বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন (ডুয়েট)
Статистикаডুয়েট এর বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সকল আপডেট এখানে দেওয়া হবে।
- Последний пост
- 22 авг. 2024 г.
- Последнее чтение
- 14 авг.
- Постов за неделю
- 0
- Всего постов
- 20
- Тип
- открытый
- Язык
- bn
- В каталоге с
- 14 авг.
- 1/24сутки в ленте
- —
- 1/48двое суток
- —
- 1/72трое суток
- —
Оценка по просмотрам недавних постов: пост набирает почти всё за первые сутки.
Посты
без подписи
без подписи
বন্যার্তদের পাশে ডুয়েট পরিবার! প্রতি বছরের ন্যায় এবারও বর্ষাকালে কোনো পূর্বঘোষণা ছাড়াই একাধিক নদীর বাঁধ খুলে দিয়েছে ভারত। এর ফলে বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলার বিস্তীর্ণ অঞ্চল আকস্মিকভাবে প্লাবিত হয়েছে। হুমকির মুখে পড়েছে লাখ লাখ মানুষের জীবন ও জীবিকা। আমরা বছরের পর বছর ধরে বাংলাদেশের প্রতি ভারতের চর্চা করে আসা এই ধরণের ঘৃণ্য ও বর্বর কর্মকাণ্ডের প্রতি তীব্র নিন্দা জ্ঞাপন করছি। আমরা মনে করি, প্রতিবেশী দেশের প্রতি ভারতের এই ধরণের হীন কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে সরব হওয়া ও সকল আন্তর্জাতিক নদীর পানির ন্যায্য হিস্যা আদায় করার জন্য সোচ্চার ভূমিকা পালন করার উপযুক্ত সময় এখনই। ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়,গাজীপুর এর সাধারণ শিক্ষার্থীরা বন্যার্তদের সহায়তার উদ্যেশ্যে আগামীকাল ক্রাউড ফান্ডিং এর উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। আগামীকালের আয়োজনে আপনাদের সবার সহযোগিতায় পাওয়া অর্থ সর্বোচ্চ স্বচ্ছতার মাধ্যমে বন্যার্তদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে। মানবতার স্বার্থে সবাইকে সাধ্যমতো সাহায্য করার জন্য বিনীত অনুরোধ রইলো! Bkash/Nagad/Rocket: 01832-756411 (Shahjahan) 01638-667366 (Arafat) Islami Bank Bangladesh Ltd. (Gazipur Sadar Branch,Gazipur) AMANULLAH MORAL A/C: 20503566700075612 On Campus: Nayem Ullah (CSE 4/2): 01685-561880 Amanullah (ME 4/2): 01558902745
ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যে প্রবল বৃষ্টিপাতের কারণে ডুম্বুর লেক প্লাবিত হয়েছে। হঠাৎ করে পানির উচ্চতা বেড়ে যাওয়ায় ডুম্বুর লেকের উপর অবস্থিত গোমতী জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের বাঁধ খুলে দেওয়া হয়েছে। এর ফলে নিম্নাঞ্চলে বাংলাদেশের ফেনী, নোয়াখালি, কুমিল্লা প্রভৃতি জেলায় ব্যাপক বন্যা হচ্ছে। বন্যা নিয়ে অনলাইনে দুই ধরণের বয়ান শোনা যাচ্ছে। বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষ বন্যার জন্য ভারতকে দায়ী করছেন। আবার অনেকে মনে করছেন অতিবৃষ্টির কারণে লেকের পানির উচ্চতা বেড়ে যাওয়ায় বাঁধ খুলে না দেওয়া ছাড়া অন্য কোনো উপায় ভারতের হাতে ছিল না। আমি নিরপেক্ষভাবে একজন প্রকৌশলী হিসাবে বিষয়টি বোঝার চেষ্টা করেছি। আমার ক্ষুদ্রজ্ঞানে যা মনে হয়েছে আমি সেটাই এই পোস্টে লিখছি। কোনো ভুল থাকলে নিজ গুণে ক্ষমা করবেন এবং আমাকে দয়া করে সঠিক তথ্যটা দিয়ে সংশোধন করে দেবেন। শুরুতে গোমতী জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের ব্যাপারে জেনে নেওয়া যাক। ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের ডুম্বুর লেকে অবস্থিত এই প্রকল্পটির বাস্তবায়ন কাজ শুরু হয়েছিল ১৯৭৪ সালে যা শেষ হয় ১৯৮৬ সালে। এই বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদন ক্ষমতা ১৫ মেগাওয়াট হলেও ক্রমাগত বৃষ্টিপাত হ্রাসের কারণে বিদ্যুৎ উৎপাদন কমতে কমতে ২০১৫ সালে মাত্র ২ মেগাওয়াটে এসে দাঁড়ায়! ২ মেগাওয়াট কত অল্প বিদ্যুৎ এটা বোঝানোর জন্য একটা উদাহরণ দিচ্ছি। বুয়েটের অভ্যন্তরে যে বিদ্যুৎকেন্দ্রটি আছে সেটার ক্ষমতা সম্ভবত ২ মেগাওয়াট। গোমতি জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের কারণে প্রায় ৪০ হাজার আদিবাদী বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। অনেক মানুষকে যথাযথ পুণর্বাসনও করা হয়নি। এছাড়া এই বিদ্যুৎকেন্দ্রের আউটপুটও নগন্য। যার ফলশ্রুতিতে ২০০৭ সালে স্থানীয়রা এটি বন্ধের দাবিতে আন্দোলন করেন। তবে ভারত সরকার বিদ্যুৎকেন্দ্রটি বন্ধ করতে অস্বীকৃতি জানায়। গোমতী জলবিদ্যৎ প্রকল্পের আদ্যোপান্ত জানার পর আমার কাছে মনে হয়েছে এটি অনেক আগেই বন্ধ করে দেওয়া উচিত ছিল। ত্রিপুরায় ব্যাপক বৃষ্টিপাত হয়েছে এটা সত্য। এতে ডুম্বুর লেকের পানি অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে গেছে। এটাও সত্য। তবে ডুম্বুর জলবিদ্যুৎ প্রকল্পটি একটি প্রশ্নবিদ্ধ প্রকল্প। আরো আগেই এটি বন্ধ করে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করলে এই ধরণের সম্ভাব্য বিপর্যয় এড়ানো যেত কিনা, এটা নিয়ে ভাবনার যথেষ্ট অবকাশ আছে। আমি মনে করি, বাংলাদেশ সরকারের এই বিষয়টি ভারত সরকারের কাছে অবশ্যই জিজ্ঞাসা করা উচিত। -Sakib Mustavee, বুয়েট এলাম্নাই
হাসিনার স্বৈরতন্ত্র টিকিয়ে রাখতে পুলিশ বাহিনীকে ফ্র্যাংকেস্টাইন হিসেবে তৈরী করতে ভূমিকা ছিল পুলিশের কিছু উর্ধতন কর্মকর্তার। এরা সবাই মিলে গত ০২/০৮/২০২৪ তারিখে পুলিশ হেডকোয়ার্টারে সাবেক আইজিপি আব্দুল্লাহ আল মামুনের নেতৃত্বে একটি গোপন রূদ্ধদ্বার বৈঠক করেন। সেখানে উপস্থিত সবাই বলেন আন্দোলন কোনভাবেই ঠেকানো যাচ্ছে না। তবে ঠেকানো যাবে যদি ইন্ডিমিনিটি দেয়া হয় যে আমরা যতো লাশই ফেলি আমাদের ক্ষমা করা হবে এবং অবশ্যই আর্থিক পুরষ্কারেরও দাবি করেন। এই দাবি তাৎক্ষণিকভাবে মেনেও নেন প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তাদের আশ্বাস ও নির্দেশনা পেয়ে নিজ নিজ ইউনিটে ফিরে যান নতুন উদ্যমে আরো অনেক বেশি হত্যাযজ্ঞ চালিয়ে অপারেশন শুরু করেন। এরফলে প্রচুর ছাত্র জনতা মারা যান। পাশাপাশি আহত হন অসংখ্য। প্রায় ৬০০ জনের মত ছাত্র জনতা প্রাণ হারিয়েছেন। কেউ কেউ হারিয়েছেন চোখ, হাত, পা। পুলিশের এসব কর্মকর্তা স্পষ্টভাবে মানবতা বিরোধী অপরাধ করেছেন। ২ আগস্টের সেই গোপন বৈঠকে যারা উপস্থিত ছিলেন তারা হলেন, ১। চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন (আইজিপি) ২। মল্লিক ফখরুল ইসলাম ৩। মোঃ কামরুল আহসান ৪। মোঃ মনিরুল ইসলাম ৫। মোঃ শাহাবুদ্দীন খাঁন ৬। ওয়াই এম বেলালুর রহমান ৭। আবু হাসান মুহম্মদ তারিক ৮। বনজ কুমার মজুমদার ৯। মোঃ আতিকুল ইসলাম ১০। ব্যারিস্টার মোঃ হারুন-অর-রশিদ ১১। মীর রেজাউল আলম ১২। মোহাম্মদ আলী মিয়া ১৩। সেলিম মোঃ জাহাঙ্গীর ১৪। খন্দকার লুৎফুর কবির ১৫। মোহাঃ আবদুল আলীম মাহমুদ ১৬। দেবদাস ভট্টাচার্য্য ১৭। কৃষ্ঞ পদ রায় ১৮। কুসুম দেওয়ান ১৯। বশির আহম্মদ ২০। হাবিবুর রহমান ২১। মোঃ আনোয়ার হোসেন ২২। এ কে এম হাফিজ আক্তার ২৩। ড. খঃ মহিদ উদ্দিন ২৪। ইমতিয়াজ আহমেদ
без подписи
без подписи
শত্রু-মিত্র চিনতে হবে। ফ্যাসিবাদ যাদের হাত ধরতে পারে, যাদের পিছু আশ্রয় নিতে পারে, যাদের অবলম্বন করে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করতে পারে, তাদের চেনার রাজনৈতিক জ্ঞান জরুরি। নয়তো সবকিছু আবার নষ্টদের দখলে চলে যাবে। ছাত্র-জনতা রক্ত দিয়ে এসকল অপচেষ্টা প্রতিহত করেছে, সামনের দিনেও করবে। ইনশাআল্লাহ।
ডিজিএফআই/এনএসআই বেসামরিক স্টাফ - বর্তমান তত্বাবধায়ক সরকারের জন্য বড় ঝুঁকি গত ১৫ বছরে DGFI/NSI-এর সমস্ত RAW নিয়োগকৃত বেসামরিক স্টাফ এখনও DGFI এবং NSI-তে রয়েছে। এরা সামরিক অফিসারদের চেয়ে অনেক বেশি বিপজ্জনক কিন্তু সর্বদা আড়ালে থাকে। এখন তারা সীমান্তের ওপারে গত সরকার ও তাদের মদদদাতাদের সাথে যোগাযোগের মাধ্যম রাখছে এবং সরকারের গোপনীয় তথ্যাদি পৌঁছায় দিচ্ছে। বেসামরিক কর্মীরা ডিজিএফআই/এনএসআই-এ গোয়েন্দা কর্মকর্তা, ডেস্ক স্টাফ হিসাবে যোগদান করেন যেখান থেকে তারা সহকারী পরিচালক, অতিরিক্ত পরিচালক এবং পরিচালক হন। পরিচালকরা একজন পূর্ণ কর্নেল/ব্রিগেডিয়ার জেনারেলের সমতুল্য। সামরিক কর্মকর্তারা পর্যটকদের মতো, কারণ তারা কয়েক বছর পরে ফিরে আসে। কিন্তু এই বেসামরিক কর্মীরা চিরকালই থেকে যায়, এবং এরাই বিষাক্ত রাজনৈতিক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করে। আওয়ামী লীগ ২০০৯ সালের মধ্যে সমস্ত নিরপেক্ষ ও পেশাদার বেসামরিক কর্মীদের অপসারণ করে এবং আওয়ামী ক্যাডার দিয়ে সেসব পদ পূরণ করে। এই বেসামরিক গোয়েন্দা কর্মীদের অবিলম্বে অপসারণ করা না হলে, সরকারের উপর একটি বড় ঝুঁকি এবং বিপদ থেকে যাবে । - লে. ক. (অব.) মুস্তাফিজুর রহমান
কর্মসূচি: আলপনা, গ্রাফিতি ও দেয়াল লিখন। তারিখ: ১৯-০৮-২৪( সোমবার) সময় : সকাল ৮:৩০ স্থান :পুলিশ লাইনের সামনে, জয়দেবপুর, গাজীপুর। সময় : সকাল ৮:০০ স্থান : বাউল কলেজ। সময়: সকাল ১০:০০ স্থান: কলেজ গেট,শিমুলতলী ,জয়দেবপুর, গাজীপুর। সময় :রাত ৯:০০ স্থান : ডুয়েট গেইট। বিশেষ দ্রষ্টব্য - যাহারা কাজ করতে ইচ্ছুক তাহারা নির্দিষ্ট সময় নির্দিষ্ট স্থানে উপস্থিত থাকবেন।টিম আকার কাজ করা হবে। টিম গঠনের পর নতুন করে কোন সদস্য টিমে নেওয়া হবে না। সহযোগিতায় : বৈষম্য বিরোধী ছাত্র সমাজ গাজীপুর।
без подписи
সুন্নতি বেস ধারণ করে কিন্তু সে একজন খুনি ,জাবির ৯৮ সালের ছাত্রলীগ সভাপতি ছিল এই ধর্ষকটা!
без подписи
সৃজনীর সভাপতি 😄বাহ
প্রিয় সাংবাদিক ভাইয়েরা, আপনারা হারুন-বিপ্লব-বেনজিরের পাশাপাশি তাদের মাদার অফ মাফিয়া খুনি হাসিনা ও তার পরিবারের দুর্নীতি ও ব্রুটালিটির আমলনামাও সামনে আনেন।
কি ভয়ানক ব্যাপার! খুনী হাসিনা পালিয়ে গেলেও তার দোসরদের অপতৎপরতা একটুও কমছেনা। হাসিনার পোষা পিএসসি কমিটি বিসিএস এর ভাইবা চালায়ে নিচ্ছে। শেষ মুহুর্তটিতেও ছাত্রলীগের ছেলেপেলেদের জরুরি ভাইভা নিয়ে শতভাগ বিসিএস ক্যাডার বানিয়ে হাসিনার পুনর্বাসনের আরেকটা পথ খোলার পুরোদমে চেষ্টা চলতেছে। পিএসসি চেয়ারম্যান সোহরাব আর বোর্ড মেম্বাররা এমন সময়েও এসব অপকর্ম করে যাচ্ছে। সবচেয়ে দুঃখের কথা হল, আমরা ছাত্ররা আওয়াজ না তুললে কাউকেই অপসারণ করা হচ্ছে না!!
নতুন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লে. ক. (অব.) জাহাঙ্গীর আলম এর পরিচয়
без подписи
লে. জেনারেল জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী ওয়ান ইলেভেনে জড়িত হলে তাকে উপদেষ্টা করতে বিএনপি কি সুপারিশ করতো? তাহলে বুঝুন তাসনিম খলিল ও পিনাকীরা কিভাবে বিএনপির বিরোধিতা করে।
রাজনৈতিক দল খোলার কথা বলা হয়নি! রয়টার্সে দেয়া আমার বক্তব্য ভুলভাবে এসেছে। আর সে ভুল বক্তব্যের বাজে বা উদ্দেশ্যমূলক অনুবাদ বাংলাদেশি মিডিয়া প্রচার করেছেন। রয়টার্সে আমার বক্তব্য ছিল, আমরা রাজনৈতিক সংগঠন নিয়ে এখনই ভাবছি না। ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার বিলোপ এবং নূতন রাজনৈতিক বন্দোবস্তের জন্য আমরা কাজ করছি। গণ-অভ্যুত্থানের চেতনা ধরে রাখা এবং সরকারকে সংহত করা আমাদের প্রাথমিক লক্ষ্য। রাষ্ট্র ও সমাজের নানা অংশীজনের সাথে কথা বলে আমরা আগামী বাংলাদেশের রূপরেখা নিয়ে ও কাজ করব। এ কাজে অন্তত এক মাস লাগবে। আর, রয়টার্স ও লিখেছে এক মাস পর নির্ধারিত হবে আমরা দল করব কি করবনা! তবে, রয়টার্স একটি ভুল করেছে, নাগরিকদের বদলে তারা ভোটার শব্দটি ব্যবহার করেছে। অথচ, নির্বাচনী রাজনীতি নিয়ে আমাদের খুব কমই কথা হয়েছে। কৃষ্ণ কৌশিককে আমি লিখেছি, উনি হয়ত এটা এডিট করে দিবেন। রয়টার্সের সাংবাদিক বারবার জিজ্ঞাসা করসিলেন, দ্বিদলীয়কাঠামো নিয়ে এবং তা উতরে যেতে রাজনৈতিক দল করব কিনা। আমি বলেছি, আমরা দল বা ব্যক্তি নয়, ব্যবস্থার সংস্কার চাচ্ছি। যাতে যে দলই আসুক তাকে জনগণের প্রতি দায়বদ্ধ হতে হয়। কিন্তু, এমনভাবে বলা হল যেন আমি মাইনাস টু চাচ্ছি। যেটা আমার উদ্দেশ্য না অবশ্যই। আমাদের এখনকার লক্ষ্য, রাজনৈতিক লড়াইকে সুনির্দিষ্ট উদ্দেশ্য নিয়ে গঠনমূলক কাজের দিকে চালিত করা। উপযুক্ত সময়ে রাজনৈতিক গঠন/গড়ন কেমন হবে, তা সবাই জানতে পারবেন। মাহফুজ আলম সমন্বয়ক, লিয়াজোঁ কমিটি