The Quran Verse
Статистика- Последний пост
- 9 авг.
- Последнее чтение
- 14 авг.
- Постов за неделю
- 0
- Всего постов
- 20
- Тип
- открытый
- Язык
- bn
- Категория
- Новости и СМИ (по похожим)
- В каталоге с
- 13 авг.
- 1/24сутки в ленте
- 354
- 1/48двое суток
- 405
- 1/72трое суток
- 437
Оценка по просмотрам недавних постов: пост набирает почти всё за первые сутки.
Посты
#একটুখানি_তাদাব্বুর কখনো কখনো মানুষের সবচেয়ে বড় শত্রু বাইরের কেউ নয় বরং সে নিজেই! আমরা অনেক সময় এমন কিছু সিদ্ধান্ত নিই, এমন কিছু অভ্যাস গড়ে তুলি, এমন কিছু পথে হাঁটি যার ক্ষতি তখন বুঝতে পারি না। কিন্তু ধীরে ধীরে সেই সিদ্ধান্তগুলোই আমাদের ঈমান, চরিত্র, সম্পর্ক, শরীর, সময় কিংবা ভবিষ্যৎকে ধ্বংস করতে শুরু করে। এই আয়াত যেন সেই মুহূর্তে আমাদের থামিয়ে দিয়ে বলে— “নিজের হাতেই নিজেকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিও না।” আয়াতটির গভীর প্রেক্ষাপট : এই আয়াতটি মূলত আল্লাহর পথে ব্যয় করার নির্দেশনার প্রসঙ্গে এসেছে। এর আগের অংশে আল্লাহ বলেন— “আল্লাহর পথে ব্যয় করো এবং নিজেদের হাতে নিজেদের ধ্বংসের মধ্যে নিক্ষেপ করো না।” অর্থাৎ, আল্লাহর পথে ব্যয় করা থেকে বিরত থেকে এমন অবস্থায় পৌঁছানোও আত্মধ্বংসের একটি রূপ। তাফসিরের আলোচনায় আয়াতটির প্রাথমিক প্রেক্ষাপটের পাশাপাশি এর মধ্যে এমন একটি বিস্তৃত শিক্ষা রয়েছে যা মূলত: বলতে চায় মানুষ যেন নিজের জন্য ধ্বংসের কারণ তৈরি না করে। আমরা কীভাবে নিজেদের ধ্বংস করি?! সব ধ্বংস একদিনে আসে না। কখনো একটি ছোট গুনাহ দিয়ে শুরু হয়। 🔥“এটা তো সামান্য।” একটি নামাজ ছুটে যায়— 🔥“কাল থেকে ঠিক হয়ে যাব।” কুরআন থেকে দূরত্ব বাড়ে— 🔥“সময় পেলেই পড়ব।” হারাম কোনো সম্পর্ককে বৈধ মনে হতে শুরু করে— 🔥“আমরা তো শুধু কথা বলি।” অতিরিক্ত মোবাইল, অশ্লীলতা, অহংকার, হিংসা, সুদ, মিথ্যা, গীবত কিংবা মানুষের হক নষ্ট করা প্রভৃতি। প্রথমে এগুলো ছোট মনে হতে পারে। কিন্তু ছোট ছোট ফোঁটাতেই তো একটি পাত্র পূর্ণ হয়। সবচেয়ে ভয়ংকর আত্মধ্বংস হলো মানুষ যখন গুনাহ করে এবং তার ভেতরে আর অপরাধবোধ জাগে না—তখন বিপদ আরও গভীর। ✅যে চোখ একসময় হারাম দেখে লজ্জা পেত, সেটি যখন অভ্যস্ত হয়ে যায়; ✅যে হৃদয় একসময় গুনাহের পর কাঁদত, সেটি যখন আর কাঁদে না; ✅যে মানুষ একসময় আল্লাহর কাছে ফিরে আসত, সে যখন নিজের ভুলকে স্বাভাবিক মনে করতে শুরু করে তখন ধ্বংস বাইরে থেকে আসে না। ধ্বংস ধীরে ধীরে ভেতর থেকে শুরু হয়। আয়াতটি তাই একটি প্রশ্নও ছুড়ে দেয়— >> আমি কি এমন কোনো অভ্যাস লালন করছি, যা একদিন আমারই বিরুদ্ধে দাঁড়াবে? >> আমি কি এমন কিছু দেখছি, যা আমার হৃদয়কে অন্ধকার করছে? >> আমি কি এমন কিছু উপার্জন করছি, যা আমার রিযিককে হারাম করে দিচ্ছে? >> আমি কি এমন সম্পর্ক ধরে রেখেছি, যা আমাকে আল্লাহ থেকে দূরে সরিয়ে দিচ্ছে? >> আমি কি এমন সময় নষ্ট করছি, যা আর কখনো ফিরে আসবে না? >> আমি কি নিজের শরীর, মন, ঈমান ও আখিরাতের প্রতি অবিচার করছি? আশার বাণী : তবে আয়াতটি শুধু সতর্ক করে না; পথও দেখায়। আয়াতের শুরুতে মহান আল্লাহ বলেন— “আল্লাহর পথে ব্যয় করো...” অর্থাৎ আত্মধ্বংস থেকে বাঁচার একটি পথ হলো আল্লাহর পথে নিজেকে ব্যয় করা। 🏷️ নিজের সময়কে কুরআনের জন্য ব্যয় করা। 🏷️ নিজের অর্থকে মানুষের কল্যাণে ব্যয় করা। 🏷️ নিজের জ্ঞানকে অন্যের উপকারে ব্যয় করা। 🏷️ নিজের শক্তিকে সৎ কাজে ব্যয় করা। 🏷️ নিজের যৌবনকে আল্লাহর আনুগত্যে ব্যয় করা। কারণ আশ্চর্যের বিষয় হলো যে জীবন আল্লাহর জন্য ব্যয় করা হয়, সেটিই প্রকৃত অর্থে স্বার্থকতা পায়। 💭একটু থামুন... হয়তো আমরা ভাবছি, “আমার জীবন তো এখনো অনেক বাকি।” কিন্তু আমরা জানি না ঠিক কতটা বাকি। হয়তো যে গুনাহটাকে আজ ছোট মনে করছি, সেটিই কাল আমাদের হৃদয়কে কঠিন করে দেবে। হয়তো যে নামাজটাকে আজ অবহেলা করছি, সেটিই আমাদের জীবনের শেষ সুযোগ হতে পারত।হয়তো যে তাওবাটা আজ পিছিয়ে দিচ্ছি, তার জন্য আগামীকাল আর আসবে না। তাই আজই নিজেকে থামানো দরকার। নিজের হাতেই নিজের ধ্বংসের কারণ তৈরি করব না। গুনাহ থেকে ফিরে আসব। অন্যায় থেকে সরে দাঁড়াব। আল্লাহর পথে ব্যয় করব। নিজের সময়কে মূল্য দেব। নিজের অন্তরকে পাহারা দেব। আর ভুল হয়ে গেলে হতাশ না হয়ে অবশ্যই সাথে সাথে রবের দিকে ফিরে যাব ইস্তিগফারের মাধ্যমে। কারণ যে রব আমাদের সতর্ক করছেন, তিনিই আমাদের ফিরে আসার দরজাও খুলে রেখেছেন। প্রার্থনা : হে আল্লাহ! আমাদের এমন কাজ, অভ্যাস ও সিদ্ধান্ত থেকে রক্ষা করুন, যা আমাদের দুনিয়া ও আখিরাতের ধ্বংসের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। আমাদের সময়, যৌবন, সম্পদ, শক্তি ও সামর্থ্য আপনার সন্তুষ্টির পথে ব্যয় করার তাওফীক দিন। আমাদের গুনাহের প্রতি ঘৃণা এবং তাওবার প্রতি ভালোবাসা দান করুন। আমীন।
видео или голосовое, без подписи
видео или голосовое, без подписи
видео или голосовое, без подписи
видео или голосовое, без подписи
видео или голосовое, без подписи
видео или голосовое, без подписи
видео или голосовое, без подписи
To know yor 'deen' is obligatory.
видео или голосовое, без подписи
видео или голосовое, без подписи
видео или голосовое, без подписи
#একটুখানি_তাদাব্বুর সূরা আল-ফুরকান, আয়াত ৬৩ তে মহান আল্লাহ আমাদেরকে জানাচ্ছেন - "আর রহমানের বান্দা তারাই, যারা পৃথিবীতে নম্রভাবে চলাফেরা করে। আর যখন মূর্খরা তাদের সম্বোধন করে, তখন তারা বলে, ‘সালাম’।" — সূরা আল-ফুরকান: ৬৩। একজন মানুষের প্রকৃত পরিচয় তার জ্ঞান, সম্পদ বা পদমর্যাদায় নয়; বরং সে রাগের মুহূর্তে কীভাবে আচরণ করে, তা দিয়েই তার চরিত্রের গভীরতা বোঝা যায়। এই আয়াতে আল্লাহ তাঁর প্রিয় বান্দাদের প্রথম যে পরিচয় দিয়েছেন, তা হলো নম্রতা। তারা অহংকারের ভার নিয়ে পৃথিবীতে হাঁটে না। তাদের পদচারণায় বিনয়, কথায় সৌজন্য এবং আচরণে দয়া প্রকাশ পায়। এরপর আল্লাহ এমন একটি বাস্তব পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করেছেন, যা আমাদের প্রায় প্রতিদিনই ঘটে। কেউ অপমান করল। কেউ তুচ্ছ করল। কেউ কটু কথা বলল। কেউ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিদ্রূপ করল। এমন মুহূর্তে সাধারণ মানুষ প্রতিশোধ নিতে চায়। একটি কটু কথার জবাবে আরেকটি কটু কথা বলতে চায়। কিন্তু রহমানের বান্দারা ভিন্ন। তারা জানে, প্রতিটি বিতর্কে জেতাই বিজয় নয়; অনেক সময় নীরবতা এবং সুন্দর আচরণই সবচেয়ে বড় বিজয়। তাই তারা বলে—"সালাম।" এটি শুধু একটি সম্ভাষণ নয়; এটি একটি চরিত্রের ঘোষণা। এর অর্থ—"আমি তোমার অজ্ঞতার জবাবে অজ্ঞতা বেছে নেব না। আমি এমন পথে হাঁটব, যে পথে আল্লাহ সন্তুষ্ট হন।" আজ আমাদের পরিবার ভাঙছে, বন্ধুত্ব নষ্ট হচ্ছে, সম্পর্ক ছিন্ন হচ্ছে কেবল কিছু কঠিন কথার কারণে। অথচ একটি নরম বাক্য, একটি শান্ত উত্তর, কিংবা একটি নীরব প্রস্থান অনেক বড় ফিতনা থামিয়ে দিতে পারে। এ আয়াত আমাদের দুর্বল হতে শেখায় না; বরং নিজের রাগকে নিয়ন্ত্রণ করার শক্তি অর্জন করতে শেখায়। কারণ নিজের নফসকে পরাজিত করা অন্যকে পরাজিত করার চেয়েও কঠিন। তাই নিজেকে প্রশ্ন করুন— শেষবার কেউ আমাকে কষ্ট দিলে আমি কী করেছিলাম? আমি কি প্রতিশোধ নিয়েছি, নাকি আল্লাহর প্রিয় বান্দাদের মতো মর্যাদা রক্ষা করেছি? মনে রাখবেন, মানুষের চোখে বড় হওয়া সহজ; কিন্তু আল্লাহর কাছে "রহমানের বান্দা" হিসেবে পরিচিত হওয়াই প্রকৃত সম্মান। এজন্য সর্বদা চেষ্টা থাকা উচিত এমন মানুষ হওয়ার যাদের প্রতিটি পদক্ষেপে বিনয়, কথায় সৌজন্য, হৃদয়ে ক্ষমা, এবং প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও মুখে থাকে— "সালাম।" হে আল্লাহ! আমাদেরকে আপনার সেই বান্দাদের অন্তর্ভুক্ত করুন, যারা বিনয়ের সঙ্গে চলাফেরা করে, রাগকে সংযত রাখে এবং অজ্ঞতার জবাবে উত্তম আচরণ করে। আমীন।
видео или голосовое, без подписи
видео или голосовое, без подписи
#একটুখানি_তাদাব্বুর "হে মানুষ! কিসে তোমাকে তোমার মহান রব সম্পর্কে ধোঁকায় ফেলেছে?" — সূরা আল-ইনফিতার: ৬। কুরআনের সবচেয়ে নাড়া দেওয়া প্রশ্নগুলোর একটি এটি। লক্ষ্য করুন, আল্লাহ এখানে বলেননি— "তুমি কেন অবাধ্য হলে?" কিংবা "কেন গুনাহ করলে?" বরং তিনি এমন একটি প্রশ্ন করেছেন, যা মানুষের বিবেককে জাগিয়ে তোলে— "কিসে তোমাকে ধোঁকায় ফেলেছে?" এই প্রশ্নের ভেতরে যেন এক অসীম মমতা লুকিয়ে আছে। যেন একজন দয়ালু রব তাঁর পথভ্রষ্ট বান্দাকে জিজ্ঞেস করছেন, "কী এমন হলো যে তুমি আমার থেকে দূরে সরে গেলে?" তাদাব্বুর : মানুষ সাধারণত আল্লাহকে অস্বীকার করে না; বরং ধীরে ধীরে তাঁর ব্যাপারে উদাসীন হয়ে যায়। ✅একটি নামাজ বাদ পড়ে। তারপর আরেকটি। ✅একটি গুনাহকে ছোট মনে হয়। তারপর সেটিই অভ্যাসে পরিণত হয়। ✅একদিন কুরআন না পড়লেও কিছু হয় না। এরপর মাস কেটে যায়। এভাবেই শয়তান মানুষকে এক লাফে নয়, ধাপে ধাপে ধোঁকায় ফেলে। তবে সবচেয়ে বড় ধোঁকা কী? সবচেয়ে বড় ধোঁকা হলো— "আল্লাহ তো ক্ষমাশীল, পরে তাওবা করে নেব।" হ্যাঁ, আল্লাহ অবশ্যই পরম ক্ষমাশীল। কিন্তু কে নিশ্চয়তা দিয়েছে যে আমরা তাওবার আগ পর্যন্ত বেঁচে থাকব? আরেকটি ধোঁকা হলো— "আমি তো খারাপ মানুষ নই।" কিন্তু প্রশ্ন হলো, আমি কি আল্লাহর হক আদায় করছি? ভালো মানুষ হওয়া যথেষ্ট নয়; আল্লাহর অনুগত বান্দা হওয়াই প্রকৃত সফলতা। এই আয়াতের গভীর সৌন্দর্য : আল্লাহ নিজের পরিচয় দিয়েছেন "রব্বিকাল কারীম"— "তোমার মহান, দয়ালু রব" হিসেবে। তিনি চাইলে বলতে পারতেন— "প্রতাপশালী রব" বা "শাস্তিদাতা রব"। কিন্তু তিনি বলেছেন— কারীম। কেন? কারণ অনেক সময় মানুষ আল্লাহর দয়াকেই ভুলভাবে ব্যবহার করে। আল্লাহ বারবার সুযোগ দেন, গুনাহ ঢেকে রাখেন, রিযিক দেন, সুস্থতা দেন— আর মানুষ ভাবে, "আমার কিছুই হবে না।" অথচ আল্লাহর দয়া গুনাহে সাহসী হওয়ার জন্য নয়; বরং তাঁর দিকে ফিরে আসার জন্য। নিজের হৃদয়কে প্রশ্ন করুন : ✅কতদিন হলো আমি কুরআনের সামনে বসিনি? ✅আমার শেষ অশ্রুসিক্ত সিজদা কবে ছিল? ✅দুনিয়ার ব্যস্ততা কি আমাকে আমার রব থেকে দূরে সরিয়ে দিয়েছে? ✅আমি কি আল্লাহর নিয়ামত ভোগ করছি, কিন্তু তাঁর আনুগত্যে অবহেলা করছি? এই আয়াত অন্য কাউকে প্রশ্ন করছে না বরং আমাকেই করছে! "হে মানুষ! কিসে তোমাকে তোমার মহান রব সম্পর্কে ধোঁকায় ফেলেছে?" হয়তো ধোঁকাটা আমার সম্পদ। হয়তো আমার ক্যারিয়ার। হয়তো মোবাইলের পর্দা। হয়তো অহংকার। হয়তো দীর্ঘ আশা। হয়তো এই ধারণা— "এখনো অনেক সময় আছে।" কিন্তু বাস্তবতা হলো, প্রতিটি সূর্যাস্ত আমাদের জীবনের একটি দিন কমিয়ে দেয়। মৃত্যু আমাদের বয়স দেখে আসে না; আসে আল্লাহর নির্ধারিত সময়ে। আজ যদি এই আয়াত আমাদের হৃদয়কে নাড়া দেয়, তবে সেটিই আল্লাহর বিশেষ অনুগ্রহ। কারণ হৃদয় যতক্ষণ জীবিত, ততক্ষণ ফিরে আসার দরজা খোলা। তাই আল্লাহর কাছে কায়মনোবাক্যে প্রার্থনা করা উচিত। "হে আল্লাহ! আমাদেরকে দুনিয়ার মিথ্যা ধোঁকা থেকে রক্ষা করুন। আপনার অসীম দয়াকে যেন কখনো গুনাহে লিপ্ত থাকার অজুহাত না বানাই। আমাদের অন্তরকে আপনার দিকে ফিরিয়ে দিন, মৃত্যুর পূর্বেই সত্যিকার তাওবার তাওফীক দান করুন এবং আপনার আনুগত্যের ওপর অবিচল রাখুন।" আমীন ইয়া রব্বাল আলা'মিন।
видео или голосовое, без подписи
видео или голосовое, без подписи
📖 কুরআনের প্রতিটি অক্ষর—আপনার জন্য অফুরন্ত নেকির ভাণ্ডার আমরা অনেক সময় ভাবি, “আজ কুরআন পড়ার সময় হলো না”, “একটু পরে পড়ব”, কিংবা “এত অল্প পড়লে কী-ই বা হবে!” অথচ রাসূলুল্লাহ ﷺ আমাদের এমন এক সুসংবাদ দিয়েছেন, যা একজন মুমিনের হৃদয়কে কুরআনের দিকে ছুটে যেতে বাধ্য করে। প্রিয়নবী মুহাম্মদ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “যে ব্যক্তি আল্লাহর কিতাব থেকে একটি অক্ষর তিলাওয়াত করে, তার জন্য একটি নেকি লেখা হয়। আর প্রতিটি নেকি দশ গুণ বৃদ্ধি করা হয়। আমি বলি না যে ‘আলিফ-লাম-মীম’ একটি অক্ষর; বরং আলিফ একটি অক্ষর, লাম একটি অক্ষর এবং মীম একটি অক্ষর।” — সুনানে আত-তিরমিজি, হাদিস: ২৯১০। এই হাদিসের আলোকে আলেমগণ হিসাব করে আনুমানিকভাবে বলেন, কুরআনের একটি পৃষ্ঠা তিলাওয়াত করলে প্রায় ৫,০০০, একটি পারা পড়লে প্রায় ১,০০,০০০, আর পুরো কুরআন একবার খতম করলে প্রায় ৩০,০০,০০০ নেকি অর্জনের সুযোগ হতে পারে। এটি কোনো নির্দিষ্ট ও চূড়ান্ত সংখ্যা নয়; বরং হাদিসে বর্ণিত প্রতিটি অক্ষরে ১০ নেকি—এই মূলনীতির ভিত্তিতে একটি আনুমানিক হিসাব। ভাবুন তো, দিনে যদি মাত্র ১০–১৫ মিনিট সময় বের করে কয়েক পৃষ্ঠা কুরআন পড়ি, তাহলে আল্লাহর পক্ষ থেকে কত বিশাল প্রতিদান আমাদের জন্য অপেক্ষা করছে! অথচ আমরা অনেক সময় মোবাইল স্ক্রিনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা কাটিয়ে দিই, কিন্তু কুরআনের জন্য কয়েক মিনিটও বের করতে পারি না। কুরআন শুধু নেকি অর্জনের মাধ্যম নয়; এটি হৃদয়ের প্রশান্তি, ঈমানের শক্তি, জীবনের দিশা এবং আখিরাতের সফলতার পথপ্রদর্শক। যে ঘরে কুরআনের তিলাওয়াত হয়, সে ঘরে বরকত নাযিল হয়। যে হৃদয় কুরআনের সঙ্গে যুক্ত থাকে, সে হৃদয় আল্লাহর স্মরণে জীবন্ত থাকে। চলুন, আজ থেকেই একটি ছোট্ট লক্ষ্য ঠিক করি— ✅ প্রতিদিন অন্তত এক পৃষ্ঠা কুরআন তিলাওয়াত করব। ✅ তিলাওয়াতের পাশাপাশি অর্থ ও তাদাব্বুর (গভীর চিন্তা) করার চেষ্টা করব। ✅ পরিবারকেও কুরআনের সঙ্গে সম্পৃক্ত হতে উৎসাহিত করব। হয়তো এই ছোট্ট আমলই কিয়ামতের দিন আমাদের নাজাতের কারণ হয়ে যাবে। সুবহান আল্লাহ। কুরআনের প্রতিটি অক্ষর উচ্চারণের সঙ্গে সঙ্গে আল্লাহ আপনার আমলনামায় নেকি লিখে দেন। তাই আজই কুরআনের সঙ্গে নতুন করে সম্পর্ক গড়ে তুলুন। আল্লাহ আমাদের সবাইকে নিয়মিত কুরআন তিলাওয়াত, বুঝে পড়া এবং তার ওপর আমল করার তাওফিক দান করুন। আমীন।
видео или голосовое, без подписи