fatwaa.org || উচ্চতর ইসলামী আইন গবেষণা বিভাগ
Статистикаআমাদের উদ্দেশ্য কুরআন-সুন্নাহর আলোকে, সময়ের চাহিদা অনুযায়ী ইসলামের সঠিক ফাতওয়া তুলে ধরা।
- Последний пост
- 19 нояб.
- Последнее чтение
- 13 авг.
- Постов за неделю
- 0
- Всего постов
- 20
- Тип
- открытый
- Язык
- bn
- В каталоге с
- 13 авг.
- 1/24сутки в ленте
- —
- 1/48двое суток
- —
- 1/72трое суток
- —
Оценка по просмотрам недавних постов: пост набирает почти всё за первые сутки.
Посты
তা-গু-তি বাহিনীতে ডাক্তার হিসেবে চাকরির বিধান প্রশ্ন: তা-গু-ত সরকারের অধীনে পরিচালিত সামরিক বাহিনীতে ডাক্তার হিসেবে চাকরি করার হুকুম কী? মুহাম্মাদ মেহরাব হাসান উত্তর: না তা-গু-তে-র সামরিক বাহিনীর ডাক্তার হিসেবে চাকরি করাও জায়েয নয়। তা-গু-ত বাহিনীর ডাক্তারও মুহারিব এবং উক্ত বাহিনীর অংশ। -সূরা মায়েদা: ২; জামে তিরমিযী: ১২৯৫; মুজামে আওসাত লিত-তাবরানী: ২৯৪৪; মাবসূতে সারাখসী: ১৪/৮ (দারুল মারেফা); বাদায়েউস সানায়ে: ৭/১০২ (দারুল কুতুবিল ইলমিয়্যাহ); মিরকাতুল মাফাতীহ: ৫/১৯০২ (দারুল ফিকর) والله تعالى أعلم بالصواب -আবু মুহাম্মাদ আব্দুল্লাহ আলমাহদি (উফিয়া আনহু) ২৩-০৪-১৪৪৭ হি. ১৬-১০-২০২৫
তাগুতি বাহিনীতে ডাক্তার হিসেবে চাকরির বিধান https://fatwaa.org/%e0%a6%ab%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a6%93%e0%a7%9f%e0%a6%be/%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%a8%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%a8/%e0%a6%9a%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a7%80/%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%97%e0%a7%81%e0%a6%a4%e0%a6%bf-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a7%80%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%a1%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b0/
টিকিট দিয়ে পুকুরের মাছ ধরার বিধান প্রশ্ন: আমাদের এলাকায় মাঝে মধ্যেই পুকুরের মালিকরা তাদের পুকুরে মাছ ধরার জন্য নির্দিষ্ট মূল্যের টিকিট ছাড়ে। কিন্তু মালিকদের নানান কারসাজির কারণে যারা মাছ ধরতে যায় তারা অনেক সময়ই মাছ পায় না। জানার বিষয় হলো–এভাবে টিকিট দিয়ে মাছ ধরার হুকুম কী? আবু আইমান উত্তর: নির্দিষ্ট পুকুর বা জলাশয়ের মাছ বিক্রির জন্য নির্দিষ্ট মূল্যের টিকেটের বিনিময়ে নির্দিষ্ট সময় মাছ শিকারের সুযোগ দেয়ার যে পদ্ধতি প্রচলিত আছে তা সম্পূর্ণ নাজায়েয। কারণ শরীয়তের দৃষ্টিতে এটি জুয়ার অন্তর্ভুক্ত। -মাবসুতে সারাখসী: ২০/১৬৭ (দারুল মারেফা); ফাতহুল কাদীর: ৬/৪১৪ (দারুল ফিকর); রদ্দুল মুহতার: ৫/৬৫ (দারুল ফিকর) والله تعالى أعلم بالصواب -আবু মুহাম্মাদ আব্দুল্লাহ আলমাহদি (উফিয়া আনহু) ২২-০৪-১৪৪৭ হি. ১৫-১০-২০২৫
টিকিট দিয়ে পুকুরের মাছ ধরার বিধান https://fatwaa.org/%e0%a6%ab%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a6%93%e0%a7%9f%e0%a6%be/%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%a8%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%a8/%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%b2-%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%ae/%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a6%9f-%e0%a6%a6%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87-%e0%a6%aa%e0%a7%81%e0%a6%95%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%9b-%e0%a6%a7/
সম্পূর্ণ বিবস্ত্র হয়ে গোসল করার বিধান প্রশ্ন: বাথরুমে গোসল করার সময় পুরো শরীরে ভালোভাবে পানি পৌঁছানোর জন্য অনেক সময় পরনের কাপড় খুলে নিতে হয়। জানার বিষয় হলো–এভাবে সম্পূর্ণ বিবস্ত্র হয়ে গোসল করার কী হুকুম? মুহাম্মাদ মিজান উত্তর: কাপড়ে নাপাক থাকলে সুন্নত হলো, গোসল শুরুর আগে কাপড় ও শরীরের নাপাকি ধুয়ে নেয়া এবং অজু করা। এরপর কাপড় পরা অবস্থায় গোসল করা। সম্পূর্ণ বিবস্ত্র হয়ে গোসল করা মাকরূহ। -জামে তিরমিযী: ২৭৬৯; উমদাতুল কারী: ৩/২২৮ (দারু ইহয়াইত তুরাসিল আরবী); মিরকাতুল মাফাতীহ: ২/৪৩১ (দারুল ফিকর); হেদায়া: ১/১৯ (দারু ইহয়াইত তুরাসিল আরবী); রদ্দুল মুহতার: ১/১৫৭ (দারুল ফিকর) والله تعالى أعلم بالصواب -আবু মুহাম্মাদ আব্দুল্লাহ আলমাহদি (উফিয়া আনহু) ২২-০৪-১৪৪৭ হি. ১৫-১০-২০২৫
সম্পূর্ণ বিবস্ত্র হয়ে গোসল করার বিধান https://fatwaa.org/%e0%a6%ab%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a6%93%e0%a7%9f%e0%a6%be/%e0%a6%93%e0%a6%af%e0%a7%81-%e0%a6%97%e0%a7%8b%e0%a6%b8%e0%a6%b2/%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a7%8d%e0%a6%aa%e0%a7%82%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a3-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%ac%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0-%e0%a6%b9%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87-%e0%a6%97/
কাযা নামায ও রোযার সাথে কি নফলের নিয়ত করা যাবে? প্রশ্ন: আমি একজন সাধারণ শিক্ষিত। বালেগ হওয়ার পর থেকে অনেক নামায এবং অনেক রোযা ছুটে গেছে। দ্বীনের বুঝ পাওয়ার পর থেকে তা ধীরে ধীরে আদায় করে যাচ্ছি। আমার জানার বিষয় হলো, যদি প্রতি মাসে আইয়ামে বীযের রোযা রাখি এবং একই সঙ্গে কাযা রোযার নিয়ত করি, তাহলে কি উভয়টি আদায় হবে? একইভাবে, সোমবার–বৃহস্পতিবার, আশুরা ও আরাফার দিনের রোযার সঙ্গে কাযা রোযার নিয়ত করলে তা কি সহীহ হবে? সালাতুত দুহা (ইশরাক বা চাশত) নামাযের সময়ে যদি কাযা নামাযের নিয়ত করি, তাহলে কি কাযা ও দুহা—উভয়টি আদায় হবে? কাযা নামায আদায়কালে যদি সালাতুশ্ শোকর, সালাতুত তাওবা কিংবা সালাতুল হাজতের নিয়ত করি, তাহলে কি একসঙ্গে উভয়টি আদায় হবে? কিয়ামুল লাইল (তাহাজ্জুদ) পড়ার সময় কি কাযা নামাযের নিয়ত করা যাবে? করলে কি কিয়ামুল লাইল ও কাযা নামায—দুটোই আদায় হবে? আব্দুল্লাহ ইবরাহীম উত্তর: কাযা রোযার সঙ্গে নফল রোযার নিয়ত করার সুযোগ নেই। দুটির নিয়ত একসঙ্গে করলে কাযা আদায় হবে, নফল হবে না। নফল আদায় করতে হলে শুধু নফলের নিয়ত করতে হবে। হাঁ সুযোগ থাকলে এক রোযায় একাধিক নফলের নিয়ত করা যাবে। যেমন দশই মুহাররম সোমবার হলো, তখন দুইটার নিয়ত করলে সোমবারের রোযা এবং আশুরার রোযার সাওয়াব পাওয়া যাবে ইনশাআল্লাহ। তাই আপনি কাযা রোযাগুলো আদায় করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যান, পাশাপাশি কিছু নফল রোযাও রাখার চেষ্টা করুন। বিশেষ করে আশুরা, আরাফা ইত্যাদির মতো গুরুত্বপূর্ণ নফলগুলো সম্পূর্ণ ছাড়বেন না। নফলও আসলে ফরযের পরিপূরক। তাই নফল একদম বন্ধ রাখা কাম্য নয়। -আল-আশবাহ ওয়ান নাযায়ের: পৃ: ৩৫ (দারুল কুতুবিল ইলমিয়্যাহ); আল-বাহরুর রায়েক ও মিনহাতুল খালেক: ১/২৯৬-২৯৭ (দারুল কিতাবিল ইসলামী); রদ্দুল মুহতার: ১/৪৪০ (দারুল ফিকর) নামাযের বিষয়টিও একই রকম। কাযার সঙ্গে নফলের নিয়ত করা যায় না। হাঁ, একাধিক নফলের নিয়ত একসঙ্গে করা যায়। তাই আপনি কাযা ফরযগুলো অবশ্যই আলাদা আদায় করবেন, কিন্তু একারণে হাদীসে বর্ণিত বিশেষ ফযীলতসম্পন্ন নফল যেমন তাহাজ্জুদ, চাশত ইত্যাদি একদম ছেড়ে দিবেন না। কাযাগুলোর পাশাপাশি আলাদা করে এগুলোও কিছু কিছু আদায় করার চেষ্টা করে যাবেন। -আল-আশবাহ ওয়ান নাযাইর: পৃ: ৩৫ (দারুল কুতুবিল ইলমিয়্যাহ); আল-বাহরুর রায়েক ও মিনহাতুল খালেক: ১/২৯৬-২৯৭ (দারুল কিতাবিল ইসলামী); রদ্দুল মুহতার: ১/৪৪০ (দারুল ফিকর) والله تعالى أعلم بالصواب -আবু মুহাম্মাদ আব্দুল্লাহ আলমাহদি (উফিয়া আনহু) ২১-০৪-১৪৪৭ হি. ১৪-১০-২০২৫
কাযা নামায ও রোযার সাথে কি নফলের নিয়ত করা যাবে? https://fatwaa.org/%e0%a6%ab%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a6%93%e0%a7%9f%e0%a6%be/%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%9c/%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%af%e0%a6%be-%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%af-%e0%a6%93-%e0%a6%b0%e0%a7%8b%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%a5%e0%a7%87-%e0%a6%95%e0%a6%bf/
প্রচলিত মাল্টি লেভেল মার্কেটিং পদ্ধতির ব্যবসার বিধান https://fatwaa.org/%e0%a6%ab%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a6%93%e0%a7%9f%e0%a6%be/%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%a8%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%a8/%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%ac%e0%a6%b8%e0%a6%be-%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%9f-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%9f/%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%9a%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%a4-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a6%bf-%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%ad%e0%a7%87%e0%a6%b2-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0/
প্রচলিত মাল্টি লেভেল মার্কেটিং পদ্ধতির ব্যবসার বিধান প্রশ্ন: একটি কোম্পানি অনলাইন ব্যবসার জন্য একটি এ্যাপ চালাচ্ছে, যেখানে ব্যবহারকারীরা অনলাইনে মাল অর্ডার দিতে পারেন। কোম্পানি কিছু শর্ত দিয়েছে: ১. সাবস্ক্রিপশন ফি দিতে হবে ২,০০০ টাকা। ২. রেফার কোড ব্যবহার করে অ্যাকাউন্ট খোলা আবশ্যক; অন্যথায় অ্যাকাউন্ট খোলা যাবে না। ৩. সাবস্ক্রিপশন ফি দিয়ে পণ্য অর্ডার করলে কিছু টাকা (২০–৫০ টাকা) ছাড় বা ক্যাশব্যাক পাওয়া যায়। ৪. রেফারের মাধ্যমে নতুন সদস্য আসলে, তাদের অ্যাকাউন্ট থেকে রেফারকে কিছু অর্থ যোগ হয়। ৫. ২০,০০০ সাবস্ক্রিপশন সম্পন্ন হলে, কোম্পানি প্রতিদিন কোনো কাজ না করেও ১০ টাকা দিয়ে চলবে যতদিন কোম্পানি থাকবে। আমার জানার বিষয় হলো–এ পদ্ধতির অনলাইন ব্যবসার হুকুম কী? নাম: আবু মুহাম্মাদ উত্তর: এজাতীয় এমএলএম তথা মাল্টি লেভেল মার্কেটিং পদ্ধতির ব্যবসাগুলো শরীয়তের দৃষ্টিতে ধোঁকা, অস্পষ্টতা, এক চুক্তিতে অনেক চুক্তির অন্তর্ভুক্তি, ‘আকল বিলবাতিল’ তথা অন্যায়ভাবে সম্পদ গ্রাসসহ নানান কারণে নাজায়েয। এ পর্যন্ত বাংলাদেশে অনলাইনে কিংবা অফলাইনে এ পদ্ধতির যত কোম্পানি এসেছে, আমাদের জানামতে সবগুলোই মানুষকে প্রতারিত করে অর্থ আত্মসাত করে মার্কেট থেকে উধাও হয়ে গেছে, না হয় মামলা মোকদ্দমা খেয়ে দণ্ডিত হয়েছে। এমন পরীক্ষিত প্রতারণার ফাঁদে বার বার পা দেয়া শুধু একজন মুসলিমই নয়; বরং একজন সচেতন নাগরিকের জন্যও বোকামি। -আহকামুল কুরআন: ৩/১২৭; সহীহ মুসলিম, হাদীস: ১৫১৩; ফিকহুল বুয়ূ: ২/৮১২-৮১৫ বিস্তারিত জানার জন্য মাসিক আল-কাউসারে তিন কিস্তিতে প্রকাশিত মাল্টিলেভেল সম্পর্কিত প্রবন্ধটি দেখুন: লিংক কমেন্টে... মাল্টিলেভেল মার্কেটিং-১: https://www.alkawsar.com/bn/article/520/ মাল্টিলেভেল মার্কেটিং-২: https://www.alkawsar.com/bn/article/544/ মাল্টিলেভেল মার্কেটিং-৩: https://www.alkawsar.com/bn/article/570/ والله تعالى أعلم بالصواب -আবু মুহাম্মাদ আব্দুল্লাহ আলমাহদি (উফিয়া আনহু) ২১-০৪-১৪৪৭ হি. ১৪-১০-২০২৫
প্রবাসীদের কুরবানী কখন করা হবে? প্রশ্ন: আমার চাচা লন্ডনে থাকেন, তবে আত্মীয়স্বজনের মাধ্যমে বাংলাদেশে কুরবানী দেন। গত দুই বছর তারা লন্ডনে ঈদের জামাত শেষ হওয়ার পর কুরবানী করেন। ওখানে ঈদের জামাত স্থানীয় সময় ৯–১০ টায় শেষ হলেও বাংলাদেশে তখন দুপুর ২–৩ টা বেজে যায়। জানার বিষয় হলো–এভাবে কুরবানী করা জরুরি? আমীর হামজা উত্তর: লন্ডন প্রবাসীর কুরবানী বাংলাদেশে করতে হলে, তাদের ঈদের নামায শেষ হওয়ার জন্য অপেক্ষা করা জরুরি নয়; বরং সেখানে দশই যিলহজ সুবহে সাদিক হলেই এখানে তাদের কুরবানী করা যাবে। অবশ্য বাংলাদেশের যেখানে কুরবানী করা হবে, সেখানে ঈদের জামাত শেষ হতে হবে, তার আগে করলে সহীহ হবে না। -ফাতাওয়া কাজীখান: (৯/২৪৩) (আলমাকতাবাতুল আশরাফিয়্যাহ); আল-বাহরুর রায়েক: (৮/২০০) (দারুল কিতাবিল ইসলামী); রদ্দুল মুহতার: (৬/৩১৮) (দারুল ফিকর) ফাতাওয়া উসমানী: ৪/১০২ (দারুল ইশাআত, করাচী) والله تعالى أعلم بالصواب -আবু মুহাম্মাদ আব্দুল্লাহ আলমাহদি (উফিয়া আনহু) ২১-০৪-১৪৪৭ হি. ১৪-১০-২০২৫
প্রবাসীদের কুরবানী কখন করা হবে? https://fatwaa.org/%e0%a6%ab%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a6%93%e0%a7%9f%e0%a6%be/%e0%a6%95%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%bf-%e0%a6%86%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a6%be/%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a7%80%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%95%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%80-%e0%a6%95%e0%a6%96%e0%a6%a8-%e0%a6%95/
ব্যবহার্য জিনিসপত্র কুরবানীর নেসাবের অন্তর্ভুক্ত হবে কি? প্রশ্ন: ক. আমার বাসায় অনেক ফলের গাছ রয়েছে। আমরা ওগুলোর ফল খাই। এ গাছগুলো কি কুরবানীর নেসাবের অন্তর্ভুক্ত হবে? খ. আমার ১০টি জামা এবং দুটি গাড়ি আছে। আমি প্রায়ই একটি গাড়ি ব্যবহার করি, অন্যটি কম ব্যবহার করি এবং জামাগুলোও আংশিক ব্যবহার করি। অতিরিক্ত গাড়ি ও জামাগুলো কি কুরবানীর নেসাবের অন্তর্ভুক্ত হবে? গ. আমাদের ঘরে যে শো-কেস রয়েছে, তাতে বিভিন্ন আসবাবপত্র রয়েছে, যা শুধু মেহমান আসলে ব্যবহার করা হয়। এ আসবাবপত্রগুলো কি কুরবানীর নেসাবের অন্তর্ভুক্ত হবে? -আবু আব্দুল্লাহ উত্তর: ক. যেহেতু ফলগুলো আপনারা খেয়ে থাকেন, তাই তা প্রয়োজনের অন্তর্ভুক্ত; কুরবানীর নেসাবের অন্তর্ভুক্ত হবে না। একইভাবে বাড়ির আঙ্গিনায় হওয়ায়, তাতে উশর ওয়াজিব হবে না। পক্ষান্তরে ফল যদি ফলবাগান বা ফসলি জমিতে হয় এবং তাতে পানি দিতে না হয়; বরং বৃষ্টির পানিতেই উৎপাদিত হয়, তাহলে উৎপাদিত ফলের ‘উশর’ তথা এক দশমাংশ সাদাকা করতে হয়। আর যদি পানি সেচ করতে হয়, তাহলে ‘নিসফে উশর’ তথা উৎপাদিত ফলের ২০ ভাগের এক ভাগ আদায় করতে হয়। -সহীহ বুখারী (১৪৮৩), আল-আসল (৭/৫৬২) (দারু ইবনে হাযম), ফাতাওয়া বাযযাযিয়্যাহ (১/৬১ ও ৩/১৫৫) (আলমাকতাবাতুল আশরাফিয়্যাহ), ফাতাওয়া তাতারখানিয়্যাহ (১৭/৪০৫, ৪০৫) (যাকারিয়া বুকডিপো), ফাতাওয়া হিন্দিয়্যাহ (৫/২৯২) (দারুল ফিকর) রদ্দুল মুহতার (২/৩২৮ ও ৬/৩১২) (দারুল ফিকর) খ. অতিরিক্ত গাড়ি অথবা জামা যদি এমন হয় যে, বছরে একবারও ব্যবহার করা হয় না, তাহলে অতিরিক্ত জামা ও অতিরিক্ত গাড়ি দুটোই কুরবানীর নেসাবের অন্তর্ভুক্ত হবে। পক্ষান্তরে যদি মাঝে মধ্যে ব্যবহার করা হয়, তাহলে তা নেসাবের অন্তর্ভুক্ত হবে না। -বাদায়েউস সানায়ে (৫/৬৪) (দারুল কুতুবিল ইলমিয়্যাহ), রদ্দুল মুহতার (৬/৩১২) গ. না এগুলো যেহেতু মাঝে মধ্যে ব্যবহৃত হয়, তাই এগুলো কুরবানীর নেসাবের অন্তুর্ভুক্ত হবে না। -ফাতাওয়া কাজীখান (৩/২৪২) (আলমাকতাবাতুল আশরাফিয়্যাহ), ফাতাওয়া তাতারখানিয়্যাহ (১৭/৪০৫)। والله تعالى أعلم بالصواب -আবু মুহাম্মাদ আব্দুল্লাহ আলমাহদি (উফিয়া আনহু) ২১-০৪-১৪৪৭ হি. ১৪-১০-২০২৫
ব্যবহার্য জিনিসপত্র কুরবানীর নেসাবের অন্তর্ভুক্ত হবে কি? https://fatwaa.org/%e0%a6%ab%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a6%93%e0%a7%9f%e0%a6%be/%e0%a6%95%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%bf-%e0%a6%86%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a6%be/%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%ac%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%af-%e0%a6%9c%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%b8%e0%a6%aa%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0-%e0%a6%95%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a6%ac/
দারুল হারবে জামাতে সালাত আদায় করা কি জরুরি? প্রশ্ন: দারুল হা-র-বে কি জামাতে সালাত আদায় করা জরুরি? দলীল-প্রমাণসহ জানানোর অনুরোধ রইল। মুহাম্মাদ সাজ্জাদ উত্তর: দারুল হা-র-বে-ও জামাতে সালাত আদায় করা জরুরি। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসালাম এবং সাহাবায়ে কেরাম দারুল হা-র-বে জামাতের সঙ্গে সালাত আদায় করেছেন। সহীহ বুখারী ও সহীহ মুসলিমের হাদীসে এসেছে, عن ابن عباس رضي الله عنهما، في قوله تعالى: [ولا تجهر بصلاتك ولا تخافت بها] {الإسراء: 110} قال: نزلت ورسول الله صلى الله عليه وسلم مختف بمكة، كان إذا صلى بأصحابه رفع صوته بالقرآن، فإذا سمعه المشركون سبوا القرآن ومن أنزله ومن جاء به، فقال الله تعالى لنبيه صلى الله عليه وسلم: [ولا تجهر بصلاتك] أي بقراءتك، فيسمع المشركون فيسبوا القرآن [ولا تخافت بها] عن أصحابك فلا تسمعهم، [وابتغ بين ذلك سبيلا]. -صحيح البخاري (6/ 87 رقم: 4722) صحيح مسلم (1/ 329 رقم: 446) “ইবনে আব্বাস রাযিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি মহান আল্লাহর বাণী—‘সালাতে স্বর উচ্চ করবে না এবং অতিশয় ক্ষীণও করবে না’ (ইসরা, ১৭: ১১০)—এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘এ আয়াত যখন নাযিল হলো তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মক্কায় গোপনে শরীয়ত পালন করতেন। তিনি যখন সাহাবীগণকে নিয়ে সালাত আদায় করতেন, উচ্চস্বরে তিলাওয়াত করতেন। তখন মু-শ-রি-ক-রা কুরআন, কুরআন এর অবতীর্ণকারী এবং বাহক সবাইকে গালমন্দ করত। এরই প্রেক্ষিতে আল্লাহ তাআলা নবীজীকে বলে দিলেন, আপনার সালাত অর্থাৎ আপনার কিরাআত এমন উচ্চস্বরে পড়বেন না। এতে মু-শ-রি-ক-রা শুনতে পেয়ে কুরআন সম্পর্কে গালমন্দ করবে। আর এ কুরআন আপনার সাহাবীদের কাছে এত ক্ষীণ স্বরেও পড়বেন না, যাতে আপনার কিরাআত তাঁরা শুনতে না পায়। বরং উভয়ের মাঝামাঝি পন্থা অবলম্বন করবেন।” -সহীহ বুখারী, হাদীস: ৪৭২২; সহীহ মুসলিম, হাদীস: ৪৪৬ আরো দেখুন, সহীহ বুখারী, হাদীস: ৪১২৫; সহীহ মুসলিম, হাদীস: ৮৪০; সুনানে নাসায়ী, হাদীস: ১৫৪৯; ফাতহুল বারী: ৭/৪২০; সীরাতে ইবনে হিশাম: ১/২৬৩ والله تعالى أعلم بالصواب -আবু মুহাম্মাদ আব্দুল্লাহ আলমাহদি (উফিয়া আনহু) ২০-০৪-১৪৪৭ হি. ১৩-১০-২০২৫
দারুল হারবে জামাতে সালাত আদায় করা কি জরুরি? https://fatwaa.org/%e0%a6%ab%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a6%93%e0%a7%9f%e0%a6%be/%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%9c/%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%81%e0%a6%b2-%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%ac%e0%a7%87-%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a4/
মোবাইল সার্ভিসিংয়ের পেশা গ্রহণ করার বিধান প্রশ্ন: আমরা জানি, টেলিভিশন দেখা যেমন হারাম, সার্ভিসিং করাও হারাম। বর্তমানে মোবাইল দিয়েও হারাম ও অশ্লীল অনেক কিছু দেখা হয়ে থাকে, তাই মোবাইল সার্ভিসিং করা কি হারাম হবে? মুহাম্মাদ উমর উত্তর: মোবাইল আর টিভির বিধান এক নয়। মোবাইল সার্ভিসিং করা জায়েয। বিস্তারিত জানার জন্য দেখুন: ফতোয়া নং ৯৮: টিভি বা এ জাতীয় পণ্যের বিক্রয়লব্ধ অর্থের ব্যাপারে করণীয় কী? ফতোয়া নং ৫১৬: মোবাইল বিক্রির বিধান والله تعالى أعلم بالصواب -আবু মুহাম্মাদ আব্দুল্লাহ আলমাহদি (উফিয়া আনহু) ২০-০৪-১৪৪৭ হি. ১৩-১০-২০২৫
মোবাইল সার্ভিসিংয়ের পেশা গ্রহণ করার বিধান https://fatwaa.org/%e0%a6%ab%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a6%93%e0%a7%9f%e0%a6%be/%e0%a6%b2%e0%a7%87%e0%a6%a8%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%a8/%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%b2-%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%ae/%e0%a6%ae%e0%a7%8b%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%b2-%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ad%e0%a6%bf%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%82%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a7%87%e0%a6%b6/
ফাসেক ইমামের পিছনে নামায আদায়ের বিধান প্রশ্ন: আমরা জানি, ফাসেক ইমামের পিছনে নামায পড়া নিষেধ। কিন্তু বর্তমানে দেখা যায়, অনেক ইমাম জি-হা-দে অংশগ্রহণ করেন না কিংবা জি-হা-দে-র প্রতি কোনো রূপ আগ্রহ দেখান না। ফরযে আইন জি-হা-দ ত্যাগের কারণে তারা কি ফাসেক গণ্য হবেন? যদি তাই হয়, তাহলে আমাদের কি নিজ বাসায় একা নামায আদায় করা উচিত? আব্দুল করিম উত্তর: আপনি যে কারণে ইমামদের অনেককে ফাসেক মনে করছেন, এটি বর্তমান সময়ে কাউকে ফাসেক গণ্য করার সুনিশ্চিত কারণ হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়। অর্থাৎ কোনো ইমাম মু-জা-হি-দ না হলে কিংবা কার্যত জি-হা-দে-র সঙ্গে সম্পর্ক না রাখলেই যে তিনি ফাসেক হবেন এমন ধারণা ঠিক নয়। কারণ, হতে পারে তিনি গোপনে জি-হা-দে-র সঙ্গে সম্পর্ক রাখছেন, কিন্তু আপনি জানেন না অথবা তার জি-হা-দে যুক্ত না হওয়ার মতো গ্রহণযোগ্য কোনো তাবিল ও ব্যাখ্যা অথবা ওজর আছে। এসব কারণে বাহ্যত জি-হা-দে-র সঙ্গে সম্পর্ক না রাখলে কেউ ফাসেক হয় না। দ্বিতীয় কথা হচ্ছে, যদি বাস্তবে কোনো ইমাম ফাসেক হয়ও, তবুও একারণে সালাতের জামাত ত্যাগ করা যাবে না। ফাসেকের পেছনে নামায না পড়ার বিধান হচ্ছে যখন ভালো ইমাম থাকবে, তখন এমন ব্যক্তিকে ইমাম বানানো যাবে না। কিন্তু যদি ভালো ইমাম না থাকে কিংবা কর্তৃপক্ষ ভালো ইমাম নিয়োগ না দেয়, সে ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষ তার পেছনেই নামায আদায় করবে। তবুও জামাত ছাড়বে না। -আকীদাতুত তাহাবী, পৃ: ২৩ (দারু ইবনি হাযম); মাজমাউল ফাতাওয়া: ২৩/৩৫৩ (মাজমাউল মালিক ফাহাদ); রদ্দুল মুহতার: ১/৫৬২ ও ২/৫০ (দারুল ফিকর); আল-বাহরুর রায়েক: ১/৩৭০ (দারুল কিতাবিল ইসলামী); গুনয়াতুল মুতামাল্লী, পৃ: ৫১৩-৫১৪ (আল-মাকতাবাতুল আশরাফিয়্যাহ); দুরারুল হুক্কাম শরহু গুরারিল আহকাম: ১/৮৬ (দারু ইহয়ায়িল কুতুবিল আরাবিয়্যাহ) والله تعالى أعلم بالصواب -আবু মুহাম্মাদ আব্দুল্লাহ আলমাহদি (উফিয়া আনহু) ২০-০৪-১৪৪৭ হি. ১৩-১০-২০২৫
ফাসেক ইমামের পিছনে নামায আদায়ের বিধান https://fatwaa.org/%e0%a6%ab%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a6%93%e0%a7%9f%e0%a6%be/%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%9c/%e0%a6%ab%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a7%87%e0%a6%95-%e0%a6%87%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a6%bf%e0%a6%9b%e0%a6%a8%e0%a7%87-%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%af/