tgindex
Последний пост
14 авг.
Последнее чтение
13 авг.
Постов за неделю
2
Всего постов
24
Тип
открытый
Язык
bn
В каталоге с
13 авг.
Подписчики
2 717
0 за 2 дн.
Сутки
0
0,00%
Неделя
 
Месяц
 
Просмотров на пост
813
24 постов
Вовлечённость
29,9%
к подписчикам
Постов в день
0,3
всего 24
Упоминаний
0
каналов
Охват размещения
оценка
1/24сутки в ленте
135
1/48двое суток
154
1/72трое суток
166

Оценка по просмотрам недавних постов: пост набирает почти всё за первые сутки.

Посты

  • видео или голосовое, без подписи

  • https://youtu.be/xkSrieFi0Vs?si=gj7Az1b1nX8pQm3H

  • Kidiverse books - Sample পিডিএফ - https://drive.google.com/drive/folders/1MTKdU8G3VUNhQ0Muu7k5bCOJaDTvzmGP কেউ যদি পুরো পিডিএফ কিনতে চান বা বই নিতে চান, সেক্ষেত্রে পিডিএফ প্রাইস, Story - 50 টাকা, আর, Alphabet 70 টাকা, Arabic ওয়ার্কশীট - 80 টাকা একাধিক বই নিলে ইনশা আল্লাহ কম রাখা হবে আর প্রিন্ট নিলে, (100 GSM, A4 paper), 7 টাকা করে এক পৃষ্ঠা পড়বে।

  • আবু আদ দারদা (রা.) এর বক্তব্য হিসেবে বর্ণিত যে, তিনি বলেন: একজন ব্যক্তি প্রকৃত জ্ঞানী ততক্ষণ হবে না, যতক্ষণ না আল্লাহর জন্য মানুষের উপর রাগ করে এবং তারপর নিজের দিকে ফিরে নিজ নফসের উপর সবচেয়ে বেশি রাগান্বিত হয়! অর্থাৎ মানুষকে আল্লাহর অবাধ্যতায় লিপ্ত দেখলে সে রাগ করে কারণ আল্লাহর বিধান লঙ্ঘিত হচ্ছে। কিন্তু নিজেকে পাপে লিপ্ত দেখলে সে আরও বেশি রাগান্বিত হয়। আমাদের আচরণ এর বিপরীত: আমরা অন্যকে দোষ দেই কিন্তু একই কাজ নিজে করলে ওজর পেশ করি! আমাদের সাথে কেউ অন্যায় করলে রেগে যাই, কিন্তু নিজেরা অন্যদের সাথে নির্দ্বিধায় একই অন্যায় করি! সন্তানকে সময় নষ্ট করতে দেখে ভীষণ রাগ করি , কিন্তু ঘন্টার পর ঘন্টা সোশ্যাল প্লাটফর্মে অপচয় করার ক্ষেত্রে নিজেদের উপর আমাদের রাগ হয় না। ©️ উস্তাদ Naseel shahrukh

  • видео или голосовое, без подписи

  • Alhamdulillah বইগুলো সফট কপি সেল করলাম আজকে

  • видео или голосовое, без подписи

  • https://muslimbangla.com/article/677

  • *Your Screen Time Doesn't Lie* Every week, we ask ourselves: "Why am I not progressing?" "Why do I feel distant from Allah?" "Why is my knowledge not increasing?" "Why is my heart not changing?" Yet the answer may already be in our hands. Quite literally. Open your screen time report. It is one of the most honest reflections of your priorities that exists. It shows what occupies your mind when no one is watching. What you reach for the moment you have free time. What you somehow always find time for, despite claiming to have none. If a person says the Qur'an is one of their biggest priorities, but spends hours scrolling away on YouTube and only minutes reciting, their actions have spoken louder than their words. If a person says they want to seek knowledge, but end up watching five episodes of a TV series in the name of unwinding while beneficial lessons remain unwatched, their schedule has already spoken for them. Allah says: بَلِ الْإِنسَانُ عَلَىٰ نَفْسِهِ بَصِيرَةٌ *Rather, man will be a witness against himself.* (Qur'an 75:14) Most people do not suffer from a lack of time. They suffer from a lack of honest accounting. The early Muslims would regularly take themselves to account before Allah took them to account. They examined what they were spending their days on, and they adjusted. Your screen time is not merely a record of where your hours went. It is a glimpse into what your heart is attached to. So the question is not how many hours you spent on your phone this week. The question is: *If your screen time were presented as evidence of what mattered most to you, would you be pleased for Allah to see it?* Team AMAU

  • 16 июн.1 074131

    ধরুন, রেস্টুরেন্ট এর কিছু পচা খাবার আপনাকে বিশাল ডিসকাউন্ট অফারে দেওয়া হলো, অথবা, মেয়াদোত্তীর্ণ কিছু খারাপ প্রোডাক্ট ক্লিয়ারেন্স ডিসকাউন্ট দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হলো? আপনি কি জেনে শুনে হুমড়ি খেয়ে পড়বেন নেওয়ার জন্যে? হয়তো কিনতে পারেন, তবে অবশ্যই জেনে শুনে বুঝে কিনবেন। কেনার আগে অন্যদের সাথে আরও পরামর্শ করে কিনবেন তাই না? স্পেশাল বিসিএস নিয়ে যে ক্রেইজ সেটার ব্যাপারেও আমি এমন মনে করি। অনেকেই আছেন, বিসিএস স্পেশাল হবে দেখেই দিচ্ছেন, এমনিতে আগ্রহ নাই। বা খুব একটা পছন্দ করেন না। বিসিএস করে কাজের পরিবেশ নিয়ে সন্দিহান। কিন্তু, ভাবছেন স্পেশাল যেহেতু এসেছে আর সবাই যেহেতু দিচ্ছে তাই দিয়ে দেই, তাদের জন্যেই আমি উপরের এক্সাম্পল টা দিলাম, ডিসকাউন্ট এর ফাঁদে যেমন পড়বেন না, তেমনি স্পেশাল বিসিএস এর ফাঁদ থেকেও সাবধান। কর্মক্ষেত্রের সিকিউরিটি, জব পোস্টিং, বিসিএস স্ট্রাগল, আলাদা সংসার এগুলো নিয়ে জেনে বুঝে সিদ্ধান্ত নিয়ে তবেই এদিকে আসেন। আমি কাউকে নিরুৎসাহিত করতে এই লেখাটি লিখছি না। বরং, যারা হুজুগে ভুল সিদ্ধান্ত নিতে পারেন এমন একটা অংশের কাছে আরেকবার চিন্তা করার জন্যে লেখাটি লিখছি। যদি মনে হয় আপনার প্রিয়জনকে আরেকবার রিমাইন্ডার দিবেন এই কথাগুলো বলে তাই লিখলাম। অনেকের জন্যই স্পেশাল বিসিএস একটা বড় সুযোগ, ভালো সম্ভাবনা। অনেকের জন্যে না। তাই বিসিএস প্রিপারেশন শুরুর আগে আরেকবার আসলেই ভাবুন, আপনি বিসিএস দিবেন কিনা। আর হ্যা, এসব বিষয়ে আমাকে ইনবক্স না করলেই খুশি হবো।

  • 10 июн.1 231206

    হবে। একজন ডাক্তার নারী বাসায় অবস্থান করা মানে এই না যে তার মূল্য নেই। মরা হাতি যেমন লাখ টাকা, তেমন ডাক্তার ডাক্তারই। সে মাটির ঘরে থাকুক কি আকাশছোঁয়া দালানে। বাসায় অবস্থান করা মানে এই না যে আপনি ডাক্তারী জ্ঞানকেও দরজা বন্ধ করে তালা মেরে রাখবেন। পড়াশোনা করুন, নিজের ব্রেইনকে খাটান। দেশে বিদেশের জার্নাল আর্টিকেল পড়ুন, রিসার্চ দেখুন। নিজেকে আপ টু ডেট রাখুন। ইসলামের জ্ঞান অর্জন করুন। আপনার জ্ঞান থাকলে, আপনি যোগ্য হলে, উম্মাহর সেবার নিয়ত থাকলে - আল্লাহ আপনার জন্য সুযোগ ঘরে এনে দিবেন। আল্লাহ মানুষের গুণের কদর করেন, সবসময়। নিজেকে নিয়ে হীনমন্যতায় ভুগবেন না। আল্লাহ আপনাকে করেছেন আশরাফুল মাখলুকাত। সেভাবে নিজেকে ক্যারি করুন। মানুষের চোখে সম্মানিত হবার অনেক পথ আছে। কিন্তু আল্লাহর চোখে সম্মানিত হবার পথ একটাই - তা হলো আল্লাহর নিকট আত্মসমর্পণ। আল্লাহর নিকট আত্মসমর্পণ করতে গেলে মানুষ কি বলে তা ছাড়তে হবে। আল্লাহ আমাদের সহায় হোন। এখানে যা কিছু লেখা তাতে সঠিকটুকু আল্লাহর পক্ষ থেকে আর যা কিছু ভুল সবটাই আমার। আল্লাহ আমাকে ক্ষমা করুন। আমীন। ____ নারীর প্রধান দায়িত্ব ডা: সাদিয়া হোসেইন #রৌদ্রময়ী

  • 10 июн.1 07864

    (ডিসক্লেইমার - এই লেখাটা তাদের জন্য যারা মেডিকেল লাইফে আসার পর ইসলাম প্র‍্যাক্টিসে মনোযোগী হয়েছেন এবং এখন ডাক্তারি ও সংসার নিয়ে কনফিউজড) গত দুই তিন বছরে আমার কাছে এরকম অনেকেই ইনবক্স করেছে। 'আপু সহশিক্ষা হারাম, এদিকে মেডিকেল লাইফ ছাড়তে পারছি না। বাসায় বুঝানো সম্ভব না, পড়তে গেলে গিল্টি ফীল হচ্ছে। ফেসবুকে কিছু আপুর পোস্ট দেখলে মনে হয় প্রতিনিয়ত আমি ক্ষমার অযোগ্য গুনাহ করে যাচ্ছি। পড়তে পারিনা, এদিকে কার্ড টার্ম পেন্ডিং হয়ে যাচ্ছে। ক্লাসে যেতে ইচ্ছে করেনা, পড়ায় মনই বসেনা। আমাকে বাবা মা আশা করে মেডিকেলে পাঠিয়েছে, কত টাকা খরচ করছে। তারা চায় আমি ডিগ্রি করি, বিসিএস দেই। আমার অনেক রোগী হোক, আমার ভালো ক্যারিয়ার হোক। আপু ট্রেনিংয়ে পুরুষ ডাক্তার তো আছেই। আমার স্বপ্নের সাবজেক্টে পুরুষ ডাক্তার অনেক, আমি ট্রেনিং করে উম্মাহর মহিলাদের জন্য কিছু করতে চাই। কিন্তু বাসায় সাপোর্ট নাই। হাসবেন্ড পছন্দ করেনা, বাচ্চাকে রাখার কেউ নাই।' প্রথমেই বলে নেই, আপনার জীবনকে কখনো অন্য কারো জীবনের ছাঁচে ফেলবেন না। প্রতিটি মানুষের জীবন সম্পর্কে চিন্তাভাবনা আলাদা। কেউ যিকিরের মাধ্যমে সারাদিন আমলে মগ্ন থাকে, কেউ সংসারের কাজ ইবাদতের নিয়তে করে যায় - সেটাও আমল, তাই না? আবার কেউ হাজার টাকা সাদাকাহ করে, কেউ স্ত্রীর মুখে লোকমা তুলে খাইয়ে দেয় - দুটোই আল্লাহর নিকট পছন্দের কাজ। আমাদের উদ্দেশ্য হলো আল্লাহকে সন্তুষ্ট করা হালাল উপায়ে ও জান্নাত হাসিল করা। সুতরাং সহশিক্ষা হারাম জেনে কেউ সেখানে থেকে বেরিয়ে আসতে চাইলে - আলহামদুলিল্লাহ। কিন্তু বের হতে না পারলে, সর্বক্ষণ সে ব্যাপারে অনুতপ্ত থাকা কিন্তু সেখান থেকে অর্জিত জ্ঞান কাজে লাগিয়ে উম্মাহর উপকারের রাস্তা খোঁজা উচিত। কিন্তু এই উম্মাহর উপকারের চিন্তার মাধ্যমেই কেউ কেউ খেয়ে যায় নেক সুরতে শয়তানের ধোঁকা। উম্মাহ আসলে কি? এই সমাজ এই দেশের মানুষ, তাই না? কিন্তু উম্মাহর সবচেয়ে ছোট অংশ কিন্তু আপনার ঘরে। আপনার স্বামী, আপনার সন্তান। পরিবারকে বাদ দিয়ে বৃহত্তর উম্মাহর স্বার্থে নারীর কাজ আসলে কি? যেখানে আল্লাহ তায়ালা নারীকে ঘরের দায়িত্বের কারণে জবাবদিহি করবেন। সুতরাং, মূলনীতি হল - নারীর প্রধান দায়িত্ব সংসার ও সন্তান। এই মূলনীতি অনুসারে যার যার জীবনে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। নিজেকে কয়েকটি প্রশ্ন করুন - ⁃ ডাক্তার হবার পেছনে আপনার নিয়ত কি? টাকা উপার্জন? উম্মাহর খেদমত? নিজের ক্যারিয়ার? ⁃ আপনার অর্থনৈতিক দায়িত্ব আল্লাহ যাদের উপর আরোপ করেছেন - বাবা, ভাই, স্বামী - তারা কি যথাযথভাবে দায়িত্ব পালন করছেন? ⁃ যদি অর্থনৈতিক সমস্যা না থাকে, তাহলে বাকি রইলো 'উম্মাহর খেদমত ও ক্যারিয়ার' এই দুই অপশন। ⁃ উম্মাহর খেদমত বলতে আসলে কি বুঝেন? একজন নারী হিসেবে উম্মাহর খেদমত কিভাবে করা যায়? ⁃ আপনার সন্তানের ইসলামিক তারবিয়্যাহ কি আপনি করতে পারছেন? আপনার সংসারে দ্বীনের উপস্থিতি কতটুকু? ⁃ আপনি যদি দিনের আট থেকে দশ ঘন্টা বাসায় অনুপস্থিত থাকেন তখন সন্তানকে কে দেখাশোনা করবে? ⁃ সন্তানকে বুয়া বা বৃদ্ধ নানা নানী দাদা দাদীর কাছে রেখে গেলে তাদের কষ্ট হবে কিনা? ⁃ উম্মাহর স্বার্থে বাচ্চাকে ঘরে বা ডে কেয়ারে রেখে রোগী দেখার ব্যাপারে সুযোগ্য মুফতির ফতোয়া জেনে নিয়েছেন কি? ⁃ আর কি রইলো বাকি 'ক্যারিয়ার'। আল্লাহ তায়ালা নারীর জন্য কিরকম ক্যারিয়ার পছন্দ করেছেন? ক্যারিয়ারের স্বার্থে উচ্চতর ডিগ্রির জন্য সন্তানকে বুয়া বা কেয়ারগিভারের কাছে রেখে পড়া ও চাকরি করা ইসলামে জায়েজ আছে কি? এই প্রশ্নগুলোর উত্তর পর্যালোচনা করুন। তারপর আরো ভাবুন - ⁃ ইসলামের মৌলিক ফরজে আইন জ্ঞান আপনার আছে কি? ⁃ আপনি কি যথাযথভাবে কুরআন পড়তে পারেন? ⁃ মেডিকেল ফিক্বহ সম্পর্কে আপনার যথাযথ জ্ঞান আছে কি? ⁃ কর্মক্ষেত্রে নারী পুরুষ ইন্টার‍্যাকশান সম্পর্কে আপনার কোনো ধারণা আছে কি? ⁃ আপনি যেসব চিকিৎসা ও ওষুধ দিচ্ছেন তা ইসলামে জায়েজ আছে কি? সবগুলো প্রশ্নের উত্তর খাতায় লিখে ফেলুন। এরপর ভাবুন। ইস্তেখারা করুন। আল্লাহর সাহায্য চান। ফেসবুকের স্বঘোষিত মুফতি আপাদের কথা শোনা বাদ দিন। আপনার দুনিয়া ও আখিরাত কেবল আপনারই। বাবা মা কতটাকা খরচ করে পড়িয়েছে - এটাও চিন্তা করবেন না। এটা তাদেরই সিদ্ধান্ত ছিল তারা কোন ক্ষেত্রে টাকা খরচ করবেন। বাবা মাকে খুশি করতে গিয়ে আল্লাহর নির্ধারিত সীমা অতিক্রম করা যাবেনা। সমাজ ও আত্মীয়কে খুশি করতে গিয়ে সন্তানকে কাঁদিয়ে সেপারেশন এংজাইটি বানানো যাবেনা। উম্মাহর নারীদের চিকিৎসা করার নিয়তে নিজেকে ক্যারিয়ার রেইসে হারিয়ে ফেলা যাবেনা। সন্তানকে বুয়ার হাতে দিয়ে এমন কর্মস্থলে যাওয়া যাবেনা যেখানে ন্যূনতম নিরাপত্তা নেই। এমন কোনো পেশায় যাওয়া যাবেনা যেখানকার নিয়মকানুন ড্রেসকোড ইসলাম বিরোধী।অর্থনৈতিক অবস্থার সমাধান করতে গিয়ে মাহরাম ব্যতীত দূরাঞ্চলে একা সন্তান ও বুয়া নিয়ে থাকা - এ তো ইসলাম কোনোভাবেই সমর্থন করেনা। ক্যারিয়ারের জন্য অমুসলিম দেশে সেটেল হওয়ার ব্যাপারেও ইসলামের বক্তব্য জেনে নিতে

  • 9 июн.757199

    আপনি যা সহ্য করেন, শেষ পর্যন্ত সেটাই আপনার জীবনে বারবার ফিরে আসে। ধরুন, একজন মানুষ বারবার আপনার সাথে রূঢ় আচরণ করে। আপনি কষ্ট পান, কিন্তু কিছু বলেন না। ভাবেন, "সমস্যা বাড়িয়ে লাভ কী!" প্রথমবার সে সীমা অতিক্রম করেছিল। দ্বিতীয়বার সে বুঝেছে আপনি কিছু বলবেন না। তৃতীয়বার সেটা তার অভ্যাস হয়ে গেছে। আবার ধরুন, কর্মক্ষেত্রে আপনি নিয়মিত অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন, কিন্তু তার স্বীকৃতি বা প্রাপ্য সম্মান পাচ্ছেন না। তবুও চুপচাপ সব করে যাচ্ছেন। একসময় মানুষ ভাবতে শুরু করবে, "এটা তো উনার কাছ থেকে পাওয়াই যায়।" বেশিরভাগ মানুষ খারাপ বলে এমন হয় না। অনেক সময় তারা শুধু সেই সীমা পর্যন্তই যায়, যতটুকু সীমা আপনি তাদের জন্য খোলা রাখেন। এ কারণেই জীবনে সীমারেখা (Boundary) খুব গুরুত্বপূর্ণ। আপনি যখন বারবার এমন কিছু মেনে নেন যা আপনার মনকে আঘাত করে, তখন আপনি শুধু একটি আচরণ সহ্য করছেন না, আপনি অজান্তেই সেই আচরণের অনুমতি দিচ্ছেন। নিজের মানদণ্ড বাড়ানো মানে অহংকারী হয়ে যাওয়া নয়। এর মানে হলো: অসম্মানকে স্বাভাবিক না ভাবা, নিজের সময় ও শক্তির মূল্য দেওয়া, "না" বলতে শেখা, সম্পর্ক বাঁচানোর জন্য নিজের আত্মসম্মানকে বারবার উৎসর্গ না করা। মনে রাখবেন, মানুষকে আপনার মূল্য বোঝানোর জন্য দীর্ঘ বক্তৃতা দরকার হয় না। আপনার সিদ্ধান্তই সবচেয়ে শক্তিশালী ভাষা। কখনো কখনো একটি সম্পর্ক ছেড়ে দেওয়া, একটি অন্যায় দাবিকে প্রত্যাখ্যান করা, বা একটি অসম্মানজনক পরিস্থিতি থেকে সরে আসা শত কথার চেয়েও বেশি শক্তিশালী বার্তা দেয়। আপনি যা প্রাপ্য নন, তা সহ্য করা বন্ধ করলে জীবন বদলাতে শুরু করে। কারণ মানুষ সবসময় আপনার সাথে তেমন আচরণ করে না, যেমনটা আপনি চান। অনেক সময় তারা আপনার সাথে তেমন আচরণই করে, যেমনটা আপনি মেনে নেন।

  • 9 июн.733215из muslimatrix

    গুনাহের নগদ শাস্তি.... ১. চেহারার লাবন্যতা কমে যায়। ২. স্মৃতি শক্তি কমে যায়। ৩. রিজিক কমে যায়। ৪. রোগ-ব্যাধি বেড়ে যায়। ৫. জ্ঞান-বুদ্ধি লোপ পায়। ৬. ডিপ্রেশন/হতাশা বেড়ে যায়। ৭. লজ্জা-শরম কমে যায়। ৮. নেক কাজে অনিহা জন্মায়। ৯. মানসিক শান্তি নষ্ট হয়ে যায়। ১০. শরীরে দূর্বলতা ও অলসতা কাজ করে। ১১. মানুষের অন্তরে তার জন্য ঘৃনা সৃষ্টি হয়। ১২. অন্তর কঠিন হয়ে যায়, তার হৃদয়ে আর ভালো কোনো উপদেশ বাণী প্রভাব ফেলে না। নিজের গুনাহ গুলাকে সামনে রেখে লক্ষ্মণ গুলা পড়ুন। আল্লাহ আমাদের সবাইকে গুনাহ থেকে হেফাজত করুক। আমিন_ সংগৃহীত_

  • Shaykh Ibn Uthaymeen رحمه الله said: "The stronger your desire for a sin is, the more your imāan will increase if you refrain from committing it."

  • 5 июн.1 02613

    https://youtu.be/wnbeNFPQTMw?si=1GQTwcsN2UiKr9Sv

  • 3 июн.1 073195

    যারা আপনাকে আল্লাহর কথা মনে করিয়ে দেয়, তারা সবাই খুব ভালো মানুষ বা গুনাহমুক্ত এমনটা নয়। বরং অনেক সময় তারা নিজেরাও নিজেদের সাথে লড়াই করছে। যিনি কুরআনের আয়াত পোস্ট করেন, তিনিও হয়তো এমন কিছু গুনাহের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করছেন, যা কেউ জানে না। যিনি আপনাকে নামাজ পড়ার কথা বলেন, তিনিও হয়তো প্রতিদিন নিজের নামাজ ঠিক রাখার চেষ্টা করছেন। যিনি আল্লাহর রহমতের কথা বলে আপনাকে আশা দেন, তিনিও হয়তো রাতের বেলা আল্লাহর কাছে কাঁদছেন, নিজের ভুলের জন্য ক্ষমা চাইছেন। আমরা সবাই চেষ্টা করছি। আমাদের সবারই ভুল আছে। আমাদের সবারই দুর্বলতা আছে। আমাদের সবার জীবনেই এমন কিছু যুদ্ধ আছে, যা অন্য কেউ দেখে না। তাই কেউ দ্বীনের কথা বললে এটা ভাববেন না যে তিনি নিজেকে খুব ধার্মিক বা সবার চেয়ে ভালো মনে করেন। অনেক সময় মানুষ অন্যদের যে উপদেশ দেয়, সেই উপদেশ তার নিজেরও সবচেয়ে বেশি দরকার হয়। সে অন্যদের মনে করিয়ে দেয়, আর সেই সাথে নিজেকেও মনে করিয়ে দেয়। আপনি যদি কখনো নিজের ভুলের কারণে হতাশ হয়ে যান, যদি মনে হয়, "আমি অনেক বেশি গুনাহ করেছি", যদি মনে হয়, "আমার দ্বারা আর হবে না", তাহলেও আল্লাহর কাছ থেকে দূরে সরে যাবেন না। বরং আল্লাহর কাছেই ফিরে যান। নিজের মনের কথা খুলে বলুন। কোনো সুন্দর ভাষা লাগবে না। শুধু বলুন, "হে আল্লাহ, আমি ক্লান্ত। আমি দুর্বল। আমি বারবার ভুল করি। কিন্তু আমি আপনার কাছেই ফিরে আসতে চাই। আপনি আমাকে ছেড়ে দেবেন না।" বিশ্বাস করুন, আল্লাহর দিকে আন্তরিকভাবে এক কদম এগিয়ে গেলে হৃদয়ের ভেতরের ভার ধীরে ধীরে হালকা হতে শুরু করে। যে অপরাধবোধ আপনাকে দীর্ঘদিন ধরে কষ্ট দিচ্ছে, সেটাও একদিন কমে আসবে। যে অস্থিরতা আপনাকে ঘিরে রেখেছে, সেটাও ধীরে ধীরে শান্ত হবে। কারণ আল্লাহ তাঁর বান্দার ফিরে আসাকে ভালোবাসেন। আপনি যতবারই ভুল করুন না কেন, তওবার দরজা বন্ধ হয়ে যায় না। তাই নিজের ব্যাপারে আশা হারাবেন না। হয়তো আল্লাহ শুধু এই অপেক্ষাতেই আছেন, কবে আপনি সত্যিকার অর্থে তাঁর দিকে ফিরে আসবেন। আল্লাহর ভয়ের সাথে অন্য সব কিছুর এটাই পার্থক্য, আমরা আল্লাহকে ভয় পাই তার দিকেই ফিরে যাওয়ার জন্যে। ভালোবাসিও তারই দিকে ফিরে যাওয়ার জন্যে।

  • 2 июн.748224

    রিযিক বলতে আমরা সাধারণত টাকা-পয়সা, ব্যবসা, চাকরি বা সম্পদের কথাই বুঝি। কিন্তু জীবনের সবচেয়ে মূল্যবান অনেক রিযিকের কোনো বাজারদর নেই। একজন মা, ঘরে গেলে যার মায়ার কণ্ঠ টা শোনা যায়, স্পেশাল খাবার গুলো রেডি করে যে অপেক্ষায় থাকে। একজন বাবা, যার উপস্থিতি এখনও নিরাপত্তার অনুভূতি দেয়। এমন একজন জীবনসঙ্গী, যার কাছে ফিরে গেলে হৃদয় শান্ত হয়। এমন একজন বন্ধু, যে আপনার অনুপস্থিতিতেও আপনার জন্য দোয়া করে। একটি ঘর, যেখানে ক্লান্ত দিনের শেষে ফিরে যাওয়া যায়। একটি মন, যা এখনও অশান্তির মধ্যেও শান্তিতে ঘুমাতে পারে। আমরা এগুলোকে এত স্বাভাবিক ধরে নিই যে অনেক সময় বুঝতেই পারি না, এগুলোও আল্লাহর দেওয়া অমূল্য নিয়ামত। অথচ পৃথিবীতে এমন অসংখ্য মানুষ আছেন, যারা তাদের সব সম্পদ দিয়েও এসবের একটিমাত্র ফিরে পেতে চাইবেন। আমরা প্রায়ই আল্লাহর কাছে যা নেই তার জন্য চাইতে চাইতে এত ব্যস্ত হয়ে যাই যে, যা আছে তার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে ভুলে যাই। সবাই মায়ের স্নেহ পায় না। সবাই বাবার ছায়া পায় না। সবাই এমন ঘরে ফিরে যেতে পারে না যেখানে ভালোবাসা আছে। সবাই এমন মানুষে ঘেরা থাকে না যারা তাদের সত্যিকার অর্থে গুরুত্ব দেয়। কেউ অর্থে ধনী, কিন্তু মনে শান্তি নেই। কেউ মানুষের ভিড়ে আছে, কিন্তু ভীষণ একা। কেউ সফলতার শিখরে পৌঁছেছে, কিন্তু আনন্দ ভাগ করে নেওয়ার মতো একজন মানুষও পাশে নেই। এ কারণেই রিযিক শুধু সম্পদের নাম নয়। কখনও রিযিক হলো বিপর্যয়ের পরও আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস ধরে রাখতে পারা একটি হৃদয়। কখনও রিযিক হলো এমন কোনো বিপদ থেকে বেঁচে যাওয়া, যার কথা আপনি আজও জানেন না। কখনও রিযিক হলো এমন কিছু মানুষ, যারা আপনাকে আল্লাহর আরও কাছে যেতে সাহায্য করে। আজ একটু থেমে নিজের জীবনের দিকে তাকিয়ে দেখুন। হয়তো যে জিনিসগুলোর জন্য আপনি প্রতিদিন উদ্বিগ্ন, তার চেয়েও বড় কিছু নিয়ামত ইতোমধ্যেই আপনার জীবনে আছে। হয়তো আপনি যেগুলোকে সাধারণ বলে মনে করছেন, সেগুলোই অন্য কারও সবচেয়ে বড় স্বপ্ন। আল্লাহ যেন আমাদের এমন না বানান যে আমরা অপূর্ণতার দিকে তাকাতে তাকাতে প্রাপ্ত নিয়ামতগুলোকে দেখতে ভুলে যাই। কারণ জীবনের সবচেয়ে বড় সম্পদগুলোর অনেকগুলোই এমন, যা কোনো অর্থ দিয়ে কেনা যায় না, কিন্তু হারিয়ে গেলে পৃথিবীর সব অর্থ দিয়েও ফিরিয়ে আনা যায় না। আলহামদুলিল্লাহ, প্রতিটি দৃশ্যমান ও অদৃশ্য নিয়ামতের জন্য। আল্লাহ আমাদের সবাইকে উত্তম রিজিক দান করুন। যেসব নিয়ামত প্রাপ্ত হয়েছি সেগুলোর জন্যে শুকরিয়া আদায় করার তাওফিক দিন।

  • 1 июн.764175

    "Have you noticed that people who try to run other people's lives seldom do a good job of running their own? " - Napoleon Hill কিছু মানুষকে দেখবেন, তারা অন্যের জীবন নিয়ে খুব ব্যস্ত। কে কী পড়ছে, কোথায় কাজ করছে, কীভাবে সন্তান বড় করছে, কী সিদ্ধান্ত নিচ্ছে, কার সঙ্গে মিশছে, কোথায় ভুল করছে... সবকিছু নিয়েই তাদের মতামত আছে। যেন পৃথিবীর প্রতিটি জীবনের জন্য তারা একেকজন স্বঘোষিত পরিচালক। মজার বিষয় হলো, মানুষের নিজের জীবন যত জটিল হয়, অনেক সময় সে তত বেশি অন্যের জীবনে মনোযোগ দিতে শুরু করে। কারণ অন্যের ভুল খুঁজে বের করা সহজ। দূর থেকে পরামর্শ দেওয়া সহজ। অন্যের সিদ্ধান্ত বিচার করা সহজ। কঠিন হলো নিজের অপূর্ণতাগুলোর মুখোমুখি হওয়া। কঠিন হলো নিজের অগোছালো জীবনটাকে একটু গুছিয়ে নেওয়া। কঠিন হলো প্রতিদিন নিজের চরিত্র, অভ্যাস আর সিদ্ধান্তগুলোর হিসাব নেওয়া। হয়তো এ কারণেই আমরা প্রায়ই এমন মানুষ দেখি, যারা অন্যদের জীবন কীভাবে চলা উচিত সে বিষয়ে দীর্ঘ বক্তৃতা দিতে পারেন, অথচ নিজের জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোই বছরের পর বছর অমীমাংসিত থেকে যায়। প্রকৃত প্রজ্ঞা মানুষকে অন্যের জীবনের নিয়ন্ত্রক বানায় না, বরং নিজের জীবনের দায়িত্বশীল অভিভাবক বানায়। কারণ একজন পরিণত মানুষ জানে, প্রত্যেক মানুষেরই নিজস্ব পথ আছে, নিজস্ব অভিজ্ঞতা আছে, নিজস্ব লড়াই আছে। সবকিছু না জেনে কাউকে বিচার করা যেমন সহজ, তেমনি ভুলও। তাই হয়তো আমাদের সবার জন্য ছোট্ট একটি স্মরণিকা হতে পারে: অন্যের জীবন সংশোধন করার চেয়ে নিজের জীবন উন্নত করার কাজটি অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। অন্যকে নিয়ন্ত্রণ করার চেয়ে নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করা অনেক বেশি মূল্যবান। আর অন্যের পথ ঠিক করে দেওয়ার চেয়ে নিজের পথটা সৎ, সুন্দর ও অর্থবহ করে তোলাই অনেক বড় অর্জন। দিনের শেষে মানুষকে মনে রাখা হয় না সে কতজনকে উপদেশ দিয়েছে, বরং মনে রাখা হয় সে নিজের জীবনটা কতটা প্রজ্ঞা, সততা এবং ভারসাম্যের সঙ্গে পরিচালনা করেছে।

  • 31 мая812307

    আপনার জীবনের সব দোয়া হয়তো সঙ্গে সঙ্গে কবুল হবে না। অনেক সময় আপনি আল্লাহর কাছে পরিস্থিতি বদলানোর জন্য প্রার্থনা করেন, কিন্তু দেখেন কিছুই বদলাচ্ছে না। সমস্যা আগের মতোই আছে, অপেক্ষা আগের মতোই দীর্ঘ, আর মনটাও ক্লান্ত হয়ে যাচ্ছে। কিন্তু যদি বিষয়টা অন্যভাবে ভাবেন? হয়তো আল্লাহ প্রথমে আপনার পরিস্থিতি নয়, আপনাকেই গড়ে তুলছেন। কারণ অনেক সময় আমাদের সবচেয়ে বড় বাধা বাইরের কোনো সমস্যা নয়, আমাদের ভেতরের ভয়, অস্থিরতা, হতাশা কিংবা কিছু ভুল ধারণা। আমরা মনে করি কিছু জিনিস ছাড়া চলতে পারব না, কিছু মানুষ ছাড়া ভালো থাকতে পারব না, কিংবা এই পরিস্থিতি না বদলালে জীবন এগোবে না। তাই কখনো কখনো আল্লাহ আমাদের অপেক্ষা করান। সেই অপেক্ষার ভেতর দিয়ে তিনি আমাদের ধৈর্য শেখান। কষ্টের ভেতর দিয়ে শক্ত হতে শেখান। হারানোর ভেতর দিয়ে বুঝিয়ে দেন, আমাদের শক্তির উৎস আসলে কোথায়। পেছনে ফিরে তাকালে অনেক মানুষই বুঝতে পারেন, যে সময়টাকে তারা জীবনের সবচেয়ে কঠিন সময় ভেবেছিলেন, সেই সময়ই তাদের সবচেয়ে বেশি বদলে দিয়েছিল। তখন তারা শুধু একটি নতুন পরিস্থিতি পাননি, তারা একটি নতুন নিজেকেও খুঁজে পেয়েছিলেন। তাই যদি আজ আপনার জীবন ঠিক আপনার পরিকল্পনা অনুযায়ী না চলে, হতাশ হবেন না। হয়তো আল্লাহ নীরবে এমন কিছু তৈরি করছেন, যা আপনি এই মুহূর্তে দেখতে পাচ্ছেন না। আর একদিন যখন সবকিছু পরিষ্কার হবে, তখন হয়তো আপনি বুঝবেন, সবচেয়ে বড় পরিবর্তনটা আপনার চারপাশে ঘটেনি, ঘটেছিল আপনার ভেতরে। আর সেই পরিবর্তনই ছিল আসল রহমত।

Dr. M R Sifat — tgindex