tgindex
তানজীল আরেফীন আদনান

তানজীল আরেফীন আদনান

Статистика

পুরোদস্তুর নবি-প্রেমিক, আর কোনো পরিচয় নেই; থাকাও উচিত না। ফেসবুক আইডি: https://www.facebook.com/tanjilarefin207088

Последний пост
14 авг.
Последнее чтение
15 авг.
Постов за неделю
12
Всего постов
23
Тип
открытый
Язык
bn
Категория
Новости и СМИ (по похожим)
В каталоге с
13 авг.
Подписчики
10 810
+5 за 3 дн.
Сутки
+6
+0,06%
Неделя
 
Месяц
 
Просмотров на пост
1 431
22 постов
Вовлечённость
13,2%
к подписчикам
Постов в день
1,7
всего 23
Упоминаний
3
каналов
Охват размещения
по 5 постам
1/24сутки в ленте
852
1/48двое суток
976
1/72трое суток
1 052

Медиана по постам, которые мы застали свежими и померили через сутки.

Посты

  • হযরত ইবনে আব্বাস রা. বলেন, তুমি কত মানুষকে দেখবে যে, তারা বাজারে দিব্যি ঘোরাফেরা করছে, অথচ তাদের অনেকেরই নাম এই বছরের মৃতদের তালিকায় লেখা হয়ে গেছে। ফাযায়েলে সাদাকাত শাইখুল হাদীস মাওলানা যাকারিয়া কান্ধলভী রহ.

  • এ কথা অস্বীকার করার সুযোগ নেই, উমরার সফরগুলোতে এখন আর আগের মতো সেই রুহানিয়্যাত অনুভূত হয় না। অন্তত আমার নিজের অভিজ্ঞতা তা-ই বলে। আমার প্রথম উমরার সফরে হৃদয়ে যে পরিমাণ ইশক, আকুলতা ও রুহানি আবহ অনুভব করেছিলাম, পরবর্তী কোনো সফরেই তা আর সেভাবে ফিরে পাইনি। এর পেছনে হয়তো অনেক কারণ রয়েছে। একদিকে মক্কা-মদীনার চারপাশে ক্রমবর্ধমান জাঁকজমক ও ভোগবাদী আয়োজন, অন্যদিকে প্রতিনিয়ত বদলে যাওয়া আমাদের নিজেদের অন্তর। উমরার সফরেও এখন নতুন নতুন দর্শনীয় স্থানে ঘুরে বেড়ানো, কফিশপে দীর্ঘ আড্ডা, প্রয়োজনহীন কেনাকাটা এবং উদ্দেশ্যহীন ঘোরাঘুরি, সবকিছু মিলিয়ে ইবাদতের এই মহিমান্বিত সফরটি ধীরে ধীরে পর্যটনের রূপ নিচ্ছে। এমনকি হারামাইনের আশপাশেও নফসে আম্মারাকে আকৃষ্ট করার মতো উপকরণ এতটাই বেড়েছে যে, অবচেতনেই আমাদের অন্তর ইবাদতের একাগ্রতা ও রুহানিয়্যাত থেকে দূরে সরে যাচ্ছে। এখানে আমরা শরীয়তের সীমারেখা আলোচনা করতে পারি, হালাল-হারামের মানদণ্ড সামনে আনতে পারি, জায়েয-নাজায়েয কিংবা উত্তম-অনুত্তমের মাসআলাও বলতে পারি। কিন্তু প্রকৃত কথা হলো, উমরার সফর হওয়া উচিত আযিমত, সংযম ও আত্মনিয়ন্ত্রণের এক বিশেষ সফর। কারণ, কোনো কাজ শরীয়তের দৃষ্টিতে বৈধ হলেই যে তা সব সময় অন্তরের জন্য কল্যাণকর হবে এমন নয়। কখনো কখনো সামান্য ও অপ্রয়োজনীয় রুখসতও উমরাহ সফরের রুহানিয়্যাত ক্ষতিগ্রস্ত করার জন্য যথেষ্ট হয়ে ওঠে। অথচ আমরা জেনে কিংবা না জেনে, উমরার রুহানিয়্যাত ধ্বংসের প্রায় সব আয়োজনই সঙ্গে নিয়ে যাচ্ছি। যে সফর আমাদের দুনিয়া থেকে কিছু সময়ের জন্য বিচ্ছিন্ন করে আল্লাহর দিকে ফিরিয়ে নেওয়ার কথা, সেই সফরেও আমরা দুনিয়ার বিনোদন, ব্যস্ততা ও ভোগের উপকরণ খুঁজে বেড়াচ্ছি। উমরাহ যেন শুধু মক্কা-মদীনা ঘুরে আসার নাম না হয়, বরং তা যেন হয় অন্তরের পরিবর্তন, নফসের পরিশুদ্ধি এবং রবের দিকে সত্যিকারের প্রত্যাবর্তনের সফর। আল্লাহ তাআলা আমাদের অন্তরকে হেফাজত করুন এবং তাঁর ঘরের সফরের হক যথাযথভাবে আদায় করার তাওফিক দান করুন। আমীন।

  • 13 авг.1 001555

    দীর্ঘ সময় নিয়ে দুআ করার প্রচলন এখন খুব কম দেখা যায়। দুআ করা শুরু করলেই ফোনে রিংটোন বেজে ওঠে, মেসেজের টুংটাং শব্দ শুরু হয়, এসব কারণে মূলত আমাদের দুআগুলাে এখন সংক্ষিপ্ত হয়ে গিয়েছে। আগে এসব সমস্যা ছিল না বিধায় দুআগুলোও লম্বা হতো। তবে দীর্ঘ সময় নিয়ে দুআ এখনো তাবলীগে দেখা যায়। রাত গভীর হলে সাথিদের আমল শুরু হয়ে যায়। নিয়ম করে শেষ রাতে তাহাজ্জুদ পড়ার প্রতিযোগিতা শুরু হয়। এরপর ফজর পর্যন্ত চলে লম্বা দুআ। এ ছাড়া পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের আগে, বিশেষত মাগরিবের নামাজের আগে দুআ কবুলের মুহূর্তেও সাথিদের দীর্ঘ সময় নিয়ে দুআর অভ্যাস এখনো আছে আলহামদুলিল্লাহ। বিভিন্ন মাদরাসাতেও এভাবে মাগরিবের আগে দুআর নিয়ম জারি রয়েছে। এই অভ্যাসটা আমাদের মধ্যেও আনা জরুরি। সবার সাথে কত সময় নিয়ে কথা বলি, আমার মনের কথাগুলো রবের সাথে দীর্ঘ সময় নিয়ে বলতে পারি না কেন! লম্বা লম্বা দুআর স্বাদ নিতে হলে তাবলীগে যেতে পারেন। শেষ রাতে সাথিদের কান্নার আওয়াজ বড় তৃপ্তিদায়ক। মাগরিবের আগে কাতারে কাতারে ছড়িয়ে ছিটিয়ে দুআ করার মতো মনজুড়ানো দৃশ্য আর কোথায় পাবেন আপনি!

  • 12 авг.1 1326850

    সহজে ঘুম না-ভাঙার রোগ বোধহয় অনেকেরই আছে। আমার অবশ্য পাতলা ঘুম, হালকা আওয়াজেই লাফ দিয়ে উঠে বসে পড়ি। তবে অনেকেই আছেন, ওপর দিয়ে গাড়ি চলে গেলেও ঘুম ভাঙবে না অবস্থা। এই সমস্যার কারণে অনেকের নামাজ কাযা হয়ে যায়। যতই অ্যালার্ম বাজুক, ঘুম আর ভাঙে না। কেউ কেউ তাহাজ্জুদে উঠতে চাইলেও উঠতে পারেন না। তাদের জন্য সহজে নির্দিষ্ট টাইমে ঘুম ভাঙার একটি পরীক্ষিত আমল বলে দিচ্ছি। হেফজখানায় পড়া অবস্থায় হুজুর শিখিয়েছিলেন। তখন থেকেই এটা আমল করি আলহামদুলিল্লাহ। আমলটি হলো, ঘুমানোর সময় সূরা কাহাফের শেষ দুই আয়াত পড়ে আপনি যখন উঠতে চান ঠিক সে সময়টা মনে মনে ভাববেন, এরপর চুপচাপ ঘুমিয়ে যাবেন। ইনশাআল্লাহ, আবারও বলছি, ইনশাআল্লাহ আপনার ঘুম ভাঙবেই ভাঙবে। এমনকি আপনি যদি মনে মনে ভাবেন, ঠিক তিনটা ছয় মিনিটে ঘুম থেকে উঠবেন, ঠিক তখনই আপনার ঘুম ভেঙে যাবে ইনশাআল্লাহ। এখন আপনি যদি আলস্যের আধার হন তাহলে তো ঘুম ভাঙলেও উঠতে পারবেন না। এর জন্য প্রবল আগ্রহ লাগবে। কিছু দলিল-প্রমাণ নিচে দিলাম: ১. হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাসের রা.-এর কাছে এক ব্যক্তি এসে বলল— মনে মনে সর্বদাই ইরাদা থাকে রাতে উঠে তাহাজ্জুদ পড়ব, কিন্তু ঘুমের প্রবলতার কারণে পারি না। তার কথা শুনে ইবনে আব্বাস রা. বললেন— যখন তুমি ঘুমাতে যাবে, সূরা কাহাফের শেষ দুই আয়াত পড়ে শোবে।এতে তুমি যখনই ঘুম থেকে ওঠার ইচ্ছে করবে আল্লাহ তখনই তোমায় জাগিয়ে দিবেন। (তাফসিরে সালাবির সূত্রে তাফসিরে মাআরিফুল কুরআন ৫/৬৬৪, আনওয়ার বুক ডিপু দেওবন্দ) ২. বিশিষ্ট তাবেয়ি যির ইবনু হুবাইশ রহ. বলেন— যে ব্যক্তি সুরা কাহাফের শেষ দুই আয়াত পড়ে ঘুমাবে, সে যে সময় ওঠার নিয়ত করবে সে সময়ে জাগ্রত হয়ে যাবে। (সুনানে দারেমি বর্ণনা নং, ৩৭২৭) ৩. হযরত আবদাহ রহ. বলেন— আমি এই আমলটি পরীক্ষা করেছি এবং উনি যেভাবে বলেছেন ঠিক সেরকমই পেয়েছি৷ ( সুনানে দারেমি বর্ণনা নং, ৩৭২৮) ৪. বিশিষ্ট মুহাদ্দিস হযরত জিকরুল্লাহ খাঁন সাহেব দা.বা. কিছুদিন পূর্বে যাত্রাবাড়ী জামিয়াতুল মাআরিফ মাদরাসার উদ্বোধনী দরসে ছাত্রদের উদ্দেশ্যে বয়ানে বলেন— সুরা কাহাফের শেষ দুই আয়াতের এই আমলটি এতটাই পরীক্ষিত যে, আজ পর্যন্ত কেউ এটা করে ভিন্ন কোনো ফলাফল পায়নি৷ এমনকি তোরা যদি মনে কর তিনটা পঞ্চাশ মিনিট পঞ্চাশ সেকেন্ডে উঠতে চাস, দেখবে কোনো অজানা কারণে ওই সময় তোর চোখ খুলে গেছে। তখন আশপাশে ঘড়ি থাকলে মিলিয়ে নিবি।

  • видео или голосовое, без подписи

  • 12 авг.9941714

    মাসিক আলকাউসার পত্রিকায় মাওলানা আব্দুল মালেক সাহেব হাফি. একটা সিলেবাস লিখেছিলেন অনেক আগেই। গুগলে সার্চ করলেই পাবেন ইনশাআল্লাহ। কমেন্টে এক ভাই দিয়েছেন সেই তালিকাটা। জাযাকাল্লাহ।

  • ওয়া আলাইকুমুস সালাম। এ ব্যাপারে কয়েকবার বলেছি, আবারও বলছি, আমার কাছে IOM ও নুরুল কুরআন একাডেমি বেস্ট লেগেছে। আরও থাকতে পারে, জানা নেই।

  • সময়-সুযোগ থাকলে এবং পর্দা মেইন্টেইন করতে পারলে এ ধরনের বিজনসকে আমি যথেষ্ট এপ্রিশিয়েট করি। এতে অর্থনৈতিক মন্দার এ যুগে স্বামীকে সহযোগিতা করা হয় সংসার পরিচালনায়। নারীদের শিক্ষা ও ক্যারিয়ার নিয়ে আমার একটা বড়সড় বই লেখার ইচ্ছা ছিল। শুরুও করেছিলাম গতবছর। কিন্তু বইবাজারে মন্দা টের পেয়ে নিজেই সরে গিয়েছি মোটামুটি বলা যায়। কবে লিখতে পারব, কবে ছাপাতে পারব ঠিক নেই।

  • 11 авг.1 172161

    বিশেষ ঘোষণা: সেপ্টেম্বরের ২০ তারিখের পর সুকুন ট্রাভেলস থেকে ডিরেক্ট ফ্লাইটে উমরার কাফেলা যাচ্ছে ইনশাআল্লাহ। কাফেলায় শরয়ী ইন্সট্রাক্টর হিসেবে থাকবেন, মুফতী আফফান বিন শরফুদ্দিন সাহেব। অক্টোবর থেকে সাধারণত উমরার খরচ বৃদ্ধি পেতে থাকে। তাই তুলনামূলক ভালোভাবে উমরাহ করতে চাইলে সেপ্টেম্বরে যেতে পারেন ইনশাআল্লাহ। যদিও আগের চেয়ে উমরার খরচ বেড়েই যাচ্ছে দিনদিন। বিস্তারিত জানতে দ্রুত যোগাযোগ করতে পারেন: 01334080165 (হোয়াটসঅ্যাপ)

  • 11 авг.1 191386

    ওয়া আলাইকুমুস সালাম। আমার একটা বই আছে, ‘দ্বীনের পথে যাত্রা’ নামে। এটা পড়া যেতে পারে। একাডেমির জন্য IOM ও নুরুল কুরআন একাডেমি সাজেস্ট করব।

  • 11 авг.1 255769

    পৃথিবীতে পোশাকবিহীন এসেছিলে, হে গালিব! একটা কাফনের জন্য এত লম্বা সফর করলে! —মির্জা গালিব

  • 10 авг.1 4267621

    ওয়া আলাইকুমুস সালাম। আমি সহজ করে দিই। ফজরের সময় শুরু হওয়ার ২০ মিনিট আগে ওঠার এলার্ম দিবেন। ঘুম থেকে উঠে দ্রুত উযু করে শুধু ৪ রাকাত তাহাজ্জুদ পড়ে সংক্ষিপ্ত দুআ করবেন। এরপর থেকে তিলাওয়াত ও সকালের মাসনুন যিকিরগুলো করতে থাকবেন। ফজরের পর অবশিষ্ট দুআ ও যিকিরগুলো করে এশরাকের অপেক্ষা করবেন। এশরাকের নামাজ পড়েই ঘুম দিবেন, যদি ঘুমের প্রয়োজন থাকে। নাহলে দৈনন্দিন কাজগুলো তখনই শুরু করে দিবেন। এতে বারাকাহ বেশি পাওয়া যায়। আমি সাধারণত সকাল ৮টায় ঘুমাই, ১০টায় উঠে অফিসে দৌড় দিই।

  • 9 авг.1 624211

    ওয়া আলাইকুমুস সালাম। জানাব ইনশাআল্লাহ শীঘ্রই।

  • 8 авг.1 87713124

    পরীক্ষিত আমল। বড়ই সৌভাগ্যবান সেই চোখ, যেই চোখ তাঁকে স্বপ্নে হলেও দেখেছে।

  • 8 авг.2 0718371

    দুই হাজার সাত সাল, তখন কেবল তাইসির জামাতে পড়ি। মাদরাসার এক ছাত্রের বড় ভাই প্রায়ই মাদরাসায় আসতেন। সুঠাম দেহ, টানা চোখ, মুখভর্তি দাড়ি, পরনে জু্ব্বা, চোখের দিকে অনেক্ষণ তাকিয়ে থাকা দায়। কী যেন এক আশ্চর্য মায়া কাজ করত তার চোখে! হঠাৎ কানে-মুখে শুনলাম, তিনি বেশ কয়েকবার রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে স্বপ্নে দেখেছেন! পুরোদস্তুর তাবলিগী মানুষ তিনি। একদিন সাহস করে তার সামনে গিয়ে বসলাম। তিনিই আগে বললেন, ‘কী হবু মাওলানা! কিছু বলবেন?’ আমি কাঁপা-কাঁপা স্বরে বললাম, ‘আপনি নাকি নবিজীকে স্বপ্ন দেখছেন? কী আমল করলে আমিও দেখব বলবেন?’ সেদিন তিনি আমাকে এর কোনো উত্তর দেননি, কথা ঘুরিয়ে ফেলেছিলেন। অনেকদিন পর সিঁড়িগোড়ায় দাঁড়িয়ে বললেন, ‘তানজীল ভাই, আপনি বেশি বেশি جزي الله عنا محمدا ما هو اهله জাযাল্লাহু আন্না মুহাম্মাদাম-মা হুয়া আহলুহু—এই দুরুদ বেশি বেশি পড়বেন। আর সুন্নতের ওপর গুরুত্ব দেন। একটা সুন্নতও ছাড়বেন না। ইনশাআল্লাহ, স্বপ্নে তাঁকে দেখবেনই।’ অনেক বছর তার সাথে দেখা নেই। খুব দেখা করতে ইচ্ছে করে সেই সুঠাম দেহ, টানা চোখ, মুখভরতি দাড়িবিশিষ্ট মহান পুরুষটির সাথে।

  • 6 авг.2 2691117

    আসিফ ভাইকে নিয়ে আরও জানাশোনা জরুরি আমাদের। আসিফ ভাইর সাথে আমার বেশকিছু বিষয়ে দ্বিমত রয়েছে ঠিকই, কিন্তু আসিফ ভাইর মতো ধারাবাহিক বুদ্ধিবৃত্তিক কাজ এখন কে কে করছে আসলে? তিনি সালাফি ঘরানার মানুষ। সালাফি মানহাজের ইলম নিয়ে তিনি যে পরিমাণ পড়ালেখা করেছেন, অনলাইনের অনেক কট্টর সালাফি এক্টিভিস্টও সে পরিমাণ জানে না। আমি আসিফ ভাইর একজন ঘোরতর সমর্থক শুধু এ কারণে যে, তিনি আবেগে ভাসেন না, তার মেনোফেস্টো রয়েছে। তিনি সেই মেনোফেস্টোকে সামনে রেখে দীর্ঘমেয়াদি কাজ করেই যাচ্ছেন। মানুষের কথায় তেমন কর্ণপাত করেন না। কাজ করেই যাচ্ছেন ধারাবাহিক ভাবে। এতটা ধারাবাহিকতা ঠিক কয়জনের মধ্যে আছে?

  • 6 авг.1 99718

    মাওলানা ফয়জুল করীম সাব প্রথমে শুরু করলেন খোঁচানি, এরপর মামুন সাব দিলেন উস্কানি, এখন তাদের ভক্ত-আশেকানরা করছে নোংরামি। এটাই আমাদের ইসলামিস্টদের ভবিষ্যতের আসল প্রতিচ্ছবি।

  • 5 авг.2 2991029

    ওয়া আলাইকুমুস সালাম। আমার মেয়েকে কোথায় পড়াব এখনো নিশ্চিত না। আগামী জানুয়ারির পর হয়তো নিশ্চিত বলতে পারব। আপাতত এখন তো হোমস্কুলিং চলছে। বাসায় মোটামুটি Class 1 এর পড়াও পড়ে ফেলেছে আলহামদুলিল্লাহ। তবে আমি নিজে এমন একটি Islamic International School প্রতিষ্ঠা করতে চাই, যেখানে একজন অভিভাবক তাঁর সন্তানকে—বিশেষ করে কন্যা সন্তানকে—পূর্ণ আস্থা নিয়ে ভর্তি করাতে পারবেন। বিশ্বমানের ইংরেজি শিক্ষার পাশাপাশি ইসলামি মূল্যবোধ, উত্তম চরিত্র, নিরাপদ পরিবেশ এবং নেতৃত্বের গুণাবলি গড়ে তোলাই হবে মূল লক্ষ্য। এটা জাস্ট শিরোনাম জানালাম। আমার প্ল্যান, মডিউল সবই রেডি আলহামদুলিল্লাহ। খুব শীঘ্রই ফিল্ডে নামছি ইনশাআল্লাহ। যাতে আমার মেয়েকে সেখানেই ভর্তি করাতে পারি। বেশ বড় প্ল্যান। আমার সাথে একটা বড় টিমও রয়েছে আলহামদুলিল্লাহ। গোপন রেখে লাভ নেই আর। দীর্ঘদিনের প্ল্যান আমার।

  • 5 авг.2 043436

    ওয়া আলাইকুমুস সালাম। HSC শেষ হয়েছে, এখন এই সময়টা শুধু বিশ্রামেই নষ্ট না করে নিজের স্কিল তৈরিতে ব্যবহার করতে পারেন। যেমন, ১. প্রতিদিন কুরআন তিলাওয়াত ও দ্বীনী ইলম অর্জনে ব্যয় করতে পারেন। ২. ইংরেজি ও কমিউনিকেশন স্কিল উন্নত করা। ৩. কম্পিউটার, AI, গ্রাফিক ডিজাইন, ভিডিও এডিটিং বা অন্য কোনো চাহিদাসম্পন্ন স্কিল শেখা। ৪. নিয়মিত বই পড়া ও ব্যায়াম করা। টার্গেট নিয়ে করতে হবে কাজগুলো। ৫. সম্ভব হলে কোনো আলেমের সাথে তাবলীগে লম্বা সময় দিয়ে আসেন। দিলের হালত পরিববর্তন হবে, দ্বীনী মেজাজ তৈরি হবে ইনশাআল্লাহ। ৬. পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানো এবং ভবিষ্যৎ বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি বা ক্যারিয়ারের প্রস্তুতি নেওয়া।

  • 4 авг.2 1185618

    প্রথমেই একটা কথা মনে রাখুন, আপনি ব্যর্থ নন। আপনি শুধু কঠিন একটি সময়ের ভেতর দিয়ে যাচ্ছেন। আপনার জীবনে একসাথে অনেক চাপ এসেছে—পারিবারিক সংকট, চাকরির অনিশ্চয়তা, বিয়ে দেরি হওয়া, আর তার সঙ্গে ঈমানি দুর্বলতা। এতগুলো বিষয় একসাথে একজন মানুষের ওপর প্রভাব ফেলাই স্বাভাবিক। তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, দ্বীনের পথ থেকে দূরে সরে যাওয়াকে স্বাভাবিক ভেবে নেওয়া যাবে না। কারণ জীবনের অন্য সমস্যাগুলোর সমাধান আমরা খুঁজতে পারি, কিন্তু আল্লাহর সঙ্গে সম্পর্ক দুর্বল হয়ে গেলে সেই শক্তিটুকুও হারিয়ে যায়, যা দিয়ে আমরা বিপদ মোকাবিলা করি। তাই ধীরে ধীরে শুরু করুন: পাঁচ ওয়াক্ত সালাত ঠিক করার চেষ্টা করুন, একবারে নিখুঁত না হলেও। প্রতিদিন অন্তত ১০–১৫ মিনিট কুরআন পড়ুন বা শুনুন। বেশি বেশি ইস্তিগফার ও দোয়া করুন, বিশেষ করে শেষ রাতে। এমন ১–২ জন নেককার বান্ধবীর সান্নিধ্যে থাকুন, যারা আপনাকে আল্লাহর কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। চাকরি ও বিয়ের জন্য বাস্তব পদক্ষেপ নিন, কিন্তু ফলাফল নিয়ে অতিরিক্ত উদ্বিগ্ন না হয়ে আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুল করুন। মনে রাখবেন, আল্লাহ কাউকে তার সামর্থ্যের বাইরে দায়িত্ব দেন না। আজ যে সংকট আপনাকে ভেঙে দিচ্ছে, সেটিই হয়তো একদিন আপনার রবের দিকে ফিরে আসার কারণ হবে। আর একটি কথা—নিজেকে অন্যদের সঙ্গে তুলনা করা বন্ধ করুন। কারও বিয়ে আগে হয়েছে, কারও চাকরি আগে হয়েছে, এসব আপনার রিযিকের মানদণ্ড নয়। আল্লাহ প্রত্যেকের জন্য সময় নির্ধারণ করে রেখেছেন। আল্লাহর দিকে একটি পদক্ষেপ নিন, দেখবেন তিনি আপনার জন্য এমন দরজা খুলে দেবেন, যা আপনি কল্পনাও করেননি। আল্লাহ আপনাকে দুনিয়া ও আখিরাতে কল্যাণ দান করুন, অন্তরে প্রশান্তি দিন এবং আপনার সব বৈধ চাওয়া উত্তমভাবে পূরণ করুন। আমীন।

তানজীল আরেফীন আদনান — tgindex