পাঠশালা
Статистикаকুরআন ও সুন্নাহের আলোকে জীবন যাপনের প্রয়োজনীয় পাঠ শিখতে জয়েন করুন পাঠশালায়! পড়ুন, শিখুন, শেয়ার করুন।
- Последний пост
- 10 июл.
- Последнее чтение
- 13 авг.
- Постов за неделю
- 0
- Всего постов
- 20
- Тип
- открытый
- Язык
- bn
- В каталоге с
- 13 авг.
- 1/24сутки в ленте
- —
- 1/48двое суток
- —
- 1/72трое суток
- —
Оценка по просмотрам недавних постов: пост набирает почти всё за первые сутки.
Посты
“আল্লাহ মুমিনের শক্তি তার অন্তরে রেখেছেন, তার শরীরের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গে নয়। তুমি কি দেখ না—একজন দুর্বল বৃদ্ধ ব্যক্তি প্রচণ্ড গরমের দিনে রোজা রাখছেন এবং রাতে নামাজে দাঁড়িয়ে থাকছেন, অথচ একজন শক্তিশালী যুবক তা পারছে না!” — ইবনে ইজলান (রহ.) [সিফাতুস সাফওয়াহ, ৩/৩৪১]
📖 কুরআনের প্রতিটি অক্ষর—আপনার জন্য অফুরন্ত নেকির ভাণ্ডার আমরা অনেক সময় ভাবি, “আজ কুরআন পড়ার সময় হলো না”, “একটু পরে পড়ব”, কিংবা “এত অল্প পড়লে কী-ই বা হবে!” অথচ রাসূলুল্লাহ ﷺ আমাদের এমন এক সুসংবাদ দিয়েছেন, যা একজন মুমিনের হৃদয়কে কুরআনের দিকে ছুটে যেতে বাধ্য করে। প্রিয়নবী মুহাম্মদ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “যে ব্যক্তি আল্লাহর কিতাব থেকে একটি অক্ষর তিলাওয়াত করে, তার জন্য একটি নেকি লেখা হয়। আর প্রতিটি নেকি দশ গুণ বৃদ্ধি করা হয়। আমি বলি না যে ‘আলিফ-লাম-মীম’ একটি অক্ষর; বরং আলিফ একটি অক্ষর, লাম একটি অক্ষর এবং মীম একটি অক্ষর।” — সুনানে আত-তিরমিজি, হাদিস: ২৯১০। এই হাদিসের আলোকে আলেমগণ হিসাব করে আনুমানিকভাবে বলেন, কুরআনের একটি পৃষ্ঠা তিলাওয়াত করলে প্রায় ৫,০০০, একটি পারা পড়লে প্রায় ১,০০,০০০, আর পুরো কুরআন একবার খতম করলে প্রায় ৩০,০০,০০০ নেকি অর্জনের সুযোগ হতে পারে। এটি কোনো নির্দিষ্ট ও চূড়ান্ত সংখ্যা নয়; বরং হাদিসে বর্ণিত প্রতিটি অক্ষরে ১০ নেকি—এই মূলনীতির ভিত্তিতে একটি আনুমানিক হিসাব। ভাবুন তো, দিনে যদি মাত্র ১০–১৫ মিনিট সময় বের করে কয়েক পৃষ্ঠা কুরআন পড়ি, তাহলে আল্লাহর পক্ষ থেকে কত বিশাল প্রতিদান আমাদের জন্য অপেক্ষা করছে! অথচ আমরা অনেক সময় মোবাইল স্ক্রিনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা কাটিয়ে দিই, কিন্তু কুরআনের জন্য কয়েক মিনিটও বের করতে পারি না। কুরআন শুধু নেকি অর্জনের মাধ্যম নয়; এটি হৃদয়ের প্রশান্তি, ঈমানের শক্তি, জীবনের দিশা এবং আখিরাতের সফলতার পথপ্রদর্শক। যে ঘরে কুরআনের তিলাওয়াত হয়, সে ঘরে বরকত নাযিল হয়। যে হৃদয় কুরআনের সঙ্গে যুক্ত থাকে, সে হৃদয় আল্লাহর স্মরণে জীবন্ত থাকে। চলুন, আজ থেকেই একটি ছোট্ট লক্ষ্য ঠিক করি— ✅ প্রতিদিন অন্তত এক পৃষ্ঠা কুরআন তিলাওয়াত করব। ✅ তিলাওয়াতের পাশাপাশি অর্থ ও তাদাব্বুর (গভীর চিন্তা) করার চেষ্টা করব। ✅ পরিবারকেও কুরআনের সঙ্গে সম্পৃক্ত হতে উৎসাহিত করব। হয়তো এই ছোট্ট আমলই কিয়ামতের দিন আমাদের নাজাতের কারণ হয়ে যাবে। সুবহান আল্লাহ। কুরআনের প্রতিটি অক্ষর উচ্চারণের সঙ্গে সঙ্গে আল্লাহ আপনার আমলনামায় নেকি লিখে দেন। তাই আজই কুরআনের সঙ্গে নতুন করে সম্পর্ক গড়ে তুলুন। আল্লাহ আমাদের সবাইকে নিয়মিত কুরআন তিলাওয়াত, বুঝে পড়া এবং তার ওপর আমল করার তাওফিক দান করুন। আমীন।
без подписи
без подписи
без подписи
আলহামদুলিল্লাহ আলহামদুলিল্লাহ আলহামদুলিল্লাহ...
без подписи
без подписи
বিশেষ ২ ঘণ্টার দোয়া ================= জিলহজ্জ মাসের এই সপ্তাহে এমন একটি বিশেষ সময় আসে যার ব্যপ্তি মাত্র ২ ঘণ্টা! যখন আল্লাহর কাছে করা দোয়া বিশেষভাবে কবুল হওয়ার আশা করা হয়। কিন্তু অনেক মানুষ ছোট ছোট চাওয়ায় সেই মূল্যবান সময় নষ্ট করে ফেলে। আরাফার দিন আসর থেকে মাগরিব পর্যন্ত সময়কে অনেক আলেম দোয়ার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সময় হিসেবে উল্লেখ করেছেন। ১. দোয়ার গুরুত্ব : রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “সর্বোত্তম দোয়া হলো আরাফার দিনের দোয়া।” — তিরমিজি, হাদিস: ৩৫৮৫। ২. শুধু “ভালো কিছু” নয় নির্দিষ্টভাবে চাইতে হবে : চাকরি চাইলে শুধু “একটা ভালো চাকরি” চাইবেন না বরং নির্দিষ্টভাবে বলুন - ✅কোন ধরনের কাজ ✅কত বেতন ✅কোন শহর ✅কেমন পরিবেশ এমন চাকরি যা আপনার পরিবার ও ভবিষ্যৎ বদলে দিতে পারে। জীবনসঙ্গী চাইলে ✅নির্দিষ্ট মানুষের জন্য দোয়া করুন, আল্লাহর কাছে চান ✅তার দ্বীনদারিতা ✅চরিত্র ✅আখলাক ✅আপনি তার প্রতি ও সে আপনার প্রতি কেমন আকর্ষণ থাকবে ✅সংসার কেমন হবে বিস্তারিত সব কিছুই A টু Z আল্লাহর কাছে চাইতে পারেন। কারণ আল্লাহর কাছে আপনার অগণিত চাওয়াও “বেশি” নয়। কারণ তাঁর ভান্ডার নেয়ামতে পরিপূর্ণ, তা কখনো শেষ হবার নয়। শিফা (আরোগ্য) চাইলে শুধু “সহজতা” নয় সম্পূর্ণ সুস্থতা চান। এমনভাবে দোয়া করো যেন: ✅রিপোর্ট সম্পূর্ণ ভালো আসে ✅রোগ একেবারে দূর হয়ে যায় ✅শরীর নতুনভাবে শক্তি ফিরে পায় আল্লাহই প্রতিটি কোষের স্রষ্টা; তিনি চাইলে মুহূর্তেই শিফা দিতে পারেন। বাবা-মায়ের নাজাত চাইলে ✅তাদের জন্য জান্নাত চান বিশেষভাবে জান্নাতুল ফিরদাউস। ✅উচ্চ মর্যাদা ✅বার্ধ্যেকের অনিষ্ট থেকে পানাহ ✅নবী এর প্রতিবেশী হওয়ার সৌভাগ্য রাসূল বলেছেন: “তোমরা যখন আল্লাহর কাছে জান্নাত চাইবে, তখন ফিরদাউস চাইবে।” — সহিহ বুখারি, হাদিস: ২৭৯০। ৩. দোয়া করার সুন্নাহ পদ্ধতি : ধাপ ১: আল্লাহর প্রশংসা ও দরুদ পাঠ করে দোয়া শুরু করুন। “আলহামদুলিল্লাহ”, “সুবহানাল্লাহ”, "আল্লাহু আকবর", " লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম" পাঠ করার পর দোয়া করুন। রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: "আল্লাহর প্রশংসা ও নবীর উপর দরুদ ছাড়া দোয়া অসম্পূর্ণ থাকে।" — আবু দাউদ, হাদিস: ১৪৮১ (অর্থভিত্তিক)। ধাপ ২: আল্লাহর বিভিন্ন গুনবাচক নাম ধরে তাঁর কাছে দোয়া করুন। প্রয়োজন অনুযায়ী আল্লাহর সুন্দর নাম ব্যবহার করুন। যেমন - ✅রিজিকের জন্য: ইয়া রাজ্জাক ✅দয়ার জন্য: ইয়া ফাত্তাহ ✅শিফার জন্য: ইয়া শাফি ✅ক্ষমার জন্য: ইয়া গফুর ✅রহমতের জন্য: ইয়া রহমান ✅ধন সম্পদের জন্য: ইয়া মালিক মহান আল্লাহ বলেন: “আল্লাহর জন্যই রয়েছে সুন্দরতম নামসমূহ; সুতরাং তোমরা তাঁকে সেই নামগুলো দ্বারা ডাকো।” — সূরা আল-আ‘রাফ ৭:১৮০। ধাপ ৩: বিস্তারিতভাবে চাইতে থাকুন। নিজের ভাষায়, মন খুলে দোয়া করুন। আপনার প্রয়োজন সংক্ষিপ্ত না করে পরিষ্কারভাবে বলুন। একটা শিশু যেমন তার মায়ের কাছে কান্না করে চাইলে তার মা তাকে কোন কিছু না দিয়ে থাকেন না তেমনিভাবে আপনার রবের কাছে চাওয়ার অভ্যাস করুন, সব কিছু তাঁর কাছ থেকে চেয়ে নিন। একটা হাদিসে আছে সাহাবীরা লবন না থাকলেও আল্লাহর কাছে চাইতেন! আল্লাহ সব জানেন, তবুও তিনি বান্দার মুখ থেকে শুনতে ভালোবাসেন। আর দোয়া না করলে বা তাঁর কাছে না চাইলে তিনি রাগান্বিত হন। ধাপ ৪: চোখের পানি দোয়ার আন্তরিকতার বড় নিদর্শন।কান্না এলে কেঁদে ফেলুন। কারণ আপনার চোখের পানি আল্লাহ পছন্দ করেন। রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “যে ব্যক্তি আল্লাহর ভয়ে কাঁদে, সে জাহান্নামে প্রবেশ করবে না।” — তিরমিজি, হাদিস: ১৬৩৩। ৪. গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা : আমাদের অনেককে শেখানো হয়েছে “যৌক্তিকভাবে” চাইতে। কিন্তু আল্লাহর রহমতের সামনে কোনো সীমা নেই। মন খুলে চাইব, সারাদিন মনে মনে, বিড়বিড় করে, নামাজের মাধ্যমে কিংবা চলতি পথে দোয়া চলতেই থাকবে। “যখন তোমাদের কেউ দোয়া করে, সে যেন বড় কিছু চায়; কারণ আল্লাহর কাছে কোনো কিছুই বড় নয়।” — অর্থভিত্তিক হাদিস, সহিহ মুসলিমের বর্ণনাসমূহের আলোকে। তাই এই বিশেষ সময়টুকু শুধু ছোট ছোট দুনিয়াবি চাওয়ায় সীমাবদ্ধ রাখবেন না। আল্লাহর কাছে ✅দুনিয়ার কল্যাণ ✅আখিরাতের সফলতা ✅ক্ষমা ✅হেদায়েত ✅পরিবার ✅রিজিক ✅শিফা ✅জান্নাত ✅জাহান্নাম থেকে মুক্তি যা যা আপনার প্রয়োজন সবকিছুই চান, মন খুলে। কারণ আল্লাহর ভাণ্ডারে কোনো কমতি নেই। মহান আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা আমাদেরকে বেশি বেশি তাঁর সান্নিধ্য পাওয়ার চেষ্টায় রত থাকার তাওফিক দান করুন। আমিন ইয়া রব।
без подписи
без подписи
আত্তাহিয়্যাতু লিল্লাহি….. দিনে কমপক্ষে দশবার যে তাশাহহুদ আমরা পড়ি তার অর্থটি নিয়ে একটু চিন্তা করেছি কী?! সালাতের তাশাহহুদ নিয়ে গভীরভাবে চিন্তা করলে বুঝতে পারবে, যখন তুমি তাশাহহুদ ও সালাত ইবরাহীমিয়া পড়ার জন্য বসবে, আমি আশা করি তোমার মন সম্পূর্ণভাবে উপস্থিত থাকবে এবং তুমি যা বলছো তা গভীরভাবে চিন্তা করবে। “আত-তাহিয়্যাতু লিল্লাহ…” — অর্থাৎ সকল অভিবাদন আল্লাহর জন্য। তুমি তখন রাজাধিরাজের সামনে উপস্থিত এবং তুমি সরাসরি তাঁকে অভিবাদন জানাচ্ছো—কোনো বাধা ছাড়াই। তিনি আরশের উপরে থেকেও তোমার সামনে, এই মুহূর্তে যেন তুমি আল্লাহর সান্নিধ্যে বসে তাঁকে সালাম দিচ্ছো। একবার কল্পনা করো, তখন তোমার অভিবাদন কেমন হওয়া উচিত! অবশ্যই তা এমন হওয়া উচিত, যাঁর সামনে বসে আছো তাঁর মর্যাদার উপযোগী। “ওয়াস-সালাওয়াতু ওয়াত-তাইয়্যিবাত…” — হে আল্লাহ! সব সালাত বা বিনয়সমৃদ্ধ ইবাদত ও সব পবিত্র কাজ শুধু তোমার সম্মানিত সন্তুষ্টির জন্যই; তোমার রব হওয়ার স্বীকৃতি হিসেবে। “আস-সালামু ‘আলাইকা আইয়্যুহান-নাবিয়্যু ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।” আল্লাহকে অভিবাদন জানানোর পর তুমি নবীর দিকে সালাম দিচ্ছো। এই ছোট্ট বসার মধ্যে তুমি যেন রব্বুল ‘আলামীন এবং তাঁর রাসূল মুহাম্মাদ ﷺ-এর সাথে কথা বলছো— একবার এই দৃশ্যটি কল্পনা করো, এই মজলিসটিকে অন্তত কয়েক মুহূর্তের জন্য অনুভব করো। “আস-সালামু ‘আলাইনা ওয়া ‘আলা ‘ইবাদিল্লাহিস-সালিহীন…” তুমি নিজের ওপর শান্তি বর্ষণের দোয়া করছো। সুতরাং তোমরা নিজেদেরকে উত্তম সালাম দিয়ে অভিবাদন করো—কারণ তুমি নিজেকেও এই নূরের পরিসরের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করেছো এবং রাজাধিরাজ ও তাঁর রাসূলের উপস্থিতিতে নিজেকেও সালাম দিয়েছো। এরপর তুমি আল্লাহর সৎ বান্দাদের ওপরও সালাম পাঠাও— এভাবে তুমি তাদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে গেলে এবং তাদের সঙ্গীদের মধ্যেও অন্তর্ভুক্ত হলে। 🖋️ Professor Dr. Abubakar Muhammad Zakaria.
без подписи
без подписи
সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম
বিশ্বাস করুন, আপনি যদি সত্যিই আল্লাহর হয়ে পড়েন, তবে শতভাগ গ্যারান্টি সহকারে বলছি তিনি আপনার হয়ে যাবেন ইনশা'আল্লাহ।
হযরত শাহ ইসমাঈল শহীদ (রহ.) দিল্লির জামে মসজিদে হাজারো লোকের সামনে ওয়াজ করে নেমে আসার পর এক গ্রাম্য লোক এসে জিজ্ঞেস করলেন, “মৌলভী ইসমাঈলের ওয়াজ শেষ হয়ে গেছে?” . তিনি নিজের পরিচয় দিয়ে বললেন, “বসুন, আমি আপনাকে পুর্ণ ওয়াজ শোনাচ্ছি।” তারপর সিঁড়িতে বসে সেই দীর্ঘ বয়ান একজনের জন্য আবার বললেন। . বললেন, “আগেও একজনের জন্য বলেছি, এখনও একজনের জন্য বলছি।” ওই ‘একজন’ হলেন আল্লাহ! . দ্বীনের দাওয়াত এমনই হওয়া উচিত, 'ঐ একজন যিনি দেখছেন সকলকে, যিনি হেদায়েতের মালিক, উনার জন্যই এত মেহনত। ওয়াজ করে টাকা কামানো আমাদের উদ্দেশ্য নয়; বরং মানুষের জীবনের দ্বীন ইসলামের বাতি আবারো প্রজ্জ্বলিত হয়ে উঠুক, এই চেষ্টায়!' . #ইসলাম #ইসলামেরকথা #ইসলামেরবার্তা #বাস্তবতা #ইসলামেরআলো #হেদায়েত #দাওয়াহ #ওয়াজ #মাহফিল
“ সাবধান! কখনো নির্বোধ লোকের উপর আস্থা রাখবে না। কারণ, তারা উপকার করতে গিয়ে উল্টো ক্ষতি করে ফেলবে। ” . | হযরত আলি (রদ্বিয়াল্লাহু আনহ) | কানযুল উম্মাল, ১৬/২৬০, ক্রমিক নং ৪৪৩৮৮ . #সাহাবাদের_উক্তি, #সাহাবা, #বাস্তবতা, #আলি_রাদিয়াল্লাহু, #মাওয়ায়েজে_সাহাবা, #কানযুল_উম্মাল, #সত্যকথন, #হাদিস , #বাণী , #উক্তি
ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম (রহিমাহুল্লাহ) এর মতে, ইলম অর্জন ও চর্চার ছয়টি স্তর। . প্রথম স্তর: কৌতুহল ও প্রশ্ন করা জ্ঞান চর্চার প্রবেশদ্বার হলো কৌতুহল ও প্রশ্ন। বলা হয়, ভালো প্রশ্ন করা জ্ঞানের অর্ধেক। প্রশ্ন করার মাধ্যমে মানুষ তার অজানা বিষয় সম্পর্কে জানতে পারে এবং মনের কৌতুহল মেটাতে পারে। . দ্বিতীয় স্তর: মনযোগ সহকারে শোনা এবং পাঠ করা জ্ঞানের দ্বিতীয় সোপান হলো উস্তাদের কথা বা জ্ঞানের উৎস থেকে যা বলা হচ্ছে, তা পূর্ণ মনোযোগ ও নীরবতার সঙ্গে শ্রবণ করা এবং তা বারং বার পাঠ করা। . তৃতীয় স্তর: ভালোভাবে বোঝা শ্রবণের পর তৃতীয় এবং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ স্তর হলো জ্ঞানকে ভালোভাবে বোঝা। কেবল শোনা বা পড়া যথেষ্ট নয়, বরং এর গভীরে গিয়ে মর্মার্থ অনুধাবন করা জরুরি। . চতুর্থ স্তর: আত্মস্থ করা উত্তমরূপে বোঝার পর অর্জিত জ্ঞানকে স্মৃতিতে ধারণ করা বা আত্মস্থ করা হলো চতুর্থ স্তর। আত্মস্থ করা জ্ঞানকে সংরক্ষণ করে এবং প্রয়োজনের সময় তা ব্যবহার করার সুযোগ করে দেয়। . পঞ্চম স্তর: জ্ঞান অন্যকে জানানো জ্ঞানার্জনের পঞ্চম স্তর হলো সেই জ্ঞান অন্যের কাছে পৌঁছে দেওয়া। সেটা হতে পারে শিক্ষা দেওয়া, কথা বলা বা লেখার মাধ্যমে। জ্ঞান বিতরণের মাধ্যমে বৃদ্ধি পায় এবং স্থায়ী হয়। . ষষ্ঠ স্তর: জ্ঞান অনুযায়ী আমল করা এটি হলো জ্ঞানার্জনের সর্বশেষ এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ স্তর, যা জ্ঞানের চূড়ান্ত ফল ও পরিণতি। কর্মবিহীন জ্ঞান অর্থহীন এবং তা কিয়ামতের দিন ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রমাণ হিসেবে দাঁড়াবে। জ্ঞান তখনই উপকারী হয়, যখন তা ব্যক্তির চরিত্র, আচরণ ও কর্মে প্রতিফলিত হয়। আমলই হলো জ্ঞানের প্রাণ। আমলের মাধ্যমেই জ্ঞান পূর্ণতা পায় এবং সমাজে তার ইতিবাচক প্রভাব পড়ে। . সূত্র: মিফতাহু দারিস সাআদাহ, পৃ. ৪৮২-৪৮৩ .
без подписи