The Muslim POV
СтатистикаThe "dead" in Gaza are a number in media, a score to Israel, and collateral damage to the West. But to us, they're not even dead (Quraan 2:154). That is the Muslim point of view, unrelented by political correctness and rhetoric.
- Последний пост
- 22 июл.
- Последнее чтение
- 13 авг.
- Постов за неделю
- 0
- Всего постов
- 20
- Тип
- открытый
- Язык
- bn
- В каталоге с
- 13 авг.
- 1/24сутки в ленте
- 170
- 1/48двое суток
- 194
- 1/72трое суток
- 210
Оценка по просмотрам недавних постов: пост набирает почти всё за первые сутки.
Посты
"কথা হচ্ছে তোমার কাছে বন্দী, তবে যখন তা তোমার মুখ থেকে একবার বের হয়ে যায় তখন তুমি তার কাছে বন্দী হয়ে যাও। আল্লাহ তাআলা প্রত্যেক বক্তার জবানকে পর্যবেক্ষণ করে থাকেন। তিনি বলেন, «{مَا يَلْفِظُ مِنْ قَوْلٍ إِلَّا لَدَيْهِ رَقِيبٌ عَتِيدٌ» 'সে যে কথাই উচ্চারণ করে তার কাছে সদা উপস্থিত সংরক্ষণকারী রয়েছে'।[১]"।[২] . ~ ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম [রাহ.] . [ ১) সূরা ক্বফ: ১৮; ২) ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম (রাহ.), আদ দা ওয়াদ দাওয়া, পৃ: ৩৭৫]
আল্লাহর ﷻ আইনের শাসন ছাড়া অন্য সব সিস্টেমে কোন একটা ফিল্ডে সফলতার শীর্ষে পৌঁছতে কোন না কোন চেকপয়েন্টে ঈমান খুলে জমা রেখে যেতে হয়।
মুসলিম অ্যাক্টিভিস্টরা ইনফাইটিংয়ে মজে থাকেন। এদিকে লিবটার্ডরা অত্যন্ত মেথডিকালি তাদের একের পর এক এজেন্ডা টেবিলে প্লেইস করছে। সমকামকে লিগালাইজ করার হোমওয়ার্ক শেষ, সেই এজেন্ডাকে আপন গতিতে চলার ব্যবস্থা করে দিয়ে এখন গাঁজা লিগালাইজ করার এজেন্ডা হাজির করে ফেলেছে। সাবেক The Daily Star কর্মী Tasneem Khalil এর Netra News হয়তো এই রিপোর্ট দিয়ে গাঁজার পক্ষে দেশীয় লিবটার্ডদের আসন্ন ক্যাম্পেইনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করল। লিবটার্ডদের প্লে-বুক সম্পর্কে ধারণা থাকলে নিশ্চয়ই জানেন যে এলজিবিটিকিউ, সেইম-সেক্স ম্যারেজ, জেন্ডার অ্যাফার্মেশান, ডিক্রিমিনালাইজেশান অফ মারিজুয়ানা, অ্যাবলিশান অফ ডেথ পেনাল্টি, অ্যাবরশন অ্যাকসেস, এগুলা হচ্ছে দেশ-জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে তাদের বৈশ্বিক চাওয়া। দেশ ও সমাজ বিবেচনায় একেক দেশে তারা একেকটা এজেন্ডা একেক সিরিয়ালে হাজির করে। গ্লোবালিস্ট এজেন্ডার ধারক-বাহক ওয়েস্টার্ন এম্বেসি ও বিগ কর্পোরেটরা তাদের এসব এজেন্ডায় প্রত্যক্ষ-পরোক্ষ এমনই ব্যপক সাপোর্ট দেয় যে লোকাল কোন প্রেশার গ্রুপ বা ফ্যাক্টর যথেষ্ট শক্ত বিরোধীতা না করলে এদেরকে ঠেকানো প্রায় অসম্ভব। এদের ফুল-ফ্লেইজেড প্রপাগান্ডা, কর্পোরেট, লিগাল ও ডিপ্লোম্যাটিক উইঙ্গ আছে। গত ১০/১৫ বছরের সমকাম ও এলজি পন্থী প্রচারণার (Grameenphone ও Robi-র থীম-বেইসড নাটক-অ্যাড-স্পন্সর, BRAC ও 10 Minute School সংশ্লিষ্টদের প্রচার, ফারুকি গ্রুপের নির্মাতাদের নাটক-সিনামা ইত্যাদি) পর এখন যখন সেই ইস্যুটা লিগাল ওয়ার্ক স্টেইজে আছে এবং এটার পক্ষের কোন না একটা আইনের ধারা-উপধারা সংবিধানে ঢোকার অপেক্ষায় আছে মা'আযাল্লাহ, ঠিক তখন তাদের নেক্সট এজেন্ডাগুলা (যেমন এই গাঁজা) পুশ করা শুরু হচ্ছে। আপনি আমি এগুলা নিয়ে ব্যস্ত থাকতে থাকতেই দেখবেন ব্যাকগ্রাউন্ডে নীরবে সমকাম ও এলজির আইনী ভিত্তি তৈরি হয়ে যাবে, মা'আযাল্লাহ। ঠিক যেন ইবলিসের স্ট্র্যাটেজি- প্রথমে একটু বিচ্যুতি, তারপর আরেকটু, তারপর এটাকে ভুলিয়ে দিতে আরেকটা, তারপর আরেকটা, এভাবে শেষমেশ সর্বনাশ। না'ঊযুবিল্লাহ। মুসলিম ভাইবোনদেরকে বলছি, আপনার-আমার বহিঃশত্রুদের আগ্রাসন ও কৌশল দ্বারা আমরা এতটাই ওভারওয়ার্কড যে আমাদের সময় ও এনার্জির এক ফোঁটাও অপব্যয় করা আমাদের জন্য অ্যাকসেপ্টেবল না। ইনফাইটিং বা অন্তর্কোন্দলের জন্য তো না-ই।
видео или голосовое, без подписи
আপনি চাইলে এই ভিডিওটা দিয়ে বাংলাদেশের রাজনীতি বিষয়ে আপনার জ্ঞান পরখ করতে পারেন। তার জন্য আপনাকে এই ভিডিওটা আপনার চেনাজানা আওয়ামী লীগারদের সাথে শেয়ার করতে হবে। ভিডিওটা দেখিয়ে আপনি তাদের প্রতিক্রিয়া নেন, তারা কি শহীদ আবু সাঈদ রা'হীমাহুল্লাহর খু*নী এই এএসআই আমির হোসেনের সাথে একমত কিনা জিজ্ঞেস করেন। আওয়ামী লীগাররা যে অধিকাংশই এই আমির হোসেনের সাথে একমত এটা জানার পর যদি দেখেন আপনি সারপ্রাইজ্ড হয়েছেন, তাহলে বুঝে নিবেন বাংলাদেশের রাজনীতি সম্পর্কে আপনার আরও জ্ঞান অর্জন বাকি আছে।
শহীদ অ্যাডভোকেট আলিফ রা'হীমাহুল্লাহকে যখন কোর্ট চত্বর থেকে সিএনজি স্কুটারে করে হস্পিটালে নেয়া হচ্ছিল, উনার মাথা কোলে আরোহীদের একজন ফেসবুক লাইভ চালু করে দিয়েছিলেন। আলিফের গলার কা*টা ক্ষতটা যেভাবে ঘাড়ের পেছন পর্যন্ত টেনে নেয়া দেখা যাচ্ছিল, বোঝাই যাচ্ছিল এটা কোন র্যান্ডম হামলা বা কোপ না বরং টার্গেট করে কয়েকজন মিলে শুইয়ে হাত পা চেপে ধরে সংঘটিত মার্ডার। যদি ভুল না হয়ে থাকি, মার্ডারে ব্যবহৃত ধারালো অস্ত্রটি বেশ ছোট কোন অস্ত্র ছিল। যারা জানেন না তাদের জন্য— অ্যাডভোকেট আলিফ শুধুই সেদিন ইস্কন নেতা চিন্ময়ের শুনানিতে কোর্টে দাঁড়ানো একজন র্যান্ডম মুসলিম লইয়ার ছিলেন না। আলিফ ছিলেন ইস্কন সহ নানাবিধ উগ্র হিন্দু সংগঠনের আস্তানা চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটানে ভাগওয়া লাভ ট্র্যাপ কেইস, রিভার্টেড মুসলিমদেরকে হয়রানি ইত্যাদি হিন্দুত্ববাদী প্রজেক্টের বিরুদ্ধে সক্রিয় মুসলিম লইয়ারদের একজন এবং 'উলামায় কিরামের সহযোগী। ইস্কন উনাকে টার্গেট করেই খুন করেছে এবং চিটাগাং সহ সারা দেশের তাওহীদবাদী মুসলিদেরকে একটা মেসেজ দেয়ার চেষ্টা করেছে। উনার মার্ডার কেইসটাকে আমাদেরকে ক্লোজলি মনিটর করতে হবে।
видео или голосовое, без подписи
видео или голосовое, без подписи
видео или голосовое, без подписи
আবু সা'ঈদ আল-খুদরি রাদ্বিয়াল্লাহু 'আনহু থেকে বর্ণিতঃ রাসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, "এমন কোন মুসলিম নেই যে আল্লাহ তা'আলার কাছে গুনাহ বা আত্মীয়তা ভঙ্গের উদ্দেশ্য ছাড়া অন্য যেকোন দু'আ করে আর আল্লাহ তা'আলা জবাবে এই তিনটির একটি করেন না— (১) তিনি হয় দু'আটি ক্ববূল করে নেন, (২) আখিরাতের জন্য নেক 'আমল হিসেবে জমা রাখেন, (৩) তিনি তাকে অনুরূপ কোন অনিষ্ট থেকে রক্ষা করেন।" এ কথা শুনে উপস্থিত সাহাবায় কিরাম রাদ্বিয়াল্লাহু 'আনহুম বলে উঠেন, "তাহলে তো আমরা আরও বেশি বেশি দু'আ করব"। তখন জবাবে রাসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, "আল্লাহ তা'আলার কাছে তার চেয়েও বেশি আছে"। (মুসনাদ 'আহমাদ, 'হাদীস নং ১১১৩৩)
ক্বুরআনে কখনও "অধিকাংশ" (أكثر) লিখে সার্চ করে দেখেছেন? প্রায় ৮০টি মেনশানের সব নেগেটিভ— অজ্ঞ, বেআক্বল, ফাসিক্ব, নাশোকর ইত্যাদি।
শুধু গণতন্ত্র একা না, বরং স্বৈরতন্ত্র, সমাজতন্ত্র, সমরতন্ত্র ইত্যাদি শাসনব্যবস্থার প্রত্যেকটিই আল্লাহ তা'আলার আইনের শাসনব্যবস্থার পরিপন্থী। তার মধ্যে গণতন্ত্র নিকৃষ্টতম কারণ এটি শুধু নামেই কুফ্র নীতির (জনগণ সকল ক্ষমতার উৎস, জনগণের রায়ই চূড়ান্ত ইত্যাদি) উপর পরিচালিত না, কার্যক্ষেত্রে গত শতাব্দীতে গণতন্ত্র নামীয় শাসনব্যবস্থার ব্যপক প্রচারের পর থেকে এই মুহুর্ত পর্যন্ত বিশ্বব্যাপী আল্লাহ তা'আলার আইনের পরিপন্থী সবচেয়ে বেশি সিদ্ধান্ত এই গণতন্ত্রের নামে গৃহীত ও বাস্তবায়িত হয়েছে। অতএব, এই শাসনব্যবস্থায় যে-ই পার্টিসিপেইট করে সে শুধু আল্লাহ তা'আলার শাসনের পরিপন্থাই অবলম্বন করে না, তার সমর্থিত দল বা পক্ষ ইসলামের পরিপন্থী যত কাজ করবে তার দায়ও তার উপর বর্তাবে। এক্ষেত্রে "মুসলিমরা নিষ্ক্রিয় থাকলে তো অন্যরা শাসনের দখল নিয়ে নিবে", "আমরা গণতন্ত্র দিয়ে মানুষের সমর্থন সহকারে ইসলাম ক্বায়েম করব", "আমরা আপাতত কৌশল হিসেবে ইসলামকে সরিয়ে রাখছি কিন্তু ক্ষমতা পেলে ঠিকই ইসলাম ক্বায়েম করব" টাইপের যতগুলো আর্গুমেন্ট আছে, সেগুলোর জবাবে রাসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লামের একটি সতর্কতামূলক উক্তি দিয়ে পোস্ট শেষ করছি— ❝মুমিন এক গর্তে দুই বার দংশিত হয় না❞। (বুখারী ৬১৩৩) ইন ফ্যাক্ট, রাসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লামের একটি দু'আ দিয়ে পোস্ট শেষ করছি— [اللهم] لا تسلط علينا من لا يرحمنا উচ্চারণঃ [আল্লাহুম্মা] লা তুসাল্লিত্ব 'আলাইনা মাল-লা ইয়ার'হামুনা অর্থঃ [হে আল্লাহ] এমন কাউকে আমাদের উপর শাসনভার দিবেন না যে আমাদের উপর দয়া করবে না। (জামি' আত-তিরমীযি, হাদীস নং ৩৫০২)
A Jamaat govt borne by a hard fought election will be a weak govt. A Jamaat-BNP coalition govt borne by a hung election will be a weak (fragile) govt. A BNP govt borne by a hardfought election will be a weak govt. A BNP govt borne by a rigged election will be even a weaker govt. Because state power is finite. With most of it centralized into Hasina's leftover pro-India deep state constituted of the military-civil bureaucracies and the oligarch-owned media, little is spared for the 12 February winner to exercise. These govts (BNP or Jamaat) will inherit office, not authority. The only path to authority is to subdue that deep state, which BNP cannot simply because it's incompetent, and Jamaat-NCP cannot because they're bound by geopolitical constraints. That is why, democracy for Bangladesh is basically like All Time's milk bread. Not only it's made by the worst ever manufacturer (Pran-RFL), it's also fake (artificial essence-flavoured).
যারা বিশ্বাস করেন হাদির পক্ষের মানুষ হিসাবে আসন্ন ইলেকশানে আপনাদের একটা স্ট্যান্স নিতে হবে — আপনাদের স্ট্যান্সটা কী হওয়া উচিত আমি বলে দেই। আপনাদের স্ট্যান্স হওয়া উচিত যে আপনারা গণতন্ত্র নামের এই কুফ্রতন্ত্রকে কায়মনোবাক্যে আল্লাহ তা'আলার ওয়াস্তে প্রত্যাখ্যান করবেন এবং শুধু, শুধু ও শুধুমাত্র আল্লাহ তা'আলার আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করার ক্ষেত্রে পরিপূর্ণ আত্মনিয়োগ করবেন। আমি জানি এই কথা শুনে অনেকে অনেকভাবে রিঅ্যাক্ট করবে। আমি এখানে পোস্টফ্যাক্টো দুইটা রিঅ্যাকশানের উত্তর দিচ্ছি। প্রথম রিঅ্যাকশান— আপনি যেটাকে কুফ্রতন্ত্র বলছেন ওসমান হাদি নিজেই তো সেটায় বিশ্বাস করে সেই পথে হাঁটছিল। উত্তরঃ হ্যাঁ, হাঁটতে গিয়েছিল। এবং সে সেই পথে মা*রা*ও পড়েছে। হয়তো গেইম কনট্রোলাররা তার মধ্যে গেইমচেইঞ্জিং ক্যাপাবিলিটি দেখতে পেয়েছিল। এজন্য তাকে সরিয়ে দিয়েছে। যে-ই গেইমচেইঞ্জ করতে যাবে, তাকেই সরিয়ে দেয়া হবে। লি*বিয়ায় ইলেকশান হলেই গাদ্দা*ফির ছেলে পাশ করবে বলে সেই ২০২১ সাল থেকে ইলেকশান হোল্ড করে রেখেছিল। ফাইনালি গেল সপ্তাহে গাদ্দা*ফির ছেলেকে মে*রে ফেলেছে। এবার দেখবেন ঠিকই ইলেকশান হবে। দ্বিতীয় রিঅ্যাকশান— ও আচ্ছা, সিস্টেম এররের কারণে আমরা এখন বিচার পাওয়া নিয়ে একটু পেরেশানিতে আছি তাই তুমি মিয়া জি*হাদি হুজুর এসে এই চান্সে তোমার ক*ল্লাকা*টা সিস্টেমের প্রচার করছ? উত্তরঃ কাইন্ডা ইয়েস। কারণ আল্লাহ তা'আলা সমস্ত সুস্থ-সবল বান্দাকে ভালো-মন্দ যাচাই করার ইন্টেলেক্ট দিয়ে দুনিয়ায় পাঠিয়েছেন, মানসিক প্রতিবন্ধী হলে ভিন্ন কথা। এবং বেইসিক ইন্টেলেক্টের যেকোন মানুষের ক্ষেত্রে দস্তুর হচ্ছে সে কোন একটা প্র্যাকটিকাল ঘটনার কজ্ অ্যান্ড এফেক্ট বুঝবে এবং সেই বুঝের অভিজ্ঞতাকে আগামীতে কাজে লাগাবে। হাদি হ*ত্যার বিচার যে কারও কাছে চাওয়ার বস্তু না, এটা যে নিজ হাতে করার বস্তু, এখনও এটা বোঝার মত ব্রেইন যাদের নাই, তাদের সাথে আসলে তর্ক চলে না। বুঝদিল মানুষের সাথে তর্ক করা শারী'আহ মতে জায়েজও না। এক্ষেত্রে করণীয় হচ্ছে স্রেফ প্লেইনলি বলা। তাই আমি এই পোস্টের ফার্স্ট দুই প্যারায় স্রেফ প্লেইনলি বললাম।
বাংলাদেশের বর্তমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার দায়িত্ম দেশকে ইণ্ডিয়া থেকে রক্ষা করা না, বরং ইণ্ডিয়াকে বাংলাদেশিদের হাত থেকে রক্ষা করা।
এদেশে হুজুর মেরে সফল হওয়ার একমাত্র উপায়— হাসিনার চেয়েও খারাপ হওয়া। আজ যারা ওপথে যেতে চায়, তারা কি কাল লীগের পরিণত ভুগতে প্রস্তুত?
হাদির জানাজার স্যাড রিয়ালিটি হচ্ছে, ফার্স্ট কাতারে কিছু লোক বাদে বাকি সবই জুলাইর গাদ্দাররা দাঁড়াবে।
রাস্তায় মরে পড়ে থাকলে লুঙ্গি তুলে দেখতে হবে মুসলমান কিনা এমন লোকজনও এখন বয়ান মারাচ্ছে বাঙ্গালি মুসলমান কী ডিজার্ভ করে আর করে না।
এখনও শেষ না। আল্লাহ তা'আলা হাদিকে 'হায়াতে তাইয়্যিবা দান করুন। ইন্নাল্লাহা 'আলা কুল্লি শাই-ইন ক্বদীর।
জুলাই ম্যাসাকারে প্রত্যক্ষ-পরোক্ষ ভাবে জড়িত ছিল ও সেই সংক্রান্ত মামলা সহ অভূতপূর্ব দুর্নীতির অগুনিত মামলায় চৌদ্দ দিকের ভেতরে থাকা লীগের কুকুরকে হিরোর বেশে প্রেজেন্ট করা হচ্ছে কারণ তারা মুক্তিযোদ্ধা ছিল। অর্থাৎ মুক্তিযুদ্ধের নামে লীগ যত আকামই করুক না কেন সব জায়েজ। মুক্তিযুদ্ধকে এভাবে যত্রতত্র কনডমের মত ব্যবহার করা শাহবাগীরা আবার ব্যথিত হয় যে দেশের নিউ জেনারেশান মুক্তিযুদ্ধকে যথেষ্ট মূল্যায়ন করছে না। বাই দ্য ওয়ে, Bangla Tribune এর মালিক প্রতিষ্ঠান হচ্ছে লীগের দোসর ও লীগ আমলের অন্যতম সুবিধাভোগী 'জেমকন গ্রুপ', যার মালিক কাজী আনিস আহমেদকে বিদেশে টাকা পাচারের মামলায় গত মাসে অ্যাসেট ফ্রিজ ও ট্রাভেল ব্যানের আওতায় আনা হয়েছে। এরা ইংলিশ পত্রিকা Dhaka Tribune ও সুপারশপ Meena Bazar-এরও মালিক। হাল আমলে লীগ পুনর্বাসনে বিশেষ সক্রিয় মাসুদ কামাল এই বাংলা ট্রিবিউনেরই একজন কর্মচারী ও সম্ভবত হেড অফ নিউজ।