tgindex

Athari (Bengali)

описание

____________________

2 080
подписчиков
Охват к подписчикам
15,0%
ERR
Реакции к просмотрам
1,20%
105 на 24 постов
Пересылки к просмотрам
0,39%
34
Постов в день
0,7
всего 24

Где отзываются чаще

доля реакций к просмотрам
  • 8 авг.কোনো কিছুতে খুব কষ্ট পাচ্ছেন? নিচের এই দুটি হাদিস পড়ুন, অন্তরে শান্তি পাবেন! . ১) আম্মাজান আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: ❝যদি কোনো বান্দার গুনাহ বা পাপ অনেক বেশি হয়ে যায় এবং তা মুছে ফেলার মতো পর্যাপ্ত নেক আমল তার না থাকে, তবে আল্লাহ তাআলা তাকে 'হতাশা বা চিন্তায়' (মনোকষ্টে) مبتلا (আক্রান্ত) করেন, যাতে তা তার গুনাহের কাফফারা (পাপমোচন) হয়ে যায়।❞ 👉 সূত্র: মুসনাদে আহমাদ (হাদিস নম্বর: ২৫২৩৬) . ২) আবু সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) ও আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, নবী কারীম (ﷺ) বলেছেন: ❝কোনো মুসলিম যখনই কোনো ক্লান্তি, অসুস্থতা, দুশ্চিন্তা, দুঃখ-কষ্ট, মানসিক যন্ত্রণা বা উদ্বেগের সম্মুখীন হয়—এমনকি যদি তার পায়ে একটি কাঁটাও ফোটে—আল্লাহ তাআলা এর বিনিময়ে তার কিছু গুনাহ ক্ষমা করে দেন।❞ 👉 সূত্র: সহীহ আল-বুখারী (হাদিস নম্বর: ৫৬৪১, ৫৬৪২)5,83%
  • 5 авг.без подписи4,41%
  • 11 авг.প্রশ্ন (২৭/২২৭) : ‘আখেরী চাহার সোম্বা’ কাকে বলে। শরী‘আতে এরূপ কোন দিবসের অনুমোদন আছে কি? উত্তর : ‘আখেরী চাহার সোম্বা’ কথাটি ফার্সী। এর অর্থ ছফর মাসের শেষ বুধবার। ইরান, ইরাক, ভারত, পাকিস্তান ও বাংলাদেশে এটি দিবস হিসাবে পালিত হয়ে থাকে। এর ভিত্তি হ’ল- মৃত্যুর পাঁচদিন পূর্বে বুধবার রাসূল (ছাঃ)-এর দেহের উত্তাপ ও মাথাব্যথা খুব বৃদ্ধি পায়। তাতে তিনি বারবার বেহুঁশ হয়ে পড়তে থাকেন। অতঃপর তাঁর মাথার উপরে পানি ঢালা হ’লে তিনি একটু হালকা বোধ করলে মসজিদে গিয়ে যোহরের ছালাত আদায় করেন এবং মুছল্লীদের উদ্দেশ্যে ভাষণ দেন’ (বুখারী হা/৪৪৪২; ইবনু হিশাম ২/৬৪৯)। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে উক্ত দিবস ঘটা করে পালন করা হয় এবং সরকারী ছুটি ঘোষণা করা হয়। অথচ এটি সম্পূর্ণরূপে বিদ‘আতী প্রথা। ছাহাবায়ে কেরামের যামানায় এরূপ প্রথার কোন অস্তিত্ব ছিল না। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, ‘কেউ যদি এমন কোন আমল করে, যার প্রতি আমাদের নির্দেশ নেই তা প্রত্যাখ্যাত’ (বুখারী হা/২৬৯৭; মুসলিম হা/১৭১৮; মিশকাত হা/১৪০)। Link: https://at-tahreek.com/site/show/1252,50%
  • 27 июл.স্পেনে প্রায় ৮০০ বছর (৭১১–১৪৯২ খ্রি.) মুসলিমদের শাসন ছিল। একসময় আন্দালুসিয়ার মিনার থেকে ভেসে আসত আযানের ধ্বনি; আজ সেই অনেক মসজিদই গির্জা। পাথরের দেয়ালগুলো একদিনে বদলে যায়নি। আগে বদলেছিল মানুষের হৃদয়, দুর্বল হয়েছিল ঈমান, হারিয়ে গিয়েছিল ইসলামী পরিচয়ের গৌরব। তারপর হারিয়েছে সভ্যতা, শহর, ইতিহাস। আজ আমাদের অনেকেই মুসলিম পরিচয় দিতেই সংকোচ বোধ করি। অথচ যে পরিচয় একদিন বিশ্বকে নেতৃত্ব দিয়েছিল, সেই পরিচয় নিয়েই আজ আমরা হীনমন্য। আন্দালুসিয়া শুধু একটি হারানো ভূখণ্ড নয়—এটি ঈমান হারালে কী হারাতে হয়, তার জীবন্ত ইতিহাস। আন্দালুসিয়া (৭১১–১৪৯২ খ্রি.)2,36%
  • 12 авг.без подписи1,95%
  • 11 янв.без подписи1,86%
  • 11 авг.“গত শতাব্দীতে ইসলামী দেশসমূহে সেকুলারিজম চাপিয়ে দেওয়ার ব্যাপক প্রচেষ্টা থাকা সত্ত্বেও এই পদক্ষেপগুলো এখনো খুবই দুর্বল এবং যদি সরকারি পর্যায় থেকে কোনো সহযোগিতা না পেতো, তবে এর কোনো চিন্হ খুঁজে পাওয়া যেতো না। প্রকৃত বিষয় হলো, সেকুলারদের অন্তর্নিহিত কোনো শক্তি নেই। বরঙ তাদের বাহ্যিক দাপটের সবটুকুই রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতার কারণে আসে। কারণ ইসলামী দেশসমূহ স্বভাবতই সেকুলারিজমের আইডিয়াকে গ্রহণ করে না।” শাইখ ডক্টর সুলতান আল উমাইরি অনুবাদ: বাসসাম যাওয়াদি1,74%
  • 18 июл.без подписи1,71%
  • 8 авг.আবদাহ বিন সুলাইমান রহ. বলেন, একদা আমরা আব্দুল্লাহ বিন মুবারকের সাথে রোম শহরে একটি যুদ্ধে ছিলাম। আমরা দুশমনদের দেখা পাই। যখন যুদ্ধের ময়দানে দুটি কাতার মুখোমুখি হল, তখন দুশমনদের থেকে এক লোক বের হয়ে মোকাবেলা করার আহ্বান করলে একজন মুসলিম ব্যক্তি বের হল এবং তার সাথে মোকাবিলা করল, তাকে আঘাত করে হত্যা করে ফেলল। তারপর অপর এক লোক বের হল এবং সে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিল। তখন মুসলিমটি তার সাথে মোকাবিলা করল এবং তাকে হত্যা করল। তারপর তৃতীয় ব্যক্তি আসল এবং তাকেও হত্যা করা হল। এরপর লোকেরা মুসলিম ব্যক্তিটিকে চেনার জন্য ভিড় করলে লোকটি তার চেহারা ডেকে ফেলল। আবদা রহ. বলেন, যারা লোকটিকে চেনার জন্য ভিড় করছিল, আমিও তাদের সাথে ছিলাম। আমি লোকটির জামার একটি হাতা ধরে টান দিলে দেখতে পাই লোকটি আব্দুল্লাহ ইবনুল মুবারক। তখন তিনি ধমক দিয়ে বললেন, এ জন্যই কি চেহারা খোলা হল: হে আবু ওমর তুমি এমন লোক যে আমাদের বিরুদ্ধে বিপদ ডেকে আনো! তারিখে বাগদাদ: ১৬৭/১০।1,65%
  • 7 авг.▌উম্মাহর মৌলিক নীতিমালার একটি হলো—“মুসলিম তার মুসলিম ভাইকে সাহায্য করবে, সে জালিম হোক বা মজলুম।” জালিম অবস্থায় তাকে সাহায্য করার অর্থ হলো—তার হাত অন্যায় থেকে নিবৃত্ত করা, তাকে আন্তরিক নসীহত করা, সঠিক পথনির্দেশ দেওয়া, ধারণা, সন্দেহ ও কল্পনার ভিত্তিতে বিচার করা থেকে তাকে মুক্ত করা; সন্দেহের স্থলে নিশ্চিত জ্ঞানকে প্রতিষ্ঠিত করা, কুমন্ত্রণা ও কু-প্ররোচনার পরিবর্তে উত্তম পরিবেশ সৃষ্টি করা; মিথ্যা অপবাদ ও পাপপূর্ণ অভিযোগ থেকে বিরত থাকা; কু-ধারণা ও অসৎ মনোভাবের পরিবর্তে উত্তম ধারণা পোষণ করা; এবং তাকে আল্লাহর শাস্তি ও অসন্তুষ্টি সম্পর্কে সতর্ক করা। আর মজলুম অবস্থায় তাকে সাহায্য করার অর্থ হলো—জালিমকে তার ওপর থেকে প্রতিহত করা, তার প্রতি ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা, তার সম্মান ও মর্যাদা রক্ষা করা, তাকে সান্ত্বনা দেওয়া, তাকে স্মরণ করিয়ে দেওয়া যে তার জন্য রয়েছে মহান প্রতিদান ও বিপুল সওয়াব; এবং এই বিশ্বাস জাগানো যে, আল্লাহ অবশ্যই তাঁর ইচ্ছায় তাকে সাহায্য করবেন—যদিও তা কিছু সময় পরে হয়। -শাইখ বকর আবু যায়েদ (রহিমাহুল্লাহ)1,50%
  • 24 июл.রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম একেক ক্ষেত্রে একেক আমলকে শ্রেষ্ঠ বলেছেন। সেসব হাদিসের ব্যাখ্যাগুলো একত্রিত করার সময় একটা জিনিস খেয়াল করলাম, প্রায় ৫ টি আমলের শ্রেষ্ঠত্বের কথা বারবার বিভিন্ন হাদিসে এসেছে। ১। আল্লাহর উপর ইমান। ২। ওয়াক্ত মতো নামাজ পড়া। ৩। পিতামাতার সাথে সদ্ব্যবহার করা। ৪। আল্লাহর রাস্তায় জি-হা+দ করা। ৫। মকবুল হজ। কত সৌভাগ্যবান ও শ্রেষ্ঠ সেই ব্যক্তি যে এই পাঁচটি সহ বাকি শ্রেষ্ঠ আমলগুলো নিজের আমলের পাল্লার জন্য জমা করে নিয়েছে। লেখক: আব্দুর রহমান1,09%
  • 4 дек. 2024 г.без подписи1,05%