আলোর পথ
Статистикаআল্লাহ প্রদত্ত ও রাসূল (সা.) প্রদর্শিত বিধান অনুযায়ী মানুষের সার্বিক জীবনের পূর্ণ বিন্যাস করে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন।
- Последний пост
- 14 авг.
- Последнее чтение
- 15 авг.
- Постов за неделю
- 1
- Всего постов
- 29
- Тип
- открытый
- Язык
- bn
- Категория
- Новости и СМИ (по похожим)
- В каталоге с
- 13 авг.
- 1/24сутки в ленте
- 47
- 1/48двое суток
- 53
- 1/72трое суток
- 58
Оценка по просмотрам недавних постов: пост набирает почти всё за первые сутки.
Посты
আমিন
কত মানুষই তো বাঁচতে চায়। তারা জীবনের অসংখ্য রঙ, স্বপ্ন আর প্রিয় মানুষগুলোর মায়াকে ফেলে বিদায় নিতে চায় না। কিন্তু.... কিন্তু! কিন্তু পৃথিবী সব সময় সবার প্রতি সমানভাবে দয়ালু হয় না। কারো কারো জীবনে বিষাদের ছায়া এতটাই গভীর হয়ে ওঠে, এতটাই যে, তখন প্রতিটি নিঃশ্বাসই যেন হয়ে ওঠে এক একটি বিশ্বযুদ্ধ! প্রতিটি সকাল নতুন এক লড়াই, প্রতিটি রাত অবসন্ন এক আত্মসমর্পণের প্রহর। তারা মৃত্যুকে ভালো না বাসলেও, অসহনীয় যন্ত্রণার ভারে ক্লান্ত হয়ে পড়ে। কখনো কখনো তাদের জীবনে বিষাদের ভার এতটাই তীব্র হয়ে ওঠে, এতটাই অসহনীয় হয়ে ওঠে যে, তখন সবর করে বেঁচে থাকার শক্তিটুকুও আর তাদের মধ্যে অবশিষ্ট থাকে না। তাদের ছেড়ে দেওয়া প্রতিটি কার্বন ডাই-অক্সাইড যেন একেকটি পারমাণবিক বিস্ফোরণ, আর টেনে নেওয়া প্রতিটি অক্সিজেন যেন বুকের গভীরে নেমে আসা একেকটি আগ্নেয়গিরির অগ্নুৎপাত। এই অসহনীয় যুদ্ধ কয়জনই বা চালিয়ে যেতে পারে? এই দারুণ দুঃসহ লড়াইয়ে শেষ পর্যন্ত টিকে থাকার শক্তি কজনেরই-বা থাকে? যন্ত্রণার বহ্নিশিখা বইবার শক্তি যাদের থাকে না, যাদের কাঁধ এত ভার বহন করার মতো শক্ত নয়, তাদের জীবনেই বা কেন নেমে আসে সবচেয়ে ভারী ভারী পরীক্ষাগুলো? তাদের জন্যই বা কেন বারংবার যন্ত্রণার জটিল আগ্নেয়গিরির লাভাগুলো উদগীরণ হতে থাকে? দিন শেষে সম্ভবত এটাই সত্যিই যে, যন্ত্রণার বহ্নিশিখা বইবার শক্তি যাদের থাকে না, অধিকাংশ সময় তাদের ভাগ্যেই সবচেয়ে দহনময় জীবনের পথরেখা আকা থাকে। দহনের নদী পাড়ি দিতে দিতে তারপর একসময় তারা হারিয়ে যায় ঠিকই, তবে রয়ে যায় শুধু তাদের না-বলা যন্ত্রণার প্রতিধ্বনি। #জীবনযন্ত্রণা-০১
ধমকাইয়া বেশি দিন চুপ রাখা যায় না, পেশি শক্তি দেখাইয়া ধমকাইয়া রাখা যায় না। সত্যের পথে মানুষকে ডাকো তোমার পরাজয় হবে না, তবে পেশি শক্তি যারা দেখায় তাদের শক্তি বেশি দিন চলে না
এইচএসসি, আলিম ও সমমান পরীক্ষা ২০২৬-এ অংশগ্রহণকারী সকল পরীক্ষার্থীর জন্য আন্তরিক দু'আ ও শুভকামনা #HSCAlimExam #AlolPath
খ্রিষ্টীয় ক্যালেন্ডারের পাতায় ২০৫০ সাল। উপমহাদেশের ভূ-গোলকে একটি বড়ো সড়ো পরিবর্তন ঘটে গেছে। নয়াদিল্লিস্থ কেন্দ্রীয় সরকারের সচিবালয় নর্থ ব্লকের একটি হলরুমে মাথায় হাত দিয়ে বসে আছেন দেশটির শীর্ষ নেতৃবৃন্দ। সর্বনাশ হয়ে গেছে তাদের। চতুর্থ জনবহুল রাজ্য পশ্চিমবঙ্গ হাতছাড়া হয়ে গেছে। বাংলাদেশের মানচিত্রে যুক্ত হয়েছে নতুন পাঁচটি বিভাগ– বর্ধমান, মালদহ, জলপাইগুড়ি, প্রেসিডেন্সি এবং মেদিনীপুর। বিভাগগুলোর অন্তর্ভুক্ত নতুন তেইশ জেলা যুক্ত হয়েছে বাংলাদেশের সঙ্গে। প্রধানমন্ত্রী কিছুক্ষণ পরপর কপাল চাপড়াচ্ছেন। তার চোখের নিচে কালি। বাংলাদেশে নতুন যুক্ত হওয়া জেলাগুলোর নাম সুন্দর– আলিপুরদুয়ার, বাঁকুড়া, বীরভূম, কোচবিহার, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর, দার্জিলিং, হুগলি, হাওড়া, জলপাইগুড়ি, ঝাড়গ্রাম, কালিম্পং, মালদহ, মুর্শিদাবাদ, নদীয়া, উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগণা, পূর্ব বর্ধমান, পশ্চিম বর্ধমান, পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, পুরুলিয়া এবং কলকাতা। দুই বঙ্গ মিলিয়ে প্রায় আড়াই লক্ষ বর্গকিলোমিটারের এক সুবিশাল দেশে পরিণত হয়েছে বাংলাদেশ। জনসংখ্যা চল্লিশ কোটির কাছাকাছি গিয়ে পৌঁছেছে। রাজধানী ঢাকাতে আছে বটে, তবে কলকাতা অগুরুত্বপূর্ণ হয়ে পড়েনি। দুঃসংবাদ এ পর্যন্ত হলেও নয়াদিল্লির নেতারা হয়তো সহ্য করতে পারতেন। তারও চেয়ে বড়ো দুঃসংবাদ হলো– সেভেন সিস্টার্স তথা উত্তরপূর্বাঞ্চলের সাতটি রাজ্য আলাদা হয়ে নতুন এক স্বাধীন রাষ্ট্রের জন্ম হয়েছে। নবগঠিত রাষ্ট্রের এই রাজ্যগুলো হলো– অরুণাচল, মেঘালয়, মিজোরাম, মনিপুর, ত্রিপুরা, আসাম, নাগাল্যান্ড। চিকেন'স নেক বা মুরগির গলাই মূলত এই সাতটি রাজ্যের স্বাধীন হবার নেপথ্য কারণ। জায়গাটিকে শিলিগুড়ি করিডোরও বলা হয়। মাত্র ২০-২২ কিলোমিটারের একটি ছোটো করিডোর একশ বছর ধরে মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে যুক্ত করে রেখেছিল সাত বোনকে। তারা চেয়েছিল রংপুর বিভাগ দখল করে নিতে। লোভে হয়েছে পাপ, পাপে হয়েছে মৃ ত্যু। এই বিভাগের আটটি জেলার ওপর চোখ পড়েছিল। শাস্তি হিসেবে এখন তাদের আটটি রাজ্য হাতছাড়া। সাতটি মিলে একটি স্বাধীন দেশে পরিণত হয়েছে। অন্য রাজ্যটি যুক্ত হয়েছে বাংলাদেশের সঙ্গে। নবগঠিত রাষ্ট্রটির সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক হরিহর আত্মার; এক থালায় ভাত খায়। নয়াদিল্লির মর্সিয়া ক্রন্দন থামছে না। এই সবকিছুর পেছনে নেপথ্য গেম খেলেছে চীন এবং পাকিস্তানও। ঢাকা এবং আসামের মতো আজ ইসলামাবাদ এবং বেইজিংও ক্রুর হাসি হাসছে। যে হাসির অর্থ– 'কি বাছাধন! কেমন লাগে?' 'পুনরেখা'
কম ভোজনে দেহের স্বস্তি। কম পাপে আত্মার স্বস্তি। কম দুশ্চিন্তায় মনের স্বস্তি। কম কথায় মুখের স্বস্তি। বইঃ দ্বীনদার নারী যদি হতে চান।
ব্যাংক ডাকাত ও ফ্যাসিবাদের দোসর এস আলমের কাছে ইসলামী ব্যাংকের বন্দোবস্ত ফেরত দিলে ২ কোটি গ্রাহকের আমানতও ফেরত দিতে হবে। আর জনগণের আমানত ফেরত দিতে না পারলে সরকারের গদি টিকবে কি না, সেটিও চিন্তা করতে হবে। সরকারের কিছু মন্ত্রী এস আলমের টাকায় রাজনীতি করতে গিয়ে পুরো জাতির অর্থনৈতিক খাতকে বিপর্যয়ের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। অনেক সুদি ব্যাংকের মালিক বিএনপির নেতারা। তারা ইসলামী ব্যাংককে ধ্বংস করার এই চক্রান্তে মদদ দিচ্ছে। এতে একটি রাষ্ট্রের অর্থনৈতিক কাঠামো যে ভেঙে পড়তে পারে, কিংবা সরকারবিরোধী আন্দোলনের জন্ম দিতে পারে—সেদিকে তাদের কোনো খেয়ালই নেই। পতন বলে-কয়ে আসে না। নুরুল ইসলাম সাদ্দাম কেন্দ্রীয় সভাপতি বাংলাদেশ ইসলামি ছাত্র শিবির
আরাফার দিনের সবচেয়ে ফজিলতপূর্ণ দোয়া— لَا إِلٰهَ إِلَّا اللّٰهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ অর্থ— আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই। তিনি এক, তাঁর কোনো শরিক নেই। রাজত্ব ও সকল প্রশংসা তাঁরই, এবং তিনি সবকিছুর ওপর ক্ষমতাবান।
দেশের আকাশে চাঁদ দেখা গেছে, ঈদ ২৮ মে #Eid_Ul_Adha
জিলহজ্জ মাসের প্রথম সন্ধ্যার পূর্বেই আমরা ইনশাআল্লাহ চুল-নখ কেটে পরিষ্কার হয়ে নিবো এবং জিলহজ্জ মাসের প্রথম ১০ দিন এগুলা কাটা থেকে বিরত থাকবো তাহলে ইনশাআল্লাহ নবীর সুন্নাহ পালন হয়ে যাবে আশা করা যায়। *১ম জিলহজ্জ চাঁদ দেখার উপর নির্ভরশীল
ইয়া রব! ভারতের মুসলিম ভাই-বোনদের প্রতি আপনি রহম করুন এবং সকলেই আপনার হেফাজতের চাদরে আবৃত করে রাখুন💔🤲 [ ভিডিও গুলো দেখে নিজের অন্তরের রক্তক্ষরণ হচ্ছে]
видео или голосовое, без подписи
видео или голосовое, без подписи
এমনকি পাকিস্তানের ১১ টি বিশ্ববিদ্যালয় আন্তর্জাতিক মানের স্বীকৃতি পেয়েছে। শিক্ষার মানেও পাকিস্তান অনেক এগিয়ে। সবচেয়ে বড় কথা আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে দেশটি বড় খেল দেখিয়েছে ইরান যুদ্ধ বন্ধ করতে। তারা আন্তর্জাতিক রাজনীতি তে নিজেকে একটা গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড় হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছে কূটনীতি ও সামরিক পার্সপেক্টিভে। যারা আমেরিকা এবং ইরানকে ও এক টেবিলে বসাতে পারছে। আর ১৯৭১ সালে বিজয়ী বাংলাদেশের যুদ্ধ করে দাসত্বের সার্টিফিকেট নিয়েছে। তারা বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধের চেতনা দিয়ে পৃথিবীর প্রথম চেতনা বোমা বানিয়েছে। যা চীনের হাইড্রোজেন বোমার চেয়েও ভয়ংকর। এই পর্যন্ত সংসদের মতো একটা স্থানে চেতনা বড় নাকি আধুনিকতা বড়! এই নিয়ে কয়েকশ অধিবেশন চলছে।আফসোস🙂
দৌড়ে খাপ খাওয়াতে পারেনি। ★ ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান সৃষ্টির আগে এই অঞ্চলের স্বাক্ষরতার হার ছিলো মাত্র ১২%। ১৯৬১ সালের আদমশুমারিতে স্বাক্ষরতার হার দাড়ায় ২৪.৭%। অর্থাৎ মাত্র ১৩ বছরে এই অঞ্চলের স্বাক্ষরতার হার দ্বীগুন হয়ে যায়। পরবর্তীতে ১৯৭১ সালের আদমশুমারী না হওয়ায় পাকিস্তান আমলের প্রকৃত স্বাক্ষরতার হার জানা যায়নি। ▶শিল্প প্রতিষ্ঠান, মিল ও কল-কারখানা ◾ বাংলাদেশ সচিবালয় ( ১৯৭১ সালের পর এ সচিবালয়ের পুরাতন ৬ নং ভবনটি ভেঙ্গে ২০ তলা ভবন তৈরী করা হয়) ◾ পাকিস্তানের সেকেন্ড ক্যাপিটাল হিসাবে শেরেবাংলা নগর কে পরিকল্পিতভাবে তৈরী ◾ সংসদ ভবন ◾ বাইতুল মোকাররম মসজিদ ◾ বাংলা একাডেমি ◾ ইসলামিক একাডেমি (বর্তমান ইসলামিক ফাউন্ডেশন) ◾ রাজশাহী, চট্টগ্রাম, খুলনা, রংপুর, সিলেট বেতার কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা ◾ কমলাপুর রেলস্টেশন (পূর্বতন রেলস্টেশন টি ছিলো গুলিস্তান-ফুলবারিয়ায়) ◾ মীরপুর চিড়িয়াখানা ◾ কুর্মিটোলা বিমানবন্দর (ঢাকার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর) ◾ যমুনা সেতু (১৯৬৬ সনে সংসদে অনুমোদিত) ◾ রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র ( ১৯৬১ সালে এর পরিকল্পনা গ্রহন করে তখনকার পূর্বপাকিস্তানের অনেক কর্মকর্তাকে বিদেশে প্রশিক্ষনে প্রেরণ করা হয়, যারা এখন ইরান ইরাকে কর্মরত। ১৯৭২ সালে প্রকল্পটি বন্ধ করে দেয়া হয়) ◾ শাহজীবাজার বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র ◾ আশুগঞ্জ বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র ◾ কর্ণফুলী বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র ◾ হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল ◾ গঙ্গা-কপোতাক্ষ প্রকল্প ◾ রামপুরা টেলিভিশন ভবন ◾ ঢাকা স্টেডিয়াম ◾ ঢাকা যাদুঘর (বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের আবাসিক ভবন) ◾ WAPDA এবং এর অধিনে শতশত বাধ ও সেচ প্রকল্প ◾ ধানমন্ডি, মোহাম্মদপুর, মিরপুর, গুলশান, বনানী প্রভৃতি আবাসিক এলাকা গঠন ও নগরায়ন ◾ শত শত পাট ও কাপড়ের কল যা বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর জাতীয়করণের মাধ্যমে ধ্বংস করা হয়। ◾ শিল্পায়নের জন্য গড়ে তোলা হয় East Pakistan Industrial Development Corporation (EPIDC) ◾ গাজীপুর সমরাস্ত্র কারখান ◾ গাজীপুর মেশিন টুলস ফ্যাক্টরি ◾ মংলা সামুদ্রিক বন্দর ( চট্টগ্রাম বন্দরটি মুঘল আমলে তৈরী) ◾ঢাকার নিউমার্কেট সহ বিভাগীয় শহরে একটি করে নিউমার্কেট তৈরী ◾তেজগাঁও শিল্প এলাকা ◾হাজারীবাগ ট্যানারি শিল্প এলাকা ◾খালিশপুর শিল্প এলাকা। ◾আদমজী জুট মিলস (নারায়ণগঞ্জ): ১৯৫১ ◾খুলনা নিউজপ্রিন্ট মিলস: ১৯৫৯ ◾চিটাগং ড্রাই ডক: ১৯৬০ ◾ ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড (চট্টগ্রাম): ১৯৬৮ ◾ঢাকা জুট মিলস লিমিটেড: ১৯৫০ এর দশক ◾ আমিন জুট মিলস লিমিটেড (চট্টগ্রাম): ১৯৫৩ ◾ খুলনা জুট মিলস: ১৯৫০ এর দশক ◾ ইস্পাহানী কটন মিলস: পাকিস্তান আমলে প্রতিষ্ঠিত হয়। ◾ কাপ্তাই জল বিদ্যুত - ১৯৬২ ◾ চন্দ্রঘোনা পেপার মিল - ১৯৫৩ ◾ কর্ণফূলী রেয়ন মিল – ১৯৫৩ ◾ প্রগতি ইন্ড্রাস্ট্রিজ – ১৯৫৩ ◾বাংলাদেশে একটিমাত্র তেল শোধনাগার সেটিও পাকিস্তান করে দিয়েছে। ১৯৭১ সালের যুদ্ধের পর পাকিস্তান ঘাস খেয়ে পারমাণবিক বোমা তৈরি করেছে। বর্তমানে পাকিস্তানের কাছে আনুমানিক ১৭০টি পারমাণবিক ওয়ারহেডসহ একটি পারমাণবিক অস্ত্রাগার রয়েছে। তাদের বিমান বাহিনীর আকাশ ছোঁয়া সাফল্যের কারণে দেশটি সৌদি আরবের নিরাপত্তার দায়িত্ব নিয়েছে। বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী বিমান বাহিনীর মধ্যে পাকিস্তান বিমান বাহিনী ১৪৩৪ টি যুদ্ধবিমান ও রনকৌশল নিয়ে সপ্তম স্থানে রয়েছে। যার মেরুদণ্ড হিসেবে আছে আমেরিকান এফ-১৬, জেএফ-১৭ থান্ডার এবং আধুনিক চীনা জে-১০সি। তাদের কাছে আছে শাহীন-৩ (২,৭৫০ কিমি পর্যন্ত পাল্লার), গৌরী এবং গজনভীর মতো একাধিক উন্নত ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে। তাদের কাছে বাবর ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে যা পারমাণবিক এবং প্রচলিত উভয় ধরনের ওয়ারহেড বহন করতে সক্ষম এবং যা স্থল ও সমুদ্র থেকে উৎক্ষেপণ করা যায়। তাদের সেনাবাহিনীর কাছে ২,৬০০টিরও বেশি প্রধান যুদ্ধ ট্যাঙ্কের একটি বহর রয়েছে, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো উন্নত খালিদ, ভিটি-৪ এবং টি-৮০ইউডি ট্যাঙ্ক। দেশটি তার প্রতিরক্ষা খাতকে আন্তর্জাতিক মানে নিয়ে গিয়েছে। চীনের সাথে যৌথ উদ্যোগে নিজস্ব জঙ্গি বিমান বানিয়েছে। তাদের কাছে বুরাকের মতো উন্নত ড্রোন সক্ষমতা রয়েছে এবং উইং লুং ড্রোনের জন্য চীনের সাথে সহযোগিতা করে। তাদের কাছে আটটি সাবমেরিন রয়েছে, উপকূলরেখা এবং অর্থনৈতিক স্বার্থ সুরক্ষিত করার জন্য নৌবহরে আধুনিক ফ্রিগেট, করভেট এবং দ্রুতগামী মিসাইল বোট রয়েছে। এছাড়াও তাদের কাছে ৩,০০০টিরও বেশি কামান (টানা ও স্ব-চালিত উভয়ই) এবং একাধিক রকেট লঞ্চার অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
ইতিহাস কি তবে আমাদের ভুল শেখাচ্ছে? বাংলাদেশের আজকের অবকাঠামো কি পাকিস্তান আমলেরই দান? ব্রিটিশ ২০০ বছর শাসন আমলে পূর্ব বাংলায় মাত্র একটি বিশ্ববিদ্যালয় ছিল "ঢাকা বিশ্বিবদ্যালয়। সেটিরও বিরোধিতা করেছিলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং কলকাতার প্রভাবশালী মহল। ব্রিটিশরা প্রায় ২০০ বছরে পূর্ব বাংলায় কোনো উন্নয়ন করেনি। যদি কিছু করার উদ্যোগও নেওয়া হতো, সেগুলোর পথে বাধা হয়ে দাঁড়াত কলকাতার দাদা-বাবুরা। কলকাতাকে তারা ভারতের রাজধানী বানিয়েছিল। বাংলাদেশের ইতিহাসে আমাদের শেখানো হয় যে পাকিস্তান ২৪ বছর আমাদের শোষণ করেছে। অথচ বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন গুলো পাকিস্তান আমলেই হয়েছিল। পাকিস্তান আমলে মোট ৫ টি বিশ্ববিদ্যালয় তৈরি হয়েছে। ◾রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (১৯৫৩) ◾চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (১৯৬৬) ◾জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (১৯৭০) ◾জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (১৯৬৮) ◾পূর্ব পাকিস্তান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাংলাদেশ কৃষি বিঃ) (১৯৬১) ▶ পাকিস্তান আমলে মোট ৪ টি প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় তৈরি হয়েছে। ◾বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) ১৯৬২ সাল ◾রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (রুয়েট) ১৯৬৪ সাল ◾চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট) ১৯৬৮ সাল ◾খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট) ১৯৬৯ সাল উল্লেখ্য বর্তমানে বাংলাদেশে প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় আছে মোট ৫ টা, যার মধ্যে ৪ টাই পাকিস্তান আমলের। আর পরবর্তী ৫০ বছরে হয়েছে ১ টা। ▶পাকিস্তান আমলে পাকিস্তান সরকার মোট ৮৭ টি কলেজ প্রতিষ্ঠা করে৷ যার মধ্যে রয়েছে ◾নটর ডেম কলেজ, ঢাকা (১৯৪৯) ◾সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ (১৯৪৯) ◾বাঙলা কলেজ (১৯৬২) ◾ভিকারুননিসা নুন স্কুল ও কলেজ উল্লেখ্য বর্তমানে ঢাকা শহরে মোট ৩৯ টি কলেজ আছে, যার ভেতর ৮ টি তৈরি হয়েছে ইংরেজ আমলে, ২১ তৈরি হয়েছে পাকিস্তান আমলে, আর মাত্র ১০ টি তৈরি হয়েছে স্বাধীনতার পর ৫০ বছরে। ▶ পাকিস্তান আমলে পাকিস্তান সরকার ৮ টা সরকারি মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠা করে। ◾চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (১৯৫৭) ◾রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (১৯৫৮) ◾ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (১৯৬২) ◾সিলেট এম.এ.জি. ওসমানী মেডিকেল কলেজ (১৯৬২) ◾স্যার সলিমুলস্নাহ মেডিকেল কলেজ (১৯৬৩) ◾স্নাতকোত্তর চিকিৎসা গবেষণা ইনস্টিটিউট (বর্তমান নামঃ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়) (১৯৬৬) ◾শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (১৯৬৮) ◾রংপুর মেডিকেল কলেজ (১৯৭০) উল্লেখ্য ইংরেজ শাসন আমলের ২০০ বছরে মোট ১টি মেডিকেল তৈরি হয়েছে ঢাকা মেডিকেল কলেজ৷ ঢাকা মেডিকেল কলেজ ১৯৪৭ সালের আগে প্রতিষ্ঠিত হলেও পাকিস্তান আমলে এর কার্যক্রম সম্প্রসারিত হয়। ▶পাকিস্তান আমলে পাকিস্তান সরকার ১৭ টি পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট প্রতিষ্ঠা করে। বর্তমানে বাংলাদেশে ৪৯টি সরকারী পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট রয়েছে। অর্থাৎ পাকিস্তান সরকার ২৪ বছরে করেছে ১৭ টি। আর বাংলাদেশ সরকার ৫০ বছরে করেছে ৩২টি৷ ▶ পাকিস্তান আমলে পাকিস্তান সরকার ৪ টি ক্যাডেট কলেজ প্রতিষ্ঠা করে। ◾ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ(১৯৫৮) ◾মির্জাপুর ক্যাডেট কলেজ(১৯৬৩) ◾ঝিনাইদহ ক্যাডেট কলেজ ( ১৯৬৩) ◾রাজশাহী ক্যাডেট কলেজ (১৯৬৫) উল্লেখ্য বর্তমানে বাংলাদেশে ক্যাডেট কলেজ আছে ১২ টা এর ভেতর ৪ টি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পাকিস্তান আমলে। ▶ চট্টগ্রাম মেরিন একাডেমী, নৌ অফিসার, মেরিন ইঞ্জিনিয়ার গড়ে তোলার জন্য ১৯৬২ সালে পাকিস্তান নৌবাহিনী কর্তিক এই একাডেমি প্রতিষ্ঠিত হয়। বর্তমানে এর নাম "বাংলাদেশ মেরিন একাডেমি (BMA)" ▶ এছাড়াও প্রতিষ্ঠা হয়েছে.... ◾ইস্ট পাকিস্তান টেক্সটাইল ইন্সটিটিউট’ (১৯৫০) যার বর্তমান নাম "বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয় (বুটেক্স)"। ◾ চট্টগ্রাম কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র। ১৯৬২ সালে এই প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে বাংলাদেশে কারিগরি শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয়। ◾এরকম আরো অনেক বিশেষায়িত কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, ইনস্টিটিউট, নার্সিং কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পাকিস্তান আমলে। এছাড়া দেশ ব্যাপি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে কয়েক হাজার প্রাথমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং হাই স্কুল। ★অনেকেই অভিযোগ করেন পশ্চিম পাকিস্তানের চেয়ে পুর্ব পাকিস্তান পিছিয়ে ছিলো, কারন পূর্ব পাকিস্তানে কম উন্নয়ন করা হয়েছে। লক্ষ করুন, ব্রিটিশ আমলে বাংলাদেশে বিশ্ববিদ্যালয় ছিল মাত্র ১ টা, বিপরিতে পাকিস্তানে বিশ্ববিদ্যালয় ছিল ১৮ টা। অর্থাৎ পাকিস্তান নামক রাষ্ট্র সৃষ্টির আগ থেকেই আমরা উচ্চ শিক্ষার দিক দিয়ে পাকিস্তানের চেয়ে ১৮ গুন পিছিয়ে ছিলাম আমরা! ১৯৪৭ সালের পরবর্তী ১০ বছরে পুর্ব পাকিস্তানে যদি ১০ টা বিশ্ববিদ্যালয় তৈরি করা হতো আর পশ্চিম পাকিস্তানে যদি একটাও তৈরি করা না হতো, তবুও তো আমরা পাকিস্তানের চেয়ে পিছিয়েই থাকতাম। আসলে ব্রিটিশ আমল থেকেই আমরা পাকিস্তানের তুলনায় এত বেশি পিছিয়ে ছিলাম, যার ফলে এই অঞ্চল কখনোই পশ্চিম পাকিস্তানের সাথে উন্নয়নের
সিটি করপোরেশন নির্বাচনের প্রার্থী নিয়ে জামায়াত, এনসিপি, শিবির, এক্স-শিবির, এক্স জামায়াত বহুমূখী বাক যুদ্ধে লিপ্ত হয়েছে। তাদের অবস্থা দেখে মৃদু হাসে প্রিয় নেতা মীর্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আর ভাবে, দিমু তোগো নির্বাচন! আক কইরা থাক!
আজকে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র প্রার্থী হিসেবে জামায়াতে ইসলামী কর্তৃক সাদিক কায়েমকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে 🙌 এবং ঢাকা মহানগরী দক্ষিন জামায়াতে ইসলামীর দায়িত্বশীল সম্মেলনে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েম।
What's on your mind about Alol Path? Admin
видео или голосовое, без подписи