tgindex
মুসলিম পোর্ট

মুসলিম পোর্ট

Статистика

সর্বাগ্রে উম্মাহ

Последний пост
15 авг.
Последнее чтение
15 авг.
Постов за неделю
37
Всего постов
38
Тип
открытый
Язык
bn
В каталоге с
13 авг.
Подписчики
3 931
−4 за 4 дн.
Сутки
−4
−0,10%
Неделя
 
Месяц
 
Просмотров на пост
85
38 постов
Вовлечённость
2,2%
к подписчикам
Постов в день
5,3
всего 38
Упоминаний
1
каналов
Охват размещения
оценка
1/24сутки в ленте
105
1/48двое суток
120
1/72трое суток
129

Оценка по просмотрам недавних постов: пост набирает почти всё за первые сутки.

Посты

  • 🔴 গাজায় তাঁবু থেকে লাইভ করার সময় সন্ত্রাসী ইসরায়েলি হামলায় প্রাণ গেল ফিলিস্তিনি শিশুর অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় অস্থায়ী তাঁবুতে বসে মোবাইল ফোনে সরাসরি সম্প্রচার (লাইভ) করার সময় ইসরায়েলি সন্ত্রাসী বাহিনীর হামলায় নির্মমভাবে প্রাণ প্রদীপ নিভে গেছে এক শিশু ফিলিস্তিনির। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বাড়িঘর হারিয়ে বাস্তুচ্যুত হয়ে তাঁবুতে আশ্রয় নেওয়া ওই ছোট মেয়েটি নিজের মোবাইল ফোনটি ব্যবহার করে লাইভ ট্রানজিশনের মাধ্যমে গাজার করুণ পরিস্থিতি ও নিজেদের দৈনন্দিন দুর্দশা বিশ্ববাসীর কাছে তুলে ধরছিল। ঠিক সেই মুহূর্তেই ইসরায়েলি দখলদার বাহিনীর ছোড়া প্রাণঘাতী হামলার শিকার হয় সে। আকস্মিক এই হামলায় ঘটনাস্থলেই শিশুটির মর্মান্তিক মৃত্যু হয়। বিশ্বজুড়ে সরাসরি সেই লাইভ প্রত্যক্ষ করা দর্শকরা এই নির্মম ঘটনার সাক্ষী হন, যা চরম ক্ষোভ ও শোকের সৃষ্টি করেছে। কোনো প্রকার সামরিক হুমকি না থাকা সত্ত্বেও কেবল মোবাইল হাতে তথ্য ও বাস্তব চিত্র তুলে ধরার কারণে এভাবে এক নিষ্পাপ শিশুর প্রাণ কেড়ে নেওয়ায় মানবাধিকার সংস্থাগুলো তীব্র নিন্দা জানিয়েছে।

  • 🔴 ইতিহাসের কাঠগড়ায় ফিলিপাইনের স্বায়ত্তশাসিত মুসলিম মিন্দানাও... #Bangsamoro

  • বিছানায় বেঁধে ফিলিস্তিনি বন্দির ছবি তোলায় ৫ ইসরায়েলি সেনার ৫–১৪ দিনের সাজা ফিলিস্তিনি এক বন্দিকে বিছানায় বেঁধে ছবি তোলার ঘটনায় পাঁচ ইসরায়েলি সেনাকে ৫ থেকে ১৪ দিনের বিভিন্ন মেয়াদে শাস্তি দিয়েছে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী। নেটজাহ ইয়েহুদা ব্যাটালিয়নের সেনারা ওই…

  • বিছানায় বেঁধে ফিলিস্তিনি বন্দির ছবি তোলায় ৫ ইসরায়েলি সেনার ৫–১৪ দিনের সাজা ফিলিস্তিনি এক বন্দিকে বিছানায় বেঁধে ছবি তোলার ঘটনায় পাঁচ ইসরায়েলি সেনাকে ৫ থেকে ১৪ দিনের বিভিন্ন মেয়াদে শাস্তি দিয়েছে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী। নেটজাহ ইয়েহুদা ব্যাটালিয়নের সেনারা ওই বন্দির হাত-পা বেঁধে ছবি তুলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করেছিলেন। ছবিটি প্রকাশের পর ফিলিস্তিনি বন্দিদের ওপর নির্যাতনের অভিযোগ নিয়ে ব্যাপক ক্ষোভ দেখা দেয়। সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, বন্দিকে বেঁধে রাখা সেনাকে পাঁচ দিনের সামরিক কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে এবং তাকে যুদ্ধ দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। ছবি তোলা সেনাকেও পাঁচ দিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আরেক সেনাকে ১৪ দিনের জন্য ঘাঁটিতে সীমাবদ্ধ রাখা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কোম্পানি কমান্ডারকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং তার ডেপুটিকে শাস্তিমূলক তিরস্কার করা হয়েছে। আরও দুই সেনার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা এখনও নির্ধারিত হয়নি।

  • без подписи

  • без подписи

  • без подписи

  • без подписи

  • без подписи

  • আব্বাসিয়ান হাউস: কাশানের মরুপ্রান্তরে কাজার স্থাপত্যের অপূর্ব নিদর্শন ইরানের কাশান শহরে অবস্থিত আব্বাসিয়ান হাউস উনিশ শতকের কাজার আমলের আবাসিক স্থাপত্যের এক অনন্য নিদর্শন। প্রায় ১৮৩৪ সালে এক ধনী কাচ ব্যবসায়ীর জন্য নির্মিত এই ঐতিহাসিক ভবনটি ইরানি স্থাপত্যের সূক্ষ্ম নান্দনিকতা ও ব্যবহারিক বুদ্ধিমত্তার অসাধারণ সমন্বয় তুলে ধরে.... বিস্তারিত পড়ুন : https://www.facebook.com/share/19NgQ9S2nm/

  • দক্ষিণ লেবাননে আলী আল-তাহের পাহাড়ে বাস্তুচ্যুতদের বাড়ি বিস্ফোরণে ধ্বংস করেছে ইসরায়েলি বাহিনী দক্ষিণ লেবাননের আলী আল-তাহের পাহাড় এলাকায় বাস্তুচ্যুত লেবানিজদের কয়েকটি বাড়ি বিস্ফোরক দিয়ে ধ্বংস করেছে ইসরায়েলি দখলদার বাহিনী। এলাকাটি নাবাতিয়েহের কাছে অবস্থিত। দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি বাহিনীর গোলাবর্ষণ ও স্থাপনা ধ্বংসের ধারাবাহিকতার মধ্যেই এ ঘটনা ঘটেছে।

  • 🔴 গাজার বেঁচে থাকা মানুষের কণ্ঠ নিয়ে অস্কারের পথে সুইস প্রামাণ্যচিত্র ‘Who Is Still Alive’       গাজা উপত্যকার বেঁচে ফেরা মানুষের সাক্ষ্যভিত্তিক প্রামাণ্যচিত্র “Who Is Still Alive”-কে ২০২৭ সালের ৯৯তম একাডেমি অ্যাওয়ার্ডস-এ সেরা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র বিভাগে দেশের আনুষ্ঠানিক মনোনয়ন হিসেবে নির্বাচন করেছে সুইজারল্যান্ড। জেনেভাভিত্তিক নির্মাতা নিকোলা ওয়াদিমফ পরিচালিত চলচ্চিত্রটিতে গাজার জীবিতরা এক বিমূর্ত পরিবেশে নিজেদের ক্ষতি, উচ্ছেদ ও অস্তিত্বের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেছেন। সুইস ফেডারেল অফিস অব কালচার জানায়, চলচ্চিত্রটি হারিয়ে ফেলা, শিকড়চ্যুতি এবং অন্তর্ভুক্তির অনুভূতিকে গভীরভাবে তুলে ধরেছে। চলতি বছর সলোথার্ন চলচ্চিত্র উৎসবে এটি সুইজারল্যান্ডের সর্বোচ্চ চলচ্চিত্র সম্মান প্রি দ্য সোল্যুর অর্জন করে। একাডেমি ডিসেম্বর মাসে আন্তর্জাতিক বিভাগের সংক্ষিপ্ত তালিকা প্রকাশ করবে। চূড়ান্ত পাঁচ মনোনীত চলচ্চিত্রের নাম ঘোষণা করা হবে আগামী ২১ জানুয়ারি, আর পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হবে ১৪ মার্চ ২০২৭।

  • 🔴 সামুদ্রিক প্রতিরক্ষা জোটে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগ দিল ১৩ দেশ, উদ্বোধন সৌদি আরবের সৌদি আরব ঘোষণা দিয়েছে, বহুজাতিক সামুদ্রিক প্রতিরক্ষা জোটে আনুষ্ঠানিকভাবে ১৩টি দেশ যোগ দেওয়ায় জোটটির কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার জেদ্দায় ওয়েস্টার্ন ফ্লিট কমান্ডে অনুষ্ঠিত তৃতীয় পরিকল্পনা বৈঠকে ৩৯টি মিত্র ও বন্ধুত্বপূর্ণ দেশের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। সৌদি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, যৌথ ঘোষণাপত্রে ১৫টি দেশ স্বাক্ষর করলেও এর মধ্যে ১৩টি দেশ জাতীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে জোট সনদে স্বাক্ষর করে আনুষ্ঠানিক সদস্যপদ গ্রহণ করেছে। জোটের প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোও দ্রুত সম্পন্ন হচ্ছে। প্রথম মেয়াদে একজন সৌদি কর্মকর্তা জোটের কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন এবং পাকিস্তান উপ-কমান্ডারের দায়িত্ব নেবে। এছাড়া জোটের সদর দপ্তর, লোগো এবং সাংগঠনিক ও পরিকল্পনাগত নীতিমালা চূড়ান্ত করা হয়েছে, যা শিগগিরই পূর্ণাঙ্গ কার্যক্রম শুরু করতে সহায়তা করবে।

  • 🔴 গাজা সংকটে আরও কঠোর পদক্ষেপে একমত তুরস্ক–মিসর গাজার চলমান মানবিক সংকট মোকাবিলায় আরও কঠোর ও সমন্বিত পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়ে একমত হয়েছে তুরস্ক ও মিসর। বৃহস্পতিবার মিসরের উপকূলীয় শহর আল-আলামাইনে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান। তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন মিসরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর আবদেলাত্তি। ফিদান বলেন, গাজায় মানবিক সহায়তা দ্রুত পৌঁছানো, ফিলিস্তিনিদের ওপর হামলা ও হত্যাকাণ্ড বন্ধ করা এবং গাজা শান্তি পরিকল্পনার শর্ত বাস্তবায়নে দুই দেশ যৌথভাবে কাজ করবে। তিনি ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সরকারের কঠোর সমালোচনা করে বলেন, “গাজা এখন শুধু আঞ্চলিক সংকট নয়; মানব মর্যাদা পদদলিতকারী নীতির কারণে এটি পুরো আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা ইস্যুতে পরিণত হয়েছে।” দুই দেশের মন্ত্রীরা আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে সমন্বিত কৌশল নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা করেন।

  • 🔴 লেবানন ও গাজা থেকে সেনা সরাবে না দখলদার ইজরায়েল দক্ষিণ লেবানন ও ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজায় ইসরাইলি সেনাদের নিয়ন্ত্রিত ‘নিরাপত্তা অঞ্চল’ থেকে সেনা প্রত্যাহার করা হবে না বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরাইল কাটজ। বুধবার (১২ আগস্ট) লেবাননে ইসরাইলের দখলে থাকা বিউফোর্ট রিজ এলাকা থেকে ধারণ করা এক ভিডিও বার্তায় তিনি এ কথা বলেন। কয়েকদিন আগে রোমে ইসরাইল ও লেবাননের কর্মকর্তাদের মধ্যে আলোচনা হওয়ার মাত্র কয়েকদিন পরই কাটজের এমন মন্তব্য সামনে এলো। গত ২৬ জুনের একটি চুক্তি বাস্তবায়নের বিষয়েই ওই আলোচনা হয়। চুক্তি অনুযায়ী, হিজবুল্লাহ নিরস্ত্র হয়েছে—এমন প্রমাণ পাওয়া গেলে ধাপে ধাপে দক্ষিণ লেবানন থেকে ইসরাইলি সেনা প্রত্যাহারের কথা রয়েছে।

  • 🔴 হরমুজে আমিরাতের ২ সরকারি জাহাজে হামলা, অভিযোগ ইরানের দিকে শুক্রবার (১৪ আগস্ট) আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। আমিরাতের সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় জলপথটি অতিক্রম করার সময় আবুধাবি ন্যাশনাল অয়েল কোম্পানির (এডিএনওসি) দুটি জাহাজ হামলার শিকার হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। শুক্রবার ভোরে এক বিবৃতিতে সংযুক্ত আরব আমিরাতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করার সময় এডিএনওসি-সংশ্লিষ্ট দুটি জাহাজকে লক্ষ্য করে চালানো ইরানের ‘বৈরী হামলার’ তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়েছে

  • 🗞️ | একসময় মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতিতে মিসরকে পাশ কাটিয়ে কোনো বড় হিসাব কষা অত্যন্ত কঠিন ছিল। কায়রো ছিল আরব বিশ্বের “রাজনৈতিক হৃদয়” যাকে বলে, সেইসাথে সামরিক শক্তির অন্যতম প্রধান কেন্দ্র এবং আঞ্চলিক সংকটে একটি স্বাভাবিক মধ্যস্থতাকারী। এমনকি নাসেরের সময়ও মিসর ছিল আরব জাতীয়তাবাদের প্রধান কণ্ঠস্বর। পরবর্তী সময়ে সেই বিপ্লবী ভাষা বদলে গেলেও মিসরের গুরুত্ব আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে কোনো অংশেই হারায়নি। বরং আনোয়ার সাদাতের আমল থেকে যুক্তরাষ্ট্র, ইজরায়েল ও উপসাগরীয় রাজতন্ত্রগুলোর সঙ্গে মিসরের সম্পর্ক দেশটির মধ্যপ্রাচ্যের প্রচলিত নিরাপত্তাব্যবস্থার অন্যতম প্রধান স্তম্ভে পরিণত করে। বিস্তারিত পড়ুন- মিসরকে ছাড়িয়ে নতুন "নিরাপত্তা মানচিত্র" আঁকছে মধ্যপ্রাচ্য? - মুসলিম পোর্ট https://share.google/Onfip3IcFVCKGpYhv

  • 🔴 তুরস্কে সামরিক প্রশিক্ষণ চলাকালে বিধ্বস্ত এফ-১৬ যুদ্ধবিমান, প্রাণে বাঁচলেন পাইলট তুরস্কের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় ইয়ালোভা (Yalova) প্রদেশে রুটিন প্রশিক্ষণ চলাকালে দেশটির বিমানবাহিনীর একটি এফ-১৬ (F-16) যুদ্ধবিমান বিধ্বস্থ হয়েছে। তবে বিমানটি মাটিতে আছড়ে পড়ার আগেই পাইলট প্যারাস্যুটের সাহায্যে নিরাপদে বেরিয়ে আসতে (ইজেক্ট) সক্ষম হন, ফলে তিনি অলৌকিকভাবে প্রাণে বেঁচে গেছেন। তুরস্কের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানিয়েছে, প্রশিক্ষণ চলাকালে হঠাৎ দুর্ঘটনাটি ঘটে। পাইলটকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য দ্রুত স্থানীয় হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে এবং তার অবস্থা বর্তমানে আশঙ্কামুক্ত। ঘটনাস্থলে উদ্ধারকারী ও ফায়ার সার্ভিসের টিম পাঠানো হয়েছে। ঠিক কী কারণে প্রযুক্তিগত ত্রুটি বা বিমানটি দুর্ঘটনায় পতিত হলো, তা উদ্ঘাটনে ইতোমধ্যেই উচ্চপর্যায়ের তদন্ত শুরু করেছে তুর্কি কর্তৃপক্ষ।

  • 🔴 গাজার হাসপাতালে চিকিৎসা সরঞ্জাম ভাঙচুর দখলদার ইসরায়েলি সেনাদের, আনন্দ মেতে ভিডিও শেয়ার অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকার বিভিন্ন হাসপাতালে প্রবেশ করে স্পর্শকাতর ও জীবনরক্ষাকারী চিকিৎসা সরঞ্জাম ভাঙচুর ও নষ্ট করার ঘটনা ঘটাচ্ছে দখলদার ইসরায়েলি বাহিনী সেনাসদস্যরা। শুধু তাই নয়, গুরুতর এই অন্যায় কাজগুলো ভিডিও ধারণ করে বিনোদন ও আনন্দের ছলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজেদের অ্যাকাউন্টে প্রকাশ করছে তারা। সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একাধিক ফুটেজে দেখা যায়, আল্ট্রাসাউন্ড ও অন্যান্য জটিল চিকিৎসায় ব্যবহৃত দামি ও প্রয়োজনীয় নানা সরঞ্জাম ভাঙচুর করছে সেনাসদস্যরা। গাজার স্বাস্থ্যব্যবস্থা যখন চরম সংকটে এবং রোগীরা প্রয়োজনীয় চিকিৎসা পাচ্ছেন না, ঠিক তখন সেনাদের এমন কুরুচিপূর্ণ আচরণ আন্তর্জাতিক উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। মানবাধিকার সংগঠন ও স্বাস্থ্যকর্মীরা একে সরাসরি যুদ্ধাপরাধ ও সাধারণ ফিলিস্তিনিদের জীবন নিয়ে তামাশা হিসেবে বর্ণনা করেছেন। বিশ্বজুড়ে বিষয়টি নিয়ে তীব্র নিন্দা ও সমালোচনার ঝড় উঠেছে।

  • 🔴 সিরিয়ার কোবানিতে নিরাপত্তা সদর দপ্তরে কুর্দি বিক্ষোভকারীদের আগুন, কারফিউ জারি উত্তর সিরিয়ার কোবানি শহরে একটি অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বাহিনীর ভবনে আগুন দিয়েছে বিক্ষুব্ধ কুর্দি বিক্ষোভকারীরা। স্বদেশে ফিরে আসা কুর্দি পরিবারগুলোর ওপর হামলার খবরের জেরে তৈরি হওয়া অসন্তোষ থেকে এই বিক্ষোভ ও সহিংসতার ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রের বরাতে জানা যায়, বাস্তুচ্যুত কুর্দি পরিবারগুলো নিজেদের ভিটেমাটিতে ফেরার সময় হামলার শিকার হয়েছে—এমন খবরে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। রাতে শত শত বিক্ষোভকারী রাস্তায় নেমে এসে সরকারি ভবনে হামলা চালায় এবং নিরাপত্তা সদর দপ্তরে আগুন ধরিয়ে দেয়। সহিংসতা ছড়ানোর পরপরই অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বাহিনী কোবানি শহরজুড়ে রাতারাতি সান্ধ্য আইন (কারফিউ) জারি করে এবং অতিরিক্ত সেনাসদস্য মোতায়েন করে। সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং সরকারি সম্পত্তি হেফাজতে পুরো অঞ্চলে কড়া নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলা হয়েছে।