দ্বীনি ম্যাসেজ (Reminder)
Статистика‘আর তোমাদের মধ্যে একটা দল থাকা চাই, যারা মানুষকে কল্যাণের পথে ডাকবে এবং অন্যায় করতে নিষেধ করবে। মূলত তারাই সফল।’ (সুরা আলে ইমরান: ১০৪) ✅ADMIN ID: @DawahMissoin ✅ADMIN ID: @DawahMessage1
- Последний пост
- 12 июн.
- Последнее чтение
- 15 авг.
- Постов за неделю
- 0
- Всего постов
- 20
- Тип
- открытый
- Язык
- bn
- Категория
- Новости и СМИ (по похожим)
- В каталоге с
- 15 авг.
- 1/24сутки в ленте
- —
- 1/48двое суток
- —
- 1/72трое суток
- —
Оценка по просмотрам недавних постов: пост набирает почти всё за первые сутки.
Посты
আর তোমরা নিজ গৃহে অবস্থান করবে এবং প্রাক-জাহেলী যুগের মত সৌন্দর্য প্রদর্শন করো না। আর তোমরা সালাত কায়েম কর, যাকাত প্রদান কর এবং আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের আনুগত্য কর। আল-কুরআন ৩৩:৩৩
ফজরে উঠতে পারা রবের পক্ষ থেকে বিশেষ নেয়ামত। ফজরের সালাত আদায় করার সৌভাগ্য আল্লাহ সবাইকে দেন না। যারা ফজরে জেগে যায়, তারা দিনের প্রথম বিজয়ী— আর সেই বিজয়ের বারাকাহ্ সারা দিন জুড়ে তাদের সঙ্গে থাকে। লেখা : মাহমুদুল হাছান
দরুদ পড়েছেন তো⁉️ দরুদ পড়ুন : اَللَّهُمَّ صَلِّ وَسَلِّمْ عَلَى نَبِيِّنَا مُحَمَّدٍ (আল্লাহুম্মা সাল্লি ওয়া সাল্লিম আলা নাবিয়্যিনা মুহাম্মাদ) অর্থ : হে আল্লাহ! আপনি আমাদের নবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে রহমত ও শান্তি দান করুন। — সহীহুত তারগীব ওয়াত তারহীব : ১/২৭৩
দরুদ পড়েছেন তো⁉️ দরুদ পড়ুন : اَللَّهُمَّ صَلِّ وَسَلِّمْ عَلَى نَبِيِّنَا مُحَمَّدٍ (আল্লাহুম্মা সাল্লি ওয়া সাল্লিম আলা নাবিয়্যিনা মুহাম্মাদ) অর্থ : হে আল্লাহ! আপনি আমাদের নবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে রহমত ও শান্তি দান করুন। — সহীহুত তারগীব ওয়াত তারহীব : ১/২৭৩
আলহামদুলিল্লাহ্। বাংলাদেশের আকাশে জিলহজ্ব মাসের চাঁদ দেখা গিয়েছে। বাংলাদেশে আগামী ২৮ মে, বৃহঃবার কুরবানির ঈদ। 🌙 শুরু হয়ে গেল জিলহজ্ব মাস। বিশেষ এই দিনগুলোতে বেশি বেশি আমল করুন। আল্লাহর কাছে এই দিনগুলোর আমল খুবই প্রিয়। যারা জিলহজ্ব মাসের নফল রোজা রাখার নিয়ত করেছেন, তারা আজ সাহরি খেয়ে রোজা শুরু করতে পারবেন। বাংলাদেশে আরাফার রোজা ২৭ মে, বুধবার। — মাহমুদুল হাছান [এই ১০ দিন কি কি আমল করবেন, তা জানতে কমেন্ট চেক করুন, ইনশাআল্লাহ্]
видео или голосовое, без подписи
видео или голосовое, без подписи
видео или голосовое, без подписи
видео или голосовое, без подписи
পহেলা বৈশাখ মুসলিমদের উৎসব নয়। এই উৎসব মুসলিমদের ঈমান বিধ্বংসী উৎসব। আপনি মুসলিম হলে এই উৎসবকে ‘না’ বলুন।
🔻 গাজায় ইসরায়েলি অবরোধ ভাঙতে এবং মানবিক সহায়তা পৌঁছে দিতে 'গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা' আজ ১২ এপ্রিল স্পেনের বার্সেলোনা বন্দর থেকে পুনরায় যাত্রা শুরু করছে। 🔻 ২০২৫ সালের ব্যর্থ অভিযানের পর এবার দ্বিগুণ পরিসরে ৭০টি দেশের প্রায় ১,০০০ স্বেচ্ছাসেবক এবং ৭০টি জাহাজ এই অভিযানে অংশ নিচ্ছে। 🔻 সমুদ্রপথের পাশাপাশি এবার একটি বড় আকারের স্থল ত্রাণবাহী কাফেলাও গাজার দিকে যাত্রা করার পরিকল্পনা রয়েছে। 🔻 আগামী ২২ এপ্রিল এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে একটি সংসদীয় কংগ্রেস অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে বিশ্ব নেতাদের কাছে গাজার পরিস্থিতি তুলে ধরা হবে। 🔻 এই অভিযানের মূল লক্ষ্য হলো—আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে গাজার মানবিক বিপর্যয় সম্পর্কে সচেতন করা এবং সেখানে একটি স্থায়ী ত্রাণ করিডোর নিশ্চিত
মালিকুল হিন্দুস্তান, আস-সুলতানুল আযীম, সুলতানুল মুজাহিদিন, শের-ই-ইসলাম — বাদশাহ আওরঙ্গজেব আলমগীর (রহ.) ⚔️❤️
জরুরী ঘোষণা 🔴 সৌদি আরব সহ আশেপাশের মধ্যপ্রাচ্যের দেশ গুলোর সকল প্রবাসীদের অনুরোধ করছি আপনারা একটু সাবধানে চলাফেরা করবেন। আমেরিকা আজকে রাতে ভ'য়ংকর কোন পদক্ষেপ নিতে পারে ইরা'নের বিপ'ক্ষে। পরিস্থিতি সামাল দিতে ইরা'ন পাল্টা কিছু করতে পারে যার জন্য খুবই বাজে অবস্থা সৃষ্টি হবে বলে মনে হচ্ছে। দয়া করে আপনাদের সবার পরিচিত প্রবাসীদের একটু সচেতন করুণ।
(প্রকৃত) মুসলিম ওই ব্যক্তি, যার জিভ ও হাত থেকে অন্য মুসলিম নিরাপদে থাকে। -বুখারি, হাদিস : ৬৪৮৪
видео или голосовое, без подписи
একটা বিশাআআআল ইম্পর্ট্যান্ট টপিক আছে! এইযে মেয়েদের ফিতরাত নষ্ট হয়েছে, কামাই করতে চায়, বের হতে চায়, এসব নিয়ে তো অনেক কথা হয়! কিন্তু পুরুষের পুরুষালি ফিতরাত নষ্ট হওয়া নিয়ে কি কথা দেখি? যারা সেলিব্রিটি, তারাও শুধু নারীবাদ, নারী অমুক, নারী তমুক এই গান গাইতে দেখি। কিন্তু পুরুষের কথা দেখি না কেন? পুরুষ যে এখন ঘরের সিদ্ধান্তদাতা নাহ, এইটা কি ভয়ানক নাহ? এইযে তাকে বড় করা হয়েছে তুলুতুলু করে, বড় হওয়ার পর সে শুধু কামাই এ ব্যস্ত, কেউ কেউ তাও নাহ, নিজের কম্ফোর্টজোন ছাড়তে পারবে না, অসংখ্য বেকার পুরুষ, এফোর্ট নাই, সাহস নাই, বাজার-সদাই ঘরে কি হয়, না হয় জানে না, বুড়া বাপ মা বাজার-সদাই করে। এরপর তাদের বিয়ে শাদি হয়। এইখানে বাচ্চা কবে হবে, কয়টা হবে এইসব বিষয়েও অন্যদের সিদ্ধান্ত তারে মানতে হয়। কারণ সে ভদ্রলোক। সে শান্তি চায়। ঝামেলা চায় না। এরপর বউ-শ্বাশুড়ির যুদ্ধ হয়। এইখানে তার ভূমিকা, দর্শক। সে জানে না শ্রদ্ধার সাথেই কিভাবে ঘরে কর্তার ভূমিকা রাখতে হবে। তাকে কিছু কিছু সময় জাজ হতে হবে। হয় উল্টা, কাঠগড়ায় বউটারেই দাঁড়াইতে হয়। বউটা নরম থেকে গরম হয়, সমাধান চায়। এইখানে পুরুষ নিরব। সে ভয়ানক ভীতু, দুর্বল। সে মানসম্মান ভয় পায়। সে বলে, সবর করো। অবশ্য এইখানে, শ্বশুর শ্বাশুড়ি ইহসানের মুখাপেক্ষী না হওয়া সত্বেও বউয়ের যৌবনকাল বাধ্যতামূলক কাটাইতে হয় এইভাবে, গঞ্জনা শুনতে শুনতে, বাচ্চাদের শৈশব হয় চাপে পিষ্ট মায়ের নিঃশব্দ কান্না দেখে, বাবা মায়ের নীরব যুদ্ধ দেখে, কখনো কখনো নিজেরা মার/বকা খেয়ে। সুস্থ পরিবারে সুস্থ সন্তান বড় হয়, এটাই তো না? বউদের মনে চায়, আসো একটু পাহাড় দেখে আসি। পুরুষ ভয় পায়, কাকে রেখে কাকে নিবে, নেয়ই না তাই। বউদের শখ আহ্লাদ সব মাটি কইরা অপেক্ষা করতে হয়, করতে করতে একদিন তাদের সুখ আসে। বয়স যখন ত্রিশ পাড়। বউটা এসেছিলো ষোলোতে-কুড়িতে। সে জাতার কলে পিষ্ট হইতে হইতে ভীষণ টক্সিক একটা মানুষে পরিণত হয়। পুরুষ কিন্তু পারতো। যদি তারে পুরুষের ফিতরাতে গড়া হইতো। যদি বালেগ হইলে তারে বাজারে পাঠাইতো, অসুখ হইলে বলতো, বাপ আমারে ডাক্তারে নিয়ে যা। বাপ! দেখ তো আমার রিপোর্টগুলো, খোঁজ কোথায় দেখাবো। বাপ! তোর আত্নীয়রা আসবে, পুরা আয়োজন তোর দায়িত্বে। আমি শুধু রান্না করবো। না! বাপরে তারা শেখায় না। তাই পুত্র তাদের পয়ত্রিশে, চল্লিশে এসেও মানসিকভাবে প্রতিবন্ধী। সে বউ শ্বাশুড়ির ঝামেলা মিট করতে গিয়ে পুরা এলাকায় গ্যাঞ্জাম লাগায়া ফেলে। সে জানে না, কিভাবে সিদ্ধান্ত নিতে হয়। সে জানে না, ফীল করে না, কনফিডেন্টলি সিদ্ধান্ত নেওয়ার গুরুত্ব কি। সে বউটাকে মায়ের কাছে, কিংবা মা'কে বউয়ের কাছে দিনভর ছাইড়া দেয়। দুইটা বারুদ একসাথে হয়ে আগুন জ্বলে দিনের পর দিন। পুরা কাহিনী উল্টাও হয়, মায়ের দুঃখ দেখে না, খেদমত জানে না, বউ খারাপ। কিন্তু সমাধান করতে পারে না। কিসের এতো ভয়!? আল্লাহর বেঁধে দেওয়া সীমানাটাই জানে না, অনুভব করে না। দ্বীন বুঝে কিন্তু সমাজের মানুষের কথারে শরীয়তের চেয়ে বেশি মানে। সমাজ বলবে, তমুক আলাদা হইছে, সমাজ বলবে বউ ছাইড়া দিছে, সমাজ বলবে এই সেই! যদি তুমি না-হক্বের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে না পারো, তুমি তো তোমার দায়িত্ব পালন করতেছো না। রাস্তায় একটা মানুষ খুন হয়ে যাচ্ছে, তুমি যেন অন্ধ। সমাজে জুলুমের পর জুলুম। তুমি শুধু খাও-দাও-ঘুমাও। তোমার দ্বীন কি, কয়টা নিয়ম পালন! তোমার তো ইতিহাস পড়া, শেখা, নিজের মধ্যে প্রয়োগ করার দরকার ছিলো। সরকার জুলুম করে, তুমি ভয়ে নাম নাও না, তুমি কম্ফোর্ট জোনের পূজারী হয়ে গেছো। তুমি রাস্তায় নামতে ভয় পাও, উদ্যোগে নামতে ভয় পাও। নারীর দায়িত্ব ঘরের মধ্যে, স্বামী, সন্তান, সংসার, পরিবার। কিন্তু বাহিরটা কে সামলাবে? কার দায়িত্ব! আল্লাহ যে বলছে, পুরুষ নারীর উপর দায়িত্বশীল। এই আয়াতটা বুঝে বুঝে পড়লানা কেন? তুমি বাপু দিনভর খবর পড়তে পারো, আড্ডা দিতে পারো ফাও টপিকে, চান্দা দিতে পারো ভয় পেয়ে, তোমার সময় কই কুরআন জানার, বোঝার, সীরাত পড়ার, সীরাত নিয়ে কথা বলার। বলবা কেন? এইগুলা বললে তো মানুষ জেনে যাবে! সব সত্যি জেনে যাবে! তোমাদের ব্যর্থতা বুঝে যাবে। এইজন্য তোমাদের ঘর পড়াশোনা জানা বউ আনে না। সে তো সত্যি বলবে, হক্ক কথা বলবে। — [ লেখা : Ummu Abdullah ]
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম ঐ ব্যক্তি; যে কুরআন শিখে এবং অন্যকে শিখায়। (বোখারী, হাদীস - ৫০২৭)
আল্লাহ হেফাজত করুন আমিন
আহ! ভাঙা যাচ্ছে না কাচের জানালা!
শাওয়ালের ছয়টি রোজা রাখার ফজিলত নিয়ে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদেরকে একটি অপূর্ব সুসংবাদ দিয়েছেন। তিঁনি বলেছেন, “যে ব্যক্তি রমজানের রোজা রাখল, তারপর শাওয়াল মাসে ছয়টি রোজা রাখল, সে যেন পুরো বছরের রোজা রাখল।” — সহিহ মুসলিম, হাদিস : ১১৬৪ এ হাদিস থেকে বোঝা যায়, রমযান মাসের পর শাওয়ালের ছয় রোজা রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি আমল। কারণ আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা'আলা অল্প আমলের মাধ্যমে তাঁর বান্দাদের জন্য অনেক বেশি সওয়াবের ব্যবস্থা করে রেখেছেন। এই রমজানের রোজার পর এই ছয় রোজার মাধ্যমে পুরো বছর রোজা রাখার সওয়াব পাওয়া যায়— এটা নিঃসন্দেহে এক বিশেষ নিয়ামত। উলামাগণ বলেন, রমজানের এক মাস রোজা রাখার সওয়াব দশ মাস রোজা রাখার সমান (কারণ, একটি আমলের বদলা দশগুণ)। এরপর শাওয়ালের ছয় রোজা রাখলে আরও ষাট দিনের সওয়াব হয়। অর্থাৎ পুরো বছরের ১২ মাসের সওয়াব সম্পূর্ণ হয়ে যায়। এই ছয়টি রোজা একসাথে রাখলেও হবে, আবার পৃথক পৃথক দিনেও রাখা যাবে। তবে উত্তম হলো, রমজানের কাজা রোজা থেকে আগে শোধ করে নেওয়া এবং তারপর শাওয়ালের ছয় রোজা রাখা। আল্লাহ আমাদের সবাইকে এই মহান আমলটি করার তাওফিক দান করুন। আমিন।