tgindex
Последний пост
25 июл.
Последнее чтение
13 авг.
Постов за неделю
0
Всего постов
20
Тип
открытый
Язык
bn
В каталоге с
13 авг.
Подписчики
2 197
−2 за 1 дн.
Сутки
0
0,00%
Неделя
 
Месяц
 
Просмотров на пост
810
19 постов
Вовлечённость
36,9%
к подписчикам
Постов в день
0,0
всего 20
Упоминаний
0
каналов
Охват размещения
оценка
1/24сутки в ленте
502
1/48двое суток
575
1/72трое суток
620

Оценка по просмотрам недавних постов: пост набирает почти всё за первые сутки.

Посты

  • ❛যদি মহান আল্লাহর সহিষ্ণুতা ও ক্ষমাশীলতা না থাকত, তাহলে বান্দাদের পাপের কারণে আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবী স্থানচ্যুত হয়ে যেত।❜ — ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম রাহিমাহুল্লাহ (মৃ. ৭৫১ হি.) উৎস : আদ-দা ওয়াদ দাওয়া (প্র. দারু আতাআতিল ইলম), পৃ. ২১০।

  • মহান আল্লাহ বলেছেন, ❝যারা আমার রাস্তায় সর্বাত্মক প্রচেষ্টা (জিহাদ) চালায়, আমি অবশ্যই তাদেরকে আমার পথসমূহের হেদায়েত দিব। আর নিশ্চয় আল্লাহ সৎকর্মশীলদের সাথে রয়েছেন।❞ [সুরা আনকাবুত ২৯:৬৯] এই আয়াতের তাফসিরে শাইখ আব্দুর রহমান বিন নাসির আস-সাদি রাহিমাহুল্লাহ (মৃ. ১৩৭৬ হি.) বলেছেন : “উক্ত আয়াত থেকে আরও প্রতীয়মান হয়, যে ব্যক্তি শরয়ি ইলম অর্জনের জন্য আন্তরিকভাবে চেষ্টা-সাধনা করে; মহান আল্লাহ তাকে এমন হেদায়াত ও সাহায্য প্রদান করেন, যার মাধ্যমে সে তার কাঙ্ক্ষিত জ্ঞান অর্জন করতে সক্ষম হয়। এগুলো হলো আল্লাহপ্রদত্ত বিশেষ অনুগ্রহ, যা তার নিজের প্রচেষ্টা ও সামর্থ্যের সীমার বাইরে। ফলে মহান আল্লাহ তার জন্য ইলম-অর্জনের পথ সহজ করে দেন। কারণ শরয়ি ইলম অর্জনের প্রচেষ্টা আল্লাহর পথে জিহাদেরই অন্তর্ভুক্ত। বরং এটি জিহাদের দুই প্রকারের একটি। এই জিহাদ কেবল আল্লাহ তাআলার নির্বাচিত বান্দারাই যথাযথভাবে পালন করতে পারেন। এটা কথা ও ভাষার মাধ্যমে কাফির ও মুনাফিকদের বিরুদ্ধে জিহাদ। আর দ্বীনের শিক্ষা প্রদান করা, হকের বিরোধীদের ভ্রান্তির জবাব দেওয়া—যদিও তারা মুসলিম হয়ে থাকে—এই জিহাদেরই অন্তর্ভুক্ত।” [তাইসিরুল কারিমির রহমান (তাহকিক : আব্দুর রহমান বিন মুআল্লা), পৃ. ৬৩৫]

  • বহুশাস্ত্রবিদ পণ্ডিত আল্লামা সালিহ আলুশ শাইখ হাফিজাহুল্লাহ কয়েকদিন আগে মসজিদে নববিতে দারস দিয়েছেন। সেই দারসে বসেছেন বর্তমান যুগের অন্যতম কিবার আলিম শাইখ আব্দুল আজিজ আর-রাজিহি হাফিজাহুল্লাহ। ভিডিয়োতে যেই বয়োবৃদ্ধ মানুষ মাথা নীচু করে বসে আছেন, তিনিই শাইখ রাজিহি। শাইখের বিনয় কোন পর্যায়ের, সেটা দেখে অবাক হতে হয়। আল্লাহুম্মা বারিক লানা ওয়া লাহুম। · ভিডিয়ো-সোর্স : @yest1350 (টুইটার)

  • ❝কুরআন তেলাওয়াতের সময় কান্না করা মুস্তাহাব। ... এক্ষেত্রে কান্না নিয়ে আসার উপায় হলো—যা তেলাওয়াত করা হচ্ছে তার মধ্যে বিদ্যমান ধমক, কঠোর সতর্কবাণী, অঙ্গীকার ও ওয়াদাগুলো নিয়ে তেলাওয়াতকারী চিন্তা-ভাবনা করবে। এরপর সেসব বিষয়ে নিজের আমলের ঘাটতি নিয়ে ভাববে (তাহলেই কান্না চলে আসবে)। এরপরও যদি তার মধ্যে দুঃখ ও কান্না না আসে, তাহলে সে যেন কান্না না আসার কারণে কাঁদে। কারণ তেলাওয়াতের সময় কান্না না আসা একটি মুসিবত।❞ — হাফিজ নববি রাহিমাহুল্লাহ (মৃ. ৬৭৬ হি.) · অনুবাদকের নোট : অন্যের উপস্থিতিতে যথাসম্ভব কান্না থেকে বিরত থাকা উচিত। সালাফগণ রিয়ার আশঙ্কায় নিজেদের কান্না লুকাতেন। তবে রিয়ার আশঙ্কা না থাকলে অন্যের সামনেও কান্না করা যায়। মহান আল্লাহই সবচেয়ে ভালো জানেন। · উৎস : আবু জাকারিয়া মুহিউদ্দিন ইয়াহইয়া বিন শারাফ আন-নববি, আল-মাজমু শারহুল মুহাজ্জাব (কায়রো : ইদারাতুত তাবাআতিল মুনিরিয়্যা, প্রকাশের ক্রমধারাবিহীন, ১৩৪৪-১৩৪৭ হি.), খ. ২, পৃ. ১৬৪-১৬৫।

  • ❝বাতিলপন্থিদের টুইট বা পোস্ট উদ্ধৃত করে তার জবাব দেওয়ার ব্যাপারে একটি আকিদা-সংক্রান্ত মাসআলা রয়েছে। যদি উদ্ধৃত করা টুইট বা পোস্টটি এমন হয় যে, অল্প কয়েকজনই কেবল সেটা সম্পর্কে জানে, তাহলে সেটা উদ্ধৃত করে তার খণ্ডন করা ভুল। কারণ এর মাধ্যমে সেই বাতিল পোস্টকেই প্রচার করা হয়। সালাফরা এ ধরনের বাতিলের ব্যাপারে বলেন, ‘নীরব থাকার চেয়ে কঠোরভাবে এসব বাতিলপন্থিদের জবাব দেওয়া যায় না।’ মূলত এ জাতীয় বাতিলের বিরুদ্ধে জবাব দেওয়ার কারণেই অনেক অজানা টুইট বা পোস্ট (জনমানুষের মধ্যে) ছড়িয়ে পড়েছে।❞ — শাইখ ড. আব্দুল্লাহ বিন আব্দুল আজিজ আল-আনকারি হাফিজাহুল্লাহ; সাবেক সহযোগী অধ্যাপক, আকিদা বিভাগ, কিং সৌদ বিশ্ববিদ্যালয়, সৌদি আরব।

  • 4 июл.905257

    ❝অসংখ্য ফিতনা থাকা সত্ত্বেও বর্তমান যুগে যে ব্যক্তি (ইখলাসের সাথে) শরয়ি ইলম অনুসন্ধান করে, সে মহান আল্লাহর অলি হিসেবে বিবেচিত হবে।❞ — যুগশ্রেষ্ঠ মুহাদ্দিস শাইখ মুহাম্মাদ বিন আলি বিন আদাম আল-ইতিয়োপি রাহিমাহুল্লাহ (মৃ. ১৪৪২ হি.) · সূত্র : আল-ফাওয়ায়িদুল ইলমিয়্যা ওয়াদ দুরারুত তারবাবিয়্যা, পৃ. ১৯।

  • 1 июл.956271

    মহান আল্লাহ ইমাম জাহাবির প্রতি রহম করুন। তিনি ‘সিয়ারু আলামিন নুবালা (বিশিষ্ট মহৎ ব্যক্তিবর্গের জীবনী)’ নামে সুবিশাল গ্রন্থ লিখেছিলেন। এই গ্রন্থে ইমাম জাহাবি নিজের জীবনী লিখেননি। কিন্তু তিনি ‘জাইলু দিওয়ানিদ দুআফা (জইফ লোকদের পরিচিতি)’ নামে আরেকটি গ্রন্থ রচনা করেছেন। এই গ্রন্থে ইমাম জাহাবি নিজের পরিচিতি লিখেছেন! তিনি নিজের ব্যাপারে লিখেছেন, “জাহাবি দুর্বল হিফজের অধিকারী। ইলমের ক্ষেত্রে দক্ষ নয়, আবার পরহেজগারও নয়। আল্লাহ তাআলা তাকে ক্ষমা করুন।” · সূত্র : শাইখ আব্দুল আজিজ আল-ফালিহ হাফিজাহুল্লাহর এক্স অ্যাকাউন্টে (@ALfalehaaa) আজকের পোস্ট।

  • তায়েফে অবস্থিত সৌদি ফতোয়া কমিটির গ্রীষ্মকালীন হেডকোয়ার্টারে ফতোয়া কমিটির কার্যাবলি সম্পাদন করছেন বর্তমান গ্র্যান্ড মুফতি শাইখ সালিহ আল-ফাওজান হাফিজাহুল্লাহ। ছবিতে গ্র্যান্ড মুফতির ডানপাশে বসে আছেন সৌদি আরবের সিনিয়র উলামা কাউন্সিলের সেক্রেটারি জেনারেল এবং গ্র্যান্ড মুফতির অফিসের প্রধান সুপারভাইজার শাইখ ফাহাদ আল-মাজিদ হাফিজাহুল্লাহ। শাইখ ফাহাদের পাশে বসে আছেন সৌদি ফতোয়া কমিটির সম্মাননীয় সদস্য শাইখ আব্দুস সালাম বিন আব্দুল্লাহ আস-সুলাইমান হাফিজাহুল্লাহ। গ্র্যান্ড মুফতির বামপাশে বসে আছেন শাইখ মুহাম্মাদ বিন হাসান আলুশ শাইখ হাফিজাহুল্লাহ। আর শাইখ মুহাম্মাদ বিন হাসানের পাশে বসে আছেন শাইখ সাদ বিন নাসির আশ-শাসরি হাফিজাহুল্লাহ। ইনারা দুজনও সৌদি ফতোয়া কমিটির সম্মাননীয় সদস্য।

  • নিজের অসুস্থতার খবর প্রচার করে মানুষের মনোযোগ আকর্ষণ করা · সৌদি আরবের বিশিষ্ট গবেষক ও দায়ি শাইখ বাদর আলু মারয়ি হাফিজাহুল্লাহ বলেছেন— ❝আমি একটি বিষয় গভীরভাবে লক্ষ করেছি। অনেকে নিজেদের দুর্বলতা ও অসুস্থতার খবর কিংবা এমন সব খবর প্রচার করে, যা মানুষকে অন্যদের মনোযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রাখে। আমি দেখেছি, মানুষ অসুস্থতার দাবি করে, এবং নিজেকে ‘ভিক্টিম’ হিসেবে উপস্থাপন করে। কারণ দুর্বলতার দাবি কিংবা অসুস্থতার খবর প্রচার করা হলো—নিঃশর্ত ইমোশনাল কেয়ার আদায়ের একটি সংক্ষিপ্ত পথ এবং প্রায় সুনিশ্চিত একটি পথ। অপরদিকে শক্তি ও যোগ্যতার মাধ্যমে মানুষের মনোযোগ অর্জন করতে কঠোর পরিশ্রম করতে হয়; এবং সেখানে সবসময় মূল্যায়নের চাপ ও ব্যর্থতার আশঙ্কা থাকে। যোগ্যতা ও পরিশ্রমের মাধ্যমে অর্জিত প্রশংসা অনেক দূরের পথ, যা পাবলিকের মুগ্ধতার ওপর প্রতিষ্ঠিত। কিন্তু সিম্প্যাথি একজন ব্যক্তিকে জনমানুষের খুব ঘনিষ্ঠ করে তোলে এবং যেন তাকে সব ধরনের দায়িত্ব থেকেও অব্যাহতি দেয়। এর মূল কারণ হলো গভীর এক অক্ষমতার অনুভূতি। সে অন্তরে বিশ্বাস করে, নিজের যোগ্যতা ও গুণের কারণে সবসময় মানুষের ভালোবাসা পাওয়া তার পক্ষে সম্ভব নয়। ফলে কৃত্রিম দুর্বলতা তার কাছে ইমোশনাল ব্ল্যাকমেইলের একটি অস্ত্রে পরিণত হয়। সে কাল্পনিক কষ্টকে নিজের ‘পুঁজি’ বানিয়ে জীবনের প্রকৃত প্রতিযোগিতার মূল্য না দিয়েই মানুষের মনোযোগের কেন্দ্রস্থলে থাকতে চায়। এতে একটি সূক্ষ্ম অহংকারও লুকিয়ে থাকে। কারণ দুর্বলতার দাবি করার পেছনে উদ্দেশ্য থাকে আরও বেশি সিম্প্যাথি লাভ করা। সে মনে করে, এই সিম্প্যাথির প্রকৃত দাবিদার সে; আর তার আশপাশের মানুষ ইচ্ছাকৃতভাবে তাকে তা দেয়নি। তাই আবেগকে অস্ত্র বানিয়ে সে তার কথিত ‘অধিকার’ আদায় করতে চায়। এখানে একটি সূক্ষ্ম পার্থক্যের বিষয় রয়েছে। একদিকে আছে কোনো নির্দিষ্ট নেককার ব্যক্তির কাছে দোয়ার আবেদন করা। অন্যদিকে আছে সবার কাছ থেকে সিম্প্যাথি কামনা করা এবং মানুষের মনোযোগকেই নিজের মানসিক খাদ্যে পরিণত করা। দুটো এক জিনিস নয়। এসবের মধ্যেই তাওহিদের এক গভীর রহস্য পরিস্ফুটিত হয়ে ওঠে। বান্দার অন্তরে যখন এই বিশ্বাস দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত হয় যে, একমাত্র মহান আল্লাহই অমুখাপেক্ষী, স্বয়ংসম্পূর্ণ ও সকলের আশ্রয়স্থল, তখন সে মহান আল্লাহর মাধ্যমেই সবার থেকে অমুখাপেক্ষী হয়ে যায়। তখন তার আত্মসম্মান তাকে মানুষের করুণা ভিক্ষা করতে বা তাদের মনোযোগের মাধ্যমে নিজের মূল্য বাড়াতে বাধা দেয়। কারণ একমাত্র আল্লাহরই মুখাপেক্ষী হওয়ার মধ্যে প্রকৃত সম্মান নিহিত রয়েছে। যে ব্যক্তি তাওহিদ-বাস্তবায়নে সত্যবাদী হয়, মহান আল্লাহ তাকে মানুষের মুখাপেক্ষিতা থেকে মুক্ত করে দেন এবং তার হৃদয়কে ইমানের মর্যাদা ও আত্মসম্মানে পরিপূর্ণ করে দেন। তখন আর সে কৃত্রিম সিম্প্যাথি কিংবা মিথ্যা আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হওয়ার প্রয়োজন অনুভব করে না।❞

  • অলিভ অয়েল : একটি নববি প্রতিষেধক · কুয়েতের প্রখ্যাত সালাফি আলিম শাইখ মুহাম্মাদ হিশাম তাহিরি হাফিজাহুল্লাহ বলেছেন— ❝নিঃসন্দেহে ‘আল-কুস্তুল বাহরি’ তথা ‘মেরিন কস্টাস’ দিয়ে চিকিৎসা করা উপকারী। অনুরূপভাবে তেলও উপকারী। এখানে ‘তেল’ শব্দটি নির্দিষ্ট না করে বলা হলে ‘তেল’ শব্দের উদ্দেশ্য হলো—অলিভ অয়েল (জায়তুনের তেল)। অলিভ অয়েল মানুষের চিকিৎসায় ব্যবহৃত সবচেয়ে উপকারী জিনিসগুলোর একটি। এমনকি এ সম্পর্কে মুহাম্মাদ ইবনু ইসা আত-তিরমিজি তাঁর ‘আশ-শামায়িল’ গ্রন্থে একটি হাদিস বর্ণনা করেছেন। হাদিসটি তাঁর ‘জামিউত তিরমিজি’ গ্রন্থেও রয়েছে। রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “তোমরা এই তেল ব্যবহার করো। কেননা এটি একটি বরকতময় গাছ থেকে উৎপন্ন।” ভালোভাবে খেয়াল করুন। নবিজি আরও বলেছেন, “এই তেল খাও এবং শরীরে মাখো।” আমি বিশেষভাবে উল্লেখ করতে চাই, অলিভ অয়েল রান্না করে খাওয়া উচিত নয়। অলিভ অয়েল রান্না করবেন না (সরাসরি খাবেন)। অলিভ অয়েল শরীরে মাখবেন। তবে হালকা গরম করতে কোনো অসুবিধা নেই। কিন্তু এতটা গরম করবেন না যে, তা পুড়ে যায়। শরীরের যে স্থানে ব্যথা, সেখানে অলিভ অয়েল মাখুন। আল্লাহর কসম, যিনি ছাড়া কোনো সত্য উপাস্য নেই, আমার শরীরের যে স্থানেই ব্যথা হয়েছে, সেখানে অলিভ অয়েল লাগিয়েছি, আর ব্যথা দূর হয়ে গেছে। সকল প্রশংসা ও অনুগ্রহ আল্লাহরই। এমনকি দাঁতের ব্যথাতেও। আমি দাঁতে অলিভ অয়েল ব্যবহার করেছি, উপকার পেয়েছি। আঙুলে ব্যবহার করেছি, উপকার পেয়েছি। ঘাড়ের ব্যথায় ব্যবহার করেছি, উপকার পেয়েছি। নিতম্বের ব্যথায় ব্যবহার করেছি, উপকার পেয়েছি। আগে এমন অবস্থা ছিল যে, আমি কোনো কিছুর ওপর বসতেই পারতাম না। যারা দীর্ঘদিন ধরে আমার সাথে আছেন, তারা এ বিষয়টি জানেন। আমি লাঠির সাহায্যে হাঁটতাম। কিন্তু আলহামদুলিল্লাহ, হিজামা চিকিৎসার মাধ্যমে সুস্থ হয়ে গেছি। আমি চিকিৎসকদের কাছে যাই না। তবে একান্ত বাধ্য হলে অথবা রোগের চিকিৎসা সম্পর্কে কিছুই না জানলে, তখন যাই।❞

  • আমরা অনেক সময় কুরআন শেখানোকে তুচ্ছ কাজ মনে করি। অন্যের দোষ কী দেব, আমার নিজের মধ্যে এই মানসিকতা ছিল। আস্তাগফিরুল্লাহ। আল্লাহ তাআলা আমাকে ক্ষমা করুন। যারা কুরআন পড়তে জানেন না, তাঁদেরকে কুরআন পড়তে শেখানো, বিভিন্ন প্রয়োজনীয় সুরা বিশুদ্ধ উচ্চারণে পড়তে শেখানো—কখনোই ছোটো কাজ নয়। এটা অসামান্য কাজ। নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম সেই ব্যক্তি, যে নিজে কুরআন শিখেছে এবং অপরকে শিক্ষা দিয়েছে।” [সহিহুল বুখারি, হা. ৫০২৭] বাগদাদে ইমাম আবু মানসুর আল-খাইয়্যাত (মৃ. ৪৯৯ হি.) নামে একজন হাম্বালি ‘কারি’ ছিলেন। কাদি আবু ইয়ালা আল-হাম্বালির কাছে তিনি ফিকহ শিখেছিলেন। ইমাম আবু মানসুর রাহিমাহুল্লাহ ছিলেন বাগদাদের এক মসজিদের ইমাম। মহান আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে তিনি অসংখ্য মানুষকে মসজিদে কুরআন শেখাতেন। হাজার-হাজার মানুষ তাঁর কাছ থেকে কুরআন শিখেছেন। শিশু-বৃদ্ধ-অন্ধ সবাইকে তিনি কুরআন শেখাতেন। তিনি যখন মারা যান, তখন তাঁকে এক ব্যক্তি স্বপ্নে দেখতে পান। তিনি ইমাম খাইয়্যাতকে জিজ্ঞেস করেন, ‘আল্লাহ তাআলা আপনার সাথে কেমন ব্যবহার করেছেন?’ তিনি জবাবে বলেন, “শিশুদেরকে সুরা ফাতিহা শেখানোর কারণে আল্লাহ তাআলা আমাকে ক্ষমা করে দিয়েছেন।” · ঘটনা-সূত্র : ইবনুল জাওজি, আল-মুনতাজাম ফি তারিখিল মুলুকি ওয়াল উমাম, খ. ১৭, পৃ. ৯৭; আজ-জাহাবি, তারিখুল ইসলাম (তাহকিক : উমার আত-তাদমুরি), খ. ৩৪, পৃ. ৩০৪।

  • 20 июн.1 102274

    ❛ভালো মানুষদের সঙ্গ গ্রহণে যত্নবান হোন। আপনি পথবিভ্রান্ত হলে যাঁরা আপনাকে সঠিক পথ দেখাবেন, আপনি পথভ্রষ্ট হলে যাঁরা আপনাকে হেদায়েতের পথ দেখাবেন, আপনি ভুলে গেলে যাঁরা আপনাকে স্মরণ করিয়ে দেবেন, আর আপনি অজ্ঞ হলে যাঁরা আপনাকে শিক্ষা দেবেন।❜ — ইমাম ইবনু উসাইমিন রাহিমাহুল্লাহ (মৃ. ১৪২১ হি.) · উৎস : ইবনু উসাইমিন, আত-তালিক আলা সহিহিল বুখারি, খ. ১, পৃ. ৯৪।

  • 20 июн.1 178161

    ❝নেক আমল দোয়া কবুল হওয়ার অন্যতম কারণ। এজন্য গুহায় প্রবেশকারী লোকদের ওপর পাথরখণ্ড এসে যখন মুখ বন্ধ করে দিয়েছিল। তখন তারা নিজেদের সেই সৎকর্মগুলোর অসিলা গ্রহণ করেছিল, যেগুলো তারা একনিষ্ঠভাবে আল্লাহ তাআলার জন্যই সম্পাদন করেছিল। তারা সেই আমলগুলোর অসিলায় আল্লাহর কাছে দোয়া করল। ফলে তাদের দোয়া কবুল হলো (আর তারা গুহার বন্দিদশা থেকে মুক্তি পেল)।❞ — ইমাম ইবনু রজব আল-হাম্বালি রাহিমাহুল্লাহ (মৃ. ৭৯৫ হি.) · উৎস : ইবনু রজব আল-হাম্বালি, জামিউল উলুমি ওয়াল হিকাম, তাহকিক : শুয়াইব আরনাউত ও ইবরাহিম বাজিস, খ. ১, পৃ. ২৭৫-২৭৬।

  • Channel photo updated

  • 17 июн.1 211183

    অধুনা একটি সমস্যার ব্যাপারে কিছু সচেতন মানুষ সতর্ক করেছেন। আমাদের দেশে ভার্সিটি পড়ুয়া কিছু মেয়ে অভিভাবক ছাড়াই গোপনে বিয়ে করছে; এরপর ভার্সিটির পাঠ চুকিয়ে ফেলার পর আপসে ডিভোর্স নিয়ে নিচ্ছে। বাবা-মা, আত্মীয়স্বজনের কাছ থেকে এই বিয়ের খবর তারা গোপন রাখে। আর গ্র্যাজুয়েশনের পর বাবা-মায়ের তত্ত্বাবধানে কোনো ভালো পাত্রের গলায় ঝুলে পড়ে! অনেক গুণীজন মনে করেন, এই ভয়ংকর সমস্যার সাথে হানাফি মাজহাবের একটি অভিমতের সম্পর্ক আছে। যেই অভিমত অনুযায়ী, একজন মেয়ে যদি অভিভাবক ছাড়াও বিয়ে করে, তবুও সেই বিবাহ বিশুদ্ধ বিবেচিত হবে। মিশরের প্রখ্যাত হাদিসবিশারদ এবং শরিয়া কোর্টের জাস্টিস ইমাম আহমাদ মুহাম্মাদ শাকির রাহিমাহুল্লাহ (মৃ. ১৩৭৭ হি.) এ জাতীয় সমস্যা লক্ষ করেছিলেন। তিনি হানাফি মাজহাবের এই অভিমত সম্পর্কে পুনরায় গবেষণা করে এই মত থেকে হানাফি ফাকিহদেরকে ফিরে আসার আহ্বান জানিয়েছিলেন। শাইখ আহমাদ শাকির বলেন : “হাদিসশাস্ত্রের কোনো আলিমেরই এ ব্যাপারে সন্দেহ থাকার কথা নয় যে, ‘অভিভাবক ছাড়া কোনো বিবাহ হবে না’—এই হাদিসটি সহিহ ও সুপ্রমাণিত। হাদিসটি এমন বিপুলসংখ্যক সূত্রে বর্ণিত হয়েছে, যা অর্থগত মুতাওয়াতির পর্যায়ে পৌঁছার উপক্রম হয়েছে। ফলে এই হাদিসের অর্থ সম্পর্কে মানুষের নিশ্চিত জ্ঞান অর্জিত হয়। সকল আলিমের মতও এটাই (মেয়ের শরিয়তসম্মত অভিভাবক ছাড়া বিবাহ হবে না)। কুরআনের ফিকহি নির্দেশনাও এই মতকে সমর্থন করে। আমাদের জানা মতে, এ বিষয়ে কেবল হানাফি ফাকিহগণ এবং তাঁদের অনুসারী ও মুকাল্লিদরাই ভিন্নমত পোষণ করেছেন। হানাফিদের প্রাচীন যুগের আলিমগণের কিছুটা ওজর ছিল। হয়তো তখন এই হাদিসটি তাঁদের কাছে বিশুদ্ধ সূত্রে পৌঁছেনি। কিন্তু পরবর্তী যুগের আলিমগণ নিজেদের অবস্থানে অনড় থেকেছেন এবং দলীয় পক্ষপাত তাঁদেরকে প্রভাবিত করেছে। ফলে তাঁরা এ বিষয়ক হাদিসগুলোকে দুর্বল প্রমাণ করা কিংবা বিভিন্ন অপব্যাখ্যার আশ্রয় নেওয়ার জন্য নানা পথ অবলম্বন করেছেন। অথচ এর কোনো প্রয়োজন ছিল না এবং এতে ন্যায়পরায়ণতাও বিদ্যমান ছিল না। বহু মুসলিম দেশে এই মাসআলায় হানাফি মত গ্রহণ করা হয়েছে। সেসব দেশে আমরা দেখতে পাচ্ছি, তাঁদের এই মত গ্রহণের ফলে নৈতিকতা, শালীনতা ও পারিবারিক মর্যাদার ক্ষেত্রে ধ্বংসাত্মক প্রভাব সৃষ্টি হয়েছে। এর ফলস্বরূপ যেসব নারী তাঁদের অভিভাবকদের অনুমতি ছাড়া বা তাঁদের বিরোধিতা সত্ত্বেও বিবাহ করছে, তাদের অধিকাংশের বিবাহ শরিয়তের দৃষ্টিতে বাতিল বিবাহে পরিণত হচ্ছে; যার কারণে বিশুদ্ধ বংশপরিচয়ও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। সকল দেশ ও অঞ্চলে বিদ্যমান ইসলামের আলিমগণ ও নেতৃবৃন্দের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি, তাঁরা যেন এই গুরুতর বিষয়টি নতুন করে পর্যালোচনা করেন। মহান আল্লাহ ও তাঁর রসুল যে সৎ ও বিচক্ষণ অভিভাবকের উপস্থিতিকে বিবাহের শর্ত হিসেবে নির্ধারণ করেছেন, সেই বিধানের দিকে যেন ফিরে আসেন। তাহলে আমরা বহু নৈতিক ও সামাজিক বিপদ থেকে রক্ষা পেতে পারব, যেগুলোর মুখোমুখি হয়ে থাকে নারীরা; তাদের অজ্ঞতা, হঠকারিতা, মিথ্যা স্বাধীনতার মোহ এবং প্রবৃত্তির অনুসরণের কারণে। বিশেষত শিক্ষিত নারীদের সেই অধঃপতিত শ্রেণির অবস্থা এতটাই শোচনীয় যে, তা হৃদয়কে গভীর বেদনা ও দুঃখে পরিপূর্ণ করে তোলে। মহান আল্লাহ আমাদেরকে ইসলামের সঠিক পথের হেদায়েত দান করুন এবং মন্দ পরিণতি থেকে রক্ষা করুন। আমিন।” · সূত্র : আহমাদ বিন মুহাম্মাদ শাকির, হুকমুল জাহিলিয়্যা (মাকতাবাতুস সুন্নাহ, তাবি), পৃ. ১৯৯-২০০।

  • ‘উসুলুস সুন্নাহ’ সম্পর্কে একটি ছোট্ট রিভিউ। প্রকাশনী থেকে উস্তাজগণ ভিডিয়োটি পাঠিয়েছেন আমার কাছে। রিভিউ করেছেন মুহাম্মাদ তৌফিকুর রহমান ভাই (নামের বানান ভুল হলো কিনা জানি না)। কেউ আমার বইয়ের প্রশংসা করলে সেটা প্রচার করতে আমার লজ্জা লাগে। আমি নিজের জন্য এক প্রকার নিয়ম বানিয়ে নিয়েছি—আমার বইয়ের ব্যাপারে কারও প্রশংসা শেয়ার করব না। কেননা আমার ভয় হয়, এটা হয়তো আত্মপ্রশংসার অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাবে। আর আল্লাহ তাআলা আত্মপ্রশংসা করতে নিষেধ করেছেন। [সুরা নাজম ৫৩:৩২] আমি পরহেজগারি দেখাচ্ছি না। তবে এত-এত পাপের ভিড়ে কোন ছোট্ট আমলের জন্য আল্লাহ পাক খুশি হয়ে জান্নাত দিয়ে দেবেন, সেটা কি কেউ বলতে পারবে?! যাহোক, উস্তাজগণকে কথা দিয়েছিলাম—এটা প্রচার করব। তখন মনে ছিল না আত্মপ্রশংসার কথা। এখন তওবা করলাম। এর পরে আর কোনো প্রশংসা পোস্ট করব না। ইনশাআল্লাহ। আল্লাহ তাআলা প্রকাশক উস্তাজগণকে এবং তৌফিক ভাইকে সর্বোত্তম পারিতোষিক দিন। আমিন।

  • সংশয়-৫ : আব্দুল্লাহ মৃধা ড. যাকারিয়া স্যারের সমালোচনা নিয়ে পড়ে আছে। তাঁর পিছনে লেগে আছে। জবাব : সালাফি লেখকদের মধ্যে আমি ছাড়া কেউ ড. যাকারিয়া স্যারের ভুল নিয়ে তেমন একটা কথা বলেন না। তাই এমনটা কারও কারও মনে হতে পারে। যাকারিয়া স্যারের ব্যাপার অনেকটা এরকম হয়ে…

  • ড. যাকারিয়া স্যারের প্লেজারিজম বিষয়ে আমার প্রবন্ধ প্রকাশ নিয়ে কিছু সংশয় থাকতে পারে। আমরা সেসব সংশয় নিরসন করব এই পোস্টে। ইনশাআল্লাহ। সংশয়-১ : যাকারিয়া স্যারের কাজটা কি না-জায়েজ কিছু? জবাব : প্রথমেই এটা বলে রাখা দরকার—আমি কী ধরনের কাজকে ‘চুরি’ দাবি করেছি।…

  • ড. যাকারিয়া স্যারের প্লেজারিজম বিষয়ে আমার প্রবন্ধ প্রকাশ নিয়ে কিছু সংশয় থাকতে পারে। আমরা সেসব সংশয় নিরসন করব এই পোস্টে। ইনশাআল্লাহ। সংশয়-১ : যাকারিয়া স্যারের কাজটা কি না-জায়েজ কিছু? জবাব : প্রথমেই এটা বলে রাখা দরকার—আমি কী ধরনের কাজকে ‘চুরি’ দাবি করেছি। আমি আমার প্রবন্ধে লিখেছি, “শাইখ তুওয়াইজিরির থিসিস থেকে ড. যাকারিয়ার চুরির সংখ্যা অনেক। আমি কেবল উল্লেখযোগ্য ৮২টি চুরির নমুনা পেশ করেছি। চার লাইনের চেয়ে অপেক্ষাকৃত ছোট চুরিগুলো ছেড়ে দিয়েছি; নমুনা হিসেবে আনিনি। আবার যেসব চুরিতে ড. যাকারিয়া নিজে থেকে অনেক কথা ঢুকিয়েছেন, সেগুলোও নমুনা হিসেবে আনিনি—কেবল দুয়েকটা নমুনা বাদে। আর সেই দুয়েকটা নমুনাও এনেছি এটা বোঝানোর জন্য যে, ওরকম চুরি আরও আছে ড. যাকারিয়ার আলোচ্য কিতাবে।” সুতরাং, ড. যাকারিয়া স্যার শাইখ তুওয়াইজিরির লেখা থেকে কিছু শিখে নিজের বইয়ে সেটা লিখেছেন, আর আমি সেটাকে ‘চুরি’ বলে দাবি করছি—এমনকিছু এখানে ঘটেনি। তিনি যা করেছেন, কেউ যদি এ জাতীয় কাজের হুকুম জানতে আগ্রহী হয়, তাহলে তা জানার জন্য প্রকাশিত প্রবন্ধের মধ্যেই যথেষ্ট উপাদান আছে। এখানে তা পুনরায় আলোচনা করার কোনো প্রয়োজন নেই। · সংশয়-২ : পূর্ববর্তী অমুক-অমুক আলিম অন্যের লেখা কপিপেস্ট করেছেন। সুতরাং যাকারিয়া স্যারের কপিপেস্ট কোনো ভুল কাজ নয়। জবাব : এই সংশয়ের বিস্তারিত জবাব দিয়েছেন মদিনার ফাকিহ শাইখ সুলাইমান আর-রুহাইলি হাফিজাহুল্লাহ। শাইখ রুহাইলি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন, এই সংশয় উত্থাপন করে বর্তমান যুগে অন্যের লেখা কপিপেস্ট করাকে জায়েজ বলার কোনো সুযোগ নেই। বরং এ ধরনের লেখাচুরি না-জায়েজ। এই কাজের জন্য ইসলামি কোর্টে লেখাচোরের শাস্তি হবে। শাইখের লম্বা ফতোয়াটি প্রবন্ধে উল্লেখ করেছি। তাই পুনরাবৃত্তি নিষ্প্রয়োজন মনে করছি। · সংশয়-৩ : শাইখ আব্দুস সালাম আশ-শুওয়াইয়ির হাফিজাহুল্লাহ উল্লেখ করেছেন, ইসলামি বইয়ে কোনো কপিরাইট নেই। সুতরাং, যাকারিয়া স্যারের কপিপেস্ট সঠিক! জবাব : প্রথমত, ড. যাকারিয়া স্যার নিজের প্লেজারাইজ করা বইয়ে কপিরাইট দিয়েছেন। জি, আপনি ঠিক পড়েছেন। যাকারিয়া স্যার তাঁর ‘আকিদা আল হামাউইয়্যাহ’-র ব্যাখ্যায় কপিরাইট দিয়েছেন। তাঁর বইয়ে স্পষ্ট ভাষায় লেখা আছে, ‘গ্রন্থস্বত্ব সম্পাদক কর্তৃক সংরক্ষিত।’ অর্থাৎ, সম্পাদক ড. যাকারিয়া স্যার কর্তৃক বইটির কপিরাইট সংরক্ষিত। সুতরাং শাইখ শুওয়াইয়িরের ফতোয়ার ওপর যাকারিয়া স্যার নিজেই আমল করেননি; ইসলামি বইয়ে কপিরাইট দিয়ে রেখেছেন। কোনো বইয়ে কপিরাইট দেওয়ার অর্থ—সেই বই থেকে যেকোনো ধরনের প্লেজারিজম বা পাইরেসি করা নিষিদ্ধ। দ্বিতীয়ত, লেখাচুরি করা হারাম হওয়ার ব্যাপারে সৌদি আরবের ফিকহের শাইখ ড. মুরদি আল-আনজি হাফিজাহুল্লাহ তাঁর গবেষণাপত্রে ইজমা বর্ণনা করেছেন। শাইখের গবেষণাপত্রটি সৌদি আরবের আল-কাসিম ইউনিভার্সিটি থেকে প্রকাশিত হয়েছে। এ সম্পর্কে লেখাচুরি বিষয়ক প্রবন্ধের মধ্যে আলোচনা করেছি। সুতরাং, এই বিষয়ে ইজমা থাকলে শাইখ শুওয়াইয়িরের ইজমাবিরোধী মত গ্রহণ করার কোনো সুযোগ নেই। তৃতীয়ত, শাইখ শুওয়াইয়ির হাফিজাহুল্লাহ নিজেও একজন ভার্সিটির শিক্ষক। তিনি তাঁর ছাত্রদের ক্ষেত্রে এই ফতোয়ার ওপর আমল করতে পারবেন না। কেননা ভার্সিটি কর্তৃপক্ষ এটার অনুমোদন দেবে না এবং অ্যাকাডেমিয়াতে প্লেজারিজমকে খুবই নিন্দিত হিসেবে দেখা হয়। চতুর্থত, ড. যাকারিয়া স্যার যেই ব্যাপক মাত্রায় প্লেজারিজম করেছেন, শাইখ শুওয়াইয়ির হাফিজাহুল্লাহ এটার অনুমোদন দিবেন বলেও মনে হয় না। আল্লাহু আলাম। · সংশয়-৪ : ড. যাকারিয়া স্যার সম্মাননীয় মানুষ। তাঁকে পার্সোনালি বলতে পারতেন। তাঁর প্লেজারিজম নিয়ে প্রকাশ্যে সমালোচনা করা ঠিক নয়। জবাব : যাকারিয়া স্যার এবং তাঁর অনুসারীরা যখন অন্যদের আকিদা-মানহাজ নিয়ে এবং অন্যদের বইপত্র সম্পর্কে ‘অন্যায় সমালোচনা’ করেন, তখন যে কাঁচের ঘরে বসে অন্যদের ঢিল মারা হয়; এটা প্রমাণ করতে স্যারের ভুলগুলো নিয়ে প্রকাশ্যে বলা জরুরি। যেন তাঁরা বুঝতে পারেন যে, তাঁরা এগুলো করার অবস্থানে নেই। এছাড়াও কারও ইলম ও খেদমতের ব্যাপারে জনমনে বাড়াবাড়িমূলক ধারণা তৈরি হওয়া তাদের দ্বীনের জন্য ক্ষতিকর। কারণ তারা এর ফলে তার ওপর এমনসব বিষয়ে ভরসা করবে, যেসব বিষয়ে তার ওপর ভরসা করা তাদের জন্য অনুচিত। আর আমাদের কিবার উলামাগণও বিভিন্ন ইসলামি লেখকের লেখাচুরি প্রকাশ্যে এনে তাদেরকে এক্সপোজ করেছেন। শাইখ বাকার আবু জাইদ রাহিমাহুল্লাহ আল-আজহার ভার্সিটির একজন প্রফেসরের লেখাচুরি এক্সপোজ করেছেন; যিনি শাইখ ফাওজানের থিসিস থেকে চুরি করে বই লিখেছিলেন। আর শাইখ আলবানি তো অনেক লেখাচোরের নাম নিয়ে তাদেরকে এক্সপোজ করেছেন বিভিন্ন কিতাবে। যেমন ‘সিলসিলা সহিহা’ গ্রন্থে হাসান আব্দুল মান্নান নামের একজন ইসলামি লেখকের নাম ধরে তাকে এক্সপোজ করেছেন।

  • видео или голосовое, без подписи

Md Abdullah Mridha — tgindex