মুস'আব
Статистика- Последний пост
- 12 мар.
- Последнее чтение
- 13 авг.
- Постов за неделю
- 0
- Всего постов
- 22
- Тип
- открытый
- Язык
- bn
- В каталоге с
- 13 авг.
- 1/24сутки в ленте
- —
- 1/48двое суток
- —
- 1/72трое суток
- —
Оценка по просмотрам недавних постов: пост набирает почти всё за первые сутки.
Посты
ফ্যামিলি কার্ডের টাকার মেসেজ পেয় খুশিতে জয় বাংলা-জয় বঙ্গবন্ধু স্লোগান দিলেন এক নারী। গ্রামের দিকের ভোটার রা অনেকেই এমন হয়🥳
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করায় বিএনপির রমনা থানার সভাপতি আশরাফুল ইসলামকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দিয়েছে দলটি।
বাংলাদেশে ওসমান হাদি খুনে অভিযুক্তরা গ্রেফতার পশ্চিমবঙ্গের বনগাঁও থেকে, বিস্তারিত জানাচ্ছেন এবিপি আনন্দের প্রতিনিধি পার্থপ্রতিম ঘোষ।
আজকে মেজর জিয়া বেঁচে থাকলে আবার লীগকে পুনর্বাসন করে নিজেই মারা খেতো
মির্জা আব্বাসের মানহানির অভিযোগে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর বিরুদ্ধে মামলার আবেদন
মুজিব প্লাগ 🥴
ইন্না লিল্লাহ
বাংলাদেশ🇧🇩
৯ম শ্রেনিতে পড়া মেয়ে চীনা পোলার চোখের ভাষা বুঝে😆 চীনা প্রেমিক 'ওয়াক থো মং' এর আগমনে খুশিতে আটখানা তরুণী। প্রেমিক'কে নিয়ে পাড়ায় পাড়ায় হেটে হেটে জানান দিচ্ছে তার ভালোবাসার শক্তি'র। কথা বলেন কিভাবে জানতে চাইলে, তরুণী বলেন- 'তার চোখের ভাষা'ই আমি বুঝতে পারি। না বুঝলে প্রেমিকা হলাম কিভাবে? তাছাড়া ট্রান্সলেটর এপ তো আছেই।' যদিও চীনা প্রেমিক- 'ওয়াক থো মং' এর চোখ তুলনামূলক ভাবে ছোট, তবুও এই চোখের ভাষা নাকি নবম শ্রেণিতে পড়ুয়া প্রেমিকা অনায়াসেই পড়ে ফেলতে পারেন।' দুনিয়ার লীলাখেলা বুঝা বড় দায় রে পাগ*লা। 🙂
আজকে রাত ২৪:৫৯ মিনিটে লাইভে এসে চাঁদার হিসাব পই পই করে দিবেন আমাদের লিডার 🙂
হে মুসলিম যুবকেরা! তোমাদের কি হয়েছে, তোমরা কেন আল্লাহর রাস্তায় লড়াই করছো না? 🎙️ মুফতি জসিম উদ্দিন রাহমানি (হাফি.)
আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাহাবায়ে আজমাঈন রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমকে অনেক দুআ শেখাতেন। উঠতে বসতে, কাজেকর্মে, প্রতিটা প্রয়োজনে উপকারী এবং উপযুক্ত বহু দুআ শিখিয়ে দিতেন। আবার কোনো কোনো সাহাবিকে বিশেষ কোনো দুআ শেখাতেন। যেমন, হযরত আনাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুকে শিখিয়েছিলেন দুআয়ে আনাস। আবু দ্বারদা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুকে শিখিয়েছিলেন দুআয়ে আবু দ্বারদা। তো এত এত দুআ সাহাবারা সব মনে রাখতে পারতেন না। সাহাবারা আরজ করলেন, 'ইয়া রাসুলাল্লাহ! এত দুআ তো মনে রাখতে পারিনা আমরা। কী করব?' আল্লাহর রাসুল বললেন, 'তোমাদেরকে এমন একটা দুআ শিখিয়ে দেব যেটা পড়লে সব দুআ পড়া হয়ে যাবে?' এরপর আল্লাহর রাসুল দুআটা শেখালেন। সেটা এই দুআ- اللَّهُمَّ إِنَّا نَسْأَلُكَ مِنْ خَيْرِ مَا سَأَلَكَ مِنْهُ نَبِيُّكَ مُحَمَّدٌ صلى الله عليه وسلم وَنَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّ مَا اسْتَعَاذَ مِنْهُ نَبِيُّكَ مُحَمَّدٌ صلى الله عليه وسلم وَأَنْتَ الْمُسْتَعَانُ، وَعَلَيْكَ الْبَلَاغُ، وَلَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللَّهِ [আল্লাহুম্মা ইন্না নাসআলুকা মিন খাইরি মা সাআলাকা মিনহু নাবিয়্যুকা মুহাম্মাদুন সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। ওয়ানাউযু বিকা মিন শাররি মাসতাআযা মিনহু নাবিয়্যুকা মুহাম্মাদুন সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। ওআনতাল মুসতাআন, ওআলাইকাল বালাগ ওয়ালা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ] অর্থ- হে আল্লাহ! আমরা আপনার কাছে সেই কল্যাণ চাই যা চেয়েছেন আপনার নবী মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। আপনার কাছে সেই অকল্যাণ থেকে পানাহ চাই, যা থেকে পানাহ চেয়েছেন আপনার নবী মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। আপনিই তো সাহায্য প্রার্থনার কেন্দ্রস্থল। আপনার উপরই নির্ভর করা যথেষ্ট। কোনো ক্ষমতা নেই, কোনো শক্তি নেই আল্লাহ ছাড়া। -সুনানে তিরমিযী (কিতাবুদ দাওয়াত, ৩৫২১), ইবনে মাজাহ (আবওয়াবুদ দুআ, ৩৮৪৬), তিরমিযী (৩৮৭)
শায়খ ওবিএল রহ. সন্ত্রাসী নন— তিনি ছিলেন এক প্রতিরোধের প্রতীক যিনি আমেরিকার অন্যায়ের বিরুদ্ধে সাহসিকতার সাথে জি* হাদের পতাকা তুলেছেন, মুসলিম ভূখণ্ডের পবিত্রতা রক্ষায় নিজ জীবন বিলিয়ে দিয়েছেন, তাকে ‘স* ন্ত্রাসী’ বলা এক বিশাল মিথ্যাচার। বরং স* ন্ত্রাসী তো সেই শক্তি, যারা শিশুদের উপর ড্রোন ফেলে। যাদের বো* মায় বি*ধ্বস্ত হয় হাসপাতাল, স্কুল, মসজিদ। ওবিএল রহ. আজকের দুনিয়ার চোখে ‘স* ন্ত্রাসী’। কিন্তু কার চোখে? পশ্চিমা উপনিবেশবাদী শক্তির চোখে। সেই শক্তির চোখে, যারা ফা*লাস্তিনে, ই*রাকে, আ* ফগা*নে, কা*শ্মীরে লাখো মুসলমানকে হ*ত্যা করেছে। যাদের জন্য মুসলিম ভূখণ্ড আজ আগুনে জ্বলছে। তিনি এমন এক সময়ে কণ্ঠ তুলেছিলেন, যখন গোটা দুনিয়া আমেরিকার ভয় দেখিয়ে মুখ বন্ধ করে রেখেছিল। সুতরাং, যদি একজন মানুষ তার দ্বীনের জন্য, মুসলিম উম্মাহর হেফাজতের জন্য এবং আল্লাহর জমিনে আল্লাহর বিধান কায়েমের জন্য জীবন বিলিয়ে দেন, তাহলে তিনি স* ন্ত্রাসী নন, বরং শহীদ! আজকের এই যুগে, যখন পশ্চিমা প্রোপাগান্ডার হাওয়া মুসলমানদের অন্তরেও ঢুকে পড়েছে, তখন সত্য বলা, স্পষ্ট বলা, ঈমানদারদের পক্ষে দাঁড়ানো অনেক কঠিন। তবুও আমরা বলব, ওবিএল রহ. স* ন্ত্রাসী ছিলেন না, তিনি ছিলেন এক প্রতিবাদী, প্রতিরোধকারী, এক সাহসী মুসলিম। তার অপরাধ কী ছিল? তার একটাই ‘অপরাধ’, তিনি বলেছিলেন: ‘আমেরিকার আগ্রাসনের বিরুদ্ধে মুসলিম উম্মাহকে রুখে দাঁড়াতে হবে।’ তিনি বলেছিলেন, ‘ইসলামী ভূমি কু*ফরী সেনাবাহিনীর পদচারণার জন্য নয়।’ তিনি বলেছিলেন, ‘ই*হুদি-না*সারাদের আ*গ্রাসনের বিরুদ্ধে জি* হাদ ফরয।’ এই কথাগুলোর কারণে পশ্চিমারা তাকে স* ন্ত্রাসী বলেছে। কিন্তু একজন সাচ্চা মুমিন মাত্রই জানেন, এই কথাগুলো বলার সাহস যাদের হয়, তারাই ‘আল্লাহর সৈনিক’। যারা আজ গণতন্ত্রের মোহে অন্ধ হয়ে ওবিএল রহ.কে স* ন্ত্রাসী বলেন, তাদের প্রতি কিছু কথা, তোমরা কি পশ্চিমা মিডিয়ার হাতে গড়া ট্যাগে বিশ্বাস করো, নাকি কুরআনের আয়াতে? তোমরা কি জানো, তোমরা যাকে ‘গ* ঙ্গি’ বলো, তিনি তার বিলাসী জীবন ছেড়ে উম্মাহর রক্তের জন্য জীবন বিলিয়ে দিয়েছিলেন? তোমরা বলো, ‘শান্তির জন্য রাজনীতি করতে হবে।’ তাহলে প্রশ্ন করি, কোন রাজনীতি? যে রাজনীতি কু*ফফারদের সন্তুষ্টি ছাড়া ক্ষমতায় যেতে দেয় না? কোন গণতন্ত্র? যে ব্যবস্থায় আল্লাহর আইন উপেক্ষিত, আর কু*ফরি আইন বাধ্যতামূলক? তোমরা যারা আমেরিকার প্রেসক্রিপশনে ইসলাম চালাতে চাও, তারা জানো না, ইসলাম কখনো কু* ফরী ব্যবস্থার সঙ্গে আপস করে না! ওবিএল রহ. সেই ইসলামকে বুকে ধারণ করেছিলেন, যে ইসলাম মক্কার গুহা নয়, বরং বদরের ময়দান, খন্দকের প্রতিরোধ আর ফাতহে মক্কার বিজয়ের নাম। তাই মনে রাখো, তোমাদের গণতান্ত্রিক প্রজেক্টে একজন ওবিএল হয়তো ‘স*ন্ত্রাসী’, কিন্তু আমাদের ঈমানী দৃষ্টিতে তিনি এক আব্দুল্লাহ বিন যুবায়ের, এক তারিক বিন জিয়াদ, এক উমর মুখতার— যিনি দুনিয়ার ভয়কে পদদলিত করে আল্লাহর ভয়কে বুকে ধারণ করেছিলেন।
❁ শাহাদাতের মৃত্যুর জন্য দুআ ❁ اَللَّهُمَّ ارْزُقْنِي شَهَادَةً فِي سَبِيلِكَ، وَاجْعَلْ مَوْتِي فِي بَلَدِ رَسُولِكَ (ﷺ) হে আল্লাহ্! আমাকে তোমার রাস্তায় শাহাদাত লাভের তাওফীক দান কর এবং আমার মৃত্যু তোমার রাসূল (ﷺ) এর শহরে প্রদান কর। রেফারেন্সঃ সহিহ বুখারী | ১৮৯০
পুরা বিশ্ব যখন গাযার আহাজারিতে চোখের পানি ফেলছে,ঠিক সে মূহুর্তে মুসলিম শায়েখ নামের কিছু গাদ্দার জায়োনিজমের অত্যাচার কে সার্টিফিকেট দিচ্ছে। আহ! কালের আবর্তনে তোদের মত শায়েখরা ইতিহাসের আস্তাকুঁড়ে নিক্ষিপ্ত হবে অচিরেই। আল্লাহর বাহিনীর বিজয় অতি সন্নিকটে ইনশাআল্লাহ আজীজ।
স্থান পরিবর্তন! ১২ তারিখ মার্চ ফর গা°জা°র সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অনুষ্ঠিত হবে। ইনশাআল্লাহ!⤵️
#Free_palastaine
видео или голосовое, без подписи
ঐতিহাসিক ফতোয়া। এমন ফতোয়া সব দেশ থেকে আসা উচিত।
আমার স্বামীকে আমার চোখের সামনে শাহাদাত বরণ করতে দেখেছি, আমার ছেলের দুটি পা কেটে ফেলা হয়েছিল। আমি আমার হিজাব দিয়ে তার পা বেঁধে ৪ কিলোমিটার তাকে কোলে করে নিয়ে গিয়েছিলাম। আমার ছেলেও শাহাদাত বরণ করে। আমি যা পারলাম করেছি। এমনকি আমার হিজাবও মুসলমানদের চেয়ে বেশি কাজে লেগেছে!