- Последний пост
- 23 апр.
- Последнее чтение
- 13 авг.
- Постов за неделю
- 0
- Всего постов
- 20
- Тип
- открытый
- Язык
- bn
- В каталоге с
- 13 авг.
- 1/24сутки в ленте
- —
- 1/48двое суток
- —
- 1/72трое суток
- —
Оценка по просмотрам недавних постов: пост набирает почти всё за первые сутки.
Посты
তাওবা কবুল হওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ আলামত হলো— অতীতের গুনাহ স্মরণ হলে অন্তর নরম হয়ে আসে, চোখে অশ্রু ঝরে; আর ভবিষ্যতে সেই গুনাহে পুনরায় জড়িয়ে পড়ার ভয় হৃদয়ে জাগ্রত থাকে। সে ব্যক্তি ধীরে ধীরে খারাপ সঙ্গ ত্যাগ করে, এবং নেককারদের সান্নিধ্য বেছে নেয়— কারণ সে বুঝে গেছে—গুনাহের পথে থাকলে ভালো পরিণতি আসবে না। - শাকীক আল-বালখি (রহ.) কিতাব: সিয়ার আ’লাম আন-নুবালা, ৩১৫/৯
ইমাম আবু হানিফা রা. এর জীবনী পড়ছিলাম। সেখানে পেলাম, তিনি সবসময় খুব পরিপাটি হয়ে অভিজাত সাজে থাকতেন। দামী কাপড়চোপড় পরতেন। এতো দামী আতর ব্যবহার করতেন যে, যেদিক দিয়ে যেতেন চলে যাবার বহু সময় পরেও তার ঘ্রাণ থেকে যেতো। লোকে বুঝতো যে এই পথে আবু হানিফা গিয়েছে। তার সাধারণ দামী জামার চেয়েও বেশি দামী একটা জামা ছিল, যেটা নামাজের সময় পরতেন। কেউ যখন জিগ্যেস করলো, এতো দামী জামা তো মানুষ বাদশার সাথে দেখা করতে গেলে পরে। তখন তিনি বলেছিলেন, নামাজের সময় মানুষের আল্লাহর সাথে দেখা হয়। আর বাদশার সাথে দেখা করতে দামী জামা পরার থেকেও আল্লাহর সাথে দেখা করার সময় দামী জামা পরা বেশি জরুরি। তাঁর এক সাগরেদ মলিন কাপড় পরে দরসে এসেছিল। তিনি তাকে দরসের পরে দেখা করতে বললেন। সে এলে তাকে এক হাজার দিরহাম দিয়ে বললেন ভালো কাপড়চোপড় কিনে নিতে৷ সে বললো, আমার যথেষ্ট টাকা-পয়সা আছে। তখন তিনি বললেন, তাহলে তুমি এমন মলিন জীর্ণ কাপড় পরে আছো কেন? তুমি কি সেই হাদিসটা জানো না, যেখানে বলা হয়েছে বান্দার উচিত তার মধ্যে যেন আল্লাহর নেআমতের চিহ্ন প্রকাশিত হয়? আল্লাহ এই মহান ইমামের মর্যাদাকে আরো বুলন্দ করুন৷ আমিন। লেখক- مكانة الإمام أبي حنيفة عند المحدثين লেখক Maruf Mojib হাফিজাহুল্লাহ।
বাবা-মা যদি অন্যায়ভাবে সন্তানের বিরুদ্ধে বদদু'আ করে, তাহলে সে গুনাহগার হবে। অন্যদিকে এই বদদু'আ সন্তানের জন্য কাফ্ফারা হবে এবং ধৈর্যধারণের জন্য সেই সন্তান নেকী পাবে। — ইমাম ইবনে তাইমিয়্যাহ (রহি.) [সূত্র : মাজমুউল ফাতাওয়া, ৩১/৩০৩]
হযরত থানভী (রহ.) বলেছেন যে, মানুষের তাকওয়া-খোদাভীতি বৃদ্ধি পাওয়ার দ্বারা স্ত্রীর প্রতি ভালোবাসাও বৃদ্ধি পায়। কেননা, সে জানে যে, আল্লাহ তাআলার পক্ষ থেকে তার দায়িত্ব আমার উপর অর্পিত হয়েছে। আমি তা আদায় করতে বাধ্য। এই নিয়তে যখন সে তা আদায় করে তখন সওয়াবের অধিকারী হয়। -মুফতী তাকী উসমানী হাফি. [ইসলাহী মাজালিস : ২/৩০৬]
রমজান শেষ হলেও রোজা রাখার সুযোগ শেষ হয়নি। কিয়ামুল লাইল শেষ হয়ে যায়নি। কুরআনও হারিয়ে যায়নি। সওয়াবের আশ্বাসও ফুরোয়নি।
এক মাস রোজা রাখার পর মুমিনের হৃদয়ে যে প্রশান্তি ও আত্মশুদ্ধির অনুভূতি জাগে, সেটাই রমাদানের প্রকৃত নেয়ামত। তবে সত্যিকারের সফলতা তখনই, যখন এই এক মাসের ইবাদতের প্রভাব পরবর্তী মাসগুলোতেও অব্যাহত থাকে।
আজকে শুক্রবার তাই চেষ্টা করবেন বেশি বেশি দুরূদ পড়ার⁉️ দরুদ পড়ুন : اَللَّهُمَّ صَلِّ وَسَلِّمْ عَلَى نَبِيِّنَا مُحَمَّدٍ (আল্লাহুম্মা সাল্লি ওয়া সাল্লিম আলা নাবিয়্যিনা মুহাম্মাদ) অর্থ : হে আল্লাহ! আপনি আমাদের নবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে রহমত ও শান্তি দান করুন। — সহীহুত তারগীব ওয়াত তারহীব : ১/২৭৩
মা–বাবার সন্তুষ্টি আল্লাহর সন্তুষ্টি, আর মা–বাবার অসন্তুষ্টি আল্লাহর অসন্তুষ্টি। হাদিসে আরও আছে, “যে ব্যক্তি চায় তার রিযিকে প্রশস্ততা ও জীবনে বরকত আসুক, সে যেন আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষা করে।” (মা–বাবা সম্পর্কই আত্মীয়তার মূল ও সর্বোচ্চ অধিকারপ্রাপ্ত সম্পর্ক।) সুতরাং কেউ যদি মা–বাবার সাথে বেয়াদবি করে বা তাদের কষ্ট দেয়, তবে তার জীবনে তিনটি ভয়াবহতা আসতে পারে- ▪️রিযিক কমে যাওয়া, ▪️কাজের বরকত উঠে যাওয়া, ▪️মানসিক অশান্তি বেড়ে যাবে কারণ খুঁজে পাবেনা। আপডেট জেনারেশনের "ব্যাকডেট" ভাবা পিতা মাতার বিষয়ে সন্তানরা সাবধান!
اَللّٰهُمَّ إِنِّيْ أَسْأَلُكَ مِنْ فَجْأَةِ الْخَيْرِ وَأَعُوْذُ بِكَ مِنْ فَجْأَةِ الشَّرِّ আল্লাহুম্মা ইন্নী আস'আলুকা মিন ফাজ'আতিল খায়রি ওয়া আয়ূযুবিকা মিন ফাজ'আতিশ শাররি। হে আল্লাহ! 'হঠাৎ করে' আসা সুসংবাদগুলো চেয়ে নিচ্ছি তোমার কাছে। আর আশ্রয় ও পানাহ চাচ্ছি 'হুটকরে' চলে আসা দুঃসংবাদগুলো থেকে।
قال عمران بن حصين: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ثلاث يدرك بهن العبد رغائب الدُّنيا والآخرة : الصبرُ عند البلاء ، والرضا بالقضاء ، والدُّعاء في الرخاء الزهد لأبي داود ٣٩٢ রাসুলের সাহাবী ইমরান ইবনে হোসাইন বলেন প্রিয়নবী (স:) ইরশাদ করেন যে ব্যক্তি তিনটি গুণ অর্জন করবে সে দুনিয়া ও আখেরাতের সফলতা অর্জন করবে। ১. বিপদে-আপদে ধৈর্য ধারণ করা ২. আল্লাহর ফয়সালাকে সন্তুষ্ট চিত্তে মেনে নেওয়া ৩. সুস্থ সচ্ছল ভালো অবস্থায় দোয়ায় যত্নবান হওয়া আল্লাহ তায়ালা আমাদের সবাইকে আমল করার তৌফিক দান করুন।
হযরত থানভী (রহ.) বলেছেন যে, মানুষের তাকওয়া-খোদাভীতি বৃদ্ধি পাওয়ার দ্বারা স্ত্রীর প্রতি ভালোবাসাও বৃদ্ধি পায়। কেননা, সে জানে যে, আল্লাহ তাআলার পক্ষ থেকে তার দায়িত্ব আমার উপর অর্পিত হয়েছে। আমি তা আদায় করতে বাধ্য। এই নিয়তে যখন সে তা আদায় করে তখন সওয়াবের অধিকারী হয়। -মুফতী তাকী উসমানী হাফি. [ইসলাহী মাজালিস : ২/৩০৬]
’চারটা জিনিস রিজিক আটকে রাখে। সকালের ঘুম, কম নামাজ পড়া, অলসতা ও খিয়ানত।’ (ইবনু কায়্যিমিল জাওযিয়াহ রাহিমাহুল্লাহ; যাদুল মাআদ: ৩৭৮/৪)
যে সন্তান তার বাবাকে সম্মান করে সে কখনো দরিদ্র হয়না আর যে সন্তান মাকে সম্মান করে সে কখনো অসম্মানিত হয়না। আল্লাহ তায়ালা আমাদের সকলকে মা বাবাকে সম্মান করার তাওফীক দান করুন।
হোয়াটসএ্যাপ, মেসেঞ্জার ইত্যাদিতে লিখিত কিংবা ভয়েসে পাঠানো সালামের জবাব মৌখিকভাবে দেয়া ওয়াজিব৷ ভয়েসে সালামের জবাব দেয়া আবশ্যক না৷ লিখিতভাবে জবাব দেয়া মুস্তাহাব।
কথা ছিল– নেক আমল করার মাধ্যমে আমরা নিজেদের জান্নাতের দিকে নিয়ে যাবো; কিন্তু আমরা খেল-তামাশা আর ভোগ-বিলাসিতায় ডুবে গিয়ে নফসকে খুশি করতে করতে নিজেদের জান্নাত থেকে অনেক দূরে নিয়ে যাচ্ছি।
অনেকেই ভুল করে কাদিয়ানী মতবাদকে হানাফী, শাফেয়ী, মালেকী কিংবা হাম্বলী মাজহাবের মতো কোনো মতানৈক্য বা ভিন্ন মতের ধারার সাথে তুলনা করেন। কেউ কেউ আবার মনে করেন এটি কেবল আমাদের দেশের বিভিন্ন ফেরকার মতো আরেকটি মতভেদ। তিনি স্পষ্ট করেন, এ ধারণা সম্পূর্ণ গলত। কাদিয়ানী কোনো মাজহাব নয়, কোনো ইসলামি ফেরকাও নয়। এটি ইসলাম থেকে সম্পূর্ণ বিচ্যুত, ঈমান বিধ্বংসী এক বাতিল মতাদর্শ। অন্যান্য ফেরকার মাঝে ভ্রান্তি থাকতে পারে, কিন্তু তারা মুসলিমই থাকে। কিন্তু কাদিয়ানীরা অমুসলিম। এ সত্য সমাজের প্রতিটি শ্রেণীর মানুষের জানা জরুরি। যেসব সাংবাদিক কাদিয়ানীদের অবস্থান জানার পরও জাতির কাছে ভুল তথ্য উপস্থাপন করে, তাদের ঈমানেও দুর্বলতার চিহ্ন স্পষ্ট। ব্যবসায়ীদেরও সচেতন হতে হবে। কাদিয়ানীদের মালিকানাধীন পণ্য আরএফএল, প্রাণ বা যেকোনো নামে বাজারে প্রচলিত এসবের সর্বাত্মক বয়কট এখন ফরজ দায়িত্ব। আমরা আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য নামাজ পড়ি, আর সেই নামাজের উজুর জন্য নবীর দুশমনদের তৈরি আরএফএলের বদনা ব্যবহার করি এর চেয়ে বেদনাদায়ক আর কী হতে পারে। বয়কট করে বিকল্প পণ্য বাজারজাত করা সময়ের দাবি ও ঈমানের শর্ত। ইমাম খতিব ছাত্র উস্তাদ যাঁরাই কাদিয়ানী ফিতনা নিয়ে কথা বলবেন, তা যেন বসিরাতের সাথে,গবেষণার আলোকে হয়, জ্ঞানের সাথে হয়, তাফাক্কুহ ফিদ দ্বীনের মান বজায় রেখেই হয়। আজকের সময়ে গভীরভাবে পড়াশোনা করা, ফিতনা সনাক্ত করা এবং জাতিকে সঠিক পথ দেখানো অত্যন্ত অপরিহার্য হয়ে দাঁড়িয়েছে।
দুঃখ ও দুশ্চিন্তার সময় পড়ার দোয়া اللَّهُمَّ إنِّي عَبْدُكَ، اِبْنُ عَبْدِكَ، اِبْنُ أَمَتِكَ، نَاصِيَتِيْ بِيَدِكَ، مَاضٍ فِيَّ حُكْمُكَ، عَدْلٌ فِيَّ قَضَاؤُكَ، أَسْأَلُكَ بِكُلِّ اسْمٍ هُوَ لَكَ، سَمَّيْتَ بِهِ نَفَسَكَ، أَوْ أَنْزَلْتَهُ فِيْ كِتَابِكَ، أَوْ عَلَّمْتَهُ أَحَدًا مِّنْ خَلْقِكَ، أَوِ اسْتَأْثَرْتَ بِهِ فِيْ عِلْمِ الْغَيْبِ عِنْدَكَ، أَنْ تَجْعَلَ القُرْآنَ رَبِيْعَ قَلْبِيْ، وَنُوْرَ صَدْرِيْ، وَجَلَاءَ حُزْنِيْ، وَذَهَابَ هَمِّيْ হে আল্লাহ! আমি আপনার বান্দা, আপনারই এক বান্দার পুত্র এবং আপনার এক বাঁদীর পুত্র। আমার কপাল (নিয়ন্ত্রণ) আপনার হাতে; আমার উপর আপনার নির্দেশ কার্যকর; আমার ব্যাপারে আপনার ফয়সালা ন্যায়পূর্ণ। আমি আপনার কাছে প্রার্থনা করি আপনার প্রতিটি নামের উসীলায়; যে নাম আপনি নিজের জন্য নিজে রেখেছেন অথবা আপনি আপনার কিতাবে নাযিল করেছেন অথবা আপনার সৃষ্টজীবের কাউকেও শিখিয়েছেন অথবা নিজ গায়েবী জ্ঞানে নিজের জন্য সংরক্ষণ করে রেখেছেন—আপনি কুরআনকে বানিয়ে দিন আমার হৃদয়ের প্রশান্তি, আমার বক্ষের জ্যোতি, আমার দুঃখের অপসারণকারী এবং দুশ্চিন্তা দূরকারী। - আল্লা-হুম্মা ইন্নী ‘আবদুকা ইবনু ‘আবদিকা ইবনু আমাতিকা, না-সিয়াতী বিয়াদিকা, মা-দ্বিন ফিয়্যা হুকমুকা, ওয়া আদলুন ফিয়্যা কাদ্বা-উকা, আসআলুকা বিকুল্লি ইসমিন্ হুয়া লাকা সাম্মাইতা বিহি নাফসাকা, আও আনযালতাহু ফী কিতা-বিকা আও ‘আল্লামতাহু আহাদাম্-মিন খালক্বিকা আও ইস্তা’সারতা বিহী ফী ‘ইলমিল গাইবি ‘ইনদাকা, আন্ তাজ‘আলাল কুরআ-না রবী‘আ ক্বালবী, ওয়া নূরা সাদ্রী, ওয়া জালা’আ হুযনী ওয়া যাহা-বা হাম্মী - আব্দুল্লাহ ইবনু মাস’ঊদ (রা) বলেন, রাসূলুল্লাহ (স) বলেছেন: “যে কোনো ব্যক্তি যদি কখনো দুশ্চিন্তা ও উৎকণ্ঠাগ্রস্ত অবস্থায় বা দুঃখ বেদনার মধ্যে নিপতিত হয়ে উপরের বাক্যগুলি বলে দু‘আ করে, তাহলে অবশ্যই আল্লাহ তার দুশ্চিন্তা ও উৎকণ্ঠা দূর করবেনই এবং তার বেদনাকে আনন্দে রূপান্তরিত করবেনই।” উপস্থিত সাহাবীগণ বলেন : তাহলে আমাদের উচিত এ বাক্যগুলো শিক্ষা করা। তিনি বললেন : “হাঁ, অবশ্যই, যে এগুলো শুনবে তার উচিত এগুলো শিক্ষা করা।” হাদীসটির সনদ গ্রহণযোগ্য। . বি. দ্র. মহিলারা এ দুআ পাঠ করলে দুআর শুরুতে বলবেন: “আল্লা-হুম্মা ইন্নী আমাতুকা, ওয়া বিনতু আবদিকা ওয়া বিনতু আমাতিকা ...”, অর্থাৎ: হে আল্লাহ আমি আপনার বান্দী, আপনার (একজন) বান্দার কন্যা, আপনার এক বান্দীর কন্যা ....। আহমাদ ১/৩৯১, নং ৩৭১২ আর শাইখ আলবানী তাঁর সিলসিলাতুল আহাদীসিস সহীহাহ গ্রন্থে ১/৩৩৭ একে সহীহ বলেছেন।
আল্লাহ তা'আলা কিছু বান্দাকে দুনিয়াতে সব নিয়ামত দেন না। কিছু নিয়ামত রেখে দেন, জান্নাতে স্পেশালভাবে দিবেন বলে!
হাঁটতে হাঁটতে নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বেদনাভরা কণ্ঠে, খুব ক্ষীণ আওয়াজে বললেন, “মুআয, হয়তো এ বছরের পর আমার সাক্ষাৎ আর পাবে না তুমি।” এ কথা শুনে মুআযের হৃৎকম্পন যেন থেমে যায়। শোকে স্তব্ধ হয়ে যায় চারিপাশ। এরপর নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর কথা পূর্ণ করেন, “আর হয়তো তুমি এই মসজিদের সামনে এসে দাঁড়াবে, হেঁটে যাবে আমার কবরের পাশ দিয়ে।” অশ্রু এসে জমা হলো মুআযের চোখের কোণে। কতটা কষ্ট আর হৃদয় পোড়ার বেদনা লুকিয়ে আছে ‘আমার কবরের পাশ দিয়ে’ কথাটির মাঝে! বই : তিনিই আমার প্রাণের নবি (ﷺ) লেখক : শায়খ আলী জাবির আল ফাইফী।
“আপনি আপনার গুনাহের ফল তাৎক্ষণিকভাবে দেখতে পাচ্ছেন না বলে ধোঁকা খাবেন না। হতে পারে এর পরিণতি আপনি চল্লিশ বছর পরে হলেও দেখতে পাবেন।” — ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম (রহ.) আদ্-দাউ ওয়াদ দাওয়া কারণ, গুনাহ সময়ের সাথে সাথে মুছে যায় না। এর পরিণতি ঘাপটি মেরে থাকে। যখন আমরা একেবারেই নিশ্চিন্ত হয়ে যাই, খারাপ কিছুর জন্য প্রস্তুত থাকি না, তখন গুনাহের ভার আমাদের ওপর নেমে আসে। তাই গুনাহ হয়ে গেলে সঙ্গে সঙ্গে তাওবা করে নেয়া। তাওবা করতে দেরি করাটাই সম্ভবত সেই কারণ, যার জন্য আজ আমাদের জন্য কল্যাণের কোনো কোনো দরজা বন্ধ হয়ে আছে। খুলছে না। আস্তাগফিরুল্লাহ ওয়াআতু-বু ইলাইহ্। #গুনাহ #রিমাইন্ডার #তাওবা