ilhaam
Статистика- Последний пост
- 11 авг.
- Последнее чтение
- 13 авг.
- Постов за неделю
- 2
- Всего постов
- 20
- Тип
- открытый
- Язык
- bn
- В каталоге с
- 13 авг.
- 1/24сутки в ленте
- 69
- 1/48двое суток
- 79
- 1/72трое суток
- 85
Оценка по просмотрам недавних постов: пост набирает почти всё за первые сутки.
Посты
*"আপনার রিজিক (জীবিকা) নিয়ে দুশ্চিন্তা করা মানে হলো আল্লাহর সক্ষমতা নিয়ে সন্দেহ করা। আপনার যতটুকু প্রাপ্য, তা মহাবিশ্বের কেউ আপনার কাছ থেকে কেড়ে নিতে পারবে না।"* - উস্তাদ নোমান আলী খান.
মাটির উপর যতটা ভালে কাজ করবেন, মাটির নিচে ততটা ভালো থাকবেন। —আরিফ আজাদ।
আর তোমরা প্রাসাদসমূহ নির্মাণ করছ যেন তোমরা স্থায়ী হবে। Ash-Shu'araa - Ayah 129
আমি জানি না, আমার সমাধান জানা নেই। আমার পুরো একটা জীবন চোখের সামনে শ খানেক মানুষকে দেখেছি যারা আপনার মত পরিস্থিতিতে গিয়েছে। (আমি নিজে ও পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া) তবে আমি একটা জিনিস জানি, এ বিষয়গুলোর পরিণতি জানি। একটা সময় আসবে এই আবেগ বাস্তবতার সাথে আর মিলবে না। বাস্তবতার ধাক্কায় দেখবেন হুট করে বয়সটা অনেক হয়ে গিয়েছে। নিজের ভেতরে থাকা আবেগ গুলো শেষ হয়ে গিয়েছে। না পেয়েছেন ওই মানুষকে, না পেয়েছেন নিজেকে। নিজের বলে কিছুই নেই, কিছুই ভালো লাগে না। আর আখিরাত? দিনকে দিন এই গুনাহের ফলে আল্লাহ কে অনুভব করা ত দূরে থাকুক, তওবা করা যে প্রয়োজন সেটাই হয়তো ভুলে যাবেন। আমার সত্যিই জানা নেই আপনার সমস্যার সমাধান, শুধু জানি, আপনার সামনে একটা ভয়ংকর পরিস্থিতি অপেক্ষা করছে যদি বের হতে না পারেন। ছোট্ট একটা পরামর্শ দিতে পারি, বুঝতে পারলে হয়ত পরিস্থিতি বুঝবেন। আগুন লাগা ঘরে আসবাবপত্রের মায়া করতে নেই, জীবনটা নিয়ে বের হওয়াই আসল। কিন্তু হারামের আগুনের পোড়াটা বহুবছর পর হয়, তাই জীবনটা নিয়ে বের হওয়ার আগেই অনেকে মারা যায়...
দুআ কবুলের উত্তম সময় চলছে...
ইয়া রব।আপনি আমার থেকেও আমার অন্তর সম্পর্কে ভাল জানেন।আমার ভগ্ন হৃদয়ে ক্ষুদ্র থেকে ক্ষুদ্রতর ব্যথা গুলো সম্পর্কে আপনি অবগত। আমার না বলা প্রতিটি দুয়া সম্পর্কে ও আপনি অবগত। আল্লাহ আপনি আমার জীবনে যেই ফয়সালা দিবেন আমি তার উপর সন্তুষ্ট। আলহামদুলিল্লাহ।
হঠাৎই আল্লাহ সবকিছু ঠিক করে দেবেন। আপনি হয়তো ভাবছেন, যে বিষয়টির জন্য এতদিন ধরে আল্লাহর কাছে দোয়া করছেন, যার জন্য তাহাজ্জুদের নামাজ পড়া শুরু করেছেন—সেই গল্পের সমাপ্তি হয়ে গেছে। কিন্তু ইনশাআল্লাহ, খুব শিগগিরই আল্লাহ একটি অলৌকিক পরিবর্তন এনে দেবেন। তিনি এমনভাবে পুরো পরিস্থিতি বদলে দেবেন, যা আপনি কখনো কল্পনাও করেননি। আপনার তাওয়াক্কুল (আল্লাহর ওপর পূর্ণ ভরসা)-এর কারণে তিনি আপনার জন্য সবকিছু নতুনভাবে সাজিয়ে দেবেন। যখন মনে হবে সবকিছু আপনার বিপক্ষে যাচ্ছে, তখন শুধু তাঁর এই বাণীটি স্মরণ করুন: "আপনি জানেন না, হতে পারে এর পর আল্লাহ নতুন কোনো পরিস্থিতি সৃষ্টি করবেন।" — (সূরা আত-তালাক, ৬৫:১) —সংগৃহিত
রিযিক কনসেপ্ট...!
ইয়া রব, গুছিয়ে বলতে না পারা প্রতিটা দোয়া আপনি কবুল করে নাও..🥺
যারা সবদিক দিয়েই বিয়ের উপযুক্ত হয়ে আছেন, এরপরও বিয়ে করতে পারছেন না— তারা নিচের আমলগুলো বেশি বেশি করতে পারেনঃ ১। সূরা ফুরকান, আয়াত ৭৪ঃ ﴿رَبَّنَا هَبْ لَنَا مِنْ أَزْوَاجِنَا وَذُرِّيَّاتِنَا قُرَّةَ أَعْيُنٍ وَاجْعَلْنَا لِلْمُتَّقِينَ إِمَامًا﴾ “হে আমাদের রব! আমাদের স্ত্রী ও সন্তানদেরকে আমাদের চোখের শীতলতা দান করুন এবং আমাদের মুত্তাকীদের জন্য আদর্শ বানিয়ে দিন।” ২। সূরা কাসাস, আয়াত ২৪ঃ ﴿رَبِّ إِنِّي لِمَا أَنْزَلْتَ إِلَيَّ مِنْ خَيْرٍ فَقِيرٌ﴾ “হে আমার রব! আপনি আমার প্রতি যে অনুগ্রহ নাযিল করবেন, আমি তার মুখাপেক্ষী।” ৩। প্রতিদিন ১১ বার সূরা আদ-দুহা পড়তে পারেন। ৪। সূরা ইয়াসিন তিলাওয়াত করতে পারেন। ৫। আল্লাহ তাআলার পবিত্র ৯৯টি নাম বেশি বেশি পড়তে পারেন। এ ছাড়াও নিয়মিত দুআ করা সবচেয়ে বেশি কার্যকর। আল্লাহ তাআলা সকলের জন্য উত্তম ফয়সালা নির্ধারণ করুন। আমীন।
খেলার সাথে ধর্মকে টানবেন না।
খেয়াল করেছেন? আগে কারো মৃত্যুর সংবাদ শুনলে মানুষের অন্তরে একটা ভয় কাজ করত। নিজের মৃত্যুর কথাও মনে পড়ে যেত, আখিরাতের চিন্তাও আসত, নিজের আমল-আখলাক নিয়ে ভাবনা আসত। মানুষ নিজের জীবনটা নিয়ে একটু হলেও ভাবত। হয়তো দীর্ঘ সময়ের জন্য নয়, কিন্তু কিছু সময়ের জন্য হলেও নিজেকে খারাপ কাজ ও অনুচিত বিষয় থেকে দূরে রাখার চেষ্টা করত। নিজেকে একটু বদলে নেওয়ার ইচ্ছা জাগত। কিন্তু এখন যেন সেই অনুভূতিটা ধীরে ধীরে হারিয়ে যাচ্ছে। মৃত্যুর সংবাদ আর আগের মতো অন্তরে নাড়া দেয় না, ভয় জাগায় না, নিজের মৃত্যুর কথাও তেমন মনে করিয়ে দেয় না। যেনো আমাদের অন্তরগুলো মরে যাচ্ছে! আচ্ছা বলেন তো এমন হওয়ার কারণগুলো কী?
গুনাহ মানুষকে অনেক রিজিক থেকে বঞ্চিত করে। আর আল্লাহর সঙ্গে নির্জনে মুনাজাত করার তাওফিকের চেয়ে বড় রিজিক আর কী হতে পারে? এক ব্যক্তি হাসান বসরী রহ.-কে বললেন, হে আবু সাঈদ! আমি সুস্থ শরীরে রাত কাটাই, তাহাজ্জুদ পড়তে খুব ভালোবাসি, এমনকি ওযুর পানিও প্রস্তুত করে রাখি। তবুও কেন উঠতে পারি না? তিনি জবাব দিলেন, ذُنُوبُكَ قَيَّدَتْكَ তোমার গুনাহগুলোই তোমাকে শৃঙ্খলাবদ্ধ করে রেখেছে। তাই যে ব্যক্তি রাতের ইবাদতের স্বাদ হারিয়ে ফেলেছে, তার উচিত ঘুমকে নয়, আগে নিজের আমলকে প্রশ্ন করা। . ~ শায়খ উমায়ের কোব্বাদী (হাফি.)
রাস্তায় ভ্যান নিয়ে বসুন লজ্জা ছেড়ে, তবুও ইনকাম করুন ছাত্রবস্তায়।আর কত দিন বসে থাকবেন!
- রিজিক আটকে গেছে, - টেনশন ছাড়ছে না, - বিপদে আছে কাজ পাচ্ছে না, - কাজে বরকত পাচ্ছো না, চিন্তা নেই! বেশি বেশি ইস্তিগফার পড়ো! আস্তাগফিরুল্লাহ, আস্তাগফিরুল্লাহ, আস্তাগফিরুল্লাহ! নূহ (আ.) তাঁর কওমকে বলেছিলেন, 'তোমরা তোমাদের রবের কাছে ক্ষমা চাও, তিনি তোমাদের উপর মুষলধারে বৃষ্টি বর্ষণ করবেন, আর ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি দিয়ে সাহায্য করবেন'। [সূরা নূহ, ১০-১২] ইস্তিগফার সব দরজা খুলে দেয়।
দুআ... সাথে যারা রোজা আছেন তাদের আরো বেশি দুআ কবুলের সুযোগ। সময়টা কাজে লাগাই। উম্মাহকে দুআয় স্মরণ করব ইন শা আল্লাহ
আশুরার মাত্র দুইটি রোজা রেখে পূর্ববর্তী ১ বছরের সমস্ত গুনাহ মাফের সুযোগ। বছরে এই একবারই এমন সুযোগ আসে। তাই কেউ মিস করবেন না। এ বছর আশুরার দিন হলো– ২৬ জুন (১০ মুহাররম)। যেহেতু আশুরার রোজা দুইটি রাখতে হয়। তাই ২৬ তারিখের সাথে আগের দিন ২৫ তারিখ অথবা পরের দিন ২৭ তারিখ রেখে মোট ২টি রোজা রাখবো, ইনশাআল্লাহ্। উল্লেখ্য, যারা আগামীকাল (বৃহঃবার) রোজা রাখবেন, তারা আশুরার রোজার নিয়তের পাশাপাশি, সাপ্তাহিক নফল রোজার নিয়তও করে নিবেন, তাহলে ডাবল রোজার সওয়াব পাবেন। লেখা : মাহমুদুল হাছান
একদিন আপনি এতোটাই আর্থিক ভাবে সচ্ছল হবে যে, আল্লাহ আপনার পকেটের টাকা অন্যদের রিজিকের মাধ্যম বানাবেন - ইনশাআল্লাহ..!!
❁ রিযিক লাভের দোয়া ❁ رَبِّ إِنِّي لِمَا أَنزَلْتَ إِلَيَّ مِنْ خَيْرٍ فَقِيرٌ হে আমার রব, নিশ্চয় আপনি আমার প্রতি যে অনুগ্রহই নাযিল করবেন, আমি তার মুখাপেক্ষী • আল-কাসাস | আয়াত ২৪
যখন সূরা নামলের সেই পিঁপড়ার ঘটনাটা পড়েন, তখন কি কখনো থেমে ভেবেছেন— কেন আল্লাহ তাআলা কোটি কোটি প্রাণীর মধ্যে এই ছোট্ট প্রাণীটিকেই বেছে নিলেন? আপনি হয়তো বড় কিছু খুঁজেন— বড় মানুষ, বড় ক্ষমতা, বড় প্রভাব। কিন্তু আল্লাহ আপনাকে দেখান একেবারে বিপরীত চিত্র: একটা ক্ষুদ্র পিঁপড়া, যার শরীর প্রায় অদৃশ্য, কিন্তু যার চিন্তা, দায়িত্ববোধ আর সচেতনতা বিশাল পাহাড়ের মতো। একটু কল্পনা করেন— সুলাইমান (আ.)-এর বিশাল বাহিনী এগিয়ে আসছে। এমন এক বাহিনী, যার সামনে দাঁড়ানোর সাহস কারো নেই। সেই মুহূর্তে একটি পিঁপড়া কী করল? সে চুপ থাকেনি, পালায়নি, নিজের জীবন নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়েনি। বরং সে দাঁড়িয়ে নিজের পুরো জাতিকে বলল— “তোমরা সবাই তোমাদের ঘরে ঢুকে পড়ো, না হলে সুলাইমান ও তার বাহিনী তোমাদের পিষে ফেলবে— অথচ তারা বুঝতেও পারবে না।” এই একটি বাক্যের ভেতর এমন কিছু স্তর লুকিয়ে আছে, যেগুলো আপনি যদি বুঝতে পারেন, তাহলে আপনার নিজের জীবনটার দৃষ্টিভঙ্গি বদলে যাবে। প্রথমত, এই পিঁপড়া আপনাকে শিখায়—ক্ষুদ্রতা কোনো অজুহাত না। আপনি হয়তো ভাবেন, “আমি তো কিছুই না, আমার কথা কেউ শুনবে না।” কিন্তু সেই পিঁপড়াটাও তো কিছুই ছিল না এই বিশাল দুনিয়ার তুলনায়। তবুও সে নিজের দায়িত্ব বুঝেছিল। সে জানত—আমি যদি চুপ থাকি, তাহলে ক্ষতি হবে। এখানেই তার মহত্ত্ব। আপনি যদি সত্য জানেন, যদি বিপদ দেখতে পান, তাহলে চুপ থাকা আপনার জন্য নিরাপদ হতে পারে, কিন্তু তা সঠিক নয়। আপনার অবস্থান ছোট হতে পারে, কিন্তু আপনার সচেতনতা ছোট হওয়ার কোনো কারণ নেই। দ্বিতীয়ত, আপনি পিঁপড়ার সমাজের দিকে তাকান—এখানে একটা গভীর “পিঁপড়া কালচার” আছে। তারা কখনো একা বাঁচে না, তারা একা ভাবে না, তারা একা কাজ করে না। তাদের পুরো অস্তিত্বটাই “আমরা” কেন্দ্রিক। একজন খাবার পেলে অন্যদের জানায়, একজন বিপদ দেখলে সবাইকে সতর্ক করে। এখানে স্বার্থপরতার জায়গা নেই। এখন আপনি নিজের জীবনের দিকে তাকান—আপনি কি “আমি” নিয়ে বাঁচছেন, নাকি “আমরা” তৈরি করার চেষ্টা করছেন? আপনি হয়তো সফল হতে পারেন একা, কিন্তু শক্তিশালী হতে পারবেন না। পিঁপড়ারা ছোট হয়েও শক্তিশালী—কারণ তারা একসাথে। তৃতীয়ত, পিঁপড়ার ভাষায় আপনি যে সৌন্দর্য দেখেন, সেটা আজকের অনেক মানুষের মধ্যে নেই। সে বলেনি—“ওরা আমাদের ধ্বংস করতে আসছে।” সে বলেনি—“ওরা খারাপ।” বরং সে বলেছে—“তারা বুঝতেও পারবে না।” এখানে আপনি এক অসাধারণ ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি দেখতে পান। সে পরিস্থিতি বুঝেছে, বিপদ চিনেছে, কিন্তু ঘৃণা ছড়ায়নি। আপনি যখন সমস্যায় পড়েন, তখন কি এমনভাবে ভাবতে পারেন? নাকি আপনি দোষারোপে ব্যস্ত হয়ে পড়েন? পিঁপড়া আপনাকে শেখায়—সমস্যাকে চিহ্নিত করুন, কিন্তু ঘৃণা তৈরি করবেন না; সমাধানের পথ দেখান। চতুর্থত, এখানে নেতৃত্বের আসল সংজ্ঞা লুকিয়ে আছে। নেতৃত্ব মানে সামনে দাঁড়িয়ে নির্দেশ দেওয়া না; নেতৃত্ব মানে বিপদের সময় অন্যদের কথা আগে ভাবা। সেই পিঁপড়াটা চাইলে একাই নিজের গর্তে ঢুকে বেঁচে যেতে পারত। কিন্তু সে তা করেনি। সে নিজের নিরাপত্তার আগে পুরো জাতির নিরাপত্তার কথা ভেবেছে। আপনি নিজেকে প্রশ্ন করুন—আপনি কি শুধু নিজের জন্য চিন্তা করেন, নাকি অন্যদের জন্যও দাঁড়াতে পারেন? কারণ প্রকৃত নেতৃত্ব আসে দায়িত্ববোধ থেকে, পদ বা পরিচয় থেকে না। পঞ্চমত, এই ঘটনাটি আপনাকে আল্লাহর এক বিস্ময়কর দিক দেখায়। বিশাল বাহিনীর শব্দের ভিড়ে, এই ক্ষুদ্র পিঁপড়ার কণ্ঠস্বরও হারিয়ে যায়নি। আল্লাহ তা শুনেছেন এবং তা মূল্য দিয়েছেন। আপনি হয়তো মনে করেন— আপনার ছোট প্রচেষ্টা, আপনার ছোট ভালো কাজ—এসব কেউ দেখে না। কিন্তু মনে রাখবেন, কোনো ভালো কাজই হারিয়ে যায় না। আপনি যদি সত্য ও কল্যাণের পথে থাকেন, তাহলে আপনার কণ্ঠস্বর যত ক্ষীণই হোক, তা আল্লাহর কাছে পৌঁছায়। সবশেষে, এই পিঁপড়া আপনার অহংকার ভেঙে দেয়। আপনি নিজেকে বড় ভাবেন? আপনি নিজের গুরুত্ব নিয়ে গর্ব করেন? তাহলে মনে রাখুন— যে প্রাণীকে আপনি পায়ের নিচে পিষে ফেলেন, আল্লাহ তাকে কুরআনে জায়গা দিয়েছেন। কারণ তার অন্তরে ছিল দায়িত্ব, মায়া, আর সচেতনতা। বড় হওয়া শরীরের আকারে না, পদবীতে না—বড় হওয়া চিন্তায়। তাই আপনি নিজেকে ছোট ভাববেন না। আপনি অকেজো না, অপ্রয়োজনীয় না। আপনার একটি কথা, একটি সতর্কবার্তা, একটি সঠিক সিদ্ধান্ত— কারো জীবন বাঁচাতে পারে, একটি সমাজকে সচেতন করতে পারে। হয়তো আপনি তা দেখবেন না, কিন্তু তার প্রভাব থেকে যাবে। নিজেকে শুধু একটা প্রশ্ন করুন— “আমি কি সেই পিঁপড়ার মতো সচেতন?” কারণ ইতিহাস বড়দের দিয়ে নয়— সচেতনদের দিয়েই লেখা হয়। লেখা : মিরাজুল ইসলাম ©