- Последний пост
- 13 авг.
- Последнее чтение
- 14 авг.
- Постов за неделю
- 1
- Всего постов
- 27
- Тип
- открытый
- Язык
- bn
- Категория
- Новости и СМИ (по похожим)
- В каталоге с
- 14 авг.
- 1/24сутки в ленте
- 46
- 1/48двое суток
- 52
- 1/72трое суток
- 56
Оценка по просмотрам недавних постов: пост набирает почти всё за первые сутки.
Посты
সালমান ইবন আমির (রাঃ) হতে বর্ণিত। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “নিশ্চয় মিসকিনকে সদকা করা একটি সদকা; আর আত্মীয়-স্বজন কে সদকা করা দুটি— সদকা ও আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষা।” সুনান আন-নাসাঈ: ২৫৮২ (সহীহ); তিরমিযী: ৬৫৮; ইবনু মাজাহ: ১৮৪৪; মুসনাদ আহমদ: ১৬২৭৯
সৌদী আরবের সাবেক গ্র্যান্ড মুফতী শাইখ আব্দুল আজিজ ইবন বায রাহিমাহুল্লাহ বলেন— "শাসকদের ত্রুটি-বিচ্যুতি প্রচার করা এবং মিম্বারে দাঁড়িয়ে তা মানুষের সামনে তুলে ধরা সালাফদের পদ্ধতি নয়। কারণ এর ফলে সমাজে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়, ন্যায়সঙ্গত বিষয়ে শাসকের আনুগত্য দুর্বল হয়ে যায় এবং এমন আলোচনা শুরু হয় যা উপকারের চেয়ে ক্ষতিই বেশি করে। বরং সালাফদের অনুসৃত পদ্ধতি ছিল—শাসকের সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে নসীহত করা, তাকে চিঠি লেখা, অথবা এমন আলেমদের মাধ্যমে তার কাছে কথা পৌঁছে দেওয়া, যাদের সঙ্গে তার যোগাযোগ রয়েছে, যাতে তারা তাকে কল্যাণের দিকে পরিচালিত করতে পারেন। তবে কোনো অন্যায় কাজের নিন্দা করতে গেলে অপরাধীর নাম উল্লেখ না করেও তা করা যায়। যেমন—যিনা, মদপান ও সুদের নিন্দা করা এবং মানুষকে এসব থেকে সতর্ক করা—এসব করা অবশ্য কর্তব্য। এ ক্ষেত্রে কে করেছে, সে শাসক হোক বা সাধারণ মানুষ—তার নাম উল্লেখ করার প্রয়োজন নেই। উসমান ইবন আফফান (রা.)-এর শাসনামলে যখন ফিতনা দেখা দেয়, তখন কিছু লোক উসামা ইবন যায়েদ (রা.)-কে বলল, 'আপনি কি উসমানের সঙ্গে কথা বলবেন না?' তিনি উত্তরে বললেন, 'তোমরা কি মনে কর, আমি যদি তার সঙ্গে কথা বলি, তবে তা তোমাদের শুনিয়েই করতে হবে? আমি তো তার সঙ্গে আমার ও তার মধ্যেই কথা বলি। আমি এমন একটি পথের সূচনা করতে চাই না, যার সূচনাকারী আমি নিজে হতে চাই না।(বুখারী ৩২৬৭; মুসলিম ২৯৮৯)" [মাজমূউ ফাতাওয়া লি শাইখ ইবন বায: ৮/২১০–২১১]
মহান আল্লাহর উপর ঈমানহীন, অভাবী, নিঃস্ব-ক্ষুধার্তদেরকে খাদ্য দান করতে উৎসাহ দেয় না এমন ব্যক্তি অপমানিত অবস্থায় জাহান্নামে প্রবেশ করবে। আল্লাহ সুবহানাহু তাআলা বলেন, "ঐ ব্যক্তিকে ধর এবং গলায় রশি লাগিয়ে দাও অতঃপর নিক্ষেপ কর জাহান্নামে, সে তো ঈমান আনেনি মহান আল্লাহর উপরে আর সে অভাবী-ক্ষুধার্তদেরকে খাবার খাওয়ানোর ব্যাপারে মানুষকে উৎসাহিত করেনি।"¹ আব্দুল্লাহ ইবনে আমর হতে বর্ণিত। একদা এক ব্যক্তি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে প্রশ্ন করলেন, 'ইসলামে কোন কাজটি শ্রেষ্ঠ?' রাসূল বললেন, ইসলামে সবচেয়ে ভাল কাজ হচ্ছে ক্ষুধার্ত ব্যক্তিকে খাবার খাওয়ানো।"² রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, "তোমরা বেশী বেশী ক্ষুধার্তকে খাদ্য দান কর, তাহ’লে শান্তির সাথে জান্নাতে প্রবেশ করবে।"³ ¹হাক্কাহ ৩০-৩৪ ²মুসলিম: ৩৯; মিশকাত: ৪৬২৯ ³তিরমিযী: ১৯৮৪; মিশকাত: ১২৩২
ইবনুল কাইয়্যিম রাহিমাহুল্লাহ বলেন, "সূক্ষ্ম প্রজ্ঞার একটি দিক হলো—যে ব্যক্তি মানুষের অনুসরণীয় বা কর্তৃত্বশীল, তার ভুল জনসমক্ষে তুলে ধরো না। কারণ এতে তার মর্যাদা তাকে নিজের ভুলের পক্ষাবলম্বন করতে বাধ্য করতে পারে। ফলে এটি আরেকটি ভুলের জন্ম দেয়। বরং নম্রতা ও কৌশলের সঙ্গে তাকে এমনভাবে তার ভুল জানিয়ে দাও, যাতে অন্য কেউ তা জানতে না পারে।" [আত-তুরুকুল হুকমিয়্যাহ: ১/১০৩]
ইবন রাজাব আল-হাম্বলী রাহিমাহুল্লাহ বলেন, "সালাফগণ যখন কাউকে উপদেশ দিতে চাইতেন, তখন তা গোপনে দিতেন। এমনকি তাদের একজন বলেছেন, 'যে ব্যক্তি তার ভাইকে তার সঙ্গে একান্তে উপদেশ দেয়, সেটিই প্রকৃত নসীহত। আর যে লোকসমাগমের সামনে তাকে উপদেশ দেয়, সে মূলত তাকে ভর্ত্সনা ও অপমানই করে।" [জামিউল উলূম ওয়াল হিকাম: ১/২২৫]
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, "যদি কারো নিকট শাসককে প্রদান করার জন্য কোন উপদেশ থাকে তাহলে সে যেন তা প্রকাশ্যে জনসম্মুখে না বলে। বরং সে যেন শাসকের হাত ধরে একান্তে/নির্জনে বলে। যদি শাসক তার উপদেশ গ্রহণ করে তো ভালো। আর যদি গ্রহণ না করেন, তবুও উপদেশদাতা তার ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করেছে এবং নিজের কর্তব্য সম্পন্ন করেছে।" [মুসনাদে আহমদ: ২৪/৪৮; আস-সুন্নাহ লি ইবনে আবি আসিম: ২/৫২১; আল-কামিল লি ইবনে আদী: ৬/২৮২]
আব্দুল্লাহ বিন আবী আওফা (রাঃ) হতে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, "নিশ্চয় মহান আল্লাহ বিচারকের সাথে থাকেন, যতক্ষণ সে অন্যায় বিচার করে না। অতঃপর সে যখন অন্যায় বিচার করে, তখন তিনি তার সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করেন এবং শয়তানকে তার সাথী বানিয়ে দেন।" তিরমিযী ১৩৩০, হাকেম ৭০২৬, বাইহাক্বী ১৯৯৫৪, সহীহুল জামে’ ১৮২৭
ইসলামী আকীদার অনিবার্য দাবি হচ্ছে ইসলামী শরী'আহ অনুযায়ী জীবনযাপন করা। কোনো ব্যক্তি ইসলামী আকীদায় বিশ্বাসী হলে সে ব্যক্তি ইসলামী শরী'আহ বাদ দিয়ে কোনো জীবনব্যবস্থা বা চিন্তার ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারে না। কেননা ইসলামী শরী'আহ বাদ দিয়ে অন্য কোনো জীবন-ব্যবস্থা, মতবাদ বা আদর্শ গ্রহণ করা, তা পছন্দ করা, তা দিয়ে বিচার ফয়সালা করা কিংবা তা অধিক উপযুক্ত বা উত্তম মনে করা ‘কুফরের আকবার’ ও ইসলাম ভঙ্গের অন্যতম কারণ। এ সম্পর্কে আল্লাহ তাআলা বলেন, ﴿وَمَن لَّمْ يَحْكُم بِمَا أَنزَلَ اللَّهُ فَأُولَٰئِكَ هُمُ الْكَافِرُونَ﴾ “আর যারা আল্লাহ যা নাযিল করেছেন, তার মাধ্যমে ফয়সালা করে না, তারা কাফির।” [সূরা মায়িদা : ৪৪] তিনি আরো বলেন, ﴿وَمَن يَبْتَغِ غَيْرَ الْإِسْلَامِ دِينًا فَلَن يُقْبَلَ مِنْهُ وَهُوَ فِي الْآخِرَةِ مِنَ الْخَاسِرِينَ﴾ “আর যে ব্যক্তি ইসলাম ছাড়া অন্য কোনো দীন চায়, তবে তার কাছ থেকে তা কখনো গ্রহণ করা হবে না এবং সে ব্যক্তি আখিরাতে ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তর্ভুক্ত হবে।” [সূরা আলে ইমরান : ৮৫]
বুরাইদা (রাঃ) হতে বর্ণিত। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, কাযী (বিচারক) তিন প্রকার। এদের মধ্যে একজন জান্নাতী এবং অপর দু’জন জাহান্নামী। জান্নাতী হল সেই বিচারক যে ’হক’ (সত্য) জানল এবং সেই অনুযায়ী বিচার করল। আর যে বিচারক ’হক’ জানা সত্ত্বেও অবিচার করল সে জাহান্নামী এবং যে বিচারক না জেনে (বিনা ইলমে) লোকেদের বিচার করল সেও জাহান্নামী। আবূ দাউদ ৩৫৭৩, তিরমিযী ১৩২২, ইবনে মাজাহ ২৩১৫, সহীহুল জামে’ ৪৪৪৬
আমর বিন আস (রাঃ) হতে বর্ণিত। রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, "বিচারক যদি সুবিচারের প্রয়াস রেখে বিচার করে অতঃপর তা সঠিক হয়, তবে তার জন্য রয়েছে দুটি সওয়াব। আর সুবিচারের প্রয়াস রেখে যদি বিচারে ভুল করেও বসে, তবে তার জন্যও রয়েছে একটি সওয়াব।" [বুখারী: ৭৩৫২; মুসলিম: ৪৫৮৪]
আব্দুল্লাহ বিন উমার (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, "...এবং যতক্ষণ পর্যন্ত তাদের নেতারা (শাসক গোষ্ঠী ও ইমামগণ) আল্লাহর কিতাব অনুযায়ী বিধান (ও ফায়সালা) না দেয় এবং আল্লাহ যা অবতীর্ণ করেছেন তা বরণ না করে, ততক্ষণ পর্যন্ত আল্লাহ তাদের মাঝে গৃহদন্ধ বহাল রাখেন।" ইবনে মাজাহ ৪০১৯, বাইহাক্বীর শুআবুল ঈমান ১০৫৫০, সহীহ তারগীব ৭৫৯
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, "......আর যখন তুমি কোন কথার উপর কসম খাবে, অতঃপর তা থেকে অন্য কাজ উত্তম মনে করবে, তখন উত্তম কাজটা কর এবং তোমার কসমের কাফ্ফারা দিয়ে দাও।" [বুখারী: ৬৭২২, ৭১৪৬; মুসলিম: ৪৩৭০]
আবূ উমামা (রাঃ) হতে বর্ণিত। আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, "যে ব্যক্তি নিজের কসম দ্বারা কোন মুসলিমের অধিকার হরণ করে, সে ব্যক্তির জন্য আল্লাহ দোযখ ওয়াজিব এবং জান্নাত হারাম করে দেন। লোকেরা বলল, ’যদিও সামান্য কিছু হয় তাও, হে আল্লাহর রসূল!’ বললেন, যদিও বা পিল্লু (গাছের) একটি ডালও হয়।" [মুসলিম: ৩৭০; ইবনে মাজাহ: ২৩২৪]
কাব বিন মালিক আল আনসারী হতে বর্ণিত। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, "দুটি ক্ষুধার্ত নেকড়েকে ছাগলের পালে ছেড়ে দিলে তা যতটা ক্ষতিসাধন করে, সম্পদের লোভ ও সম্মানের লোভ মানুষের দ্বীনের তার চেয়েও বেশি ক্ষতিসাধন করে।" [আহমাদ: ৩/৪৫৬,৪৬০; ইবনে হিব্বান: ২৪৭২; আত-তিরমিযী: ২৩১৭(আত-তিরমিযী এর বর্ণনাকে সহীহ বলেছেন)]
ইবনুল জাওযী রাহিমাহুল্লাহ বলেছেন, “উলামাগণ যখন শাসকদের সাথে মেশা শুরু করেন ইবলিস তখন তাদেরকে ধোঁকা দেয়ার চেষ্টা করে। এই ধোঁকার ফলে আলেমগণ শাসকদের তোষামোদ করা শুরু করেন এবং সুযোগ থাকা স্বত্বেও তাদেরকে অন্যায় কাজে বাধা প্রদান থেকে বিরত থাকেন। তারা শাসকদের সে সকল ক্ষেত্রেও ছাড় দেয়া শুরু করেন যেখানে ইসলাম কোন ছাড় দেয়না এর ফলে তারা দুনিয়াবি কিছু স্বার্থ হাসিল করতে পারেন। আর এভেবেই অন্যায় ও দুর্নীতির রাস্তা তারা খুলে দেন।" [তালবীস ইবলিস: পৃ.১২১-১২২]
হাফিজ ইবন রজব হাম্বালি বলেন, "অনেক সালাফগণ আলেম উলামাদের শাসকদের দরবারে সৎ কাজের আদেশ অসৎ কাজে নিষেধ করার উদ্দেশ্যে যেতেও নিষেধ করে থাকেন।" [শারহুল হাদীস: মা যিবানি জাই’আনি: পৃ.৫৩]
без подписи
আন্দালুসের আলেম ইবনু আব্দিল বার রাহিমাহুল্লাহ বলেন, "সালাফরা শাসকদের দরবারে যাওয়াকে ঘৃণা করতেন।" [জামিউ বায়ানিল ইলম: ১/১৮৬]
без подписи
হাফিজ ইবন রজব হাম্বালি বলেন, "অনেক সালাফগণ আলেম উলামাদের শাসকদের দরবারে সৎ কাজের আদেশ অসৎ কাজে নিষেধ করার উদ্দেশ্যে যেতেও নিষেধ করে থাকেন।" [শারহুল হাদীস মা’যিবান: পৃ.৫৩]