tgindex
ইসলাম ও ইসলামি বিশ্ব

ইসলাম ও ইসলামি বিশ্ব

Статистика

আমরা চাই আমাদের চ্যানেলের মাধ্যমে অন্ধকারাচ্ছন্ন আত্মাগুলো আলোতে ফিরে আসুক।ইবাদতে অনাগ্রহী আত্মাগুলোতে আগ্রহ সঞ্চার হোক।মৃতপ্রায় আত্মাগুলোতে ছড়িয়ে পড়ুক নতুন প্রাণশক্তি। ভালো কিছুর প্রত্যাশায় ইন শা আল্লাহ... আমাদের ব্লগ সাইটঃ https://aahr2005.blogspot.com

Последний пост
15 авг.
Последнее чтение
15 авг.
Постов за неделю
19
Всего постов
27
Тип
открытый
Язык
bn
В каталоге с
13 авг.
Подписчики
2 761
0 за 2 дн.
Сутки
0
0,00%
Неделя
 
Месяц
 
Просмотров на пост
101
27 постов
Вовлечённость
3,7%
к подписчикам
Постов в день
2,7
всего 27
Упоминаний
0
каналов
Охват размещения
оценка
1/24сутки в ленте
78
1/48двое суток
89
1/72трое суток
96

Оценка по просмотрам недавних постов: пост набирает почти всё за первые сутки.

Посты

  • "হে ঈমানদারগণ! কোন মুমিন সম্প্রদায় যেন অপর কোন মুমিন সম্প্রদায়কে উপহাস না করে; কেননা যাদেরকে উপহাস করা হচ্ছে তারা উপহাসকারীদের চেয়ে উত্তম হতে পারে এবং নারীরা যেন অন্য নারীদেরকে উপহাস না করে; কেননা যাদেরকে উপহাস করা হচ্ছে তারা তারা উপহাসকারিণীদের চেয়ে উত্তম পারে।"[১] . یَـٰۤأَیُّهَا ٱلَّذِینَ ءَامَنُوا۟ لَا یَسۡخَرۡ قَوۡمࣱ مِّن قَوۡمٍ عَسَىٰۤ أَن یَكُونُوا۟ خَیۡرࣰا مِّنۡهُمۡ وَلَا نِسَاۤءࣱ مِّن نِّسَاۤءٍ عَسَىٰۤ أَن یَكُنَّ خَیۡرࣰا مِّنۡهُنَّۖ . "এক ব্যক্তি অপর ব্যক্তির সাথে উপহাস বা ঠাট্টা-বিদ্রূপ তখনই করে, যখন সে নিজেকে তার চাইতে উত্তম এবং তাকে নিজের চেয়ে হীন ও ছোট মনে করে। অথচ আল্লাহর কাছে ঈমান ও আমলের দিক দিয়ে কে উত্তম, আর কে নয় --এ জ্ঞান কেবল তাঁরই কাছে। কাজেই নিজেকে উৎকৃষ্ট এবং অপরকে নিকৃষ্ট মনে করার কোনই বৈধতা নেই। তাই আয়াতে অপরকে উপহাস করা হতে নিষেধ করা হয়েছে। আর চারিত্রিক এ রোগ মহিলাদের মধ্যে অধিকহারে বিদ্যমান থাকায় তাদের কথা পৃথকভাবে উল্লেখ করে বিশেষভাবে তাদেরকে এ কাজ থেকে নিষেধ করা হয়েছে। রসূল (সাঃ)-এর হাদীসে মানুষকে তুচ্ছ মনে করাকে ‘অহংকার’ বলে আখ্যায়িত করা হয়েছে, (الْكِبْرُ بَطَرُ الْحَقِّ وَغَمْطُ النَّاسِ) (মুসলিম ৯১নং, তিরমিযী, হাকেম ১/২৬) আর অহংকার ও অহংকারীকে আল্লাহ চরম ঘৃণা করেন।"[২] . [১) সূরা হুজুরাত: ১১; ২) তাফসিরে আহসানুল বায়ান]

  • উত্তরপ্রদেশের হাপুরে একটি সামান্য সড়ক দুর্ঘটনাকে কেন্দ্র করে আজিম আলি (২৭) নামে এক মুসলিম ট্রাকচালককে পিটিয়ে হত্যা করার অভিযোগ উঠেছে 'কানওয়ারিয়া'দের বিরুদ্ধে। নিহত আজিম উত্তরপ্রদেশেরই মোরাদাবাদের বাসিন্দা ছিলেন। গত ৩১ জুলাই ঘটে যাওয়া এই ঘটনার বিবরণ দিতে গিয়ে স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আজিমের পরিচালিত একটি ট্রাকের সঙ্গে কানওয়ারিয়াবাহী একটি অটোরিকশার সামান্য সংঘর্ষ হয়। অটোরিকশার কোনো যাত্রী আহত না হলেও, দুর্ঘটনার পরপরই কয়েকজন কানওয়ারিয়া আজিমকে ট্রাক থেকে টেনে নামিয়ে নির্মমভাবে মারধর করেন। গুরুতর আহত আজিমকে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে, পরে মেরঠ এবং শেষ পর্যন্ত দিল্লির লোকনায়ক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর তিনি মারা যান। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি ছিলেন তিনি। তার মৃত্যুতে স্ত্রী, পাঁচ মাসের সন্তান ও অসুস্থ বাবাকে নিয়ে পরিবারটি চরম অনিশ্চয়তায় পড়েছে। এ ঘটনায় আজিমের পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে পাঁচজন কানওয়ারিয়াকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। দাঙ্গা, ইচ্ছাকৃতভাবে গুরুতর আঘাত এবং হত্যাচেষ্টাসহ একাধিক ধারায় মামলা হয়েছে। আরও দুজন অজ্ঞাত ব্যক্তিকেও মামলার আসামি করা হয়েছে।

  • কেন অন্য মহিলাদের নিজের স্ত্রীর চেয়ে বেশি সুন্দর লাগে? একজন বিজ্ঞ আলেমের কাছে এক লোক এসে অপরাধী কন্ঠে বলতে লাগলো, হুজুর! আমার স্ত্রী কে বিয়ে করার আগে সর্বপ্রথম যখন দেখি, তখন আমার মনে হয়েছিলো আমার স্ত্রীর মতো করে মহান আল্লাহ পৃথিবীতে আর কাউকে সৃষ্টি করেনি। যখম আমার স্ত্রীর কাছে বিয়ের প্রস্তাব পাঠালাম সে প্রস্তাব কবুল করলো, বিয়ের সব আয়োজন সম্পন্ন হলো, তখন আমি দেখতে পেলাম আমার স্ত্রীর মতো সুন্দরী অনেক মহিলা এই পৃথিবীতে আছে। আর যখন আমার স্ত্রী কে বিয়ে করে ঘরে তুললাম, দেখতে পেলাম অনেক মহিলা আমার স্ত্রীর চেয়েও অতিরিক্ত সুন্দরী। বিয়ের পর যখন কয়েক বছর কেটে গেলো। আমার মনে হলো প্রতিটি মহিলা আমার স্ত্রীর চেয়ে অনেক বেশী সুন্দর। হুজুর উত্তরে বললেন, আমি কি তোমাকে এর চেয়েও মারাত্মক একটি বিষয় বলবো? লোকটি বললো হ্যাঁ, বলেন। হুজুর বলতে লাগলো তুমি যদি পৃথিবীর সব মহিলাকে বিয়ে করে ফেলো, তখন পৃথিবীর সব মহিলার চেয়ে পথের নেড়িকুত্তা গুলোকে তুমার বেশি সুন্দর মনে হবে। লোকটি অধির আগ্রহে জানতে চাইলো, কিন্তু হুজুর কেন এমনটা মনে হবে? সমস্যা টা কোথায় হচ্ছে? হুজুর বলতে লাগলো শুনো সমস্যা তোমার স্ত্রীর মধ্যে নয়। সমস্যা টা হলো মানুষের অন্তর যখন নষ্ট হয়ে যায় এবং চোখ গুলো যখন লালসায় ভরে যায়, আল্লাহর ডর-ভয় লাজ- শরমও যখন মানুষের চলে যায়, তখন তার চোখ গুলো কবরের মাটি ছাড়া আর কিছুতেই ভরে না। আর তোমার সমস্যা হচ্ছে তুমি হারাম এবং অপবিত্র বস্তুর দিকে দৃষ্টিপাত করা থেকে বিরত থাকো না। এসব থেকে দুরে থাকো, আল্লাহ কে ভয় করতে থাকো দেখবে সমস্যা সমাধান হয়ে গেছে ইনশাআল্লাহ। আল্লাহ আমাদের সঠিক বুজ বুঝার তৌফিক দান করুক এবং আল্লাহর বিধান গুলো মেনে চলার তৌফিক দান করুক।আমিন...

  • দ্রুত বিবাহ হওয়া, চাকরি পাওয়া ও রিজিকে বরকত লাভের আমলসমূহ: ১. পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ুন। ২. তাওহীদ ও তাওয়াক্কুলে দৃঢ় থাকুন, তথা আল্লাহর একত্ববাদে বিশ্বাস করুন ও তার উপর ভরসা করুন। ৩. সকাল- বিকাল বেশি বেশি ইস্তেগফার ও দুরূদ শরিফ পড়ুন। কমপক্ষে ৭ বার করে। এবং দুআ করুন। ৪. সকাল- বিকাল বেশি বেশি 'লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ', 'আল্লাহ', 'ইয়া আরহামার রাহিমীন' পাঠ করা। কমপক্ষে ১১ বার করে। ৫. প্রতিদিন সকালে ফজরের পর সূরা ফাতেহা, সূরা ইয়াসীন, মাগরিবের পর সূরা ওয়াকেআ, সূরা রহমান, সূরা মুজাম্মিল, সূরা সাফফাত পড়ুন। ৬. ফজর ও মাগরিবের পর এবং রাতে ঘুমানোর আগে আয়াতুল কুরসী ১ বার ও শেষ তিন কুল (ইখলাস, ফালাক, নাস) ৩ বার করে পড়ে হাতে ফুঁ দিয়ে সমস্ত শরীরে ৩ বার হাত বুলিয়ে দিন। ৭. এ ক্ষেত্রে আল্লাহর শেখানো এ দোয়াটি অনেক কার্যকর। সকাল, বিকাল বেশি বেশি পড়া উচিত: رَبَّنَا هَبْ لَنَا مِنْ أَزْوَاجِنَا وَذُرِّيَّاتِنَا قُرَّةَ أَعْيُنٍ وَاجْعَلْنَا لِلْمُتَّقِينَ إِمَامًا উচ্চারণ: রব্বানা হাব লানা মিন আযওয়াজিনা ওয়া জুররিয়্যাতিনা কুররাতা আ’ইউন, ওয়া জাআলনা লিল মুত্তাকীনা ইমামা। অর্থ: ‘হে আমাদের রব, আমাদের জন্য এমন স্ত্রী ও সন্তান-সন্ততি দান করুন, যারা আমাদের চোখ শীতলকারী হবে। এবং আমাদেরকে আল্লাহভীরুদের জন্য আদর্শ করুন।’ (সুরা: ফুরকান, আয়াত: ৭৪) ৭. এ দুআটি বেশি বেশি পড়ুন: যাকারিয়া (আ.)-এর দোয়া: رَبِّ لَا تَذَرْنِي فَرْدٗا وَأَنتَ خَيۡرُ ٱلۡوَٰرِثِينَ বাংলা উচ্চারণ: রব্বি লা তাযার্নী ফার্দান, ওয়া আন্তা খাইরুল-ওয়ারিছীন। বাংলা অর্থ: হে আমার পালনকর্তা! আমাকে একা-অকা করে রেখো না। আর আপনি তো সর্বোত্তম উত্তরাধিকারী (সূরা আম্বিয়া: ৮৯ ) প্রতিদিন ১০০ বার পড়া। (কমপক্ষে ৭ বার করে পড়া) ৮. এ দুআটি প্রতিদিন অন্তত ৭০ বার পড়ুন (কমপক্ষে ৭ বার করে পড়া): মুসা (আ.)-এর দোয়া: رَبِّ إِنِّي لِمَآ أَنزَلتَ إِلَيَّ مِنۡ خَيۡرٍ فَقِيرٞ বাংলা উচ্চারণ: রব্বি, ইন্নী লিমা আনযালতা ইলাইয়া মিন খাইরিন ফাকীর। বাংলা অর্থ: হে আমার পালনকর্তা! আপনি আমার প্রতি যে কল্যাণ অবতীর্ণ করবেন, তার সবকিছুরই আমি মুখাপেক্ষী। (সূরা কাসাস: ২৪)

  • "যে কথা বলতে চায়, তার কর্তব্য হচ্ছে কথা বলার আগে ভেবেচিন্তে দেখবে। যদি কথা বলায় কোনো কল্যাণ আছে বলে তার চিন্তায় প্রকাশ পায় তাহলে সে কথা বলবে। আর যদি কল্যাণ আছে কি না তা নিয়ে সন্দেহ থাকে তাহলে যতক্ষণ কল্যাণের দিকটা প্রকাশ না পাচ্ছে ততক্ষণ কথা বলবে না"। . ~ ইমাম মুহাম্মাদ বিন ইদ্রীস আশ শাফিঈ [রাহ.] . [ ইমাম নাওয়াউই (রাহ.), আল আযকার, পৃ: ৩৩২]

  • Who is Allah ? “তিনিই আল্লাহ , তোমাদের রব । তিনি ছাড়া কোনো উপাস্য নেই । তিনিই সবকিছুর স্রষ্টা । তাই তোমরা শুধু তাঁরই ইবাদত করো । আর তিনি সবকিছুর তত্ত্বাবধায়ক” — সূরা আল-আন‘আম, আয়াত ১০২ আয়াতটি আমাদের কী শেখায় ? ১. আল্লাহই একমাত্র রব : আমাদের জীবন, রিজিক, ভবিষ্যৎ সবকিছুর প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ আল্লাহর হাতে। তাই জীবনের প্রতিটি অবস্থায় তাঁর ওপর ভরসা করা উচিত ২. আল্লাহই সবকিছুর স্রষ্টা : আমরা যা দেখি এবং যা দেখি না - এই পুরো সৃষ্টি জগতের স্রষ্টা একমাত্র আল্লাহ। আমাদের অস্তিত্বও তাঁরই দেওয়া ৩. আল্লাহ সবকিছুর তত্ত্বাবধায়ক : জীবনে অনেক কিছু আমাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায় । কিন্তু কোনো কিছুই আল্লাহর জ্ঞান ও তত্ত্বাবধানের বাইরে নয়

  • কিছুক্ষণ আগে আমি সূরা আল-কাসাসের ৭ নম্বর আয়াত পড়তে গিয়ে নিজেকে প্রশ্ন করলাম, আল্লাহর প্রিয় বান্দা হওয়া আসলেই কি সহজ? প্রশ্নটা কেন করলাম, সেটা বুঝতে হলে আপনাকে এই আয়াতটি পড়তে হবে। সূরা আল-কাসাসে আল্লাহ বলেন: “আমি মূসার মায়ের প্রতি ইলহাম করলাম, তুমি তাকে দুধ পান করাতে থাক। যখন তার ব্যাপারে কোন আশঙ্কা বোধ করবে তখন তাকে নদীতে ফেলে দিও। আর ভয় পেও না ও দুঃখ করো না। বিশ্বাস রেখ, আমি অবশ্যই তাকে তোমার কাছে ফিরিয়ে দেব এবং তাকে রাসূলগণের মধ্য হতে একজন রাসূল বানিয়ে দেব।” (২৮ঃ৭) একজন নবীর মা হওয়া যতটা সম্মানের, তার চেয়েও বেশি কষ্টের। এখানে মূসা (আ.)-এর মায়ের কথা একবার ভাবুন। দুধের শিশু মূসা (আ.)। আল্লাহ তাঁর মাকে সম্মানিত করবেন ঠিকই, কিন্তু তার আগে পরীক্ষার Level-টা একবার ভাবুন। ঠিক একইভাবে আমরা ঈসা (আ.)-এর মা মরিয়ম (আ.)-কে দেখেছি শিশু ঈসা (আ.)-কে নিয়ে কঠিন পরীক্ষার সম্মুখীন হতে। আর ইসমাঈল (আ.)-এর মা শুধু একবার নয়, কয়েকবার ভয়াবহ পরীক্ষার সম্মুখীন হয়েছেন। সবার ক্ষেত্রে কয়েকটি বিষয়ে আপনি মিল পাবেন: - তাঁরা সবাই কঠিন মুহূর্তে ধৈর্য ধারণ করেছেন। - তাঁরা আল্লাহর ওপর ভরসা করে কাজ করেছেন। - তাঁরা প্রত্যেকেই আল্লাহর পক্ষ থেকে মোজেজা পেয়েছেন। এখন প্রশ্ন হলো, মোজেজা আগে, নাকি পরীক্ষা আগে? আপনি Formula-টা খেয়াল করেছেন? আল্লাহর আদেশ মানা → কঠিন পরীক্ষার সম্মুখীন হওয়া → ধৈর্য ধারণ করা → আল্লাহর মোজেজা পাওয়া। এখানে একটা বিষয় পরিষ্কার, আপনার জন্য আল্লাহর আদেশ মানা সব সময় সহজ হবে না। তবে আল্লাহর কাছে সাহায্য চাইলে আল্লাহ সহজ করে দেবেন। আপনি ধৈর্য ধরে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য কাজ চালিয়ে যাবেন। ইনশাআল্লাহ, আল্লাহর সাহায্য আপনিও পাবেন। - সংগৃহীত

  • ❝ নবীজি ﷺ ঘরে প্রবেশ করেই মিসওয়াক করতে শুরু করতেন। স্ত্রীর কাছে যাওয়ার আগে মিসওয়াক করা সুন্নাহ। (মুসলিম শরীফ ২৫৩)

  • আমরা যখন আল্লাহর কাছে দু'আ করি, আমরা ভুলে যাই আসলে যে, কার কাছে চাইছি! আমাদের মাথায় ঘুরতে থাকে— "ডাক্তার বলেছেন আর আশা নেই।" অথবা, "জমিটা নিয়েই নিবে, ওরা তো অনেক পাওয়ারফুল!" অথবা, "এই সম্পর্ক আর ঠিক হওয়া সম্ভব না।" অথবা... অথবা... অথবা... মালিকুল মুলকের কাছে চাওয়ার সময়ও ভাবনাটা এমন থাকে যে— "চাইতে হয় চাইছি। কিন্ত..." সুবহানাল্লাহ! চাইছি তো আল্লাহরই কাছে! যাইই চাইছি, তাঁর রাজত্বের বাইরে তো কিছুই না! সব তাঁরই ক্ষমতার অধীনে। তাহলে? এসব বাধা-বিপত্তি, সম্ভব-অসম্ভব, ক্ষমতাসীন-দুর্বল— এগুলো আমাদের জন্য। মানুষের মন কন্ট্রোলে নেই আমাদের। আমাদের হাতে নেই কারোর আরোগ্যলাভ। তাই বলে আল্লাহ? তাঁর হাতে তো সব আছে! হ্যাঁ, কোনো কিছুর জন্য যেই পদ্ধতি অবলম্বন করতে হয় আমরা করবো। অসুখ হলে ডাক্তার দেখাবো। সম্পত্তি দখল হলে চেষ্টা করবো ছুটিয়ে আনতে। অন্যায় হলে বিচার চাইবো। কিন্তু তারপর? যখন দু'আ করবো, এই সব সম্ভব-অসম্ভব এর ভাবনা ঠেলে সরিয়ে মালিকুল মুলকের কাছে দু'আ করবো। তাঁর জন্য কোনো ব্যাপার না যা চাইছি সেটা দেয়া, সেই বিশ্বাস নিয়ে করবো! নিজেদের সীমাবদ্ধতার গোলামী করবো না এমনভাবে যে, শেষ পর্যন্ত আল্লাহর কাছে চাইতেও সেই সীমাবদ্ধতা আমাদের দু'আকে দুর্বল করে দেয়! আল্লাহ দিবেন, আলহামদুলিল্লাহ। না দিলে জানবো খুব ভালোবাসেন বলেই দেননি। আবার, আলহামদুলিল্লাহ! কিন্তু চাইবো একদম দৃঢ় বিশ্বাস নিয়ে যে, যা কিছুই চাই না কেন, আল্লাহর কাছে চাইছি। আমাদের রবের কাছে চাইছি! বাকি সব সমস্যা কোনো ব্যাপারই না!

  • শরীয়াহ নিয়ে ভয় পাবে কে..!?

  • (পর্বঃ ০৩) কিভাবে নামাজের মধুরতা আস্বাদন করা যায়? গভীরতার তৃতীয় স্তর: এই তৃতীয় স্তর কোনটি? ক্ষমা ও করুনা লাভের জন্য আল্লাহর কাছে আসা। এবং এই আশা করা যে ইনশা-আল্লাহ তিনি আমাদের কবুল করবেন এবং আমাদের তাঁর আরও নিকটে নিয়ে আসবেন। এই তৃতীয় স্তর টিকে বলা হয় “রযা”। যে ব্যক্তি এই ‘রযা’ অনুভব করতে পারে তার অবস্থান আল্লাহর কাছে অনেক উচুতে। কারণ এটা অন্তরের ব্যপার হাজার মনোযোগ দিয়ে, আর বুঝে কীই বা লাভ যদি সবকিছু যান্ত্রিক হয়? নামাজের সত্যিকারের স্বাদ আহরণ তখনি সম্ভব যখন আমরা তাঁর (আল্লাহর) কাছে ‘রযা’ নিয়ে দাড়াবো। এটা কিভাবে অর্জন করা সম্ভব? এটা অনুভব করা সম্ভব যদি আপনি আল্লাহকে জানেন, চিনেন আল্লাহ তায়ালাকে যতবেশী চিনবেন, তত আল্লাহর ‘রযা’ লাভ করবেন। আমাদের প্রত্যেকের প্রতি আল্লাহর করুনা আমাদের মায়ের করুনার চাইতেও অনেক অনেক বেশী। আমাদের যা করতে হবে তা হল আল্লাহর কথা বেশী বেশী স্মরণ করতে হবে, তাঁর গুনাবলী নিয়ে আলোচনা করতে হবে, চিন্তা করতে হবে, ভাবতে হবে আমরা যা ভাববো তিনি তাই; যদি আমরা তাঁকে অসীম দয়ালু ও পরম করুনাময় মনে করি, তাহলে তিনি তাইই খুবই সোজা সরল কথা-কারণ আল্লাহ তায়ালা এ কথা নিজেই বলেছেন: নবী(সা:) বলেন: “আল্লাহ তায়ালা বলেন, ‘আমার বান্দা যা মনে করে আমি সে রকমই, যদি সে আমাকে স্মরণ করে তবে আমি তার সাথেই আছি।” [সহীহ বুখারীঃ ৭৪০৫] এইসব কথার মর্মার্থ নিয়ে যদি আমরা আমাদের নামাজ শুরুর ঠিক আগমুহুর্তে চিন্তা-ভাবনা করি, তাহলে অবশ্যই আমাদের নামাজে তার সু-প্রভাব পরবে। ইবনে আল-কাইয়্যিম বলেছেন: “তোমার প্রতি আল্লাহর কোন ক্ষোভ নেই যে তিনি তোমাকে শাস্তি দিয়ে তার জ্বালা মিটাবেন।” মানে আমাদের প্রতি তাঁর কোনই ক্ষোভ নেই এবং তিনি চানও না আমাদের শাস্তি দিতে। তাঁর করুনা তাঁর আযাবের চেয়ে অনেক বেশী। রহমত করাকে তিনি তাঁর নিজের করে নিয়েছেন। আল্লাহ তায়ালা বলেন: “তোমাদের পালনকর্তা রহমত করা নিজ দায়িত্বে লিখে নিয়েছেন।” [সুরা আনআম ৬:৫৪] সুবহান-আল্লাহ(গৌরব, অহংকার এবং মহিমা আল্লাহরই)-আমরা প্রায় সবাই বছরের পর বছর ধরে নামাজ পড়ে চলেছি অথচ কখনও আবেগ সহকারে আল্লাহর নিকটে আসতে পারিনি, তবুও তাঁর কাছে করুনা প্রার্থনা করা তিনি পছন্দ করে চলেছেন| আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কোরআনে বলেন: “হ্যাঁ, আল্লাহ তো রহমত সহকারে তোমাদের প্রতি দৃষ্টিপাত করতে চান৷ কিন্তু যারা নিজেদের প্রবৃত্তির লালসার অনুসরণ করছে তারা চায় তোমরা ন্যায় ও সত্যের পথ থেকে বিচ্যুত হয়ে দূরে চলে যাও৷ আল্লাহ তোমাদের ওপর থেকে বিধি-নিষেধ হাল্‌কা করতে চান৷ কারণ মানুষকে দূর্বল করে সৃষ্টি করা হয়েছে৷” [সুরা নিসা ৪:২৭-২৮] এর পরের নামাজে এই পন্থা প্রয়োগ করে দেখুন। নিজের মন থেকে সম্পূর্ণ বিশ্বাস করুন যে আল্লাহতায়ালা আপনাকে ক্ষমা করে দিতে চান, মার্জনা করে দিতে চান এবং আপনার প্রতি করুনা বর্ষণ করতে চান। বিশ্বাস করুন এবং মনপ্রাণ দিয়ে আল্লাহর কাছে প্রত্যাশা করুন যেনো তিনি আপনাকে জান্নাতুল ফিরদাউস দান করেন, এবং শুধু তাইই না, আপনি যেনো জান্নাতে সর্বশ্রেষ্ঠ নবী হজরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়া সাল্লাম এর প্রতিবেশী হোন| এগুলো আকাশচুম্বী কল্পনাপ্রসূত কোন গল্প নয়। বরং আল্লাহ তায়ালা বলেন: “তোমাদের পালনকর্তা বলেন, তোমরা আমাকে ডাক, আমি সাড়া দেব।” [সুরা গাফির ৪০:৬০] নবী(সা:) বলেন: “আল্লাহর কাছ থেকে নিশ্চয়তার সাথে প্রার্থনা করো যে তিনি তোমার ডাক শুনবেন।” [সুনান আল-তিরমিজীঃ ৩৪৭৯] যদি আপনি তা করেন; আল্লাহ তায়ালা আপনাকে তার থেকেও অনেক বেশী দান করবেন| কিন্তু মনে রাখবেন এসব চাইতে হবে ‘রযা’ অবস্থায় “আমানি” অবস্থায় না| পার্থক্য কোথায়? ‘রযা’ হল এতক্ষণ ধরে যা বলা হল তা সব, কিন্তু এসব করতে হবে একাগ্র চিত্তে ও পরিশ্রমের মাধ্যমে; একবারে না হলে পুনরায় চেষ্টা করতে হবে, চাইতে হবে আল্লাহর কাছে তিনি যেনো আপনার জন্য ‘রযা’ পাওয়াকে সহজ করে দেন, যদি তা না করি তাহলে সেটা হল ‘আমানি’..সঠিক একাগ্রতা আর অধ্যাবসায় ছাড়া এমনি এমনি আল্লাহর করুনা প্রার্থনা করা- তিনি(আল্লাহ) তা করা পছন্দ করেন না| আল্লাহতায়ালা বলেন: “আর যে তওবা করে, ঈমান আনে এবং সৎকর্ম করে অতঃপর সৎপথে অটল থাকে, আমি তার প্রতি অবশ্যই ক্ষমাশীল।” [সুরা তাহা ২০:৮২] আর এমন করলেই তিনি আপনাকে আপনার প্রতাশার চাইতেও বেশী কিছু দান করবেন। চলবে ইনশাআল্লাহ

  • দুটি বিষয় এমন রয়েছে, যদি তুমি তা হেফাজত করতে পারো, তবে এরপর তুমি যা-ই করো না কেন তাতে তোমার কোনো ক্ষতি হবে না: ১) তোমার পরকালের জন্য তোমার দ্বীন এবং , ২) তোমার ইহকালের জীবিকার জন্য তোমার দিরহাম। (অর্থকড়ি) . ~ তাবিঈ খালিদ বিন সাফওয়ান [রাহ.] [ইমাম ইবনু আবিদ দুনইয়া (রাহ.), ইসলাহুল মাল, হা: ৬৯]

  • ভারতে মুসলিম নিরাপত্তা নিয়ে বাড়ছে গুরুতর উদ্বেগ সাউথ এশিয়া জাস্টিস ক্যাম্পেইনের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ২০২৬ সালের মে–জুলাইয়ে ভারতে ২৫ মুসলিম নিহত হয়েছেন। একই সময়ে বাড়িঘর, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও ধর্মীয় স্থাপনা ভাঙচুর এবং উচ্ছেদের ঘটনাও নথিভুক্ত হয়েছে। এসব তথ্য স্বাধীনভাবে যাচাই প্রয়োজন হলেও, ধারাবাহিক অভিযোগগুলো দেশটির সংখ্যালঘু নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা নিয়ে নতুন প্রশ্ন তুলছে।

  • পূর্ণতম পৌরুষ - ১ঃ সংসার জীবনে স্বামীর পূর্ণতম পৌরুষের প্রতীক কী? —স্ত্রীকে জিতিয়ে দেয়া। স্ত্রীকে খুশি করা পৌরুষদীপ্ত স্বামীর পরিচায়ক। এটা কীভাবে সম্ভব? একটু খুলে বলা যাক। একজন মানুষ হিসেবে পৌরুষের পূর্ণতা— নারীর প্রতি আকর্ষণ ও ভালোবাসায় নিহিত। নারীর প্রতি টান-আকর্ষণ থাকাই (বায়োলজিক্যাল) পৌরুষের প্রধানতম বৈশিষ্ট্য। ২ঃ নারী বা স্ত্রীর প্রতি ভালোবাসাটা কখন পূর্ণতা পায়? পাপের সীমায় না পৌঁছা পর্যন্ত একজন স্বামী যখন তার স্ত্রীকে ছাড় দেয়, তর্কে বা মনোমালিন্যের সময় জিতিয়ে দেয়, তখনই একজন স্বামীর পৌরুষ পূর্ণতা পেয়েছে বলে ধরে নেয়া যায়। শরীয়তের সীমায় থেকে স্ত্রীকে ছাড় দেয়া, তার ভুলত্রুটি উপেক্ষা করা, হারামে না জড়িয়ে স্ত্রীর প্রতি অনুগত আর বিশ্বস্ত থাকা, স্ত্রীর প্রতি নরমকোমল আচরণই একজন পৌরুষদীপ্ত স্বামীর অন্যতম বৈশিষ্ট্য। লক্ষ্যণীয়ঃ আমরা শরীয়তের সীমারেখার কথা বলেছি। অন্যায় ঝগড়াকারী, গায়েপড়ে ঝামেলা পাকানো কিন্তু শরীয়তের সীমার বাইরের ব্যাপার। মা-বোনের কথা ধরে স্বামীর সাথে মল্লযুদ্ধে লিপ্ত হওয়া স্ত্রীদের কথা বলছি না। মুখরা রমণীকে বশীকরণ প্রায় অসম্ভবই বলা চলে। আমরা বলছি, শরীয়ত মেনে চলা মেনে চলা স্ত্রীদের কথা। ৩ঃ নবীজি ﷺ এর মধ্যে ঠিক এই পৌরুষটাই ছিলো। তিনি স্ত্রীগণের সাথে উদার, সহনশীল আচরণই করতেন। আবার, শরীয়তের সীমার বাইরে কিছু দেখলে, কুরআনি ভাষায় সবাইকে ছেড়ে দিতেও প্রস্তুত থাকতেন (আহযাব: ২৮ দ্রষ্টব্য ৪ঃ পুরুষ যখন ব্যক্তিত্বের দোহাই দিয়ে, অহংকারবশত স্ত্রীর প্রতি দমন-পীড়নমূলক আচরণ করে, স্ত্রীর কাছে নিজের শ্রেষ্ঠত্ব ও প্রভুত্ব জাহিরের একতরফা লড়াইয়ে নেমে পড়ে, সেটা আর যাই হোক, পৌরুষদীপ্ত আচরণ হতে পারে না। নবীজির আচরণ এমন ছিল না মোটেও। এমন পুরুষ কখনোই সত্যিকার প্রেমিক হতে পারেন না। তারা মনিব হয়ে থাকতে চান। তাদের দরকার দাসী; স্ত্রী নয়। এটা জাহেলি যুগের স্বভাব। স্ত্রীর সাথে এমন খচমচ করা পুরুষের নির্বুদ্ধিতাও বটে। ৫ঃ আল্লাহ নিজ অনুগ্রহে একজন দ্বীনদার স্ত্রী মিলিয়ে দিলে, স্বামীর পূর্ণতম পৌরুষের দ্বাবি হলো, স্ত্রীকে জিততে দেয়া। হাঁ, ছাড় দিতে গিয়ে গুনাহ হলে, আত্মীয়তার বন্ধন ছিন্ন করতে হলে, সেক্ষেত্রে স্বামীকে কঠোর হতেই হয়। স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক হবে মহব্বত ও ছাড়মূলক। পারস্পরিক সহযোগিতামূলক; প্রতিযোগিতামূলক নয়। একে অপরের উপর প্রাধান্য বিস্তারের লড়াইমূলক নয়। ৬. নবীজি ছিলেন পূর্ণতম মানব। নবীজির প্রতিটি আচরণই ছিল পূর্ণতা ও পক্কতায় সর্বোচ্চ স্তরের। নবীজির ভাষায় শ্রেষ্ঠতম মানুষ কে? তোমাদের মধ্যে ঐ ব্যক্তি সর্বোত্তম যে স্বীয় পরিবারের নিকট উত্তম। আর আমি আমার পরিবারের নিকট সর্বোত্তম’ (তিরমিযী ৩৮৯৫)। ৭ঃ একজন পুরুষের উন্নতি ও পূর্ণতার সর্বোচ্চ স্তর কী? ‘নবুওয়াত’। কুরআনের ভাষায় শুধু পুরুষই নবী হতে পারে, নারী নয় (আম্বিয়া: ৭ দ্রষ্টব্য)। আল্লাহর অনুমোদন ছাড়া চাইলেই এই স্তুরে পৌঁছা সম্ভব নয়। নবীজির পর এই স্তরে আর কোনও পুরুষ পৌঁছতে পারবেও না। নবুওয়াতের দরজা বন্ধ হয়ে গেছে। তাহলে আমরা ধরে নিতে পারি, পেয়ারা নবীজিই হলেন, সর্বশেষ পূর্ণতম পুরুষ। একজন মানুষ হিসেবে, এই পূর্ণতম পুরুষের অন্যতম প্রিয় বিষয় কী ছিল? তাঁর মুখেই শুনি তোমাদের দুনিয়া থেকে আমার কাছে সুগন্ধি ও নারীদেরকে প্রিয় করে দেয়া হয়েছে আর সালাতের মাঝে আমার চোখের শান্তি সৃষ্টি করা হয়েছে (নাসায়ি-৩৯৩৯)। ৮ঃ নারীর প্রতি আকর্ষণ পুরুষের স্বভাবজাত বিষয়। এই আকর্ষণকে প্রকাশ করার পূর্ণতম ও পবিত্রতম পদ্ধতি হচ্ছে বিয়ে। এই আকর্ষণের পবিত্রতম প্রকাশক্ষেত্র হচ্ছে ‘স্ত্রী’। পুরুষ নিজ সামর্থ অনুযায়ী শরীয়তসম্মত পন্থায় আকর্ষণের বহিঃপ্রকাশ ঘটাবে। ইনসাফ বজায় রাখতে পারলে, শরীয়ত সর্বোচ্চ ‘চার’ পর্যন্ত সীমা বেঁধে দিয়েছে। শেষজীবনে নবীজিকেও আর বিয়ে করতে আল্লাহ নিষেধ করেছিলেন। আল্লাহ অবশ্য নবীজির জন্য দাসী গ্রহণের পথ খোলা রেখেছিলেন। (আহযাব: ৫২ দ্রষ্টব্য)। ৯ঃ প্রতিটি স্বামীর আদর্শ কে? পেয়ারা নবীজি। কুরআন ও সুন্নাহ বলে, পুরুষ হলো ‘কাউয়াম’। নারীর তত্ত্বাবধায়ক। নারীর সংরক্ষক। পুরুষ নারীকে আগলে রাখবে। সামলে রাখবে। ছায়া দিয়ে রাখবে। মায়া দিয়ে রাখবে। স্ত্রীর ওপর ছড়ি ঘোরানো, স্ত্রীকে চাপে রাখা,স্ত্রীকে অন্যায়ভাবে দমিয়ে রাখা, স্ত্রীর সাথে রূঢ় আচরণ করা-দ্বীনবিরোধী আচরণ। ফিকহবিরোধী আচরণ। পৌরুষবিরোধী আচরণ। ১০ঃ হাঁ, একথা ঠিক, কোনও মানুষের পক্ষে নবীজির মতো পূর্ণতম স্বামী হওয়া অসম্ভব। পূর্ণতম স্বামী হতে পারা নবীজির মুজিযার অংশ বলা যেতে পারে। কিন্তু আমাদের মতো সাধারণ মানুষের কর্তব্য হলো, নবীজির আদর্শ ধারণ করার প্রাণপণ চেষ্টা অব্যাহত রাখা। পাশাপাশি একথাও মনে রাখা উচিত, কোনও নারীর পক্ষে উম্মুল ‍মুমিনিনের মতো ‘পুণ্যবতী’ স্ত্রী হওয়াও অসম্ভব। বর্তমানে স্বামী ও স্ত্রী ‍উভয়পক্ষেই সীমাবদ্ধতা আছে। ১১ঃ কেমন ছিলেন নবীজি? রাসূল ﷺ ছিলেন নমনীয় স্বভাবের। আয়েশা (রাযিঃ) যখনই কোন কিছুর আবদার ধরতেন, তিনি সে আবদার রক্ষা করতেন।

  • ঘি-ওয়ালী! - বাজার জমে উঠেছে। গ্রামের লোকেরা দূর-দূরান্ত থেকে আনাজপাতি নিয়ে এসেছে। এখানের মানুষজন গরু-পালনে বেশ দক্ষ। বাজারটাও সেজন্য দুধ ও দুগ্ধজাত খাবারের জন্যে বিখ্যাত। শহরের বড় বড় পাইকাররা এখানে আসেন। দুধ কিনতে। ঘি কিনতে। পনির কিনতে। এক সওদাগর এলো। অনেক ঠাঁটবাট নিয়ে। ঘি কিনবে। সারা বাজার ঘুরলো। দরাদরি করে সবাইকে নাজেহাল করে ছাড়লো। দামে বনিবনা হওয়ায় কিছু ঘি কেনাও হলো। ঘি-পট্টির শেষ মাথায় একজন বুড়ি বসে আছে। ছোট ছোট একটা মাটির ঘড়া তার সামনে। নাকউঁচু ব্যবসায়ী বুড়ির কাছে গিয়ে নামমাত্র মূল্য হাঁকলো। বুড়ি বললো: -আমরা কয়েক পুরুষ ধরে ঘিয়ের কারবার করি। আমাদের ঘি এই অঞ্চলের সেরা। দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার আলোকেই আমরা ঘি তৈরী করি। আমরা ঘি অল্প বানাই, কিন্তু মানসম্পন্ন ঘি বানানোর চেষ্টা করি! তেল মেশাই না। দুধের সাথে একফোঁটা পানি মিশতে দেই না। -দেখি তোমার ‘অঞ্চলসেরা’ ঘি? -ওই যে আমার ঘর! সেখান থেকে নিয়ে আসতে হবে। আমার সামনের ঘড়াতে বেশি ঘি নেই! -ঠিক আছে নিয়ে এসো! . বুড়ি ঘর থেকে ঘিয়ের কলস নিয়ে ফিরলো। মাথায় করে। নামানোর সময় বেকায়দায় ছলকে কিছুটা ঘি ব্যবসায়ীর জামায় পড়ে গেলো। তিনি রেগে আগুন। তার বহুমূল্য জরিদার জামাটা নষ্ট করে ফেলেছে বোকা বুড়ি! -এ্যাই! আমার জামা নষ্ট করেছিস! এখন মাশুল হিশেবে গোটা কলসটা দিয়ে দিতে হবে! -এটা দিয়ে দিলে আমি খাবো কি! আজ ঘি বিক্রির টাকা দিয়েই ঘরের খাবার কেনা হবে। -আমি এত কথা বুঝি না, ঘি দে, নইলে টাকা দে! -কতো টাকা? -পাঁচশ দিরহাম! -আমি এত টাকা কোথায় পাবো? দয়া করে মাফ করে দিন! -কোনও মাফ নেই! টাকা না থাকলে ঘিয়ের কলস দিয়ে দে! . বচসা-বিতন্ডা শুনে চারপাশে লোক জমে গেলো। দর্শকদের ঠেলে এক যুবক এগিয়ে এসে বললো: -আপনার জামার দাম কতো? -পাঁচশ দিরহাম! -এই নিন! ব্যবসায়ী ছোঁ মেরে টাকাটা নিয়ে জামার জেবে পুরলো। যাবার আগে নির্লজ্জের মতো বুড়িকে সুধাল: -তোমার কলসের ঘি তো পড়ে গেছে! কিছু টাকা দিবো, কলসটা আমাকে দিয়ে দাও! -নাহ, আমার কলস আগের মতোই পূর্ণ আছে। সামান্য ঘি পড়েছে শুধু! আর আমি আপনার কাছে ঘি বিক্রি করবো না! . ব্যবসায়ী অন্যদিকে পা বাড়াতে উদ্যত হলো। টাকা দেয়া যুবক দ্রুত এগিয়ে এসে বললো: -কোথায় চললেন? -কোথায় চললেন মানে? আমি যেখানেই যাই, তাতে তোমার কি? -আমার কি মানে, আমার অনেক কিছু! আপনার সাথে লেনদেন এখনো শেষ হয় নি! -জরিমানা দিয়েছো, ব্যস আর কিসের লেনদেন? -আমি বুড়িমার পক্ষ থেকে পাঁচশ দিরহাম দিয়েছি! সেটা কেন দিয়েছি? -আমার জামার দাম! -তাহলে আপনি জামাটা নিয়েই চললেন যে? -জামা নিয়ে চললাম মানে?আমার জামা আমি নিয়ে চলবো না তো কে চলবে? -আপনার জামা কোথায় পেলেন? ওটা তো আমরা পাঁচশ দিরহাম দিয়ে কিনে নিয়েছি! খুলুন জামাটা! খুলুন বলছি! -ওটা খুললে, আমাকে পায়জামাও খুলতে হবে। কারন দু’টো একসাথে জোড়া দেয়া! -আমরা অতশত বুঝি না! আমারা টাকা দিয়েছি! আপনি টাকা নিয়েছেন! এখন আমাদের জামা আমাদের বুঝিয়ে দিন! -জামা খুলে দিয়ে কি আমি উলঙ্গ হয়ে শহরে ফিরবো? -সেটা আপনার ব্যাপার! নইলে টাকা ফেরত দিন! -তাই হোক! এই নাও তোমার টাকা! আমাকে রেহাই দাও! . . কুকুরকে মুগুর না কোঁতকালে সারাক্ষণ ঘেউঘেউ করতেই থাকবে! ✍️ উস্তায আতীক উল্লাহ হাফিযাহুল্লাহ

  • আয়িশা সিদ্দীকা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিতঃ  রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন: যে ব্যক্তি মানুষের অসন্তুষ্টিকে উপেক্ষা করে আল্লাহর সন্তুষ্টি কামনা করে, আল্লাহ তাকে মানুষের দুশ্চিন্তা ও নির্ভরতা থেকে মুক্ত করে দেন। [তিরমিযী; হাদীসঃ ২৪১৪]

  • গরীব আরও গরীব হবে, ধনী আরও ধনী হবে। ওষুধের বাজারে এখন এটাই হতে যাচ্ছে। ১৯৯৪ সাল। তৎকালীন সরকার ১১৭টা ওষুধের দাম বেঁধে দেয়। বাকি ৬০০ ঔষধের দাম নির্ধারণের ক্ষমতা চলে গেলো ঔশধ কোম্পানির হাতে। এরপর বিগত ৩২ বছর এই তালিকায় আর কোনো উন্নতি হয়নি। ৮ জানুয়ারি ২০২৬। তালিকাটা ১১৭ থেকে বাড়িয়ে ২৯৫ করা হয়। ৩২ বছরে এই প্রথম কোনো আপডেট। আর এই আগস্ট ২০২৬, মাত্র ৮ মাসের মাথায় সেই সিদ্ধান্ত বাতিল হয়ে যায়। আবার ফিরে যাই সেই পুরনো ১১৭তে। এখন এই ১১৭ টার যে তালিকা ফাইনাল থাকলো এই জাতির জন্য, সেটা ১৯৯৪ সালের। যেসব ওষুধ এখন আর কেউ ব্যবহারই করে না, দাম বাঁধা আছে সেগুলোর উপর, নিয়ন্ত্রণ আছে সরকারের। কিন্তু প্রতিদিন যেসব ঔষধ লাগে, তার দাম নির্ধারিত না। মানে আপনার প্রেসক্রিপশনের বেশিরভাগ ওষুধের দাম এখন থেকে ঠিক করবে কোম্পানি নিজেই। রাষ্ট্রের কোনো নিয়ন্ত্রণ থাকবে না। কারণ টা কত লেইম দেখাচ্ছ শুনেন- কারণ হিসেবে বলা হচ্ছে, আইন অনুযায়ী একটা উপদেষ্টা পরিষদের মতামত লাগত, যেটা নেওয়া হয়নি। আসল কথা হলো, ওই পরিষদটাই তিন বছর ধরে গঠন করা হয়নি। যে জিনিস নেই, তার মতামত না নেওয়াটাকেই এখন কারণ বানানো হয়েছে। সেরা সিদ্ধান্ত! কিছু মানুষের মনপুত না হলে সেটার ভুক্তভোগী হবে গরীব আর মধ্যবিত্ত রা, যারা ডাক্তার দেখানোর ভিজিট যোগাতেও হিমশিম খায়। আসলে চিকিৎসা খরচের অর্ধেকের বেশি যায় ওষুধে। এই জায়গায় সরকারের নিয়ন্ত্রণ না থাকলে ধনী মানুষের কিছু আসে যায় না, তার হাতে টাকা আছে। কিন্তু যে মানুষটা প্রতি মাসে হিসাব করে ওষুধ কেনে, তার জন্য এটা মরার উপর খাঁড়ার ঘা। খুব আফসোস হয়। একটা সংস্কার আসতে ৩২ বছর লাগল। থাকল মাত্র ৮ মাস। দরখাস্ত একটাই, ওই পরিষদ দ্রুত গঠন করা হোক, আর ২৯৫টার তালিকা ফিরিয়ে আনা হোক। আপনাদের মুড রক্ষার জন্য পুরো একটা জাতি সাফার করলে এর হিসাব একদিন দিতে হবে, যদি না এই দুনিয়ায়, তাহলে আল্লাহর কাছে।

  • "শয়তান তোমাদেরকে দারিদ্রে্র ভয় দেখায় এবং অশ্লীলতার নির্দেশ দেয়। আর আল্লাহ তোমাদেরকে তার পক্ষ থেকে ক্ষমা এবং অনুগ্রহের প্রতিশ্রুতি দেন। আর আল্লাহ সর্বব্যাপী-প্রাচুর্যময়, সর্বজ্ঞ।"[১] . الشَّيْطَانُ يَعِدُكُمُ الْفَقْرَ وَيَأْمُرُكُمْ بِالْفَحْشَاءِ وَاللَّهُ يَعِدُكُمْ مَغْفِرَةً مِنْهُ وَفَضْلًا وَاللَّهُ وَاسِعٌ عَلِيمٌ . "অর্থাৎ, সৎ পথে মাল ব্যয় করতে চাইলে শয়তান নিঃসব ও কাঙ্গাল হয়ে যাওয়ার ভয় দেখায়। কিন্তু অন্যায় পথে ব্যয় করার সময় এই ধরনের কোন আশঙ্কা মনে আসতেই দেয় না; বরং মন্দ কাজগুলোকে এত সুন্দর করে সাজিয়ে পেশ করে এবং নিদ্রিত আশা-আকাঙ্ক্ষাকে এমনভাবে জাগিয়ে তোলে যে, মানুষ তার জন্য বিশাল পরিমাণ অর্থ অনায়াসে ব্যয় করে ফেলে।"[২] . [১) সূরা বাকারাহ: ২৬৮; ২) তাফসীরে আহসানুল বায়ান]

  • তাওবাহীন বান্দা যেন প্রচণ্ড ঝড়ের মধ্যে খোলা আকাশে উড়তে থাকা পাখিটির মতোই! গুনাহের ঝাপটা এসে আঘাত করে পথ থেকে সরিয়ে দিচ্ছে বারবার। এদিকে তাওবার দরজা খোলা রয়েছে। তাওবার মাধ্যমেই বান্দা আশ্রয় পেতে পারে রবের অনুগ্রহের। বই : দ্বীনের পথে যাত্রা

ইসলাম ও ইসলামি বিশ্ব — tgindex