Mahfuj Ibn Delowar
Статистика“প্রচার করো, যদি একটি মাত্র আয়াতও হয়।” ️[সহীহ বুখারি-৩৪৬১]
- Последний пост
- 14 авг.
- Последнее чтение
- 15 авг.
- Постов за неделю
- 25
- Всего постов
- 29
- Тип
- открытый
- Язык
- bn
- Категория
- Новости и СМИ (по похожим)
- В каталоге с
- 13 авг.
- 1/24сутки в ленте
- 148
- 1/48двое суток
- 169
- 1/72трое суток
- 182
Оценка по просмотрам недавних постов: пост набирает почти всё за первые сутки.
Посты
ইমাম শাতিবি রহিমাহুল্লাহ বলেন— "শরিয়তের কোনো দলিল থেকে বিধান বোঝার ক্ষেত্রে প্রত্যেক গবেষকের জন্য আবশ্যক হলো— প্রথম যুগের আলেমগণ সেই দলিল থেকে কী বুঝেছিলেন এবং তা অনুযায়ী কীভাবে আমল করেছিলেন, তা বিবেচনায় রাখা। কারণ, তাদের বুঝ ও আমলের প্রতি ফিরে যাওয়াই সঠিকতার অধিক নিকটবর্তী এবং ইলম ও আমলের ক্ষেত্রে অধিক সুদৃঢ়।" 📚 আল-মুওয়াফাকাত : খণ্ড. ৩ ; পৃষ্ঠা. ২৮৯।
видео или голосовое, без подписи
- সাইয়্যেদ কুতুবের বই পড়া যাবে কি.? - শাইখ সালেহ আল ফাউজান হাফিযাহুল্লাহ
শুধু নিজের শক্তিতে বুদ্ধি একা একা হিদায়াত লাভ করতে পারে না। বুদ্ধির উদাহরণ হলো চোখের আলোর মতো। চোখ সূর্যের আলো কিংবা প্রদীপের আলোতে সংযুক্ত না হলে যেমন দেখতে পারে না এবং অক্ষমই থেকে যায়, তেমনি বুদ্ধিও কুরআন ও ঈমানের নূরের সঙ্গে সংযুক্ত না হলে হিদায়াতের পথ দেখতে পারে না। 📕 মারাক্বী আল-ওয়ায়ী (مراقي الوعي), পৃষ্ঠা ২২।
видео или голосовое, без подписи
- যেসব বোনেরা মুখ ঢাকা ফরজ মনে করেন না, তাঁদের উদ্দেশ্যে চারটি পরামর্শ - শাইখ সুলাইমান আর রুহাইলী হাফিযাহুল্লাহ
কিন্তু অত্যন্ত আফসোসের বিষয় হলো, যখনই কেউ এই ধরনের বিভ্রান্তদের খণ্ডন করতে আসে, তখনই কিছু লোক বলে উঠে: 'আপনি তাড়াহুড়ো করছেন', 'আপনার মধ্যে এই সমস্যা, ওই সমস্যা রয়েছে', 'এ তো খণ্ডন করার যোগ্যই নয়', 'আপনি যদি চুপ থাকতেন তবে তার বিষয়টি এতটা ছড়িয়ে পড়ত না' এই ধরণের নানাবিধ ওয়াসাওয়া বা দ্বিধা-দ্বন্দ্ব তৈরি করা হয়। তবে এসব বিভ্রান্তি সালাফদের অনুসারী হক্কানী আলেমদের সত্য প্রকাশ করা থেকে কখনো নিরস্ত করতে পারবে না, যাতে তারা এই গোমরাহির দাওয়াতদাতাদের অনিষ্ট সম্পর্কে মানুষকে সতর্ক করতে পারেন। https://t.me/mafuj360/5150
হাসান আল বুখারীর বক্তব্য.... "...যাই হোক না কেন, যেগুলো সাধারণভাবে যাকাত বিষয়ে আলোচনা করেছে এর মধ্যে সবচেয়ে পরিচিত, বিখ্যাত এবং ইলমের তালিবদের (শিক্ষার্থীদের) হাতে বহুল সমাদৃত ও প্রচলিত কিতাব হলো ড. ইউসুফ আল-কারযাভীর ‘ফিকহুয যাকাত’। এটি বহু বছর আগে মুদ্রিত একটি পুরনো বই, তবে তা নিজ ক্ষেত্রে একটি মূল আকরগ্রন্থে পরিণত হয়েছে। কারণ তিনি এতে যাকাতের মাসায়েল ও আহকামসমূহ সুন্দর ও বিস্তৃতভাবে সংকলন করেছেন এবং বিষয়টি দীর্ঘভাবে আলোচনা করেছেন। সমকালীন পূর্ববর্তী ও পরবর্তী বহু আলেম এটির প্রশংসা করেছেন। তৃতীয়ত, শাইখ আইমান বিন সাউদ আল-আনকারীর লেখা ‘আল-মাসায়িলুল মুস্তাজিজ্জাহ ফি নাওয়াযিলিজ যাকাত আল-মুআসিরাহ’ কিতাবটি..." তোমাকে সৃষ্টির ওপর বিচারক হিসেবে কে বানিয়েছে? কে তোমাকে পাঠিয়েছে? আল্লাহ তাআলা তো বান্দাদের থেকে এটি চাননি যে তারা অন্যান্য বান্দার ওপর বিচারক হয়ে বসুক! যে ব্যক্তি দাওয়াতের পথ অবলম্বন করতে চায়, তার জানা উচিত যে তার দায়িত্ব হলো হেদায়েত, নসীহত (উপদেশ), দিকনির্দেশনা, সঠিক পথ প্রদর্শন ও শিক্ষা দেওয়া। কিন্তু বিচার বা হুকুম দেওয়া তো তোমার দায়িত্ব নয়, এমনকি তোমার চেয়ে উত্তম যারা ছিলেন সেই নবী ও রসূলদেরও (আলাইহিমুস সালাম) এই দায়িত্ব দেওয়া হয়নি। তারা বিচারক হিসেবে প্রেরিত হননি; তারা কেবল বার্তা পৌঁছানো, সুসংবাদদাতা ও সতর্ককারী হিসেবে প্রেরিত হয়েছিলেন। আর মানুষের ওপর বিচারক বা বিচারকার্য চালানোর দায়িত্ব আমাদের দেওয়া হয়নি। কত কত যুবকের সময় যে এভাবে নষ্ট হয়ে গেল! তালেবে ইলমেরা আলেমদের মজলিসে বসে, ক্যাসেট বা অডিও শোনে, বইপত্র পড়ে যার সবকিছুর মধ্যে কেবল এই চর্চাই থাকে: 'অমুক ভুল করেছে', 'অমুক গোমরাহ', 'অমুক যিন্দীক, 'অমুক ফাসিক', 'অমুক সুফী', 'অমুক এটা', 'অমুক ওটা'...! আচ্ছা, দিনশেষে তোমার উদ্দেশ্যটা কী? এটিই কি তোমার কাজ? কিয়ামতের দিন আল্লাহ যখন তোমাকে পুনরুত্থিত করবেন, তখন কি তিনি বলবেন: 'হে আমার বান্দা, তোমার রব কে? তোমার দ্বীন কী? তোমার নবী কে?' নাকি তিনি জিজ্ঞাসা করবেন: 'অমুকের ব্যাপারে তোমার মতামত কী ছিল?', 'জামাআতে তাবলীগের মানহাজ কী ছিল?', 'জামাআতুত তাকফীর ওয়াল হিজরাহ সম্পর্কে তুমি কী বলতে?'...? কিয়ামতের দিন আল্লাহ তোমাকে কী বিষয়ে জিজ্ঞাসা করবেন? তিনি কি তোমাকে মানুষ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করবেন? মানহাজ, ফেরকা, দল বা জামায়াত নিয়ে জিজ্ঞাসা করবেন? আল্লাহ তোমাকে জিজ্ঞাসা করবেন তোমার নিজের বিষয়ে তোমার সৎ আমল, তোমার ইবাদত এবং তোমার আকীদা সম্পর্কে! এটিই সেই বিষয় যার দায়িত্ব আল্লাহ তাআলা তোমাকে দিয়েছেন। শাইখ সালেহ আল ফাউজান হাফিযাহুল্লাহ বলেন, বিষয়টি অত্যন্ত মারাত্মক! আর এর মধ্যেই রয়েছে শরীয়তবিরোধীদের খণ্ডন (রদ্দ) করার বাধ্যবাধকতা তারা যা বলে তার বিপরীতে। তারা বলে: 'খণ্ডন বা রদ্দ করা ছেড়ে দিন, মানুষকে যার যার মতো থাকতে দিন, সবার মতকে শ্রদ্ধা করুন, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও বাকস্বাধীনতা বজায় রাখুন।' এর মাধ্যমেই উম্মাহ ধ্বংস হয়! এর মাধ্যমেই উম্মাহর ধ্বংস নেমে আসে! সালাফগণ (পূর্বসূরী উলামাগণ) এই ধরনের লোকদের বিষয়ে চুপ থাকেননি; তারা এদের মুখোশ উন্মোচন করেছেন এবং এদের খণ্ডন করেছেন কারণ উম্মাহর ওপর এদের অনিষ্ট ও বিপদের কথা তারা জানতেন। আমাদের জন্যও এদের শর বা অনিষ্টের ব্যাপারে চুপ থাকার সুযোগ নেই, বরং আল্লাহ যা নাযিল করেছেন তা স্পষ্টভাবে বর্ণনা করতে হবে। তা না হলে আমরা ওইসব গোপনকারীদের অন্তর্ভুক্ত হবো যাদের সম্পর্কে আল্লাহ বলেছেন: ‘আমরা যেসব সুস্পষ্ট নিদর্শন ও হেদায়েত নাযিল করেছি, তা মানুষের জন্য কিতাবে স্পষ্টভাবে ব্যক্ত করার পরও যারা তা গোপন করে, আল্লাহ তাদের ওপর অভিশাপ দেন এবং অন্যান্য অভিশাপকারীরাও তাদের ওপর অভিশাপ দেয়।’ [সূরা আল-বাকারা: ১৫৯] সুতরাং পাপ বা অপরাধ কেবল বিদআতী বা বিভ্রান্ত ব্যক্তির ওপরই সীমাবদ্ধ থাকে না; বরং যে ব্যক্তি তাদের অন্যায় দেখে চুপ থাকে, পাপ ও শাস্তি তাকেও স্পর্শ করে। কারণ মূল দায়িত্বই হলো মানুষের কাছে সত্যের ব্যাখ্যা ও স্পষ্ট বর্ণনা প্রদান করা। আর এটিই হলো ইলমী খণ্ডন বা জবাবের (রদ্দ) মূল কাজ। মুসলমানদের লাইব্রেরিতে বিদ্যমান এই সমস্ত ইলমী খণ্ডনসমূহ সত্য ও সোজা পথকে রক্ষা করে এবং এই বিভ্রান্তদের থেকে মানুষকে সতর্ক করে। সুতরাং আমাদের কাছে বাকস্বাধীনতা, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা কিংবা 'অন্যকে সম্মান করার' নামে এসব বিভ্রান্ত ধারণা চালানো যাবে না। আমাদের উদ্দেশ্য কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে আক্রমণ করা নয়, আমাদের উদ্দেশ্য সত্যকে স্পষ্ট করা। আমরা মানুষকে আঘাত করতে বা মানুষের গীবত-চর্চা করতে আসি না; উদ্দেশ্য হলো কেবল সত্যকে তুলে ধরা। এটি একটি আমানত, যা আল্লাহ আলেমদের ওপর অর্পণ করেছেন। অতএব, এই ধরনের লোকদের ব্যাপারে চুপ থাকা জায়েজ নয়।
видео или голосовое, без подписи
তুমি আঘাত পেতে থাকবে এবং কষ্ট পেতে থাকবে, যে পর্যন্ত না তুমি নিশ্চিতভাবে বিশ্বাস করো যে, প্রকৃত নির্ভরতা কেবল আল্লাহ আজ্জা ওয়া জাল- এর জন্যই মানায়। এবং অন্তর কেবল মহান আল্লাহর সাথেই শান্তি, প্রশান্তি ও নিরাপত্তার অনুভূতি লাভ করে। সুতরাং তুমি অন্যদের ভালোবাসবে আল্লাহর জন্য, আল্লাহর উদ্দেশ্যে এবং আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য। নিজের প্রবৃত্তির সন্তুষ্টির জন্য নয়। আর যে ব্যক্তি মহান আল্লাহকে সন্তুষ্ট করে, আল্লাহ তাআলাও তাকে সন্তুষ্ট করবেন কিছুকাল পরেই হোক না কেন। 📕 ফাতাওয়া ইবনে তাইমিয়া রহিমাহুল্লাহ ১০/১৩৪
প্রশ্নকর্তা: শায়েখ, আমার একটি প্রশ্ন আছে। কিছু শায়েখ বা আলেমের মধ্যে কিছু ভুলত্রুটি রয়েছে অথবা আপনারা যাদের ব্যাপারে সতর্ক করেন যেমন আল-উসাইমি, আল-শুওয়ায়ির, হাসান আল-বুখারী, সা’দ আল-খাসলান কিংবা আমির বাহজাত আমরা কি তাদের সম্পূর্ণ জ্ঞান বাদ দেব? অর্থাৎ তাদের থেকে কি কোনো জ্ঞানই গ্রহণ করা যাবে না? শায়েখ (ড. আব্দুল আজিজ আল-রাইস): প্রথমত, এরা সবাই এক স্তরের নন। তাই সবাইকে একইভাবে ফেলা যায় না। আমির বাহজাত এবং হাসান আল-বুখারী অন্য পর্যায়ের, তারা আন্দোলনের সাথে যুক্ত বা রাজনৈতিক ধারার (হারাকী)। কিন্তু অন্যদিকে সালেহ আল-উসাইমি এবং আবদুস সালাম আল-শুওয়ায়ির কিছু ভুল করেছেন বা রাজনৈতিক ধারার কাছাকাছি গেছেন, যা আমি পূর্বে স্পষ্ট করেছি। তবে তারা ঐসব রাজনৈতিক বা বিভ্রান্তিকারীদের মতো নন। হাসান আল-বুখারীকে সালাফি আলেমদের কেউ সালাফি হিসেবে চেনে না এবং তিনি নিজেও সালাফি পরিচয়ে সন্তুষ্ট নন। আর আমির বাহজাতের কথা বললে, তিনি যখন রিয়াদে ছিলেন তখন ওসামা বিন লাদেনকে অতি সম্মান করতেন। তিনি মৌরিতানিয়া গিয়েছিলেন এবং সেখানে মুহাম্মদ আল-হাসান ওয়ালাদ আল-দাদোকে তার শিক্ষকদের একজন হিসেবে উল্লেখ করেছেন। এমনকি একটি ক্লিপে তাকে বলতে শোনা গেছে "সুন্নাহ তারকিয়াহ" বলে কিছু নেই, যা বিদআতের পথ খুলে দেওয়ার মতো। এছাড়া তিনি চার মাজহাবের অন্ধ তাকলিদের দিকে আহ্বান জানান এবং ছাত্রদের মধ্যে মাযহাবী গোঁড়ামি জাগিয়ে তোলেন। আবদুস সালাম আল-শুওয়ায়ির এবং ড. সালেহ আল-উসাইমির বিষয়ে যা তা আগে আমি স্পষ্ট করেছি, আল্লাহ তাদের ও আমাদের ক্ষমা করুন। তবে তারা উল্লিখিত ব্যক্তিদের থেকে ভিন্ন। তাদের উচিত ছিল আল্লাহকে ভয় করা, কারণ তারা সত্য জানেন। প্রশ্নকর্তা: কিন্তু আমার সংশয় হলো আমরা যদি তাদের থেকে শুধু উপকারী ভালো বিষয়গুলো নিই এবং ভুলগুলো বর্জন করি? শায়েখ: আমার সাধারণ অভ্যাস এমন নয় যে আমি বলব "অমুকের থেকে কোনো উপকার নিও না"। প্রধান বিষয় হলো, আপনাকে ভুলকারীর ভুলটি চিনতে হবে এবং সে অনুযায়ী সতর্ক থাকতে হবে। আমি আমার আলোচনাগুলোতে কাউকে বর্জন করার তাগিদ দেওয়ার চেয়ে মানুষকে সচেতন করতেই বেশি গুরুত্ব দিই। আপনার নিজের দ্বীন ও বিবেক দিয়ে ভুলের পার্থক্য বুঝতে হবে এবং সে অনুযায়ী সতর্কতার সাথে আমল করতে হবে। মানুষ ও তাদের ভুলের ধরণ বিভিন্ন, তাই তাদের সাথে আচরণের ধরণও ভিন্ন হবে।
видео или голосовое, без подписи
видео или голосовое, без подписи
видео или голосовое, без подписи
видео или голосовое, без подписи
видео или голосовое, без подписи
scholars of Dollars
видео или голосовое, без подписи
- শুক্রবার সূরা আল-কাহফ পাঠ করা সুন্নাত নয় এবং এ বিষয়ে কোনো সহীহ হাদীস নেই? - শাইখ সালেহ আল ফাউজান হাফিযাহুল্লাহ
- উম্মে সুলাইম (রা.)-এর একটি কাহিনী। - শাইখ আলী ইবনে যাইদ আল মাদখালি حفظه الله মহান আল্লাহ আমাদের এমন বুদ্ধিমতী ও সবরকারী স্ত্রী দান করুন