tgindex
ZundullaH - جند الله™

ZundullaH - جند الله™

Статистика

যে ভয় করে সেই উপদেশ গ্ৰহণ করবে, আর হতভাগাই তা এড়িয়ে যায় (Quran: CHAPTER 87: VERSE 10-11)

Последний пост
13 авг.
Последнее чтение
14 авг.
Постов за неделю
1
Всего постов
74
Тип
открытый
Язык
bn
Категория
Новости и СМИ (по похожим)
В каталоге с
13 авг.
Подписчики
1 009
+3 за 4 дн.
Сутки
+2
+0,20%
Неделя
 
Месяц
 
Просмотров на пост
335
40 постов
Вовлечённость
33,2%
к подписчикам
Постов в день
0,1
всего 74
Упоминаний
1
каналов
Охват размещения
оценка
1/24сутки в ленте
43
1/48двое суток
49
1/72трое суток
53

Оценка по просмотрам недавних постов: пост набирает почти всё за первые сутки.

Посты

  • SURAT AL KAHF | AHMAD AL NUFAIS (RECITER) | ZundullaH™

  • সূরা আশ-শূরা : ৪৭

  • SURAH NAJM: 32-41

  • - সূরা বাকারা : ২৬৬ - মিশারী আল-আফাসী

  • ১৯৯৫ সালের তিলাওয়াত.......

  • সূরা ফুরক্বন (সম্পূর্ণ) আহমাদ আল নুফাইস

  • কোনো মুসলমান সম্পর্কে যদি তোমার মনে কোনো খারাপ ধারণা আসে, তাহলে তোমার উচিত তার প্রতি আরও বেশি যত্নশীল হওয়া এবং তার কল্যাণের জন্য দোয়া করা। এতে করে শয়তান ক্রুদ্ধ হয় এবং তোমার কাছ থেকে দূরে সরে যায়। তখন সে আর তোমার মনে এমন মন্দ ধারণা নিক্ষেপ করতে সাহস পায় না, এই আশঙ্কায় যে তুমি (সেই চিন্তার কারণে) দোয়া ও সদাচরণে ব্যস্ত হয়ে পড়বে। - গাযালী (রাহিমাহুল্লাহ) [ইহয়া] ومهما ‌خطر ‌لك ‌خاطر بسوء على مسلم، فينبغي أن تزيد في مراعاته وتدعو له بالخير؛ فإن ذلك يغيظ الشيطان ويدفعه عنك، فلا يلقى إليك الخاطر السوء خيفة من اشتغالك بالدعاء والمراعاة.

  • উত্তম শিষ্টাচারের মাঝে অন্যতম হলো: কাউকে তার কথার মধ্যে বাধা দিয়ে প্রাধান্য বিস্তার না করা। অন্য কাউকে প্রশ্ন করা হলে তার হয়ে উত্তর না দেওয়া। কেউ যখন কোনো কথা বা ঘটনা বর্ণনা করে, তখন তার সঙ্গে তর্কে জড়িয়ে না পড়া, কিংবা তার কথার মাঝে জোর করে প্রবেশ না করা। এমন ভাবও দেখিও না যে তুমি বিষয়টি ইতিমধ্যে জানো। আর যখন তুমি তোমার সঙ্গীর সঙ্গে কথা বলো এবং যুক্তিতে তাকে পরাস্ত করো, তখন এমনভাবে তা থেকে বেরিয়ে আসো যেন তার মর্যাদা অক্ষুণ্ণ থাকে; নিজের বিজয়কে প্রকাশ্যে প্রদর্শন করো না। যেমন সুন্দরভাবে কথা বলতে শেখো, তেমনি সুন্দরভাবে শুনতেও শেখো। [আল-ইকদুল ফারীদ] من حسن الأدب ألا تغالب أحدا على كلامه، وإذا سئل غيرك فلا تجب عنه، وإذا حدث بحديث فلا تنازعه إياه، ولا تقتحم عليه فيه، ولا تره أنك تعلمه، وإذا كلمت صاحبك فأخذته حجتك فحسن مخرج ذلك عليه ولا تظهر الظفر به، وتعلم حسن الاستماع، كما تعلم حسن الكلام.

  • আব্দুল্লাহ ইবনু মুনাযিল বলেন: আমি আবু সালেহ হামদূনকে বললাম: আমাকে উপদেশ দিন। তিনি বললেন: যদি তোমার জন্য সম্ভব হয় তাহলে দুনিয়াবী কোনো বিষয়ের জন্য রাগান্বিত হবে না। [আয-যুহদুল কাবীর (পৃ. ১৪৪)] قال عبد الله بن منازل: قلت لأبي صالح حمدون: أوصني؟ قال: إن استطعت أن لا ‌تغضب ‌لشيء ‌من ‌الدنيا فافعل.

  • যে কারণে রিযিক কমিয়ে দেওয়া হয়, সেটি হচ্ছে পাপ, আপনি যদি আল্লাহর নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় না করেন, তবে ক্ষুদা ও ভীতির আযাব আপনাকে আস্বাদন করতেই হবে,। আর যদি পাপ করার পরেও দুনিয়াতে লঘু শাস্তি না দেয়া হয়, তবে অপেক্ষা করুন, আখিরাতে আপনার জন্যে আরও ভয়াবহ অবস্থা অপেক্ষা করছে, যেমনটা রাসূল ﷺ বলেছেন,।

  • " আল ইস্তিদরাজ " যে বক্তব্য সবার শুনা উচিত... 😔 Speaker : Sheikh Saied Al Raslaan (saudi)

  • Golden rule......

  • আর জাহান্নামবাসীরা যখন মুক্তি চাইবে, তখন তাদের বলা হবে, "তারা চিৎকার করে বলবে, ‘হে মালিক( জাহান্নামের রক্ষী), তোমার রব যেন আমাদেরকে শেষ করে দেন’। সে বলবে, ‘নিশ্চয় তোমরা অবস্থানকারী’। '। (অর্থ: সূরা আয-যুখরুফ, ৪৩: ৭৭) _ এবং আল্লাহ আরও বলেন:জালিমরা বলবে ‘হে আমাদের রব, এ থেকে আমাদেরকে জাহান্নাম থেকে বের করে দিন, তারপর যদি আমরা আবার তা (পাপ) করি তবে অবশ্যই আমরা হব যালিম।’, আল্লাহ বলবেন, ‘তোমরা ধিকৃত অবস্থায় এখানেই থাক, আর আমার সাথে কথা বলো না।’ সূরা মু'মিনুন  (১০৭-১০৮) _ আল্লাহ আরও সতর্ক করে বলেন, "যদি তোমার রবের আযাবের একটি সামান্য ঝাপটাও তাদের স্পর্শ করে, তবে তারা অবশ্যই বলবে, 'হায় আমাদের দুর্ভোগ! নিশ্চয়ই আমরা জালিম ছিলাম।'" (সূরা আল-আম্বিয়া, ২১:৪৬) এসব আয়াত আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় যে, জাহান্নামের শাস্তি কল্পনাতীত এবং অত্যন্ত ভয়াবহ। তাই কোনো মুমিনের উচিত নয় আল্লাহর শাস্তিকে হালকাভাবে নেওয়া বা তাঁর ক্ষমাকে গুনাহে লিপ্ত থাকার অজুহাত বানানো। বরং দ্রুত তাওবা করা, নেক আমলে ফিরে আসা এবং আল্লাহর রহমতের আশা ও তাঁর শাস্তির ভয়ের মধ্যে জীবনযাপন করাই একজন মুমিনের পথ।

  • আপনি আল্লাহকে চিনতেই পারেন নি! আল্লাহকে চিনুন! যে বলে, "আল্লাহ অত্যন্ত ক্ষমাশীল, যা ইচ্ছা করে নাও, আল্লাহ মাফ করে দেবেন," সে কুরআনের বার্তাকে পূর্ণভাবে উপলব্ধি করেনি। কুরআনে যেমন আল্লাহর অসীম রহমতের কথা এসেছে, তেমনি তাঁর কঠিন শাস্তির কথাও বারবার এসেছে। একজন মুমিন কখনো শুধু রহমতের ওপর নির্ভর করে না, আবার শুধু শাস্তির ভয়ে হতাশও হয় না; বরং আশা ও ভয়ের মাঝামাঝি অবস্থায় জীবন কাটায়। মানুষ মূলত আল্লাহকে যথাযথভাবে চিনতে পারে না। এ কারণেই অনেকেই নির্ভয়ে তাঁর অবাধ্যতায় লিপ্ত হয়। যদি মানুষ আল্লাহর মহিমা, তাঁর ন্যায়বিচার, তাঁর শাস্তির কঠোরতা এবং কিয়ামতের ভয়াবহতা সত্যিকার অর্থে উপলব্ধি করত, তবে তার অন্তর আল্লাহর ভয়ে কেঁপে উঠত এবং সে গুনাহকে হালকাভাবে নিত না। আল্লাহ তাআলা বলেন, «"জনপদের অধিবাসীরা কি এ ব্যাপারে নিরাপদ হয়ে গেছে যে, আমার শাস্তি তাদের ওপর রাতে এসে পড়বে, যখন তারা ঘুমিয়ে থাকবে? অথবা জনপদের অধিবাসীরা কি এ ব্যাপারে নিরাপদ হয়ে গেছে যে, আমার শাস্তি তাদের ওপর দিনের বেলায় এসে পড়বে, যখন তারা খেলাধুলায় মত্ত থাকবে? তারা কি আল্লাহর পরিকল্পনা থেকে নিজেদের নিরাপদ মনে করেছে? আল্লাহর পরিকল্পনা থেকে ক্ষতিগ্রস্ত জাতি ছাড়া আর কেউ নিজেকে নিরাপদ মনে করে না।" (সূরা আল-আ'রাফ, ৭:৯৭–৯৯)» আল্লাহ আরও বলেন, «"আমার বান্দাদের জানিয়ে দাও যে, আমিই তো পরম ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু। আর আমার শাস্তিই হলো যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি।" (সূরা আল-হিজর, ১৫:৪৯–৫০)» আল্লাহ আরও বলেন, «"আর অবশ্যই আমি সৃষ্টি করেছি জাহান্নামের জন্য বহু জিন ও মানুষকে। তাদের রয়েছে অন্তর, তা দ্বারা তারা বুঝে না; তাদের রয়েছে চোখ, তা দ্বারা তারা দেখে না এবং তাদের রয়েছে কান, তা দ্বারা তারা শুনে না। তারা চতুষ্পদ জন্তুর মত; বরং তারা অধিক পথভ্রষ্ট। তারাই হচ্ছে গাফেল। ..." (সূরা আল-আ'রাফ, ৭:১৭৯)» আর তিনি বলেন, «"কাফিররা যেন মনে না করে যে, আমি তাদের যে অবকাশ দিচ্ছি, তা তাদের জন্য কল্যাণকর। আমি তো তাদের কেবল এজন্যই অবকাশ দিচ্ছি, যাতে তারা তাদের গুনাহ আরও বাড়িয়ে নেয়। আর তাদের জন্য রয়েছে লাঞ্ছনাদায়ক শাস্তি।" (সূরা আলে ইমরান, ৩:১৭৮)» _ রাসূল ﷺ বলেছেন, তোমরা যদি তা জানতে যা আমি জানি, তবে তোমরা অল্প হাসতে এবং বেশি কাঁদতে।" (সহিহ বুখারি) _ রাসূল ﷺ, আবু বকর (রা.), উমার (রা.), উসমান (রা.) এবং অন্যান্য সাহাবিগণ ছিলেন এই উম্মাহর সর্বাধিক পরহেযগার মানুষ। তবুও তারা সালাতে কাঁদতেন, তাহাজ্জুদে দীর্ঘ সময় অশ্রু বিসর্জন দিতেন এবং নিজেদের আমল নিয়ে শঙ্কিত থাকতেন। কারণ তারা আল্লাহকে সবচেয়ে বেশি চিনতেন। তাঁরা জানতেন, আল্লাহ যেমন الغفور (অত্যন্ত ক্ষমাশীল), তেমনি তিনি شديد العقاب (শাস্তিদানে অত্যন্ত কঠোর)। তাই তাঁরা রহমতের আশা করতেন, কিন্তু কখনো তাঁর শাস্তি থেকে নিজেদের নিরাপদ মনে করতেন না। তাওবার দরজা অবশ্যই খোলা, কিন্তু তা চিরদিন খোলা থাকবে না। তাওবা করার সময় হলো মৃত্যু উপস্থিত হওয়ার আগ পর্যন্ত। মৃত্যুর নিদর্শন প্রকাশ পাওয়ার পর তাওবা আর উপকারে আসে না। ফিরআউন সারাজীবন আল্লাহর অবাধ্যতা করার পর যখন ডুবে যেতে লাগল তখন বলল, "আমি ঈমান আনলাম যে, ইসরাঈল সন্তানেরা যার ওপর ঈমান এনেছে, তিনি ছাড়া আর কোনো উপাস্য নেই এবং আমি মুসলিমদের অন্তর্ভুক্ত।"» তখন আল্লাহ বললেন, «"এখন! অথচ এর আগে তুমি অবাধ্যতা করেছিলে এবং বিপর্যয় সৃষ্টিকারীদের অন্তর্ভুক্ত ছিলে।" (সূরা ইউনুস, ১০:৯০–৯১)» আল্লাহ আরও বলেন, «"আর যদি তুমি দেখতে, যখন ফেরেশতারা কাফিরদের প্রাণ কবজ করবে—তারা তাদের মুখমণ্ডল ও পিঠে আঘাত করতে থাকবে এবং বলবে, 'জ্বলন্ত আগুনের শাস্তি আস্বাদন কর।'" (সূরা আল-আনফাল, ৮:৫০)» সুতরাং, আল্লাহর ক্ষমাকে গুনাহে লিপ্ত থাকার অজুহাত বানাবেন না। আল্লাহ যেমন অতীব ক্ষমাশীল, তেমনি শাস্তিদানেও অত্যন্ত কঠোর। কুরআন একজন মুমিনকে শেখায়—আল্লাহর রহমতের আশা করতে, তাঁর শাস্তিকে ভয় করতে, গুনাহের পর বিলম্ব না করে তাওবা করতে এবং কখনোই আল্লাহর শাস্তি থেকে নিজেকে নিরাপদ মনে না করতে। যে ব্যক্তি আল্লাহকে যত বেশি চিনবে, তার অন্তরে আল্লাহর প্রতি ভালোবাসা, ভয়, বিনয় এবং আনুগত্য ততই বৃদ্ধি পাবে। [  ] আল্লাহ শাস্তি, জাহান্নাম! জাহান্নাম কোনো রূপক কাহিনি নয়; এটি আল্লাহর সৃষ্টি করা বাস্তব এক শাস্তিস্থল। আল্লাহ বলেন, "জাহান্নাম অবশ্যই ওত পেতে রয়েছে। সীমালঙ্ঘনকারীদের জন্য সেটিই হবে প্রত্যাবর্তনের স্থান।" (সূরা আন-নাবা, ৭৮:২১–২২) তিনি আরও বলেন, "সে তো নিক্ষিপ্ত হবে সাকারে (জাহান্নামে)। আর কীভাবে তুমি জানবে, সাকার কী? তা কাউকে অবশিষ্ট রাখবে না এবং ছাড়বেও না। তা মানুষের চামড়া ঝলসে দেবে।" (সূরা আল-মুদ্দাসসির, ৭৪:২৬–২৯) আল্লাহ আরও বলেন, "এটি হলো শিখা উৎক্ষিপ্তকারী অগ্নি, যা চামড়া খসিয়ে দেবে,।" (সূরা আল-মা'আরিজ, ৭০:১৫–১৬)

  • без подписи

  • Surah Taubah

  • শুধু একবার অন্তর দিয়ে ভাবুন 🫀🖤

  • без подписи

  • অন্তরের মৃত্যু 🫀

  • هــو كـــافر...!