশদিনে চিন এক কোটি ব্যারলের বেশি তেল পাইছে। বাট অন্য কোনো গালফ কান্ট্রি তেল বা গ্যাস রপ্তানি করতে পারে নাই। ইরানিদের হুমকি অনুযায়ী পশ্চিমারা এক ফোঁটা তেল পায় নাই। অথচ কোটি কোটি ব্যারল তেল কিন্তু পার হচ্ছে। সেটা পার হচ্ছে ইরানের ইচ্ছায়। এখানে ইরান হল এক্টিভ এক্টর, আমেরিকা-ইজরাইল ও তাদের মিত্ররা প্যাসিভ এক্টর। এক্টিভ এক্টর বলা হয় যে নিজের খুশিমত কাজ করতে পারে। চাইলে মিসাইল মারতে পারে, চাইলে হরমুজ বন্ধ করতে পারে, চাইলে হুমকি দিয়ে একটা দেশের কোনো এক ব্যাংকের সমস্ত শাখা রাতারাতি বন্ধ করে দিতে পারে। অপরদিকে প্যাসিভ এক্টর হইল যার হাতে অপশন নাই। অপরপক্ষ যেইভাবে নাচায়, সেইভাবেই নাচতে হয়। এখানে আমেরিকা-ইজরাইলের হাতে একটাই অপশন আছে-বোম্বিং, মোর বোম্বিং, এন্ড মোর। এই কারণে প্রতিদিন নেতানিয়াহু, হেগসেথ, ট্রাম্প-সব মিলে শেয়ালের মত হুক্কাহুয়া করে যে আজকে রাতে আরও বেশি বোম্বিং হবে, আজ আরও বেশি, আজ আরও বেশি। এতে তাদের অসভ্যতা এবং উন্মাদনার পাশাপাশি অসহায়ত্বও প্রকাশ পাচ্ছে। তাদের হাতে আসলে এর বাইরে আর কোনো অপশনই নাই। আবার তারা এইটাও জানে যে মোর এন্ড মোর বোম্বিং করে তাদের যেসব উদ্দেশ্য, তার একটাও সাধিত হবে না। খুবই হতাশাজনক সিচুয়েশন। এটাকে বলা হয় স্ট্রাটেজিক ফ্লেক্সিবিলিটি। কোনো সংঘাতে কে জিতবে, কে হারবে, কে চালক আর কে চলক, তা নির্ধারিত হয় এই স্ট্রাটেজিক ফ্লেক্সিবিলিটির মাধ্যমে। এর সারকথা হইল আপনার হাতে মেনুভার করার মত অনেক অনেক অপশন থাকতে হবে। যেটা আছে ইরানের। ইরান এখন চাইলে মিসাইল মারতে পারে, চাইলে হরমুজ বন্ধ করতে পারে, চাইলে বন্ধু দেশের জন্য খুলে দিতে পারে, চাইলে পার্শ্ববর্তী দেশগুলোর ঘাঁটি আক্রমণ করতে পারে, চাইলে আমেরিকা-ইজরাইল সংশ্লিষ্ট বাণিজ্যিক হবে আক্রমণ করতে পারে, চাইলে সিভিলিয়ান অবকাঠামোতে আঘাত করতে পারে। আবার চাইলে এই অফারও দিতে পারে যে-দেশ থেকে আমেরিকা ইজরাইলের রাষ্ট্রদূত বহিষ্কার করলে হরমুজ দিয়ে চলাচল করতে পারবে সেই দেশ! খুবই খুবই কম্ফোর্টেবল, এডভান্টেজাস এন্ড কনভেনিয়েন্ট পজিশন।
ইরানের বিপ্লবী গার্ড একটি ক্ষেপণাস্ত্রের ছবি প্রকাশ করেছে, যার ওয়ারহেডে লেখা ছিল: “ এপসটেইন দ্বীপে ভুক্তভোগীদের স্মরণে।” কেমন যেন তারা বলছে ___ বিশ্বের বড় শয়তানগুলো নিজেদের নোংরামি ঢাকার জন্য যুদ্ধ শুরু করে বিশ্বকে ধ্বংস করছে
Channel photo updated
https://t.me/fariduddin23
নেতানিয়াহু কি মারা গেছে? নেতানিয়াহু মারা গেছে বলে যে খবর চাউর হচ্ছে সেটা ইরানের তাসনিম সংবাদ সংস্থার একটা খবরকে সোর্স হিসেবে ধরে করা হয়েছে। 🔎 তাসনিমের সেই প্রতিবেদনে মূলত কয়েকটি পরোক্ষ বিষয় একত্র করে সন্দেহের কথা বলা হয়েছে, যেমন: ▪️ সাম্প্রতিক সময়ে নেতানিয়াহুর কোনো নতুন ভিডিও প্রকাশ না হওয়া ▪️কোন লাইভে তাকে দেখতে না পাওয়া ▪️ হিব্রু ভাষার গণমাধ্যমে তার বাসভবনের নিরাপত্তা জোরদারের খবর ▪️ মার্কিন দূত স্টিভ উইটকফ ও জারেদ কুশনারের নির্ধারিত সফর স্থগিত হওয়া ▪️ ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রোঁ ও নেতানিয়াহুর ফোনালাপের একটি বিবৃতি, যেখানে কথোপকথনের তারিখ উল্লেখ করা হয়নি 📌 প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, রুশ গণমাধ্যমের মাধ্যমে সাবেক মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তা স্কট রিটার দাবি করেছেন যে ইরান নেতানিয়াহুর লুকানোর জায়গায় বোমা হামলা করেছে এবং তার ভাই নিহত হয়েছেন। এই বিষয়গুলোকে একত্র করে তাসনিম নিউজ দাবি করেছে যে নেতানিয়াহু হয়তো মারা গেছে। কিন্তু তার মৃত্যুর বিষয়ে অফিসিয়াল কোন সোর্স থেকে বা অন্য কোন মেইন স্ট্রিম মিডিয়ায় কোন তথ্য পাওয়া যায় নি। সুতরাং তার মৃত্যু হওয়ার খবরটি এখনো পর্যন্ত তাসনিম সংবাদ সংস্থার একটা দাবি। বিষয়টা নিশ্চিত না।
বাংলাদেশের জন্য আমদানি করা জ্বালানি তেলের আটকাবে না ইরান
ইরানের বিপ্লবী গার্ড জানিয়েছে, কোনো আরব বা ইউরোপীয় দেশ যদি ইসরায়েল এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূতদের তাদের ভূখণ্ড থেকে বহিষ্কার করে, তাহলে আগামীকাল থেকে হরমুজ প্রণালী দিয়ে সেই দেশগুলো স্বাধীনভাবে যাতায়াত করতে পারবে।
❝কাবুল নিরাপদ না থাকলে ইসলামাবাদও নিরাপদ থাকবে না। কাবুল টার্গেটের শিকার হলে ইসলামাবাদও আক্রান্ত হবে। কাবুলে হামলা করা হবে আর ইসলামাবাদ নিরাপদ থাকবে—কেউ যেন এমনটা ধারণা না করে। তারা যদি আমাদের সাধারণ জনতাকে শহিদ করে, আমরা তাদের সামরিক সদস্যদের হত্যা করবো। তারা ১০ বছর যুদ্ধ করতে চাইলে আমরা ১০ বছর যুদ্ধ চালিয়ে যেতে প্রস্তুত।❞ : ইমারতে ইসলামি আফগানিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী মোল্লা ইয়াকুব ইবনে মোল্লা উমর।