Sazid Hasan
Статистика..অথচ আমার সম্পর্কে আমি যা জানি তা যদি তোমরা জানতে, তবে আমাকে মাটিতে পুঁতে ফেলতে চাইতে।
- Последний пост
- 11 авг.
- Последнее чтение
- 14 авг.
- Постов за неделю
- 1
- Всего постов
- 20
- Тип
- открытый
- Язык
- bn
- В каталоге с
- 13 авг.
- 1/24сутки в ленте
- 56
- 1/48двое суток
- 64
- 1/72трое суток
- 69
Оценка по просмотрам недавних постов: пост набирает почти всё за первые сутки.
Посты
উত্তর: স্বামীর সাথে থাকবেন সবসময়ই। থাকার চেষ্টা করবেন।।
এই প্রশ্নের উত্তর দিতে দিতে আমি ক্লান্ত।।
প্রশ্ন করুন, লিখুন https://chithi.me/Sazid_Hasan এ
পুরুষদের চরিত্র খারাপ হলেই যে ২য় বিয়ে করতে চায় এই কথাটা ভুল।অধিকাংশ লোকই (জানা মতে) কৌতুহলে এমন টা করতে চায় তবে না করাই উত্তম কেননা ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করা সবার দ্বারা সম্ভব না।আমরা স্ত্রী তো পরের বিষয় কারো হকই আদায়ে তৎপর নই।বিয়ে করার জন্য যেমন সামর্থ্য প্রয়োজন, না থাকলে সিয়াম সবর আবশ্যক, একাধিক বিয়ের ক্ষেত্রেও তাই।আমার ব্যক্তিগত মত যে আল্লাহর হক আদায়ে সচেষ্ট তার ব্যতীত অন্যদের এ থেকে দূরে থাকা উচিত। আপনার প্রতি পরামর্শ -কারো একমাত্র স্ত্রী হবার দিকে মনোনিবেশ করুন।
হাসান আল-বসরী রাহিমাহুল্লাহ বলেন- "যে তোমাকে পরিত্যাগ করেছে, তার সাথে পুনরায় বন্ধুত্বের বা সহচর্যের সম্পর্ক গড়ে তুলো না; কেননা যে ব্যক্তি একবার তোমার সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করতে পেরেছে, সে অত্যন্ত সহজেই তা আবারও করতে পারবে।" 📚~(হিলয়াতুল আওলিয়া ওয়া তবাকাতুল আসফিয়া-২য় খণ্ড, ১৩৯ পৃষ্ঠা) সংগৃহীত
প্রশ্ন: "যে ব্যক্তি তার ফরজ দায়িত্বসমূহ যথাসময়ে পালন করে, সে কি অবসর সময়ে ফুটবল খেলতে বা ফুটবল খেলা দেখতে পারে?" উত্তর: শাইখ আব্দুল্লাহ ইবন হুমাইদ (রহিমাহুল্লাহ) (সাবেক ইমাম ও খতিব, মসজিদুল হারাম; সাবেক প্রধান, উচ্চ বিচার পরিষদ, সৌদি আরব) বলেন: "এতে কোনো অসুবিধা নেই, যতক্ষণ ফুটবল তোমাকে তোমার কোনো ফরজ দায়িত্ব থেকে গাফেল না করে; তুমি তোমার আওরাহ (শরিয়ত অনুযায়ী আবৃত রাখার অংশ) ঢেকে রাখো; মসজিদে মুসল্লিদের সঙ্গে জামাআতে নামাজ আদায় বাদ না পড়ে; এবং এটি তোমার কোনো দায়িত্ব পরিত্যাগের কারণ না হয়। সুতরাং, ইনশাআল্লাহ, এ ক্ষেত্রে আমি কোনো সমস্যা দেখি না। আর সকল বিষয়ে পরিপূর্ণ জ্ঞান একমাত্র আল্লাহরই।" httpswwwfatwa-onlinecom/the-conditions-for-watching-playing-football/
শাইখ আল-আলবানী (রহ.) বলেন: "ফুটবলের ব্যাপারে আমি এটিকে অর্থহীন (নিরর্থক) মনে করি না; হারাম তো বলিই না। তবে এর জন্য এমন কিছু শর্ত রয়েছে, যা আলেমদের কাছে সুস্পষ্ট। শর্তগুলোর একটি হলো—পোশাক অবশ্যই শরিয়তসম্মত হতে হবে। এমন পোশাক পরা যাবে না যা শরীরের আবৃত রাখার আবশ্যক অংশ (আওরাহ) প্রকাশ করে। অধিকাংশ ফুটবল খেলোয়াড় এবং অন্যান্য ক্রীড়াবিদ এ ভুলে পতিত হয়। আরেকটি শর্ত হলো—খেলা যেন নামাজের সময়ে না হয়, যার ফলে নামাজ ছুটে যায় বা জামাআতের সঙ্গে নামাজ আদায় করা বাদ পড়ে। যদি এসব খেলাধুলা শরিয়তের নির্ধারিত সীমার মধ্যে থাকে, তাহলে এগুলোকে নিন্দনীয় বা অনর্থক বিনোদন হিসেবে গণ্য করা হবে না। বরং এ ক্ষেত্রে এগুলো মুসলিমের শরীরকে শক্তিশালী করার একটি উপায় হিসেবে বিবেচিত হবে।"
ইমাম শাফিঈ (রহিমাহুল্লাহ) বলেছেন: "যাকে ন্যায়সঙ্গত কারণে রাগান্বিত করা হয়, অথচ সে রাগান্বিত হয় না, সে যেন একটি গাধা। আর যাকে মীমাংসা ও পুনর্মিলনের প্রস্তাব দেওয়া হয়, কিন্তু সে তা গ্রহণ করতে অস্বীকার করে, সে যেন একটি শয়তান।" সিয়ার আ'লাম আন-নুবালা (১০/৪২)
ইমাম আহমাদ ইবনে হাম্বাল ( رحمه الله ) যখন শুনতেন যে কারো কন্যাসন্তান আছে- তখন তিনি বলতেন: ‘অভিনন্দন! কারণ নবীগণ অধিকাংশই কন্যার পিতা ছিলেন।’ [সিয়ারু আ’লামিন-নুবালা: ৯/৪৩৪-৫৩৭]
без подписи
ওয়ালাইকুম আসসালাম। আপনার মায়ের জন্য আপনি অবশ্যই জান্নাতের দোয়া করতে পারবেন। আসলে আত্মহত্যা করা অনেক বড় গুনাহ হলেও এর কারণে কেউ কাফের হয়ে যায় না, সে মুসলমানই থাকে। আর যেকোনো মুসলমানের জন্য দান-খয়রাত ও দোয়া করা জায়েজ। সহীহ মুসলিমের একটি হাদিসে এসেছে, রাসূলুল্লাহ…
ওয়ালাইকুম আসসালাম। আপনার মায়ের জন্য আপনি অবশ্যই জান্নাতের দোয়া করতে পারবেন। আসলে আত্মহত্যা করা অনেক বড় গুনাহ হলেও এর কারণে কেউ কাফের হয়ে যায় না, সে মুসলমানই থাকে। আর যেকোনো মুসলমানের জন্য দান-খয়রাত ও দোয়া করা জায়েজ। সহীহ মুসলিমের একটি হাদিসে এসেছে, রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর সময়ে এক ব্যক্তি হিজরত করে মদীনায় আসার পর অসুস্থতা সহ্য করতে না পেরে আত্মহত্যা করেছিলেন। পরে সাহাবী তুফায়েল বিন আমর (রা.) তাকে স্বপ্নে খুব ভালো অবস্থায় দেখেন, শুধু তার হাত দুটি ঢাকা ছিল। লোকটি জানায় যে, হিজরত করার কারণে আল্লাহ তার হাত দুটি ছাড়া সব অপরাধ ক্ষমা করে দিয়েছেন। নবী করীম (সা.) এই ঘটনা শুনে আল্লাহর কাছে দোয়া করায় তার হাত দুটিও পরে ভালো হয়ে যায়। অনেকে মনে করেন আত্মহত্যাকারী চিরকাল জাহান্নামে থাকবে। তবে ইমাম নববী (রহ.) এর ব্যাখ্যায় বলেছেন, এখানে 'চিরকাল' বলতে আসলে খুব দীর্ঘ সময় বোঝানো হয়েছে, চিরস্থায়ী নয়। অর্থাৎ সে দীর্ঘ সময় শাস্তি ভোগ করার পর একসময় জান্নাতে যাবে।চিরস্থায়ী শাস্তি শুধু তার জন্য,যে আত্মহত্যাকে হালাল মনে করে কাফের হয়ে মারা যায়।
২টি মত প্রচলিত। তবে বর্তমানে আমার কাছে যে মত শক্তিশালী লাগে তা হলো ‘হ্যা’ আর আপনারা চাইলে আমাদের মাদ্রাসায় ও যাকাত দিতে পারেন
যদিও অনেকে আমলের কথা বলে বাট সত্য হলো খুব কমই আমলের জন্য করে।অধিকাংশ ই চরিত্র রক্ষার্থে করতে চায়।আর এটা বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে মেয়েদের ঐভাবে মানসিকতা তৈরি হয়নি বিধায় তারা কখনো মেনে নিতে পারে না
ওয়ালাইকুম আসসালাম। পরিবেশ ও পরিস্থিতির সাথে তাল মিলিয়ে চলা বা আমল করা নিয়ে আপনার করা প্রশ্নগুলো বেশ গুরুত্বপূর্ণ। এ বিষয়ে আমার অবস্থানটি পরিষ্কার করছি: প্রথমত, বিদ’আতীদের সাথে ওঠাবসা বা মেলামেশা করার বিষয়টি ঢালাওভাবে দেখা ঠিক হবে না। দ্বীনি স্বার্থে বা দাওয়াতের…
ওয়ালাইকুম আসসালাম। পরিবেশ ও পরিস্থিতির সাথে তাল মিলিয়ে চলা বা আমল করা নিয়ে আপনার করা প্রশ্নগুলো বেশ গুরুত্বপূর্ণ। এ বিষয়ে আমার অবস্থানটি পরিষ্কার করছি: প্রথমত, বিদ’আতীদের সাথে ওঠাবসা বা মেলামেশা করার বিষয়টি ঢালাওভাবে দেখা ঠিক হবে না। দ্বীনি স্বার্থে বা দাওয়াতের প্রয়োজনে অথবা সামাজিক ও পারিবারিক দায়বদ্ধতা থেকে মেলামেশা করা আর তাদের ভ্রান্ত আকিদাকে সমর্থন করা এক বিষয় নয়। শায়খুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়্যাহ (রাহ.)-সহ অনেক সালাফী আলেম দাওয়াতের স্বার্থে এবং বৃহত্তর ফিতনা এড়াতে হিকমতের সাথে মেলামেশা করার অনুমোদন দিয়েছেন। দ্বিতীয়ত, পরিবেশের সাথে তাল মিলিয়ে আমল করা কোনো নতুন নীতি নয়। এটাকে সালাফদের পরিভাষায় 'মাসলাহা' বা বৃহত্তর কল্যাণ বিবেচনা করা বলা হয়। ইমাম ইবনু তায়মিয়্যাহ (রাহ.) এবং বর্তমান সময়ের বড় বড় সালাফী স্কলারদের মতে, যদি কোনো সুন্নাহ পালন করতে গিয়ে বড় ধরণের ফিতনা বা দাঙ্গা-হাঙ্গামা সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা থাকে, তবে সাময়িকভাবে সেই সুন্নাহর আমলটি স্থগিত রাখা বা পরিস্থিতি অনুযায়ী আমল করা জায়েজ। রফউল ইয়াদাইন একটি সুন্নাহ, কিন্তু এটি ফরয বা রুকন নয়।
ওয়ালাইকুম আসসালাম। অনলাইনে শাইখদের নিয়ে এই যে ট্যাগিং কালচার বা কাদা ছোড়াছুড়ি চলছে, এটা আসলে খুবই দুঃখজনক। এই কাজগুলো যারা করে, তাদের অধিকাংশেরই কোনো প্রাতিষ্ঠানিক দ্বীনি শিক্ষা নেই এবং মাঠপর্যায়ে দাওয়াতি কাজের বাস্তব অভিজ্ঞতাও তাদের নেই। তারা শুধু শাইখদের হাজারো ঘণ্টার আলোচনা থেকে নিজেদের পছন্দমতো দু-একটা কথা কাটছাঁট করে উপস্থাপন করে ফিতনা সৃষ্টি করার চেষ্টা করে। শাইখ মানজুরে এলাহী, শাইখ সাইফুল্লাহ এবং ড. আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া হাফিজাহুল্লাহ—তাঁরা সবাই আমাদের দেশের সালাফী দাওয়াতের বড় সম্পদ। ইলমি মহলে বা ইজতিহাদী বিষয়ে তাঁদের মধ্যে মতপার্থক্য থাকতেই পারে, কিন্তু তার জন্য ঢালাওভাবে কাউকে 'ইখওয়ানি' বা 'সুরুরী' বলে বাতিল করে দেওয়াটা চরমপন্থা ছাড়া আর কিছুই নয়। আমাদের মানহাজ হওয়া উচিত দলীলভিত্তিক, কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে কেন্দ্র করে অন্ধ আনুগত্য বা বিদ্বেষ লালন করা সালাফে সালেহীনদের আদর্শ নয়। তাই এসব 'কীবোর্ড ওয়ারিয়রদের' কথায় কান না দিয়ে মূলধারার আলেমদের ইলম থেকে উপকৃত হওয়া এবং নিজের আমল সংশোধনেই আমাদের মনোযোগ দেওয়া উচিত। আল্লাহ আমাদের সবাইকে সঠিক বুঝ দান করুন।
উত্তর হচ্ছে: ফিতনাহ বাজ
ওয়ালাইকুম আসসালাম ওয়া রহমাতুল্লাহ। আপনার প্রশ্নের উত্তর হলো—হ্যাঁ, আপনার পক্ষ থেকে আপনার মা যাকাত আদায় করে দিলে তা অবশ্যই জায়েজ হবে, ইনশাআল্লাহ। তবে এক্ষেত্রে একটি শর্ত রয়েছে। সালাফী ও জুমহুর ওলামাদের মতে এর বিধান নিম্নরূপ: ১. অনুমতি প্রয়োজন: যাকাত একটি ইবাদত। তাই আপনার মা যখন আপনার হয়ে যাকাত দেবেন, তখন আপনার অনুমতি বা নিয়ত থাকতে হবে। আপনি যদি তাকে অনুমতি দেন যে "আমার স্বর্ণের যাকাত তুমি দিয়ে দিও", তবেই সেই যাকাত আদায় হয়ে যাবে। ২. মালিকানা কার: যেহেতু স্বর্ণের মালিক আপনি, তাই যাকাত দেওয়ার মূল দায়িত্ব আপনারই ছিল। কিন্তু মালিকের সম্মতিতে অন্য কেউ (যেমন: মা, বাবা বা স্বামী) যদি সেই যাকাত দিয়ে দেয়, তবে মালিক সেই দায়িত্ব থেকে মুক্ত হয়ে যান। ৩. সামর্থ্যের অভাব: আপনার এবং আপনার স্বামীর এখন সামর্থ্য কম হওয়ায় আপনার মা যদি আপনাকে সাহায্য করার জন্য এই যাকাত দিয়ে দেন, তবে এটি তার পক্ষ থেকে আপনার প্রতি একটি বড় ইহসান বা দয়া। এতে আপনার যাকাত আদায় হয়ে যাবে এবং আপনি গুনাহগার হবেন না।
চিঠি দিন প্রশ্ন করুন https://chithi.me/Sazid_Hasan