- Последний пост
- 13 авг.
- Последнее чтение
- 14 авг.
- Постов за неделю
- 5
- Всего постов
- 24
- Тип
- открытый
- Язык
- bn
- В каталоге с
- 13 авг.
- 1/24сутки в ленте
- 143
- 1/48двое суток
- 163
- 1/72трое суток
- 176
Оценка по просмотрам недавних постов: пост набирает почти всё за первые сутки.
Посты
শাইখ বিন বায রহিমাহুল্লাহকে প্রশ্ন করা হয়েছিল: প্রশ্ন: সালাতে কাতার সোজা করার অংশ কি এই যে, মুসল্লি তার পাশের ব্যক্তির সাথে নিজের পা মিলিয়ে দেবে? উত্তর: نعم، لا بد أن يسدوا الخلل، قال الصحابة: كان أحدنا يلصق قدمه بقدم صاحبه فالسنة إلصاق القدم بالقدم حتى لا تبقى فرجة، لكن من دون أذى لا يؤذي جاره، لكن يلصق قدمه بقدمه حتى لا يكون بينهم فرج. হ্যাঁ, ফাঁকা স্থান অবশ্যই পূরণ করতে হবে। সাহাবিগণ বলেছেন: "আমাদের কেউ কেউ তার পা তার সঙ্গীর পায়ের সাথে মিলিয়ে রাখতেন।" সুতরাং, সুন্নাহ হলো কোনো ফাঁকা জায়গা যেন বাকি না থাকে সেজন্য পায়ের সাথে পা মিলিয়ে রাখা। তবে তা যেন পাশের ব্যক্তির জন্য কষ্টদায়ক না হয়; কাউকে কষ্ট না দিয়ে সালাতে কোনো ফাঁক না থাকার উদ্দেশ্যে পায়ের সাথে পা মেলাতে হবে। উপস্থাপক: আল্লাহ আপনার হিফাজত করুন। https://binbaz.org.sa/fatwas/18879
без подписи
প্রশ্ন (২৭) : সূদভিত্তিক ব্যাংক থেকে শিক্ষাবৃত্তি গ্রহণ করা কি জায়েয? উল্লেখ্য, আমি সচ্ছল পরিবারের শিক্ষার্থী। উচ্চ মাধ্যমিক রেজাল্টের উপর বৃত্তির জন্য ডাক পেয়েছি। উত্তর : যদি আপনি কোন সুদভিত্তিক ব্যাংক থেকে সরাসরি সুদ না নিয়ে থাকেন, বরং তারা প্রাতিষ্ঠানিকভাবে শিক্ষার্থীদের মেধার ভিত্তিতে বৃত্তি বা সম্মানী দিয়ে থাকে; তাহলে সেই অর্থ গ্রহণ করা বৈধ হবে, ইনশাআল্লাহ। এমন অর্থ, যার উপার্জন পদ্ধতি হারাম (যেমন ব্যাংকের সুদভিত্তিক কার্যক্রম), তা উপার্জনকারীর জন্য হারাম হয়। কিন্তু সেই ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান যদি কাউকে হালাল পথে অর্থ প্রদান করে যেমন বৃত্তি, উপহার, অনুদান ইত্যাদির মাধ্যমে, তাহলে তা গ্রহীতার জন্য বৈধ হয়, যদি সে নিজে হারাম উপার্জনের সঙ্গে যুক্ত না থাকে। শাইখ ইবনু উছাইমীন (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, ‘যে সম্পদ কেবল উপার্জনের কারণে হারাম, তা কেবল কাসিব (উপার্জনকারী)-এর জন্য হারাম হয়; আর কেউ যদি তা হালাল পন্থায় গ্রহণ করে, তাহলে তার জন্য তা বৈধ’ (আল-কাওলুল মুফীদ, ৩/১১২ পৃ.)। নবী করীম (ﷺ) ইয়াহুদীদের কাছ থেকে খাবার ক্রয় করেছিলেন, উপহার গ্রহণ করেছিলেন এবং তাদের দাওয়াতও কবুল করেছিলেন, যদিও ইয়াহুদীরা সাধারণত সূদ খায় এবং হারামভাবে উপার্জন করে। এতে বোঝা যায়, এসব সম্পদ গ্রহীতার জন্য তখন বৈধ হয়, যদি তা বৈধ উপায়ে আসে। তবে আপনি যদি এমন পরিবার থেকে হন যেখানে আপনার বৃত্তির প্রয়োজন নেই, তাহলে উত্তম হলো আপনি সেই অর্থ আরও দরিদ্র কোন শিক্ষার্থীকে দিয়ে দিন অথবা সাধারণ কল্যাণমূলক কাজে ব্যয় করুন। এতে আপনার মেধার ফলও থেকে যাবে এবং আপনি অন্যের উপকারের মাধ্যমেও ছওয়াব পাবেন।
প্রশ্ন (২৭/২২৭) : ‘আখেরী চাহার সোম্বা’ কাকে বলে। শরী‘আতে এরূপ কোন দিবসের অনুমোদন আছে কি? উত্তর : ‘আখেরী চাহার সোম্বা’ কথাটি ফার্সী। এর অর্থ ছফর মাসের শেষ বুধবার। ইরান, ইরাক, ভারত, পাকিস্তান ও বাংলাদেশে এটি দিবস হিসাবে পালিত হয়ে থাকে। এর ভিত্তি হ’ল- মৃত্যুর পাঁচদিন পূর্বে বুধবার রাসূল (ছাঃ)-এর দেহের উত্তাপ ও মাথাব্যথা খুব বৃদ্ধি পায়। তাতে তিনি বারবার বেহুঁশ হয়ে পড়তে থাকেন। অতঃপর তাঁর মাথার উপরে পানি ঢালা হ’লে তিনি একটু হালকা বোধ করলে মসজিদে গিয়ে যোহরের ছালাত আদায় করেন এবং মুছল্লীদের উদ্দেশ্যে ভাষণ দেন’ (বুখারী হা/৪৪৪২; ইবনু হিশাম ২/৬৪৯)। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে উক্ত দিবস ঘটা করে পালন করা হয় এবং সরকারী ছুটি ঘোষণা করা হয়। অথচ এটি সম্পূর্ণরূপে বিদ‘আতী প্রথা। ছাহাবায়ে কেরামের যামানায় এরূপ প্রথার কোন অস্তিত্ব ছিল না। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, ‘কেউ যদি এমন কোন আমল করে, যার প্রতি আমাদের নির্দেশ নেই তা প্রত্যাখ্যাত’ (বুখারী হা/২৬৯৭; মুসলিম হা/১৭১৮; মিশকাত হা/১৪০)। Link: https://at-tahreek.com/site/show/125
“গত শতাব্দীতে ইসলামী দেশসমূহে সেকুলারিজম চাপিয়ে দেওয়ার ব্যাপক প্রচেষ্টা থাকা সত্ত্বেও এই পদক্ষেপগুলো এখনো খুবই দুর্বল এবং যদি সরকারি পর্যায় থেকে কোনো সহযোগিতা না পেতো, তবে এর কোনো চিন্হ খুঁজে পাওয়া যেতো না। প্রকৃত বিষয় হলো, সেকুলারদের অন্তর্নিহিত কোনো শক্তি নেই। বরঙ তাদের বাহ্যিক দাপটের সবটুকুই রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতার কারণে আসে। কারণ ইসলামী দেশসমূহ স্বভাবতই সেকুলারিজমের আইডিয়াকে গ্রহণ করে না।” শাইখ ডক্টর সুলতান আল উমাইরি অনুবাদ: বাসসাম যাওয়াদি
কোনো কিছুতে খুব কষ্ট পাচ্ছেন? নিচের এই দুটি হাদিস পড়ুন, অন্তরে শান্তি পাবেন! . ১) আম্মাজান আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: ❝যদি কোনো বান্দার গুনাহ বা পাপ অনেক বেশি হয়ে যায় এবং তা মুছে ফেলার মতো পর্যাপ্ত নেক আমল তার না থাকে, তবে আল্লাহ তাআলা তাকে 'হতাশা বা চিন্তায়' (মনোকষ্টে) مبتلا (আক্রান্ত) করেন, যাতে তা তার গুনাহের কাফফারা (পাপমোচন) হয়ে যায়।❞ 👉 সূত্র: মুসনাদে আহমাদ (হাদিস নম্বর: ২৫২৩৬) . ২) আবু সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) ও আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, নবী কারীম (ﷺ) বলেছেন: ❝কোনো মুসলিম যখনই কোনো ক্লান্তি, অসুস্থতা, দুশ্চিন্তা, দুঃখ-কষ্ট, মানসিক যন্ত্রণা বা উদ্বেগের সম্মুখীন হয়—এমনকি যদি তার পায়ে একটি কাঁটাও ফোটে—আল্লাহ তাআলা এর বিনিময়ে তার কিছু গুনাহ ক্ষমা করে দেন।❞ 👉 সূত্র: সহীহ আল-বুখারী (হাদিস নম্বর: ৫৬৪১, ৫৬৪২)
আবদাহ বিন সুলাইমান রহ. বলেন, একদা আমরা আব্দুল্লাহ বিন মুবারকের সাথে রোম শহরে একটি যুদ্ধে ছিলাম। আমরা দুশমনদের দেখা পাই। যখন যুদ্ধের ময়দানে দুটি কাতার মুখোমুখি হল, তখন দুশমনদের থেকে এক লোক বের হয়ে মোকাবেলা করার আহ্বান করলে একজন মুসলিম ব্যক্তি বের হল এবং তার সাথে মোকাবিলা করল, তাকে আঘাত করে হত্যা করে ফেলল। তারপর অপর এক লোক বের হল এবং সে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিল। তখন মুসলিমটি তার সাথে মোকাবিলা করল এবং তাকে হত্যা করল। তারপর তৃতীয় ব্যক্তি আসল এবং তাকেও হত্যা করা হল। এরপর লোকেরা মুসলিম ব্যক্তিটিকে চেনার জন্য ভিড় করলে লোকটি তার চেহারা ডেকে ফেলল। আবদা রহ. বলেন, যারা লোকটিকে চেনার জন্য ভিড় করছিল, আমিও তাদের সাথে ছিলাম। আমি লোকটির জামার একটি হাতা ধরে টান দিলে দেখতে পাই লোকটি আব্দুল্লাহ ইবনুল মুবারক। তখন তিনি ধমক দিয়ে বললেন, এ জন্যই কি চেহারা খোলা হল: হে আবু ওমর তুমি এমন লোক যে আমাদের বিরুদ্ধে বিপদ ডেকে আনো! তারিখে বাগদাদ: ১৬৭/১০।
▌উম্মাহর মৌলিক নীতিমালার একটি হলো—“মুসলিম তার মুসলিম ভাইকে সাহায্য করবে, সে জালিম হোক বা মজলুম।” জালিম অবস্থায় তাকে সাহায্য করার অর্থ হলো—তার হাত অন্যায় থেকে নিবৃত্ত করা, তাকে আন্তরিক নসীহত করা, সঠিক পথনির্দেশ দেওয়া, ধারণা, সন্দেহ ও কল্পনার ভিত্তিতে বিচার করা থেকে তাকে মুক্ত করা; সন্দেহের স্থলে নিশ্চিত জ্ঞানকে প্রতিষ্ঠিত করা, কুমন্ত্রণা ও কু-প্ররোচনার পরিবর্তে উত্তম পরিবেশ সৃষ্টি করা; মিথ্যা অপবাদ ও পাপপূর্ণ অভিযোগ থেকে বিরত থাকা; কু-ধারণা ও অসৎ মনোভাবের পরিবর্তে উত্তম ধারণা পোষণ করা; এবং তাকে আল্লাহর শাস্তি ও অসন্তুষ্টি সম্পর্কে সতর্ক করা। আর মজলুম অবস্থায় তাকে সাহায্য করার অর্থ হলো—জালিমকে তার ওপর থেকে প্রতিহত করা, তার প্রতি ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা, তার সম্মান ও মর্যাদা রক্ষা করা, তাকে সান্ত্বনা দেওয়া, তাকে স্মরণ করিয়ে দেওয়া যে তার জন্য রয়েছে মহান প্রতিদান ও বিপুল সওয়াব; এবং এই বিশ্বাস জাগানো যে, আল্লাহ অবশ্যই তাঁর ইচ্ছায় তাকে সাহায্য করবেন—যদিও তা কিছু সময় পরে হয়। -শাইখ বকর আবু যায়েদ (রহিমাহুল্লাহ)
https://youtu.be/-WUADPjE48E?is=9hMoBbttddiNUJ1V
без подписи
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কি রুকানাহ (রাঃ)-এর সঙ্গে কুস্তি লড়েছিলেন? . হাদিসে বর্ণিত হয়েছে— عَنْ أَبِي جَعْفَرِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ رُكَانَةَ، عَنْ أَبِيهِ أَنَّ رُكَانَةَ صَارَعَ النَّبِيَّ ﷺ فَصَرَعَهُ النَّبِيُّ ﷺ، قَالَ رُكَانَةُ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ ﷺ يَقُولُ: «إِنَّ فَرْقَ مَا بَيْنَنَا وَبَيْنَ الْمُشْرِكِينَ الْعَمَائِمُ عَلَى الْقَلَانِسِ». অর্থ: আবূ জাফর ইবনু মুহাম্মাদ ইবনু রুকানাহ (রহ.) তাঁর পিতার সূত্রে বর্ণনা করেন, রুকানাহ (রাঃ) রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সঙ্গে কুস্তি লড়েন। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁকে পরাজিত করেন। রুকানাহ (রাঃ) বলেন, আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি, "আমাদের ও মুশরিকদের মধ্যে পার্থক্য হলো টুপির ওপর পাগড়ি পরা।" (১) এ ছাড়া আরও বহু সূত্রে এ ঘটনাটি বর্ণিত হয়েছে। (২) তবে এ ঘটনার সব সনদই দুর্বল। এছাড়া এসব বর্ণনায় এমন কিছু অতিরিক্ত কথাও রয়েছে, যা প্রমাণিত নয়। তা সত্ত্বেও, কতিপয় মুহাদ্দিস ও আলেম কেবল রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের রুকানাহ -এর সঙ্গে কুস্তি লড়ার ঘটনাটুকু গ্রহণ করেছেন।(৩) #সতর্কবার্তা: কিছু বর্ণনায় পাওয়া যায়, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আবু জাহেলের সঙ্গেও কুস্তি লড়েছিলেন। তবে কতিপয় মুহাদ্দিস রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের আবু জাহেল ও রুকানাহ (রাঃ)-এর সঙ্গে কুস্তি লড়ার ঘটনাকে ভিত্তিহীন (বে-বুনিয়াদ) বলে মন্তব্য করেছেন। (৪) তথ্যসূত্র: ১। সুনানে আবু দাউদ, হা. ৪০৭৮; সুনানে তিরমিজি, হা. ১৭৮৪; তারীখুল কাবীর, ১/৮২; মু'জামুস সাহাবাহ, পৃ. ৭৬৯। ২। দালায়িলুন নবুওয়াহ, ৬/২৫০; জামে মা'মার ইবন রাশিদ, হা. ২০৯০৯। ৩। আল-ফুরূসিয়্যাহ, পৃ. ২০২; মুসতাদরাক আলা মাজমূইল ফাতাওয়া, ১/২২১; আল-বিদায়াহ ওয়ান নিহায়াহ, ৩/১২৯; ইরওয়াউল গালীল, হা. ১৫০৩। ৪। আত-তালখীসুল হাবীর, ৪/৩৯৮; তাহযীবুল কামাল, ৯/২২১।
без подписи
স্পেনে প্রায় ৮০০ বছর (৭১১–১৪৯২ খ্রি.) মুসলিমদের শাসন ছিল। একসময় আন্দালুসিয়ার মিনার থেকে ভেসে আসত আযানের ধ্বনি; আজ সেই অনেক মসজিদই গির্জা। পাথরের দেয়ালগুলো একদিনে বদলে যায়নি। আগে বদলেছিল মানুষের হৃদয়, দুর্বল হয়েছিল ঈমান, হারিয়ে গিয়েছিল ইসলামী পরিচয়ের গৌরব। তারপর হারিয়েছে সভ্যতা, শহর, ইতিহাস। আজ আমাদের অনেকেই মুসলিম পরিচয় দিতেই সংকোচ বোধ করি। অথচ যে পরিচয় একদিন বিশ্বকে নেতৃত্ব দিয়েছিল, সেই পরিচয় নিয়েই আজ আমরা হীনমন্য। আন্দালুসিয়া শুধু একটি হারানো ভূখণ্ড নয়—এটি ঈমান হারালে কী হারাতে হয়, তার জীবন্ত ইতিহাস। আন্দালুসিয়া (৭১১–১৪৯২ খ্রি.)
без подписи
без подписи
без подписи
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম একেক ক্ষেত্রে একেক আমলকে শ্রেষ্ঠ বলেছেন। সেসব হাদিসের ব্যাখ্যাগুলো একত্রিত করার সময় একটা জিনিস খেয়াল করলাম, প্রায় ৫ টি আমলের শ্রেষ্ঠত্বের কথা বারবার বিভিন্ন হাদিসে এসেছে। ১। আল্লাহর উপর ইমান। ২। ওয়াক্ত মতো নামাজ পড়া। ৩। পিতামাতার সাথে সদ্ব্যবহার করা। ৪। আল্লাহর রাস্তায় জি-হা+দ করা। ৫। মকবুল হজ। কত সৌভাগ্যবান ও শ্রেষ্ঠ সেই ব্যক্তি যে এই পাঁচটি সহ বাকি শ্রেষ্ঠ আমলগুলো নিজের আমলের পাল্লার জন্য জমা করে নিয়েছে। লেখক: আব্দুর রহমান
কোনো নারী কর্তৃক এই শর্ত আরোপের বিধান যে, তালাকের অধিকার তার হাতে থাকবে (حكم اشتراط المرأة أن يكون الطلاق بيدها) প্রশ্ন: হে শাইখ, আপনার পক্ষ থেকে এ কথাটি বর্ণিত হয়েছে যে, যদি কোনো নারী বিবাহচুক্তিতে নিজের জন্য তালাকের অধিকারকে শর্ত হিসেবে রাখে, তাহলে সে উক্ত অধিকার লাভ করবে।বিষয়টি কি সঠিক? উত্তর: না, এটি সঠিক নয়। তবে সে এ শর্ত আরোপ করতে পারে যে, তার স্বামী তাকে রেখে আরেকজন নারীকে বিয়ে করবে না—এ কথাই আমি বলেছি। কিন্তু সে যদি শর্ত করে যে - তালাকের অধিকার তার হাতে থাকবে, তাহলে শর্তটি সহীহ (বৈধ) নয়। কারণ, তালাকের অধিকার সেই ব্যক্তির, “যিনি পা (সাক) ধারণ করেছেন”, অর্থাৎ স্বামীর। সূত্র: শাইখ আবদুল মুহসিন আল-আব্বাদ (হাফিযাহুল্লাহ), শারহু সুনান আবি দাউদ, ১৩৪/৪০। ব্যাখ্যা: এখানে “الطلاق لمن أخذ بالساق” একটি আরবি প্রবাদ, যার অর্থ হলো তালাকের মূল অধিকার স্বামীর হাতে। তাই আক্ষরিক অনুবাদের পরিবর্তে “অর্থাৎ স্বামীর” বলে ব্যাখ্যা করা হয়েছে, যাতে বক্তব্যটি স্পষ্ট হয়।
без подписи
без подписи