Al Firdaws
Статистикаআমাদের সকল প্লাটফর্মে যুক্ত হোন- https://linktr.ee/AlFirdaws01
- Последний пост
- 14 авг.
- Последнее чтение
- 15 авг.
- Постов за неделю
- 53
- Всего постов
- 55
- Тип
- открытый
- Язык
- bn
- Категория
- Новости и СМИ (по похожим)
- В каталоге с
- 12 авг.
- 1/24сутки в ленте
- 360
- 1/48двое суток
- 412
- 1/72трое суток
- 444
Медиана по постам, которые мы застали свежими и померили через сутки.
Посты
ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের পাশাপাশি ইউক্রেনকে দীর্ঘদিন ধরে সামরিক সহায়তা দেওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্র ও গোলাবারুদের মজুতের ওপরও চাপ তৈরি হয়েছে। যুদ্ধের প্রথম মাসেই মার্কিন বাহিনী ৮৫০টির বেশি ‘টমাহক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র’ এবং এক হাজারের বেশি প্যাট্রিয়ট ও ‘থাড’ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করেছে। ফলে দীর্ঘপাল্লার হামলা ও গুরুত্বপূর্ণ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মজুত উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। মজুত কমে যাওয়ার কারণে আঞ্চলিক মার্কিন কমান্ডাররা কিছু ক্ষেত্রে সম্ভাব্য হামলা মোকাবিলায় ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের ক্ষেত্রেও সতর্কতা অবলম্বন করছে। কোনো ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানার আশঙ্কা কম মনে হলে সেটিকে প্রতিহত না করে কিছু প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্র মজুত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে। ইরান যুদ্ধে ব্যবহৃত এবং ইউক্রেনকে পাঠানো অস্ত্রের কারণে কমে যাওয়া মজুত পুরোপুরি পূরণ করতে কয়েক বছর লেগে যেতে পারে। রক্ষণশীল থিংকট্যাংক আমেরিকান এন্টারপ্রাইজ ইনস্টিটিউটের (AEI) এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মার্কিন মিসাইল ডিফেন্স এজেন্সি বছরে সর্বোচ্চ ৯৬টি থাড ইন্টারসেপ্টর তৈরি করতে পারে। অথচ আগামী বছরের প্রতিরক্ষা বাজেটে পেন্টাগন ৮৫৭টি এবং আগামী পাঁচ বছরে প্রায় ২ হাজার ৬০০টি থাড চেয়েছে। উৎপাদনক্ষমতা অপরিবর্তিত থাকলে এই চাহিদা পূরণে প্রায় ২৭ বছর সময় লাগতে পারে বলে জানিয়েছে এইআই। ফলে ইরান যুদ্ধ শুধু যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সরঞ্জাম ব্যবহারের পরিমাণই বাড়াচ্ছে না, অস্ত্রের মজুত পুনর্গঠন, প্রতিরক্ষা ব্যয় এবং সামরিক সক্ষমতা ধরে রাখার ক্ষেত্রেও দীর্ঘমেয়াদি চাপ তৈরি করছে।
ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী অন্তত ৪৫টি এমকিউ-৯ ‘রিপার’ ড্রোন হারিয়েছে বলে মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাতে জানিয়েছে দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট। এই সংখ্যা যুক্তরাষ্ট্রের মোট রিপার ড্রোনের প্রায় এক-চতুর্থাংশ। রিপার ড্রোন মূলত নজরদারি, গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ এবং নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে হামলার কাজে ব্যবহৃত হয়। মার্কিন বিমানবাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, সেন্সর ও অস্ত্রের ধরনভেদে প্রতিটি রিপার ড্রোনের দাম প্রায় ৩ কোটি থেকে ৫ কোটি ডলার। সে হিসাবে ৪৫টি ড্রোন হারানোর অর্থ শুধু এই ড্রোনগুলোতেই যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য ক্ষতি ১৩০ কোটি থেকে ২২৫ কোটি ডলার। ইরান যুদ্ধের সময় হরমুজ প্রণালির আশপাশে এসব ড্রোন ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথটি বর্তমানে সংঘাতের অন্যতম উত্তেজনাপূর্ণ এলাকায় পরিণত হয়েছে। তবে রিপার ড্রোন তুলনামূলক ধীরগতির এবং অনেক সময় নিচু উচ্চতায় উড়ে। ফলে ইরানের সামরিক বাহিনী এবং ইয়েমেন ও ইরাকে থাকা ইরানের আঞ্চলিক মিত্রদের জন্য এগুলো তুলনামূলক সহজ লক্ষ্যবস্তু হয়ে উঠেছে।
নিহত আট শ্রমিকের মধ্যে চারজনের পরিচয় পাওয়া গেছে। তারা হলেন সানি জলদাস (২২), পলাশ জলদাস (২৭) এবং দুই সহোদর মনসুর আলী (৪০) ও নাসির উদ্দিন (৩৮)। তাদের বাড়ি ভাটিয়ারী এলাকায়। স্থানীয় এক বাসিন্দা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, সকালে হঠাৎ কারখানার ভেতর থেকে মানুষের চিৎকার শুনতে পান তারা। পরে কয়েকজন সেখানে গিয়ে অসুস্থ শ্রমিকদের গাড়িতে করে হাসপাতালে নিয়ে যেতে দেখেন। এরপর স্ক্র্যাপ জাহাজের ভেতরে কয়েকজন শ্রমিকের লাশ পড়ে থাকার খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় লোকজন ক্ষুব্ধ হয়ে কারখানার ভেতরে ঢুকে ভাঙচুর করেন। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। আরেক স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, সকালে তাদের দুটি নৌকা সাগর থেকে ইলিশ ধরে উপকূলের দিকে ফিরছিল। কিন্তু কারখানার দিক থেকে আসা গ্যাসের তীব্র গন্ধের কারণে তারা ওই এলাকার খালে ঢুকতে পারেননি। প্রায় আধা কিলোমিটার দূরে গিয়ে নৌকা ভেড়াতে হয়েছে। গ্যাসমুক্ত না করেই জাহাজ কাটার অভিযোগ ফায়ার সার্ভিস চট্টগ্রামের সহকারী পরিচালক তৌফিকুল ইসলাম বলেন, জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ ফোন পেয়ে তারা ঘটনাস্থলে যান। যে জাহাজটি কাটা হচ্ছিল, সেটি আগে এলএনজি বহন করত। তার ভাষ্য, এ ধরনের জাহাজ কাটার আগে ট্যাংক ও অন্যান্য অংশ সম্পূর্ণ গ্যাসমুক্ত করতে হয়। কিন্তু সংশ্লিষ্ট জাহাজের ট্যাংক গ্যাসমুক্ত না করেই কাটার কাজ করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তৌফিকুল ইসলাম বলেন, কিছু ট্যাংকে ফ্লোরিন, কার্বন মনোক্সাইড ও কার্বন ডাই-অক্সাইডের মতো গ্যাস থাকতে পারে। এসব গ্যাসের উপস্থিতি শ্রমিকদের জন্য মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ। এ ছাড়া ঘটনাস্থলে শ্রমিকদের নিরাপত্তাব্যবস্থাও খুবই দুর্বল ছিল বলে জানান তিনি। কারখানার মালিকের প্রতিনিধি মো. মহিউদ্দিন বলেন, ঘটনার সময় তিনি কারখানার বাইরে ছিলেন। কারখানা থেকে তাকে জানানো হয়েছে, জাহাজে থাকা ছয় থেকে আটজন কর্মী অসতর্কতার কারণে বিষাক্ত গ্যাসে আক্রান্ত হয়েছেন। কারখানায় গিয়ে তিনি বিস্তারিত জানাবেন বলে জানান। দুর্ঘটনার পর কারখানা ও আশপাশের এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। বিষাক্ত গ্যাসের ঝুঁকির কারণে উদ্ধারকাজও বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি সেনাবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে অবস্থান করছেন।
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের ভাটিয়ারীতে একটি জাহাজভাঙা কারখানায় স্ক্র্যাপ জাহাজের ভেতর ছড়িয়ে পড়া গ্যাসে ৯ শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও কয়েকজন। দুর্ঘটনার পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও উদ্ধার তৎপরতায় সহায়তার জন্য ঘটনাস্থলে সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। ১৪ আগস্ট (শুক্রবার) সকালে ভাটিয়ারী ইউনিয়নের স্টেশন রোড এলাকার ফেরদৌস স্টিল শিপব্রেকিং ইয়ার্ড ও রিসাইক্লিং কারখানায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। দুই দফায় হাসপাতালে ৭ জন কারখানাটিতে থাকা একটি স্ক্র্যাপ জাহাজের ভেতর শ্রমিকেরা কাজ করছিলেন। স্থানীয় বাসিন্দা ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভাষ্য অনুযায়ী, হঠাৎ কয়েকজন শ্রমিক অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে একে একে তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের দায়িত্বরত চিকিৎসক ইশতিয়াক রহমান বলেন, ওই কারখানা থেকে দুই দফায় সাতজনকে হাসপাতালে আনা হয়। তাদের মধ্যে ছয়জনকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। অপরজনকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। নিহতদের লাশ মর্গে রাখা হয়েছে। ঘটনাস্থলে আরও দুজনের লাশ রয়েছে বলে জানান সীতাকুণ্ড থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আলমগীর। পরে নিহতের সংখ্যা আটজনে দাঁড়ায়।
কানওয়ার যাত্রায় সৃষ্ট বিপুল বর্জ্য পরিষ্কার করতে হরিদ্বার পৌরসভা ও জেলা প্রশাসন বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু করেছে। পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের দল রাতভর কাজ করে ঘাট, সড়ক ও পার্কিং এলাকা পরিষ্কার করছে। বিশেষ এই পরিচ্ছন্নতা অভিযান ১৮ আগস্ট পর্যন্ত চলবে। প্রায় ১ হাজার অতিরিক্ত পরিচ্ছন্নতাকর্মী কাজে নামানো হয়েছে, পাশাপাশি সংগৃহীত আবর্জনা সরাতে ৮০টিরও বেশি যানবাহন ব্যবহার করা হচ্ছে। তবে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার সমস্যা শুধু হরিদ্বারেই সীমাবদ্ধ নয়। কানওয়ার যাত্রার সময় গঙ্গা নদীর উৎসমুখ উত্তরকাশীর গঙ্গোত্রীতেও হাজার হাজার ভক্ত গিয়েছিল। জানা গেছে, সেখানে প্রায় ৫৭ হাজার তীর্থযাত্রী গিয়েছিল। যাত্রা শেষ হওয়ার পর ওই এলাকায় হিন্দু ভক্তদের ফেলে যাওয়া পোশাক, প্লাস্টিক ও অন্যান্য বর্জ্য পাওয়া যায়। বিষয়টি অত্যন্ত উদ্বেগের, কারণ গঙ্গোত্রী তথা গঙ্গার উৎপত্তিস্থল প্লাস্টিকমুক্ত ও পরিবেশবান্ধব রাখা অত্যন্ত জরুরি বলে মনে করে পরিবেশ কর্মীরা। কানওয়ার যাত্রা শেষে বিপুল পরিমাণ বর্জ্য পড়ে থাকায় স্থানীয় বাসিন্দা ও পরিবেশকর্মীদের একাংশ সমালোচনা করেছে। হিন্দুদের এই তীর্থযাত্রা ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের নামে কীভাবে প্রাকৃতিক পরিবেশের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলছে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। সমালোচকদের অনেকে মন্তব্য করছে, ভক্তরা দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে তাদের বিশ্বাস অনুযায়ী পবিত্র গঙ্গা থেকে জল সংগ্রহ করছে, অথচ সেই একই নদীর তীরে তারা বিপুল পরিমাণ আবর্জনা ফেলে যাচ্ছে — বিষয়টি অত্যন্ত হতাশাজনক।
ভারতের উত্তরাখণ্ডে হিন্দুদের বার্ষিক কানওয়ার তীর্থযাত্রা শেষ হয়েছে। যাত্রা শেষে হরিদ্বারে বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় তীব্র সংকট তৈরি হয়েছে। জানা গেছে, শ্রাবণ মাসে প্রায় ৪ কোটি ৮০ লাখ কানওয়ারিয়া হরিদ্বারে এসেছিল। হিন্দুদের বিশ্বাস অনুযায়ী, পবিত্র গঙ্গাজল সংগ্রহ করে শিবরাত্রির পর তীর্থযাত্রীরা নিজ নিজ শহরে ফিরে গেছে। কিন্তু উদ্বেগের বিষয় হলো, তীর্থযাত্রীরা শহরের বিভিন্ন ঘাট, সড়ক ও পার্কিং এলাকায় বিপুল পরিমাণ বর্জ্য ফেলে গেছে। এসব বর্জ্যের মধ্যে রয়েছে পোশাক, প্লাস্টিকের বোতল, চটি-জুতা এবং কানওয়ার কাঠামোর বিভিন্ন অংশ। এমনকি অসংখ্য প্রস্রাবভর্তি বোতল উদ্ধার হয়েছে বলেও জানা গেছে। প্রশাসনের হিসাব অনুযায়ী, কানওয়ার যাত্রার পর হরিদ্বারে প্রায় ৭ হাজার টন আবর্জনা জমেছে। হরিদ্বারের অন্যতম প্রধান ঘাট হর কি পৌড়ি এর পরিস্থিতি উদ্বেগ তৈরি করেছে। অনলাইনে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন ছবিতে সেখানে আবর্জনা ও ফেলে দেওয়া সামগ্রীর স্তূপ দেখা গেছে। পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের কোদাল দিয়ে এসব বর্জ্য সরাতে দেখা গেছে।
ভারতে উত্তর প্রদেশের তুলশীপুরের একটি পেট্রোল পাম্পে এক মুসলিমকে নির্মমভাবে মারধর করেছে উগ্রপন্থী ৩ হিন্দু। তারা ভুক্তভোগী মুসলিমের দাড়ি টেনে ধরে, টুপি খুলে ফেলে দেয় এবং তার মুখে বারবার আঘাত করতে থাকে।
জামাল আবু কামিল গাজার পুলিশ ব্যবস্থার একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা ছিলেন। যুদ্ধ ও ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞের মধ্যেও তিনি গাজায় নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখার কাজে পুলিশ সদস্যদের ভূমিকার কথা তুলে ধরেছিলেন। গাজার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ হামলার নিন্দা জানিয়ে বলেছে, গাজার পুলিশ বাহিনীকে পরিকল্পিতভাবে লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে, যাতে গাজাজুড়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা যায়। মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের অক্টোবর মাসে যুদ্ধবিরতির পর থেকে এখন পর্যন্ত পুলিশ সদর দপ্তর, টহল দল, যানবাহন এবং পুলিশ সদস্যদের ওপর সরাসরি ইসরায়েলি হামলায় অর্ধশতাধিক পুলিশ কর্মকর্তা ও সদস্য শহীদ হয়েছেন।
গাজায় যুদ্ধবিরতির পরও সন্ত্রাসী ইসরায়েলি হামলা ও সামরিক আগ্রাসন থামেনি। এরই ধারাবাহিকতায় ১৩ আগস্ট, বৃহস্পতিবার গাজায় বর্বর ইসরায়েলি হামলায় একজন জ্যেষ্ঠ পুলিশ কর্মকর্তাসহ অন্তত ২ ফিলিস্তিনি শহীদ হয়েছেন এবং আরও কয়েকজন আহত হয়েছেন। স্থানীয় সূত্র ও চিকিৎসা কর্মকর্তাদের বরাতে আনাদুলু জানিয়েছে, দক্ষিণ গাজার খান ইউনিস শহরের পশ্চিমাঞ্চলীয় আল-আমাল এলাকায় একটি বৈদ্যুতিক মোটরসাইকেল লক্ষ্য করে সন্ত্রাসী ইসরায়েলি বাহিনী একটি ড্রোন হামলা চালায়। এতে একজন ফিলিস্তিনি শহীদ হন এবং আরও একজন আহত হন। স্থানীয় প্রতিবেদনে শহীদ ব্যক্তির নাম হুযাইফা কাওয়ারি বলে উল্লেখ করা হয়েছে। অন্যদিকে গাজা সিটির দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে আল-রশিদ সড়কে একটি যানবাহন লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা চালায় সন্ত্রাসী ইসরায়েলি বাহিনী। এতে গাজার পুলিশপ্রধান কর্নেল জামাল মাহমুদ আবু কামিল শহীদ হন এবং আরও দুইজন আহত হন। ৪৩ বছর বয়সী জামাল আবু কামিলের গাড়িতে তিনটি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছিল বলে গাজার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বরাতে স্থানীয় প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।
এ ছাড়া উদ্ভাবকদের আইনগত সহায়তা এবং মেধাস্বত্ব সংক্রান্ত সহযোগিতাও কেন্দ্রটির কার্যক্রমের অন্তর্ভুক্ত থাকবে। এর ফলে উদ্ভাবকরা তাদের নতুন ধারণা ও আবিষ্কার নিবন্ধন এবং সুরক্ষার পাশাপাশি সেগুলোর উন্নয়ন ও বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সহায়তা পাওয়ার সুযোগ পাবেন। উদ্ভাবন ও তথ্যপ্রযুক্তি সুবিধা কেন্দ্র আফগানিস্তানের ডিজিটাল রূপান্তর ও প্রযুক্তি খাতের উন্নয়নে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। এই কেন্দ্রের মাধ্যমে তরুণ উদ্ভাবকরা তাদের প্রতিভা বিকাশের সুযোগ পাবেন এবং দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে অবদান রাখতে পারবেন। এই উদ্যোগ দেশের প্রযুক্তি খাতে একটি নতুন যুগের সূচনা করবে এবং আফগানিস্তানকে ডিজিটাল অর্থনীতির দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
আফগানিস্তানের তথ্যপ্রযুক্তি খাতে এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ নিয়েছে ইমারাতে ইসলামিয়া। উদ্ভাবনী ধারণাকে গবেষণা থেকে বাস্তব প্রয়োগের পথে এগিয়ে নিতে ইমারাতে ইসলামিয়া চালু করেছে উদ্ভাবন সহায়তা কেন্দ্র। নতুন এই কেন্দ্রের মাধ্যমে উদ্ভাবকদের ধারণা ও আবিষ্কার নিবন্ধন, গবেষণায় সহযোগিতা, উদ্ভাবনী উদ্যোগের বিকাশ ও বাস্তব প্রয়োগ এবং আইনগত ও মেধাস্বত্ব সংক্রান্ত সহায়তা প্রদান করা হবে। যোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র এনায়াত আলোকজাই হাফিযাহুল্লাহ জানিয়েছেন, উদ্ভাবন ও তথ্যপ্রযুক্তি খাতের বিকাশে এই কেন্দ্রটি গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক ভূমিকা পালন করবে। কেন্দ্রটি উদ্ভাবকদের নতুন ধারণা ও আবিষ্কার নিবন্ধনের পাশাপাশি তাদের গবেষণা কার্যক্রমে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেবে। তিনি জানান, নতুন উদ্ভাবন ও গবেষণালব্ধ ধারণাগুলো যাতে কেবল ধারণার মধ্যেই সীমাবদ্ধ না থাকে, বরং সেগুলো আরও উন্নত করে বাস্তব প্রয়োগের পর্যায়ে নেওয়া যায়, সে ক্ষেত্রেও কেন্দ্রটি সহযোগিতা করবে। উদ্ভাবকদের উদ্ভাবনী কার্যক্রম এগিয়ে নিতে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়াই এর অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য।
আল ফিরদাউস বুলেটিন || ২য় সপ্তাহ, আগস্ট ২০২৬
ভারতের উত্তর প্রদেশে গোমূত্র সংগ্রহের লক্ষ্যে একটি পাইলট প্রকল্প আরম্ভ করেছে হিন্দুত্ববাদী বিজেপি সরকার। প্রকল্পটির আওতায় বর্তমানে প্রতিদিন প্রায় ৫০০ লিটার গোমূত্র সংগ্রহ করা হচ্ছে। এটি চালু করা হয়েছে বুলন্দ শহরের ১৫টি গ্রামে। ১২ আগস্ট ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিভির নিউজে জানানো হয়, ভবিষ্যতে প্রতি লিটার ২০ রুপির বিনিময়ে পশুপালকদের থেকে গোমূত্র সংগ্রহের পরিকল্পনা করছে যোগী আদিত্যনাথ সরকার। এলক্ষ্যে গ্রামগুলোতে ২০০ লিটার ধারণক্ষমতার ট্যাঙ্কও বসানো হয়েছে। সরকারের দাবি, প্রকল্পটির উদ্দেশ্য কৃষকদের অতিরিক্ত আয়, গ্রামীণ নারীদের কর্মসংস্থান এবং দুধ না দেওয়া গরুর রক্ষণাবেক্ষণে সহায়তা করা। সংগৃহীত গোমূত্র জৈব কৃষিকাজে প্রাকৃতিক কীটনাশক ও সার তৈরির কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহার করা হবে। এছাড়া প্রকল্প সফল হলে রাজ্যজুড়ে এটি চালুর জন্য পৃথক নীতি প্রণয়ন করা হবে বলেও জানানো হয়। প্রকল্পে প্রায় ৩০০ নারী যুক্ত হয়েছে। গোমূত্র সংগ্রহে সহযোগিতাকারী নারীরা প্রতি লিটারে দুই রুপি কমিশন পাচ্ছে। তবে সমাজবাদী পার্টি এই উদ্যোগকে ‘কেলেঙ্কারি’ আখ্যা দিয়ে অভিযোগ করেছে, নির্বাচনি তহবিল সংগ্রহের উদ্দেশ্যেই সরকার এই প্রকল্প হাতে নিয়েছে।
এই প্রকল্প আফগানিস্তানের শিল্প খাতে বেসরকারি বিনিয়োগের একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। সিমেন্ট কারখানাগুলো চালু হলে নির্মাণ খাতের ব্যাপক প্রসার ঘটবে এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য শিল্পেও কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। ইমারাতে ইসলামিয়ার অর্থনৈতিক নীতি ও উন্নয়ন পরিকল্পনার অংশ হিসেবে এই প্রকল্প আফগানিস্তানকে একটি শিল্পোন্নত দেশে পরিণত করার পথে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। কর্তৃপক্ষ আশা করছে, এই উদ্যোগ দেশের অর্থনৈতিক পুনর্গঠন ও জনগণের জীবনমান উন্নয়নে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
আফগানিস্তানে শিল্পায়ন ও অর্থনৈতিক আত্মনির্ভরতা অর্জনের লক্ষ্যে এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ নিয়েছে ইমারাতে ইসলামিয়া। আফগানিস্তানে সিমেন্ট উৎপাদন সক্ষমতা বাড়াতে ৭৭ কোটি ৫০ লাখ ডলার বিনিয়োগে ছয়টি বৃহৎ কারখানা নির্মাণ করা হচ্ছে। পেট্রোলিয়াম ও খনিজ মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, কারখানাগুলোর নির্মাণকাজ সম্পন্ন হয়ে উৎপাদন শুরু হলে প্রতিদিন ১৬ হাজার ৭৫০ টন সিমেন্ট উৎপাদন করা সম্ভব হবে। একই সঙ্গে এসব কারখানাকে ঘিরে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে প্রায় ২৫ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান তৈরি হবে। মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বৃহৎ এই ছয়টি সিমেন্ট কারখানা কাবুল, হেরাত, লোগার, পারওয়ান, জাওজান ও সামাঙ্গান প্রদেশে নির্মাণ করা হবে। বিভিন্ন প্রদেশে এসব কারখানা স্থাপনের মাধ্যমে দেশের সিমেন্ট উৎপাদন খাতের সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস অঙ্গরাজ্যে একটি সামরিক হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে দুই সেনাসদস্য নিহত হয়েছে। স্থানীয় সময় ১২ আগস্ট, বুধবার এ ঘটনা ঘটে। বুধবার টেক্সাসের ফোর্ট হুড সামরিক ঘাঁটি থেকে নিয়মিত প্রশিক্ষণ ফ্লাইটে গিয়েছিল হেলিকপ্টারটি। ফোর্ট হুড কর্তৃপক্ষ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, অ্যাপাচি অ্যাটাক হেলিকপ্টারটি টেক্সাসের সালাডো এলাকায় বিধ্বস্ত হয়। এতে থাকা দুই সেনাসদস্যই নিহত হয়েছে। তবে বিবৃতিতে দুর্ঘটনার সময় হেলিকপ্টারটি কী ধরনের কার্যক্রমে নিয়োজিত ছিল, সে বিষয়ে সামরিক কর্তৃপক্ষ বিস্তারিত কিছু জানায়নি। নিহত দুই সেনাসদস্যের পরিচয়ও তাৎক্ষণিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি। তাদের স্বজনদের বিষয়টি জানানোর পর পরিচয় প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছে ফোর্ট হুড কর্তৃপক্ষ। এদিকে, এই ঘটনার প্রায় দুই মাস আগে ক্যালিফোর্নিয়ায় একটি মার্কিন বিমানবাহিনীর B-52 বোমারু বিমান বিধ্বস্ত হয়েছিল। ওই ঘটনায় বিমানে থাকা আটজনই নিহত হয়।
এই সুযোগে পার্শ্ববর্তী বাড়ির বাসিন্দা মিলন বাড়িতে প্রবেশ করে এবং তাকে জড়িয়ে ধরে প্রথমে শ্লীলতাহানি ও পরে ধর্ষণের চেষ্টা করে। এ সময় ভূক্তভোগী নারী তার হাত থেকে বাঁচার জন্য ডাক-চিৎকার শুরু করেন। তবে চিৎকার চেচামেচি করায় ভুক্তভোগীকে মারধর করে মিলন। পরে লোকজনের উপস্থিতি টের পেয়ে ভুক্তভোগী নারীকে হুমকি-ধামকি দিয়ে চলে যায় ছাত্রদলের ওই নেতা। পরবর্তীতে আহত অবস্থায় ওই নারীকে উদ্ধার করে ভেদরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। এই ঘটনায় অভিযুক্ত মিলন ঢালী (৩৩) ও আনোয়ার ঢালীর (৩৬) বিরুদ্ধে ৯ আগস্ট সখিপুর থানায় ধর্ষণ চেষ্টার মামলা দায়ের করেন ওই নারীর মা নাজমা বেগম। এদিকে মামলা করার পর থেকেই ভুক্তভোগী ও তার মা, ভাইদের হামলা এবং মেরে ফেলার ভয় দেখিয়ে যাচ্ছে ছাত্রদল নেতা মিলন ঢালী ও তার লোকজন। এই ঘটনায় থানায় মামলা করায় মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) দুপুরে ওই নারীর মাকে ফোন দিয়ে পরিবার সহ হত্যা ও ঘরবাড়ি পেট্রোল বোমা মেরে উড়িয়ে দেয়ার হুমকি দেয় অভিযুক্ত মিলন। গত ৭ দিন ধরে ভুক্তভোগী ও তার পরিবার নিরাপত্তাহীনতার কারণে আত্মীয়র বাড়ীতে আশ্রয় নিয়েছেন। স্থানীয় মাদবর ওয়াসিম ঢালী সাংবাদিকদের বলেন, দীর্ঘদিন ধরে ওই নারীকে বিভিন্ন ধরনের কুপ্রস্তাব দিচ্ছে মিলন। আমি এই সমাজের মুরুব্বি হিসেবে তাকে একাধিকবার নিষেধ করেছি। তার পরেও আমাদের কথা না শুনে গত ৫ তারিখে ঘরে একা পেয়ে ধর্ষণ করার চেষ্টা করে। মেয়েটি ৭ মাসের অন্তঃসত্ত্বা অসুস্থ মানুষ। তাই বাবার বাড়ীতে বেড়াতে এসেছে। তার চিৎকারে মানুষ এগিয়ে না আসলে মেয়েটিকে মেরেই ফেলতো। এই ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িতদের বিচার চাই। মিলন রাজনৈতিক প্রভাবে দিন দিন বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। স্থানীয় বাসিন্দা আনোয়ার হোসেন সরদার বলেন, মিলন একজন মাদক সেবনকারী। রাজনৈতিক পরিচয়ে এমন কোন অপকর্ম নেই যেটা মিলন না করে। ওইদিন তার মা পাশের বাড়ীতে গিয়েছে এই সুযোগে একজন অন্তঃসত্ত্বা নারীর উপর যেভাবে ঝাপিয়ে পড়েছে মহিলারা এগিয়ে না এলে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটে যেতো। আজকে শুনলাম ফোন করে মেরে ফেলার হুমকি দিচ্ছে। মামলা হওয়ার পরেও পুলিশ তাকে ধরতে পারছে না, এটা দুঃখজনক। দ্রুত তাকে ধরতে না পারলে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। প্রশাসনের কাছে অনুরোধ তাকে গ্রেপ্তার করে সর্বোচ্চ বিচার নিশ্চিত করুন। এ বিষয়ে ভুক্তভোগী আইরিন লাবনী বলেন, দীর্ঘদিন ধরে মিলন আমাকে কুপ্রস্তাব দিচ্ছিলো। আমি রাজি না হওয়ায় আমাকে বিভিন্ন ধরনের হুমকি দিতো। আমি ৭ মাসের অন্তঃসত্ত্বা। তাই মায়ের সহযোগিতা পেতে বাবার বাড়ীতে এসেছি। ঘটনার দিন মা পাশের বাড়ীতে গিয়েছিল। সেই সুযোগে মিলন বাড়িতে প্রবেশ করে কথা বলার এক পর্যায়ে জড়িয়ে ধরে শ্লীলতাহানি করে। এরপর ধর্ষণের চেষ্টা করে। পরে ডাক-চিৎকার করলে আশপাশের মানুষের উপস্থিতি টের পেয়ে আমাকে মারধর করে ও বিষয়টি কাউকে জানালে জানে মেরে ফেলবে বলে হুমকি দিয়ে চলে যায়। এরপর হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে বাড়ী ফেরার চেষ্টা করি। তবে মামলা তুলে নিতে মিলন মাকে ফোন করে মেরে ফেলার হুমকি দিচ্ছে। তাই ভয়ে বাড়ীতে যাচ্ছি না। পুলিশও তাকে আটক করছে না। আমরা কার কাছে যাবো? কে আমাদের দায়িত্ব নিবে। আমি বিচার পাচ্ছি না কোথাও? আমি প্রশাসনের কাছে অনুরোধ করি তার যেন উপযুক্ত শাস্তি হয়। মামলার বাদী ও ভুক্তভোগী আইরিনের মা নাজমা বেগম বলেন, আগে জানলে মামলা করতাম না। মামলা করে এখন নিজেরাই পালিয়ে বেড়াচ্ছি। মামলা উঠিয়ে নিতে মেরে ফেলার হুমকি দিচ্ছে মিলন ও তার পরিবারের লোকজন। তারা বিএনপির বড় নেতা, এলাকায় প্রভাব বেশি। তাই তাদের বিরুদ্ধে কেউ কথা বলতে চায় না। মেয়েটা এমনিতেই অসুস্থ। এরপর তাকে যেভাবে মারধর করা হয়েছে তাতে ডাক্তার বলেছেন সুস্থ হতে দীর্ঘ সময় লাগবে। আমার স্বামী নেই, কাকে নিয়ে মামলা লড়বো? আমাকে হুমকি দিয়ে বলে মামলা না তুলে নিলে হত্যা করে ঘরবাড়ি পেট্রোল বোমা মেরে উড়িয়ে দিবে। এই দেশে কি প্রশাসন নেই? আমি সরকারের কাছে ন্যায় বিচার ও আমাদের নিরাপত্তা চাই।
শরীয়তপুরের সখিপুরে বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে গর্ভবতী এক নারীকে ধর্ষণের চেষ্টা চালায় এক ছাত্রদল নেতা। ঘটনার পর ভুক্তভোগীর পরিবার থানা অভিযোগ দায়ের করেছেন। তবে মামলা করার পর অভিযুক্ত ব্যক্তি ও তার সহযোগীরা পরিবারটিকে হত্যার হুমকি দিচ্ছে, যার ফলে নিরাপত্তাহীনতার কারণে বর্তমানে বাড়ি ছেড়ে আত্মীয়ের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছে পরিবারটি। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রের বরাতে দৈনিক ইত্তেফাক জানায়, গত ৫ আগস্ট শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ উপজেলার সখিপুর থানার চরকুমারিয়া ইউনিয়নের ঢালী কান্দি এলাকায় ঘটনাটি ঘটেছে। অভিযুক্ত মিলন ঢালী (৩৩) চরকুমারিয়া ইউনিয়নের ঢালী কান্দি এলাকার আক্কাস ঢালী ছেলে ও চরকুমারিয়া ইউনিয়ন ছাত্রদলের সহ-সভাপতি। জানা যায়, উপজেলার ঢালী কান্দি গ্রামের মৃত গনি উকিলের মেয়ে ভুক্তভোগী ৭ মাসের গর্ভবতী নারী আইরিন লাবনীকে (২৩) দীর্ঘদিন ধরে কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছে এই এলাকার বাসিন্দা আক্কাস ঢালীর ছেলে মিলন ঢালী। মাঝে মধ্যেই রাস্তাঘাটে সে ওই নারীকে উত্ত্যক্ত করত। বিষয়টি স্থানীয় ভাবে একাধিকবার মিলনকে সতর্ক করে ওই নারীর মা এবং পরিবারের লোকজন। ঘটনার দিন ৫ আগস্ট দুপুরে বাবার বাড়ীতে ঘরের মধ্যে ছিলেন আইরিন। বাসায় তিনি ছাড়া কেউ উপস্থিত ছিলেন না।
কারখানার কর্মী কুদরতুল্লাহ বলেন, শিল্পনগরীতে অনেক কারখানা রয়েছে। দেশের বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর তরুণরা যাতে একসঙ্গে কাজ করতে পারে, সে জন্য বিনিয়োগকারীদের দেশে এসে বিনিয়োগ করা উচিত। আফগানিস্তানের অন্যতম প্রধান কৃষিপণ্য গম। দেশের বিপুল পরিমাণ গম স্থানীয় ময়দা কারখানাগুলোতে প্রক্রিয়াজাত করে ময়দায় রূপান্তর করা হয়। বালখের ময়দা শিল্পে নতুন বিনিয়োগের পাশাপাশি প্রদেশের ৫০টি কারখানার সম্মিলিত উৎপাদন সক্ষমতা স্থানীয় উৎপাদন ও কর্মসংস্থানের বিস্তৃত সম্ভাবনাকে তুলে ধরছে। দেশের অভ্যন্তরে বিনিয়োগ বাড়ানো এবং উৎপাদন খাত সম্প্রসারণের মাধ্যমে আরও তরুণের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি এবং তাদের বিদেশমুখী হওয়ার প্রবণতা কমানোর পথও তৈরি হতে পারে।