tgindex
ThinkTwice 🔻

ThinkTwice 🔻

Статистика

Official Telegram Channel Of ThinkTwice

Последний пост
13 апр. 2025 г.
Последнее чтение
13 авг.
Постов за неделю
0
Всего постов
20
Тип
открытый
Язык
bn
В каталоге с
13 авг.
Подписчики
3 561
−2 за 2 дн.
Сутки
0
0,00%
Неделя
 
Месяц
 
Просмотров на пост
2 227
20 постов
Вовлечённость
62,5%
к подписчикам
Постов в день
0,0
всего 20
Упоминаний
0
каналов
Охват размещения
оценка
1/24сутки в ленте
1/48двое суток
1/72трое суток

Оценка по просмотрам недавних постов: пост набирает почти всё за первые сутки.

Посты

  • видео или голосовое, без подписи

  • বিশ্বের নিউজ মিডিয়াগুলো ছাড়াও গতকালের সুবিশাল জনসমাবেশ আরব/ আরব শায়েখদের ওয়ালে

  • видео или голосовое, без подписи

  • ● স্বপ্নের একটি দিন হঠাৎ একদিন ফেসবুকে দেখলাম ‘মার্চ ফর গাজা’র ঘোষণা। দিন তারিখ ঠিক হলো। জায়গা নির্ধারণ হলো। সবাইকে বিস্মিত করে বাংলাদেশের সকল ঘরানার আলেম, বিবদমান উল্লেখযোগ্য সবগুলো রাজনৈতিক দল, লেখক, বুদ্ধিজীবীসহ অজস্র পাবলিক ফিগার ইনফ্লুয়েন্সার ম্যাজিকের মতো এক হয়ে গেলেন। আমাদের মনে হলো আমরা স্বপ্ন দেখছি। সেই স্বপ্নের ঘোরের ভিতর থেকেই আমরা দেখলাম ঢাকা হয়ে উঠলো ফিলিস্তিন। বাংলার মানুষ পাগল হয়ে গেলো ফিলিস্তিনের ভালোবাসায়। ছোট্ট একটা শিশু চোখের পানি ছেড়ে দিয়ে বলল: ‘আমি চুপ থাকতে পারি না। ওরা শিশুদের মারবে কেন?’ এই আয়োজনে মাহমুদুর রহমান এগিয়ে এলেন তার অসম সাহসিকতা আর ভরাট কণ্ঠ নিয়ে। মাওলানা মামুনুল হক দৃঢ় পাহাড়ের মতো অটল। দাঁড়ালেন বুক চিতিয়ে। ইসলামী আন্দোলনের নেতাদের দরাজ কণ্ঠে মঞ্চে ডেকে নেওয়া হলো। শাইখ আহমদুল্লাহ মিষ্টি হাসি আর সুন্দর নিরবতায় আরো বেশি সুন্দর হয়ে সবাইকে ডাকলেন। নির্দেশনা দিলেন। হাসনাত আবদুল্লাহ আর আবদুল্লাহ বিন রাজ্জাকরা দীপ্ত তারুণ্যে ঝলমল। রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ কাছে এলেন অকুণ্ঠ সমর্থন নিয়ে। শাইখ মিজানুর রহমান আজহারি শ্লোগান দিলেন: "From the river to the sea, সাদিক কায়িমসহ লাখো তরুণ আগ্নেয়গিরির মতো গর্জে উঠে বলল: Palestine will be free. আসিফ মাহতাব উৎস মঞ্চে দাঁড়ালেন সতেজ ভঙ্গিতে। শাইখ রেজাউল করীম আবরার অভাবনীয় জীবনী শক্তি নিয়ে ছুটে বেড়ালেন এখান থেকে সেখানে। সকলের মধ্যমণি হয়ে চুপচাপ দাঁড়ালেন মাওলানা আবদুল মালেক। শান্ত। ইলম ও প্রজ্ঞায় আলোকোজ্জ্বল। বিনয়ের ভারে নুয়ে পড়া সুন্দরের এক মুর্তপ্রতিক। বললেন, আমরা বক্তৃতা করব না। বক্তৃতা তো সবসময়ই করি, সবাইই করি। আজ শুধু ঘোষণাপত্র পাঠ হবে। সবাই স্বতঃস্ফুর্ত সাড়া দিয়ে বলল—জি, ইনশাআল্লাহ, জি ইনশাআল্লাহ। তারপর সোহরাওয়ার্দি উদ্যানে রচিত হলো এক মহাকাব্য। সবাই দৃপ্ত শপথে এক হয়ে দাঁড়ালেন দূর ইস০০রাইলের বিরুদ্ধে, কাছের আরেক ইস০০০রাইল ইন্ডি০০য়ার হিন্দৃত্ববাদের বিরুদ্ধে। ঘোষণায় বলা হলো আরো অনেক কিছু। সবকিছু আমাদের বিপুল আনন্দিত ও আশান্বিত করলো। এতোসব আয়োজন কে করলো? রাতদিন শরীরের বিপুল ঘাম কে ঝড়ালো? কেউ জানে না। ক্রেডিট নিয়ে কোনো কাড়াকাড়ি নাই। মারামারি নাই। দোষারোপ নাই। স্বপ্নের এই দিন, এই মহাজাগরণ আমরা ভুলব না—যেমন করে ভুলি নাই শাপলাকে। বিকেলে লাখো তরুণ যখন ঘরে ফিরছিল, তখন নিজেদের অজান্তেই নিজেদের দিকে ফিরে বলছিল—‘বাঁইচা থাইকা কী লাভ? মজলুমদের জন্য আমি মই০০রা যাইতে চাই।’ এই ক্ষেদ ও জেদ, প্রতিজ্ঞার এই আগুন ও তেজস্বিতা—এটাই বুঝি আজকের দিনের সেরা উপার্জন।- Saber Chowdhury

  • শান্তি বর্ষিত হোক— হিন্দ রজব, রীম, ফাদি আবু সালেহ ও মুহাম্মাদ আল-দুরার উপর— যাঁদের রক্তে আকাশ রঙিন হয়েছে, যাঁদের চোখে ছিল প্রতিরোধের দীপ্তি। শান্তি বর্ষিত হোক— বাইতুল মাকদিসের গর্বিত অধিবাসীদের উপর, যাঁদের হৃদয়ে আজো ধ্বনিত হয়— ‘আল-কুদস লানা’ (আল-কুদস আমাদের)। গাজার জনগণকে অভিনন্দন— আপনারা ঈমান, সবর আর কুরবানীর মহাকাব্য রচনা করেছেন। দুনিয়াকে দেখিয়েছেন—ঈমান আর তাওয়াক্কুলের শক্তি। আমরা, বাংলাদেশের মানুষ—শাহ জালাল আর শরীয়াতুল্লাহর ভূমি থেকে দাঁড়িয়ে আপনাদের সালাম জানাই, আপনাদের শহীদদের প্রতি ভালোবাসা ও শুভেচ্ছা জানাই, আর আমাদের কণ্ঠে উচ্চারিত হয় এই দো‘আ— হে আল্লাহ! গাজার এই সাহসী জনপদকে তুমি সেই পাথর বানাও, যার উপর গিয়ে ভেঙে পড়বে সব জায়োনিস্টদের ষড়যন্ত্র।

  • মার্চ ফর গাজার ঘোষণাপত্র ও অঙ্গীকারনামা March for Gaza | ঢাকা | ২০২৫ بِسْمِ اللّٰهِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِيْمِ আল্লাহর নামে শুরু করছি যিনি পরাক্রমশালী, যিনি ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠাকারী, যিনি মজলুমের পাশে থাকেন, আর অত্যাচারীর পরিণতি নির্ধারণ করেন। আজ আমরা, বাংলাদেশের জনতা—যারা জুলুমের ইতিহাস জানি, প্রতিবাদের চেতনা ধারণ করি—সমবেত হয়েছি গাজার শহীদদের পাশে দাঁড়াতে। আজকের এই সমাবেশ কেবল প্রতিবাদ নয়, এটি ইতিহাসের সামনে দেওয়া আমাদের জবাব, একটি অঙ্গীকার, একটি শপথ। এই পদযাত্রা ও গণজমায়েত থেকে আজ আমরা চারটি স্তরে আমাদের দাবিসমূহ উপস্থাপন করব: ১. জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আমাদের দাবি যেহেতু— জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় সকল জাতির অধিকার রক্ষার, দখলদারিত্ব ও গণহত্যা রোধের সংকল্প প্রকাশ করে; গাযায় প্রতিদিনের রক্তপাত, ধ্বংস ও নিষ্ঠুরতা আন্তর্জাতিক ব্যর্থতারই প্রতিচ্ছবি; অনেক পশ্চিমা রাষ্ট্র সরাসরি দখলদারকে অস্ত্র, অর্থ ও কূটনৈতিক সহায়তা দিয়ে এই গণহত্যাকে দীর্ঘস্থায়ী করেছে; বিশ্বব্যবস্থা বরং ইজরায়েলকে রক্ষায় প্রতিযোগিতায় লিপ্ত; সেহেতু আমরা বলছি: ১। ইজরায়েলের গণহত্যার বিচার আন্তর্জাতিক আদালতে নিশ্চিত করতে হবে; ২। যুদ্ধবিরতি নয়—গণহত্যা বন্ধে কার্যকর ও সম্মিলিত পদক্ষেপ নিতে হবে; ৩। ১৯৬৭ সালের পূর্ববর্তী ভূমি ফিরিয়ে দিতে বাধ্যবাধকতা তৈরি করতে হবে; ৪। পূর্ব জেরুজালেমকে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি দিতে হবে; ৫। ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণ, নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠার পথ উন্মুক্ত করতে হবে; কারণ—বিশ্বব্যবস্থা যে ন্যায়ের মুখোশ পরে আছে, গাযার ধ্বংসস্তূপে সেই মুখোশ নির্লজ্জভাবে খুলে পড়ে গেছে। ২. মুসলিম উম্মাহর নেতৃবৃন্দের প্রতি আমাদের আহ্বান যেহেতু— ফিলিস্তিন মুসলিম উম্মাহর আত্মপরিচয়ের অংশ; গাযা আমাদের সম্মিলিত ব্যর্থতার প্রতিচ্ছবি; ইজরায়েল একটি অবৈধ, দখলদার, গণহত্যাকারী রাষ্ট্র; ভারতে হিন্দুত্ববাদী প্রকল্প জায়নবাদীদের দোসর হয়ে মুসলমানদের নিপীড়ন করছে; সেহেতু আমরা আহ্বান জানাই: ১। ইজরায়েলের সাথে সকল সম্পর্ক ছিন্ন করতে হবে; ২। বাণিজ্যিক অবরোধ ও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে হবে; ৩। গাযার জনগণের পাশে চিকিৎসা, খাদ্য, আবাসন ও প্রতিরক্ষা সহযোগিতা নিয়ে দাঁড়াতে হবে; ৪। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ইজরায়েলকে একঘরে করতে কূটনৈতিক অভিযান শুরু করতে হবে; ৫। হিন্দুত্ববাদী ভারতের মুসলিম নিপীড়নের বিরুদ্ধে ওআইসি ও মুসলিম রাষ্ট্রগুলোকে প্রতিবাদ জানাতে হবে; কারণ—গাযার রক্তে লজ্জিত হওয়ার আগেই, গাযার পাশে দাঁড়ানোই উম্মাহর জন্য সম্মানের একমাত্র পথ। আর যে নেতৃত্ব আজ নিরব, কাল ইতিহাসের কাঠগড়ায় দাঁড়াতে বাধ্য হবে। ৩. বাংলাদেশ সরকারের প্রতি আমাদের দাবি যেহেতু— বাংলাদেশ একটি মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ রাষ্ট্র, যার ভিত্তি অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিরোধে গঠিত; ফিলিস্তিনের প্রশ্নে বাংলাদেশ ঈমানের পক্ষে এক ঐতিহাসিক অবস্থানে আছে; সরকার জনগণের ঈমানি ও নৈতিক চেতনার প্রতিফলন ঘটানোর দায়িত্ব রাখে; সেহেতু আমরা বলছি: ১। ‘Except Israel’ শর্ত পুনর্বহাল এবং ইজরায়েলকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি না দেওয়ার অবস্থান সুস্পষ্ট করতে হবে; ২। ইসরায়েলি সকল প্রতিষ্ঠানের সাথে চুক্তি বাতিল করতে হবে; ৩। গাজায় রাষ্ট্রীয়ভাবে ত্রাণ ও চিকিৎসা সহায়তা পাঠাতে হবে; ৪। জায়নবাদী কোম্পানির পণ্য বর্জনের জন্য সরকারি প্রতিষ্ঠানে নির্দেশনা দিতে হবে; ৫। ভারতের হিন্দুত্ববাদী আগ্রাসনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রীয়ভাবে প্রতিবাদ জানাতে হবে; ৬। পাঠ্যবই ও শিক্ষা নীতিতে ফিলিস্তিন ও মুসলিম সংগ্রামের ইতিহাস অন্তর্ভুক্ত করতে হবে; কারণ—রাষ্ট্র কেবল সীমানা নয়, রাষ্ট্র এক আমানত। আর এই আমানত রক্ষা করতে না পারলে ইতিহাস কাউকেই ক্ষমা করে না। ৪. নিজেদের প্রতি আমাদের অঙ্গীকার যেহেতু— আল-কুদস কেবল একটি শহর নয়, এটি আমাদের ঈমানের অংশ; বাইতুল মাকদিসের মুক্তি আমাদের কোনো প্রজন্মের হাতেই হবে ইন শা আল্লাহ; জায়নবাদ কেবল বাইরের দখলদার নয়, এটি ভেতরের আত্মবিস্মৃতির ফসল; সেহেতু আমরা অঙ্গীকার করছি: ১। ইজরায়েলকে সহায়তাকারী সব পণ্য, কোম্পানি ও শক্তিকে বয়কট করবো; ২। এমন সমাজ গড়বো, যেখানে নূরউদ্দীন, সালাহউদ্দিনের মতো মুজাহিদ জন্ম নেবে; ৩। সন্তানদের আদর্শ ও ভূখণ্ড রক্ষায় জান-মালের ত্যাগে প্রস্তুত করবো; ৪। বিভক্ত হবো না—ঐক্যবদ্ধ থাকবো, যাতে বাংলাদেশ কখনো গাজার পুনরাবৃত্তি না হয়; আমরা শুরু করবো নিজেদের ঘর থেকে— ভাষা, ইতিহাস, শিক্ষা, অর্থনীতি, সমাজ—সবখানে এই অঙ্গীকারের ছাপ রেখে। আমরা মনে রাখবো: গাযার শহীদরা কেবল আমাদের দো‘আ চান না—তাঁরা চান আমাদের প্রস্তুতি। সমাপ্তি: শান্তি বর্ষিত হোক গাযার সম্মানিত অধিবাসীদের উপর— যাঁরা সবর করেছেন, ঈমানের প্রমাণ দিয়েছেন, যাঁরা ধ্বংসস্তূপের মাঝেও প্রতিরোধের আগুন জ্বেলেছেন, বিশ্বের নীরবতা ও উদাসীনতার যন্ত্রণা হাসিমুখে বরণ করেছেন।

  • видео или голосовое, без подписи

  • видео или голосовое, без подписи

  • গাজা বিলীন হয়ে যায়নি। এখনো উত্তর ও দক্ষিণ গাজা মিলে প্রায় ২০ লক্ষ মানুষ গাজায় রয়েছেন, আলহামদুলিল্লাহ! মাসজিদুল আকসার ভালোবাসায় মাটি আঁকড়ে পড়ে রয়েছেন। একে একে শহীদ হয়ে যাচ্ছেন। শত নির্যাতনেও এরা গাজা ছাড়তে ইচ্ছুক নন। আবারো শুরু হয়ে গেলো নগ্ন হামলা। নির্যাতিতদের…

  • গাজা বিলীন হয়ে যায়নি। এখনো উত্তর ও দক্ষিণ গাজা মিলে প্রায় ২০ লক্ষ মানুষ গাজায় রয়েছেন, আলহামদুলিল্লাহ! মাসজিদুল আকসার ভালোবাসায় মাটি আঁকড়ে পড়ে রয়েছেন। একে একে শহীদ হয়ে যাচ্ছেন। শত নির্যাতনেও এরা গাজা ছাড়তে ইচ্ছুক নন। আবারো শুরু হয়ে গেলো নগ্ন হামলা। নির্যাতিতদের আবারো ফিরতে হচ্ছে উন্মুক্ত মরুভূমিতে, সাগরের পাদদেশে। এখানে তীব্র খাবার পানি ও খাবার সংকট।। পিসবের উদ্যোগে গাজাতে ধারাবাহিক কাজ চলছে আলহামদুলিল্লাহ।। আজ ৫০০ পরিবারের মাঝে বিশুদ্ধ খাবার পানি বিতরণ করা হয়।

  • গত বছর হি ন্দুস্তান সফরে মুফতী তাহের সাহেবের সাথে সাহারানপুর থেকে লক্ষ্ণৌ যাওয়ার প্রোগ্রাম ছিল। ট্রেনে নামাযের সময় হলে মুফতী সাহেব বললেন, "নামায ইশারায় পড়ো অথবা পৌঁছে কাজা করে নিয়ো"।‌ মুফতী তাহের সাহেব হলেন মাজাহিরে উলুম সাহারানপুরের সিনিয়র মুহাদ্দিস ও সহকারী প্রধান মুফতী। দারুল উলুম দেওবন্দের সাবেক মুফতী ও মুদাররিস। মুফতী মাহমুদ হাসান গাঙ্গুহি রহ. -এর খলিফা। দারুল উলুম দেওবন্দে উলুমুল হাদীস বিভাগ খোলার সিদ্ধান্ত হলে মাজাহিরে উলুম থেকে মাওলানা আবদুল্লাহ মারুফি সাহেবকে নেয়া হয়, আর তাঁর পরিবর্তে দারুল উলুম দেওবন্দ থেকে মুফতী তাহের সাহেব ও মুফতী মাকসুদ সাহেবকে দেয়া হয়েছিল। বোঝাই যাচ্ছে, মুফতী তাহের সাহেব এত সহজেই নামায কাজা করার কথা বলার মানুষ নন! আমি মুফতী সাহেবের কথায় পরিস্থিতির এই ভয়াবহতা অনুভব করে থ খেয়ে গেলাম; অথচ আমরা এই তো দশ-বারো বছর আগেও খোলা প্ল্যাটফর্মে জায়নামায বিছিয়ে কত নামায পড়েছি! এবার বুঝুন, হি ন্দুস্তানের পরিস্থিতি কত নাজুক হয়ে পড়েছে! তবে যত বিলই পাশ করুক আমরা হতাশ‌ নই। আঁধার যতই ঘনীভূত হবে আলো ততই সম্মুখবর্তী হবে ইনশাআল্লাহ-Zubair Ashraf

  • 👆ওয়াক্‌ফ (সংশোধনী) বিল ২০২৪ শুধুমাত্র একটি আইন নয়, এটি মুসলিমদের ধর্মীয়, সাংস্কৃতিক ও জাতিগত অস্তিত্ব ধ্বংসের একটি কাঠামোগত রাষ্ট্রীয় পদক্ষেপ। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হলে মুসলিম সমাজকে ঐক্যবদ্ধ, সংগঠিত ও দূরদর্শী হতে হবে। নতজানু নীতি এই অবস্থা থেকে এই জাতিকে কোনো মুক্তি এনে দেবে না। কোনো আন্তর্জাতিক আইন মুসলমানদের সুরক্ষা দেবে না--এটা আমরা ফিলিস্তিনে দেখেছি। ভারতে মুসলিম জাতির সামগ্রিক বিজয় ব্যতিত এসব আগ্রাসন আলটিমেটলি বন্ধ করা সম্ভব নয়। আর প্রচলিত আইনের মধ্যে থেকে কখনোই সেই বিজয় অর্জন করা সম্ভব নয়।- Ahmed Rafique

  • I একটু বুঝে নিই, ওয়াকফ আইন নিয়ে ভারতে কী হচ্ছে এবং কেন হচ্ছে I মুসলমানদের অন্যান্য অঞ্চলের মতো ভারতীয় উপমহাদেশেও ওয়াক্‌ফ প্রথা বহু শতাব্দী ধরে চলে আসছে। মোঘল আমলে ওয়াক্‌ফ ব্যবস্থা বিশেষভাবে বিকশিত হয়। সমৃদ্ধ মুসলমানরা তাদের সম্পত্তি থেকে একটা ভালো অংশ ওয়াকফ করেন এই সময়ে। সেই সম্পত্তিগুলো ব্যবস্থাপনার জন্য ব্রিটিশ শাসনের সময়, ১৯১৩ সালে ‘মুসলমান ওয়াক্‌ফ আইন’ প্রণীত হয়। বৃটিশদের খেদিয়ে স্বাধীনতা অর্জনের পর ১৯৫৪ সালে ‘ওয়াক্‌ফ আইন’ এবং ১৯৯৫ সালে তার সংশোধনী পাস করা হয়। বর্তমানে ভারতে প্রায় ৬ লাখের বেশি ওয়াক্‌ফ সম্পত্তি রয়েছে, যার পরিমাণ প্রায় ৮ লাখ একর জমির সমান। এর মধ্যে বহু মসজিদ, মাদ্রাসা, কবরস্থান ও ইসলামিক প্রতিষ্ঠান রয়েছে। ২০২৪ সালে ৮ আগস্ট ভারতের বিজেপি নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় সরকার সংসদে ‘ওয়াক্‌ফ (সংশোধনী) বিল’ পাস করেছে। এই বিল পাস হওয়ার পর মুসলিম সমাজে চরম উদ্বেগ দেখা দিয়েছে, কারণ এতে মসজিদ, মাদ্রাসা, কবরস্থান এবং অন্যান্য ইসলামিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যাওয়ার এবং তাদের জমি বাজেয়াপ্ত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। সংশোধনী বিল ২০২৪-এর মূল বিষয়বস্তুগুলো হলো: ১. ‘ব্যবহার দ্বারা ওয়াক্‌ফ’ বাতিল। আমরা জানি দলীল দস্তাবেজ ডকুমেন্টেড করার ধারা অনেক আগে হলেও সমাজে মানুষের মধ্যে এর চর্চা বেশিদিন আগেও তেমন ছিলো না। মৌখিকভাবেই মানুষ জায়গাজমি দান করত। এমনকি বেচাকেনাও করত। ব্যক্তিগত পর্যায়ে ডকুমেন্টেড করলেও এখনকার মতো সেগুলো সব সরকারি নথিভুক্ত করার প্রচলন অত শক্তভাবে ছিল না। স্বাভাবিক কারণেই কোনো সম্পত্তি যদি কোনো কারো মালিকানা দাবি ব্যতিত বহু বছর ধরে ধর্মীয় কাজে ব্যবহৃত হয়ে আসতো, তবে তাকে ওয়াক্‌ফ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হতো; কারণ, দীর্ঘ দিনের এই ব্যবহার চলমান থাকা এবং কারো মালিকানা দাবি না করা প্রমাণ করে, এটা অতীতে কেউ না কেউ ওয়াকফ করেছেন। নতুন বিলে এই নীতিকে বাতিল করা হয়েছে। ফলে বহু প্রাচীন মসজিদ, কবরস্থান ও মাদ্রাসা আর আইনি স্বীকৃতি পাবে না এবং সরকার তা দখল করতে পারবে। ২. অ-মুসলিম সদস্যদের ওয়াক্‌ফ বোর্ডে অন্তর্ভুক্তি। নতুন আইনে অ-মুসলিমদের ওয়াক্‌ফ বোর্ডে সদস্য হিসেবে রাখা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে, যা মুসলিমদের ধর্মীয় স্বায়ত্তশাসনের পরিপন্থী। ওয়াকফকৃত সম্পত্তি দেখভালের জন্য ভিন্ন ধর্মের লোক দায়িত্বে থাকার কোনো নিয়ম নেই। কারণ ইসলাম ধর্মে সেবার যে ধারণা তা একজন ভিনধর্মী লোকের কাছ থেকে কিভাবে আশা করা যায়! ৩. জেলা প্রশাসকের ক্ষমতা বৃদ্ধি। এই আইন অনুযায়ী জেলা কালেক্টররা এখন ওয়াক্‌ফ জমির মালিকানা নির্ধারণ করতে পারবেন, যা অনেক ক্ষেত্রে পক্ষপাতমূলক হতে পারে এবং রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের সুযোগ তৈরি করে। ৪. ওয়াক্‌ফ ট্রাইব্যুনালের ক্ষমতা হ্রাস। ওয়াক্‌ফ সংক্রান্ত মামলায় ট্রাইব্যুনালের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সরাসরি উচ্চ আদালতে আপিলের সুযোগ রাখা হয়েছে, যা মামলা নিষ্পত্তিতে বিলম্ব ঘটাবে এবং ক্ষমতার ভারসাম্য নষ্ট করবে। এই আইনের পেছনে বিজেপি সরকারের উদ্দেশ্যগুলো হলো: ১. 'এক জাতি, এক আইন' (Uniform Civil Code) চাপিয়ে দেওয়া। বিজেপি সরকারের বহুদিনের এজেন্ডা হলো "One Nation, One Law"। এটি মুসলিম পারিবারিক আইন’ সহ ধর্মীয় বৈচিত্র্য ধ্বংসের একটি পদক্ষেপ। ওয়াক্‌ফ আইন পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে মুসলিম সমাজের স্বতন্ত্র ধর্মীয় ও সামাজিক কাঠামো ভেঙে ফেলার ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। ২. মুসলিমদেরকে অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল করা। ওয়াক্‌ফ সম্পত্তি শুধুমাত্র ধর্মীয় উদ্দেশ্যে নয়, মুসলিমদের শিক্ষা, সমাজসেবা, স্বাস্থ্যসেবাসব বিভিন্নরকম দাতব্য কাজেও ব্যবহৃত হয়। এই সম্পদ বাজেয়াপ্ত করা হলে অসংখ্য সামাজিক দাতব্য সেবা সংস্থা বন্ধ হয়ে যাবে। পরিণতিতে মুসলিম সমাজ অবধারিতভাবে অর্থনৈতিক দিক থেকে আরও পিছিয়ে পড়বে। ৩. ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক অস্তিত্ব মুছে ফেলা। সেবা সংস্থা, সামাজিক প্রতিষ্ঠান, মসজিদ, মাদ্রাসা, কবরস্থান ইত্যাদি সরিয়ে দেওয়ার মাধ্যমে মুসলিম ইতিহাস, স্থাপত্য এবং সংস্কৃতি ধ্বংস করার সুযোগ তৈরি হবে। এর মাধ্যমে সাংস্কৃতিকভাবে মুসলিমদের অস্তিত্ব ধীরে ধীরে মুছে ফেলা যাবে। ৪. রাজনৈতিক মেরুকরণ ও ভোটব্যাংক রাজনীতি। বিজেপি সরকার যেহেতু ইতিমধ্যে তার ইসলামোফব আচরণের কারণে মুসলিমদের ঘৃণা কুড়িয়েছে, তাই সে তাদের কাছ থেকে ভোটের আশা করে না। তাই তার লক্ষ্য হলো হিন্দুদের ভোটকে কিভাবে আরও ব্যপকভাবে তাদের দিকে টানা যায়। মুসলিমদের বিরুদ্ধে আইন প্রণয়ন করে সংখ্যাগরিষ্ঠ হিন্দু ভোটারদের একত্রিত করা বিজেপি সরকারের নির্বাচনী কৌশল। এটি সংখ্যালঘুদের আতঙ্কিত করে রাখার একটি হাতিয়ার। ৫. ওয়াক্‌ফ জমি নিজ দলের লুটেরার হাতে তুলে দেওয়া। যেসব জমির ওয়াকফ করার ডকুমেন্টস না পাওয়া যাবে, তা সরকার ‘খাস জমি’ হিসেবে ঘোষণা করতে পারবে। আর পরবর্তীতে তা তাদের ইচ্ছেমতো রাজনৈতিক ঘনিষ্ঠদের হাতে তুলে দিতে পারবে। 👇

  • মার্কিন মদদে গাজ্জায় ভয়াবহ গণহত্যা চালিয়ে যাওয়া ইহুদিবাদী সন্ত্রাসীদের অবৈধ রাষ্ট্র ইসরাইলের বিরুদ্ধে সশস্ত্র জিহাদ ফরজ হওয়ার ফতোয়া জারি করেছে আন্তর্জাতিক ইসলামিক স্কলারদের সংগঠন আন্তর্জাতিক মুসলিম উলামা ইউনিয়ন। শুক্রবার (৪ এপ্রিল) ইউনিয়ন মহাসচিব শায়েখ ড. আলি আল কারাহদাগীর ফেসবুক একাউন্টে এবিষয়ে একটি পোস্ট করা হয়। পোস্টে উল্লেখ করা হয়, আন্তর্জাতিক মুসলিম উলামা ইউনিয়নের ইজতিহাদ ও ফতোয়া কমিটি গাজায় চলমান আগ্রাসন ও যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের বিষয়ে একটি ফতোয়া জারি করেছে। এতে নিম্নলিখিত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো উল্লেখ করা হয়েছে: ১. প্রত্যেক সক্ষম মুসলিমের উপর ফিলিস্তিনে দখলদার বাহিনীর বিরুদ্ধে সশস্ত্র জিহাদ করা ফরজ। ২. আরব ও মুসলিম মুসলিম বিশ্বের দেশগুলোর জন্য অবিলম্বে সামরিক হস্তক্ষেপ করা ফরজ। ৩. দখলদার ইহুদি রাষ্ট্রকে স্থল, সমুদ্র ও আকাশপথে সম্পূর্ণরূপে অবরুদ্ধ করা ফরজ। সবধরণের জলপথ, প্রণালী এবং আরব-মুসলিম বিশ্বের দেশগুলোর আকাশসীমাও এই হুকুমের অন্তর্ভুক্ত। ৪. জিহাদরত প্রতিরোধ আন্দোলন (হামাস সহ সকল স্বাধীনতাকামী সশস্ত্র দল) কে আর্থিক, সামরিক, রাজনৈতিক ও মানবিক সহ সর্বক্ষেত্রে সহায়তা করা ফরজ। ৫. উম্মাহর সুরক্ষা ও আক্রমণকারী শত্রুদের প্রতিহত করতে অবিলম্বে ইসলামি সামরিক জোট গঠন করা ওয়াজিব। এটি এমন ওয়াজিব যা অবিলম্বে পালনীয়। ৬. ইহুদিবাদী দখলদার রাষ্ট্রের সাথে সম্পর্ক স্থাপন (স্বীকৃতি ও সহযোগিতা) সম্পূর্ণরূপে হারাম। ৭. ইহুদিবাদী দখলদার রাষ্ট্রকে পেট্রোল ও গ্যাস সরবরাহ করাও সম্পূর্ণরূপে হারাম। ৮. ইহুদিবাদী দখলদার রাষ্ট্রের সাথে আরব দেশগুলোর করা শান্তি চুক্তি সমূহ পুনরায় পর্যালোচনা করা জরুরী। ৯. গাজ্জায় আমাদের মুসলিম ভাইদের সহায়তায় আর্থিক জিহাদ করা এবং দ্রুত এর (গাজ্জার) সীমান্ত খুলে দেওয়া ফরজ। ১০. আমেরিকার মুসলিমদের প্রতি আহ্বান জানানো হচ্ছে, তারা যেনো ট্রাম্প ও তার সরকারের উপর চাপ সৃষ্টি করে। যেনো তিনি তার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করেন। আগ্রাসন বন্ধ করেন এবং শান্তি প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেন। আন্তর্জাতিক মুসলিম উলামা ইউনিয়নের তথ্যমতে, ইউনিয়নের ইজতিহাদ ও ফতোয়া কমিটির ১৫ জন বিশেষজ্ঞ ফিলিস্তিন ও মুসলিম বিশ্বের বাস্তবতা এবং শরীয়াহর নিরিখে এই ফতোয়া জারি করেন। তারা হলেন – ১.শায়েখ মুহাম্মদ হাসান আদ-দিদো ২. শায়েখ আব্দুল হাই ইউসুফ ৩. শায়েখ ইবরাহীম আবু মুহাম্মদ ৪. শায়েখ খালেদ হানাফি ৫. শায়েখ আহমদ কাফি ৬. ড. ফরিদা সাদিক জাউজ ৭. শায়েখ মুহাম্মদ গুরমাজ। (মেহমেত গরমেজ) ৮. শায়েখ মুস্তফা দাদিশ ৯. শায়েখ সালেম আশ-শায়খী ১০. শায়েখ মাসউদ সাবরী ১১. শায়েখ ওয়ানিস আল-মুবারক ১২. শায়েখ উ’জাইল আন-নাশমী ১৩. শায়েখ নুরুদ্দিন আল-খাদেমী ১৪. শায়েখ শায়েখ আহমদ হুয়াই ১৫. শায়েখ সুলতান আল-হাশেমী। এছাড়া ফতোয়া কমিটির প্রধান শায়েখ ড. আলি আল কারাহদাগী ও সম্পাদক এডভোকেট ফজল আব্দুল্লাহ মুরাদ এই ফতোয়া প্রস্তুত ও চূড়ান্তকরণে অংশগ্রহণ করেন। -insaf24

  • видео или голосовое, без подписи

  • একটা আওয়ামীলিগার কিভাবে চিন্তা করে, কি ধরণের ভায়োলেন্সে তারা বিশ্বাস রাখে তা বুঝার জন্য এই স্ক্রীন শটের জাস্ট আন্ডারলাইন করা লাইন দুইটা পড়েন। আর কিচ্ছু পড়া লাগবে না। রাফির বউ কিন্তু রাজনীতির কেউ না। সাধারণ একটা মেয়ে। কিন্তু যেহেতু মেয়েটা সুন্দরী, সেহেতু কাল্পনিক ভায়োলেন্সেও অমি পিয়ালরা মেয়েটাকে ছেড়ে দিতে রাজি না। ছাড়তে রাজি না উমামা এবং নুসরাতকেও। বড় নেতারা রাজনীতির চাল চালবে, ওদের চ্যালাপ্যালা ছাপড়িরা হালুয়া রুটির আশায় ছ্যাবলামি, ছাপড়ামি করবে। কিন্তু ভাই, আপনারা যারা রাস্তায় নেমে আওয়ামীলিগ খেদাইছেন, যারা আওয়ামী ফ্যা* সি* জ* মের বিরুদ্ধে দাঁড়াইছেন, তারা যদি আক্ষরিক অর্থেই আওয়ামীলিগ নির্মূল না করেন, তবে এই স্ক্রীন শটে বলা কাজগুলোই অমি পিয়ালরা করবে। বিএনপির ছাপড়িরা ভুলে গেছে, কিন্তু বিএনপি নেতার বারো বছরের মেয়েকে তার মা আর খালার সামনেই রে* প করেছিলো আওয়ামীলিগ। জাস্ট যেই মূহুর্তে একবারের জন্যও মনে হবে, এই দেশে 'ভালো' আওয়ামীলিগরে আপনারা দাঁড়াতে দিবেন, সেই মুহুর্ত থেকে নিজের ঘরের মেয়েদের পরিণাম আপনারা ঠিক করে ফেললেন। মনে রাইখেন আওয়ামীলিগের সাথে সহাবস্থানের কথা যেই *য়ারের বাচ্চা বলে, সেই *য়ারের বাচ্চা আসলে আপনার ঘরের মেয়েদের এই পরিণাম দেখতে চায়। সে যেইই হোক। আল্লাহ আপনাদের বুঝ দিক। শত্রুর পৈশাচিকতার মাত্রা বুঝার জ্ঞান দিক। - নাহিয়ান হোসেইন

  • видео или голосовое, без подписи

  • ইসরায়েলের গণহত্যা শুরুর সময় মন্ত্রিসভার এক বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু ক্ষোভে ফেটে পড়েন, যখন চিফ অব স্টাফ হারজি হালেভি মন্ত্রীদের প্রথম ৪৮ ঘণ্টার হামলার বিবরণ দেন এবং জানান যে ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান ১,৫০০ লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে। নেতানিয়াহু আপত্তি জানিয়ে প্রশ্ন করেন, “কেন ৫,০০০ নয়?”

  • মেডিকেল সূত্র আল জাজিরাকে জানিয়েছে যে, মঙ্গলবার ভোর থেকে গাজা উপত্যকার বিভিন্ন স্থানে ইসরায়েলি হামলায় ৬৫০ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে।

  • প্রতিবাদকারীরা ফিলিস্তিনের সমর্থনে জার্মানির রাজধানী বার্লিনের রাস্তায় নেমে এসেছেন, গাজায় ইসরায়েলের গণহত্যা পুনরায় শুরুর নিন্দা জানান।

ThinkTwice 🔻 — tgindex