- Последний пост
- 14 июл.
- Последнее чтение
- 13 авг.
- Постов за неделю
- 0
- Всего постов
- 21
- Тип
- открытый
- Язык
- bn
- В каталоге с
- 13 авг.
- 1/24сутки в ленте
- —
- 1/48двое суток
- —
- 1/72трое суток
- —
Оценка по просмотрам недавних постов: пост набирает почти всё за первые сутки.
Посты
মাওলানা মওদূদীর কলমে জামায়াতে ইসলামীর আকিদা!
যেখানে এমন (ইসলামি রাষ্ট্রীয়) ব্যবস্থা বিদ্যমান নেই, কোনো শরিয়তসম্মত বিচারালয় নেই এবং তাকফিরের জন্য অপরিহার্য সেই শর্তসমূহ পূরণ হওয়া অসম্ভব, সেখানে তাকফিরের ফয়সালা দেওয়া এবং কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীকে মুসলিম সমাজ থেকে বহিষ্কৃত ঘোষণা করার সিদ্ধান্ত যদি সঠিক হওয়ার সম্ভাবনাও রাখে, তবুও তাতে ভুল হওয়ার আশঙ্কাও থেকে যায়। অধিকন্তু, এটি সাধারণ ব্যক্তি এবং ক্ষমতাহীন দলগুলোর শরিয়তসম্মত এখতিয়ারের সম্পূর্ণ বাইরে। আর এই কাজের ফলে সৃষ্ট ফিতনা-ফ্যাসাদ কোনোভাবেই সেই ফিতনা-ফ্যাসাদের চেয়ে কম নয়, যা কোনো অমুসলিম ব্যক্তি মুসলিম সমাজের সাথে যুক্ত থাকার কারণে তৈরি হতে পারে। যে ব্যক্তি বা গোষ্ঠী প্রকৃতপক্ষে সাধারণ মানুষের দ্বীনি সংস্কার করতে চায়, তাদের উচিত, প্রথমে মুসলমানদের বিভিন্ন শ্রেণির মধ্যকার পারস্পরিক পার্থক্য খুব ভালো করে বুঝে নেওয়া। এক শ্রেণি হলো যারা স্রেফ অজ্ঞতায় নিমজ্জিত। দ্বিতীয় শ্রেণিটি হলো যারা গুনাহগার বা পাপাচারী। তৃতীয় শ্রেণিটি হলো যারা প্রকৃত কুফরের অতল গহ্বরে পতিত হয়েছে। আর চতুর্থ শ্রেণিটি হলো যারা প্রকৃতপক্ষে এই যোগ্যতাই হারিয়ে ফেলেছে যে, মুসলিম সমাজের সাথে তাদের কোনো সম্পর্ক রাখা হোক। এই সবকটি শ্রেণিকে একই লাঠি দিয়ে হাঁকানো (অর্থাৎ সবার সাথে একই রকম আচরণ করা) কোনোভাবেই সঠিক নয়। যারা অজ্ঞ, তাদের কাছে দ্বীনের জ্ঞান পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করুন; আর তারা যখন নিজেদের মুসলমান বলে মনে করে, তখন তাদের জোরপূর্বক এই বিশ্বাস করানোর চেষ্টা করবেন না যে, ‘তোমরা মুসলমান নও’। এর পরিবর্তে আপনাদের এভাবে বলা উচিত যে, ‘যেহেতু তোমরা মুসলমান এবং সমাজে নিজেদের মুসলমান বলে পরিচয় দিয়ে থাকো, ভবিষ্যতেও যদি মুসলমান হিসেবে বাঁচতে চাও, তবে জেনে নাও যে, ইসলাম আসলে কী। এরপর জানার পরে তা যথাযথভাবে অনুসরণ করো। যারা গুনাহগার, তাদের আল্লাহর ভয় দেখান এবং তাদের ভেতরে ঈমানের যে সুপ্ত স্ফুলিঙ্গ বা দমিত হয়ে আছে, সেটিকে জ্বালিয়ে তোলার চেষ্টা করুন। আর যেসব মানুষের মধ্যে প্রকৃত কুফরের উপস্থিতি অনুভূত হয়, তাদের কাফির বলার জন্য এবং তাদের তাকফিরের ঘোষণা দেওয়ার জন্য জেদ ধরবেন না; বরং ‘লোকগুলো কুফরি হালতে আক্রান্ত হয়ে পড়েছে’ এ কথাটি স্মরণে নিয়ে তাদের ঈমানের দাওয়াত দিন এবং প্রজ্ঞা ও উত্তম উপদেশের মাধ্যমে তাদের অন্তরে ঈমানি চেতনা প্রবেশ করানোর চেষ্টা করুন। এর উদাহরণ ঠিক এমন, কোনো চিকিৎসক যখন কারও মধ্যে মরণব্যাধির উপস্থিতি টের পান, তখন মনে মনে এ কথাটি বুঝে নেওয়া ও নিশ্চিত হওয়া তার জন্য অবশ্যই জরুরি যে, ‘এই রোগীটি মরণব্যাধিতে ভুগছে’; কারণ এটা নিশ্চিত হওয়া ছাড়া রোগের চিকিৎসা করা অসম্ভব। কিন্তু একজন চিকিৎসকের জন্য এর চেয়ে বড় বোকামি আর কিছুই হতে পারে না যে, কারও মধ্যে মরণব্যাধি টের পাওয়ার সাথে সাথেই সে রোগীর মুখের ওপর সটান বলে দিল যে, ‘তুমি মরণব্যাধিতে আক্রান্ত’। এমন হলে সেটা তো কোনো চিকিৎসার পদ্ধতি নয়, বরং রোগীকে হার্ট অ্যাটাক করিয়ে মেরে ফেলার শামিল। বাকি রইল সেসব মানুষ, যারা সুষ্পষ্টভাবে আপনার কাছে এর যোগ্য বলে মনে হয় যে, মুসলমানদের সমাজ থেকে তাদের কেটে আলাদা করে ছুড়ে ফেলা উচিত; তো তাদের ব্যাপারে সঠিক কর্মপন্থা হলো, যখন কোনো শরিয়তসম্মত বিচার বিভাগ (কাজি) বিদ্যমান নেই এবং এমন কোনো শাসনব্যবস্থাও বলবৎ নেই যে, যে ব্যক্তি ইসলামি রাষ্ট্রব্যবস্থা ও সমাজ (জামায়াত) থেকে বের করে দেওয়ার যোগ্য তাকে সত্যিই বের করে দেওয়া যাবে, তখন ‘তাকফির’ (কাফির ঘোষণা করা) এবং ঈমান থেকে বের হয়ে যাওয়ার আনুষ্ঠানিক ঘোষণাসমূহ থেকে বিরত থাকা উচিত। আর কেবল এই বিষয়ের ওপরই সীমাবদ্ধ থাকা উচিত যে, ঈমানদার ব্যক্তিরা নিজেরাই এমন লোকদের সাথে বন্ধুত্ব, অভিভাবকত্ব (বিলায়াত), আন্তরিক ভালোবাসার সম্পর্ক এবং ওঠাবসা বর্জন করবে। তবে দ্বীন প্রচারের (তাবলিগ) উদ্দেশ্যে সাক্ষাত করার দরজা কোনো অবস্থাতেই বন্ধ করা উচিত নয়। গার্ডিয়ান থেকে প্রকাশিতব্য ‘সাইয়েদ আবুল আ’লা মওদূদীর কলমে জামায়াতে ইসলামীর আকিদা’ বই থেকে।
কুফরের দ্বিতীয় প্রকারের কথা ধরা যাক, যা কোনো মানুষকে ইসলামের গণ্ডি থেকে বের করে দেওয়ার এবং মুসলিম সমাজের সাথে তার সম্পর্ক ছিন্ন করে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট। এই বিষয়টি সম্পর্কে ভালো করে জেনে নেওয়া উচিত যে, শরিয়ত এই ‘তাকফির’ (কাউকে কাফির ঘোষণা করা)-কে কোনো সাধারণ বা অযোগ্য ব্যক্তির খেয়ালখুশির খেলনা বানায়নি। যেভাবে কোনো মানুষের শারীরিক হত্যার জন্য এই শর্ত রয়েছে যে, সেখানে একটি ইসলামি শাসনব্যবস্থা বিদ্যমান থাকবে, একজন ক্ষমতাপ্রাপ্ত বিচারক (কাজি) সমস্ত সাক্ষ্য-প্রমাণ এবং সামগ্রিক পরিস্থিতি অত্যন্ত ভালোভাবে খতিয়ে দেখে পুরোপুরি তদন্তের পর এই রায় দেবেন যে, ‘এই ব্যক্তিটি মৃত্যুদণ্ড পাওয়ার যোগ্য’, কেবল তখনই তাকে হত্যা করা যেতে পারে। ঠিক একইভাবে, একজন মানুষের আধ্যাত্মিক হত্যা অর্থাৎ ‘তাকফির’ (কাফির ঘোষণা করার) জন্যও এই শর্ত প্রযোজ্য যে, একজন শরিয়তসম্মত বিচারক (কাজি) পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করবেন, সেই ব্যক্তির নিজস্ব বক্তব্য নেবেন, তার অন্যান্য কথা ও কাজও যাচাই করে দেখবেন, সমস্ত সাক্ষ্যের ওপর গভীর বিবেচনা করবেন এবং এই সবকিছুর পর চূড়ান্ত ফয়সালা দেবেন যে, ‘এই ব্যক্তিকে মুসলিম জামায়াত থেকে বিচ্ছিন্ন করে ছুড়ে ফেলা উচিত’। যেখানে এমন
ঈমান ঠিক কোন কোন জিনিসের ওপর আনতে হবে? মুফতি Ali Hasan উসামা সাহেবের লেখা বইটি শীঘ্রই আসছে...!
'হাঁচির শব্দের গতি ঘণ্টায় কত কিলোমিটার জানেন? ১৬০ কিলোমিটার। এটি বেরিয়ে আসে ফুসফুস থেকে। একটি হাঁচির পেছনে কাজ করে ফুসফুসের অগণিত বায়ুথলি। একজন মানুষের ফুসফুসে সব মিলিয়ে ৭০০ মিলিয়ন বা ৭০ কোটির অধিক বায়ুথলি আছে। প্রতি নিশ্বাসে এরা সংকুচিত হয়। ফলে আমরা শ্বাস নিয়ে থাকি। এই শ্বাসের সঙ্গে প্রতি মুহূর্তে হাজারো ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়া আমাদের দেহে ঢুকতে চায়। এরা নাক দিয়ে শরীরে ঢোকে, এদের অনেকেই মারা যায় নাসারন্দ্রের মিউকাস গ্রন্থি থেকে বের হওয়া বিষাক্ত রসের প্রভাবে। যেসব ভাইরাস খুব শক্তিশালী, তারা আরও সামনে এগিয়ে যায়। তারা প্রতিহত হয় নাকের ভেতরের ছোটো ছোটো চুলের মতো সিলিয়ার পক্ষ থেকে। তাদের অনুপ্রবেশ সেখানে একধরনের বিদ্যুৎ জন্ম দেয়। যার প্রভাবে তৈরি হয় কাশি ও হাঁচি। প্রবল গতিতে এগিয়ে আসা এই হাঁচির মাধ্যমে সেই বিষাক্ত ভাইরাস ও ভ্যাকটেরিয়দের তাড়িয়ে দেওয়া হয়। জীবন রক্ষার এই যে আয়োজন, এত সুন্দর ব্যবস্থা আল্লাহ মানুষের জন্য করে দিয়েছেন, মানুষ তার সুফল ভোগ করছে। মানুষের অবশ্যকর্তব্য হলো এর জন্য আল্লাহর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা।
মুমিনের আখলাকের অন্যতম উপাদান হলো নম্রতা। কেউ কেউ বলেন এটা হলো 'আখলাকের রানি'। আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কুরআনে বলেন- 'রহমানের বান্দা তারাই, যারা পৃথিবীতে নম্রভাবে চলাফেরা করে'।
ইসলামের ইতিহাসে কারবালা এমন এক মর্মান্তিক ঘটনা, যার নৃশংসতা ভারাক্রান্ত করে প্রত্যেক মুমিনের অন্তর। আপনি কি কারবালার সঠিক ইতিহাস জানেন??
ইমাম ইবনুল জাওজি (রহ.) বাহরুল আমি কিতাবে উল্লেখ করেছেন, সাইদ ইবনে জুবাইর (রা.) থেকে বর্ণিত, কিয়ামতের দিন আল্লাহর সামনে এক লোককে উপস্থিত করা হবে। আর তার সামনে তুলে ধরা হবে তার আমলনামা। কিন্তু সে তাতে নামাজ, রোজা, হজ, জাকাত, তাসবিহ, তাহলিল কিছুই দেখতে পাবে না। তাই সে বলবে-'হে প্রভু! এটা তো আমার আমলনামা মনে হচ্ছে না? কেননা, আমি তো অনেক নেক কাজ করেছি, আর এতে তার কিছুই নেই।' তাকে বলা হবে-'নিশ্চয়ই তোমার রব বিভ্রান্ত নন এবং ভুলেও যান না। মনে হয় মানুষের গিবত করে তুমি সব আমল নষ্ট করে ফেলেছ।'
"আমি মানুষকে সৃষ্টি করেছি শুকনো ঠনঠনে পঁচা মাটি দিয়ে" সূরা আল-হিজর
ইস্তিকামাত (ধারাবাহিকতা) বারাকাহর মূল চাবিকাঠি ধারাবাহিকতা বা ইস্তিকামাত হলো বারাকাহর মূল। একবারে অনেক আমল করে ছেড়ে দেওয়ার চেয়ে অল্প অল্প করে নিয়মিত করা আল্লাহর কাছে অনেক বেশি প্রিয়। ছোটো ছোটো অভ্যাসই ধীরে ধীরে পাহাড়সম কাজ গড়ে তোলে। ধারাবাহিকতা মানুষের জীবনকে মজবুত করে। উদাহরণত রাসূল সা. বলেছেন-'আল্লাহর কাছে সবচেয়ে প্রিয় কাজ হলো যে কাজ নিয়মিত, যদিও তা অল্প।' বই: বারাকা ইফেক্টস ২৯০/- ফিক্সড প্রাইস।
১৬০০ সালের বাস্তবতা এমন ছিল-অনেকেই মনে করত, মুসলিম সাম্রাজ্য আর তাদের আশেপাশের এলাকাগুলোকে নিয়েই পৃথিবী। এই প্রসঙ্গে শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসবিদ মারশাল হজসন বলেন, ষোড়শ শতাব্দীতে যদি মঙ্গল গ্রহ থেকে কোনো পর্যটক পৃথিবীতে নেমে আসতেন, তাহলে তার মনে হতো যে, গোটা পৃথিবীই বোধ হয় মুসলমান হয়ে গেছে। তবে এটা সঠিক মূল্যায়নও নয়। কারণ, মুসলমানদের সেই গৌরবোজ্জ্বল অবস্থান আসলে ততদিনে হুমকির মধ্যে পড়ে গিয়েছিল। কারণ, এরই মধ্যে শুরু হয়ে গিয়েছিল ইউরোপীয় সভ্যতার উত্থান। বই: ডেস্টিনি ডিজরাপ্টেড।
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম অত্যন্ত জোর দিয়ে বলেছেন, বিয়ে শুদ্ধ হওয়ার জন্য বর-কনে উভয়ের সম্মতি আবশ্যক। অনেক হাদিসে তিনি জোর তাগিদ দিয়ে বলেছেন। বলেছেন, কোনো ব্যক্তি কোনো মহিলার কাছে বিয়ের প্রস্তাব পেশ করলে মহিলার সম্পূর্ণ অধিকার রয়েছে, চাইলে সে তা গ্রহণ অথবা প্রত্যাখ্যান করবে। হোক সে মহিলা কুমারী। অথবা বিধবা। উভয় অবস্থায় অবশ্যই মহিলার সম্মতি লাগবে। প্রথম অবস্থায়, মহিলা যদি কুমারী হয়, তখন হয়তো মহিলা স্পষ্টভাবে কবুল অথবা প্রত্যাখ্যান করার কথা বলবে। উভয়টি জায়েজ। অথবা চুপ থাকবে, অত্যন্ত লাজুকতার কারণে। তখন তার এই চুপ থাকাটা কবুল করার লক্ষণ হিসেবে ধরে নেওয়া হবে। আর দ্বিতীয় ক্ষেত্রে কবুল করলেও অবশ্যই স্পষ্টভাবে বলতে হবে, প্রত্যাখ্যান করলেও স্পষ্টভাবে বলতে হবে। তবে সর্বাবস্থায় অবশ্যই মহিলার সম্মতি লাগবেই। কাউকে বিয়ে করতে কোনো মহিলাকে বাধ্য করা যাবে না (বই: দ্যা রোল মডেল)
ইস্তিকামাত (ধারাবাহিকতা) বারাকাহর মূল চাবিকাঠি ধারাবাহিকতা বা ইস্তিকামাত হলো বারাকাহর মূল। একবারে অনেক আমল করে ছেড়ে দেওয়ার চেয়ে অল্প অল্প করে নিয়মিত করা আল্লাহর কাছে অনেক বেশি প্রিয়। ছোটো ছোটো অভ্যাসই ধীরে ধীরে পাহাড়সম কাজ গড়ে তোলে। ধারাবাহিকতা মানুষের জীবনকে মজবুত করে। উদাহরণত রাসূল সা. বলেছেন-'আল্লাহর কাছে সবচেয়ে প্রিয় কাজ হলো যে কাজ নিয়মিত, যদিও তা অল্প।' (বই:বারাকা ইফেক্টস)
প্রাচীন যুগে একজন নেককার বান্দা ছিলেন। তার মাথায় চুল ছিল না। গায়ে ছিল শ্বেতরোগ। চোখ দুটো অন্ধ। হাত-পা অচল। তিনি প্রতিনিয়ত আল্লাহর কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করে বলতেন-'সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য। তিনি আমাকে তাঁর অনেক বান্দা থেকে ভালো রেখেছেন।' একদিন জনৈক ব্যক্তি তার পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় এই কৃতজ্ঞতার ভাষা শুনে তাকে জিজ্ঞেস করল-'তুমি তো অন্ধ, টাকলা, শ্বেতরোগী এন্ড প্যারালাইসডও। তাহলে তুমি ভালো থাকলে কীভাবে?' তিনি বললেন-'দুর্ভাগ্য তোমার জন্য। আল্লাহ তায়ালা কি আমাকে জিকিরকারী জিহ্বা, শোকরগুজ অন্তর ও ধৈর্যশীল দেহ দেননি?' বড়োই পরিতাপের বিষয়, মানুষ শুধু সম্পদকেই আল্লাহর নিয়ামত মনে করে। আর সম্পদ পেলেই কেবল শুকরিয়া আদায়ের প্রয়োজন মনে করে একটিবারের জন্যও ভাবে না, চোখ আল্লাহর কত বড়ো নিয়ামত! দুনিয়াতে অন্ধের অভাব নেই। হাত আল্লাহর কত বড়ো নিয়ামত! দুনিয়ায় হাতবিহীন মানুষের অভাব নেই। পা আল্লাহর কত বড়ো নিয়া অথচ দুনিয়াতে পঙ্গু মানুষের কোনো কমতি নেই। তাই সব সময় আ শুকরিয়া জ্ঞাপন করো, তাহলে তিনি নিয়ামত বাড়িয়ে দেবেন। মানুষ বড়োই অকৃতজ্ঞ। 'তোমরা খুব অল্পই কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করো।' সূরা আরাফ: ৫ (বই : কুরআনের চিঠি)
চারটি স্পেশাল অপারেশন হেলিকপ্টার এসকর্টে চার জোড়া অ্যাপাচি হেলিকপ্টার কোনো রকম আলো ছাড়াই নিচ দিয়ে উড়ে ইরাকের আকাশসীমায় ঢুকে পড়ে। নিশানা ইরাকি রাডার স্টেশন। কপ্টারগুলো থেকে রাডার সিস্টেম বরাবর ছুটে যায় লেজার গাইডেড মিসাইল। একই সাথে চলে গান ফায়ার। অন্তত দুটি রাডার স্টেশন ধ্বংস করে দিয়ে ইরাকি আকাশসীমা ছাড়ে হেলিকপ্টারগুলো। রাডারব্যবস্থা দুর্বল হয়ে পড়ার সুযোগে আটটি F-15 যু*দ্ধবিমান ইরাকের আকাশে ঢুকে যায়। এর ঘণ্টাখানেক বাদেই আক্রমণে যুক্ত হয় F-117-G স্টিলথ এয়ারক্রাফট। বাগদাদ ও দক্ষিণ ইরাকের সরকারি স্থাপনাগুলোকে টার্গেট করে সমানে চলে বো*মা হা*মলা। বিমান আক্রমণের বিরতিতে মার্কিন নৌজাহাজ থেকে ছোড়া টোমাহক ক্রুজ মিসাইল বাগদাদ নগরীকে কাঁপিয়ে দেয়। সাইরেনের শব্দে ঘুম ভাঙা মানুষ দিগ্বিদিক ছুটতে থাকে নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে। হঠাৎ-ই ইরাকের আকাশে উড়তে শুরু করে আমেরিকার B-52 বো*মারু বিমান। তবে কি এক মৃত্যু উপত্যকা হতে যাচ্ছে বাগদাদ! পুরো লেখাটি পড়তে লিংকে ক্লিক করুন :https://www.guardianpubs.com/blogs/blog-details/69df56fd91668a82773dabfb
মাত্র ১০০ বছর আগেও পৃথিবীর বৃহৎ অংশ জুড়ে ছিল স্বর্ণ-রৌপ্যভিত্তিক বিনিময় ব্যবস্থার ব্যাপক প্রচলন। শুরুর দিকে জনগণের বিশ্বাস অর্জনে অ্যামেরিকার কেন্দ্রীয় ব্যাংক (ব্যক্তি মালিকানাধিন) ডলারের মূল্য ঘোষণা করে-১ আউন্স স্বর্ণ = ২০ ডলার। অর্থাৎ প্রতি ১ আউন্স স্বর্ণের বিপরীতে ফেড ২০ ডলার ইস্যু করবে। সাধারণ মানুষকে আহ্বান করা হয়, তারা যেন নিজেদের স্বর্ণগুলো ফেডের নিকট জমা রেখে সমপরিমাণ ডলার নিয়ে আসে। পুরো লেখাটি পড়তে লিংকে ক্লিক করুন : https://www.guardianpubs.com/blogs/blog-details/69cdf95191668a82773ba405
পাকিস্তানের পাশ্চাত্যপন্থি অভিজাতদের এক অংশের মধ্যে যদি আপনি ধর্ম সম্পর্কে কথা বলা শুরু করেন, তাহলে তারা অবশ্যই আপনাকে মোল্লা হিসেবে চিহ্নিত করবে। . পাকিস্তানে পশ্চিমাপন্থিদের একটা অংশ যে শুধু ধর্মনিরপেক্ষ তা নয়; এরা মূলত ইসলামবিরোধী। তারা ইসলামের ওপর আক্রমণ চালানোর জন্য মোল্লা বা মৌলবাদী চরিত্রকে ব্যবহার করে। . সাবেক তুর্কি প্রধানমন্ত্রী নাজমুদ্দিন আরবাকান তুরস্কের ইসলামবিরোধী অভিজাতদেরও অনুরূপ মনোভাবের কথা বলেছেন। এক সাক্ষাৎকারে তিনি বর্ণনা করেছিলেন, কীভাবে সংসদে নবি ﷺ-এর নাম নেওয়ার সাথে সাথে এরা দুয়োধ্বনি দিয়ে টেবিল চাপড়াত। . পাকিস্তানি সমাজের এই অংশটি এবং তাদের অনুগত প্রচারমাধ্যম আদাজল খেয়ে আমার পেছনে লেগে পড়ল। আমাকে ‘পুনর্জন্ম নেওয়া মুসলিম’ হিসেবে সমালোচনা করল। যাহোক, কোনো আধ্যাত্মিক পরিবর্তন রাতারাতি ঘটে না বা হঠাৎ করে চলে আসে না। অন্তর্জগতের এই যাত্রা সময় সাপেক্ষ। আমার জীবনের বিভিন্ন ঘটনা পরম্পরায় তা সঠিক রূপ লাভ করে। এটা কোনোও সোজাসুজি পথে আনন্দ ভ্রমণ নয়। এমনও সময় এসেছে, যখন আমি পিছিয়ে গিয়েছি কিংবা সন্দেহে পড়েছি। তবে কুরআন বিশ্বাসীদের সতর্ক করে বলেছে যে, তাদের ঈমান বিভিন্ন সংকট দ্বারা পরীক্ষা করা হবে। . আম্মা জানতেন, আমি যেসব বিষয় ঘৃণা করি তার একটা হলোÑ আমাকে কোনো কিছুতে বাধ্য করা। কেউ যদি আমাকে ভয় বা চাপের মাধ্যমে জোর করে ভালো মুসলিম বানানোর চেষ্টা করত, আমি ঠিক ততটাই প্রতিরোধ করতাম। . কুরআন স্পষ্ট বলেছে- ‘লা ইকরাহা ফিদ্দিন' ধর্মে কোনো জোর-জবরদস্তি নেই।’ . আপনি কাউকে জোর করে বিশ্বাস স্থাপনে বাধ্য করতে পারেন না। কারণ, দিনশেষে ঈমান হচ্ছে হৃদয় ও মনের সংগ্রাম। সুতরাং আমি যদি প্র্যাকটিসিং মুসলিম হয়েই থাকি, তাহলে তা অনেক চিন্তা-ভাবনার পর আমার নিজের সিদ্ধান্তের আলোকেই হয়েছি। আমি বিশ্বাস করি, মানুষ তখনই সত্যিকার অর্থে বদলায়, যখন তার বিশ্বাস পরিবর্তন হয়। যথেষ্ট আমোদ-প্রমোদে জীবন কাটানোর কারণে মানুষের পরিবর্তন হয়, এটা আমি বিশ্বাস করি না। ইমরান খান লিখিত ‘পাকিস্তান : আমার ইতিহাস’ বই থেকে... বইটিতে এখন মেগা ছাড় চলছে। ৩৮০ টাকা মূল্যের বইটি গার্ডিয়ানের ওয়েবসাইটে এখন ২৫০ টাকায় পেয়ে যাচ্ছেন। ছাড় পেতে প্রোমো কোড ব্যবহার করুন- প্রোমো কোড : MR250 https://www.guardianpubs.com/product-details/pakistan-amar-itihas
видео или голосовое, без подписи
আজকে মধ্যপ্রাচ্যে যত যু*দ্ধ, যত বলয়, যত পাওয়ারের লড়াই, তার ব্যকগ্রাউন্ড জানবেন এই বইয়ে। গত দুই শতাব্দির বিশ্বরাজনীতির সিনোপসিস পেতে পড়ুন-‘ব্যাটল ফল পাওয়ার‘ https://www.guardianpubs.com/product-details/battle-for-power
এবারের বইমেলায় প্রকাশিতব্য বই (১)। আধা ফিকশন ঢঙে লেখা এই বইটি আপনাদের পছন্দ হবে ইনশাআল্লাহ।