tgindex
Muslim Youth Academy

Muslim Youth Academy

Статистика

الحمد لله

Последний пост
10 авг.
Последнее чтение
15 авг.
Постов за неделю
2
Всего постов
20
Тип
открытый
Язык
bn
Категория
Новости и СМИ (по похожим)
В каталоге с
15 авг.
Подписчики
850
+2 за 1 дн.
Сутки
+2
+0,24%
Неделя
 
Месяц
 
Просмотров на пост
364
20 постов
Вовлечённость
42,8%
к подписчикам
Постов в день
0,3
всего 20
Упоминаний
0
каналов
Охват размещения
оценка
1/24сутки в ленте
57
1/48двое суток
65
1/72трое суток
70

Оценка по просмотрам недавних постов: пост набирает почти всё за первые сутки.

Посты

  • [৪] তাওহীদুল উলুহিয়্যাহ বা একমাত্র আল্লাহ্‌র ইবাদাত করলেই তাকওয়ার অধিকারী হওয়া যাবে নতুবা নয়। যাদের কর্মকাণ্ডে শির্ক রয়েছে, তারা যত পরহেযগারী বা যত আমলই করুক না কেন তারা কখনো মুত্তাকী হতে পারবে না। তাই জীবনের যাবতীয় ইবাদাতকে একমাত্র আল্লাহ্‌র জন্য খালেসভাবে করতে হবে। এটা জানার জন্য ইবাদাত ও শির্ক সম্পর্কে জ্ঞান থাকতে হবে। যার আলোচনা সামনে আসবে। Al-Baqara - Ayah 21 Tafseer Copy Source: Quran Majeed App, IRD Foundation

  • হে মানুষ(১)! তোমরা তোমাদের সেই রব-এর(২) ইবাদাত কর যিনি তোমাদেরকে এবং তোমাদের পূর্ববতীদেরকে সৃষ্টি করেছেন(৩), যাতে তোমরা তাকওয়ার অধিকারী হও(৪)। [সূরা বা ক্ব রাহ্‌:২১] ____ Tafsir Abu Bakar Zakaria [১] আয়াতে উল্লেখিত ‘নাস’ আরবী ভাষায় সাধারণভাবে মানুষ অর্থে ব্যবহৃত হয়। ফলে পূর্বে আলোচিত মানব সমাজের মুমিন-কাফির ও মুনাফিক এ তিন শ্রেণীই এ আহ্‌বানের অন্তর্ভুক্ত। তাদেরকে লক্ষ্য করে বলা হয়েছে, ‘তোমাদের রব-এর ‘ইবাদাত কর’। ‘‘ইবাদাতের আভিধানিক অর্থ নম্র ও অনুগত হওয়া আর শরীআতের পরিভাষায় ‘ইবাদাত হচ্ছেঃ ‘আল্লাহ্ তা'আলা ভালবাসেন এবং পছন্দ করেন এমন সব প্রকাশ্য-অপ্রকাশ্য কথা ও কাজের ব্যাপক একটি নাম’। এ সমস্ত কথা ও কাজ পরিপূর্ণ ভালবাসা ও পরিপূর্ণ বিনয়ে সাথে আল্লাহ্‌র জন্য আদায় করলে তা আমাদের পক্ষ থেকে ‘ইবাদাত বলে গণ্য হবে। সুতরাং আল্লাহ্ এবং তাঁর রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম যে সমস্ত বিষয়ের ব্যাপারে আমাদেরকে জানিয়েছেন যে, আল্লাহ্ তা'আলা সেসব কাজ বা কথা ভালবাসেন তার বাইরে কোন কিছুর মাধ্যমে আমরা তাঁর ‘ইবাদাত করতে পারব না। ‘‘ইবাদাতের ভিত্তি তিনটি রুকনের উপর স্থাপিত। এক. আল্লাহ্ তা'আলার জন্য পরিপূর্ণ ভালবাসা পোষণ করা। যেমন মহান আল্লাহ্‌ বলেনঃ “আর যারা ঈমান এনেছে তারা আল্লাহ্‌কে সর্বাধিক ভালবাসে”। [সূরা আল-বাকারাহঃ ১৬৫] দুই. পরিপূর্ণ আশা পোষণ করা। যেমন মহান আল্লাহ্‌ বলেনঃ “এবং তারা তাঁর দয়া প্রত্যাশা করে”। [সূরা আল-ইসরাঃ ৫৭] তিন. আল্লাহ্‌কে পরিপূর্ণভাবে ভয় করা। যেমন মহান আল্লাহ্ বলেনঃ “এবং তারা তার শাস্তিকে ভয় করে”। [সূরা আল-ইসরাঃ ৫৭] [২] এ ক্ষেত্রে ‘রব’ শব্দের পরিবর্তে ‘আল্লাহ্‌’ বা তাঁর গুণবাচক নামসমূহের মধ্য থেকে অন্য যেকোন একটা ব্যবহার করা যেতে পারত, কিন্তু তা না করে ‘রব’ শব্দ ব্যবহার করে বুঝানো হয়েছে যে, এখানে দাবীর সাথে দলীলও পেশ করা হয়েছে। কেননা, ‘‘ইবাদাতের যোগ্য একমাত্র সে সত্তাই হতে পারে, যে সত্তা তাদের লালন-পালনের দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। যিনি বিশেষ এক পালননীতির মাধ্যমে সকল গুণে গুনান্বিত করে মানুষকে প্রকৃত মানুষে পরিণত করেছেন এবং পার্থিব জীবনে বেঁচে থাকার সকল ব্যবস্থাই করে দিয়েছেন। মানুষ যত মূৰ্খই হোক এবং নিজের জ্ঞান-বুদ্ধি ও দৃষ্টিশক্তি যতই হারিয়ে থাকুক না কেন, একটু চিন্তা করলেই বুঝতে পারবে যে, পালনের সকল দায়িত্ব নেয়া আল্লাহ্‌ ব্যতীত অন্য কারো পক্ষেই সম্ভব নয়। আর সাথে সাথে এ কথাও উপলব্ধি করতে পারবে যে মানুষকে অগণিত এ নেয়ামত না পাথর-নির্মিত কোন মূর্তি দান করেছে, না অন্য কোন শক্তি। আর তারা করবেই বা কিরূপে? তারা তো নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষার বা বেঁচে থাকার জন্য নিজেরাই সে মহাশক্তি ও সত্তার মুখাপেক্ষী। যে নিজেই অন্যের মুখাপেক্ষী সে অন্যের অভাব কি করে দূর করবে? যদি কেউ বাহ্যিক অর্থে কারো প্রতিপালন করেও, তবে তাও প্রকৃতপ্রস্তাবে সে সত্তার ব্যবস্থাপনার সাহায্য ছাড়া সম্ভব নয়। এর সারমর্ম এই যে, যে সত্তার ‘ইবাদাতের জন্য দাওয়াত দেয়া হয়েছে, তিনি ব্যতীত অন্য কোন সত্তা আদৌ ‘ইবাদাতের যোগ্য নয়। [৩] এ আয়াতটি পবিত্র কুরআনের সর্বপ্রথম নির্দেশ, আর সে নির্দেশই হচ্ছে তাওহীদের। ইসলামের মৌলিক আক্বীদা তাওহীদ বিশ্বাস। যা মানুষকে প্রকৃত অর্থে মানুষরূপে গঠন করার একমাত্র উপায়। এটি মানুষের যাবতীয় সমস্যার সমাধান দেয়, সকল সংকটে আশ্রয় দান করে এবং সকল দুঃখ-দুর্বিপাকের মর্মসাথী। তাওহীদ শব্দটি মাসদার বা মূলধাতু। যার অর্থ- কোন কিছুকে এক বলে জানা এবং ঘোষণা করা। সে অনুসারে আল্লাহ্‌র একত্ববাদ অর্থ- আল্লাহ্‌ যে এক তা ঘোষণা করা। শরীআতের পরিভাষায় তাওহীদ বলতে বুঝায় একথা বিশ্বাস করা যে, আল্লাহ্‌ই একমাত্র মা’বুদ। তাঁর কোন শরীক নাই। তাঁর কোন সমকক্ষ নাই। একমাত্র তাঁর দিকেই যাবতীয় ইবাদাতকে সুনির্দিষ্ট করা। তাঁর যাবতীয় সুন্দর নাম ও গুণাবলী আছে বলে বিশ্বাস করা। এতে বুঝা গেল যে, তাওহীদ হলো আল্লাহ্‌কে রবুবিয়াত তথা প্রভূত্বে, তাঁর সত্তায়, নাম ও গুণে এবং ‘ইবাদাতের ক্ষেত্রে একক সত্তা বলে স্বীকৃতি দেয়া। তাই এ তাওহীদ বিশুদ্ধ হতে হলে এর মধ্যে তিনটি অংশ অবশ্যই থাকতে হবে - [১] আল্লাহ্‌র প্রভূত্বে ঈমান ও সে অনুসারে চলা। যা ‘তাওহীদুর রুবুবিয়্যাহ’ নামে খ্যাত। [২] আল্লাহ্‌র নাম ও গুণাবলীতে ঈমান আর সেগুলো তাঁর জন্যই নির্দিষ্ট করা। যাকে ‘তাওহীদুল আসমা ওয়াস সিফাত' বলা হয়। আর [৩] যাবতীয় ইবাদাত একমাত্র আল্লাহ্‌র জন্যই নির্দিষ্ট করা। যাকে ‘তাওহীদুল উলুহিয়াহ’ও বলা হয়। এ তিন অংশের কোন অংশ বাদ পড়লে তাওহীদ বা একত্ববাদ প্রতিষ্ঠা হবে না এবং দুনিয়া ও আখেরাতে মুক্তি পাবে না।

  • আগে সরাসরি কেউ কেউ হাদিছ অস্বীকার করতো। কিন্তু সে অবস্থান অগ্রহণযোগ্য প্রমাণিত হওয়ায় ট্যাকটিক্স বদলের ন্যায় একদল নতুন করে বেরিয়েছে যারা সরাসরি বলবেনা তারা হাদিছ মানেনা, র‍্যাদার তারা কৌশলে হাদিছ অস্বীকারের দাওয়াত দিবে।যেমন, "কুরআনের সাথে না মিললে হাদিছ মানবোনা"। এই স্টেইটমেন্ট বাই ডিফল্ট ভুল। কারণ এটা মিথ্যা স্টেইটমেন্ট। প্রথমত, " সহীহভাবে প্রমাণিত রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর হাদিছ কুরআনের বিরোধী হতে পারে না। " এই কথাটা মাথা ভেতর ঢুকিয়ে নিতে হবে। ভাই একদম সিম্পলি চিন্তা করুন, যে নবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কুরআন বর্ণন করেছেন, সে নবীরই কথা কিভাবে কুরআনের সাথে সাংঘর্ষিক হবে।(নাউযুবিল্যাহ) ...রাসূল তোমাদেরকে যা দেয় তা তোমারা গ্রহণ কর এবং যা থেকে তোমাদেরকে নিষেধ কর তা থেকে বিরত থাক এবং তোমরা আল্লাহর তাকওয়া অবলম্বন কর; নিশ্চয় আল্লাহ্‌ শাস্তি দানে কঠোর। [অনুবাদ: Dr. Abu Bakr Muhammad Zakaria,৫৯ঃ০৭] দলীল দিয়ে এদের মিথ্যাচার তুলোধুনো করে ফেলা যাবে ইনশা আল্লহ। কিন্তু সমস্যা হলো এরা জানলেওয়ালাদের কাছে এসব নিয়ে সংশয় ছুড়বেনা। এরা জানে হাদিছের মান দ্বারা মূলত হাদিছটি সনদ প্রমাণ করা হয়, যা এটাই প্রমাণ করে যে এই হাদিছগুলো আসলেই রসুল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে এসেছে। তাই এরা এই নিয়ে সংশয় সৃষ্ট করার কৌশল করেও তাতে ব্যর্থ। আর কারো নিকট সৎপথ প্রকাশ হওয়ার পর সে যদি রাসূলের বিরুদ্ধাচরণ করে এবং মুমিনদের পথ ছাড়া অন্য পথ অনুসরণ করে, তবে যেদিকে সে ফিরে যায় সে দিকেই তাকে আমরা ফিরিয়ে দেব এবং তাকে জাহান্নামে দগ্ধ করাব, আর তা কতই না মন্দ আবাস। [অনুবাদ: Dr. Abu Bakr Muhammad Zakaria,০৪ঃ১১৫] বরঞ্চ সাধারণ মানুষদের মাঝে সংশয় করতে চায়, কারণ সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবন নিয়ে ব্যস্ত থাকে বেশি কেউ কিছু বললে ক্রসচ্যাক করা বা এদের বিপরীতে আলিমদের ❝পূর্ণ❞ বক্তব্য শুনতে সময় পায়না। পেলেও কিঞ্চিৎ। আর এজন্যই আমরা সাধারণ মানুষদের বলি, আপনি যদি বেইসিক লেভেলের ঈল্ম অর্জন না করেন বা আলিমদের সংস্পর্শে (যেকোন মাধ্যমে) না থাকেন কাইন্ডলি হাদিছ অস্বীকারকারী কাফির কিংবা কৌশলে অস্বীকারকারী, সংশয় সৃষ্টিকারীদের কোন বক্তব্যই শুনবেন না। এতে সন্দেহ থেকে বেঁচে থাকতে পারবেন ইনশা আল্লহ। রাস্তায় চলার পথে, পায়খানা দেখলে আপনি তো আর পায়খানা মাড়িয়ে দেখতে চান না যে পায়খানা কিরকম আনলেস আপনার ব্রেইনে প্রবলেম অথবা তা পরিস্কারের দায়িত্বরত অথবা আপনি রিসার্চার হোন কোন স্পেইসিফিক রিজনে।বরঞ্চ আপনি তা এড়িয়ে চলেন কারণ, এতে আপনার শরীর পবিত্র থাকবে এবং খারাপ কিছু থেকে দূরে থাকবে। এরাও হলো জীবনে চলার পথে পায়খানার ন্যায়। সাধারণরা যখন এদের স্পেইস দিবেনা, এড়িয়ে যাবে, এদের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করবে তাতেই কল্যাণ। ফিতনা আসবে, যাবে কিন্তু ঈমানদাররা টিকে থাকবে ইনশা আল্লহ। আপনি কি চাননা ঈমানদারদের অন্তর্ভূক্ত হতে?! জীবন তো ক্ষণিকের। আসুন ভালোমতো অধ্যয়নে মনোযোগী হই, ইবাদতে মনোযোগী হই, বেশি বেশি হিদায়াতের পথে অটল থাকার দুআ করি মহান রবের নিকট। মহান আল্লহ আমাদের হিফাজত করুন, আমিন। আর আল্লাহ্ ও তাঁর রাসূল কোনো বিষয়ের ফায়সালা দিলে কোনো মুমিন পুরুষ কিংবা মুমিন নারীর জন্য সে বিষয়ে তাদের কোনো (ভিন্ন সিদ্ধান্তের) ইখতিয়ার সংগত নয়। আর যে আল্লাহ্ ও তাঁর রাসূলকে অমান্য করল সে স্পষ্টভাবে পথভ্রষ্ট হলো [অনুবাদ: Dr. Abu Bakr Muhammad Zakaria,৩৩ঃ৩৬]

  • আহ্‌! শয়তান আমাদের রিযকের ভয় দেখায়। বিচলিত হই আমরা। ঈমান দৃঢ় করে এগিয়ে যাওয়া দরকার রবের ইবাদতের উদ্দেশ্যে। ভিডিও: সংগৃহীত

  • আমাদের ভাই-বোনেরা কি এখনো বুঝবেনা?! জি হা দের নাম ভাঙিয়ে কতশত তরুণ-তরুণী , কিশোর-কিশোরীকে বিভ্রান্ত করেছে বাংলাদেশের স্যুডো জঙ্গীরা। আপনি যদি তাদের কাজের প্রসেস খেয়াল করেন বুঝতে পারবেন কতটা শঠতার সাথে তারা এসব বিভ্রান্তি ছড়িয়েছে। হয়তো জেনেবুঝে অথবা জাহালাতের কারণে। শুরুতেই, সালাফিদের ব্যাপারে বলা শুরু করলো অমুক "মাদখালী'', তমুক “শাসকের পা চাটা গোলাম”, অমুক শাইখ “জিহাদ বিরোধী” । এভাবে বলে একদল ভাই-বোন যারা বড় বড় সালাফি শাইখের কথা শুনে দ্বীনের পথে এসেছিলো তারা এসব শাইখের ব্যাপারে খারাপ ধারণা করতে লাগলো , ছড়াতে লাগলো। তাদের কাছে তাওহীদ শেখার আগে “বিশ্বরাজনীতি” নিয়ে জানা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে গেলো। এভাবে তারা না "তাওহীদ" শিখলো না শিখলো “বিশ্বরাজনীতি” , অতঃপর জীবনের পরীক্ষার চাপে তারা হারিয়ে গেলো দ্বীনের জজবা থেকে। হয়তোবা দ্বীন আছে বেইসিকটা ঠিকঠাক কোনমতে। এসবেও যখন পড়ুয়া সালাফিদের , সালাফি উলামাদের থেকে সরানো যাচ্ছিলোনা তখন তারা প্রচার করতে লাগলো তারা “নজদী সালাফি” কিংবা আসল সালাফি, বাকীরা "শাসকের দালাল",হ্যান ত্যান। কন্টেক্সটবিহীন নানাবিধ বক্তব্য তারা ছড়াতে লাগলো। ইবনু উছাইমীন , বিন বায রহিমাহুমুল্লহদের নাম ভাঙিয়ে তারা প্রমাণ করার চেষ্টা করতে থাকলো তারাই আসলে সালাফি বাকীরা দরবারী। বক্তব্যের কন্টেক্সট না দিয়ে কিংবা অস্পষ্ট বক্তব্য, পূর্বের বক্তব্য এনে এদের মতের পক্ষে নেয়ার প্রচেষ্টা চালাতে লাগলো। ধীরে ধীরে অনেক/কিছু যুবক-যুবতী এদের দ্বারা প্রভাবিত হতে থাকলো। রিসেন্টলি দেখবেন শক্তি , আসিফ আদনানদের মতো লোকেরা সাফাইমূলক নানা বক্তব্য দিচ্ছে অথচ আসিফ আদনান “আসিম আল বারকাওয়ী” বা মাকদীসির মতো চরম তাকফীরির বই অনুবাদ/সম্পাদনা করে ছড়িয়েছে বাজারে। আর শক্তি তো আশ শাবাব(জঙ্গিগোষ্ঠী)দের নিয়ে কথা বলেছে বলে টেলিগ্রামে পাওয়া যায়। এদের অবস্থা “ধরি মাছ না ছুঁই পানি”র মতো। এরা কৌশলে একদল তরুণ-তরুণীদের উগ্রবাদে ডাকবে , যখনই অবস্থা খারাপ দেখবে তখনই সাফাই গাইবে। যাই হোক, তাদের দেয়া অপবাদের অন্যতম শিকার ব্যক্তি হলেন , প্রফেসর ড. আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া। নানান অপবাদ দিয়েছিলো এই গোষ্ঠি। আলহামদুলিল্লাহ তিনি তার জায়গাতেই, মানহাজেই আছেন(বরঞ্চ এখন উনি আগের চেয়েও আরো সুন্দরভাবে বিশুদ্ধ মানহাজের প্রচার করছেন) , আর এসব উগ্রবাদীরা বেশ বদলাতে প্রস্তুত। ভাই-বোনদের বলবো, উলামাদের ফলো করুন। প্রথমত বেশি বেশি দুআ করুন, নিজের জন্য, অন্যের জন্য। উলামাদের ফলো করুন।(অন্ধভক্তি নয়)। আর সালাফদের মানহাজকে আঁকড়ে ধরুন এমনকি এজন্য আপনাকে “সুপার সালাফি” বলুক বা অন্যান্য কঠোরতার ট্যাগেই অভিহিত করুক না কেনো। যারা এসব করছে দেখবেন তাদের কেউ কেউ এই উগ্রবাদী আসিফ আদনানের বই বিক্রি করছে অন্য ছুঁতো দিয়ে । এদের ছুঁতোয় দেখলাম কেউ কেউ কনভিন্সডও, শেইম! এদের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে কেউ যদি এই উগ্রবাদীর প্রতি দূর্বলতা অবলম্বন করে হয়তোবা এই গুনাহের দায়ভার এদেরও। আশা করছি তারা এই থেকে সরে আসবে। সাধারণ মানুষদেরকে এসব উগ্রবাদীদের অন্যান্য বইও পড়তে নিষেধ করা হয় শুধুমাত্র এইজন্য যে, তারা নিজেরা বেইসিক ঠিক না করে অন্যক্ষেত্রে গেলে দ্বীন নিয়ে সংশয়ে পড়ে যেতে পারে। তাই আগে দ্বীনের বেইসিক মজবুত করুন। উলামাদের বই পড়ুন। যারাই দেখবেন “বিশ্বরাজনীতি” কিংবা “ইতিহাস” এসবকে তাওহীদের উর্ধ্বে গুরুত্ব দিচ্ছে তাদের থেকে সরে পড়ুন। আপনি, আমি সাধারণ লোক। আমাদের জন্য আগে তাওহীদ শিখতে হবে, শেখাতে হবে। বাকীগুলোর গুরুত্ব নেই তা না, তবে গুরুত্বের স্তর আমরা না বুঝলে সমস্যা। মানহাজ-আক্বিদা শিখার পাশাপাশি আরবীতে গুরুত্ব দিন, ইংরেজিতে গুরুত্ব দিন। বাইরের শক্তিশালী মানহাজের আলিম-ত্বলিবুল ‘ঈল্মদের ক্লাস করুন। মহান আল্লহ রহম করুন। যেসব ভাই-বোন এসব উগ্রবাদীদের ফাঁদে পড়েছেন, ভুল বুঝেছেন মহান আল্লহ তাদের হিদায়াত দিন,আমাদের হিদায়াত দিন।আমিন। কবরে জিজ্ঞেস করবে "তোমার রব কে?"। আমার জবাব আমাকেই দিতে হবে, কে কি করলো তা নিয়ে মাথাব্যথা না করে, একটা লিস্ট করুন। ফরজ কাজগুলোর। এরপর নফল। এভাবে শিখুন, শেখান। যে দায়িত্ব আপনার কাঁধে দেয়া হয়নি তা নিতে যাবেন না। - আবূ আব্দুল্লাহ

  • 9 июл.1801из muktodana

    মাস'আলাঃ ❝মহিলাদের মাহরামবিহীন সফর❞ - প্রফেসর ড. আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া মূল: শাইখের অফিসিয়াল ইউটিউব চ্যানেল থেকে অডিও  নেয়া হয়েছে। #fatwa_video_muktodana #fatwa_muktodana

  • Assalamualikum, Channel Link: https://t.me/muktodana Male-Female anyone can join as this is not a group.

  • Assalamualikum wa Rohmatulloh. Alhamdulillah, we have ordered 4 copies of Sharhul Aqeedah Al-Wasitiyyah as prizes for members of our Telegram channel. Recently, we have been working on establishing a Bangla Telegram channel exclusively for sisters, focusing on: 01. Women's mas'ala 02.Refutations of feminism 03. Refutations of So Called Islamic feminism 04. Other beneficial topics Anyone may join the channel to benefit from the content, but only sisters will be eligible to participate in this competition. Hopefully, we will arrange a similar competition for brothers as well. We will share the channel link, syllabus, and competition details Insha Alloh. After 5th August, unfortunately many people drifted away from the correct Salafi methodology and became involved in various non-Salafi activities. At the same time, without proper evidence, they started imposing labels of “strictness” on others such as “Haddadi,”,"Super Salafi" while in many cases they themselves were falling into leniency. Our aim is not to engage in these disputes, but to focus on learning the correct Aqeedah and Manhaj, revising it properly, and spreading beneficial knowledge. Please share this channel with your family and friends so more sisters can benefit and participate. Insha Alloh, we will release the link to the new channel here very soon. Barokallohu feekum.

  • The Jilbāb Of The Female Companions | Shaykh Ibn 'Uthaymeen ©Ilm un Nikah

  • 24 июн.29242из madrasatunaa

    Heatwave Tips for Niqabis Enquiry: How do I get around and still maintain my modesty during a heatwave? Advice: 1⃣. Stay home if you can If you don't need to be out and about, your home is the best place to stay cool and comfortable. - Keep curtains or blinds closed during the hottest parts of the day. - Open windows when the air outside is cooler. - Use fans where possible. - Stay well hydrated throughout the day. - Avoid unnecessary physical exertion during peak heat hours. 2⃣. If you do need to go out, here are some practical tips a. Carry cold water with you Invest in a good insulated water bottle, such as a Stanley tumbler or similar. Fill it with ice and cold water before leaving home so you can stay hydrated throughout the day. b. Reassess your layers Do you really need all those layers? If your outer garment already fulfils the requirements of hijab Shar'ee, it may not matter as much what is underneath. Heavy underlayers, thick leggings, tights, or multiple garments can trap heat and make the weather much harder to manage. Choose lightweight, breathable fabrics where possible. c. Choose heat-friendly fabrics Natural fabrics such as cotton, linen, and lightweight blends generally allow better airflow than synthetic materials. Lighter colours can also help reflect sunlight rather than absorb it. d. Consider palm-cooling devices Research has shown that cooling the palms can help lower perceived body temperature and improve comfort. Small palm-cooling devices may be worth exploring and can often be worn discreetly beneath gloves. e. Look into cooling vests Cooling vests are becoming increasingly popular among athletes, outdoor workers, and those exposed to extreme heat. To give an example, Adidas recently introduced its CLIMACOOL system, which is being used in preparation for the 2026 World Cup. The system includes: - A frozen cooling vest - An insulating outer jacket - Cooling overshoes The aim is to reduce core and skin temperature before activity and aid recovery afterwards. Consumer versions of cooling vests are also available and may be useful for those who need to spend extended periods outdoors. f. Plan your journeys wisely - Travel early in the morning or later in the evening when temperatures are lower. - Seek shaded routes where possible. - Switch on the air conditioning or open the windows while travelling in the car. - Limit the amount of time spent standing in direct sunlight. - Take regular breaks indoors if you're out for long periods. g. Use cooling accessories Cooling towels, neck wraps, portable fans, and misting sprays can all make a noticeable difference without affecting your modest dress. May Allah grant immense reward to our niqabi sisters who remain steadfast upon modesty. یَـا شمسُ كُونِی بَرۡدࣰا وَسَلَامًا عَلَى المسلمين Āmīn. https://t.me/madrasatunaa/403

  • Sh. Muqbil b. Hādī al-Wādiʿee Raḥimahullāh said: “Call towards Qurʾān and Sunnah and DO NOT call towards PERSONALITIES; for indeed personalities are not safe from trials and tribulations themselves.” ● [البشائر صفحة ١٢] From: Benificial Knowledge https://t.me/BeneficialKnowledge

  • Never follow any scholar (ʿālim) or student of knowledge (ṭālib al-ʿilm) blindly, especially in a country like Bangladesh where mixed and confused methodologies (manhaj) are widespread. At the same time, we must seek knowledge of the religion, at least the fundamental knowledge that every Muslim needs. The foundation should always be the Qur'an, the Sunnah upon the understanding of the Salaf al-Ṣāliḥ. It is even better if you learn Arabic, as it allows you to access the primary sources directly. When there is a difference of opinion between scholars or students of knowledge, try to understand both sides and learn about their backgrounds before reaching a conclusion. Ask yourself: Is this really a serious issue? Is it simply a mistake? Is it even a mistake at all? Not every disagreement justifies labeling someone as a "thief," deviant, or calling them other insulting names. Unfortunately, some people who identify themselves as Salafis become confused. One reason may be that they entered Salafiyyah through blind following of a particular scholar or student of knowledge. As a result, whenever they hear criticism of that person, they cannot tolerate it, even when strong evidence is presented. Another reason is that many people spend their time immersed in so-called "দেশী ক্যাঁচাল" (local social media controversies) instead of learning Arabic, studying the books of the early scholars (Mutaqaddimīn), and seeking beneficial knowledge. This is harmful. Do not become worried or confused by these fitan. Make duʿā' to Alloh: يَا مُقَلِّبَ الْقُلُوبِ، ثَبِّتْ قَلْبِي عَلَى دِينِكَ Leave Facebook. Leave social media. Remove and unfollow all the "দেশী ক্যাঁচালকারী" accounts and self-proclaimed Islamic pages that do not even understand the basics of Salafiyyah. Remember: We have the Qur'an and the Sunnah upon the understanding of the Salaf al-Ṣāliḥ. The statements of contemporary scholars should always be weighed against these principles. Whatever agrees with them is accepted, and whatever contradicts them is rejected. If you cannot leave Facebook completely, then at least remove the so-called Islamic friends and pages that constantly drag you into unnecessary disputes. Facebook is not your life. Life is much bigger than Facebook. Focus on seeking beneficial knowledge, purifying your heart, worshipping Alloh, and preparing for the Hereafter.

  • আসসালামু 'আলাইকুম। মাস'আলা ব্যতিত এই প্লাটফর্ম,পরিকল্পনা ইত্যাদি বিষয়ক কোন কিছু জানতে চাইলে এনোনিমাস মেসেজ দিতে পারেন। গ্রুপে এন্সার দেয়া হবে ইনশা আল্লহ। মেসেজের লিংকঃ https://sarahah.org/en/fulan https://t.me/+Mf0V00wbRWBiMGNl

  • "নিজের ইচ্ছা হয়েছে তাই করছি, কেউ আমাকে বাধ্য করলে আমি করিনা!" এই কথার চেয়ে, "আমি মহান আল্লহর নির্দেশেই এই কাজ করছি।আমার কাছে হারামের সুযোগ থাকা সত্ত্বেও, ইচ্ছা পরিত্যাগ করে মহান আল্লহর নির্দেশ মানছি, তাঁর সন্তুষ্টির জন্য,জান্নাত পাওয়ার জন্য,জাহান্নাম থেকে বাঁচার জন্য!" এই কথা উত্তম। অনেকদিন সুদি ব্যাংকে চাকরি করি। হঠাৎ চাকরি ছেড়ে দিলাম।সৎ নিয়্যতেই ছেড়েছি। সন্ধ্যার আড্ডায় এক বন্ধু বললো,"যাক অবশেষে তুই ব্যাংকের হারাম চাকরি ছাড়লি!"।এসব কথা শুনে আমার খানিকটা গায়ে লাগলো, ভাবতে লাগলাম "আমি যদি বলি আমি নিজ ইচ্ছাতেই ছেড়েছি তাহলে তারা আমাকে সমীহ করবে।অন্যথা দূর্বল ভাববে।" যেই ভাবা সেই কাজ, বলে উঠলাম,"আরে!আমার ইচ্ছা হয়েছে তাইই ছেড়েছি। আমাকে কেউ বাধ্য করলে সেই কাজ আমি করিনা।কেউ আমাকে বাধ্য করতে পারেনা।" এই কথা যদিও আমি নিজেও জানি পুরোপুরি সত্য না।তাত্ত্বিকভাবে মানুষ কোন না কোন কিছু দ্বারা প্রভাবিত হয়। তার সামনে দুইটা অপশন, হয় রবের আনুগত্য করবে। বাধ্য হবে। নতুবা নাফস,শায়ত্বনের আনুগত্য করবে বা বাধ্য হবে। এর বাইরে কেউ বের হওয়ার সুযোগ নেই। কিন্তু ঐ যে! সমীহ করবে নতুবা আমাকে দূর্বল ভাববে এই চিন্তাতেই এটি বলা। অথচ, আমার উচিত ছিলো এটা বলা, "আলহামদুলিল্লাহ মহান আল্লহর সন্তুষ্টির জন্যই আমি এটা ছেড়েছি।" আমার ইচ্ছা অবশ্যই আছে।।এই কথা বলার মানে ছোট হওয়া না। কি লাভ এমন সমীহ করার যেখানে ইগোর জন্য রবের বড়ত্ব, আনুগত্য প্রকাশ পাওয়া থেকে বিরত থাকতে হয়(নাউজুবিল্যাহ)। বিশেষ করে টীনেজ বা ২০-২৫ বছর এ এই ধরনের এটিচিউড থাকে। সবার না মোটেও।কারো কারো। তবে এই কারো কারোর মধ্যে আমরা থাকলে এখনই সময়। এখন থেকেই প্রতিজ্ঞা করবো আমরা এই টেন্ডেন্সি থেকে বের হয়ে যাওয়ার। এই সেইম ব্যাপারটা শুধু ব্যাংক না, সব ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। আপনি একজন পুরুষ, আপনি কোন হারাম পরিত্যাগ করলেন সেক্ষেত্রেও।কিংবা আপনি একজন মহিলা আপনি নিক্বাব,হাতমোজা,পর্দা করলেন সেক্ষেত্রেও। অনেক সময় আমরা ভালো কোনো কাজ করি বা কোনো হারাম বর্জন করি, কিন্তু মানুষের সামনে সেটাকে নিজের দৃঢ় ব্যক্তিত্ব বা স্বাধীনতার প্রমাণ হিসেবে তুলে ধরতে চাই। অথচ একজন মুমিনের সবচেয়ে বড় সম্মান হলো আল্লাহর আনুগত্যে থাকা। কেউ যদি জিজ্ঞেস করে, "কেন এই কাজ করলেন?", তখন "আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য" বলতে সংকোচবোধ করার কিছু নেই। বরং এটিই গর্বের বিষয়। মানুষের সম্মান পাওয়ার জন্য নয়, আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য কাজ করার অভ্যাস গড়ে তোলা উচিত। কারণ মানুষের দৃষ্টিতে বড় হওয়া আর আল্লাহর কাছে মর্যাদাবান হওয়া এক জিনিস নয়। আমাদের সবার মধ্যেই কখনো না কখনো নিজের ইগো বা আত্মমর্যাদা প্রদর্শনের প্রবণতা কাজ করতে পারে। তাই নিয়মিত নিজের নিয়তকে যাচাই করা এবং আল্লাহর জন্য কাজ করার চেষ্টা করা প্রয়োজন।

  • আমি পার্সোনালি এই বইটির জন্য খুব উদগ্রীব ছিলাম। আলহামদুলিল্লাহ এখন প্রি-অর্ডার চলছে। উস্তায আবূ নাবীহা নাজমুস সাকিব হাফিজাহুল্লহর অনুবাদ ও প্রফেসর ড. আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া হাফিজাহুল্লহর সম্পাদনায় খুব সম্ভবত বাংলাদেশে এটিই একমাত্র বিস্তর ব্যাখ্যার অনুবাদ। _ অর্ডার করার জন্য এই পোষ্টের কমেন্ট চ্যাক করুন

  • ধরুন, কেউ আমার হাঁটুর উপরে প্যান্ট দেখে বলল, "ভাই, আপনি যদি প্যান্টটি সতর ঢেকে পরতেন, তাহলে ভালো হতো।" অথবা টাখনুর নিচে প্যান্ট দেখে বলল, "প্যান্টটি টাখনুর ওপর পরলে ভালো হতো।" আমি যদি সঙ্গে সঙ্গে কথাটি গ্রহণ করতে না পেরে তাকে বলি, "আপনি আগে নিজের দিকে খেয়াল করুন", কিংবা তার অন্য কোনো ভুল বা গুনাহের কথা তুলে ধরি তাহলে এটি সংশোধিত না হতে চাওয়ার একটি প্রবণতার প্রকাশ। মানুষ হিসেবে এমন প্রতিক্রিয়া কখনো কখনো স্বাভাবিক হতে পারে। কিন্তু আমাদের খেয়াল রাখতে হবে, এটি মোটেও কাম্য নয়। পরিবর্তনের সূচনা হওয়া উচিত সংশোধিত হওয়ার মানসিকতা লালনের মাধ্যমে। অন্যথায় এই প্রবণতা ধীরে ধীরে অহংকারে রূপ নিতে পারে। আমাদের মনে রাখা উচিত, দুনিয়ায় কোনো ভুল শুধরে নেওয়ার কারণে যদি আখিরাতে জান্নাত লাভ হয়, তবে সেটি তো লাভের ওপর লাভ। তাই চেষ্টা করে যেতে হবে নিজেকে সংশোধন করার। এটি সহজ নয়, কিন্তু ধীরে ধীরে অভ্যাসে পরিণত করতে হবে। কেউ কোনো ভুল ধরিয়ে দিলে সঙ্গে সঙ্গে ক্ষুব্ধ বা বিরক্ত না হয়ে ঠান্ডা মাথায় চিন্তা করা উচিত। যদি সত্যিই বিষয়টি সংশোধনযোগ্য হয়, তাহলে তা সংশোধন করে নেওয়াই উত্তম। আর কেউ যখন সংশোধনের উদ্দেশ্যে কিছু বলে, তার ভাষা কঠোর হোক বা কোমল প্রথমেই তার ব্যাপারে সুধারণা রাখা উচিত। মনে করা উচিত, হয়তো সে সত্যিই একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় স্মরণ করিয়ে দিতে চেয়েছে। শুরুতেই তাকে হিংসুক, বাড়াবাড়িকারী বা অন্য কোনো নেতিবাচক বিশেষণে আখ্যায়িত করলে একদিকে যেমন গুনাহের আশঙ্কা থাকে, অন্যদিকে সংশোধিত হওয়ার সুযোগও হাতছাড়া হয়ে যায়। মহান আল্লহ আমাদের সবাইকে সত্য গ্রহণ করার, ভুল সংশোধন করার এবং বিনয়ী থাকার তাওফিক দান করুন। আমিন।

  • দামী জিনিস হুট করে সস্তা হওয়া মানেই জিনিসটা নকল হবার সম্ভাবনা বেশি থাকে। এর মানে এই না যে আসল দামী জিনিসটা নাই। আপনার খালি একটু সতর্ক হতে হবে খুঁজতে গিয়ে। দীনদার বেড়ে গেছে শুনে পুলকিতই হবার কথা সবার। খুশি হবার কথা। কিন্তু দীনদারিতা বা বাংলায় পরহেজগার শব্দটার অনেক ভার ছিলো। একজন পরহেজগার অনেক দামী ছিলো। কিন্তু ঐযে বললামনা? দামী জিনিসের পরিমাণ বেশি হওয়া খুব সস্তা হয়ে যাওয়া মানেই চারদিকে নকলের পরিমাণ বেড়ে যাবে। তেমনই হচ্ছে দীনদারিতার নামে প্রচুর ধাপ্পাবাজ বেড়ে গেছে। প্রতারক ও চোর এরাও দীনদার দীনি ভাই সেজেছে। কিন্তু এ তো নতুন না। দুনিয়াতে দীনকে ব্যাবহার করে স্বার্থ হাসিল পুরোনো ইতিহাস। লোকে যত কম দীনের জ্ঞান থাকবে, তত বেশি তার অপ্রয়োজনীয় আবেগ থাকবে। যখনই লোকের বিবেকে অপ্রয়োজনীয় আবেগ জায়গা করে নিবে, তখনই সেটার ফায়দা লুটা সহজ হবে। সেসজন্যই সেই লোকের ফাঁসি হয় যে প্রশ্ন করে "প্রিয়নবীর কবর হলো দরগা হলো না, বাবার দরবারে এমনই কি হলো যে দরগা হলো, শিন্নি হলো?" তাই দীনের চাদরে বাটপার থাকবেই এটাই স্বাভাবিক। তো এখন কি আমরা খুঁজা বন্ধ করে দেবো? প্রচুর ভেজাল স্বর্ণ হয় দেখে কি স্বর্ণের খোঁজ বন্ধ হয়? দীন খুঁজতে হবে, দীনদার খুঁজতে হবে। তবে যত বেশি ভেজাল তত বেশি সাবধান। সাবধান আর অবিশ্বাস শব্দ দুটো এক না। আপনার সাবধানতা যাতে অবিশ্বাসকে জায়গা না দিয়ে দেয়। সব লোকে ছদ্মবেশ ধরতে হাত উঠালেও একজন থাকবেই যে রবের অনুগ্রহ খুঁজতে হাত উঠিয়েছে। সেই দুই হাত খুঁজতে হবে, নিজেকে সেই দুই হাত তোলার লোক বানিয়ে নিতে হবে। পাপ সবাই হয়তো করে মনে হবে, পাপী সবাই ই হয়তো মনে হবে। তবে হতে হবে সেজন যেজন পাপ করে সিজদায়ে লুটিয়ে ক্ষমা চায়। হয়তো তার তওবায় দুনিয়াতে কিছু ফারাক হয়না, কিন্তু রবের কাছে খুব দামী হয়ে যায়। ফেরেশতারা দিনশেষে দুআ করে তার জন্য। সেজন হতে শিখি। আবারও বলবো, সতর্কতার জায়গাটা অবিশ্বাস যাতে নিয়ে না নেয়। _Muhaiminur_Rahman_Snigdho

  • 26 мая1 12085

    বাংলাদেশে আহলে হাদিস, কওমী, বারেলভীসহ নানা ধারার দ্বীনি-বিদ'আতী অঙ্গনের অসংখ্য লোক রয়েছে। তারা নারীদের পর্দা ও নিকাবের গুরুত্ব নিয়ে নিয়মিত কথা বলেন, আলহামদুলিল্লাহ। তবে একটি গুরুত্বপূর্ণ বাস্তব সমস্যার দিকেও আরও গুরুত্ব দিয়ে কথা বলা এবং সংশ্লিষ্ট পদক্ষেপ নেয়া প্রয়োজন বলে মনে করি। ধরুন, আপনার মেয়ে বা ওয়াইফ পূর্ণ নিক্বাবি বা পর্দানশীন।এখন আপনি তাকে উপহারস্বরূপ জায়গা দিতে গেলেন বা তার জায়গা তিনি বেঁচতে গেলেন। যে মানুষটি আজীবন নিক্বাব করে এলো তাকে ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে যেখানে আরো অনেক পুরুষ থাকে নিয়মিত, তাদের সবার সামনেই ফেইস ভ্যারিফিকেশনের জন্য নিক্বাব খোলা লাগলো।।কতটা দুঃখজনক ভাবা যায়! ফেস ভ্যারিফিকেশনের বিকল্প তো এই আধুনিক যুগে কত কিছুইনা আছে। আমাদের আলিমরা মেয়েদের নিক্বাবের কথা বলেন কিন্তু এইসব সরকারি ব্যবস্থার বিরুদ্ধেও বলা দরকার যেখানে নিক্বাব পরিধানকারীর সমস্যা না হয়। ধরুন, আপনার ওয়াইফ বা মেয়ে কোন ভার্সিটিতে ভর্তি হলো, পূর্ণ ইসলামিক ভার্সিটি। ছেলে -মেয়ে আলাদা। এখন সেখানে মেয়েদের আইডিতেও চেহারা যুক্ত করে দেয়া হলো। যা নানাস্থানে চ্যাক করা হয়। পূর্ণ পর্দানশীন হয়েও ছবি প্রদর্শিত হচ্ছে যা দুঃখজনকই। তবে এমন অনেক বোন আছেন যারা সেই আইডির ছবি বিনষ্ট করে আইডি ইউজ করেন। কিন্তু সব জায়গায় কি এমনটি সম্ভব?! রিসেন্টলি এক জায়গায় আমার মাহরামকে বাধ্যতামূলক নিক্বাব খোলা লাগছিলো চেহারা ভ্যারিফিকেশনের জন্য জায়গা-জমি সংক্রান্ত এক কাজের জন্য যেখানে অনেক পুরুষও ছিলো। বেশ বিব্রতকর এবং অসম্মানজনকই বটে। সেসময়ের মতো অসহায় নিজেকে খুব সম্ভবত কমই মনে হয়েছে। অথচ সেই স্থানে ফেইস ভ্যারিফিকেশন ছাড়াও ফিঙ্গারপ্রিন্ট স্ক্যানিং দিয়ে ইজিলি পরিচয় যাচাইয়ের কাজ সেরে নেয়া যেতো। এতজন আলিম আছেন, কাইন্ডলি এই জায়গায় একটু সংশোধনী জরুরি। আমি তো এনআইডিতেও ছবির ব্যবহারের বিপক্ষে এজ এখানে অনেক ভিন্ন পদ্ধতি আছে। ছেলেদের ক্ষেত্রেও জরুরত ছাড়া ছবি ব্যবহার মোটেও উচিত নয়। আর যে মেয়ে সারাজীবন নিক্বাব করে এলো, সে যেনো এক্সাম হলে, জায়গা জমি রেজিষ্ট্রারসহ নানান জায়গায় চেহারা দেখানো না লাগে সেই ব্যাপারে আলিমদের পদক্ষেপ নেয়া জরুরি। এক্ষেত্রে ফিঙ্গারপ্রিন্ট স্ক্যানিং এক গুরুত্বপূর্ণ পদ্ধতি। একান্তই ফেস ভ্যারিফিকেশনের জরুরত হলে পৃথক রুমে ফিমেইল দ্বারা ভ্যারিফাই করা জরুরি যা মূলত কিছু স্থান বাদে জনবল সংকটের কারণে বেশ কষ্টসাধ্য। তবে প্রযুক্তির বিপ্লবের এই সময়ে এসে একাধিক বিকল্প বিদ্যমান। আলিম সমাজ, নীতিনির্ধারক এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যদি এ বিষয়ে বাস্তবসম্মত ও শরিয়াহসম্মত বিকল্প নিয়ে চিন্তা করেন, তাহলে পর্দানশীন নারীদের জন্য অনেক বড় একটি স্বস্তির ব্যবস্থা হতে পারে।

  • I took the Associate oath in 2014 and became a Member in 2018, which is the highest oath of Chatroshibir, and I gave bayah. Later, I left Phulkuri Ashar, a sub organization of Chatroshibir. I left it by my own decision. Nowadays, after 5th August, some people I once thought were Salafi have turned out to be pseudo Ikhwani, though not all of them. It is sad. Anyway, I stand with those who say that voting in democratic elections is haram. I will not vote, and I also advise others not to vote. Think about this. Those who argue that we should choose the better option among all candidates, especially in the name of Islam, contradict themselves. After making that claim, I saw some people openly posting to vote for Jamaat allies. That is shameful. According to your own logic, you should vote for Chormonai, Islami Andolon Bangladesh, because they have clearly declared their stance regarding Islam, whereas Jamaat is far away from that position. Some ulama say that voting is permissible under certain conditions. Some do not. But we need to understand that the majority opinion is not always correct. One more thing. Some people are saying that Shaykh Abubakar Muhammad Zakaria told us to vote. It is totally unethical to make decisions based on someone’s old video, because he has changed his fatwa in recent times. Did he not change his fatwa regarding Assim Al Hakeem? Then why do you need his old fatwa to promote your own motive? Very sad. _ Abdur Rahman Ador

  • পর্বঃ১২ ইস্তেওয়া শব্দের অর্থ ।। Meaning Of Istiwa ।। Audio Book ।। রহমান 'আরশের উপর উঠেছেন লেখকঃ প্রফেসর ড. আবুবকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া বুক-রিডারঃ আব্দুর রহমান আদর #rau #রআউউ #audio_book_1 ইউটিউব লিংক: https://youtu.be/BZ17KeS-U1c?si=LfIH6VTxqjxkS1Rq

Muslim Youth Academy — tgindex