tgindex

Pathway To Noor

описание

আস-সালামু 'আলাইকুম ইসলাম প্রচার ও ইসলাম সম্বন্ধে সবাইকে অবগত করার জন্য আমাদের ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা ❤️ FB Page- https://www.facebook.com/PathwayToNoor WP: https://whatsapp.com/channel/0029VbBD7VA1SWssAQh17W2n

3 298
подписчиков
Охват к подписчикам
6,9%
ERR
Реакции к просмотрам
3,49%
365 на 31 постов
Пересылки к просмотрам
1,15%
120
Постов в день
1,0
всего 31

Где отзываются чаще

доля реакций к просмотрам
  • 12 авг.প্রায় তিন বছর আগে আমি জীবনের সবচেয়ে ভয়াবহ আর কঠিন পরীক্ষার মুখোমুখি হয়েছিলাম। মানসিকভাবে এতটাই ক্লান্ত হয়ে পড়েছিলাম যে নিজেকে আর নিয়ন্ত্রণ করতে পারছিলাম না। একদম চুপচাপ হয়ে গিয়েছিলাম। দিন আর রাতের কোনো পার্থক্যই তখন বুঝতে পারতাম না। সে সময় আমি এক জিনিসকে আঁকড়ে ধরেছিলাম, নিয়মিতভাবে দুরুদে ইব্রাহীম পড়া। দিন হোক বা রাত, প্রতিটি মুহূর্তে আমি দুরুদে ইব্রাহীম পড়তাম। আল্লাহর শপথ! সেই মাসেই আল্লাহ আমার সকল বিপদ দূর করে দিলেন, সাথে মানসিক অশান্তিও দূর করে দিলেন। আর আজও আমি আমার জীবনে সেই দু'আর বরকত আর প্রভাব দেখতে পাই। আলহামদুলিল্লাহ—সমস্ত প্রশংসা অফুরন্ত, অন্তহীনভাবে কেবল আল্লাহর জন্যই। "পরিমার্জিত - তাইয়্যেবাহ" দুরুদে ইব্রাহীম এর তাৎক্ষণিক ফলাফল আমি সবচেয়ে বেশি পেয়েছি। আমার সাথে আজ পর্যন্ত এমন হয়নি যে, হঠাৎ খুব বিপদে পড়েছি বা কোনো সমস্যায়; তখন দূরুদে ইব্রাহীম পড়েও বিপদ থেকে উদ্ধার হইনি। দূরুদে ইব্রাহীম সত্যিই অনেক পাওয়ারফুল আমল। : তাইয়্যেবাহ Collected @PathwayToNoor9,42%
  • 15 авг.ঘুমানোর আগে নির্দিষ্ট সময়ে ফোন রেখে দেবেন। রাতের অপ্রয়োজনীয় জেগে থাকা কমাবেন। অযু করে শোয়ার চেষ্টা করবেন। মাসনূন যিকর ও দু‘আ পড়বেন। ফজরের সময় অনুযায়ী যথেষ্ট ঘুমের সুযোগ রাখবেন। তারপর অ্যালার্ম দেবেন এবং আল্লাহর কাছে সত্যিই সাহায্য চাইবেন। কয়েকদিনেই সব নিখুঁত হয়ে যাবে—এমন নয়। কিন্তু ধীরে ধীরে আপনি হয়তো বুঝবেন, ফজরের সঙ্গে আপনার যুদ্ধটা শুধু অ্যালার্মের ছিল না। আপনার পুরো রাতটাই আপনাকে হয় ফজরের দিকে নিয়ে যাচ্ছিল, নয়তো ফজর থেকে দূরে সরিয়ে দিচ্ছিল। তাই আজ প্রশ্নটা শুধু— “কাল ফজরে উঠব কীভাবে?” না। আরও গভীর প্রশ্ন হলো— “আজ রাতে আমি এমন কী করছি, যা আমাকে আগামীকাল ফজরের সামনে দাঁড়াতে সাহায্য করবে?” হয়তো আপনার ভোর বদলানোর জন্য প্রথমে ভোর নয়—রাতটাই বদলাতে হবে। আল্লাহ আমাদের রাতকে শান্ত করুন, ঘুমকে উপকারী করুন, অপ্রয়োজনীয় রাতজাগা থেকে হেফাজত করুন এবং ফজরের সালাতকে আমাদের দিনের সবচেয়ে প্রিয় শুরু বানিয়ে দিন। আমিন। আপনার ফজরে উঠতে সবচেয়ে বড় বাধা কোনটা—দেরিতে ঘুমানো, ফোন, নাকি অনিয়মিত রুটিন? ━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━ 📌 পোস্ট-টি সদকায়ে জারিয়া এবং ইসলাম প্রচারের স্বার্থে শেয়ার করে অশেষ সওয়াবের ভাগিদার হোন। এই পোস্ট আপনার আখেরাতের কঠিন মুসিবাতের সময় নাজাতের ওসিলা হয়ে যাক, আমিন🤲 NahWa Ad-Deen 🍁 Collected @PathwayToNoor7,50%
  • 14 авг.*ফেসবুকে পুরুষের ছবি দেওয়া]🌸* বোনদের পর্দা, ফেসবুকে ছবি দেওয়া নিয়ে দেখি অনেক লেখালেখি হয়। তবে ভাইদের নিয়েও লেখা উচিত। আমরা মনে করি পর্দা নারীর জন্যই নাযিল হ'য়েছে!? _🌼 আপনি যখন ফেসবুকে একটা স্টাইলিস ছবি আপলোড করেন এর ফলে যদি কোন নারীর মনে সামান্য অনুভূতিরও সৃষ্টি হয়, কথা দিচ্ছি; এর জন্যও অবশ্যই আপনাকে জিজ্ঞাসিত করা হবে। আপনি বলতে পারেন পুরুষের তো মুখ পর্দার অন্তর্ভুক্ত নয়।_ -হুম তা অন্তর্ভুক্ত নয়। কিন্তু মেয়েদের মনে আপনার চেহারা দেখেই তো শয়তান ফিতনার সৃষ্টি করবে। _কেননা ওই নারীরাই সেদিন শাস্তি থেকে বাঁচার জন্য আপনার বিরুদ্ধে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লার কাছে অভিযোগ জানাবে। কোন জাহান্নামীই সেদিন চাইবে না সে একা জাহান্নামী হোক, আর তার বদ আমলের অংশীদার জান্নাতের আরাম আয়েশ ভোগ করুক।_ আপনার কি মনে হয় শয়তান শুধু পুরুষদেরকেই ওয়াসওয়াসা দেয়!? -না, সে সবাইকে ওয়াসওয়াসা দেয়। _🌿 আপনার ছবি দেখে যতজন মহিলা চোখের যিনা করছে এর একটা অংশ অবশ্যই আপনার আমলনামায় যুক্ত করা হবে। ঠিক তেমনি; যেমনভাবে কোন নারীকে আপনি দেখলে তার একটা অংশ ঔ নারীর আমলনামায় ও যুক্ত করা হয়।_ আমাদের সমাজ মনে করে পর্দা, চোখের হেফাজত এগুলো নারীদের জন্য পুরুষের জন্য না.....না ভাই পর্দা নারী পুরুষ উভয়ের জন্যই ফরজ⚫🥀 আল্লাহ তাআলা সবাইকে সঠিকটা বোঝার তৌফিক দান করুন আমীন 🍀 সংগৃহীত পরকালের প্রস্তুতি @PathwayToNoor7,38%
  • 7 авг.পাপের পর দুই রাকাত তওবাহের নামাজ শয়তানের জন্য পাপের চেয়েও ভারী, কারণ তা শয়তানের ফিসফিস এবং পাপ করতে প্ররোচনার ক্ষমতাকে দুর্বল করে দেয়। অর্থাৎ, তওবাহ করে নামাজ পড়লে শয়তানের প্রভাব কমে যায় এবং সে পাপের দিকে ঠেলে দিতে পারে না। আল্লাহ আমাদের সকলকে তওবাহ কবুল করার তাওফীক দান করুন।🥀 Collected @PathwayToNoor5,84%
  • 31 июл.*আমরা সেই ‘শেষ প্রজন্ম’, যাদের মা ছিল নির্দোষ — এমন মা যিনি সোশ্যাল মিডিয়া সম্পর্কে অনেক কিছু জানতেন না, এমন মা যিনি স্মার্টফোনও ব্যবহার করতে পারতেন না। আর আমরা সেই শেষ প্রজন্ম, যাদের বাবা ছিলেন প্রকৃত পুরুষ, যিনি কখনো ভিডিও গেম খেলতেন না, কখনো অপ্রিয় মেয়েদের পেছনে সময় নষ্ট করতেন না, এবং সবসময় পরিবার সম্পর্কে চিন্তা করতেন।* —একটি স্বর্ণালী যুগ শেষ হতে চলেছে।💔 — সংগৃহিত @PathwayToNoor5,79%
  • 12 авг.তুমি কি জানতে চাও, আল্লাহর কাছে তোমার সম্মান কতটুকু? তাহলে দেখ, তিঁনি তোমাকে কোন অবস্থায় রেখেছেন? . - যদি দেখ তিঁনি তোমাকে তার যিকিরে মশগুল রেখেছেন, তাহলে জেনে রেখ, তিঁনি তোমাকে স্মরণ করতে চান। . - যদি দেখ তিঁনি তোমাকে কুরআন দ্বারা মশগুল রেখেছেন, তাহলে জেনে রেখ, তিঁনি তোমার সাথে কথা বলতে চান। . - যদি দেখ, তিঁনি তোমাকে ইবাদাত/আনুগত্যে ব্যস্ত রেখেছেন, তাহলে জেনে রেখ, তিঁনি তোমাকে তাঁর সান্নিধ্যে টেনে নিয়েছেন। . - যদি দেখ, তিঁনি তোমাকে দুনিয়া দিয়ে ব্যস্ত করে দিয়েছেন, তাহলে জেনে নাও, তিঁনি তোমাকে দূরে ঠেলে দিয়েছেন। . - যদি দেখ, তিঁনি তোমাকে লোকজনের সাথে মশগুল বানিয়ে দিয়েছেন, তাহলে জেনে নাও, তিঁনি তোমাকে অপমানিত করেছেন। . - যদি দেখ, তিঁনি তোমাকে দু'আর দ্বারা ব্যস্ত রেখেছেন, তাহলে জেনে নাও, তিঁনি তোমাকে কিছু দিতে চান। . অতএব, সবসময় নিজের অবস্থা দেখ। তুমি কোন কাজে মশগুল? . আল্লাহ তোমাকে যে কাজে ব্যস্ত রেখেছেন, সেটাই তোমার অবস্থান তাঁর কাছে। . . লেখা : ড. রাতিব আন-নাবলুসি অনুবাদ : ড.বি. মফিজুর রহমান আল-আযহারী5,59%
  • 15 авг.ফজরের সমস্যা ছিল না—সমস্যাটা শুরু হতো আগের রাতেই আপনি হয়তো অনেকবার ভেবেছেন, “আমি কেন ফজরে উঠতে পারি না?” একটা অ্যালার্মে কাজ হয় না, তাই তিনটা অ্যালার্ম দেন। ফোনটা একটু দূরে রাখেন। ঘুমানোর আগে নিজেকে শক্ত করে বলেন, “কাল যেভাবেই হোক উঠব।” কিন্তু সকাল হলে আবার একই দৃশ্য—অ্যালার্ম বন্ধ করে কখন ঘুমিয়ে পড়েছেন, সেটাও মনে নেই। চোখ খুলে ঘড়ির দিকে তাকিয়ে বুকটা ধক করে ওঠে। ফজর চলে গেছে। তারপর নিজের ওপর রাগ হয়। মনে হয়, “আমার ঈমানই বোধহয় দুর্বল। আমি এত অলস কেন?” কিন্তু কখনো কি আগের রাতটার দিকে তাকিয়েছেন? হয়তো আপনার ফজরের সমস্যা সকাল ৫টায় শুরু হয়নি। শুরু হয়েছিল রাত ১২টায়, যখন আপনি বলেছিলেন, “আর পাঁচ মিনিট ফোন দেখি।” তারপর একটা ভিডিও থেকে আরেকটা, একটা রিল থেকে আরেকটা। ঘড়িতে ১টা বাজল। এরপরও ফোন নামল না। কখনো রাতের ভারী খাবার, কখনো অপ্রয়োজনীয় কথাবার্তা, কখনো বিছানায় শুয়েও মাথার ভেতর শত চিন্তা। শেষ পর্যন্ত যখন ঘুমালেন, শরীর তখনই ক্লান্তির সীমায়। তারপর সেই শরীরকে কয়েক ঘণ্টা পর অ্যালার্ম দিয়ে বলা হলো—“এখন উঠে দাঁড়াও।” আমরা তখন অ্যালার্মকে দোষ দিই। অথচ অনেক সময় অ্যালার্ম শুধু শেষ জায়গাটায় ব্যর্থ হচ্ছে; আসল সমস্যাটা আমরা তৈরি করে রেখেছি কয়েক ঘণ্টা আগেই। ফজরের জন্য প্রস্তুতি আসলে রাত থেকেই শুরু হয় আল্লাহ তাআলা বলেন, “সূর্য ঢলে পড়ার পর থেকে রাতের অন্ধকার পর্যন্ত সালাত কায়েম করুন এবং ফজরের কুরআনও। নিশ্চয়ই ফজরের কুরআন প্রত্যক্ষ করা হয়।” — সূরা আল-ইসরা, ১৭:৭৮ ফজর দিনের শুরুতে শুধু আরেকটি কাজ নয়। এটি এমন একটি মুহূর্ত, যখন আপনার দিন শুরু হওয়ার আগেই আপনি আপনার রবের সামনে দাঁড়ান। কিন্তু আমরা কখনো এমন জীবনযাপন করি, যেন ফজর আমাদের রাতের রুটিনের সঙ্গে সম্পর্কহীন। রাত ২টা পর্যন্ত স্ক্রল করব, প্রয়োজনের বাইরে জেগে থাকব, ঘুমকে এলোমেলো করব—তারপর আশা করব কয়েক ঘণ্টা পর শরীর সতেজভাবে উঠে যাবে। শুধু “নিয়ত ভালো” থাকলেই শরীরের প্রয়োজন বদলে যায় না। শরীরও আল্লাহর দেওয়া আমানত। তাকে প্রয়োজনীয় বিশ্রাম না দিয়ে প্রতিদিন ফজরের সময় তার সঙ্গে যুদ্ধ করা দীর্ঘমেয়াদে কঠিন হয়ে যায়। আপনি হয়তো আরও জোরে অ্যালার্ম চান, অথচ দরকার আরও শান্ত একটি রাত একটু নিজের রাতটা দেখুন। ঘুমানোর শেষ এক ঘণ্টায় আপনার হাতে কী থাকে? ফোন? কাজ? ভিডিও? অপ্রয়োজনীয় চ্যাট? নাকি ধীরে ধীরে মনকে দিনের ব্যস্ততা থেকে সরিয়ে আল্লাহর দিকে ফেরানোর চেষ্টা? অনেকের ঘুমানোর ঠিক আগের দৃশ্য হলো উজ্জ্বল স্ক্রিন, দ্রুত বদলে যাওয়া ভিডিও আর অসংখ্য তথ্য। শরীর বিছানায় যায়, কিন্তু মস্তিষ্ক তখনও যেন দৌড়াচ্ছে। এখানেই ছোট একটি পরিবর্তন অনেক বড় পার্থক্য তৈরি করতে পারে। ঘুমের কিছু সময় আগে ফোন সরিয়ে রাখুন। সম্ভব হলে রাতকে একটু আগে শেষ করুন। প্রয়োজন ছাড়া জেগে থাকার অভ্যাস কমান। ফজরের সময় মাথায় রেখে নিজের ঘুমের সময় ঠিক করুন। কারণ আপনি যখন সত্যিই কোনো গুরুত্বপূর্ণ ভোরের ফ্লাইট ধরতে চান, তখন আগের রাতের পরিকল্পনাও বদলে দেন। ফজর কি তার চেয়েও কম গুরুত্বপূর্ণ? ঘুমানোর আগের কয়েক মিনিটও ইবাদতের পথে নিয়ে যেতে পারে রাসূলুল্লাহ ﷺ আল-বারা ইবনু ‘আযিব رضي الله عنه-কে ঘুমানোর আগে সালাতের অযুর মতো অযু করে ডান পাশে শুতে এবং নির্দিষ্ট দু‘আ পড়তে শিক্ষা দিয়েছিলেন। — সহিহ আল-বুখারি, হাদিস ২৪৭ ভাবুন, দিনের শেষ মুহূর্তটিও রাসূল ﷺ আমাদের এলোমেলোভাবে ছেড়ে দেননি। অযু করলেন। বিছানায় এলেন। ঘুমের মাসনূন যিকর ও দু‘আ পড়লেন। ডান পাশে শুলেন। নিজের সব দুশ্চিন্তা নিয়ে আরেক ঘণ্টা স্ক্রল না করে আল্লাহর কাছে নিজেকে সঁপে দিলেন। এতে ঘুম কোনো জাদুকরীভাবে “ইবাদত” হয়ে যায় না। কিন্তু হালাল বিশ্রাম যখন ভালো নিয়ত, সুন্নাহ অনুসরণ এবং পরের দিনের ইবাদতের প্রস্তুতির সঙ্গে যুক্ত হয়, তখন একজন মুমিনের সাধারণ জীবনও সওয়াবের পথে চলে যেতে পারে। আপনি ঘুমাচ্ছেন যেন শরীর শক্তি পায়, ফজরে উঠতে পারেন, দায়িত্ব ঠিকভাবে পালন করতে পারেন—এই নিয়ত ঘুমকেও অর্থপূর্ণ করে দেয়। একটা বিষয় খুব জরুরি: নিজেকে ঘৃণা করা সমাধান নয় কখনো সত্যিকার চেষ্টা করার পরও ঘুম ভেঙে যায় না। অসুস্থতা থাকতে পারে, শিশুর কারণে রাত জাগতে হতে পারে, শিফটের কাজ থাকতে পারে, ঘুমের সমস্যা থাকতে পারে। ইসলাম এসব বাস্তবতা অস্বীকার করে না। আর কেউ যদি ঘুমের কারণে অনিচ্ছাকৃতভাবে সালাত মিস করে, তাহলে জেগে ওঠার পর সালাত আদায় করবে—রাসূলুল্লাহ ﷺ এ নির্দেশ দিয়েছেন। তাই উদ্দেশ্য নিজেকে অপরাধী বানিয়ে ভেঙে দেওয়া নয়। বরং সৎভাবে দেখা— আমি যেটুকু নিয়ন্ত্রণ করতে পারি, সেটুকু কি সত্যিই করছি? আমি কি ফজরের জন্য উঠতে চাই, কিন্তু রাতের অভ্যাসে প্রতিদিন সেই চাওয়ার বিপরীতে কাজ করছি? এই প্রশ্নটা একটু অস্বস্তিকর। কিন্তু অনেক পরিবর্তন শুরু হয় ঠিক এই জায়গা থেকেই। আজ রাতে বিশাল কিছু বদলাতে হবে না শুধু কয়েকটি সিদ্ধান্ত নিন।5,26%
  • 11 авг.*গাইরতহীন স্বামীর প্রতি স্ত্রীর চিঠি। 🥀* ভাগ্যবিড়ম্বিতা আফিফা। তার নামের মতোই সে পবিত্র ও দ্বীনদার এক নারী। বিয়ের আগে দ্বীনের ওপর ছিল অটল। কিন্তু বিয়ের পর তার জীবনে নেমে আসে অন্ধকার। স্বামী শুধু গাইরতহীনই নয়, বরং দ্বীন-ধর্মে উদাসীন, রুক্ষ ও রগচটা। মুখে কিছু বললে হয়তো আরও সমস্যা বাড়বে-তাই হৃদয়ের কান্না মিশিয়ে সে একদিন লিখে ফেলে একটি চিঠি, তার প্রিয়তম স্বামীর উদ্দেশে- প্রিয় স্বামী, একটু মন দিয়ে আমার কথাগুলো শুনো। তুমি জানো, আমি সবসময় চাই তোমাকে সম্মান দিতে। কিন্তু এমন কিছু বিষয় আছে, যা চুপ থাকতে পারি না। তুমি যখন আমার পর্দা, অজু, ইবাদতের ব্যাপারে উদাসীনতা দেখাও, আমি ভেতরে ভেতরে ভেঙে পড়ি। তুমি যখন অন্য পুরুষদের দৃষ্টির সামনে আমাকে তুলে ধরো, আমি কাঁদি। তুমি যখন অন্যায় আচরণ দেখেও চুপ থাকো, আমি অসহায় বোধ করি। তুমি কি জানো, আমি একা বাইরে বের হলে কেমন অনিরাপদ বোধ করি? আমার আব্রু যেন আমারই দায়, অথচ তোমার কোনো দায়বোধ নেই! তুমি কি ভুলে গেছো, স্ত্রীকে রক্ষা করা স্বামীর অন্যতম দায়িত্ব? তুমি আমার নেকাব খুলে দিতে বলেছিলে, বলেছিলে "তোমাকে কেউ চিনবে না।" কিন্তু আমি তখনই বুঝে গেছি-তোমার জন্য আমার লজ্জা ও ইজ্জতের কোনো মানে নেই। আমি জানি, তুমি রেগে যাও সহজেই-কখনো আমাদের সন্তানের ছোট ভুলে, কখনো বাসার ছোটখাটো গণ্ডগোলে, কিন্তু নিজের দ্বীন, দায়িত্ব আর গাইরতহীনতাকে নিয়ে কখনোই তুমি বিচলিত হও না। আমি চাই তুমি বদলাও, আমি চাই তুমি আমার দিকে গর্বভরে তাকাও, আমি চাই তুমি এমন একজন স্বামী হও, যার পাশে আমি নিজেকে নিরাপদ মনে করি, গর্বিত মনে করি। তুমি যদি আমার এই কান্নাভেজা চিঠিটা পড়ে একটুও কষ্ট পাও, তাহলে বুঝবো, তোমার হৃদয় এখনো পুরোপুরি মরেনি। পারো। —তোমার স্ত্রী, আফিফা নোট: প্রিয় পাঠক/পাঠিকা, "গাইরত" শব্দটি অনেকের কাছে অপরিচিত হতে পারে। গাইরত হলো-নিজের পরিবার, স্ত্রী-সন্তান, ইজ্জত ও দ্বীনের ব্যাপারে দায়িত্ববোধ, আত্মমর্যাদা ও ঈমানদারির পরিচায়ক। একজন পুরুষের মূল গুণাবলির একটি। — সংগৃহিত_ @PathwayToNoor5,26%
  • 2 авг.🤲 দোয়া হে আমার প্রিয় রব, আমি অনেক গুনাহ করেছি… আমার অন্তর ভারে নত, পাপের বোঝায় ক্লান্ত। তবুও আমি আশা হারাই না, কারণ আপনিই তো আল-গফুর, আর-রহিম। 🌿 হে আল্লাহ, আপনি তো সেই রব, যিনি রাগের মুহূর্তেও ইবলিসের দোয়া ফিরিয়ে দেননি— আমি তো আপনার দুর্বল বান্দাহ, আমি কি তবে বঞ্চিত হবো? না, আমি জানি না! আমি আপনার দয়ার দ্বারেই আসলাম… 💧 হে রব্বুল আলামিন, আমার অতীতের গুনাহগুলো মুছে দিন, আমার অন্তরকে পরিশুদ্ধ করুন, আমার জীবনে প্রশান্তি নাজিল করুন। 🌸 হে দয়াময় রব, আমাকে এমন একজন বানিয়ে দিন, যার জিহ্বা সবসময় ইস্তেগফার আর দরুদে ভেজা থাকে। আমার নামটা যেন আপনার ক্ষমাপ্রাপ্তদের তালিকায় লেখা হয়। 🌹 হে আল্লাহ, আমাকে আপনার বান্দাহ হিসেবে কবুল করুন, আপনিই আমার একমাত্র আশ্রয়… আপনিই আমার শান্তি, আপনিই আমার সুখ, আপনিই আমার সবকিছু। 🤍 আল্লাহুম্মা আমিন @PathwayToNoor4,68%
  • 3 авг.*🌷 এক বোনের ঘটনা শুনেছিলাম।* আন্ডার গ্রাজুয়েট করা অবস্থায় বাবা বিয়ে দেননি। তার বাবা তাকে বলেছিলেন, “আগে পড়াশোনা শেষ করুক, বিয়ে পরে হবে”। _🌸 মেয়ে বাবার কথা রাখল। আন্ডার গ্রাজুয়েট, পোস্টগ্রাজুয়েট, পিএইচডি—সব শেষ করল। কিন্তু এই পড়াশোনার ফাঁকে ফাঁকে তার হৃদয়ের ভেতর জমতে থাকল নীরব দীর্ঘশ্বাস।_ সময় গড়াল। সে ভার্সিটির প্রফেসর হলো। বিয়ের প্রস্তাব এলো—কিন্তু বাবা প্রত্যাখ্যান করলেন। কখনো বললেন, ছেলেটার চেহারা ভালো না। কখনো বললেন, ছেলেটার সামর্থ্য কম। হয়তো তিনি ‘পারফেক্ট’ ছেলে খুঁজছিলেন—ভুলে গিয়েছিলেন, দুনিয়ায় কেউই পারফেক্ট নয়। _🧊 এভাবেই মেয়েটার বয়স ত্রিশ পেরিয়ে চল্লিশে পৌঁছাল। একসময় সে ভেঙে পড়ল। ডিপ্রেশনে অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হলো। অল্প অসুখই ভয়ং*কর হয়ে উঠল। শেষ পর্যন্ত সে চলে গেল।_ মৃত্যুর আগে বাবাকে ডেকে বলল, ‘বাবা, বলুন—আমীন।’ বাবা বললেন, ‘আমীন।’ সে আবার বলল, ‘আরেকবার বলুন—আমীন।’ বাবা বললেন, ‘আমীন।’ আবার বলল, ‘আরেকবার বলুন—আমীন।’ বাবা বললেন, ‘আমীন।’ বাবাকে দিয়ে তৃতীয়বার ‘আমীন’ বলিয়ে নিয়ে মেয়েটা কাঁপা কণ্ঠে বলল, ‘আল্লাহর কসম, আল্লাহ যেন আপনাকে আখিরাতে জান্নাতের আনন্দ থেকে বঞ্চিত করেন—যেভাবে আপনি আমাকে আমার যৌবনে বিয়ের আনন্দ থেকে বঞ্চিত করেছেন।’ এজন্য ছেলে-মেয়ে যখন বিয়ের উপযুক্ত হয়, তখন তাকে আটকে রাখবেন না। দেরি অনেক সময় শুধু সময়ই নেয় না, একটা জীবনও নিয়ে যায়। > – মাওলানা কোব্বাদি হাফিজাহুল্লাহ পরকালের প্রস্তুতি @PathwatToNoor4,61%
  • 4 авг."যে ব্যক্তি নিয়মিত সূরা বাকারাহ তেলাওয়াত করার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ কিন্তু দেখেন যে এর প্রভাব বা তাদের আশা পূরণে বিলম্ব হচ্ছে - তাদের জানা উচিত যে পাপের কারণে সাড়া এবং ফলাফল অর্জনে বিলম্ব হতে পারে।" পাপ রিযিক বন্ধ করে দেয়, দরজা বন্ধ করে দেয় এবং প্রার্থনা পূরণে বাধা দেয়। অতএব, যে ব্যক্তি তাদের জীবনে সূরা বাকারাহের প্রভাব দেখতে চায় তার উচিত ক্ষমা প্রার্থনা (ইস্তেগফার) বৃদ্ধি করা। -- ইস্তেগফার পাপ মুছে দেয়, রহমতের দরজা খুলে দেয় এবং আল্লাহর সাহায্য নিয়ে আসে। © @PathwayToNoor4,60%
  • 8 авг.আসসালামু আলাইকুম.... আল্লাহ আমাকে এই চ্যানেলের এডমিন হওয়ার সুযোগ করে দিয়েছেন আলহামদুলিল্লাহ... এই চ্যানেলে আল্লাহ তায়ালার রহমতে কিছু পোস্ট দেওয়ার চেষ্টা করি। কিন্তু আজকে এই পোস্টের মাধ্যমে আমি আপনাদের কাছে দোয়া চাচ্ছি:... আল্লাহ কার দোয়া কবুল করবেন, তা আমরা কেউই জানি না। কার হাত তুলে করা দোয়া আমার রবের কাছে প্রিয় হয়ে যাবে, কার একটি আন্তরিক দোয়া আমাদের জন্য রহমতের কারণ হয়ে যাবে—একমাত্র তিনিই তা জানেন। 🤲 তাই আজ আপনাদের সকলের কাছে আমার বাবা-মা ও পরিবারের জন্য আন্তরিকভাবে দোয়া চাইছি। সবার দোয়ারই প্রয়োজন। হয়তো আপনাদের মধ্যে কারও একটি ছোট্ট, আন্তরিক দোয়াই আল্লাহর দরবারে কবুল হয়ে যাবে। আল্লাহ যেন আমার আম্মুকে দ্রুত সুস্থতা দান করেন এবং তাঁকে নেক হায়াত দান করেন। আমার বাবা-মা ও পরিবারের প্রতিটি সদস্যকে তাঁর বিশেষ রহমত ও হেফাজতে রাখেন, সকল বিপদ-আপদ দূর করে দেন এবং আমাদের জন্য যা কল্যাণকর, তা সহজ করে দেন। দয়া করে আমাদের জন্য মন থেকে একটু দোয়া করবেন। আপনাদের দোয়া আমাদের জন্য অনেক বড় নিয়ামত হবে ইনশাআল্লাহ 🤲 আল্লাহ আপনাদের প্রত্যেকের দোয়া কবুল করুন, আপনাদের পরিবারকেও তাঁর রহমত ও হেফাজতে রাখুন এবং সবাইকে উত্তম প্রতিদান দান করুন। আমিন ইয়া রব্বুল আলামিন।4,49%