tgindex
সালাফী: ‘আক্বীদাহ্ ও মানহাজে

সালাফী: ‘আক্বীদাহ্ ও মানহাজে

Статистика
Последний пост
19 мая
Последнее чтение
13 авг.
Постов за неделю
0
Всего постов
20
Тип
открытый
Язык
bn
В каталоге с
13 авг.
Подписчики
4 596
+6 за 3 дн.
Сутки
+2
+0,04%
Неделя
 
Месяц
 
Просмотров на пост
4 833
17 постов
Вовлечённость
105,2%
к подписчикам
Постов в день
0,0
всего 20
Упоминаний
0
каналов
Охват размещения
оценка
1/24сутки в ленте
1/48двое суток
1/72трое суток

Оценка по просмотрам недавних постов: пост набирает почти всё за первые сутки.

Посты

  • সালাফী: ‘আক্বীদাহ্ ও মানহাজে pinned a file

  • সালাফী: ‘আক্বীদাহ্ ও মানহাজে pinned a file

  • সালাফী: ‘আক্বীদাহ্ ও মানহাজে pinned a file

  • 18 мая3 6782735

    নামাজের পরে পঠিতব্য জিকির এবং সকাল-সন্ধ্যার জিকির মূল : শাইখ সালিহ বিন আব্দুল্লাহ আল-উসাইমি অনুবাদ : মুহাম্মাদ আব্দুল্লাহ মৃধা পৃষ্ঠাসংখ্যা : ৩৬

  • 18 мая3 18277

    видео или голосовое, без подписи

  • 6 мар.5 8524559

    বইয়ের নাম : উসুলুস সুন্নাহ মূল : ইমাম আবু বাকর আল-হুমাইদি অনুবাদ ও ব্যাখ্যা : মুহাম্মাদ আব্দুল্লাহ মৃধা পৃষ্ঠাসংখ্যা : ৬৭০

  • 6 мар.4 972136

    видео или голосовое, без подписи

  • 24 янв.5 2121227

    বইয়ের নাম : প্রশ্নোত্তরে মৌলিক আকিদা (আরবি-বাংলা) [টেবিল] মূল : শাইখ হাম্মাদ বিন শামলান আজ-জাফিরি সম্পাদনা : শাইখ সালিহ বিন সাদ আস-সুহাইমি অনুবাদ : মুহাম্মাদ আব্দুল্লাহ মৃধা পৃষ্ঠাসংখ্যা : ২৯

  • 24 янв.4 8901020

    বইয়ের নাম : প্রশ্নোত্তরে মৌলিক আকিদা (আরবি-বাংলা) [টেবিলবিহীন] মূল : শাইখ হাম্মাদ বিন শামলান আজ-জাফিরি সম্পাদনা : শাইখ সালিহ বিন সাদ আস-সুহাইমি অনুবাদ : মুহাম্মাদ আব্দুল্লাহ মৃধা পৃষ্ঠাসংখ্যা : ৩১

  • 13 дек.6 1652640

    বইয়ের নাম : প্রশ্নোত্তরে মৌলিক আকিদা মূল : শাইখ হাম্মাদ বিন শামলান আজ-জাফিরি সম্পাদনা : শাইখ সালিহ বিন সাদ আস-সুহাইমি অনুবাদ : মুহাম্মাদ আব্দুল্লাহ মৃধা পৃষ্ঠাসংখ্যা : ২৬

  • বইয়ের নাম : ইজমায়ি আকিদা মূল : ইমাম হার্ব আল-কিরমানি রাহিমাহুল্লাহ অনুবাদ ও টীকা : মুহাম্মাদ আব্দুল্লাহ মৃধা পৃষ্ঠাসংখ্যা : ১৪৩

  • видео или голосовое, без подписи

  • চারজন জ্যেষ্ঠ আলেম রিয়াদ বিমানবন্দর থেকে যাত্রা করেছেন, দেখুন জমা ও কসরের বিষয়ে তাঁদের দৃষ্টিভঙ্গির পার্থক্য ❝০৮/০৮/১৪৩৭ হিজরী, রবিবার, আমি সৌদি আরবের বাইরে ভ্রমণের জন্য কিছু জ্যেষ্ঠ আলেমদের (হাইয়াতু কিবারিল উলামার সদস্য) সঙ্গ লাভের সৌভাগ্য অর্জন করি। আমাদের বিমানে ওঠার সময় ছিল আসরের আজানের ঠিক আগে, অর্থাৎ নামাজের সময় শুরু হওয়ার আগে। আমি (বাড়ির কাছেই) মসজিদে জামাতের সঙ্গে জোহরের নামাজ আদায় করে বিমানবন্দরে পৌঁছেছিলাম। বিমানের গেট বন্ধ হওয়ার পর পাইলট ঘোষণা করলেন যে, এয়ার লাইন্সের কিছু ত্রুটির কারণে উড্ডয়ন বিলম্বিত হবে। আমরা অপেক্ষা করতে থাকলাম, আর এর মধ্যে আসরের নামাজের সময় হয়ে গেল। আমার পাশে ছিলেন মাননীয় শায়খ ড. আবদুল্লাহ আল-মুতলাক। আমি তাকে বললাম, “নামাজের সময় হয়েছে, আমি আসরের নামাজ আদায় করব।” তিনি উত্তর দিলেন যে তিনি ইতিমধ্যে নামাজ আদায় করে ফেলেছেন। নামাজ আদায়ের পর আমি আমাদের সঙ্গে থাকা অন্যান্য যাত্রীদের অবস্থা পর্যবেক্ষণ করলাম এবং লক্ষ্য করলাম যে তারা বিভিন্নভাবে আসরের নামাজ আদায় করেছেন। আমি তাদের অবস্থা বিশ্লেষণ করে নিম্নলিখিত কয়েকটি পরিস্থিতি পেলাম: প্রথম অবস্থা: শায়খ আবদুল্লাহ আল-মুতলাক। তিনি বিমানবন্দরে পৌঁছে আসরের নামাজ দুই রাকাত (কসর) আদায় করেছেন। তিনি জানালেন, তিনি শায়খুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়ার মত অনুসরণ করেছেন। শায়খুল ইসলাম জমা (দুই নামাজ একত্রে আদায়) করার জন্য দুই নামাজের মধ্যে ধারাবাহিকতা (একটির পরপর আরেকটি) শর্ত নয় বলেছেন। তিনি উল্লেখ করলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হজের সময় মাগরিবের নামাজ আদায় করেছিলেন, তারপর সাহাবিরা তাঁদের (বাহন থেকে) ভ্রমণের সরঞ্জাম নামিয়েছিলেন, এবং তারপর ইশার নামাজ আদায় করেছিলেন। এভাবে দুই নামাজের মধ্যে কিছু সময়ের ব্যবধান ছিল। দ্বিতীয় অবস্থা: শায়খ আবদুল্লাহ আল-মানী’। তিনি বিমানবন্দরে অপেক্ষা করেছিলেন এবং নামাজ আদায় করেননি। বিমানে উঠে নামাজের সময় শুরু হওয়ার পর তিনি বিমানে আসরের নামাজ দুই রাকাত (কসর) আদায় করেন। আমি তাকে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেন, তিনি মনে করেন বিমানবন্দর শহরের অংশ এবং সেখানে কসরের অনুমতি নেই, কারণ তখনও ভ্রমণ শুরু হয়নি। তিনি বিমানে উঠলেন মানে ভ্রমণ শুরু হলো। তাই এর পর (অর্থাৎ ভ্রমণের বাহনে আরোহন করার পর) সময় হওয়ায় আসরের নামাজ দুই রাকাত আদায় করেন। তৃতীয় অবস্থা: শায়খ সালিহ বিন হুমাইদ। তিনি বিমানবন্দরে পৌঁছান এবং রিয়াদে জোহরের নামাজ আদায় করেননি। তাই তিনি বিমানবন্দরে জোহর ও আসরের নামাজ একত্রে এবং কসর করে আদায় করেন। আমি তাকে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেন, তিনি ভ্রমণের নিয়ত ও দৃঢ় সংকল্প করেছিলেন, তাই বিমানে ওঠার আগেই জমা ও কসর করে নামাজ আদায় করেছেন। চতুর্থ অবস্থা: শায়খ সা’দ আশ-শাছরি। তিনি বিমানবন্দরে পৌঁছে রিয়াদে জোহরের নামাজ আদায় করেছিলেন। তবে বিমানবন্দরে তিনি আবার জোহরের নামাজ দুই রাকাত (কসর) এবং তারপর আসরের নামাজ দুই রাকাত আদায় করেন। পঞ্চম অবস্থা: কিছু সঙ্গী রিয়াদে থাকতেই জোহর ও আসরের নামাজ একত্রে (জমা) আদায় করেছেন, তবে কসর করেননি। আমি শায়খ আবদুল্লাহ আল-মুতলাককে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করলে তিনি এটি জায়েজ বলেছেন। শায়খ সালিহ বিন হুমাইদও এটি জায়েজ বলেছেন। ষষ্ঠ অবস্থা: শায়খ আবদুল্লাহ আল-মুতলাক বর্ণনা করেছেন যে ভ্রমণের নিয়ত ও সংকল্পের ভিত্তিতে বাড়িতে থাকতেই জোহর ও আসরের নামাজ জমা ও কসর করে আদায় করা জায়েজ। তিনি উল্লেখ করেছেন, সাহাবি আনাস বিন মালিক ও আবু বুসরা আল-গিফারি রাযিয়াল্লাহু আনহুমা ভ্রমণের বাহনে ওঠার আগেই জমা ও কসর করে নামাজ আদায় করেছিলেন। সুতরাং, ভ্রমণের নিয়ত ও সংকল্পের ভিত্তিতে বাড়িতে জোহর ও আসর জমা ও কসর করে আদায় করা জায়েজ। তারাই হলেন আমাদের দেশের আলেমগণ। তাঁরা শরিয়াহ বিষয়ে সমঝদার, ব্যাখ্যায় ইজতিহাদ এবং ফতোয়ার বৈচিত্র্য প্রদর্শন করেছেন। তাঁরা একে অপরের ইজতিহাদের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করেন, অথচ তাঁরা সকলেই একই চিন্তাধারার স্কুল থেকে এসেছেন। এটাই হল মধ্যপন্থা ও সহনশীলতা। আল্লাহ তাঁদের বরকতময় করুন এবং তাঁদের জ্ঞান দ্বারা আমাদের উপকৃত করুন।❞ — ডক্টর আবদুল আজিজ আস-সুনাইয়ান . উৎস: https://sabq.org/saudia/qaygde . অনুবাদক: ইয়াকুব আবুল কালাম fb.com/SunniSalafiAthari

  • видео или голосовое, без подписи

  • মিশরের প্রখ্যাত সালাফী আলিম শাইখ ড. মুহাম্মাদ বিন সাঈদ রাসলান হাফিযাহুল্লাহ বলেছেন, ❝কোনো ব্যক্তির অন্তরে গাইর মারহাম মহিলার দিকে দৃষ্টি দেওয়ার ইচ্ছা জাগ্রত হলে সে যেন তার মায়ের কথা স্মরণ করে। তার মায়ের প্রতি পর-পুরুষদের অনুরূপ দৃষ্টি কি সে মেনে নিবে? যদি তা সে মেনে না নেয়, তাহলে সেও অপরের দিকে দৃষ্টি দেওয়া থেকে বিরত থাকবে। যখনই তার মাঝে অবৈধ দৃষ্টিতে তাকানোর অভিপ্রায় হবে, তার উচিত তার মেয়ে, স্ত্রী, বোন, খালা, ফুফুদের কথা চিন্তা করা। যদি সে তার মা, মেয়ে, খালা, স্ত্রী, ফুফুদের প্রতি পর-পুরুষদের কামার্ত নজরকে অনুচিত মনে করে, তাহলে একইরূপে সেও দৃষ্টি ফিরিয়ে রাখবে ঐ সকল গাইর মাহরাম মহিলার দিক হতে, যাদের দিকে নজর দেওয়াকে আল্লাহ তাবারাকা ওয়া তা'আলা হারাম করেছেন। অতঃপর, ইমাম আশ শাফেয়ীর - রহিমাহুল্লাহ- দিকে সম্পৃক্ত করে বলা হয়ে থাকে, তিনি বলেন: "ব্যভিচার যেন ঋণের তুল্য, তোমার দেওয়া ঋণ, হবে পরিশোধ্য, যাহা করিবে তোমারই নীড়ের সদস্য! মনে রেখো এ-কথ্য! পর-নারীর সহিত যেজন করিয়াছে ব্যভিচার, দু-শত দিরহামে, তাহারই ঘরে কেহ হইবে ব্যভিচারিত, শূন্য দিরহামে!"❞ . উৎস: https://x.com/abuzakariyya__/status/1936502357879107608 . অনুবাদক: জাওয়াদ বিন ইকবাল fb.com/SunniSalafiAthari

  • видео или голосовое, без подписи

  • "তুমিতো কেবল কয়েকটি দিনের সমষ্টি মাত্র..."

  • সৌদি আরবের অন্যতম শ্রেষ্ঠ বহুশাস্ত্রবিদ আলিম ফাদ্বীলাতুশ-শাইখ, আল-আল্লামাহ সালিহ বিন আব্দুল্লাহ বিন হামাদ আল-উসাইমী হাফিযাহুল্লাহ বলেছেন,  ❝তারপর বান্দার বুঝে নেওয়া উচিত যে, এই সকল জ্ঞান—মানুষের নিকট যত মর্যাদাই থাকুক না কেন—সর্বোত্তম জ্ঞান নয়। কারণ আল্লাহ তা‘আলা সর্বোত্তম সৃষ্টি অর্থাৎ নবী-রাসূলদের জন্য যে জ্ঞান নির্বাচন করেছেন, তাতে গণিত, রসায়ন, পদার্থবিদ্যা বা ভূতত্ত্বের মতো বিষয় অন্তর্ভুক্ত নেই। কিছু লোক মনে করে যে এগুলোই বুদ্ধিমানদের জ্ঞান। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে বুদ্ধিমানদের জ্ঞান হলো আসমান থেকে অবতীর্ণ ওহী। এটাই প্রকৃত জ্ঞান।  এজন্য আমি পূর্ণ দৃঢ়তার সাথে বলছি: যারা কুরআন ও সুন্নাহকে জানে, তাদের জ্ঞানের গভীরতা এই সকল (দুনিয়াবী) জ্ঞানীদের ধারণার বাইরে। কুরআনের একটি মাত্র আয়াত—যেমন পবিত্রতা সম্পর্কিত আয়াত—নিয়ে ইবনুল ‘আরাবী (রহ.) তার সাথীদের সাথে একত্রিত হয়ে আলোচনা করেছিলেন এবং তারা এই একটি আয়াত থেকে ৮৫০ টিরও বেশি বিধান বের করেছিলেন। এটি প্রমাণ করে কুরআনুল কারীম থেকে জ্ঞান ও বিধান আহরণ করতে কতটা প্রজ্ঞার প্রয়োজন।  ইবনুল কাইয়্যিম (রহ.) "আল-জাওয়াবুল কাফী" গ্রন্থে বলেছেন: "সূরা ইউসুফে এক হাজারেরও বেশি উপকারী দিকনির্দেশনা রয়েছে।" কোনো ডাক্তার, ভূতত্ত্ববিদ বা পদার্থবিদকে জিজ্ঞাসা করুন: "কুরআন মহান নাকি তোমার সর্বশ্রেষ্ঠ বই মহান?" মুসলিম অবশ্যই বলবে: "কুরআন মহান।" তারপর তাকে বলুন: "সূরা ফাতিহা নিয়ে গবেষণা করে এর থেকে ২০০টি উপকারী দিক বের করো"—সে তা পারবে না।  অতএব, প্রকৃত বুদ্ধিমানদের জ্ঞান হলো নবী-রাসূলদের জ্ঞান। আর এছাড়া অন্যান্য জ্ঞান হলো দুনিয়ার জীবনের বাহ্যিক জ্ঞানমাত্র, যার বর্ণনা আল্লাহ দিয়েছেন:  يَعْلَمُونَ ظَاهِرًا مِّنَ ٱلْحَيَوٰةِ ٱلدُّنْيَا "তারা পার্থিব জীবনের বাহ্যিক বিষয় জানে।" (সূরা রূম ৩০:৭)  সারকথা: আসমানী ওহীর জ্ঞানই প্রকৃত গভীর ও প্রজ্ঞাপূর্ণ জ্ঞান, যা নবী-রাসূলগণ নিয়ে এসেছেন। অন্যদিকে দুনিয়াবী বিজ্ঞান সীমিত ও বাহ্যিক জ্ঞানমাত্র। কুরআন ও সুন্নাহর একেকটি আয়াত বা হাদীস থেকে অসংখ্য গভীর তাৎপর্য ও বিধান উদ্ঘাটিত হয়—যা আসমানী জ্ঞানের শ্রেষ্ঠত্ব ঘোষণা করে।❞ . উৎস: https://youtu(ডট)be/hsBt4jHe_is . অনুবাদক: মুহাম্মাদ তানভীর আলম fb.com/SunniSalafiAthari

  • видео или голосовое, без подписи

  • জনৈক ব্যক্তিকে ইমাম সুফিয়ান আস-সাওরির (রাহিমাহুল্লাহ) উপদেশ:

সালাফী: ‘আক্বীদাহ্ ও মানহাজে — tgindex