FEAR ALLAH
Статистика- Последний пост
- 2 авг.
- Последнее чтение
- 13 авг.
- Постов за неделю
- 0
- Всего постов
- 20
- Тип
- открытый
- Язык
- bn
- В каталоге с
- 13 авг.
- 1/24сутки в ленте
- 259
- 1/48двое суток
- 296
- 1/72трое суток
- 320
Оценка по просмотрам недавних постов: пост набирает почти всё за первые сутки.
Посты
ইবনে আব্দুল হাদি বলেন: "আমি এমন অনেককে দেখেছি...
দোকানঘর ভাড়া নেওয়ার আগে মালিককে সিকিউরিটি বা অগ্রিম যামানত হিসাবে টাকা জমা দেওয়ার প্রচলিত নিয়ম জায়েয কি? উত্তর : উক্ত নিয়ম জায়েয। মালিক যদি ভাড়াটিয়ার উপর এই শর্ত আরোপ করেন যে, তাকে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ যামানত প্রদান করতে হবে যা ভাড়ার মেয়াদকালীন সময়ে তার কাছে জমা থাকবে, তবে তা জায়েয। এটা এজন্য যে, ভাড়াটিয়া বকেয়া ভাড়া পরিশোধে অস্বীকৃতি জানালে তা যেন সেই অর্থ থেকে আদায় করা যায়। তবে যামানতদাতার অনুমতি ছাড়া মালিক তা নিজের ব্যক্তিগত কাজে বা ব্যবসায় বিনিয়োগ করতে পারবে না। ইবনু কুদামাহ (রহঃ) বলেন, 'আর যদি বন্ধক রাখা বস্তুটি কোন বিক্রয়লব্ধ মূল্য, ঘরের ভাড়া কিংবা ঋণ ছাড়া অন্য কোন পাওনার বিপরীতে হয়ে থাকে এবং বন্ধকদাতা বন্ধকগ্রহীতাকে তা ব্যবহারের অনুমতি প্রদান করেন, তবে তা জায়েয হবে' (আল-মুগনী ৪/২৮৯)। [মাসিক আত তাহরিক প্রশ্ন (৭/৩৬৭) ]
সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেকে রাশিফল বা জ্যোতিষশাস্ত্রকে বিনোদন হিসাবে দেখে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে মিলেও যায় বলে মনে হয়। এগুলো পড়া বা শেয়ার করা যাবে কি? উত্তর: এগুলো বিশ্বাস করা এবং পড়া বা শেয়ার করা যাবে না। বরং গণককে বিশ্বাস করলে বা তার কথা সত্য বলে মেনে নিলে আমল বিনষ্ট হয়ে যাবে। রাসূল (ছাঃ) বলেছেন, 'যে ব্যক্তি গণকের কাছে যায় এবং তাকে কোন বিষয় জিজ্ঞেস করে, তার ৪০ দিনের ছালাত কবুল হয় না' (মুসলিম হা/২২৩০, মিশকাত হা/৪৫৯৫)। তিনি বলেন, 'যে ব্যক্তি গণকের কাছে গেল এবং সে যা বলে তা বিশ্বাস করল, সে মুহাম্মাদ-এর প্রতি যা অবর্তীর্ণ হয়েছে, তার সাথে কুফরী করল' (আবূদাঊদ হা/৩৯০৪; মিশকাত হা/৪৫৯৯)। মাসিক আত-তাহরীক (প্রশ্ন (১৮/৩৭৮)
তাঁর নিকট মাথা নত না করে কখনোই বসবো না। আল্লাহ আমাদেরকে তাঁর ঘরের আদব যথাযথভাবে রক্ষা করার তাওফীক দান করুন- আমীন! ড. ইহসান ইলাহী যহীর প্রিন্সিপাল, জামে‘আ দারুত তাওহীদ, কচুয়া, চাঁদপুর। [1]. বুখারী হা/৪৪৪; মুসলিম হা/৭১৪; মিশকাত হা/৭০৪। [2]. বুখারী হা/৯৩১। [3]. বায়হাক্বী শো‘আব হা/৮৭৭৮; ছহীহাহ হা/৬৪৯। [4]. বুখারী, হা/১৪২৩, ৬৩০৮; মুত্তাফাক্ব আলাইহ, মিশকাত হা/৭০১।। [5]. আহমাদ হা/২০৫৭১; আবুদাঊদ হা/১২৮১। [6]. নববী, আল-মাজমূ‘ ৪/৪০১; উছায়মীন, ফাতাওয়া নূরুন ‘আলাদ-দারব ৮/২। [7]. বুখারী হা/৪৪৪, ১১৬৩; মুসলিম হা/১৬৮৭; মিশকাত হা/৭০৪। [8]. ইবনু বায, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ১৩/১৫। [9]. উছায়মীন, আশ-শারহুল মুমতে‘ ৫/১৫৩। [10]. মুসলিম হা/৮৭৫; আহমাদ হা/১৪৪৪৫। [11]. মুসলিম হা/৭২৬৭ (২৮৯২)। [12]. ইবনু মাজাহ হা/১১২৯; আলবানী, সিলসিলা যঈফাহ হা/১০০১। [13]. বুখারী হা/৪৪৪; মুসলিম হা/৭১৪; মিশকাত হা/৭০৪।
খত্বীবের জন্য ‘তাহিইয়াতুল মাসজিদ’ আদায় করার বিধান : খুৎবার নির্ধারিত সময়ের পূর্বে খত্বীব মসজিদে প্রবেশ করলে অবশ্যই ‘তাহিইয়াতুল মাসজিদ’ দুই রাক‘আত ছালাত পড়ে বসবেন। তবে একেবারে খুৎবার সময়ে পৌঁছলে ‘তাহিইয়াতুল মাসজিদ’ না পড়েও সরাসরি মিম্বরে ওঠতে পারেন। কেননা জুম‘আর দিন রাসূল (ছাঃ) মসজিদে গিয়েই খুৎবার জন্য সরাসরি মিম্বরে বসতেন।[6] এ সুযোগ কেবল খত্বীবের জন্য, সাধারণ মুছল্লীদের জন্য নয়। ওযরবশত ঈদায়নের ছালাত মসজিদে পড়তে হ’লে করণীয় : বৃষ্টি বা অন্য কোন কারণে ঈদায়নের ছালাত মসজিদে আদায় করা হ’লে মসজিদে বসার পূর্বে দুই রাক‘আত ‘তাহিইয়াতুল মাসজিদ’ ছালাত আদায় করতে হবে। কেননা এটা মসজিদের আদবের সাথে সম্পর্কিত সুন্নাত। ঈদায়নের ছালাতের সাথে সম্পর্কিত নয়। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন,إِذَا دَخَلَ أَحَدُكُمُ الْمَسْجِدَ فَلاَ يَجْلِسْ حَتَّى يُصَلِّيَ رَكْعَتَيْنِ وفي رواية فَلْيَرْكَعْ رَكْعَتَيْنِ قَبْلَ أَنْ يَّجْلِس. ‘তোমাদের কেউ মসজিদে প্রবেশ করলে দুই রাক‘আত ছালাত আদায় করার পূর্বে যেন না বসে’। অন্য বর্ণনায় এসেছে, ‘সে যেন বসার পূর্বে দুই রাক‘আত ছালাত আদায় করে নেয়’।[7] উক্ত বিষয়ে শায়খ বিন বায (রহঃ) বলেন, ‘ঈদের ছালাত মসজিদে আদায় করতে হ’লে তার পূর্বে দুই রাক‘আত ছালাত আদায় করবে, যদিও তখন নিষিদ্ধ সময় হয়। তবে ঈদগাহে ঈদের ছালাত আদায় করলে তার পূর্বে ও পরে আর অন্য কোন ছালাত নেই’।[8] শায়খ উছায়মীন (রহঃ) একই বক্তব্য প্রদান করেন।[9] জুম‘আর খুৎবা চলাকালীন ‘তাহিইয়াতুল মাসজিদ’ আদায় : তাহিইয়াতুল মাসজিদের গুরুত্ব যে কত বেশী, তা জুম‘আর দিনের একটি ঘটনা থেকে সহজে অনুধাবন করা যায়। ইমামের খুৎবা চলাবস্থায়ও যদি কেউ মসজিদে প্রবেশ করে, তবুও তাকে এই দুই রাক‘আত ছালাত পড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জাবের বিন আব্দুল্লাহ (রাঃ) হ’তে বর্ণিত তিনি বলেন,جَاءَ سُلَيْكٌ الْغَطَفَانِىُّ يَوْمَ الْجُمُعَةِ وَرَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم قَاعِدٌ عَلَى الْمِنْبَرِ فَقَعَدَ سُلَيْكٌ قَبْلَ أَنْ يُصَلِّىَ فَقَالَ لَهُ النَّبِىُّ صلى الله عليه وسلم أَرَكَعْتَ رَكْعَتَيْنِ. قَالَ لاَ. قَالَ قُمْ فَارْكَعْهُمَا. ‘জুম‘আর দিন নবী করীম (ছাঃ) খুৎবা দিচ্ছিলেন। এমতাবস্থায় সুলাইক আল-গাতফানী (রাঃ) মসজিদে প্রবেশ করলেন এবং তাহিইয়াতুল মাসজিদ ছালাত না পড়েই বসে পড়লেন। রাসূল (ছাঃ) খুৎবা থামিয়ে তাকে জিজ্ঞেস করলেন, হে সুলাইক! তুমি কি দুই রাক‘আত ছালাত পড়েছ? তিনি বললেন, না। নবী কারীম (ছাঃ) বললেন, দাঁড়াও এবং দুই রাক‘আত ছালাত আদায় করো’।[10] উপরোক্ত হাদীছ থেকে প্রতীয়মান হ’ল, যেখানে খুৎবা শোনা ওয়াজিব, সেখানে খুৎবা চলাকালীন সময়েও এই ছালাত পড়ার নির্দেশ প্রমাণ করে যে, এটি সাধারণ কোন নফল ছালাতের নির্দেশ নয়; বরং অত্যন্ত মর্যাদামন্ডিত ও গুরুত্বপূর্ণ সুন্নাত। সুতরাং খুৎবার সময় কেউ মসজিদে প্রবেশ করলেও সংক্ষিপ্তভাবে দু’রাক‘আত ‘তাহিইয়াতুল মাসজিদ’ ছালাত পড়ে বসবেন’।[11] ‘ক্বাবলাল জুম‘আ’ বনাম ‘তাহিইয়াতুল মাসজিদ’ : জুম‘আর দিনে অনেক মসজিদে লক্ষ্য করা যায় যে, মুছল্লীগণ মসজিদে প্রবেশ করে ‘তাহিইয়াতুল মাসজিদ’ আদায় করেন না। প্রচলিত বয়ানের (বাংলা খুৎবা) পর মূল খুৎবা শুরুর আগে খত্বীব ছাহেব মুছল্লীদেরকে চার রাক‘আত ‘ক্বাবলাল জুম‘আ’ পড়ার সুযোগ দিয়ে থাকেন, যা বিধিসম্মত নয়। কেননা প্রথমত উক্ত মর্মে বর্ণিত হাদীছ ও আছারসমূহ যঈফ ও বাতিল।[12] দ্বিতীয়ত এটি তাহিইয়াতুল মাসজিদের ছহীহ হাদীছসম্মত আমলকে রদ করে দেয়। এমনকি কোন কোন মসজিদে ‘সুন্নাতের নিয়ত করবেন না’ মর্মে নির্দেশনাও টাঙিয়ে রাখা হয়। আবার কোন কোন মসজিদে সুন্নাতের নিয়ত না করার জন্য লাল বাতি জ্বালিয়ে রাখা হয়। যা চরম ঔদ্ধত্য বৈ কিছুই নয়। নিষিদ্ধ সময়ে ‘তাহিইয়াতুল মাসজিদ’ আদায়ের বিধান : যেকোন সময়ে মসজিদে প্রবেশ করলে বসার পূর্বে এই ছালাত পড়তে হয়। এমনকি সূর্যোদয়, সূর্যাস্ত এবং ঠিক দ্বি-প্রহরের সময়ও। যখন অন্যান্য ফরয-নফল ছালাত আদায় করা নিষিদ্ধ, তখন কেউ মসজিদে প্রবেশ করলে তাকে ‘তাহিইয়াতুল মাসজিদ’-এর দুই রাক‘আত ছালাত আদায় করতে হবে। কেননা এটি রাসূল (ছাঃ)-এর মসজিদ সংক্রান্ত আদবের সাধারণ নির্দেশনা।[13] সুতরাং মসজিদে যেকোন সময় প্রবেশ করলে দুই রাক‘আত ‘তাহিইয়াতুল মাসজিদ’ ছালাত আদায় করতে হবে। পাঁচ ওয়াক্ত ফরয বা সুন্নাতের সাথে ‘তাহিইয়াতুল মাসজিদ’ আদায় প্রসঙ্গ : মসজিদে প্রবেশের পর ফরয বা ওয়াক্তিয়া সুন্নাত আদায় করলে পৃথকভাবে ‘তাহিইয়াতুল মাসজিদ’ পড়ার প্রয়োজন নেই; এর মাধ্যমেই মসজিদের হক আদায় হয়ে যায়। কারণ মূল উদ্দেশ্য হ’ল মসজিদে বসার পূর্বে ছালাত আদায় করা। তবে সময় থাকলে তাহিইয়াতুল মাসজিদ পড়ে নেওয়া যাবে। পরিশেষে সম্মানিত পাঠকদের বলব, আসুন! আমরা আমাদের হৃদয় দিয়ে অনুভব করি। আমরা যখনই মসজিদ দেখি, আমাদের হৃদয়ে যেন আল্লাহর ভয় ও ভালোবাসা জাগ্রত হয়। মসজিদে প্রবেশ করে সরাসরি বসে না পড়ে আমরা যেন দুই রাক‘আত ছালাতের মাধ্যমে রবের সম্মুখে উপস্থিত হই। আজ থেকে প্রতিজ্ঞা করি, নিতান্ত কোন অপারগতা ছাড়া আমরা আল্লাহর ঘরে প্রবেশ করে
তাহিইয়াতুল মাসজিদ আদায়ে অভ্যস্ত হৌন! পৃথিবীর বুকে আল্লাহ তা‘আলার সবচেয়ে প্রিয় স্থান হ’ল মসজিদ। এটি মহান আল্লাহর উদ্দেশ্যে মুমিনের সর্বোচ্চ আনুগত্য নিবেদনের স্থান। এটি মুমিনের হৃদয়ের প্রশান্তির ঠিকানা, দুনিয়ার শত ব্যস্ততা ও কোলাহলের মাঝে এক টুকরো জান্নাত। আমরা যখন কোন সম্মানিত ব্যক্তির বাড়িতে অতিথি হয়ে যাই, তখন প্রথমেই তাকে সালাম বা অভিবাদন জানাই। ঠিক তেমনি মহান রাববুল ‘আলামীনের ঘরে প্রবেশ করার পর সেই ঘরে বসার জন্য দুই রাক‘আত ‘তাহিইয়াতুল মসজিদ’ ছালাত আদায় করতে হয়। খুব সহজ ও ছোট্ট এই আমলটির মাঝে লুকিয়ে আছে আল্লাহর প্রতি বান্দার অগাধ প্রেম, বিনয় এবং আত্মিক প্রস্ত্ততির এক গভীর দর্শন। ‘তাহিইয়াতুল মাসজিদ’ পরিচিতি : ‘তাহিইয়াতুন’ শব্দের অর্থ উপহার, অভিবাদন, উপঢৌকন বা সালাম। আর ‘মাসজিদ’ অর্থ সিজদার স্থান। পারিভাষিক অর্থে, মসজিদে প্রবেশ করার পর বসার পূর্বেই মহান আল্লাহর সন্তুষ্টির লক্ষ্যে যে দুই রাক‘আত নফল ছালাত আদায় করা হয়, তাকে ‘তাহিইয়াতুল মাসজিদ’ ছালাত বলা হয়। এই ছালাতকে অন্য নামে ‘দুখূলুল মাসজিদ’ বা মসজিদে প্রবেশের ছালাতও বলে। ‘তাহিইয়াতুল মাসজিদ’-এর হুকুম : ‘তাহিইয়াতুল মাসজিদ’ দুই রাক‘আত ছালাত আদায় করা সুন্নাতে মুওয়াক্কাদাহ। সুতরাং মসজিদে প্রবেশ করলে দুই রাক‘আত ছালাত আদায় করার পূর্বে বসা উচিত নয়।[1] এমনকি জুম‘আর খুৎবা চলাকালীন সময়েও কেউ মসজিদে প্রবেশ করলে রাসূল (ছাঃ) ‘তাহিইয়াতুল মাসজিদ’ আদায়ের নির্দেশ দিয়েছেন।[2] অন্য হাদীছে রাসূল (ছাঃ) ‘তাহিইয়াতুল মাসজিদ’ আদায় না করাকে ক্বিয়ামতের অন্যতম আলামত সাব্যস্ত করেছেন। যেমন তিনি বলেন, إِنَّ مِنْ أَشْرَاطِ السَّاعَةِ أَنْ يَمُرَّ الرَّجُلُ فِي الْمَسْجِدِ لاَ يُصَلِّي فِيهِ رَكْعَتَيْنِ. ‘ক্বিয়ামতের অন্যতম নিদর্শন হ’ল, মানুষ মসজিদে প্রবেশ করবে, অথচ দু’রাক‘আত ছালাত আদায় করবে না’।[3] তাহিইয়াতুল মাসজিদ আদায়ের সময় : মসজিদে প্রবেশ করার পর বসার পূর্বে এই ছালাত পড়তে হয়। তবে বসে পড়ার পর মনে পড়লে বা কেউ ভুলক্রমে বসে পড়লে সাথে সাথে দাঁড়িয়ে ‘তাহিইয়াতুল মাসজিদ’ দুই রাক‘আত ছালাত আদায় করে নেওয়া উত্তম। তাহিইয়াতুল মাসজিদ আদায়ের তাৎপর্য : তাহিইয়াতুল মাসজিদ কেবল একটি আনুষ্ঠানিকতার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং এর গভীরে রয়েছে চমৎকার কিছু আধ্যাত্মিক ও মানসিক তাৎপর্য। ১. দুনিয়া থেকে আখেরাতে প্রবেশের সেতুবন্ধন : আমরা যখন রাস্তাঘাট, অফিস বা ব্যবসার কাজ শেষে মসজিদে প্রবেশ করি, তখন আমাদের মস্তিষ্ক দুনিয়ার হাযারো চিন্তায় আচ্ছন্ন থাকে। সরাসরি ফরয ছালাতে দাঁড়িয়ে গেলে সেই দুনিয়াবি চিন্তাগুলো আমাদের ইবাদতের একাগ্রতা বা খুশূ-খুযূ নষ্ট করে দেয়। তাহিইয়াতুল মাসজিদের এই দুই রাক‘আত ছালাত আমাদের মনকে দুনিয়ার কোলাহল থেকে মুক্ত করে ধীরে ধীরে আল্লাহর দিকে ধাবিত হওয়ার একটি মানসিক প্রস্ত্ততি হিসাবে কাজ করে। ২. হৃদয়ের পরিশুদ্ধি ও প্রশান্তি : এই দুই রাক‘আত ছালাত এক অদভূত প্রশান্তি বয়ে আনে। যখনই মসজিদে ঢুকে ধীরস্থিরভাবে আপনি তাহিইয়াতুল মসজিদে দাঁড়াবেন, অনুভব করবেন আপনার ভেতরের অস্থিরতাগুলো দূর হয়ে যাচ্ছে। তাড়াহুড়ো করে মসজিদে এসে ধপ করে বসে পড়ার চেয়ে দুই রাক‘আত ছালাত পড়ে বসার মধ্যে রয়েছে এমন এক আধ্যাত্মিক গাম্ভীর্য, যা আপনার পুরো ইবাদতের পরিবেশকেই বদলে দিবে। ৩. আল্লাহর মেহমানদারীর হক আদায় : যখন কেউ কোন সম্মানিত ব্যক্তির ঘরে প্রবেশ করেন, তখন প্রথমেই তাকে সালাম জানান। আর মহান আল্লাহ হ’লেন রাজাধিরাজ। তাঁর ঘরে প্রবেশ করে বসার আগে দুই রাক‘আত ছালাতের মাধ্যমে তাঁকে সম্মান জানানো বান্দার পক্ষ থেকে শ্রেষ্ঠ আদব। এই দুই রাক‘আত ছালাত হ’তে পারে আপনার আমার নাজাতের অসীলা। কিবয়ামতের দিন যেদিন কোন ছায়া থাকবে না, সেদিন মসজিদের সাথে সম্পর্ক রাখা ব্যক্তিদের আল্লাহ তাঁর আরশের ছায়ায় স্থান দিবেন।[4] তাহিইয়াতুল মাসজিদ সেই সম্পর্কেরই এক উজ্জ্বল প্রমাণ বহন করে থাকে। কতিপয় বিধান : আযানের পূর্বে মসজিদে গেলে করণীয় : আযানের পূর্বে মসজিদে প্রবেশ করার পর যদি দুই রাক‘আত ছালাত আদায় করার মত সময় থাকে তাহ’লে তা আদায় করে বসবেন। তবে সময় না থাকলে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করবেন। আযানের পর মাগরিবের পূর্বেও দুই রাক‘আত নফল ছালাত আদায় করবেন। রাসূল (ছাঃ) বলেন,صَلُّوا قَبْلَ الْمَغْرِبِ رَكْعَتَيْنِ. ثُمَّ قَالَ صَلُّوا قَبْلَ الْمَغْرِبِ رَكْعَتَيْنِ. ثُمَّ قَالَ عِنْدَ الثَّالِثَةِ لِمَنْ شَاءَ. كَرَاهِيَةَ أَنْ يَتَّخِذَهَا النَّاسُ سُنَّةً. ‘তোমরা মাগরিবের পূর্বে দুই রাক‘আত ছালাত পড়। তোমরা মাগরিবের পূর্বে দুই রাক‘আত ছালাত পড়। অতঃপর তৃতীয় বারে তিনি বললেন, যার ইচ্ছা। যেন লোকেরা এ আমলকে আবশ্যক সুন্নাত হিসাবে গ্রহণ না করে’। [5]
মুহাম্মদ আল্লাহর রাসূল এবং তার সাথে যারা আছে তারা কাফিরদের প্রতি অত্যন্ত কঠোর; পরস্পরের প্রতি সদয়, সূরা ফাতহ-২৯
একটা নাম থুইয়ে দিও || কন্ঠ ও লেখা: ফয়সাল বিন আশিক
চরমপন্থী রাফেযি শিয়াদের সাহাবা বিদ্বেষী কুফরি কর্মকান্ড
শরীয়হ নিয়ে ভয় পাবার কোনো কারন নাই || শাইখ আসিফ আদনান হাফি:
রোযার(সাওমের) সুন্নতগুলো কি কি? রোযার অনেক সুন্নত রয়েছে, যেমন- এক: যদি কেউ রোযাদারকে গালি দেয় কিংবা তার সাথে ঝগড়া করতে আসে তাহলে রোযাদার তার দুর্ব্যবহারের জবাব ভাল ব্যবহার দিয়ে বলবে: ‘নিশ্চয় আমি রোযাদার’। যেহেতু সহিহ বোখারী ও সহিহ মুসলিমে আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত হয়েছে যে, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন: “সিয়াম হচ্ছে ঢালস্বরূপ। অতএব, কেউ যেন মন্দ কথা না বলে, মূর্খ আচরণ না করে। যদি কোন লোক তার সাথে ঝগড়া করে কিংবা তাকে গালি দেয় তাহলে সে যেন বলে দেয়, আমি রোযাদার, আমি রোযাদার। ঐ সত্তার শপথ যার হাতে রয়েছে আমার প্রাণ, নিশ্চয় রোযাদারের মুখের গন্ধ আল্লাহ্ তাআলার কাছে মিসকের ঘ্রাণের চেয়ে উত্তম। (আল্লাহ্ বলেন) আমার কারণে সে পানাহার ও যৌনসুখ বর্জন করেছে। রোযা আমারই জন্য। আমিই রোযার প্রতিদান দিব। এক নেকীর প্রতিদানে দশ নেকী দিব।”[সহিহ বুখারী (১৮৯৪) ও সহিহ মুসলিম (১১৫১)] দুই: রোযাদারের জন্য সেহেরী খাওয়া সুন্নত। সহিহ বোখারী ও সহিহ মুসলিমে আনাস বিন মালেক (রাঃ) থেকে বর্ণিত আছে যে, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “তোমরা সেহেরী খাও; কারণ সেহেরীতে বরকত রয়েছে।”[সহিহ বুখারী (১৯২৩) ও সহিহ মুসলিম (১০৯৫)] তিন: বিলম্বে সেহেরী খাওয়া সুন্নত। দলিল হচ্ছে, সহিহ বুখারীতে আনাস (রাঃ) যায়েদ বিন সাবেত (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন তিনি বলেন: আমরা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাথে সেহেরী খেলাম। এরপর তিনি নামাযে দাঁড়ালেন। আমি বললাম: আযান ও সেহেরী মাঝে কতটুকু সময় ছিল? তিনি বলেন: পঞ্চাশ আয়াত তেলাওয়াত করার সমান সময়।”[সহিহ বুখারী (১৯২১)] চার: অবিলম্বে ইফতার করা সুন্নত। দলিল হচ্ছে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের বাণী: “মানুষ ততদিন পর্যন্ত কল্যাণে থাকবে, যতদিন তারা অবিলম্বে ইফতার করে।”[সহিহ বুখারী (১৯৫৭) ও সহিহ মুসলিম (১০৯৮)] 49716 নং প্রশ্নোত্তরটিও পড়ুন। পাঁচ: কাঁচা খেজুর দিয়ে ইফতার করা সুন্নত। যদি কাঁচা খেজুর না পাওয়া যায় তাহলে শুকনো খেজুর দিয়ে। যদি শুকনো খেজুরও না থাকে তাহলে পানি দিয়ে। দলিল হচ্ছে আনাস (রাঃ) কর্তৃক বর্ণিত হাদিস তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নামায পড়ার আগে কয়েকটি কাঁচা খেজুর দিয়ে ইফতার করতেন। যদি কাঁচা খেজুর না থাকত তাহলে শুকনো খেজুর দিয়ে। যদি শুকনো খেজুরও না থাকত, তাহলে কয়েক ঢোক পানি দিয়ে।”।[সুনানে আবু দাউদ (২৩৫৬), সুনানে তিরমিযি (৬৯৬), ‘ইরওয়াউল গালিল’ গ্রন্থে ৪/৪৫ হাদিসটিকে ‘হাসান’ বলা হয়েছে] ছয়: হাদিসে যা বর্ণিত হয়েছে সেটা বলে ইফতার করা সুন্নত। হাদিসে এসেছে ‘বিসমিল্লাহ্’ বলে ইফতার করা। সঠিক মতানুযায়ী ‘বিসমিল্লাহ্’ বলা ওয়াজিব; যেহেতু নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এ ব্যাপারে নির্দেশ দিয়েছেন। আরও বর্ণিত হয়েছে, “আল্লাহুম্মা লাকা ছুমতু, ওয়া আলা রিযকিকা আফতারতু। আল্লাহুম্মা তাকাব্বাল মিন্নি ইন্নাকা আনতাস সামিউল আলিম।” (অর্থ- হে আল্লাহ্, আপনার জন্যই রোযা রেখেছি এবং আপনার দেয়া রিযিক দিয়ে ইফতার করেছি। হে আল্লাহ্, আমার পক্ষ থেকে আপনি কবুল করে নিন। নিশ্চয় আপনি সর্বশ্রোতা ও সর্বজ্ঞানী।)।[ইবনুল কাইয়্যেম তাঁর ‘যাদুল মাআদ’ গ্রন্থে (২/৫১) বলেছেন, হাদিসটি দুর্বল] আরও বর্ণিত হয়েছে, “যাহাবায যামাউ, ওয়াবতাল্লাতিল উরুকু ওয়া সাবাতাল আজরু, ইনশাআল্লাহ্” (অর্থ- তৃষ্ণা দূরীভুত হল, শিরাগুলো সিক্ত হল এবং ইনশাআল্লাহ্, সওয়াব সাব্যস্ত হল)।[সুনানে আবু দাউদ (২৩৫৭), সুনানে বাইহাকী (৪/২৩৯), ‘ইরওয়াউল গালিল’ গ্রন্থে (৪/৩৯) হাদিসটিকে ‘হাসান’ আখ্যায়িত করা হয়েছে] রোযাদারের দোয়ার ফযিলতের ব্যাপারে আরও কিছু হাদিস বর্ণিত হয়েছে; যেমন: ১। আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি্ ওয়া সাল্লাম বলেন: “তিনজনের দোয়া ফেরত দেয়া হয় না: পিতার দোয়া, মজলুমের দোয়া এবং মুসাফিরের দোয়া।” [সুনানে বাইহাকী (৩/৩৪৫), আলবানী তাঁর ‘সিলসিলা সহিহা’ গ্রন্থে (১৭৯৭) হাদিসটিকে ‘সহিহ’ আখ্যায়িত করেছেন] ২। আবু উমাম (রাঃ) থেকে মারফু হাদিস হিসেবে বর্ণিত হয়েছে যে, “প্রতিদিন ইফতারের সময় আল্লাহ্ কিছু মানুষকে (জাহান্নাম থেকে) মুক্ত করে দেন” [মুসানদে আহমাদ (২১৬৯৮), আলবানী ‘সহিহুত তারগীব’ গ্রন্থে হাদিসটিকে ‘সহিহ’ আখ্যায়িত করেছেন] ৩। আবু সাঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে মারফু হাদিস হিসেবে বর্ণিত হয়েছে যে, নিশ্চয় প্রতিটি দিন ও রাতে আল্লাহ্ কিছু মানুষকে (জাহান্নাম থেকে) মুক্ত করেন; অর্থাৎ রমযান মাসে। নিশ্চয় প্রতিটি দিন ও রাতে প্রত্যেক মুসলিমের জন্য একটি কবুলযোগ্য দোয়া রয়েছে।” [হাদিসটি ‘বায্যার’ বর্ণনা করেছেন; আলবানী ‘সহিহুত তারগীব’ গ্রন্থে (১/৪৯১) হাদিসটিকে সহিহ আখ্যায়িত করেছেন] ( Islamqa প্রশ্ন নং39462 আরও জানতে পড়ুন 37745 নং, 37720 নং, 13999 নং ও 14103 নং প্রশ্নোত্তর।)
видео или голосовое, без подписи
খেজুর দিয়ে সাহরী ও ইফতার করা সুন্নাহ
সিয়াম বিনষ্টকারী বিষয়সমূহ
শহীদ মিনারে ফুল দেওয়া শিরক || শাইখ আব্দুর রাজ্জাক বিন ইউসুফ হাফি
এই মনোভাব ও আর্দশের বিরুদ্ধে আমাদের দাড়াতে হবে || শাইখ মামুনুর রসীদ হাফি:
আপনি যদি মুসলিম হন তাহলে আপনাকে শরীয়ত চাইতে হবেই || আসিফ আদনান হাফি:
তুমি কেন হ্যাপি নিউ ইয়ার বললে? শাইখ আব্দুর রাজ্জাক বিন ইউসুফ হাফি :
হ্যাপি নিউ ইয়ার ইসলামে সমর্থন করে?
Darbuna Darbuna Nasheed No Music Without Music ||Islamic Nasheed