- Последний пост
- 14 авг.
- Последнее чтение
- 13 авг.
- Постов за неделю
- 7
- Всего постов
- 24
- Тип
- открытый
- Язык
- bn
- В каталоге с
- 13 авг.
- 1/24сутки в ленте
- 97
- 1/48двое суток
- 111
- 1/72трое суток
- 119
Оценка по просмотрам недавних постов: пост набирает почти всё за первые сутки.
Посты
видео или голосовое, без подписи
видео или голосовое, без подписи
видео или голосовое, без подписи
হযরত ঈসা (আ.)-এর যুগে এক ব্যক্তি ছিল। সে এতটাই কৃপণ ছিল যে, মানুষ তাকে ‘মালউন’ (অভিশপ্ত) বলে ডাকত। একদিন আল্লাহর পথে যুদ্ধ করতে যাওয়া এক ব্যক্তি তার কাছে এসে বলল, “আমাকে একটি তলোয়ার দিন। আল্লাহর পথে কাজে লাগবে। হয়তো এই একটি সদকার কারণেই আল্লাহ আপনাকে ক্ষমা করে দেবেন।” কৃপণ লোকটি প্রথমে তাকে ফিরিয়ে দিল। কিন্তু লোকটি চলে যাওয়ার পর তার মন বদলে গেল। সে তাকে আবার ডেকে নিজের তলোয়ারটি দিয়ে দিল। লোকটি তলোয়ার নিয়ে রওনা হলো। পথে তার দেখা হলো হযরত ঈসা (আ.)-এর সঙ্গে। তাঁর সঙ্গে ছিলেন এমন একজন আবেদ (ইবাদতকারী), যিনি টানা সত্তর বছর আল্লাহর ইবাদত করেছিলেন। হযরত ঈসা (আ.) যুদ্ধ করতে যাওয়া লোকটিকে জিজ্ঞেস করলেন, এই তলোয়ার কোথা থেকে পেলে? লোকটি বলল, যে কৃপণ লোকটিকে সবাই মালউন বলে ডাকে, সে-ই আমাকে দিয়েছে। এ কথা শুনে হযরত ঈসা আলাইহিস সালাম খুশি হলেন। কিছুক্ষণ পর সেই কৃপণ লোকটি দূর থেকে হযরত ঈসা (আ.)-কে দেখতে পেল। তার মনে ইচ্ছে জাগল, একবার আল্লাহর নবীর চেহারা মোবারক দেখে আসি। তাই সে ধীরে ধীরে তাঁদের দিকে এগিয়ে গেলো। কিন্তু পাশে থাকা সেই আবেদ কৃপণ লোকটিকে দেখে বিরক্ত হয়ে বলল,“আমি এই লোকটির কাছ থেকে দূরে থাকি!” ঠিক তখন আল্লাহ তাআলা হযরত ঈসা (আ.)-এর কাছে ওহি পাঠালেন, “ওই গুনাহগার বান্দাকে বলে দাও, তার এই একটিমাত্র সদকা আমি কবুল করেছি এবং তাকে ক্ষমা করে দিয়েছি। আর জান্নাতে এই আবেদের সঙ্গেই তার স্থান হবে।” এ কথা শুনে আবেদ বলে উঠল, “আমি তার সঙ্গে জান্নাতে থাকতে চাই না!” তখন আল্লাহ তাআলা আবার ওহি পাঠালেন, “সে (আবেদ) আমার ফয়সালায় অসন্তুষ্ট হয়েছে এবং আমার এক বান্দাকে তুচ্ছ করেছে। তাই তার জান্নাতের স্থান ওই গুনাহগারকে দিয়ে দিলাম, আর তার জন্য সেই পরিণতি নির্ধারণ করলাম, যা ওই গুনাহগারের জন্য বরাদ্দ ছিল।” কোনো মানুষকে তার অতীত বা গুনাহ দেখে ছোট ভাববেন না। আল্লাহর কাছে একটি ছোট্ট নেক আমলও এত মূল্যবান হতে পারে, যা একজন গুনাহগারের জীবন বদলে দেয়। আবার নিজের ইবাদত নিয়ে অহংকার এমন একটি গুনাহ, যা বহু বছরের আমলও ধ্বংস করে দিতে পারে। তাই সব সময় আল্লাহর রহমতের মুখাপেক্ষী থাকুন, আর কখনো কারও ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বা অহেতুক মন্তব্য করবেন না। ইয়া রব! আমাদের অন্তরকে অহংকার থেকে হেফাজত করুন, সামান্য নেক আমলও আন্তরিকতার সঙ্গে করার তাওফিক দিন। আমীন। Salman Farsi তথ্যসূত্র: তাম্বীহুল গাফেলীন,ফকিহ আবুল লাইস সমরকন্দী রহ.
একজন মুমিনের জন্য ঈমানের চেয়ে বড় কোনো সম্পদ হতে পারে না। ঈমানের ওপরই নির্ভর করে চিরস্থায়ী জীবনের কল্যাণ। বই- ফিতনার নয়া স্রোত- ঈমানের সুরক্ষা। লেখক-মাওলানা হেলালুদ্দীন পুকুরিয়বী।
কেউ যদি আপনাকে একটি বই উপহার দিতে চায়, আপনি কোন ধরনের বই চাইবেন?
ইহুদিদের প্রসঙ্গটি আমাদের জন্য কেন গুরুত্বপূর্ণ - এ প্রশ্নের উত্তর দুটি মূল কারণে নিহিত। ১ম কারণটি হলো, ইহুদিরা যে পথে বিচ্যুতি হয়েছে, যে পথে আল্লাহর গজবের পাত্র হয়েছে, পথভ্রষ্ট ও বিভ্রান্ত পরিণত হয়েছে, সে একই পথে মুসলমানরা যেন পুনরায় না চলে যায়- এ সতর্কবার্তায় ছিল আল্লাহ তায়ালার উদ্দেশ্য। আল কুরআনের দারস-৩ মুফতি হারুন ইজহার হাফিজাহুল্লাহ।
কিছুদিন পর বিয়ের চিন্তা মাথায় এল। সে সময় আমার দর্শন ছিল, একটা মানুষের বিয়ে পঁচিশ বছরে হওয়া উচিত। সর্বোচ্চ সাতাশ বছর। তো পঁচিশ বছর বয়সে এসে আমি জীবনসঙ্গিনী খোঁজা শুরু করলাম। কিন্তু মনের মতো কাউকেই পাচ্ছিলাম না। জীবনসঙ্গিনী খোঁজার ক্ষেত্রে আমার চাহিদা ছিল মাত্র দুটি। ১। দাঈয়াহ হতে হবে। ২। ইংরেজি জানতে হবে। সৌন্দর্য, ধনসম্পদ, আভিজাত্য কোনোটাতেই আমার বিশেষ কোনো আগ্রহ ছিল না। শুধু চরিত্রশীলা, দাঈয়াহ এবং ইংরেজি জানলেই চলবে। কিন্তু পুরো মুম্বাই শহরে এমন কাউকেই পেলাম না। এরপর পারিবারিক এক পরিচিত মানুষ আমাকে বললেন, পুনায় একজন মেয়ে আছে। পুনা শহরটি মুম্বাই থেকে একশ কিলোমিটার দূরে। তো আমি, আমার মা এবং বোন সেই মেয়েকে না জানিয়েই তাদের ঘরে চলে গেলাম। মেয়ের মা আমাদের স্বাগত জানালেন, মেহমানদারি করলেন। তাদের জানা ছিল না আমরা কেন এসেছি। আমরা তাদের কাজকর্ম সম্পর্কে জেনে নিচ্ছিলাম। হঠাৎ আমার মনে হলো, আমি আমার উদ্দেশ্য গোপন করে ভুল কাজ করছি। সগীরা গুনাহ ধরে নিচ্ছিলাম। পরে জেনেছি, বিয়ের জন্য মেয়ে দেখতে যাওয়া এবং মেয়েকে দেখা সুন্নাহ। সাহাবা আজমাঈন রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমও যে মেয়েকে বিয়ে করতে চাইতেন, তাকে গোপনে দেখে নিতেন। এটা ইসলামসম্মত। কিন্তু আমি সে সময় এ কাজ করা অনৈতিক ও ভুল মনে করতাম। যাইহোক, আল্লাহর দয়ায় আমরা মেয়ে দেখে বেশ মুগ্ধ হলাম। আমি আমার জীবনে কোনো মেয়ে দেখিনি। আমার বোন প্রায়ই বিভিন্ন মেয়ের প্রস্তাব এনে কথাবার্তা বলত। কিন্তু আমি বিয়ের জন্য অনেক মেয়ের সাথে অপ্রয়োজনীয় দেখাসাক্ষাৎ করা ভালো মনে করতাম না। জীবনে প্রথম যে মেয়ের সাথে দেখা করলাম, তাকে দেখেই আমি মুগ্ধ হলাম। কিন্তু সে এটা জানতই না যে, তাকে বিয়ের জন্যই দেখতে এসেছি। আমি আমার স্ত্রীকে মজা করে বলি, “তুমি আমাকে ভালোবাসতে শুরু করার আগেই আমি তোমাকে ভালোবেসে ফেলেছিলাম। ভালোবাসায় আমি এগিয়ে আছি। সব মিলিয়ে তোমার মধ্যে সবই আছে। হয়তো তাক্বওয়া, ইসলাম মানা সবই আমার চেয়ে বেশি পরিমাণে ছিল। কিন্তু ভালোবাসার কথা বললে আমিই কিন্তু বেশি ভালোবেসেছি তোমাকে। হা হা।' সেও বলে, ‘না। আমিই বেশি ভালোবেসেছি।' অগত্যা আমি হার মেনে বলি, ‘আচ্ছা ঠিক আছে, এই পরীক্ষা আমরা আখিরাতে দেবো ইনশা আল্লাহ। বই-ডা. জাকির নায়েকের জীবনী সংকলন ও অনুবাদ - আম্মারুল হক।
اَللَّهُمَّ صَلِّ عَلَى نَبِيِّنَا مُحَمَّد দুরুদ, ইস্তিগফার, সূরা কাহাফ তিলাওয়াত। # জুমআ রিমাইন্ডার
সায়্যিদুনা উমর ইবনুল খাত্তাব রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর সাতটা উপদেশ: ১. যে ব্যক্তি অনর্থক/অতিরিক্ত কথা বলা ত্যাগ করে তাকে হিকমাহ (প্রজ্ঞা) দান করা হয়। ২. যে ব্যক্তি অনর্থক/অপ্রয়োজনীয় দৃষ্টিপাত ত্যাগ করে তাকে অন্তরের বিনম্রতা (খুশু-খুজু) দান করা হয়। ৩. যে ব্যক্তি অতিরিক্ত আহার ত্যাগ করে তাকে ইবাদতের স্বাদ দান করা হয়। ৪. যে ব্যক্তি অতিরিক্ত ঠাট্টা-মশকরা ত্যাগ করে তাকে মর্যাদা ও সৌন্দর্য (লাবণ্য) দান করা হয়। ৫. যে ব্যক্তি অতিরিক্ত হাসি ত্যাগ করে তাকে গাম্ভীর্য ও প্রভাব দান করা হয়। ৬. যে ব্যক্তি অন্যের দোষ-ত্রুটি খোঁজা ত্যাগ করে তাকে নিজের আত্মশুদ্ধির (নিজের দোষ সংশোধনের) তাওফিক দান করা হয়। ৭. যে ব্যক্তি দুনিয়ার ভালোবাসা ত্যাগ করে তাকে আখিরাতের ভালোবাসা দান করা হয়। লেখা - আম্মারুল হক।
বই - ইতিহাস থেকে শিক্ষা। ইমরান রাইহান।
কুরআনে নবিদের কাহিনীর প্যাটার্ন বিস্তর হয়েছিল নূহ আ. থেকে। হজরত আদম আ. থেকে শুরু করে নূহ আ. এর আগ পর্যন্ত শরিয়তের বিধানের চাপ কম ছিল। মানুষকে বস্তুবাদী ইলমের শিক্ষাই বেশি দেওয়া হয়েছে। মানুষকে আল্লাহ তাআলাই যেহেতু দুনিয়াতে পাঠিয়েছেন, তাই তার চলার পদ্ধতি, সামাজিকতার পদ্ধতি, পরিবেশের সাথে তার টিকে থাকার সংগ্রাম সবকিছু আল্লাহ তাআলা শিক্ষা দিয়েছেন। এরপর আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা শরিয়ত দিয়েছেন।
সায়্যিদুনা উমর ইবনুল খাত্তাব রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর সাতটা উপদেশ: ১. যে ব্যক্তি অনর্থক/অতিরিক্ত কথা বলা ত্যাগ করে তাকে হিকমাহ (প্রজ্ঞা) দান করা হয়। ২. যে ব্যক্তি অনর্থক/অপ্রয়োজনীয় দৃষ্টিপাত ত্যাগ করে তাকে অন্তরের বিনম্রতা (খুশু-খুজু) দান করা হয়। ৩. যে ব্যক্তি অতিরিক্ত আহার ত্যাগ করে তাকে ইবাদতের স্বাদ দান করা হয়। ৪. যে ব্যক্তি অতিরিক্ত ঠাট্টা-মশকরা ত্যাগ করে তাকে মর্যাদা ও সৌন্দর্য (লাবণ্য) দান করা হয়। ৫. যে ব্যক্তি অতিরিক্ত হাসি ত্যাগ করে তাকে গাম্ভীর্য ও প্রভাব দান করা হয়। ৬. যে ব্যক্তি অন্যের দোষ-ত্রুটি খোঁজা ত্যাগ করে তাকে নিজের আত্মশুদ্ধির (নিজের দোষ সংশোধনের) তাওফিক দান করা হয়। ৭. যে ব্যক্তি দুনিয়ার ভালোবাসা ত্যাগ করে তাকে আখিরাতের ভালোবাসা দান করা হয়। লেখা- মাওলানা আম্মারুল হক।
২০১৫ সালে আমি শাইখ আবদুল আযিয আত ত্বারিফী হাফিজাহুল্লাহর কাছে নাসীহাহ গ্রহণ করতে যাই। আমার সার্বিক বিষয়ের পরামর্শদাতা আলিমে নাসীহ ছিলেন বর্তমান সময়ের জীবন্ত কিংবদন্তি আলিম শাইখ আব্দুল আযিয আত ত্বারিফী হাফিজাহুল্লাহ। ফাক্কাল্লাহু আসরাহু। বর্তমান সময়ের জীবন্ত আলিমদের মধ্যে তিনি আমার কাছে মহান ব্যক্তিবর্গের একজন। তিনি আমার খুব কাছের মানুষ। আমি আমার সবকিছুই শাইখকে জানাতাম। তাঁর সাথে পরামর্শ করতাম। বই– ডা. জাকির নায়েকের জীবনী অনুবাদ ও সংকলন– আম্মারুল হক
আপনি কোন দলে? লিখতে ভালোবাসেন? নাকি পড়তে?
أَفَحُكْمَ ٱلْجَٰهِلِيَّةِ يَبْغُونَ ۚ وَمَنْ أَحْسَنُ مِنَ ٱللَّهِ حُكْمًا لِّقَوْمٍۢ يُوقِنُونَ তবে কি তারা জাহিলি যুগের বিধি -বিধান কামনা করে? আর বিশ্বাসী সম্প্রদায়ের জন্য আল্লাহ তাআলার চেয়ে উত্তম বিধানদাতা কে আছে? বই- নূসুকের আলোকে জাহালিয়্যাহ্ লেখক- মুফতী হারুন ইজহার হাফিঃ বইটি সংগ্রহ করতে চাইলে নক করুন আমাদের ইনবক্সে....
আল্লাহ তাআলা বলেন, 'তোমরা রবের ইবাদত করো; যতক্ষণ না মৃত্যু এসে যায়।' তিনি আবারও বলেন, তার ইবাদত করো তার প্রতি কৃতজ্ঞ হও। তারই দিকে তোমাদের প্রত্যাবর্তন হবে। বই- জীবনের পরতে পরতে কুরআন। আম্মারুল হক।
اللّهمّ صلى على نبيّنا محمّد আজ দুরুদ পড়েছেন তো! দুরুদ, ইস্তিগফার, সূরা কাহাফ তিলাওয়াত। # জুমআ রিমাইন্ডার
নবী ইউসুফ আলাইহিস সালামের সুন্নাহ পালনরত অবস্থায় ঠিক তারই মত করে এক উম্মাহ্ দরদী ব্যক্তিকে নিজের পরিস্থিতি ভুলে উম্মাহর ফিকিরে মশগুল।খুঁজে বের করেছেন কুরআন ঘেঁটে জীবনের অর্থ। বই- জীবনের অর্থগুলো কুরআনের শব্দে শব্দে। লেখক - মুফতি হারুন ইজহার হাফিজাহুল্লাহ।
কুরআন আমাদের আত্মার ঠিকানা; আত্মপরিচয়ের জায়গা। এটা এমন এক ঠিকানা যেখানে দিশাহারা মানুষ পথ খুঁজে পায়; হারানো মন ফিরে পায় মুক্তি। বই- জীবনের পরতে পরতে কুরআন আম্মারুল হক।