Muslim Media
Статистикаমুসলিম উম্মাহর খবর পাবেন, সবার আগে এবং সর্বশেষ সংবাদ, ইনশাআল্লাহ্।
- Последний пост
- 18 мая
- Последнее чтение
- 14 авг.
- Постов за неделю
- 0
- Всего постов
- 20
- Тип
- открытый
- Язык
- bn
- В каталоге с
- 14 авг.
- 1/24сутки в ленте
- —
- 1/48двое суток
- —
- 1/72трое суток
- —
Оценка по просмотрам недавних постов: пост набирает почти всё за первые сутки.
Посты
без подписи
Muslim Media pinned «আমাদের Whatsapp Channel https://whatsapp.com/channel/0029VbC9nFEIXnlltn0zCI42»
আমাদের Whatsapp Channel https://whatsapp.com/channel/0029VbC9nFEIXnlltn0zCI42
লিল্লাহি তাকবীর
ইন্দোনেশিয়া মালাক্কা প্রণালী হয়ে যাতায়াতকারী জাহাজের ওপর সরাসরি টোল বসানোর প্রস্তাব দিচ্ছে, যা ইরানের হরমুজ প্রণালীর মডেল অনুসরণ করে তৈরি। 'চোকপয়েন্ট সার্বভৌমত্ব' বা গুরুত্বপূর্ণ নৌপথের ওপর একচ্ছত্র আধিপত্যের এই তত্ত্ব এখন তেহরান হয়ে 'গ্লোবাল সাউথ'-এর কোর্টে। বিশ্ব বাণিজ্যের প্রায় ৪০ শতাংশ মালাক্কা দিয়ে পরিবাহিত হয়। এর সবচেয়ে সংকীর্ণ অংশটি মাত্র ১.৭ কিলোমিটার প্রশস্ত, যা হরমুজের তুলনায় ১০ গুণেরও বেশি সরু। কয়েক দশক ধরে এই ধারণা প্রচলিত ছিল, এই জলপথ অবাধ, স্বয়ংক্রিয় এবং রাজনৈতিকভাবে নিরপেক্ষ। কিন্তু এই ধারণাটি ছিল মূলত hegemonic power বা একক আধিপত্যবাদী শক্তির প্রভাব, আন্তর্জাতিক আইনের নিরঙ্কুশ প্রতিফলন নয়। ভূগোল বদলায়নি৷ যা বদলেছে তা হলো 'দৃষ্টান্ত'। ইরান বিশ্বকে দেখিয়েছে, একটি উপকূলীয় রাষ্ট্র গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ ব্যবহারের জন্য মাশুল আদায় করতে পারে৷ সেইসঙ্গে মার্কিন নৌবাহিনীকে চ্যালেঞ্জ জানাতে পারে এবং টিকেও থাকতে পারে। জাকার্তা এই মডেলটি পর্যবেক্ষণ করেছে। একই নজর ছিল সামুদ্রিক ধমনীর ওপর বসে থাকা অন্য প্রতিটি রাষ্ট্রেরও। জাকার্তার পক্ষ থেকে এই ফ্রেমওয়ার্ক বা কাঠামোটি অত্যন্ত স্পষ্ট। তাদের অর্থ মন্ত্রণালয় হরমুজকে মডেল হিসেবে উল্লেখ করছে। রাষ্ট্রপতির পক্ষ থেকে নির্দেশ হলো, এখন আরও 'আক্রমণাত্মক' চিন্তা করতে হবে। এধেনের সিদ্ধান্তকে নীতিগত সংস্কার বলা যায় না৷ বরং এটি নীতিগত অবস্থান পরিবর্তনের সংকেত। সিঙ্গাপুর এই প্রস্তাবের উচ্চকণ্ঠ বিরোধী, কারণ তাদের হারানোর পাল্লা সবচেয়ে ভারী। সিঙ্গাপুরের পুরো অর্থনৈতিক মডেল দাঁড়িয়ে আছে এই প্রণালীর একটি নিরপেক্ষ ট্রানজিট এবং আর্থিক কেন্দ্র হওয়ার ওপর। একটি টোল ব্যবস্থা বা মাশুল প্রথা তাদের অস্তিত্বের মূল ভিত্তিকেই ধসিয়ে দেবে। মালয়েশিয়ার নীতি এখানে দোদুল্যমান। তারা একদিকে নৌ-চলাচলের স্বাধীনতার যৌথ ইশতেহারে স্বাক্ষর করেছে, অন্যদিকে তেহরানের সঙ্গে সরাসরি হরমুজ দিয়ে নিরাপদ যাতায়াতের বিষয়ে নিভৃতে আলোচনা চালাচ্ছে। বৃহত্তর প্রেক্ষাপট হলো, বিশ্বের সামুদ্রিক বাণিজ্যের ওপর মার্কিন নিরাপত্তার যে গ্যারান্টি ছিল, তার অবক্ষয় ঘটছে। সপ্তম নৌবহর (7th Fleet) এখনও প্রণালীতে টহল দিচ্ছে ঠিকই, কিন্তু তিনটি উপকূলীয় রাষ্ট্র যখন সম্মিলিতভাবে কাজ করে, তখন তাদের বিরুদ্ধে গিয়ে 'অবাধ যাতায়াত' নিশ্চিত করার রাজনৈতিক মূল্য হয় অপরিসীম। মার্কিন প্রতিক্রিয়া ইতোমধ্যে দৃশ্যমান। চলতি মাসে জাকার্তার সঙ্গে স্বাক্ষরিত প্রতিরক্ষা চুক্তিটি কাকতালীয় ঘটনা নয়। লম্বক এবং সুন্দা প্রণালীর মতো বিকল্প পথগুলোতেও যাতে এই মাশুল আদায়ের যুক্তি ছড়িয়ে না পড়ে, তার আগেই ওয়াশিংটন ইন্দোনেশিয়াকে তাদের জোটবদ্ধ কাঠামোর মধ্যে আটকে ফেলতে চাইছে। এক সময় এই চোকপয়েন্টগুলোকে 'পাবলিক গুড' বা সর্বস্বার্থে উন্মুক্ত সম্পদ হিসেবে দেখা হতো। এখন সেগুলোকে 'সার্বভৌম সম্পদ' (sovereign assets) হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হচ্ছে। নিজস্ব প্রভাব খাটানোর সুযোগ আছে এমন প্রতিটি উপকূলীয় রাষ্ট্র শেষ পর্যন্ত এর সীমা পরীক্ষা করে দেখবে। এবং এর মধ্য দিয়ে সামুদ্রিক শক্তির নতুন মূল্য নির্ধারণের যুগ শুরু হবে৷ হরমুজ কখনোই ব্যতিক্রম ছিল না; এটি ছিল সূচনা। মালাক্কা প্রস্তাব নিশ্চিত করল, কাঠামোটি আমাদের আগে থেকেই যা বলছিল তা-ই ঘটছে। স্বয়ংক্রিয়ভাবে বা প্রথাগতভাবে 'অবাধ যাতায়াতের' যুগ শেষ হয়ে আসছে। #জিওপলিটিক্স #ওয়ার_অ্যানালাইসিস #আখিরুজ্জামান সাঈদ আবরার হাফিঃ
অনেকদিন পর দেওনা মাদরাসায় এলাম। দেওনার পীর অধ্যক্ষ মিজানুর রহমান চৌধুরী সাহেবের সাথে আগেও দুবার সাক্ষাত হয়েছে। তবে আজকে উদ্দেশ্য ছিল পীর সাহেবের ব্যক্তিগত স্মৃতিচারণ শোনা। মাগরিবের পর থেকে রাত এগারোটা পর্যন্ত দীর্ঘ মজলিসে বসেছিলাম আমরা। বৈঠকে ঢংগে তিনি বলে গেলেন বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের নানা ঘটনা, উঠে এলো আশির দশকের রাজনীতির অনেক অজানা দিক। স্মৃতিচারণ করলেন হজরত মাদানির খলিফা মাওলানা আবদুল হালিম হুসাইনি র কে নিয়েও। গাজিপুরের আলেমদের সম্পর্কেও অনেক নতুন ইতিহাস জানার সুযোগ হলো। কিছু বিষয়ে আমাদের বিব্রতকর প্রশ্নকেও তিনি হাসিমুখে মেনে নেন এবং প্রানবন্ত জবাব দেন। সবশেষে আন্তরিকতাপূর্ন দাওয়াত প্রত্যাখ্যান করার উপায় ছিল না। দস্তরখানে বসে গুরুত্বপূর্ণ কিছু নসিহাহ করলেন৷ আম্মার উল হক বললো, এগুলো নোট করে রাখবো৷ পীর সাহেবের ইতিহাস সচেতনতা মুগ্ধ করার মত। সাধারণত বেশিরভাগ মানুষ স্মৃতিচারণের ক্ষেত্রে ধারাবাহিকতা ঠিক রাখতে পারে না কিংবা ঘটনা আগে পরে করে ফেলেন। অথবা এমন ব্যক্তির সাথে এমন সালের ঘটনা আনেন যখন ওই ব্যক্তি জীবিতই ছিলেন না। যেমন একজন প্রবীণ লেখক তার সাক্ষাতকারে দাবি করেন, আনোয়ার শাহ কাশ্মিরী ঢাকায় এলে তিনি তার একটি বইয়ের ভুল ধরিয়ে দেন। অথচ তার জন্মই আনোয়ার শাহ কাশ্মিরীর মৃত্যুর কয়েক বছর পরে। এই ধরণের মিশ্রণের কারণে অনেকের স্মৃতিচারণে আগ্রহ ধরে রাখা সম্ভব হয় না। তবে পীর সাহেবের স্মৃতিচারণ ছিল ব্যতিক্রম। বাংলাদেশে ধর্নীয় ঘরানার প্রবীণ ব্যক্তিত্বদের মধ্যে আত্মজীবনি লেখার রেওয়াজ কম। যদি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্বদের আত্মজীবনি সংরক্ষন করা হত তাহলে সামাজিক সাংস্কৃতিক ইতিহাসের এক বিরাট ভান্ডার সংরক্ষণ করা যেত। এখন ফিরছি কাপাসিয়া। দুপাশে খোলা মাঠ। প্রচন্ড কুয়াশা। অবাকই লাগছে, এপ্রিলের এ সময় এমন কুয়াশা। রাত গভীর হচ্ছে, চারপাশ নিঝুম। মাথায় ঘুরছে আবু আমর বিন আলাকে বলা আরব বৃদ্ধের সেই কথা, যা ইবনু আসাকির তারিখু মাদিনাতি দিমাশকে বর্ননা করেছেন, এখনো বেঁচে আছি নতুন নতুন গল্প শুনবো বলে ইমরান রাইহান ।
без подписи
. নরেন্দ্র মোদী ও সংশ্লিষ্ট বিতর্ক: নথিপত্র ফাঁসের এই তালিকায় ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নামও এক অনাকাঙ্ক্ষিত মোড় নিয়ে এসেছে। প্রকাশিত ই-মেইল এবং নথিতে মোদীর সংশ্লিষ্টতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। একটি বিশেষ অংশে মোদীর "নাচানাচি" বা প্রমোদ ভ্রমণের অস্বস্তিকর তথ্য সামনে এসেছে বলে দাবি করা হচ্ছে। যদিও ভারত সরকার এটিকে ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছে, কিন্তু এপস্টাইন ফাইলসে মোদীর মতো একজন বিশ্বনেতার নাম আসা বিশ্বজুড়ে বিতর্কের ঝড় তুলেছে। . জোহরান মামদানির মা: তালিকায় নাম এসেছে নিউইয়র্কের রাজনীতিবিদ জোহরান মামদানির মা তথা প্রখ্যাত চলচ্চিত্র পরিচালক মীরা নায়ারের। সামাজিক অনুষ্ঠানের অতিথি তালিকায় বা এপস্টাইনের বৃত্তে তার উপস্থিতি অনেককে অবাক করেছে। যারা এই 'সুশীল' ও 'প্রগতিশীল' ধারার মানুষদের আদর্শ মানতেন, তাদের জন্য এটি একটি বড় ধরণের ধাক্কা। . রাজনৈতিক ও রাজকীয় আভিজাত্যের পতন: যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন, ডোনাল্ড ট্রাম্প কিংবা ব্রিটেনের রাজপুত্র প্রিন্স অ্যান্ড্রু—এদের নাম এই ফাইলে আসা কেবল ব্যক্তিগত কেলেঙ্কারি নয়, বরং এটি রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ প্রতিষ্ঠানের অবক্ষয়। প্রিন্স অ্যান্ড্রুর বিরুদ্ধে সরাসরি ধর্ষণের অভিযোগ এবং সেই সংক্রান্ত ভিডিও প্রমাণ আভিজাত্যের কপালে এক বড় কলঙ্ক। . ভূ-রাজনীতির হীন কৌশল: মোসাদ সংযোগ জেফ্রি এপস্টাইন এবং জিসলেইন ম্যাক্সওয়েলের এই কর্মকাণ্ড কি কেবলই জৈবিক তাড়না ছিল? বুদ্ধিবৃত্তিক বিশ্লেষণ বলছে এটি ছিল এক গভীর রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র। জিসলেইন ম্যাক্সওয়েলের বাবা রবার্ট ম্যাক্সওয়েল ছিল ইসরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের ঘনিষ্ঠ সহযোগী। সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের মতে, এপস্টাইন-জিসলেইন জুটি এই বিকৃত ভিডিওগুলো ব্যবহার করে বিশ্ব নেতাদের ব্ল্যাকমেইল করত যাতে তারা ইসরায়েলের ভূ-রাজনৈতিক স্বার্থ রক্ষা করে। . কেন এই তালিকায় পুতিন বা কিম জং উন নেই? একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ হলো—এপস্টাইনের তালিকায় কেন পশ্চিমা প্রতিপক্ষ নেতাদের নাম নেই? এর উত্তর মূলত পশ্চিমা ধাঁচের ‘অবারিত স্বাধীনতা’ এবং ‘পুঁজিবাদী ভোগবাদ’-এর গভীর পচনের মধ্যে নিহিত। ইরান বা চীনের মতো দেশগুলোতে পশ্চিমা গোয়েন্দা নেটওয়ার্কের প্রবেশাধিকার সীমিত থাকায় তাদের নাম এই তালিকায় আসার সুযোগ কম ছিল। . এপস্টাইন ফাইলস আমাদের সামনে এক নির্মল ও কঠিন সত্যকে ছুড়ে দিয়েছে। ক্ষমতা যখন জবাবদিহিতার ঊর্ধ্বে চলে যায়, তখন তা দানবে রূপান্তরিত হয়। আমরা আমাদের সন্তানদের যাদের মতো হতে উদ্বুদ্ধ করি, তারা যদি এই অন্ধকারের উপাসক হয়ে থাকেন, তবে আমাদের সভ্যতার ভিত্তিটাই নড়বড়ে। যারা শিশুদের নিরাপত্তা দিতে পারে না, যারা ব্যক্তিগত স্বার্থে মানবতাকে বলি দেয়, ইতিহাস তাদের কোনোদিন ক্ষমা করবে না। . তথ্যসূত্র ও ছবি দেখুন— The Guardian Archive: Jeffrey Epstein Files BBC Panorama: The Prince and the Epstein Scandal Official U.S. Court Records (Southern District of NY আকরাম হোসাইন। #Epstein #EpsteinFilesTransparencyAct
এপস্টাইন ফাইলস: সভ্যতার আড়ালে এক অসভ্য মুখ . ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে প্রকাশিত ‘এপস্টাইন ফাইলস’ আমাদের সামনে এক বীভৎস বাস্তবতাকে উন্মোচন করেছে। আমরা যে পৃথিবীকে আলোকোজ্জ্বল এবং প্রগতিশীল মনে করি, তার সমান্তরালে যে এক পচনশীল অন্ধকার জগত বিদ্যমান—তা এই নথিগুলো পড়ার আগে কল্পনা করাও কঠিন ছিল। এটি কেবল কিছু কাগজের নথি নয়, বরং এটি তথাকথিত উচ্চবিত্ত সমাজের নৈতিক দেউলিয়াত্বের এক জীবন্ত দলিল। আমরা যাদের সাফল্যের চূড়ায় আসীন দেখে শ্রদ্ধা করতাম, তাদের হাতের তালু যে নিরপরাধ শিশুদের রক্তে ভেজা—এই ধ্রুব সত্যটি আমাদের বিশ্বাসের ভিত নাড়িয়ে দিয়েছে। . এপস্টাইন নেটওয়ার্ক: যেভাবে কাজ করত এই ‘দুষ্টচক্র’ জেফ্রি এপস্টাইন নামক এই ব্যক্তিটি একক কোনো অপরাধী ছিলেন না; তিনি ছিলেন এক ভয়ঙ্কর ‘সিস্টেম’-এর প্রতীক। ক্ষমতার শীর্ষে থাকা মানুষদের কুৎসিত ক্ষুধা মেটানোর জন্য তিনি যে আয়োজন করেছিলেন, তাকে আধুনিক যুগের দাসপ্রথা বললেও কম বলা হবে। জিসলেইন ম্যাক্সওয়েলের সহায়তায় তিনি দরিদ্র দেশ বা অভাবী পরিবারগুলো থেকে কিশোরীদের মডেলিং বা উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন দেখিয়ে সংগ্রহ করতেন। কিন্তু সেই স্বপ্নের আড়ালে তারা আটকা পড়ত এক দুর্ভেদ্য জালে। . এপস্টাইনের কাছে তারা কোনো মানুষ ছিল না, ছিল কেবল ‘পণ্য’। এই প্রভাবশালী খদ্দেরদের মনোরঞ্জনের জন্য শিশুদের এক দেশ থেকে অন্য দেশে পাচার করা হতো, যা ছিল এক সুসংগঠিত ‘ক্রিমিনাল এন্টারপ্রাইজ’। . মানবিক বিপর্যয়: এক অবর্ণনীয় পৈশাচিকতার দলিল ও ভুক্তভোগীদের আর্তনাদ এই প্রতিবেদনের সবচেয়ে অন্ধকার অংশটি কোনো রাজনৈতিক সমীকরণ নয়, বরং সেই সহস্রাধিক শিশুর শৈশব চুরির করুণ আখ্যান। ‘এপস্টাইন ফাইলস’-এর পৃষ্ঠাগুলো উল্টালে যে আর্তনাদ শোনা যায়, তা আধুনিক সভ্যতার গায়ে এক স্থায়ী কলঙ্ক। . শিশু শিকার: একটি সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে—এপস্টাইনের ম্যানশনের রান্নাঘরে এক কিশোরী প্রাণপণ দৌড়াচ্ছে, তার চোখেমুখে আসন্ন মৃত্যুর আতঙ্ক। আর তার পেছনে পৈশাচিক উল্লাসে ধাওয়া করছেন স্বয়ং জেফ্রি এপস্টাইন। এই একটি দৃশ্যই বলে দেয়, সেই সাম্রাজ্যে শিশুদের কোনো মানুষের মর্যাদা ছিল না; তারা ছিল কেবল প্রভাবশালী শিকারিদের জন্য ছেড়ে দেওয়া ‘শিকার’। অনেক ভুক্তভোগী জবানবন্দিতে বলেছেন, তারা যখন পালানোর চেষ্টা করতেন, তখন তাদের কুকুরের মতো করে খাঁচায় বন্দি করে রাখা হতো। . মারিয়া’র গল্প: একটি হারিয়ে যাওয়া শৈশব নথিতে ‘মারিয়া’ নামক এক ভুক্তভোগীর জীবনকাহিনী উঠে এসেছে যা পাথরকেও গলিয়ে দেবে। মাত্র ১৪ বছর বয়সে তাকে ভালো কাজের প্রলোভন দেখিয়ে এপস্টাইনের দ্বীপে নিয়ে আসা হয়। মারিয়া জবানবন্দিতে জানিয়েছেন, তাকে সেখানে প্রতিদিন একাধিক প্রভাবশালী ব্যক্তির কক্ষে পাঠানো হতো। তিনি যখন ব্যথায় চিৎকার করতেন, তখন তাকে জোর করে ড্রাগ দেওয়া হতো যাতে তিনি নিস্তেজ হয়ে পড়েন। মারিয়া বলেছেন, "আমি যখন কান্না করতাম, তারা হাসত। তারা ভাবত আমি কোনো মানুষ নই, কেবল এক টুকরো মাংস।" আজ দশ বছর পরও মারিয়া স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারেননি; মাঝরাতে তিনি এখনো আতঙ্কে চিৎকার করে ওঠেন। . রিচুয়ালিস্টিক টর্চার ও বীভৎসতা এপস্টাইন ফাইলসের সবচেয়ে ভয়ঙ্কর দিক হলো ‘রিচুয়ালিস্টিক’ নির্যাতনের বর্ণনা। নথিতে উল্লেখ আছে যে, অনেক ক্ষেত্রে শিশুদের ওপর এমন সব তান্ত্রিক বা অন্ধকার আচার চাপিয়ে দেওয়া হতো যা সুস্থ মস্তিষ্কের মানুষের কল্পনার অতীত। শিশুদের রক্ত নিয়ে উন্মাদনা বা তাদের শরীরের অঙ্গহানি করে বিকৃত আনন্দ পাওয়ার মতো পৈশাচিক তথ্যও সেখানে উঠে এসেছে। এটি কোনো সাধারণ যৌনপল্লি ছিল না; এটি ছিল এক কসাইখানা যেখানে শিশুদের আত্মা এবং শরীর—উভয়কেই বলি দেওয়া হতো। . "কেউ আমাদের বাঁচাবে না" ভুক্তভোগীদের মতে, তাদের সবচেয়ে বড় যন্ত্রণা ছিল এই উপলব্ধি যে—যাদের কাছে তারা বিচারের জন্য যাবে (পুলিশ, আদালত, প্রেসিডেন্ট), তারা নিজেরাই এপস্টাইনের দ্বীপে নিয়মিত যাতায়াত করেন। যখন একজন শিশু দেখে যে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায়ের মানুষটিই তার নির্যাতনকারীর বন্ধু, তখন তার আর্তনাদ চিরতরে স্তব্ধ হয়ে যায়। এই বিচারহীনতার সংস্কৃতিই এপস্টাইনকে বছরের পর বছর ধরে এই নরকরাজ্য চালিয়ে যাওয়ার সাহস দিয়েছিল। . তথাকথিত ‘আইডল’দের স্খলন এই বীভৎস পৈশাচিকতার খদ্দের ছিলেন সেই সব মানুষ, যাদের আমরা সফলতার আইকন হিসেবে মানি। যখন দেবতুল্য ইমেজের মানুষগুলো এই পৈশাচিক লালসার সাথে যুক্ত হন, তখন সাধারণ মানুষের বিশ্বাসের জায়গাটি চূর্ণবিচূর্ণ হয়ে যায়। . বিল গেটস: আধুনিক প্রযুক্তির রূপকার বিল গেটসের ইমেজ এই ফাইলে বড় ধরণের প্রশ্নের মুখে পড়েছে। আদালতের নথিতে উঠে এসেছে যে, মেলিন্ডা গেটসের সাথে তার বিচ্ছেদের অন্যতম কারণ ছিল এপস্টাইনের সাথে তার অস্বস্তিকর সখ্যতা। রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, গেটস তার কিছু ব্যক্তিগত তথ্য (যেমন এসটিডি বা যৌন ব্যাধি) গোপন রাখতে চেয়েছিলেন যা এপস্টাইন জানতেন। এমনকি এপস্টাইন তাকে এই তথ্য ব্যবহার করে ব্ল্যাকমেইল করার চেষ্টাও করেছিলেন।
আপনার বন্ধুদের চ্যানেলে ইনভাইট করুণ ।
без подписи
без подписи
https://www.facebook.com/61581130419441/videos/1363616465558633/
ইনশাআল্লাহ্
ফেসবুক পোস্টে মুফতি হারুন ইজহার জানান : ঢাকার কিছু তরুণ আলেম উদ্যোক্তা গতকাল আমার সাথে সৌজন্য সাক্ষাতে আসেন। আমি তখন সফরে বের হচ্ছিলাম, মাত্র কয়েক মিনিট কথা হয় তাদের সাথে। সীতাকুণ্ড চন্দ্রনাথ মন্দির এলাকায় কোন মসজিদ নির্মাণের অভিপ্রায় তারা ব্যক্ত করেন নি। তারা শুধু বলেছেন পর্যটকদের জন্য উপযুক্ত কোন জায়গায় একটা মসজিদ দরকার এবং এ বিষয়ে তারা অর্থায়নে আগ্রহী। আমি তাদের এর জন্য সাধুবাদ জানাই। আর আমিও মনে করি ইকোপার্ক অংশে মুসলিম পর্যটকদের সুবিধার জন্য ইবাদাতখানা নির্মাণের জন্য প্রশাসনের সাথে পরামর্শ করে একটা উদ্যোগ নেয়া যায়। কিন্তু বাস্তব ঘটনার বিপরীতে একটি মহল এ বিষয়ে প্রোপাগাণ্ডা চালিয়ে হিন্দু সমাজকে উস্কানি দিয়ে যাচ্ছে। ভুল তথ্য প্রচার করে ধর্মীয় উত্তেজনা না ছড়ানোর জন্য সবার কাছে অনুরোধ করছি। উল্লেখ্য : গতকাল এমএম সাইফুল ইসলাম নামে জনৈক ব্যক্তি ফেসবুক পোস্টে দাবী করেন তিনি মুফতি হারুন ইজহারের সাথে দেখা করেন এবং সীতাকুণ্ড পাহাড়ের চূড়ায় একটি মসজিদ বানানো নিয়ে আলোচনা করেন।
без подписи
আজ শনিবার আফগান সংবাদমাধ্যম আফাক নিউজ এজেন্সিকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে ইসলামী ইমারাতের মুখপাত্র জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ ইমারাতের সর্বোচ্চ নেতা, আফগান রাষ্ট্রপ্রধান শাইখ হিবাতুল্লাহ আখুন্দজাদার ব্যক্তিগত জীবনের কিছু দিক নিয়ে কথা বলেছেন। মুজাহিদ জানান, ইসলামী ইমারাহ প্রধানের বয়স ৫৯ বছর। তিনি অন্যান্য আফগানদের মতোই সাধারণ জীবনযাপন করেন। তিনি মাসিক বেতন হিসেবে মাত্র ২০ হাজার আফগানি পান। জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ ইসলামী ইমারাতের সর্বোচ্চনেতার ব্যক্তিগত জীবনের বিষয়ে বলেন, ইসলামী ইমারাতের প্রধানের বয়স ৫৯ বছর। তিনি সাধারণ জীবনযাপন করেন। তার মাসিক বেতন মাত্র ২০ হাজার আফগানি। তিনি এই বেতনের ওপরই নির্ভর করে জীবনযাপন করেন। কয়েক ঘণ্টার বিশ্রাম ছাড়া তার বেশিরভাগ সময় রাষ্ট্রের সেবায় ব্যয় হয়; দিনের বাকি সময় তিনি ভোর থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত কাজ, সভা, সফর এবং তত্ত্বাবধানে ব্যস্ত থাকেন। পাশাপাশি বিভিন্ন দলের সাথে জাতীয় সংলাপ সম্পর্কে এক প্রশ্নের জবাবে ইসলামী ইমারাতের মুখপাত্র বলেন, ইসলামী ইমারাতের মূল অগ্রাধিকার হলো জাতীয় স্বার্থ এবং জনগণের কল্যাণ। তাঁর মতে, দেশের কল্যাণে যে কোনো সিদ্ধান্ত বা পদক্ষেপ সমর্থন করা হবে; কিন্তু রাষ্ট্রদ্রোহ, বিশৃঙ্খলা বা অতীতের বিতর্কিত রাজনৈতিক ব্যক্তিদের মাথাচাড়া দিয়ে ওঠার সুযোগ করে দেয় এমন কর্মকাণ্ড ইসলামী ইমারাতের কাছে অগ্রহণযোগ্য। এই মুখপাত্র আরও বলেন: আমাদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো আফগানিস্তানের জাতীয় স্বার্থ এবং দেশের স্থিতিশীলতা। আমরা জাতি ও দেশের স্বার্থে প্রতিটি সিদ্ধান্ত এবং মতামত অনুসরণ করি এবং সমর্থন করি; তবে, এমন সিদ্ধান্ত বা কর্মকাণ্ড যা রাষ্ট্রদ্রোহ, বিশৃঙ্খলা, অথবা পূর্বের বিতর্কিত (গণতন্ত্রপন্থী রাজনৈতিক) ব্যক্তিদের সক্রিয় করে জনগণের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে, তা আমাদের কাছে গ্রহণযোগ্য নয়। স্বাভাবিকভাবেই, এই পথে ব্যক্তি গুরুত্বপূর্ণ নয়; জাতি এবং জাতীয় স্বার্থই গুরুত্বপূর্ণ। জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ তার বক্তব্যের এক অংশে প্রাক্তন (গণতান্ত্রিক শাসনামলের) রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের দেশে ফিরে আসার দিকে ইঙ্গিত করে বলেন, অতীতের অভিজ্ঞতা প্রমাণ করেছে রাজনৈতিক মতপার্থক্য আফগানিস্তানকে বিভক্তি এবং সংকটের দিকে ঠেলে দিয়েছে। তিনি বলেন, বর্তমানে জাতীয় ঐক্য এবং জনগণের কল্যাণের জন্য উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি হয়েছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, এই সমস্ত লোকজন দেশে শান্তিতে বসবাস করতে পারেন, অন্যান্য নাগরিকদের মতো স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারেন। তবে দেশের স্থিতিশীলতা এবং শান্তি রক্ষার স্বার্থে তাদের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত হওয়া উচিত নয়। ইসলামী ইমারাতের মুখপাত্র এই সাক্ষাৎকারে প্রাক্তন গণতন্ত্রপন্থী রাজনীতিবিদদের বিষয়ে বলেন: যদি কেউ রাজনৈতিক দল বা সংগঠন করে বিভাজন এবং বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে চায়, তা দেশেরই ক্ষতি। এইধরনের পথ ও পদ্ধতি এড়িয়ে চলা উচিত। আজ জাতীয় ঐক্যের জন্য দারুণ সুযোগ এসেছে, সকল মানুষের জন্য এক (ইসলামি) ব্যবস্থার ছায়ায় ঐক্যবদ্ধভাবে জাতীয় স্বার্থে কাজ করা প্রয়োজন। আমাদের লক্ষ্য হওয়া উচিত জনগণের জীবন, দেশের উন্নয়ন এবং সাধারণ কল্যাণের স্থিতিশীলতার উপর মনোনিবেশ করা, রাজনৈতিক বিষয় কিংবা ব্যক্তিগত বিরোধ নয়।” ইমারাতের এই মুখপাত্র আবারও প্রাক্তন সরকারের অবশিষ্ট সামরিক সরঞ্জাম সংরক্ষণের উপর জোর দিয়েছেন। এছাড়া তিনি জানিয়েছেন বাগরাম বিমানঘাঁটিতে কোনো বিদেশী বাহিনীর উপস্থিত থাকার অনুমতি নেই এবং এই ঘাঁটির সকল সুযোগসুবিধা ইসলামী ইমারাতের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তিনি আবারও আফগানিস্তানে সশস্ত্র গোষ্ঠীর অনুপস্থিতির বিষয়টি অস্বীকার করে বলেছেন বর্তমানে সমগ্র আফগানিস্তানের কোথাও কোনও সশস্ত্র বা বিরোধী গোষ্ঠী সক্রিয় নেই। সৌজন্যে: আফাক নিউজ এজেন্সি
без подписи
без подписи
без подписи