Охват к подписчикам
21,6%
ERR
Реакции к просмотрам
1,07%
64 на 21 постов
Пересылки к просмотрам
0,07%
4
Постов в день
0,0
всего 21
Где отзываются чаще
доля реакций к просмотрам- 23 июл.লাল জুলাই আইসা পড়ছে❤️ 📕 কাঁটাবন কনকর্ড, বাতিঘর ও রকমারিতে পাওয়া যাবে! 📌 বুক রিভিউর প্রথম ২০ জনের জন্য থাকছে বই উপহার। *Rokomarilink* ইকবাল, ফুকো ও জুলাই বিপ্লব: আবদুল কাদের জিলানী - Iqbal, Foucault and July Revolution: Abdul Kader Zilani | Rokomari.com https://share.google/AamWqgn73WjdsEyfF4,35%
- 16 маяজুলাই ও ইকবাল নিয়া দৈনিক আমার দেশের সাহিত্য পাতার আমার লেখাটি পড়তে পারেন। জুলাই পরবর্তী ইকবাল আলাপ আরো সুনির্দিষ্ট হইয়া উঠবে বলে আমার বিশ্বাস। আমার আপকামিং "জুলাই, ফুকো ও ইকবাল" গ্রন্থে বিস্তারিত থাকবে। যাই হোক লেখাটি পইড়া মন্তব্য জানাবেন। লিঙ্ক: https://www.dailyamardesh.com/literature/essay/amdnjp5kilfiz2,13%
- 2 июн.‘ইকবাল, ফুকো ও জুলাই’ গ্রন্থটি জুলাই-পরবর্তী বাংলাদেশের অসমাপ্ত রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও রূহানি অভিজ্ঞতাকে বোঝার একটি প্রচেষ্টা। ইকবাল ও ফুকোর চিন্তার আলোকে জুলাইয়ের তাৎপর্য, সীমাবদ্ধতা এবং ভবিষ্যৎ সম্ভাবনাকে অন্বেষণ করাই এ গ্রন্থের মূল উদ্দেশ্য। খুব শীঘ্রই বের হচ্ছে ,,2,01%
- 20 июн.без подписи1,86%
- 15 апр.без подписи1,74%
- 1 июл.সাদি মুহম্মদ একজন মুসলিম ছিলেন। আমরা দেখলাম তাঁর মৃত্যুতে আগুনের পরশমণি গান গাওয়ার হলো । এরপর রবীন্দ্র কালচার ঘিরে প্রতিষ্ঠিত ছায়ানটের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এবং সভাপতি সানজিদা খাতুনের মৃত্যুর পর ঘন্টা খানেক ধরে তার লাশকে ঘিরে রবীন্দ্র সংগীত গাওয়া হলো। শত শত ভক্তরা সানজিদা খাতুনের লাশ সামনে নিয়ে বিদায় জানালেন। ১৯৬১ সালে ছায়ানট প্রতিষ্ঠিত হয়। ষাটের দশকে বেতার ও টেলিভিশনে রবীন্দ্র সংগীত গাওয়া নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। কলিম শরাফী ছায়ানট গড়ে তোলেন যেখানে সুফিয়া কামালকে সভাপতি এবং ফরিদা হাসানকে সম্পাদক করেন। প্রথমদিকে গান শেখানোর পশাপাশি গানের অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হতো। তবে ১৯৬৪ সালে, বাংলা ১৩৭১ পহেলা বৈশাখ রমনায় নববর্ষ পালন করে ছায়ানট । এরপর ধীরে ধীরে হিন্দু কালচারের প্রতিটি অনুষ্ঠানে রবীন্দ্র সংগীত গেয়ে উদযাপন করা হয় । যে কোন উদযাপনে রবীন্দ্র সংগীত উপজীব্য করে কালচারাল কার্যক্রম মূলত কালচারাল প্রভুত্বের শামিল। তাই ছায়ানট অনুরাগীরা রবীন্দ্র সংগীত কেন্দ্রিক যে কালচারের হর্তা কর্তা তা মূলত রাবিন্দ্রিক কাল্ট। মোস্তফা মনোয়ার ছিলেন গোলাম মোস্তফার ছেলে। গোলাম মোস্তফা ছিলেন মুসলিম জাগরণের অন্যতম কবি। রাসূল স. এর উপর তাঁর লেখা বিশ্বনবী ছিল খুবই গুরুত্বপূর্ণ ও জনপ্রিয় জীবনী। গোলাম মোস্তফার "ইসলাম ও কমিউনিজম", "আমার চিন্তাধারা" ছিল তাঁর গভীর চিন্তার ফসল। চল্লিশের দশকে যারাই ইসলাম ও মুসলিম সাংস্কৃতির পক্ষে ছিলেন তাদের সন্তানরা একাত্তর পরবর্তী সেকুলার ও বামপন্থী রাজনৈতিক দর্শনের সাথে যুক্ত হন। যেমন আবুল হাসিম, আবুল মনসুর আহমদ, ডক্টর মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ যাদের সন্তানরা বাবার চিন্তার বিপরীতে রাজনৈতিক বয়ান উৎপাদন করেন। মোস্তফা মনোয়ারের মৃত্যু পরবর্তী তার লাশ ঘিরে দিজেন্দ্রলাল রায়ের গান গাওয়া হলো। মোস্তফা মনোয়ার একজন গুণী শিল্পী ছিলেন। গত মাসে এক পোডকাস্টে কুরআন নিয়ে কথা বলতে দেখেছিলাম। তিনি হয়তো শেষ জীবনে উপলব্ধি করতে পেরেছিলেন। উনিশ শতকে রাজা রামমোহনের(১৭৭২-১৮৩৩) হাত ধরে হিন্দু ধর্মের বাইরে গিয়ে নতুন ধর্ম চিন্তার কথা ভাবা হয় । এই উনিশ শতকেই বঙ্কিমের(১৮৩৮-১৮৯৪) হাতে নতুন ধর্মের রূপ তৈরি হয় । যা পরবর্তীতে দেশ ভক্তিতে রূপ নেয় । ধর্ম অর্থাৎ দেশ সেবা এবং ঈশ্বর অর্থাৎ দেশ এই মন্ত্রে হিন্দু জাতীয়তাবাদ প্রচার ও প্রসার করল । এরমধ্যেই রবীন্দ্রনাথের(১৮৬১-১৯৪১) জন্ম । রবীন্দ্রনাথ নাথ ,স্বামী ও প্রভু সম্বোধনে গান লিখেছেন । তবে তার গানে ভিন্ন ভিন্ন অনুষঙ্গ প্রকাশ পেয়েছে । কখনো আকুতি কখনো বাসনা কখনো করুনা প্রকাশ পেয়েছে । আরো গভীর পর্যবেক্ষণ করলে দেখা যায় এসবের পেছনে বেদ ও উপনিষদের প্রভাব রয়েছে প্রকট । মোটের উপর বলতে গেলে বাংলাদেশে যে রবীন্দ্র কালচার তা মূলত কাল্ট হিসবে প্রচার ও প্রসার হচ্ছে । যা বাংলাদেশের মুসলমানদের মনস্তত্ব ও আচারে ধীরে ধীরে গেথে যাচ্ছে । এক সময় এদেশের মুসলিমদের ধর্মচর্চার সাথে রাবিন্দ্রিক কাল্ট অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে উঠবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করছি। ব্যক্তি ,সমাজ ও রাষ্ট্রে যা নিছক সংস্কৃতি ও সভ্যতা সমপর্যায়ের বললে ভুল হবে না। ধরেন আপনি রাবিন্দ্রিক কালচার বয়কট করলেন তার মানে এই নয় যে এই কালচার বিলুপ্ত হয়ে যাবে । যারা বিরোধীতা করছে বরং তারাই রাষ্ট্রের মূল ধারায় প্রান্তিক হয়ে যাচ্ছে । আর দিন দিন এটা আরো প্রবল হয়ে উঠবে বলে মনে হচ্ছে । চারুকলা ,ছায়ানট ,সংগীত ইনস্টিটিউট, শিল্পকলা, একাডেমি এসব মূলত রাবিন্দ্রিক কালচারের কেন্দ্র পর্যায়ের। তবে এই কালচার সমাজ ও রাষ্ট্রের সাথে যে সমন্বয় ঘটিয়েছে তাতে স্রেফ রাবিন্দ্রিক কালচার আর কালচার পর্যায়ে নাই তা এখন সভ্যতা পর্যায়ভুক্ত । এখানে সেক্যুলারিজম খুব গুরুত্বের সাথে কাজ করছে । এখানে আগুনের পরশমণি অথবা ধনধান্যে পুষ্পভরা গান গেয়ে যে কালচার তার উদ্দেশ্য অভিন্ন। রবীন্দ্রনাথ ব্রাহ্মণ্য ধর্ম, মানব ধর্ম অথবা সেক্যুলার ধর্মের ধর্ম গুরু এটা কম প্রাসঙ্গিক । এখানে তার চেয়ে বেশি প্রাসঙ্গিক হচ্ছে রবীন্দ্র সভ্যতা যারা হুমকি মনে করছে তাদের সভ্যতা নির্মাণের খোরাক কি ! এই রাবিন্দ্রিক কালচার মোকাবিলায় আপনার রসদ কি ? অথবা আপনি কি ধরনের সংস্কৃতি ও কালচার দিয়া রাবিন্দ্রিক কাল্ট মোকাবিলা করবেন ? রাবিন্দ্রিক কাল্ট বিরোধীতার চেয়ে নিজেদের চিন্তা ও দর্শনের পুনর্গঠন জরুরী । আপনি কারো পিছে পড়ে থাকলে কখনোই সামনে পৌঁছাতে পারবেন না । তাই নিজস্ব চিন্তার যথাযথ মূল্যায়ন করে সংস্কৃতি ও সভ্যতার পাটাতন তৈরি ছাড়া এদেশের মুসলিমদের রাবিন্দ্রিক কাল্ট থেকে মুক্তি মিলবে না । জুলাই যে বিপ্লবের স্পিরিট তৈরি করে গেছে সেই স্পিরিট ধারণ করে একটা কালচার গড়ে তোলাই হবে আমাদের প্রধান লক্ষ্য। সকল শহীদ ও যোদ্ধাদের লাল সালাম। জুলাই মোবারক।1,46%
- 10 июн.Bangladesh Institute of Islamic Thought (BIIT) proudly presents a one-semester course on World Civilizations & Global Encounters, instructed by Prof. Abdullah al-Ahsan, PhD. Registration Deadline: 15 June 2026 Course Starts: 20 June 2026 Eligibility: Postgraduate (Master's & PhD) Registration Fee: BDT 1000 Limited seats available. Register now. Link: https://forms.gle/jh2wQUPFHVHHnRpQ81,42%
- 19 апр.২১ এপ্রিল বটতলায় আপনিও আমন্ত্রিত।1,37%
- 27 апр.без подписи1,36%
- 17 апр.এসব ফিরে আসা মানে জুলাইকে ব্যর্থ হিসেবে দেখানো। জুলাই ছিল শহীদ আর আহত গাজিদের উপহার। আমরা সেই জুলাই হেফাজত করতে সক্ষম হইনাই। যাদের জন্য জুলাই ব্যর্থ হয়েছে তাদের জীবন যাপন দেইখা মরতে চাই।1,18%
- 24 апр.রাজনৈতিক দল হিসেবে একমাত্র আওয়ামীলীগই একটা প্যাকেজ রাজনীতি করে। একদিকে তাদের রাজনৈতিক দর্শন, কালচার,বুদ্ধিজীবি,চলচ্চিত্র ব্যক্তিত্ব, মিডিয়া ও একনিষ্ঠ রাজনৈতিক কর্মী যেমন রয়েছে তেমনি আন্তর্জাতিক লবিং, ডিপস্টেট ও বিশ্বস্ত প্রশাসনও রয়েছে। ধরেন রাজনৈতিক দর্শন হিসেবে তারা মুজিব কাল্ট মনে প্রাণে ধারণ করেন। আওয়ামী বুদ্ধিজীবিরা কালচারাল সাইট নিজেদের দখলে রেখে সংস্কৃতিক অঙ্গন নিজেদের করে রেখেছে। তাদের কাঠামোর বাইরে আপনার কাজের গ্রহণযোগ্যতা সীমিত। উদিচি, ছায়ানট, বাংলা একাডেমি, বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র, গ্রন্থাগার অধিদপ্তর সহ রাষ্ট্রের অন্যান্য সংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান হাসিনার ফ্যাসিস্ট হয়ে উঠার পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। এরপর আসেন সংবাদপত্র। বিশিষ্ট সংবাদপত্রের সম্পাদকেরা পর্যন্ত এজেন্সির সাথে যুক্ত হয়ে ফ্যাসিবাদের কাঠামো মজবুত করেছিল। এরপর নাটক সিনেমা ও খেলোয়াররা প্রত্যক্ষভাবে ফ্যাসিবাদি রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত হয়েছে। এরপর প্রশাসন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, আন্তর্জাতিক সমর্থন ও ডিপস্টেটের কৌশলী সিদ্ধান্ত ফ্যাসিবাদী ক্ষমতাকে দীর্ঘায়িত করেছিল। এক কথায় আওয়ামীলীগ একটা শক্তিশালী প্যাকেজ রাজনীতি করে। এবার আসেন অন্যান্য রাজনৈতিক দল কি রাজনীতি করে সেটা দেখি। বিএনপি দুর্বল বুদ্ধিবৃত্তিক বুদ্ধিজীবিতা আপহোল্ড করে। তাদের বুদ্ধিজীবিরা কালচারালি লীগের উদ্দেশ্য বাস্তবায়ন করে। লীগের তৈরি করা রাষ্ট্রীয় কাঠামোর উপর তারা রাষ্ট্রীয় পলিসি তৈরি করে। দিন শেষে ভূমি দখলের রাজনীতির বাইরে রাজনীতি করতে দেখি না। প্রতিটি ফ্যাসিবাদী প্রতিষ্ঠান লীগের অনুপস্থিতিতে বিএনপিকে সমর্থন দিচ্ছে। জাস্ট এতটুকু। এরপর জামায়াতের অবস্থা আরো ভয়াবহ। আওয়ামী মিডিয়া লীগের অনুপস্থিতিতে বিএনপির সেবা দেবে, তবে জামায়াতের হয়ে সে কোন দিন কাজ করবে না সেটা স্পষ্ট। আদর্শিক ভাবে জামায়াত শক্তিশালী তবে রাজনৈতিক জ্ঞানের চেয়ে তাদের সাংগঠনিক জ্ঞান ভালো। তাই দিন শেষে ভূমি দখলের রাজনীতি ছাড়া নতুন বন্দোবস্তের রাজনীতি আর হয়ে ওঠে না। জামায়াতের মিডিয়া লাগে না। বুদ্ধিজীবি লাগে না। প্রশাসন লাগে না। আন্তর্জাতিক লবিং লাগে না। ডিপস্টেটের ক্ষমতার হাত মাথায় রাখা লাগে না। দিন শেষে তাদের সাথে কথা বলে পারবেন না। তারা বলবে তারা বাংলাদেশপন্থী রাজনীতি করে। তারা ইসলামী আন্দোলনের রাজনীতি করে। রাজনৈতিক দর্শন, কালচার,বুদ্ধিজীবি,চলচ্চিত্র ব্যক্তিত্ব, মিডিয়া ও একনিষ্ঠ রাজনৈতিক কর্মী ছাড়া ক্ষমতার রাজনীতি অসম্ভব। সেই সাথে আন্তর্জাতিক লবিং, ডিপস্টেট ও বিশ্বস্ত প্রশাসনের হাত মাথায় থাকা লাগবে। যদি ডিপস্টেট মুলা ঝুলিয়েও থাকে তাহলে সেই মুলা উগ্র জাতীয়তাবাদী মুলা সেটা বোঝার ক্ষমতা কি আছে! এই মুলা আরেকটা ফ্যাসিবাদি বন্দোবস্তের দিকে যাচ্ছে কিনা সেটা কে জানে!1,08%
- 12 авг. 2024 г.без подписи0,90%