ANS radioএ এন এস রেডিও
Статистикаমুসলিম উম্মাহ্ সমসাময়িক বিশ্বস্ত সংবাদ গুলো জনসাধারণদের মাঝে পৌছে দেওয়াই আমাদের লক্ষ্য https://youtube.com/@GM-ji5uz1my7l?si=CdpyA42VYS9xOmZ0
- Последний пост
- 12 мар.
- Последнее чтение
- 13 авг.
- Постов за неделю
- 0
- Всего постов
- 20
- Тип
- открытый
- Язык
- bn
- В каталоге с
- 13 авг.
- 1/24сутки в ленте
- —
- 1/48двое суток
- —
- 1/72трое суток
- —
Оценка по просмотрам недавних постов: пост набирает почти всё за первые сутки.
Посты
আল-কা/য়েদা পশ্চিম আফ্রিকা শাখা জামা'আত নুসরাতুল ইসলাম ওয়াল মুসলিমিন (জেএনআইএম) নিশ্চিত করেছে যে, দলটির মু*জাহি/দিনরা মালির ৫টি অঞ্চলে ৬টি পৃথক অভিযান পরিচালনা করেছেন। আয-যাল্লাকা মিডিয়ার তথ্যমতে, এই অভিযানগুলো গত ৯ ও ১১ মার্চে মালির কৌলিকোরো রাজ্যে ২টি এবং সেগু, কিদাল, মোপ্তি ও সিকাসো রাজ্যে ১টি করে মোট ৪টি চালানো হয়েছে। মুজাহিদদের এসকল অভিযানের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয় দখলদার রাশিয়ার আফ্রিকান কর্পস বাহিনীর ২টি টহল দল, জান্তা বাহিনীর ২টি সামরিক গাড়ি এবং ২টি সামরিক পোস্ট। মু*জাহি/দদের এসকল অভিযানে জান্তা ও আফ্রিকান কর্পস বাহিনীর অসংখ্য সৈন্য হতাহতের শিকার হয় এবং শত্রু বাহিনীর কয়েকটি সামরিক গাড়ি ধ্বংস হয়। এসময় মু*জাহি/দিনরা কৌলিকোরো শহরের প্রধান ফটকের নিয়ন্ত্রণ নিতেও সক্ষম হয়েছেন।
видео или голосовое, без подписи
видео или голосовое, без подписи
видео или голосовое, без подписи
видео или голосовое, без подписи
আমি ভেlট দিব না- শয়তানের অনুসারীদের বানানো ব্যবস্থা টিকিয়ে রাখতে সহযোগী হবোনা। আমি ভেlট দিব না- আল্লাহকে বাদ দিয়ে মানুষকে আইনপ্রণেতা বানাবো না। আমি ভেlট দিব না- জ্ঞানী মুর্খ সবাইকে এক কাতারে নামাবো না। আমি ভেlট দিব না- দলে দলে বিভক্ত হয়ে ভাইয়ে ভাইয়ে মারামারি করবো না। - কারন আমি জানি… ইসলাম পরিপূর্ণ, খাবার আদব থেকে শুরু করে শাসক নির্ধারণ, শাসককে অপসারণ এবং রাষ্ট্র পরিচালনা সহ জীবনের সকল বিষয়ে ইসলামে পরিপূর্ণ দিক নির্দেশনা দেওয়া আছে। কোন জাতি, ধর্ম বা মতবাদ থেকে আমাদের কিছু ধার করতে হবেনা। -শায়খ তামিম আল আদনানি হাফিজাহুল্লাহ (প্রচার করতে পারেন ইনশাআল্লাহ)
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ আপনাদের প্রিয় Al Firdaws ও AFN Radio এর সম্মানিত উপস্থাপক মুহতারাম রায়হান আব্দুল্লাহ হাফিঃ এখন ফেসবুকে। শুভাকাঙ্খীদের মুহতারাম কে ফলো করার আহ্বান জানাই। আইডি লিঙ্ক: https://www.facebook.com/Raihan.Abdullah.AlFirdaws
আল-কা@য়ে!দা পশ্চিম আফ্রিকা শাখা জামা'আত নুসরা!তুল ইসলাম ওয়াল মুসলিমিন (জেএনআইএম), সম্প্রতি বুরকিনা ফাসোর ৩টি রাজ্যে জান্তা বাহিনীর ৬টি অবস্থানে পৃথক অভিযান পরিচালনা করেছেন। আয-যাল্লাকা মিডিয়ার তথ্য অনুযায়ী, জেএনআইএম মু!জা@হিদি!নরা গত ১লা নভেম্বর থেকে ৩ নভেম্বরের মধ্যে বুরকিনা ফাসোর কায়া, ডোরি এবং ওয়াহিগৌয়া রাজ্যের ৬টি শহরে জান্তা বাহিনীর ২টি সদর দপ্তর ও ৪টি সামরিক পোস্টে অতর্কিত আক্রমণ চালিয়েছেন। এসকল অভিযানের মাধ্যমে মু!জাহি@দিন!রা জান্তা (শত্রু) বাহিনীর উক্ত ৬টি সামরিক অবস্থানের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নিতে সক্ষম হন। সেই সাথে মু!জাহি@দিন!রা বহু সংখ্যক পিকা, মেশিনগান, ক্লাশিনকোভ এবং অন্যান্য বহু অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম গনিমত হিসাবে অর্জন করেছেন।
প্রতিবেদন অনুসারে, জেএনআইএম গত দুমাস ধরেই সরাসরি ও আকস্মিক বড় কোনো আক্রমণের দিকে ঝুঁকছে না, যা দলটির অফিসিয়াল আয-যাল্লাকা মিডিয়া থেকে গত "রবিউল আউয়াল ও রবিউস সানি" মাসের সামরিক কার্যক্রম নিয়ে প্রকাশিত ২টি ইনফোগ্রাফি থেকেও স্পষ্ট বুঝা যাচ্ছে। বরং জেএনআইএম মু*জাহি/দিনরা এখন আফগানিস্তান বিজয়ের পূর্ব মূহুর্তে তালিবান মু*জাহি/দদদের ব্যবহৃত কৌশলের দিকে ঝুঁকছেন। এই কৌশলের অংশ হিসাবে জেএনআইএম স্থানীয় গোত্র ও ছোট ছোট সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর সাথে চুক্তিতে যাচ্ছেন, স্থানীয় প্রবীণ ও আলেমদের সাথে বৈঠক করছেন এবং এলাকা ভিত্তিক স্থানীয়দের একত্রিত করে শরিয়াহ্ শাসানের প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা করছেন। সেই সাথে জেএনআইএম মু*জাহি/দিনরা তালি/বানদের মতো ধীরে ধীরে এলাকা নিয়ন্ত্রণ করার দিকে ঝুঁকছেন; প্রথমে গ্রাম ও শহরাঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ নেওয়া এবং তারপর রাজধানীর দিকে অগ্রসর হওয়া। পশ্চিমা ও ফরাসি বাহিনী প্রত্যাহার এবং রাশিয়া নিয়ন্ত্রিত আফ্রিকা কর্পোরেশনের মতো অন্যান্য সামরিক অংশীদারদের সাথে জটিল সম্পর্কের পর, জান্তার নেতৃত্বে মালির সরকার দুর্বল বলে মনে হচ্ছে। দেশের উত্তর ও মধ্যাঞ্চলে বছরের পর বছর ধরে জেএনআইএম মু*জাহি/দদের আক্রমণের ফলে দখলদার পশ্চিমা ও ফরাসিরা ব্যর্থ হয়ে মালি ছাড়তে বাধ্য হয়। পরবর্তীতে মালির জান্তা সরকার রাশিয়ার দিকে ঝুঁকে, কিন্তু ততদিনে জেএনআইএম তাদের ভিত্তি অনেক মজবুত করে নিয়েছে, ফলে এখন রাশিয়া ও তুরস্ক সহ অন্যান্য অংশীদারদের সহায়তা সত্ত্বেও মালির ক্ষমতাসীন জান্তা সরকার আরও দুর্বল হয়ে পড়ছে। আর জেএনআইএম কর্তৃক সম্প্রতি শুরু করা জ্বালানি নিষেধাজ্ঞা সহ অর্থনৈতিক অবরোধগুলো হল জান্তার জন্য একটি অপ্রচলিত অস্ত্র, ইতিপূর্বে যার সম্মুখীন হয়নি সরকারগুলো। জেএনআইএম মু*জাহি/দিনরা কেবল সামরিকভাবে আক্রমণ করার জন্যই এই কৌশল অবলম্বন করছেন না, বরং তাঁরা মালির ক্ষমতা কুক্ষিগত করে রাখা জান্তাকে পঙ্গু করার জন্য এই কৌশল ব্যবহার করছেন। মালির সম্ভাব্য ফলাফল কী হতে পারে? ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদন অনুসারে, বামাকোর পতন তাৎক্ষণিক নাও হতে পারে, তবে পরিস্থিতি আরও অবনতি হলে জামাআত নুসরাতুল ইসলাম ওয়াল মুসলিমিন (জেএনআইএম)-এর সাথে আলোচনায় বসা কিংবা ক্ষমতা ভাগাভাগি করার দিকে আগাতে হতে পারে। যদিও জেএনআইএম-এর দ্বিতীয় অপশন গ্রহণ না করার সম্ভাবনাই বেশি, বরং তাঁরা মালিকে বিভক্ত করার পরিবর্তে সম্পূর্ণ দেশকে একক স্বাধীন ইসলামি সরকারের অধীনে নিয়ে আসতে চায়। বর্তমানে জেএনআইএম বামাকোর নিয়ন্ত্রণ না নিলেও, দেশের বিশাল অংশের উপর এর নিয়ন্ত্রণ রয়েছে এবং বাকি অংশে দলটির কর্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। এটি কার্যকরভাবে বোঝায় যে, মালি একটি "দুর্বল রাষ্ট্র" বা জেএনআইএম দ্বারা পরিচালিত "সমান্তরাল রাষ্ট্র" হয়ে ওঠেছে। কেননা বর্তমানে দলটির শরিয়াহ্ শাসন শুধু এর নিয়ন্ত্রিত অঞ্চলেই সীমাবদ্ধ নয় বরং জান্তা নিয়ন্ত্রিত বামাকোর উপকন্ঠেও গোত্রগুলো জেএনআইএম মু*জাহি/দদের নির্দেশনায় শরিয়াহ্ শাসন মেনে চলে। এমনকি রাজধানী বামাকো থেকে দেশের অন্য রাজ্যে যাতায়াত করা গণপরিবহনেও শরিয়াহ্ মোতাবেক যাত্রীরা চলাফেরা করছেন। প্রতিবেদন অনুসারে, জেএনআইএম-এর কার্যক্রমের এই প্রতিক্রিয়া কেবল মালির মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং পশ্চিম আফ্রিকার সাহেল অঞ্চলের অন্যান্য দেশ এবং সম্ভবত এর বাইরেও, মজবুত নেটওয়ার্ক এবং অর্থায়নের মাধ্যমে প্রসারিত হবে। ফলে আঞ্চলিক পরিস্থিতির উপর সরাসরি নিরাপত্তা প্রভাব পড়বে, কারণ মালিকে "পরবর্তী রাষ্ট্র"-এর একটি মডেল হিসেবে দেখা হবে। সূত্রের মতে, মালি বর্তমানে "সরাসরি পতন" অনুভব করছে না, তবে এটি "রাষ্ট্রীয় ব্যর্থতা" বা "জি/হাদি প্রভাবের ক্ষেত্রে রূপান্তর" হিসাবে অভিহিত হতে পারে। তাই এখানে কেবল কী ঘটতে পারে তা নয়, বরং ইতিমধ্যে কী ঘটছে এবং বর্তমান আর্থিক ব্যবস্থা কত দ্রুত ভেঙে পড়তে পারে তাও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। উল্লেখ্য যে, জামাআত নুসরাতুল ইসলাম ওয়াল মুসলিমিন (জেএনআইএম) মালি ছাড়াও সাহেল অঞ্চলের কয়েকটি দেশের বিশাল অঞ্চল নিয়ন্ত্রণ করছে। দলটি তার নিয়ন্ত্রণে থাকা এসকল অঞ্চল ইসলামী শরিয়াহ্ অনুসারে শাসন করছে। সেই সাথে দলটি পশ্চিমা বিশ্ব এবং প্রভাবশালী আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা থেকে সম্পূর্ণ এবং ব্যাপক স্বাধীনতা চায়। আর এটি হচ্ছে মুসলিম বিশ্বকে মুক্ত করার জন্য আল-কায়ে/দার পরিকল্পনার একটি বাস্তব প্রয়োগ।
২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর থেকে, মালির ক্ষমতাসীন জান্তা বাহিনী আধুনিক ইতিহাসের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা হু*মকির মুখোমুখি হতে শুরু করেছে। কেননা বৈশ্বিক ইসলামি প্রতিরোধ বাহিনী আল-কা/য়েদা সংশ্লিষ্ট জামা'আত নু*সরাতুল ইসলাম ওয়াল-মুসলিমিনের (জেএনআইএম) ক্রমবর্ধমান সামরিক ও রাজনৈতিক কার্যকলাপ, যা রাজধানী বামাকো এবং ক্ষমতাসীন সামরিক শাসনকে পতনের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে এসেছে। ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল থেকে প্রকাশিত এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, "বামাকো পতনের দ্বারপ্রান্তে, এটি যদি ঘটে তবে আল-কায়েদা প্রথমবারের মতো একটি দেশের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ পেতে যাচ্ছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, জেএনআইএম মু*জাহি/দিনরা দেশটির জ্বালানি আমদানির উপর অবরোধ আরোপ করেছেন, যা রাজধানী বামাকোকে লজিস্টিক এবং অর্থনৈতিক উভয় দিক থেকেই পঙ্গু করে দিয়েছে। মালি প্রতিবেশী সেনেগাল এবং আইভরি কোস্টের মতো দেশগুলি থেকে জ্বালানি আমদানির উপর নির্ভর করে, তাই জেএনআইএম এর এই অবরোধ দেশের অর্থনৈতিক জীবনরেখাকে মারাত্মকভাবে প্রভাবিত করছে।
এছাড়াও, চট্টগ্রামে মসজিদে ইসকন সমর্থকদের হামলা ও ভাঙচুর, মানিকগঞ্জে একজন মাদরাসার মুহতামিমের উপর নির্মম আক্রমণ, চট্টগ্রাম হাইকোর্ট প্রাঙ্গনে এডভোকেট আলিফকে নির্মমভাবে জবাই করে হত্যা! গাজীপুরের মাদ্রাসা পড়ুয়া এক কিশোরী মেয়েকে দিনের পর দিন আটকে রেখে ধর্ষণ! বুয়েটের উ!গ্র হি!ন্দু@ত্ববাদীর মুসলিম বোনদের ধর্ষণ ও মুসলিম নারীদের ব্যাপারে অশালীন মন্তব্য এবং তা গর্বভরে প্রচার!এবং সম্প্রতি টঙ্গীর খতিব মাওলানা মহিবুল্লাহর গুম ও নির্যাতন—এই সব ঘটনাই উওগ্র হি!ন্দুত্ব@বাদী সন্ত্রাসীদের ষড়যন্ত্রের গভীরতা প্রমাণ করার জন্য যথেষ্ট। তারা উপমহাদেশের মুসলমানদের নিধনে তাদের সমস্ত আয়োজন ইতিমধ্যে সম্পন্ন করে রেখেছে! উ!গ্র হি!ন্দুত্ব!বাদী কর্তৃক আমাদের মা বোনদের উপর অত্যাচার নির্যাতন, আলেম ও সাধারণ ধর্মপ্রাণ মুসলিমদের উপর চলমান হত্যাযজ্ঞ কি আমাদের হৃদয়ে আগুন জ্বালায় না? এই ঘটনাগুলো কি আমাদের ঈমানের উপর আঘাত নয়? ইসকনের এই সন্ত্রাসীরা আমাদের মসজিদ ভাঙছে, আমাদের আলেমদের হ!ত্যা করছে, আমাদের ভাইদের গুম করছে! মুসলিম মা বোনদের ব্যাপারে ইসকন সন্ত্রাসীদের ষড়যন্ত্র: সবচেয়ে হৃদয়বিদারক এবং অমানবিক অপরাধ হলো আমাদের মুসলিম মা-বোনদের উপর ইসকন সন্ত্রাসীদের অত্যাচার। এ পর্যন্ত বেশ কিছু মুসলিম বোনকে তারা জোরপূর্বক ধর্ষণ করেছে বলে প্রমাণিত হয়েছে। যৌন সন্ত্রাসের মাধ্যমে তারা আমাদের বোনদের ইজ্জত লুণ্ঠন করছে। ধর্ষণ, নির্যাতন, এবং অপমানের শিকার হচ্ছে আমাদের মা-বোনেরা। এ কোন ধরনের ধর্মীয় সংগঠন, যারা এমন জঘন্য অপরাধে লিপ্ত? আমাদের মা-বোনদের কান্না কি আমাদের হৃদয়ে ব্যথা জাগায় না? তাদের ইজ্জত রক্ষার জন্য আমরা কি এখনো নীরব থাকব? কথিত রাম রাজত্বের স্বপ্ন: মুসলিম নিধনের ষড়যন্ত্র ইসকনের এই সকল অপকর্মের পেছনে রয়েছে একটি গভীর ষড়যন্ত্র। তারা এই জমিন থেকে মুসলিমদের নাম নিশানা মুছে দিয়ে তাদের &*গ্র হি!ন্দু@ত্ববাদী মিশন- রাম রাজত্ব প্রতিষ্ঠা করতে চায়! তাদের এই নাপাক পরিকল্পনা বাস্তবায়নে মুসলিমদের গুম, হত্যা, ধর্ষণ অব্যাহত রেখেছে! আমরা কি এই ষড়যন্ত্রের মুখে চুপ থাকব? আমাদের উম্মাহর অস্তিত্ব রক্ষার জন্য আমরা কি এখনো ঐক্যবদ্ধ হব না? হে মুসলিম ভাই-বোনেরা! আমাদের ঈমান এখন পরীক্ষার সম্মুখীন। ইসকনের এই অত্যাচার, নির্যাতন, এবং অপরাধের বিরুদ্ধে আমাদের সোচ্চার হতে হবে। আমাদের মসজিদ রক্ষা করতে হবে, আমাদের আলেমদের সম্মান ফিরিয়ে আনতে হবে, আমাদের মা-বোনদের ইজ্জত রক্ষা করতে হবে। আমাদের শহীদ ভাইদের রক্তের বদলা নিতে হবে। আমাদের শিশুদের ঈমান বাঁচাতে হবে। হি!ন্দুত্ববা@দী নাপাক অপশক্তির মোকাবেলায় আমাদের ঐক্যবদ্ধ হতে হবে কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে। হে মুসলিম উম্মাহ! এই মুহূর্তে আমাদের ঈমানী আহ্বান শুনুন। আমাদের ভাই-বোনদের রক্তের ডাক শুনুন। আমাদের মসজিদের কান্না শুনুন। কমিউনিটি ভিত্তিক সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলুন। মুসলিম অভিভাবকদেরক সচেতন করুন। মালাউন মুশরিকদের বিরুদ্ধে অবশ্যম্ভাবী যুদ্ধের প্রস্তুতি গ্রহণ করুন। জিহাদের উপর, শাহাদাতের উপর বায়াত গ্রহণ করুন। জিহাদি কাফেলায় শরীক হোন। হি!ন্দুত্ববা@দী নাপাক মালাউনদের বিরুদ্ধে যুদ্ধের শপথ গ্রহণ করুন। আসুন আমরা ঐক্যবদ্ধ হই, আমরা প্রতিবাদ করি, আমরা ইসকনের এই সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে দাঁড়াই। আল্লাহই আমাদের সাহায্যকারী। আমরা বিশ্বাস করি, أَلَا إِنَّ نَصْرَ اللَّهِ قَرِيبٌ "নিশ্চয় আল্লাহর সাহায্য নিকটবর্তী।" [সূরাহ বাকারাহ, আয়াত: ২১৪] আল্লাহ আমাদের ঈমান রক্ষা করুন। আমাদের উম্মাহকে বিজয়ী করুন। আমীন। ইয়া রব্বাল আলামীন। -মুহতারাম ইবরাহীম হাসান হাফিজাহুল্লাহ
হি!ন্দু@ত্ববাদী ইসকন সন্ত্রাসীদের ষড়যন্ত্রের মোকাবেলায় উম্মাহর প্রতি আহ্বান সকল প্রশংসা কেবলই আল্লাহর, সালাত ও সালাম বর্ষিত হক আমাদের প্রিয় নবী মুহাম্মাদ, তাঁর পরিবার ও তাঁর সাহাবীগণের উপর। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা পবিত্র কুরআনে বলেছেন, لَتَجِدَنَّ أَشَدَّ النَّاسِ عَدَاوَةً لِلَّذِينَ آمَنُوا الْيَهُودَ وَالَّذِينَ أَشْرَكُوا “তুমি মানবমন্ডলীর মধ্যে ইয়াহুদী ও মুশরিকদেরকে মুসলিমদের সাথে অধিক শক্রতা পোষণকারী পাবে…” [সুরা মায়েদা, ৮২] বহুবার উম্মাহর সামনে মহান আল্লাহ্ তা’আলার এ পবিত্র আয়াতের সুগভীর বাস্তবতা প্রকাশিত হয়েছে, এবং বহুবার মানুষ তা বিস্মৃত হয়েছে। বর্তমানে এ ভূখণ্ডে এবং সমগ্র উপমহাদেশে এ আয়াতে বর্ণিত সত্যের বাস্তব চিত্র আমরা আবারো দেখতে পাচ্ছি। বাংলাদেশে হি!ন্দু@ত্ববাদী আদর্শ ও আন্দোলনের প্রকাশ্য উত্থান ঘটছে, এবং এ কাজ এরই মধ্যে অনেকদূর এগিয়ে গেছে। ইতিমধ্যে এই উ*গ্র হিন্দুরা মুসলিমদের প্রকাশ্য শত্রু হিসেবে এ ভূখন্ডে আবির্ভূত হয়েছে! আজ সমগ্র হিন্দুস্তানের মুসলিমরা একটি গভীর ষড়যন্ত্রের মুখোমুখি, যা আমাদের বিরুদ্ধে ক্রমাগতভাবে সংঘটিত হচ্ছে। এই ষড়যন্ত্রের কেন্দ্রে রয়েছে ইসকন নামক উ!গ্র হি@ন্দুত্ববা!দী সন্ত্রাসী সংগঠন। যারা তাদের নাপাক কথিত আদর্শের আড়ালে ভারতীয় উপমহাদেশের মুসলিমদের উপর অত্যাচার, নির্যাতন এবং হত্যাযজ্ঞ চালাচ্ছে। এই মালাউন সন্ত্রাসীদের হাতে ক্ষত বিক্ষত হচ্ছে আমাদের ভাই-বোনদের নিরপরাধ দেহ, তাদের হাতে ভাঙা আমাদের পবিত্র মসজিদের দেওয়াল, তাদের হাতে লুণ্ঠিত আমাদের মা-বোনদের ইজ্জত। এই আর্টিকেলে আমরা এই হিন্দু সন্ত্রাসীদের অপরাধের নোংরা অন্ধকারময় কর্মকাণ্ডের কিছু অংশ তুলে ধরব ইনশাআল্লাহ। এই উ!গ্র হি~ন্দু!ত্ববাদীরা এ ভূখণ্ডের মুসলিমদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে আজ থেকে ৮০/৯০ বছর আগে! গত ১৭ বছর যাবত তাদের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে এদেশের প্রতিটি স্তরে! স্কুল, কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়, মাদ্রাসার বোনদের নিয়ে তাদের ঘৃণ্য ও ভয়ংকর এক ষড়যন্ত্রের নাম হল নিজেদেরকে মুসলিম পরিচয় দিয়ে মুসলিম মেয়েদের বিয়ে করে, কিছুদিন ভোগ করে পালিয়ে যাওয়া। তাদের আরো একটি ষঢ়যন্ত্রের নাম "ভাগওয়া লাভ ট্র্যাপ"। এসব ফাঁদে ফেলে তারা অসংখ্য মুসলিম বোনদের সম্ভ্রম হানি করেছে! এই ঘৃণ্যে ষড়যন্ত্রের ফাঁদে কিছু কিছু মেয়ে নিজেদের ঈমান হারিয়েছে! উ&গ্র হি!ন্দু!ত্ববাদী সন্ত্রাসী ইসকন শুধু মুসলিম নারীদের ধর্ষণ - নির্যাতনে থেমে নেই, তারা ইসলাম ও মুসলিমদের বিরুদ্ধে চলমান ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে অনেক আলেম, তাওহিদবাদী মুসলিমদের উপর গুম, খুন, অত্যাচার নির্যাতন চালিয়েছে! মুসলিমদের বিরুদ্ধে তাদের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের আংশিক কিছু উদাহরণ: •২০১৬ সালে সিলেটে ইসকন মন্দির থেকে পাশের মসজিদের মুসল্লীদের উপর গুলি চালানো হয়! এই নৃশংস হামলায় ডজনখানেক মুসল্লী গুরুতরভাবে আহত হন। এটা কোন সাধারণ ঘটনা নয়, এটি ছিল আমাদের ঈমানের উপর, আমাদের পবিত্র মসজিদের উপর, আমাদের ভাইদের উপর আঘাত! •একই বছরে, সিলেটের একজন মসজিদের ইমাম, যিনি ইসকনের অপকর্মের বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিলেন, ইসকন সন্ত্রাসীদের ঘৃণ্য ষড়যন্ত্রের সমালোচনা করায় তাঁকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। শুধুমাত্র ইসকনের বিরুদ্ধে স্ট্যাটাস দেওয়ার কারণে এই নিরপরাধ আলেমকে প্রাণ দিতে হয়। •২০১৪ সালে রাজধানীর স্বামীবাগে তারাবীর নামাজে বাধা দেওয়ার ঘটনা আমাদের ধর্মীয় স্বাধীনতার উপর আরেকটি আঘাত। ইসকনের এই ধৃষ্টতায় বেশ কয়েকজন মুসলিম আহত হন! সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমানের ভূখণ্ডে মসজিদে ঢুকে নামাজরত মুসল্লিদের উপর হামলা! •এই হি!ন্দু@ত্ববাদী সন্ত্রাসী ইসকনের দৌরাত্ম শুধু সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডেই থেমে নেই! ২০১৯ সালে চট্টগ্রামের বিভিন্ন স্কুলে ইসকনের ফুড ফর লাইফ কর্মসূচীর আড়ালে মুসলিম শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রসাদ বিতরণ করা হয়। এর চেয়েও ভয়াবহ, তারা আমাদের নিষ্পাপ শিশুদের মুখে নাপাক স্লোগান ‘হরে কৃষ্ণ হরে রাম’ মন্ত্র পড়ানোর চেষ্টা করে। এ কি শুধুই খাদ্য বিতরণ? না, এটি আমাদের পরবর্তী প্রজন্মের ঈমান ধ্বংস করার একটি গভীর ষড়যন্ত্র! আমাদের শিশুদের, যারা আমাদের ভবিষ্যৎ, তাদের মন থেকে ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ মুছে ফেলে কুফরী মন্ত্র শেখানোর এই অপচেষ্টা কি আমরা মেনে নেব? আমাদের শিশুদের ঈমান রক্ষার দায়িত্ব কি আমাদের নয়?
видео или голосовое, без подписи
হি~ন্দুত্ববা/দী সন্ত্রাসী ইসকন কর্তৃক টঙ্গীর খতিবের গুম ও নির্যাতন: উম্মাহর বিরুদ্ধে হি~ন্দুত্ববা/দীদের দীর্ঘমেয়াদি ষড়যন্ত্রের আংশিক নমুনা গাজীপুর টিএন্ডটি কলোনী মসজিদের ইমাম মুহিব্বুল্লাহ মিয়াজী সাহেব মিডিয়ার সাথে গুমের অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন। তিনি বলেছেন- যখন তিনি সকাল বেলা মর্নিং ওয়াকের জন্য বের হন, হঠাৎ একটি এম্বুল্যান্স এসে তার সামনে দাঁড়ায়। গাড়ী থেকে নেমেই তারা প্রথমে ইমাম সাহেবের মুখে ড্রাগস মেশানো রুমাল ধরে, এরপর তাঁর ব্রেন টিউমার অপারেশনের জায়গায় কয়েকটি আঘাত করে গাড়িতে তুলে নেয়। গাড়িতে তুলে চোখ বেঁধে ফেলে, যখনই তিনি বাঁধন সরানোর চেষ্টা করেছেন সন্ত্রাসীরা তাঁকে মারধর করে। এরপর সারাদিন এম্বুল্যান্সটি চলমান ছিল। চলন্ত অবস্থায় তাঁকে নির্যাতন করা হয়েছে। এভাবে নির্যাতনের এক পর্যায়ে গন্তব্যে পৌঁছে তারা তাঁকে গাড়ী থেকে নামায়। নামিয়ে পানিভর্তি কাঁচের বোতল দিয়ে তার কোমরে ও শরীরের বিভিন্নস্থানে আঘাত করে এবং লাথি মারে। সর্বশেষ তাঁর উপর চালানো হয় ভয়াবহ নির্যাতন, পরনের কাপড় খুলে ফেলা হয়। এরপর কি ঘটেছিল তা ইমাম সাহেব লজ্জায় ও কান্নায় প্রকাশ করতে পারেন নি। অতঃপর ২৩ তারিখ সকালে পঞ্চগড়ের স্থানীয় মুসলিমরা ইমাম সাহেবকে রাস্তার পাশে শেকল বাঁধা অবস্থায় উদ্ধার করেন। সে সময় ইমাম সাহেব অচেতন ছিলেন এবং তাঁর পরনে কাপড় ছিলনা। এই বিবরণ থেকে কয়েকটি বিষয় স্পষ্ট হয়- ১। দেশের বিভিন্নস্থানে হি~ন্দুত্ববা/দীদের প্রচুর গোয়েন্দা সক্রিয় আছে যারা সর্বক্ষণ মুসলিমদের গতিবিধি পর্যবেক্ষন করছে, মসজিদগুলোতেও মুসলিমের বেশে তাদের নিয়মিত যাতায়াত রয়েছে। কোন ইমাম কি বক্তব্য দেন সব তারা নোট করে উপরে পাঠায়। ২। গুমকারীরা যথেষ্ট প্রশিক্ষিত এবং চতুর। এই কারণেই তারা গুমের জন্য এম্বুল্যান্স নির্বাচন করেছিল যেন কারো সন্দেহ না হয়। চেকিংয়ের সম্মুখীন হলেও বলতে পারে ইনি আমাদের আত্মীয়, হসপিটালে নিয়ে যাচ্ছি। তাছাড়া গাড়িতে ওঠানোর সময় ড্রাগস মেশানো রুমাল ধরা এবং মারধর করে নিরাপদে উঠিয়ে নিয়ে যাওয়া থেকেও এর প্রমাণ পাওয়া যায়। ৩। দেশজুড়ে তাদের অনেকগুলো গ্রুপ সক্রিয় আছে; এক গ্রুপ তথ্য সংগ্রহ করেছে। আরেক গ্রুপ রেকি করেছে, তিনি কখন বের হন কখন কি করেন সব নোট করে উপরে পাঠিয়েছে। একটা গ্রুপ গাড়ী সহ যাবতীয় সরঞ্জাম ব্যবস্থা করেছে। সর্বশেষ অপারেশন টিম অপারেশন পরিচালনা করেছে। এছাড়াও তাদের আরো অনেকগুলো গ্রুপ আছে যারা গুম সেন্টারের নিরাপত্তা ও টর্চার সেলের দায়িত্বে ছিল। ৪। হাসিনা বিদায়ের পর র্যাব, সিটিটিসি, ডিবির গুম ও টর্চার সেল বন্ধ হলেও হি~ন্দুত্ববা/দীদের গুম ও টর্চার সেল এখনো সচল আছে। ৫। এত বড় একটা ঘটনা ঘটার পরও সরকার, প্রশাসন ও চিহ্নিত কিছু মিডীয়ার নির্লিপ্ততা থেকে বোঝা যায় যে, এরাও এসবের প্রতি মৌন সমর্থন দিয়ে যাচ্ছে। ৬। এটি কোন আকস্মিক বা বিচ্ছিন্ন কোন ঘটনা নয়, বরং দীর্ঘদিনের পরিকল্পনার ফসল। দেশের সর্বত্র ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা হিন্দু/ত্ববাদী স্লিপার সেলগুলো যে কোন সময় যে কোন বড় ঘটনা ঘটাতে পারে। এটি ছিল মাত্র একটি ট্রেইলার, সামনে এমন ঘটনা আরো ঘটবে বলে আশঙ্কা। ৭। তাদের হাতে প্রচুর ফান্ড রয়েছে, এই কারণেই সাধারণ একজন ইমামকে নিজেদের পক্ষে বলানোর জন্য কোটি টাকা ঘুষের প্রস্তাব দেয়। না জানি কত জনকে ইতিমধ্যে টাকা দিয়ে কিনে ফেলেছে। প্রিয় পাঠক! সরকার, প্রশাসন, মিডিয়া, রাজনৈতিক দল কোনটাই কিন্তু আমাদের তথা তাওহীদি জনতার পাশে নেই। কেউ হি~ন্দুত্ববা/দীদের পদলেহনে ব্যস্ত, কেউ নিরব ও নির্লিপ্ত। তাই তাওহিদী জনতাকে নিজেদের নিরাপত্তা নিজেরাই নিশ্চিত করতে হবে। তাদের পক্ষে কেউ দাঁড়াবেনা এটি মাথায় রেখেই পরিকল্পনা সাজাতে হবে। যদি আমরা বিষয়গুলোকে হালকা ভাবে দেখি তাহলে অচিরেই আমাদেরকে অনেক বেশি মূল্য চুকাতে হবে। আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে হেফাজত করুন, হি~ন্দুত্ববা/দীদের যাবতীয় ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করে দিন। -মুহতারাম ইবরাহীম হাসান
видео или голосовое, без подписи
বাংলাদেশে মুসলিম বোনদের উপর হি_ন্দুত্ব-বাদী স_ন্ত্রাসের কালো ছায়া: নব•বী মান_হাজ অনুযায়ী উম্মাহর করণীয় বাংলাদেশের মাটি র"ক্তে ভিজছে। প্রকাশ্য দিবালোকে এডভোকেট আলিফের মতো সত্যের পক্ষে দাঁড়ানো মানুষকে নির্মমভাবে হ*ত্যা করছে হি_ন্দুত্ব^বাদী স^ন্ত্রা^সীরা। এখন তারা তাদের কলুষিত হাত বাড়িয়েছে আরেক নির্যাতিত মুসলিম বোনের পাশে দাঁড়ানো আলেমের দিকে—তাকে হত্যার হুমকি দিয়ে তারা তাদের ঘৃণ্য অভিপ্রায় স্পষ্ট করেছে। সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ছে ধ*র্ষ*ণের খবর, আর্তনাদের কান্না, আর অসহায় বোনদের ক্রন্দন। এ যেন এক ঘোষিত যু*দ্ধ—আমাদের মুসলিম বোনদের ইজ্জত লুণ্ঠনের নোংরা খেলায় মেতে উঠেছে হি_ন্দুত্ব^বাদী নরপিশাচরা। রাস্তা থেকে, ঘর থেকে তুলে নিয়ে আমাদের বোনদের দিনের পর দিন ধ*র্ষ*ণ করছে এই হিংস্র হায়েনারা। তথাকথিত "ভাগওয়া লাভ ট্র্যাপ" নামক যৌন স*ন্ত্রা°সী কার্যক্রম তাদের অপকর্মের আরেক কালো অধ্যায়। সময়ের সাথে সাথে এই ভূখণ্ড আমাদের মা-বোনদের জন্য জাহান্নামে পরিণত হচ্ছে। তারা যেন হিংস্র জানোয়ারের খাঁচায় বন্দী হয়ে পড়েছে। এদেশের আকাশ-বাতাস ভারী হয়ে উঠছে নির্যাতিত বোনের আর্তনাদে, কিন্তু মূলধারার মিডিয়া নীরব! এক অদৃশ্য শক্তি যেন এই নির্যাতনের খবর চাপা দিচ্ছে। ধ°র্ষ°করা চিহ্নিত হলেও, তাদের পেছনে থাকা অপশক্তি তাদের নিরাপদ পথ করে দিচ্ছে, যা তাদের এই ঘৃণ্য কাজে আরও উৎসাহ যোগাচ্ছে। প্রশাসন নিশ্চুপ, বিচারের কোনো আশা দেখা যাচ্ছে না। এই মাটিতে মুহাম্মদ বিন কাসিমের বোনেরা আজ নরপিশাচদের খাবারে পরিণত হচ্ছে। অথচ মুহাম্মদ বিন কাসিম এক বোনের আর্তনাদের ডাকে এই হি°ন্দু°স্তানে ছুটে এসেছিলেন। আব্বাসী খলিফা মু'তাসিম তাঁর এক বোনের ক্রন্দনরত ডাক (ওয়া মু'তাসিমা) শুনে রোমানদের হাত থেকে মুসলিম বোনকে উদ্ধারে ছুটে গিয়েছিলেন এবং পুরো আমুরিয়া নগরীটিই ধ্বংস করে ফেলেন! ১৯৯৪ সালের দিকে আ°ফ°গানি°স্তানে যখন কয়েকজন মুসলিম বোনের ইজ্জত হরণের উদ্দেশ্যে তাদের অপহরণ করা হয়, তখন তা°লে°বা°নের প্রতিষ্ঠাতা মোল্লা মুহাম্মদ উম°র রহিমাহুল্লাহ অপহরণকারীদের বিরুদ্ধে প্রতিশোধমূলক অভিযান পরিচালনা করেন এবং তাদের প্রকাশ্যে শাস্তি কার্যকর করেন। পরবর্তীতে মো°ল্লা মুহাম্মদ উ°মর রহিমাহুল্লাহ তাঁর সাথীদের নিয়ে নারীদের ইজ্জত হেফাজতের জন্য শরি°য়াহর আলোকে কার্যকর স্টেপ নেন- যাতে নারীরা নিরাপত্তা পেয়েছিলেন। কিন্তু আজ আমাদের ঈমান? আমাদের দায়িত্ববোধ? আমাদের বোনদের ডাক কি আমাদের হৃদয়ে পৌঁছাচ্ছে না? হে উম্মাহ! এই হি_ন্দুত্ব^বাদী শক্তির ছত্রছায়ায় পরিচালিত সে°ক্যুলার শাসনব্যবস্থা আমাদের বোনদের নিরাপত্তা দিবে না। এই ব্যবস্থায় আমাদের মা-বোন, আমাদের উত্তরসূরীদের জন্য কোনো নিরাপদ ভবিষ্যৎ নেই। হি°ন্দু কর্তৃক ছাড়াও মুসলিম বোনেরা ধ°র্ষি°ত হচ্ছে। এই সে°ক্যুলা°র শাসনব্যবস্থায় তাদের কোন নিরাপত্তা নেই, যেন তারা অবলা প্রাণীতে পরিণত হয়েছে। তাদের উপর হওয়া নির্যাতনের সুবিচার পাচ্ছে না। যার ফলে এই নরপিশাচ ধ°র্ষ^কেরা এই অপকর্ম করতে উৎসাহ পাচ্ছ! ধ*র্ষ^ক যেই হোক, একমাত্র শরি°য়াহ'র আলোকে শাস্তি হলেই এই অপরাধ হ্রাস পাবে। শুধুমাত্র ইসলামী শরি°য়াহর মধ্যেই নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে, সকল মানুষ তাদের ন্যায্য বিচার পাবে। এই সেক্যুলার সিস্টেম নারীদের শুধুমাত্র ভোগের বস্তুতে পরিণত করেছে, অথচ ইসলামী শরি°য়ায় নারীদের দেয়া হয়েছে সর্বোচ্চ সম্মান-মর্যাদা ও নিরাপত্তা। আমাদের নিজেদের হাতেই এই নিরাপত্তার দায়িত্ব তুলে নিতে হবে। হে মুসলিম যুবক! জেগে উঠুন! প্রস্তুতি নিন! দাও•য়াহ, ই'^দা°দ, আর জি^হা•দের পথে নিজেকে তৈরি করুন। প্রতিটি নির্যাতিত বোনের ইজ্জতের বদলা নেওয়ার শপথ নিন। নিজেকে সংশোধন করুন, তা°ও•হি•দের পতাকা তুলে ধরুন, আর নববী মান°হাজে আল্লাহর যমিনে ন্যায় ও ইনসাফের সমাজ গড়ার জন্য কুর^বানীর শপথ নিন। এই নির্যাতনের বিরুদ্ধে নীরব থাকা মানে আমাদের নিজেদের ঈমানের পরাজয়। আরেকটি দিন নীরব থাকা মানে আরেকটি বোনের ইজ্জত লুণ্ঠিত হওয়া। আমরা আর চুপ থাকব না। আমরা উঠে দাঁড়াব, লড়াই করব, আর আমাদের বোনদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করব ইনশাআল্লাহ। এই মাটি আমাদের, এই ভূখণ্ড ইসলামের—এখানে হি_ন্দুত্ব^বাদী স•ন্ত্রা•সের কোনো স্থান হবে না। হি_ন্দুত্ব^বাদী ও ইসলাম বিরোধী শক্তির বিরুদ্ধে জি•হা•দে তা•ও•হি•দের ভিত্তিতে ঐক্যবদ্ধ হোন। এ ভূখণ্ডে আল্লাহর বি•ধান প্রতিষ্ঠার লড়া•ইয়ে শামিল হোন। -মুহতারাম ইবরাহীম হাসান
видео или голосовое, без подписи
Word (941 KB)
এই মহান উম্মত কী গাজার ক্ষুধার্ত মানুষদের জন্য ঔষধ, খাদ্য এবং পানির ফোঁটা পৌঁছে দিতে পারে না!? উপমহাদেশ ও বিশ্বব্যাপী দ্বীনের বিজয়ের দিকে আহ্বানকারী নাওয়ায়ে গাজওয়াতুল হিন্দ ম্যাগাজিন
এই মহান উম্মত কী গাজার ক্ষুধার্ত মানুষদের জন্য ঔষধ, খাদ্য এবং পানির ফোঁটা পৌঁছে দিতে পারে না!?