tgindex
আদ-দা'ওয়াহ আস-সালাফিয়্যাহ

আদ-দা'ওয়াহ আস-সালাফিয়্যাহ

Статистика
Последний пост
3 мая
Последнее чтение
15 авг.
Постов за неделю
0
Всего постов
20
Тип
открытый
Язык
bn
Категория
Новости и СМИ (по похожим)
В каталоге с
13 авг.
Подписчики
3 114
0 за 1 дн.
Сутки
0
0,00%
Неделя
 
Месяц
 
Просмотров на пост
1 201
20 постов
Вовлечённость
38,6%
к подписчикам
Постов в день
0,0
всего 20
Упоминаний
0
каналов
Охват размещения
оценка
1/24сутки в ленте
1/48двое суток
1/72трое суток

Оценка по просмотрам недавних постов: пост набирает почти всё за первые сутки.

Посты

  • 3 мая1 137

    🚦এসব প্রভাবশালী ব্যক্তিদের উপর হদ কিভাবে কায়েম হবে? “আমি বড় বড় প্রভাবশালী ব্যক্তি ও উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের ব্যাপারে শুনে আসছি যে—তারা মদ্যপান করে, পাপাচারে লিপ্ত হয়, জুলুম-অবিচার করে এবং এমন সব কাজ করে যা শরীআতের দণ্ডবিধি (হদ) প্রয়োগের যোগ্য! এসব শুনে আমি…

  • 3 мая1 1342

    🚦এসব প্রভাবশালী ব্যক্তিদের উপর হদ কিভাবে কায়েম হবে? “আমি বড় বড় প্রভাবশালী ব্যক্তি ও উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের ব্যাপারে শুনে আসছি যে—তারা মদ্যপান করে, পাপাচারে লিপ্ত হয়, জুলুম-অবিচার করে এবং এমন সব কাজ করে যা শরীআতের দণ্ডবিধি (হদ) প্রয়োগের যোগ্য! এসব শুনে আমি গভীর চিন্তায় পড়ে যেতাম। ভাবতাম, এসব ক্ষমতাধর ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে এ ধরনের অপরাধের প্রমাণ আদৌ কি কখনো প্রতিষ্ঠিত হবে? আর যদি প্রমাণ হয়ও, তবে তাদের ওপর দণ্ড কার্যকর করবে কে? স্বাভাবিকভাবে তো এটা অসম্ভব মনে হতো; কারণ তাদের পদমর্যাদার কারণে সবাই তাদের সমীহ করে চলে। ফলে তাদের ওপর ওয়াজিব হওয়া দণ্ডগুলো বাস্তবায়ন না হওয়া নিয়ে আমি চিন্তিত থাকতাম। অবশেষে (সময়ের ব্যবধানে) আমরা দেখলাম—তারা চরম বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে। বারবার তারা লাঞ্ছিত হয়েছে এবং তাদের ওপর দিয়ে ভয়াবহ সব ঘটনা বয়ে গেছে। তাদের জুলুমের বদলা নেওয়া হয়েছে তাদের সম্পদ কেড়ে নেওয়ার মাধ্যমে। দীর্ঘ কারাবাস, কন্টকাকীর্ণ বন্দী জীবন আর চরম অবমাননার পর তাদের থেকে সেই দণ্ডগুলো যেন বহুগুণে উসুল করা হয়েছে। এমনকি তাদের মধ্যে কেউ কেউ এতসব ভয়াবহ কষ্টের সম্মুখীন হওয়ার পর প্রাণও হারিয়েছে! তখন আমি বুঝতে পারলাম যে, কোনো কিছুই আসলে ফেলনা হয় না! সুতরাং হুঁশিয়ার সাবধান! কারণ শাস্তি যেন সর্বদাই ওত পেতে আছে।” ✍️ ইমাম ইবনুল জাওযী রহিমাহুল্লাহ। 📚সয়দুল খাতির, ১৬৫ পৃষ্ঠা। তুরাস এপ অনুযায়ী।

  • 🚦কোনো সৃষ্টিতে আল্লাহর হেকমত বুঝতে না পারলে কি করব? আমি লক্ষ্য করে দেখলাম যে, মানুষের মনের মধ্যে মহান আল্লাহ তা’আলার প্রতিটি সিদ্ধান্তের পেছনের হিকমত বা রহস্য জানার এক প্রবল আকাঙ্ক্ষা ও আকর্ষণ কাজ করে। অনেক সময় কিছু বিষয়ের রহস্য মানুষের কাছে স্পষ্ট হয় না—যেমন…

  • 🚦কোনো সৃষ্টিতে আল্লাহর হেকমত বুঝতে না পারলে কি করব? আমি লক্ষ্য করে দেখলাম যে, মানুষের মনের মধ্যে মহান আল্লাহ তা’আলার প্রতিটি সিদ্ধান্তের পেছনের হিকমত বা রহস্য জানার এক প্রবল আকাঙ্ক্ষা ও আকর্ষণ কাজ করে। অনেক সময় কিছু বিষয়ের রহস্য মানুষের কাছে স্পষ্ট হয় না—যেমন কোনো কিছু গড়ার পর তা ভেঙে ফেলা—তখন সে হয়রান হয়ে পড়ে। আর শয়তান ঠিক এই সুযোগটিই গ্রহণ করে; সে মনে কুমন্ত্রণা দেয়: “এর পেছনে আবার হিকমত বা যুক্তি কোথায়?” আমি আমার মনকে বললাম: “আরে মিসকীন ভাবুক! সাবধান, ধোঁকায় পড়ো না। এই বিশাল সৃষ্টির নিপুণতা দেখে তুমি তো অকাট্য দলীলের মাধ্যমেই এটার প্রমাণ পেয়েছো যে, মহান স্রষ্টা অত্যন্ত প্রজ্ঞাবান (হাকীম)। এখন যদি কোনো রহস্য তোমার কাছে গোপন থাকে, তবে সেটা তোমারই বোধশক্তির সীমাবদ্ধতা। তাছাড়া রাজাদের তো অনেক গোপন রহস্য থাকেই। তুমি কে যে নিজের এই তুচ্ছ শক্তি নিয়ে তাঁর সমস্ত রহস্য অবগত হতে চাও? তোমার জন্য মৌলিক জ্ঞানটুকুই যথেষ্ট। যা তোমার কাছে অস্পষ্ট, তা নিয়ে বেশি ঘাঁটাঘাঁটি করা থেকে অবশ্যই দূরে থেকো। কারণ তুমি তো তাঁরই বিশাল সৃষ্টিজগতের একটি ক্ষুদ্র অংশ এবং তাঁর নিপুণ কারুকার্যের একটি অণু মাত্র। যে মহান সত্তার আদেশে তোমার উৎপত্তি, তাঁর ওপর তুমি কীভাবে খবরদারি করো? যেহেতু পুরো সৃষ্টিজগতে ও প্রতিটি ফয়সালায় তাঁর হিকমত বা প্রজ্ঞা তোমার কাছে (ইতিমধ্যেই) নিশ্চিতভাবে প্রমাণিত, তাই তোমার যতটুকু সামর্থ্য আছে তা ব্যবহার করে তাঁর সৃষ্টির রহস্যগুলো দেখার চেষ্টা করো; এটিই তোমাকে বিস্ময়ে অভিভূত করে দেবে! আর যা তোমার বোধগম্যের বাইরে, তা থেকে দৃষ্টি ফিরিয়ে নাও। কারণ, যার দৃষ্টিশক্তি দুর্বল, তার জন্য সূর্যের প্রখর আলোর দিকে তাকিয়ে থাকা মোটেও সমীচিন নয়।” ✍️ ইমাম ইবনুল জাওযী রহিমাহুল্লাহ। 📚 সয়দুল খাতির, ১৫৬ পৃষ্ঠা। তুরাস এপ অনুযায়ী। -ইয়াকুব বিন আবুল কালাম

  • 🚦বাবা মায়ের প্রতি সদ্ব্যবহারের ফজিলত! উপরোক্ত বিষয়ে আমাদের অনেক ফজিলতই হয়তোবা জানা আছে, কিন্তু আজকে একটা আসার জানব আমরা ইনশাআল্লাহ। সা’দ বিন মাসউদ বলেন, আমি ইবনে আব্বাস রাযিয়াল্লাহু আনহুকে বললাম: আমি যুদ্ধে যেতে খুব আগ্রহী, আমার অঞ্চলের পরিচিত প্রায় সবাই যুদ্ধে চলে গেছে আমার বাবা মা ছাড়া। তারা আমার যুদ্ধে যাওয়াকে অপছন্দ করছেন! তখন ইবনে আব্বাস বললেন: যদি কারো বাবা মা উভয়েই জীবিত থাকেন এবং সে যদি তার বাবা মায়ের সাথে সদাচরণ রত অবস্থায় সকালে উপনীত হয়; তবে আল্লাহ তার জন্য জান্নাতের দুটি দরজা খুলে দেবেন। একইভাবে বিকেল বেলাতে উপনীত হলে জান্নাতের দুটি দরজা খুলে দেবেন আল্লাহ। আর যদি বাবা মায়ের মধ্যে একজন বেঁচে থাকেন, তবে একটি করে দরজা আল্লাহ খুলে দেবেন। তাদের দুজনের কেউ একজন যদি সন্তানের প্রতি রুষ্ট হন, তবে তারা খুশী হওয়ার আগ পর্যন্ত আল্লাহ রাযী হবেন না! সা’দ বলেন, আমি তখন বললাম: তিনি (বাবা মায়ের একজন) যদি এক্ষেত্রে অন্যায়ও করেন?! তিনি জবাবে বললেন, হ্যাঁ, যদি তিনি অন্যায়ও করে থাকেন তবুও। 📚ইবনুল মোবারক রহিমাহুল্লাহ থেকে হুসাইন বিন হারবের রেওয়ায়েতে “বির্র ওয়াস সিলাহ” গ্রন্থ থেকে। তুরাস এপ অনুযায়ী পৃষ্ঠা: ১৫। عَنِ ابْنِ مَسْعُودٍ وَهُوَ سَعْدٌ قَالَ: قُلْتُ لِابْنِ عَبَّاسٍ: إِنَّي رَجُلٌ حَرِيصٌ عَلَى الْجِهَادِ وَلَيْسَ أَحَدٌ مِنْ قَوْمِي إِلَّا وَقَدْ لَحِقَ بِالْجِهَادِ - أَوْ قَالَ -: بِالْأَمْصَارِ إِلَّا أَبَوَايَّ، وَإِنَّ أَبَوَايَّ أَوْ أَبِي كَارِهٌ لِذَلِكَ؟ فَقَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ: «لَا يُصْبِحُ رَجُلٌ لَهُ وَالِدَانِ فَيُصْبِحُ وَهُوَ مُحْسِنٌ. قَالَ: قُلْتُ: إِلَيْهِمَا؟ قَالَ: نَعَمْ، إِلَّا فَتَحَ اللَّهُ لَهُ بَابَيْنِ مِنْ أَبْوَابِ الْجَنَّةِ، وَلَا يُمْسِي وَهُوَ مُحْسِنٌ إِلَّا فَتَحَ اللَّهُ لَهُ بَابَيْنِ مِنْ أَبْوَابِ الْجَنَّةِ، وَإِنْ كَانَ وَاحِدًا، وَلَا يُصْبِحُ وَهُوَ مُحْسِنٌ إِلَّا فَتَحَ اللَّهُ لَهُ بَابًا مِنَ الْجَنَّةِ، وَلَا يُمْسِي وَهُوَ مُحْسِنٌ إِلَّا فَتَحَ اللَّهُ لَهُ بَابًا مِنَ الْجَنَّةِ، وَلَا يَغْضَبُ عَلَيْهِ وَاحِدٌ مِنْهُمَا فَيَرْضَى اللَّهُ عز وجل عنه حَتَّى يَرْضَى. قَالَ: قُلْتُ: وَإِنْ كَانَ ظَالِمًا؟ قَالَ: وَإِنْ كَانَ ظَالِمًا». -البر والصلة للحسين بن حرب (١٥)

  • 29 мар.1 203154

    আলহামদুলিল্লাহ, আমাদের প্রাণপ্রিয় “আদ-দা'ওয়াহ আস-সালাফিয়্যাহ” এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট খোলা হয়েছে। সার্বিক সহযোগিতা ও উদ্যোগে ছিলেন আমাদের MiftahCoding পেইজের স্বত্বাধিকারী সম্মানিত Miftahul Islam ভাই। অনেক কষ্ট করেছেন তিনি এই কাজে, কার্যত আমি সময়ই দিতে পারিনি। আল্লাহ ভাইকে উত্তম প্রতিদান দিন, তার চেষ্টা প্রচেষ্টা কবুল করুন, রিজিকে বরকত দিন। ভিজিট করুন: https://dsbd.pages.dev/ সামনে আরো কিছু সংস্কার, সংশোধনী আসবে ইনশাআল্লাহ। আপনাদের সুচিন্তিত মতামত জানাতে পারেন। بارك الله فيكم

  • 8 мар.1 37514

    অতএব, আমাদের উচিত, নির্দিষ্ট কোনো একটা ইবাদতকে বেছে নেওয়া। আমি ব্যক্তিগতভাবে দানের বিষয়ে গুরুত্ব দেই। প্রতিটা খতমের পর কিছু টাকা দান করুন। দশ বিশ টাকা, পঞ্চাশ টাকা, একশো টাকা; যার যেরকম সামর্থ্য আছে সে অনুযায়ী দান করুন। এবং সেটা যথাসম্ভব কুরআন খতমের পরপরই, দেরী করবেন না; তাহলে শয়তান এর মাঝে আপনাকে ওয়াস ওয়াসা দেওয়ার খুবেকটা সুযোগ পাবে না ইনশাআল্লাহ। আল্লাহই তাওফীকদাতা। -ইয়াকুব বিন আবুল কালাম।

  • 8 мар.1 17484

    🚦পবিত্র কুরআন খতম করার পর করণীয়! ▪️ প্রথমত - রমজান মাসে বা অন্য যেকোনো মাসে যখন কোনো বান্দা সম্পূর্ণ কুরআন তিলাওয়াত শেষ করবেন: তখন তার জন্য মুস্তাহাব হলো—নিজের সন্তান (ছেলে ও মেয়ে), পরিবারের সদস্য এবং যাদের তিনি চান ও ভালোবাসেন, তাদেরকে একত্রিত করা। অতঃপর সামর্থ্য অনুযায়ী আল্লাহর কাছে দোয়া করা এবং উপস্থিত সকলে সেই দোয়ায় ‘আমীন’ বলা। কেননা আনাস রাযিয়াল্লাহু আনহু থেকে সহীহ সূত্রে বর্ণিত হয়েছে যে: “তিনি যখন কুরআন খতম করতেন, তখন তার সন্তান ও পরিবারের সদস্যদের একত্রিত করতেন এবং তাদের জন্য দোয়া করতেন।” এটি বর্ণনা করেছেন: সাঈদ বিন মানসুর, দারেমী, ইবনে আবী শাইবা, আবু উবায়দ প্রমুখ। সহীহ বলেছেন: ইমাম নববী, ইবনে হাজার আসকালানী ও আলবানী। এমন আমল সাহাবায়ে কেরামের ছাত্র—তাবেয়ীদের বড় একটি দল থেকেও সহীহভাবে প্রমাণিত। হানাফী, মালেকী, শাফেয়ী এবং হাম্বলী মাযহাবের বহু ফকীহগণও একে মুস্তাহাব বলেছেন। আর যার পক্ষে পরিবার-পরিজনকে একত্রিত করা সম্ভব নয়, তিনি একাকী নিজের জন্য, পরিবারের জন্য এবং যার জন্য ইচ্ছা, তাদের জন্য দোয়া করবেন। ▪️ দ্বিতীয়ত - সাহাবায়ে কেরামের ছাত্র মুজাহিদ এবং আবাদাহ রহিমাহুমাল্লাহ-এর মতো প্রখ্যাত তাবেয়ীদের থেকে বর্ণিত হয়েছে, তারা বলতেন: “বলা হতো যে, কুরআন খতমের সময় দোয়া কবুল হয় এবং খতমের মুহূর্তে রহমত নাজিল হয়।” এটি বর্ণনা করেছেন: ইবনে আবী শায়বাহ, দারেমী, ফিরয়াবী, আবু উবায়দ, ইবনুয যুরায়স প্রমুখ। সহীহ বলেছেন : ইমাম নববী, ইবনে হাজার আসকালানী প্রমুখ। তাবেয়ী মুজাহিদ রহিমাহুল্লাহ আরো বলেন: “তারা (সাহাবীরা) কুরআন খতমের সময় একত্রিত হতেন এবং বলতেন: রহমত নাজিল হচ্ছে।” বর্ণনা করেছেন: ইবনু আবী দাউদ ও অন্যান্যরা। সহীহ বলেছেন: ইমাম নববী, ইবনে হাজার আসকালানী প্রমুখ। ইমাম ইবনে তাইমিয়া রহিমাহুল্লাহ বলেছেন: “সালাফদের একটি দল থেকে বর্ণিত হয়েছে যে: প্রত্যেক কুরআন খতমের সময় কবুল দোয়া রয়েছে।” আল্লামা আলবানী রহিমাহুল্লাহ বলেন: “এটি নির্দেশ করে যে, কুরআন খতমের পরের দোয়া কবুল হওয়ার আশা করা যায়, আর এ বিষয়ে সালাফে সালেহীনদের থেকে অনেক বর্ণনা রয়েছে।” ইমাম আহমদ বিন হাম্বলের ছেলে সালেহ রহিমাহুমাল্লাহ বলেন: “আমার পিতা প্রতি সপ্তাহে একবার কুরআন খতম করতেন। খতম শেষ করে তিনি দোয়া করতেন আর আমরা তার দোয়ায় ‘আমীন’ বলতাম।” ▪️ তৃতীয়ত - তাবেয়ী আব্দুর রহমান ইবনুল আসওয়াদ রহিমাহুল্লাহ থেকে সহীহ সূত্রে বর্ণিত, তিনি বলেন: “আমরা শুনতাম যে, কুরআন খতমকারীর ওপর সালাত পাঠ করা হয়।” অর্থাৎ, ফেরেশতারা তার জন্য ক্ষমা ও রহমতের দোয়া করেন। বর্ণনা করেছেন: ইবনু আবী শায়বাহ, ইবনুল মোবারক, ফিরয়াবী প্রমুখ। আরো অনেক সালাফ থেকেই এরকম বর্ণনা আছে, যার কিছু সামনে আসবে। ▪️ চতুর্থত - যারা দিনে কুরআন খতম করতে চান, তাদের জন্য সর্বোত্তম সময় হলো: “দিনের শুরু” অর্থাৎ সুবহে সাদিকের উদয়ের সময় বা আজানের সময় থেকে এই সময়ের শুরু। আর যারা রাতে খতম করতে চান, তাদের জন্য সর্বোত্তম সময় হলো: “রাতের শুরু” অর্থাৎ সূর্যাস্ত বা মাগরিবের আজান থেকে এই সময় শুরু। এর কারণ হলো: যাতে ফেরেশতাদের দোয়া দীর্ঘ সময় পর্যন্ত পাওয়া যায়। কারণ তাবেয়ীদের থেকে বর্ণিত হয়েছে: “যদি কোনো ব্যক্তি দিনে কুরআন খতম করে, তবে সন্ধ্যা পর্যন্ত ফেরেশতারা তার জন্য দোয়া করতে থাকে। আর যদি রাতে খতম করে, তবে সকাল পর্যন্ত ফেরেশতারা তার জন্য দোয়া করতে থাকে।” এটি দারেমী, আবু উবায়দ, ইবনুয যুরায়স প্রমুখ বর্ণনা করেছেন। ইবরাহীম আত-তাইমী রহিমাহুল্লাহ বলেন: “বলা হতো, কেউ দিনের শুরুতে কুরআন খতম করলে দিনের বাকি অংশ জুড়ে ফেরেশতারা তার জন্য দোয়া করতে থাকে। একইভাবে রাতের শুরুতে কেউ কুরআন খতম করলে রাতের বাকি অংশ জুড়ে ফেরেশতারা তার জন্য দোয়া করতে থাকে। এজন্যই তারা (সাহাবীরা) দিনের শুরুতে বা রাতের শুরুতে কুরআন খতম করা পছন্দ করতেন।” বর্ণনা করেছেন: আবু উবায়দ, ইবনুয যুরায়স প্রমুখ। ▪️ পঞ্চমত - কুরআন খতমের জন্য নবী কারীম ﷺ বা সাহাবায়ে কেরাম থেকে নির্দিষ্ট কোনো বিশেষ দোয়ার শব্দ প্রমাণিত নেই। তাই, বান্দা তার মনে যা আসে এবং যা পছন্দ করে, সেভাবেই সেই দোয়াগুলো করবে। আর বর্তমানে বিভিন্ন মুসহাফের শেষে বা লিফলেটে বা ছোট (দোয়া সংক্রান্ত) পুস্তিকায় “কুরআন খতমের দোয়া” নামে যে নির্দিষ্ট দোয়াটি লেখা থাকে, তা নবী ﷺ, সাহাবা, সালাফে সালেহীন অথবা প্রথম যুগের ফিকহ, হাদীস বা কিরাআতের ইমামদের থেকে বর্ণিত নয়। ✍️শায়খ আব্দুল কাদের জুনাইদ হাফিযাহুল্লাহ। 🌹অনুবাদকের নোট: কুরআন খতম করতে পারা অনেক বড় একটি নিয়ামত। এজন্যই ইবনু উমার রাযিয়াল্লাহু আনহু যেদিন কুরআন খতম করতেন সেদিন শুকরিয়া স্বরূপ রোজা রাখতেন। কেউ কেউ আবার মিসকীনকে খাওয়াতেন। কেউ কিছু দান করতেন। সালাফে সালেহীন থেকে এরকম আরো বর্ণনা পাওয়া যায়।

  • 18 февр.1 033133из dawahsalafiyyahbd

    মাহে রমজানে কুরআন খতম করার সহজ পদ্ধতি: ১) একবার শেষ করতে চাইলে প্রতি ফরজ নামাজান্তে মাত্র চার পৃষ্ঠা করে তেলাওয়াত করুন। ২) দুইবার শেষ করতে চাইলে প্রতি ফরজ নামাজান্তে মাত্র আট পৃষ্ঠা করে তেলাওয়াত করুন। ৩) তিন বার শেষ করতে চাইলে ১২ পৃষ্ঠা করে তেলাওয়াত করুন। প্রতি ফরজ নামাজান্তে সমস্যা মনে হলে কোনো এক ওয়াক্তে জমা করে নিন, কিন্তু রমজান যেন কুরআন পরিপূর্ণ পঠন ছাড়া চলে না যায়। পাশাপাশি দৈনিক দুই চার লাইন করে মুখস্থ করার উপর জোর দিন। তালেবে ইলমদের জন্য তো একবার দুইবারের হিসেবই আসবে না, অনেক বার পড়তে হবে। মুখস্থ করার কোশেশ করতে হবে। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা'আলা আমাদেরকে কুরআনের আহল হওয়ার তাওফীক দিন।

  • 16 февр.1 202138

    প্রশ্ন: রমজান মাসে পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত থেকে আমি কীভাবে উপকৃত হতে পারি? উত্তর: ইনশাআল্লাহ, আপনার কোরআন তিলাওয়াত তখনই ফলপ্রসূ হবে যখন আপনি আপনার নিয়তকে একনিষ্ঠ করবেন এবং রাসূলুল্লাহ ﷺ যেভাবে কোরআন তিলাওয়াত করতেন, ঠিক সেভাবে তিলাওয়াত করতে আগ্রহী হবেন। (আশা করা যায়) আল্লাহ তাআলা নিচের বিষয়গুলোর মাধ্যমে আপনার জন্য কোরআনের অর্থ অনুধাবন ও গবেষণার (تدبر) দ্বার উন্মুক্ত করে দেবেন: প্রথমত: আপনার অন্তরকে শিরক ও পাপাচারের কলুষতা থেকে মুক্ত করা। কারণ, পবিত্র কোরআন কেবল পবিত্র ব্যক্তিই স্পর্শ করতে পারে—তা বাহ্যিক পবিত্রতা হোক বা আত্মিক। যে অন্তরে শিরক বা পাপাচারের কালিমা রয়েছে, সে অন্তরে কোরআনের গূঢ় রহস্য ধরা দেয় না। আর যেভাবে ফেরেশতারা কুকুর বা ছবি থাকা কোনো ঘরে প্রবেশ করেন না, ঠিক তেমনি কোরআনের মর্মার্থের নূর সেই অন্তরে প্রবেশ করে না যেখানে কুপ্রবৃত্তিরূপী কুকুর এবং লালসারূপী ছবি বিদ্যমান থাকে। দ্বিতীয়ত: কোরআনের অর্থ জানার প্রতি সবিশেষ গুরুত্ব দেওয়া; অন্তত একটি সংক্ষিপ্ত তাফসীর গ্রন্থের সাহায্যে হলেও। যেমন—ইমাম বাগাভী বা ইবনে কাসীরের তাফসির, অথবা মুতাআখখিরীনদের মধ্যে ইবনে সাদীর ‘তাইসীরুল কারীমির রহমান’। কারণ, আয়াতের অর্থ জানাই হলো সঠিক ভাবগাম্ভীর্য ও মর্ম উপলব্ধির একমাত্র পথ। তৃতীয়ত: কোরআন পড়ার সময় আপনার মূল লক্ষ্য যেন কেবল সূরা শেষ করা না হয়। যখনই আপনি কোনো সম্বোধন—‘হে মুমিনগণ!’ (يا أيها الذين آمنوا)—পাবেন, সেখানে থেমে যান এবং আপনার হৃদয় ও বিবেক দিয়ে তা নিয়ে চিন্তা করুন। কারণ এর মাধ্যমে আল্লাহ হয় আপনাকে কোনো কল্যাণের আদেশ দিচ্ছেন, না হয় কোনো মন্দ কাজ থেকে বারণ করছেন। কিছু আলেম কোরআন পড়ার সময় সাথে একটি ছোট ডায়েরি/নোট রাখতেন। তিলাওয়াতের সময় আল্লাহ তাদের অন্তরে কোরআনের যে বিশেষ অর্থ বা শিক্ষা ইলহাম করতেন, তারা তা সেখানে লিখে রাখতেন। অথবা পড়ার সময় মনে কোনো প্রশ্ন জাগলে তা টুকে রাখতেন, যেন পরবর্তীতে তাফসিরের কিতাব থেকে তার উত্তর খুঁজে বের করতে পারেন। এই পদ্ধতিটি অত্যন্ত ফলপ্রসূ। পরিশেষে, একজন মুসলিমের উচিত আল্লাহর কাছে প্রচুর পরিমাণে এই দোয়া করা—যেন আল্লাহ তাকে কোরআন শেখান, তার সমঝ দান করেন এবং সেই অনুযায়ী আমল করার তাওফীক দেন। কারণ, যে ব্যক্তি নিজের জানা ইলম অনুযায়ী আমল করে, আল্লাহ তাকে এমন বিষয়ের জ্ঞান দান করেন যা সে জানত না। আর আল্লাহই একমাত্র তাওফীদাতা। ✍️শায়খ মুহাম্মাদ বিন উমার বাযমূল হাফিযাহুল্লাহ।

  • লায়লাতুল কদর অন্বেষণ: স্পষ্টতার কিছু দিক লায়লাতুল কদর শেষ দশকের বিজোড় রাত্রিগুলোতে। আর এই বিজোড় রাতের হিসাব: ক) কখনো মাসকে ২৯ দিন ধরে করা হয়। সে হিসেবে বিজোড় রাতগুলো হলো: ২১ এর রাত, ২৩ এর রাত, ২৫ এর রাত, ২৭ এর রাত এবং ২৯ এর রাত। খ) আবার কখনো ৩০ দিন…

  • 15 февр.1 11032

    ৯) ফিতরা দেওয়া। গরীবদের জন্য এই ফিতরার ব্যবস্থা ইসলামী শরীয়তের অন্যতম সৌন্দর্যের দৃষ্টান্ত। তারাও যাতে করে ঈদের সময়টাতে আনন্দ করতে পারে, নিজেদের ইচ্ছামত ভালো কিছু খেতে পারে, তার একটা সুন্দর ব্যবস্থাপনা। রমজান শেষ হওয়ার দুইদিন আগে থেকে দেওয়া বৈধ, যদিও ঈদের দিন সকাল বেলা দেওয়া অতি উত্তম। আর এই উত্তমতার জন্যই মূলত খাদ্যদ্রব্য দিয়ে ফিতরা দেওয়ার কথা এসেছে। আরো অনেক বিষয়ই থাকতে পারে, আছে। কিন্তু অতি সংক্ষেপে দৃশ্যমান কয়েকটি পয়েন্ট নিয়ে আসলাম। খতীব সাহেবরা চাইলে এসব বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করতে পারেন। ইসলামের সৌন্দর্য মানুষের সামনে তুলে ধরুন, শুধু বৈজ্ঞানিক উপকারীতা বলার মাঝে সীমাবদ্ধ থাকা ঠিক নয়। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা'আলা আমাদের রমজানকে বরকতময় করুন, সুস্থ শরীরে ও দৃঢ় ঈমান নিয়ে যেন রোজা রাখতে পারি, আখিরাতি জিন্দেগির উত্তম পাথেয় বানিয়ে দিন। আমীন। ✍️ ইয়াকুব বিন আবুল কালাম।

  • 🌹রমজানে আল্লাহর নেয়ামতের বহিঃপ্রকাশ (من مظاهر نعم الله في رمضان): মাহে রমজান একদম দরজায় কড়া নাড়ছে। ভালোমতো মানসিক ও শারীরিক প্রস্তুতি নেওয়ারও আর বুঝি সুযোগ হয়ে উঠবে না। প্রতি বছর আসে যায়, তবুও এর মহত্ত্ব আমাদের চোখে ধরা পড়ে না। আজকে আমি অতি সংক্ষেপে রমজানকে কেন্দ্র করে আল্লাহর দেওয়া কিছু নিয়ামত তুলে ধরতে চাই, যেগুলো নিয়ে চিন্তা করলেই মুমিন মনে আনন্দের ঢেউ জাগবে এবং ইবাদতে মশগুল হতে উদ্বুদ্ধ করবে ইনশাআল্লাহ। প্রায় সবগুলোই পরিচিত বিধায় দলীলের সারাংশ তুলে ধরছি: ১) শয়তানকে বেঁধে রাখা। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা'আলা আমাদের আত্মশুদ্ধি সহজ করণার্থে রমজান মাস শুরু হতেই শয়তানকে বেঁধে রাখেন। যাতে করে আমরা শুধু নিজেদের নফসকে কাবু করার কাজে নজর দিই, কারণ নফসকে বাহির থেকে কেউ ফুসলানোর থাকছে না। এই সুযোগ যথাযথভাবে কাজে লাগানোর সর্বোচ্চ কোশেশ করতে হবে। ২) ওমরাহ করলে হজের সওয়াব লাভ। যেমনটা হাদীসে এসেছে, العمرة في رمضان تعدل حجة রমজানে ওমরা করলে হজের সওয়াব। (বুখারী/১৮৬৩; মুসলিম/১২৫৬) এজন্য এই সময়ে ওমরা করতে সচেষ্ট হওয়া উচিত, যাদের জন্য সম্ভব। যাদের সামর্থ্য নেই তারা আল্লাহর কাছে দোয়া করবেন বেশি বেশি। জেনে রাখুন, মুমিনদের জীবনে খাস নিয়ত ও দোয়ার অনেক উপকার আছে। ৩) তারাবীহতে বসে নামাজ পড়ার সুযোগ। রমজানে নফল নামাজের বড় গুরুত্ব রয়েছে। তারাবীহর বিষয়টা এজন্যই খুব গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু খেয়াল রাখতে হবে, তারাবীহ নামাজ নফল ও মুস্তাহাব ইবাদত। ফরজ নামাজ বাদ দিয়ে শুধুই তারাবীহ নিয়ে বেশি ব্যস্ত হয়ে গেলে বুঝতে হবে ডাল মে কুচ কালা হ্যায়। যাইহোক, তারাবীহ নামাজ দীর্ঘ হলে অনেকেই দাঁড়িয়ে থাকতে পারেন না, তারা ইচ্ছা করলে তাকবীরে তাহরীমা দাঁড়িয়ে থেকে দিয়ে বসে পড়তে পারেন এবং রুকুর আগ মুহূর্তে দাঁড়িয়ে যাবেন আবার। এই বিধান সারা বছর জুড়েই নফল নামাজের জন্য প্রযোজ্য। কিন্তু রমজানে বেশি প্রয়োজনীয় বিধান এটা, যেহেতু আমরা বেশিরভাগই সারা বছর তাহাজ্জুদে অভ্যস্ত নই। ৪) দোয়া কবুল হওয়ার অবস্থা। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা'আলা রমজান মাসে আসমানের দরজা খুলে দেন দোয়া খুব দ্রুত কবুল করার জন্য, যদিও আল্লাহ আলীমুন কদীর। তাছাড়াও রোজাদার ইফতার করার আগ পর্যন্ত দোয়া কবুলের মুহলতে থাকেন। অতএব এই সময়ে বেশি বেশি দোয়া করতে হবে। দুনিয়া ও আখেরাতের সব কল্যাণ চাইতে হবে। ৫) লায়লাতুল কদর। এই রাতের ফজিলত সুবিদিত, আলাদা করে বলার কিছু নেই। তবে শেষ দশকের সব রাতেই এটি হবার সম্ভাবনা রয়েছে, সবগুলোই বিজোড় রাত। মাসের শুরু থেকে হিসেব করলে ২১, ২৩ এইভাবে আর শেষের দিক থেকে হিসেব ২০, ২২ এইভাবে রাতের হিসেব হবে। কমেন্টে এ সম্পর্কে আগের লেখা একটি পোস্ট লিঙ্ক দিচ্ছি ইনশাআল্লাহ। তবে এই রাতে তিন ধরনের আমলেরই কেবল ফজিলত বর্ণিত হয়েছে, অন্য কোনো আমলের ফজিলত বর্ণিত হয়নি: ক. বেশি বেশি নফল সালাত আদায় করা, খ. দোয়া করা বেশি বেশি, বিশেষ করে যে দোয়াটি বর্ণিত হয়েছে। গ. ইতিকাফের জন্য হলেও মসজিদে থাকা। [এই তিনটি পয়েন্ট শায়খ আব্দুস সালাম আশ-শুয়াইইর হাফিযাহুল্লাহ উল্লেখ করেছেন ‘উমদাতুল ফিকহ’ গ্রন্থের ব্যাখ্যায়] ৬) সাহরীতে বরকত রাখা। যেসব সময়ের খাবারে বরকত আছে বলা হয়েছে, তন্মধ্যে অন্যতম হলো সাহরী খাওয়া। সাহরী বলা হয় রাতকে ছয় ভাগে ভাগ করলে একদম শেষের ভাগকে। অর্থাৎ আজানের সময় খেয়াল রেখে তার আগে যত দেরিতে খাওয়া যায় তত ভালো। হালকা করে হলেও সাহরী খান, শুধু বরকতের জন্য হলেও খান। গভীর রাতে বাড়ি ফিরলেও এই খাবার মিস না করার চেষ্টা করুন। ৭) কাউকে ইফতার করালে তার রোজা রাখার সমপরিমাণ সওয়াব লাভ। অর্থাৎ, আপনি যদি আপনার পরিচিত কাউকে ডেকে ইফতার করান, তাহলে ঐ ব্যক্তির সওয়াব সমপরিমাণ আপনিও সওয়াব পাবেন। এজন্যই পরিবারের অভিভাবকদের এখন নিয়তে পরিশুদ্ধতা আনতে হবে। পরিবারকে উত্তম ভাবে ইফতার করালেও অন্যদের সওয়াব তিনি পাবেন। একইভাবে গৃহিণীরা খাবার প্রস্তুত করার সময় নিজেদের এই কষ্টের জন্য আল্লাহর কাছে খাস নিয়ত করবেন। জেনে রাখবেন, নিয়ত যেমনভাবে একটি ইবাদতকে আরেক ইবাদত থেকে পৃথক করে, তেমনিভাবে মানুষের ভালো অভ্যাসকেও ইবাদতে রূপান্তর করে দিতে পারে। ৮) দান সদাকা, যাকাত দেওয়া। রাসূল ﷺ এই মাসে বেশি বেশি দান সাদাকা করতেন। সাহাবীগণ তাদের যাকাতকে এই মাসে দেওয়ার চেষ্টা করতেন, এমনকি কারো নিসাবের এক বছর পূরণ হতে কয়েক মাস বাকি থাকলেও তিনি এই সময় অগ্রিম দিয়ে দিতেন। সালাফদের থেকে এ বিষয়ে যেমন আমল বর্ণিত হয়েছে তেমনি বিভিন্ন কওলও বর্ণিত হয়েছে।

  • আমার মনে হয়, অর্থনীতির বাজারে যেমন ঋণখেলাপি আছে, আমাদের বইয়ের জগতে তেমনি ওয়াদা খেলাপী আছে। মানে কথা দিয়ে কথা রাখা সম্ভব হয় না। “অতিসত্বর” শব্দটার অর্থ তখন দীর্ঘ হয়। যাইহোক আমাদের আসন্ন বই ইনশাআল্লাহ এটা। ক্রসচেকিং প্রাথমিকভাবে শেষ। আশা করি সবাইকে উপকৃত করবে। তবে আমরা ভূমিকায় রাসূলের যুগ থেকে নিয়ে আধুনিক যুগের আগ পর্যন্ত শিক্ষাক্রমের ধারা উল্লেখ করার চেষ্টা করছি ইনশাআল্লাহ। যাতে একজন পাঠকের জন্য বইয়ের নামে থাকা প্রশ্নের উত্তর খুঁজে পেতে সহজ হয়। সবার কাছে দোয়া প্রার্থী। আল্লাহ তাওফীক দিন, সহজ করুন এবং কবুল করুন। -ইয়াকুব বিন আবুল কালাম।

  • 9 февр.2 016934

    অতিসত্বর আসতে চলেছে ইনশাআল্লাহ, দোয়া করবেন সবাই

  • 28 янв.2 05952

    তোমার এটা বলা ঠিক নয় যে: আমি যেটা বলছি তার দলীল আমার কাছে আছে। আমি কোনো আলেমের কথা মানতে বাধ্য নই; কারণ, আলেমরা তো সবাই (মাসয়ালা) প্রত্যাখ্যানকারী ও প্রত্যাখ্যাত উভয়টিই হতে পারে!! এটা কেন ঠিক নয়? কারণ, নিম্নোক্ত বিষয়গুলো ছাড়া কোনো প্রমাণ দলীল হিসেবে গণ্য হবে নাঃ ১) দলীলটি স্পষ্ট হতে হবে। ২) এর থেকে মাসয়ালা নির্ণয়ে তোমার সালাফ কেউ থাকতে হবে, সেটা সরাসরি এই (তোমার উদ্দিষ্ট) মাসয়ালা হোক বা তাদের নির্ণয়ের মানহাজে হোক। ৩) এখান থেকে তোমার মাসয়ালা নির্ণয় যেন পূর্ববর্তী মুমিনদের মতামতের বাইরে না হয়। (এই সবগুলোর সমন্বয়েই কেবল কোনো দলীল প্রমাণযোগ্য হতে পারে) এখান থেকেই তুমি বুঝতে পারছ যে, পূর্বোক্ত তোমার কথাটি বিশুদ্ধ নয়। আর এই অর্থেই বলা হয়, আলেমরা সবাই (মাসয়ালা) প্রত্যাখ্যানকারী ও প্রত্যাখ্যাত উভয়টিই হতে পারে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ব্যতীত। আল্লাহ (বোঝার) তাওফীক দিন। ✍️শায়খ মুহাম্মাদ বিন উমার বাযমূল হাফিযাহুল্লাহ। https://t.me/dawahsalafiyyahbd

  • 25 янв.1 480154

    🚦 পিতা-মাতার সাথে সদ্ব্যবহারের একটি ধরন “রাতের খাবার তোমার মায়ের সাথে খেয়ে তার চক্ষু শীতল করবে;  এটা আমার কাছে নফল হজের চেয়েও বেশি প্রিয়।” ✍️ এক ব্যক্তিকে দেওয়া হাসান বাসরী রহিমাহুল্লাহর উপদেশ।  📚ইবনুল জাওযী রহিমাহুল্লাহ লিখিত ‘বিররুল ওয়ালিদাইন’, পৃষ্ঠা ৪। (ফটো সংগৃহীত)

  • 23 янв.1 320114

    শায়খ সালেহ আল-উসয়মী হাফিযাহুল্লাহ বলেনঃ “শীতকালে যদি আপনার পেট ভরার মতো খাবার থাকে এবং শীত থেকে বাঁচার মতো গরম পোশাক থাকে, তাহলে আপনার প্রাপ্ত নিয়ামত যেসব মুসলিম পায়নি তাদেরকে দোয়ায় স্মরণ করুন। বলুন: اللهم أطعم جوعى المسلمين و وألبس ضعفاءهم ما يدفئهم অর্থাৎ, হে আল্লাহ, আপনি মুসলিম ক্ষুধার্তদের খাবারের ব্যবস্থা করুন এবং দূর্বল মুসলিমদের গরম পোশাকের ব্যবস্থা করে দিন।”

  • 23 янв.1 07053

    “জীবনের কর্মব্যস্ততা অন্তরের প্রশান্তি ছিনিয়ে নিচ্ছে। অতএব অন্তরকে ঈমানী শক্তি, প্রিয়জনের সঙ্গ আর শারীরিক স্বস্তির মাধ্যমে জাগরুক রাখতে না পারলে অন্তর: -মনোযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে থাকবে, -অস্বস্তিকর অনুভূতির মাধ্যমে দিন গুজরান করবে, -সংকীর্ণতা ঘিরে ধরবে, -সজীবতা হারাবে। অতএব (সময় থাকতেই) রূহের প্রশান্তি নিশ্চিত করুন।” ✍️শায়খ সালেহ আল-উসায়মী হাফিযাহুল্লাহ।

  • 22 янв.1 10053

    🚦আয়াতুল কুরসির বরকত ও শয়তানের অনিষ্ট থেকে সুরক্ষায় এর ভূমিকা  “একবার শরিফ নাওয়াফের -আল্লাহ তাঁকে হিফাজত করুন ও সালামতে রাখুন- মজলিসে আমরা আয়াতুল কুরসি, এর ফজিলত এবং জিন-শয়তানের হাত থেকে সুরক্ষায় এর প্রভাব নিয়ে আলোচনা করছিলাম। সে সময় তিনি উল্লেখ করেন যে, শরিফ পরিবারেরই তাঁর এক নিকটাত্মীয় এমন একটি দেশে কর্মরত ছিলেন যেখানে জাদুকরদের খুব আনাগোনা ছিল। অফিসের সহকর্মীরা চাইল তাদের জাদুকরী শক্তি পরীক্ষা করে দেখতে। তাই তারা একজন নারী জাদুকরকে অফিসে নিয়ে এল। বর্ণনাকারী বলেন: সেই শরিফ ব্যক্তিটি (আত্মীয়) জাদুকরটি অফিসে আসা মাত্রই মনে মনে বিরামহীনভাবে আয়াতুল কুরসি পাঠ করতে লাগলেন। যখন জাদুকরটি তার জাদুকরী শক্তি প্রদর্শনের প্রস্তুতি নিচ্ছিল, তখন হঠাৎ দেখা গেল সে তার জিনিসপত্র গোছাতে শুরু করেছে এবং চিৎকার করে বলছে: "নবীর বংশধর! নবীর বংশধর!" সেই ব্যক্তি বলেন: "এই ঘটনাটি উপস্থিত সবার সামনেই ঘটেছে। আমি তাদের বললাম—আমি বিশেষ কিছুই করিনি, শুধু নিরবচ্ছিন্নভাবে আয়াতুল কুরসি পাঠ করছিলাম। সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর, যিনি আমাদেরকে তার অনিষ্টতা থেকে হেফাজত করেছেন।" অতএব, (সম্মানিত পাঠকবৃন্দ) আল্লাহ আপনাদের বরকত দান করুন; আপনারা সকাল-সন্ধ্যায় নিয়মিত আয়াতুল কুরসি পাঠ করুন, যেমনটি নবী করীম (সা.)-এর সুন্নাহ ও সকাল-সন্ধ্যার জিকিরে বর্ণিত হয়েছে। এছাড়া প্রতি ফরজ সালাতের পর এবং ঘুমানোর আগে এটি পাঠ করার অভ্যাস করুন। ঠিক যেমনভাবে রাসূল ﷺ এর সুন্নাহতে এসেছে।” ✍️শায়খ মুহাম্মাদ বিন উমার বাযমূল হাফিযাহুল্লাহ। ৩রা শাবান, ১৪৪৭ হিজরী। (২২/০১/২০২৬ ইং)

আদ-দা'ওয়াহ আস-সালাফিয়্যাহ — tgindex