tgindex
সুরাইয়া তারকা (পোস্টমর্টেম)

সুরাইয়া তারকা (পোস্টমর্টেম)

Статистика

ইমাম বুখারী রহিমাহুল্লাহ (মৃ: ২৫৬ হি:) বলেন: كَانَ مُرجِئًا، سَكَتُوا عنه، وعَنْ رَأيِهِ، وعَنْ حديثه “আবূ হানিফা মুরজিয়া ছিলেন। তার রায় এবং হাদীস সকল মুহাদ্দিছীনে কিরাম পরিত্যাগ করেছেন।” [আত-তারিখুল কাবির, ৮/৮১]

Последний пост
11 авг.
Последнее чтение
15 авг.
Постов за неделю
0
Всего постов
20
Тип
открытый
Язык
bn
Категория
Новости и СМИ (по похожим)
В каталоге с
13 авг.
Подписчики
1 567
+5 за 5 дн.
Сутки
+3
+0,19%
Неделя
 
Месяц
 
Просмотров на пост
324
20 постов
Вовлечённость
20,7%
к подписчикам
Постов в день
0,0
всего 20
Упоминаний
0
каналов
Охват размещения
оценка
1/24сутки в ленте
293
1/48двое суток
335
1/72трое суток
362

Оценка по просмотрам недавних постов: пост набирает почти всё за первые сутки.

Посты

  • দেওবন্দিদের কথিত মুনাযিরে ইসলাম মাস্টার আমিন সফদর উকাড়ভি যখন মুনাযারায় গিয়ে ভুংভাং এবারত পড়তে গিয়ে ধরা খায়! 😂 Full Debate: https://youtu.be/mxuv0pNVVoU?si=lf9P6EUrJfc4-5el

  • বিষয়টি যখন জারাহ তাদীলের তখন পূর্ববর্তী কোনো ব্যক্তিবিশেষের অবস্থা বুঝার জন্য ঐ যুগের নাক্বিদ জারাহ-তাদীলের সুদক্ষ তথা রিজালের ইমামদের মতামতগুলোই নির্ভরযোগ্য ও গ্রহনযোগ্য হবে। কেউ যদি ইমাম আবু হানিফা রহিমাহুল্লাহ এর দিফা (ডিফেন্স) করার শখ জাগে তবে সে যেনো এ যুগের আলেম শাইখ সালেহ আল ফাওজান হাফিয্বাহুল্লাহ,শাইখ আবু বকর জাকারিয়া হাফিয্বাহুল্লাহ এর বক্তব্য পেশ না করে পূর্ববর্তী যুগের মুহাদ্দিসদেরই বক্তব্য পেশ করে, নচেৎ সে এ ব্যাপারে চুপ থাকবে। আবু হানিফা রহিমাহুল্লাহর ব্যাপারে আমরা যা কিছুই ব্যাক্ত করি তার একটি কথাও আমাদের নিজেদের নয় বরং এগুলো পূর্ববর্তী নাক্বিদের ইমামদের কথা। বর্তমানের কেউই ইমাম আবু হানিফার সমালোচনা করেন না, বরং নাক্বিদ জারাহ-তাদীলের সুদক্ষ তথা রিজালের ইমামদের মতামতগুলোই সমালোচনা নকল করেন। ইমাম আব্দুল্লাহ বিন আবী দাউদ (রহ.) বলেন, আবু হানিফার জারাহ এর বিষয়ে আলেমগণের ইজমা রয়েছে। [আল কামিল ফী দু'আফা লি ইবনু 'আদী] ইমাম ইবনে হিব্বান রহিমাহুল্লাহ (৩৫৪ হি.) বলেন: لَا يَجُوزُ أَنْ يُحْتَجَّ بِهِ عِنْدَ أَئِمَّتِنَا قَاطِبَةً لَا أَعْلَمُ بَيْنَهُمْ فِيهِ خِلَافًا عَلَى أَنَّ أَئِمَّةَ الْمُسْلِمِينَ وَأَهْلَ الْوَرَعِ فِي الدِّينِ فِي جَمِيعِ الْأَمْصَارِ وَسَائِرِ الْأَقْطَارِ جَرَّحُوهُ وَأَطْلَقُوا عَلَيْهِ الْقَدْحَ إِلَّا الْوَاحِدَ بَعْدَ الْوَاحِدِ . আমাদের সকল ইমাম (মুহাদ্দিসগণ)-এর মতে আবু হানিফা (রহ.)-এর বর্ণনা থেকে দলীল গ্রহণ করা জায়েয নয়। আমার জানামতে, এ বিষয়ে মুহাদ্দিসদের মধ্যে কোনো মতভেদ নেই। সমস্ত অঞ্চল ও সকল প্রান্তের ইমামুল মুসলিমীন ও ধর্মপরায়ণ ব্যক্তিগণ আবু হানিফা (রহ.)-এর সমালোচনা (জারাহ) করেছেন এবং প্রত্যেকেই তাকে 'দুর্বল' বলে আখ্যায়িত করেছেন। [কিতাবুল মাজরুহীন, ৩/৬৪] হাফিয ইবনুল জাওযী রহিমাহুল্লাহ (৫৯৭ হিজরি) বলেন: اتَّفَقَ الْكُلُّ عَلَى الطَّعْنِ فِيهِ، ثُمَّ انْقَسَمُوا عَلَى ثَلَاثَةِ أَقْسَامٍ؛ فَقَوْمٌ طَعَنُوا فِيهِ لِمَا يَرْجِعُ إِلَى الْعَقَائِدِ وَالْكَلَامِ فِي الْأُصُولِ، وَقَوْمٌ طَعَنُوا فِي رِوَايَتِهِ وَقِلَّةِ حِفْظِهِ وَضَبْطِهِ، وَقَوْمٌ طَعَنُوا فِيهِ لِقَوْلِهِ بِالرَّأْيِ فِيمَا يُخَالِفُ الْأَحَادِيثَ الصِّحَاحَ . আমাদের সকল মুহাদ্দিসীনগণ এ বিষয়ে একমত যে আবু হানিফা (মাজরূহ) পরিত্যক্ত ছিলেন। ইমাম আবু হানিফা রহিমাহুল্লাহর এর উপর জারাহ করা মুহাদ্দিসগণ তিন শ্রেণিতে বিভক্ত: একদল মুহাদ্দিস এমন, যারা ইমাম আবু হানিফা রহিমাহুল্লাহর আকীদা ও মূলনীতি (উসূল)-এর কারণে তার উপর সমালোচনা করেছেন। একদল তার হাদীস বর্ণনার দুর্বলতা, অল্প স্মরণশক্তি ও সংরক্ষণের অভাবের কারণে সমালোচনা করেছেন। আরেক দল তার সমালোচনা করেছেন এই কারণে যে, তিনি সহীহ হাদীসের বিপরীত রায় (কিয়াস) প্রদান করতেন। [আল-মুন্তাজাম ফী তারিখিল মুলুকি ওয়াল উমাম, ৮/১৩১-১৩২] তিনি আরও বলেন: لَمْ يَبْقَ مُعْتَبَرٌ مِنَ الْأَئِمَّةِ إِلَّا تَكَلَّمَ فِيهِ . কোনো সম্মানিত ইমাম অবশিষ্ট নেই যিনি আবু হানিফা রহিমাহুল্লাহর জারাহ করেননি। [আল-মুন্তাজাম ফী তারিখিল মুলুকি ওয়াল উমাম, ৮/১৪৩] ইমাম মুহাম্মদ বিন নাসর আল মারওয়াযি বলেন, سَمِعْتُ أَحْمَدَ بْنَ حَنْبَلٍ يَقُولُ: هَؤُلَاءِ أَصْحَابُ أَبِي حَنِيفَةَ لَيْسَ لَهُمْ بَصَرٌ بِالْحَدِيثِ، إِنَّمَا هِيَ صَيَّا আমি আহমাদ বিন হাম্বলকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেন, আবু হানিফার এই সাথীরা কেবল জোর গলায় কথা বলতে পারে। নতুবা হাদিসে এদের কোনই দক্ষতা নেই'। [কিয়ামুল লাইল; পৃষ্ঠা, ১২৩] ইমাম আহমাদ ইবনে হাম্বল রহিমাহুল্লাহ বলেন: حديث أبي حنيفة ضعيف ورأيه ضعيف আবূ হানিফার হাদীস যঈফ এবং আবূ হানিফার রায়/ফতোয়াও যঈফ। [যুআফা লিল উক্বায়লী ৬/১৬৫, সনদ সহীহ]

  • без подписи

  • যারা আবু হানিফার ব্যাপারে ওজর দেয় যে, “তার কাছে ঐ সময় সহীহ হাদীস পৌছায় নি, ফলে হাদীসের বিপরীত মত দিতেন” তাদের জবাব: ইমাম ইবনুল জাওযী রহিমাহুল্লাহ বলেন, القسم الثالث: قوم طعنوا فِيهِ لميله إِلَى الرأي المخالف للحديث الصحيح، وقد كان بعض الناس يقيم عذره ويقول: مَا بلغه الحديث، وذلك ليس بشيء لوجهين: أحدهما: أنه لا يجوز أن يفتي من يخفى عليه أكثر الأحاديث الصحيحة. والثاني: أنه كَانَ إذا أخبر بالأحاديث المخالفة لقوله لم يرجع عَنْ قوله. তৃতীয় প্রকার: এমন একদল লোক, যারা আবু হানিফার সমালোচনা করেছেন, কারণ তিনি সহীহ হাদীসের বিপরীতে (ব্যক্তি) মত (রায়)-এর প্রতি ঝুঁকেছিলেন। আবার কিছু লোক তার ওজর পেশ করে বলত, “সম্ভবত হাদীসটি তাঁর কাছে পৌঁছেনি।” কিন্তু এ ওজর গ্রহণযোগ্য নয়—দুটি কারণে: ১. যে ব্যক্তির কাছে অধিকাংশ সহীহ হাদীসই গোপন থাকে, তার জন্য ফতোয়াই দেওয়া বৈধ নয়। ২. তাকে যখন তার মতের বিপরীত সহীহ হাদীস জানিয়ে দেওয়া হতো, তখনও তিনি নিজের মত থেকে ফিরে আসতেন না। [আল-মুনতাজাম ফি তারিখিল মুলুক, ১৩৫ পৃ.]

  • без подписи

  • 2 авг.3371из abuhanifajarah

    আবু হানিফা কি তাবিঈ ছিলেন? | গোলাম মোস্তফা যহীর আমানপুরী রাহিমাহুল্লাহ। লিংক — https://t.me/salafiarticle/614

  • 2 авг.3331из abuhanifajarah

    ইমাম আবু হানিফা (রহ.) কি তাবেয়ী ছিলেন | ডিবেটের একাংশ (২) | মুহাম্মদ শহিদুল ইসলাম VS আলী আকবর দেওবন্দি।

  • 2 авг.336из abuhanifajarah

    ইমাম আবু হানিফা (রহ.) কি তাবেয়ী ছিলেন | ডিবেটের একাংশ | মুহাম্মদ শহিদুল ইসলাম VS আলী আকবর দেওবন্দি।

  • 2 авг.30633из abuhanifajarah

    📄 আবু হানিফা তাবেঈ নন। (১) হাফিয আবুল ফাযাল ই’রাকি (রহ.) বলেছেন, الْإِمَامُ أَبُو حَنِيفَةَ لَمْ تَصِحُ لَهُ رِوَايَةٌ عَنْ أَحَدٍ مِّنَ الصَّحَابَةِ “আবু হানিফার কোনো সাহাবা থেকে রেওয়ায়েত করা প্রমাণিত নয়।” (শারহু মুসনাদ আবি হানিফা লামলা আ'লি আল ক্বারি, ১/৫৮১) (২) হাফিয সাখাবি (রহ.) বলেছেন, الْمُعْتَمَدُ أَنَّهُ لَا رِوَايَةَ لَهُ عَنْ أَحَدٍ مِّنَ الصَّحَابَةِ “সঠিক কথা এইটাই যে আবু হানিফার কোনো সাহাবা থেকে রেওয়ায়েত করা প্রমাণিত নয়।" (ফাতহুল মুগিছ, ৩/৩৪২) (৩) হাফিয নাবাওয়ি (নববী) (রহ.) বলেছেন, لَمْ يَأْخُذْ عَنْ أَحَدٍ مِّنْهُمْ “আবু হানিফা কোনো সাহাবা থেকে রেওয়ায়েত নেননি।” (তাহযিবুল আসমা ওয়াল লুগাত, ২/২১৬) (৪) হাফিয যাহাবি (রহ.) বলেছেন, لَمْ يَثْبُتُ لَهُ حَرْفٌ عَنْ أَحَدٍ مِّنْهُمْ » “আবু হানিফার কোনো সাহাবা থেকে একটি হরফও প্রমাণিত নয়।” (সিয়ারু আলামিন নুবালা ৬/৩৯১) (৫) আল্লামা ইবনে আছির (রহ.) বলেছেন, لَمْ يَلْقَ أَحَدًا مِنْهُمْ وَلَا أَخَذَ عَنْهُ “ইমাম আবু হানিফা কোনো সাহাবার সাথে সাক্ষাৎ করেননি।" (জামিউল উসূল, ১২/৯৫২) (৬) ইব্রাহিম বিন আলী আবু ইসহাক সিরাজি (রহ.) বলেছেন, لَمْ يَأْخُذ أبو حَنِيفَةَ عَنْ أَحَدٍ مِنْهُمْ “আবু হানিফা কোনো সাহাবা থেকে রেওয়ায়েত নেননি।” (তাবাকাতুল ফুক্বাহা, পৃষ্ঠা ৮৬) (৭) ইমাম খতীব বাগদাদি (রহ.) একটি বর্ণনা সম্পর্কে বলেন, لا يصح لأبي حنيفة سماء من أنس بن مالك وهذا الحديث باطل بهذا الإسناد وضعفه احمد بن الصلت “আনাস (রা.) থেকে আবু হানিফার শোনাটা সহীহ নয়। এই হাদীসটির সনদ বাতিল। এটি আহমাদ বিন সালতের জন্য যঈফ।” (তারিখে বাগদাদ: ৪/৩০৭) (৮) ইমাম দারাকুতনী (রহ.) বলেন, لا يصح سماعه عن أنس، ولا عن أحدٍ من الصحابة، ولا تصح له رؤية أنس ولا رؤية أحدٍ من الصحابة আনাস (রা.) থেকে আবু হানিফার শ্রবণ প্রমাণিত নয়, না অন্য কোন সাহাবী থেকে। আনাস (রা.) এর সাথে আবু হানিফার দেখা হওয়া প্রমাণিত নয়, না অন্য কোন সাহাবী থেকে প্রমাণিত আছে। (সুয়ালাতে সুলামী, পৃঃ ৩১৭ ) (৯) ইমাম হামযাহ সাহমি (রহ.) বলেন, سُئِلَ الدَّارَ قُطْنِي وَأَنَا أَسْمَعُ عَنْ سَمَاع أَبِي حَنِيفَةَ يَصِحُ ؟ قَالَ: لَا وَلَا رُؤْيَةٌ وَلَمْ يَلْحَقُ أَبُو حَنِيفَةَ أَحَدًا مِّنَ الصَّحَابَةِ “আমি শুনেছিলাম যে ইমাম দারাকুতনি-কে (রহ.) জিজ্ঞেস করা হলো, আবু হানিফা'র কি (সাহাবাদের থেকে) সাক্ষাৎ প্রমাণিত? তিনি বললেন, না। (কোনো সাহাবাকে) দেখাও প্রমাণিত না। আবু হানিফা কোনো সাহাবার সাথে সাক্ষাৎ করেননি।” (সাওয়ালাত আস-সাহমি লিদ-দারাকুতনি পৃষ্ঠা ২৬৩-৩৮৩, তারিখে বাগদাদ লিল খাতিব ৫/৩৪০, আল-ইলাল আল-মুতনাহিম লিল ইবনুল জাওযি ১/৬৫) (১০) আল্লামাহ মোল্লা আলী ক্বারী আল-হানাফি (রহ.) নকল করেছেন, جَمَاعَةٌ مِّنَ الْمُحَدِّثِينَ أَنْكَرُوا مُلَاقَاتَهُ مَعَ الصَّحَابَةِ “মুহাদ্দিসিনদের একটি বড় জামায়াত আবু হানিফার সাথে সাহাবাদের সাক্ষাৎকে অস্বীকার করেছেন।” (শারহু মুসনাদ আবি হানিফা: ১/৫৮১) (১১) হাফিয খতিব আল-বাগদাদী (রহ.) বলেছেন, لا يلبتُ لأبي حَنِيفَةَ سَمَاعٌ مِنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكِ “আনাস বিন মালিক রাদিয়াল্লহু আনহু হতে আবু হানিফার সাক্ষাৎ প্রমাণিত নয়।” (তারিখে বাগদাদ লিল খাতিব ৫/৩৩৮, ১০/১৬১) (১২) আল্লামা ইবনে নাজিম হানাফি (রহ.) লিখেছেন, ... لَيْسَ مِنْهُمْ بِنَاءً عَلَى مَا صَرَّحَ بِهِ شَيْخُ الْإِسْلَامِ ابْنُ حَجَرٍ فَإِنَّهُ جَعَلَهُ مِنَ الطَّبَقَةِ السَّادِسَةِ مِمَّنْ عَاصَرَ صِغَارَ التَّابِعِينَ وَلَكِنْ لَمْ يَثْبُتُ لَهُ لِقَاءُ أَحَدٍ مِّنَ الصَّحَابَةِ ذَكَرَهُ فِي تقريب التهذيب "আবু হানিফা তাবেঈদের মধ্য হতে নন। এটির বুনিয়াদ হলো সেটা যা শাইখুল ইসলাম ইবনে হাজার আসকালানি রহিমাহুল্লাহ বিশুদ্ধভাবে বয়ান করে দিয়েছেন যে তিনি ইমাম আবু হানিফাকে ষষ্ঠ তাবাকাতে উল্লেখ করেছেন। এই তাবাকাতের রাবীদের ছোট তাবেঈ উপাধি আখ্যা দেওয়া হয়। কিন্তু তাদের কোনো সাহাবার সাথে সাক্ষাৎ প্রমাণিত নয়। এই কথা তিনি তাকরিবুত তাহযিবে (ভূমিকায়) উল্লেখ করেছেন।" (আল-বাহরুর রাইক: ৭/৯২) (১৩) সবশেষে আবু হানিফা বলেন, ما رأيت أحداً أفضل من عطاء، ولا أكذب من جابر الجعفي "আমি (তাবেঈ) আত্বার চেয়ে ভালো কাউকে দেখিনি, জাবের আল-জুফির চেয়ে বেশি মিথ্যাবাদীও দেখিনি।" (ইমাম তিরমিযি রহ. এর আল ইলাল: ১/৩৮৮) অর্থাৎ, আবু হানিফা নিজেও তাবেঈ আত্বা (রহ.) এর চেয়ে ভালো কাউকে দেখেননি। https://t.me/abuhanifajarah/2925

  • без подписи

  • без подписи

  • মতিউর রহমান মাদানী (হাফি) এর প্রতি দাওয়াতে ইসলাহ / ভুল সংশোধনের দাওয়াত। আবু হানিফা বিষয়ক মতিউর রহমান মাদানি (হাফি.) এর বিভ্রান্তিমুলক কথা উম্মতের ইজমা মুতাবেক নাকি তিনি ইমাম! আমাদের আপনাদের মতো গরুর ঘাস খাওয়া ব্যক্তিদের ইজমা আর সিকাহ সালাফদের ইজমা কে যিনি এক মনে করবেন তার নিকট থেকে দলিল কম, দালালি বেশী পাওয়া যাবে। এটাই স্বাভাবিক, সতর্ক হোন সবাই। কারণ আবু হানিফার ইমাম হওয়ার বিষয়ে উম্মতের ইজমা তো দূর বিখ্যাত সালাফগনের মধ্যেই ইজমা হয় নি কোন কালে। বরং, আবু হানিফার দ্বলালাতের ইজমা প্রমানিত। حَدَّثَنَا مُحَمَّد بن علي بن مخلد الوراق- لفظا- قال في كتابي عَنْ أَبِي بَكْر مُحَمَّد بْن عَبْد اللَّه بن صالح الأسدي الفقيه المالكي قَالَ: سمعت أبا بكر بْن أَبِي داود السجستاني يوما وهو يقول لأصحابه: ما تقولون في مسألة اتفق عليها مالك وأصحابه، والشافعي وأصحابه، والأوزاعي وأصحابه، والحسن بن صالح وأصحابه، وسفيان الثوري وأصحابه، وأحمد بن حنبل وأصحابه؟ فقالوا له: يا أبا بكر لا تكون مسألة أصح من هذه. فقال: "هؤلاء كلهم اتفقوا على تضليل أبي حنيفة ইমাম আবু বাকর বিন আবি দাউদ আস সিজিস্তানি রহিমাহুল্লাহ তার সাথীদের একদা একদিন বললেন, “একটি মাসয়ালার ব্যাপারে তোমরা কি বলো যেই মাসয়ালাটির উপর ঐক্যমত পোষণ করেছেন ইমাম মালিক এবং উনার সাথীবৃন্দ, ইমাম শাফেয়ী এবং উনার সাথীবৃন্দ, ইমাম আওযায়ী এবং উনার সাথীবৃন্দ, ইমাম আল হাসান বিন স্বলিহ এবং উনার সাথীবৃন্দ, ইমাম সুফিয়ান সাওরী এবং সাথীবৃন্দ ও ইমাম আহমদ বিন হাম্বল এবং উনার সাথীবৃন্দ। ইমাম ইবনে আবি দাউদ (রহ.) এর সাথীবৃন্দ জবাবে উনাকে বললেন,ওহে বকরের পিতা,তখন তো এই মাসয়ালাটির চেয়ে অধিক বিশুদ্ধ আর কোনো মাসয়ালায় হবে না। তখন তিনি আবু বকর বিন আবি দাউদ (রহ.) তার সাথীবৃন্দদেরকে বললেন: ‘ইনারা সকলেই আবু হানিফার ভ্রান্ত হওয়া কিংবা গোমড়াহ হওয়ার ব্যাপারে ঐক্যমত পোষণ করেছিলন।’ [তারীখে বাগদাদ, ১৩/৩৮২-৩৮৩] — এইচ.আর শিহাব মুহতাদী।

  • без подписи

  • প্রশ্ন: আবু হানিফা কি ‘ফকিহ’ ছিলেন? উত্তর: ফিকহ বলতে দ্বীনের সঠিক বুঝকে বোঝায়; অর্থাৎ ইসলামি ফিকহ বলতে কুরআন ও হাদিসের সেই ধারণা এবং অর্থ হলো তা-ই, যা আল্লাহ তাআলা ও তাঁর রাসূলের উদ্দেশ্য। এই উপলব্ধি ও ফিকহ কেবল মুহাদ্দিসগণের জামাতের কাছেই রয়েছে, কারণ তাঁরা তাঁদের কথা ও কাজের ভিত্তি কুরআন-হাদীস এবং সাহাবী ও তাবিঈগণের দ্বীনি উপলব্ধির ওপর স্থাপন করেছেন। যুক্তি ও কিয়াসের নাম "ফিকহ" নয়, বরং কুরআন ও হাদীসের সঠিক ব্যাখ্যা এবং তা থেকে সঠিক দলীল গ্রহণের নামই হলো ইসলামী ফিকহ। আল্লাহ তাআলা এই মর্যাদা কেবল মুহাদ্দিসগণকেই দান করেছিলেন। অন্য একটি দল যাদেরকে 'আহলুর রায়' বলা হয়, কুরআন বোঝা এবং সুন্নাহর ওপর আমল করার ক্ষেত্রে তাঁদের মূলনীতি ও নিয়মাবলি মহান মুহাদ্দিসগণের মতো নয়। ফলে তাঁদের ফিকহ সঠিক ফিকহ নয়, বরং মানহাজ ত্রুটির কারণে তাঁদের থেকে এমন সব মাসআলা প্রকাশ পেয়েছে যা কুরআন-হাদীসের স্পষ্ট বর্ণনা এবং উম্মতের ইজমার পরিপন্থী। ইমাম আবু হানিফা (রহ.)-কে আহলুর রায়ের অন্তর্ভুক্ত করা হয়, তাঁকে মুহাদ্দিসগণের মধ্যে গণ্য করা হয়নি। তাই তাঁর ফিকহকে সঠিক ইসলামী ফিকহ বলা যায় না। আবু হানিফা (রহ.) আহলুর রায়ের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন, যাঁদের নিন্দা আইম্মায়ে কেরাম (রহ.) করেছেন। ইমাম সুফিয়ান বিন সাঈদ সাওরী, কাজী শারীক বিন আব্দুল্লাহ এবং ইমাম হাসান বিন সালেহ বিন হাই (রহ.) বর্ণনা করেন: أَدْرَكْنَا أَبَا حَنِيفَةَ، وَمَا يُعْرَفُ بِشَيْءٍ مِّنَ الْفِقْهِ مَا نَعْرِفُهُ إِلَّا بِالْخُصُومَاتِ. “আমরা আবু হানিফা (রহ.)-কে দেখেছি, তিনি ফিকহ সম্পর্কে অবগত ছিলেন না, আমরা তাঁকে কেবল (দ্বীনের বিষয়ে) ঝগড়া-বিবাদ করতেই দেখেছি।" [তারিখে বাগদাদ লিল-খতীব: ১৫/৫৫৯, এবং এর সনদ সহীহ] এই ইমামদের উদ্দেশ্য ছিল যে, ইমাম আবু হানিফা (রহ.)-এর বক্তব্যে ব্যক্তিগত মতামতের (রায়) প্রাধান্য ছিল, যার ভিত্তিতে তিনি অন্যান্য মুহাদ্দিসদের সাথে দ্বীনি বিষয়ে দ্বিমত পোষণ করতেন। মুহাদ্দিসদের ইলমের বিপরীতে যা কিছু আছে, তা প্রকৃত ইলম নয়; বরং তা নিছক মতামত প্রদান মাত্র, যা মুহাদ্দিসদের নিকট অত্যন্ত নিন্দনীয়। ইমাম মুহাম্মাদ বিন ইদ্রিস আশ-শাফি'ঈ (রহ.) (২০৪ হিজরি) বর্ণনা করেন: قَالَ لِي مُحَمَّدُ بْنُ الْحَسَنِ أَيُّهُمَا أَعْلَمُ بِالْقُرْآنِ صَاحِبُنَا أَوْ صَاحِبُكُمْ؟ يَعْنِي أَبَا حِنِيفَةَ وَمَالِكَ بْنَ أَنَسٍ : قُلْتُ : عَلَى الْإِنْصَافِ؟ قَالَ : نَعَمْ ، قُلْتُ : فَأَنَشُدُكَ اللَّهَ مَنْ أَعْلَمُ بِالْقُرْآنِ صَاحِبُنَا أَوْ صَاحِبُكُمْ؟ قَالَ : صَاحِبُكُمْ ، يَعْنِي مَالِكًا، قُلْتُ : فَمَنْ أَعْلَمُ بِالسُّنَّةِ صَاحِبُنَا أَوْ صَاحِبُكُمْ؟ قَالَ : اللَّهُمَّ صَاحِبُكُمْ، قَالَ : فَأَنْشُدُكَ اللَّهَ مَنْ أَعْلَمُ بِأَقَاوِيلِ أَصْحَابِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَالْمُتَقَدِّمِينَ صَاحِبُنَا أَوْ صَاحِبُكُمْ؟ قَالَ : صَاحِبُكُمْ ، قَالَ الشَّافِعِيُّ : فَقُلْتُ : لَمْ يَبْقَ إِلَّا الْقِيَاسُ، وَالْقِيَاسُ لَا يَكُونُ إِلَّا عَلَى هَذِهِ الْأَشْيَاءِ، فَمَنْ لَمْ يَعْرِفِ الْأُصُولَ فَعَلَى أَيِّ شَيْءٍ يَقِيسُ ؟ “মুহাম্মদ বিন হাসান শাইবানি আমাকে বললেন যে, আমাদের উস্তাদ (ইমাম আবু হানিফা রহ.) এবং আপনাদের উস্তাদ (ইমাম মালিক রহ.)-এর মধ্যে কুরআনের বড় আলেম কে ছিলেন? আমি (শাফি'ঈ) বললাম: ন্যায়সঙ্গতভাবে কথা বলব? মুহাম্মাদ শাইবানি বললেন: জি হ্যাঁ!" শাফি'ঈ বললেন, আমি আপনাকে আল্লাহর দোহাই দিয়ে জিজ্ঞাসা করছি যে, আমাদের এবং আপনাদের ইমামদের মধ্যে কুরআনের বড় আলেম কে ছিলেন? শাইবানি বললেন, আপনাদের ইমাম সাহেব, অর্থাৎ ইমাম মালিক (রহ.)। আমি জিজ্ঞাসা করলাম, সুন্নাহর বড় আলেম কে ছিলেন? শাইবানি বললেন: আল্লাহর কসম! আপনাদের উস্তাদ সাহেব। আমি পুনরায় কসম দিয়ে জিজ্ঞাসা করলাম যে বলুন! আমাদের এবং আপনাদের উস্তাদদের মধ্যে সাহাবায়ে কেরাম এবং সালাফে সালেহীনের বাণীসমূহ সম্পর্কে অধিক অবগত কে? শায়বানী সাহেব উত্তর দিলেন যে, (নিশ্চয়ই) আপনাদের উস্তাদ সাহেব। আমি বললাম, এখন তো শুধু কিয়াসই বাকি রয়ে গেল, অথচ (সঠিক) কিয়াসও এই তিনটি মূলনীতি (কুরআন, হাদীস এবং সালাফের বাণী)-এর আলোকেই হয়ে থাকে। সুতরাং যে এই মূলনীতিগুলোই জানে না, সে কিসের ভিত্তিতে কিয়াস করবে?” [তাকদিমাতুল জারহু ওয়াত তা’দীল লি-ইবনি আবী হাতিম, পৃ. ১২-১৩, এবং এর সনদ সহীহ] 🖋️ ফাতাওয়াহ প্রদানে: গোলাম মোস্তফা যহীর আমানপুরী হাফিজাহুল্লাহ।

  • без подписи

  • ‘ইলালু মানাকিবি আবী হানীফা ওয়া মাসালিবিহি’ আসিম ইবন ‘ইসাম আল-বাইহাকী বলেছেন, “আমি আবূ সুলাইমানের কাছে উপস্থিত ছিলাম। এমন সময় তাঁর নিকট আহমাদ ইবন হাম্বালের একটি চিরকুট এলো। তাতে লেখা ছিল, “আপনি যদি এই কিতাবগুলোর” - অর্থাৎ মুহাম্মাদ ইবনুল হাসানের কিতাবসমূহের - “রিওয়ায়াত ত্যাগ করেন, তাহলে আমরা আপনার কাছে এসে আপনার কাছ থেকে হাদীস শ্রবণ করব।” তখন আবূ সুলাইমান সেই চিরকুটের পিছনে লিখলেন, “আপনার আমার কাছে আসা আমার মর্যাদা বৃদ্ধি করবে না, আর আপনার আমার কাছে না আসা আমার মর্যাদা হ্রাস করবে না। হায়! যদি আমার কাছে এসব কিতাবের এক বোঝা পরিমাণও থাকত, তবে আমি আল্লাহর সন্তুষ্টি ও ছাওয়াবের উদ্দেশ্যে সেগুলো বর্ণনা করতাম।” حدثنا عمرو بن عاصم، قال: سمعت علي بن محمود بن خليل النيسابوري، يقول: سمعت عاصم بن عصام البيهقي، قال: كنت عند أبي سليمان حين أتاه رقعة أحمد بن حنبل، أنك إن تركت رواية هذه الكتب - يعني كتب محمد بن الحسن - جئنا فسمعنا منك الأحاديث، قال: فكتب أبو سليمان على ظهر رقعته: ما مصيرك إلي يرفعني ولا قعودك عني يضعني، وليت عندي من هذه الكتب أو قاراً حتى أرويها حسبة. [কাশফুল আছার, ১/৪৬১-৪৬২] ‘কাশফুল আছার’ গ্রন্থের প্রণেতা হারিছী সম্পর্কে ইমাম যাহাবী (রহ.) লিখেছেন ~ يأتي بعجائب واهية ~ “তিনি অভিনব, দূর্বল বর্ণনাসমূহ নিয়ে আসতেন।” [দীওয়ানুয যু‘আফা, পৃ. ২২৭] ইমাম আহমাদ ইবনুল হুসাইন বলেছেন, “তিনি য‘ঈফ।” [সুআলাতু হামযা, পৃ. ২২৮] খলীলী (রহ.) তাকে য‘ঈফ ও মুদাল্লিস বলেছেন। বাইহাকী বলেছেন ~ فَإِنَّهُ كَذَّاب، لَا يُحْتَجُّ بِهِ ~ “তিনি কাযযাব। তার দ্বারা দলীল গ্রহণ করা যাবে না।” [আল-খিলাফিয়াত, ২/৪৮২] আবূ সা‘ঈদ রাওয়াস বলেছেন, “তাকে হাদীস জালকরণের অভিযোগে অভিযুক্ত করা হতো।” [আয-যু‘আফা ওয়াল মাতরূকূন লি ইবনুল জাওযী, ২/১৪১] ইমাম সাম‘আনী (রহ.) তাকে য‘ঈফ ও অবিশ্বস্ত বলেছেন। আর তার উপর খতীব বাগদাদী (রহ.) প্রমুখ বিদ্বানগণ জারহ করেছেন। এমন কাযযাব ও হাদীস জালকারীর রিওয়ায়াত বানোয়াট হয়ে থাকে। এর বিপরীতে, ইমাম আ‘যম আহমাদ ইবন হাম্বাল বলেছেন, “আবূ হানীফা মিথ্যা বলতেন।” وأخبرنا عبيد الله بن عمر الواعظ، حدّثنا أبي، حدّثنا عثمان بن جعفر بن محمّد السبيعي، حدّثنا الفريابي جعفر ابن محمّد، حدثني أحمد بن الحسن الترمذي قال: سمعت أحمد بن حنبل يقول: كان أبو حنيفة يكذب [তারীখু বাগদাদ, ১৩/৪২১]

  • без подписи

  • без подписи

  • ইমাম কুরতুবী (রহ.) বলেন, التَّقْلِيدُ لَيْسَ طَرِيقًا لِلْعِلْمِ وَلَا مُوَصِّلًا لَهُ، لَا فِي الْأُصُولِ وَلَا فِي الْفُرُوعِ، وَهُوَ قَوْلُ جُمْهُورِ الْعُقَلَاءِ وَالْعُلَمَاءِ، خِلَافًا لِمَا يُحْكَى عَنْ جُهَّالِ الْحَشْوِيَّةِ وَالثَّعْلَبِيَّةِ... “তাকলীদ না ইলম শেখার উপায়, না তাতে (ইলম পর্যন্ত) পৌঁছানোর উপায়। উসূলেও না, শাখাগত মাসআলাতেও না। আর এটাই জমহুর আলেম ও বিবেকবানদের কথা। এর বিপরীতে বলে থাকে (পথভ্রষ্ট) হাশাবিয়া ও ছা'লাবিয়া দলের মূর্খরা।” [তাফসিরে কুরতুবি, ২/২১২]

  • সালাফি নামধারী এই মুকাল্লিদের দাবী হল: ইমাম ইবনুল জাওযী রহিমাহুল্লাহর উস্তায ‘আবুল ওয়াফা আলী বিন আকিল আল হাম্বলী রহিমাহুল্লাহ (মৃ. ৫১৩ হি.) বলেন, ولا بد لك من مجتهد يقلده الحاكم “আর বিচারকের (হাকিমের) জন্য অবশ্যই এমন একজন মুজতাহিদ থাকা আবশ্যক যার তিনি তাকলীদ করবেন।” (কিতাবুল ফুনুন, ১/৯২ পৃ.) ◑ জবাব: এখানে ইমাম ইবনে আকিল হাম্বলি (রহ.) তাকলিদকে ওয়াজিব বলেননি, এবং তিনি এটাও বলেননি যে, বিচারকের বিচারকার্য পরিচালনার জন্য একজন থার্ডপার্টি মুজতাহিদ থাকতে হবে এবং বিচারক সেই মুজতাহিদের তাকলিদ করে বিচারকার্যে চুরান্ত ফায়সালা বা রায় দিবেন। এখানে ইমাম ইবনে আকিল হাম্বলি রাহিমাহুল্লাহ মূলত হানাফি বনাম হাম্বলিদের একটা বিতর্ক উল্লেখ করছেন, বিষয়: “বিচারক হওয়ার জন্য কি তাকে নিজে একজন 'মুজতাহিদ' হতে হবে, নাকি সাধারণ কোনো ব্যক্তিও বিচারক হতে পারবেন?” (হাম্বলিদের শর্ত হল বিচারক হতে হলে নিজে মুজতাহিদ হতে হবে) হানাফিদের আপত্তি হল: বর্তমান যুগে (মানে তৎকালীন সময়ে) সরাসরি কোরআন-হাদিস থেকে রায় দেওয়ার মতো বড় মুজতাহিদ পাওয়া অসম্ভব। তাই বিচারক হওয়ার জন্য মুজতাহিদ হওয়ার শর্ত রাখলে বিচার ব্যবস্থা অচল হয়ে পড়বে। (অর্থাৎ হাম্বলিদের শর্ত হল বিচারক হতে হলে নিজে মুজতাহিদ হতে হবে।) — জবাবে হাম্বলি আলেম হানাফি আলেমকে যুক্তি দিয়ে আটকে দেন। তিনি বলেন: “আপনারা তো বলেন যে, সাধারণ মানুষ বিচারক হতে পারবে ঠিকই, কিন্তু তার প্রতিটি রায়ের পেছনে একজন মুজতাহিদের ফতোয়া বা দিকনির্দেশনা থাকতে হবে। এখন আপনিই যদি বলেন যে দুনিয়ায় কোনো মুজতাহিদ বেচে নেই, তবে আপনাদের নিয়ম অনুযায়ীও তো সাধারণ মানুষের বিচার ব্যবস্থা অচল হয়ে যায়!” হাম্বলি আলেম আরও যুক্তি দেন যে, “কোনো যুগই পুরোপুরি মুজতাহিদ শুন্য হতে পারে না। কারণ আলেমরাই হলেন নবীদের ওয়ারিশ। যদি কোনো যুগে সঠিক পথ দেখানোর মতো যোগ্য আলেম বা মুজতাহিদ না থাকে, তবে ইসলামের মূল ভিত্তিই নষ্ট হয়ে যাবে, যা অসম্ভব। মোটকথা: এখানে ইমাম ইবনু আকিল (রহ.) ঘটনাটা উল্লেখ করে এটাই বুঝাইছেন যে, কোনো যুগই মুজতাহিদ শূন্য হয় না এবং বিচার ব্যবস্থা সচল রাখতে উম্মাহর মধ্যে সবসময়ই যোগ্য পথপ্রদর্শক বিদ্যমান থাকেন এবং একজন বিচারককে অবশ্যই মুজতাহিদ হতে হবে। — বিপরিতে হানাপি মুকাল্লিদদের দুমুখো দাবী হল: ওরা একবার বলে এখন দুনিয়ায় কোন মুজতাহিদ বেচে নেই, আবার ওরাই বলে বিচারকের জন্য একজন থার্ডপার্টি মুজতাহিদ থাকতে হবে, যার তাকলিদ করে বিচারক ফায়সালা দিবেন। ইবনে আকিল হাম্বলি (রহ.) হানাফিদের এই দাবী ও তাকলিদ ‘উভয়টাকেই রদ করেছেন এই ঘটনা উল্লেখ করার মাধ্যমে। আর এই জাহেল হুসাইন মুহাম্মদ মুকাল্লিদ নামক লোক পুরো ঘটনা থেকে মাত্র একটা লাইন মার্ক করে মানুষকে বোঝাতে চাইছে যে, ইবনে আকিল হাম্বলি রহ. তাকলিদকে ওয়াজিব বলেছেন। কত বড় লেভেলের ভন্ডামি, ভাবা যায়!