tgindex
Sumon Ahmad Articles

Sumon Ahmad Articles

Статистика

লেখতে আলসেমি লাগে। অনেক কিছু লেখতে চাই। কিন্তু হয়েও হয়ে উঠে না। এখন থেকে নিয়মিত এখানে লিখবো।

Последний пост
10 авг.
Последнее чтение
15 авг.
Постов за неделю
0
Всего постов
20
Тип
открытый
Язык
bn
Категория
Новости и СМИ (по похожим)
В каталоге с
13 авг.
Подписчики
1 119
−1 за 5 дн.
Сутки
+2
+0,18%
Неделя
 
Месяц
 
Просмотров на пост
1 826
20 постов
Вовлечённость
163,2%
к подписчикам
Постов в день
0,0
всего 20
Упоминаний
1
каналов
Охват размещения
оценка
1/24сутки в ленте
3 490
1/48двое суток
3 999
1/72трое суток
4 313

Оценка по просмотрам недавних постов: пост набирает почти всё за первые сутки.

Посты

  • 10 авг.1 70259

    Late Night Post- পুরুষ মানুষের লাইফটা কাইন্ড অফ এফোর্টের উপর দাঁড়ায়া আছে। আপনার এফোর্টের রেশিওই ধীরে ধীরে আপনার সাকসেস রেট, আপনার স্ট্যান্ডার্ড, এমনকি আপনার ফ্যামিলির লাইফস্টাইল পর্যন্ত ক্যারি করে। এই যে প্রচণ্ড গরম যাচ্ছে, বিদ্যুৎ ঠিকমতো থাকতেছে না, এই সিচুয়েশনে আপনার ফ্যামিলির জন্য অন্তত একটা চার্জিং ফ্যান, সামর্থ্য থাকলে ইনভার্টার আরো ভালো হয় এসি। এগুলার ব্যাবস্থা করে দেওয়া আপনার এফোর্টে থাকা উচিত। আপনার ফ্যামিলির কোনো দ্বায় নেই আপনাকে কিছু রিটার্ন দেওয়ার। তবুও মা-বাবার কেয়ার, তাদের ট্রিটমেন্ট, প্রয়োজনে এক্সট্রা কাজের লোকের অ্যারেঞ্জমেন্ট এসব আপনারই কাধেঁ আইসা পড়ে। স্ত্রীকে দেশ বিদেশ ঘুরতে নিয়া যাওয়া, ভালো খাবার খাওয়ানো, তার লাইফটা একটু সফট করা, সন্তানকে শুধু দুধে-ভাতে না রেখে একটা অপারচুনিটি-রিচ এনভায়রনমেন্টে বড় করাটাও আপনার এফোর্টে থাকা উচিৎ। সবকিছু একদিনে হবে না, এইটা সবাই জানে। কিন্তু একজন পুরুষ হিসাবে, ছেলে, স্বামী, বাবা কিংবা ভাই- আপনার সবচেয়ে বড় কারেন্সি হইলো কনসিসটেন্ট এফোর্ট। দিনের শেষে পুরুষ মানুষের ভ্যালু তার এফোর্টে। দুনিয়ার কেউ কিছু দিবে না, মনেও রাখবে না। তবুও পুরুষ হয়ে জন্মানোর পর সব দায়িত্ব ধিরে ধিরে কাধেঁ আইসা চেপে যাইবে। - সুমন আহমাদ

  • 20 июл.6 16839

    [১] ধিক্কার! শতবার ধিক্কার এই মেরুদণ্ডহীন, গোলাম মানসিকতার পরজীবী জাতিকে। যাদের নিজেদের বলতে কিচ্ছু নাই, তারা অন্যের অর্জনের উচ্ছিষ্ট কুড়িয়ে নিয়ে নিজেদের ধন্য মনে করে। [২] যে জাতির রক্তে লেখা ছিল হাজার বছরের সমৃদ্ধ ইতিহাস, যাদের ছিল শিল্প, সাহিত্য, সংস্কৃতি আর বীরত্বের নিজস্ব রাজত্ব, তারা আজ পরিণত হইছে মানসিকভাবে পঙ্গু, বুদ্ধিবৃত্তিক প্রতিবন্ধী এক খাঁচার পশুতে। বিজাতীয় শাসনের শৃঙ্খল হয়তো একসময় ভাঙছে কিন্তু মস্তিষ্কের ভেতরের দাসত্বকে এরা আপন কইরা নিছে। [৩] বিদেশি কিছু খেলোয়াড়ের জয়ে রাস্তায় কাদামাটিতে গড়াগড়ি খেয়ে কান্না, রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, এমনকি প্রাণহানি কিছুই বাদ যাইনি এই সোনার দেশে। নিজের জন্মদাতা বাবার চেয়ে বিদেশি ফুটবলারকে ‘আব্বা’ ডাইকা আত্মপ্রসাদ পাওয়ার চেয়ে বড় জিল্লতি, এর চেয়ে বড় কুৎসিত দেউলিয়াপনা আর কি হইতে পারে ভাই। এটা স্রেফ কোনো আবেগ নয়, এটা একটা জাতির আত্মপরিচয়ের চূড়ান্ত মৃত্যুঘণ্টা। এটা বিকৃত, দেউলিয়াপনা এক পারভার্টেড মানসিকতার পরিচয়। [৪] আমরা নিজেদের গৌরবান্বিত ইতিহাসকে ডাস্টবিনে ছুইড়া ফেলছি। তাই আজ অন্যের সাফল্যে বিনা বেতনের মাগনা কামলা খাটছি। নিজেদের কোনো অস্তিত্ব নেই, নিজস্ব কোনো অর্জন নেই, স্বকীয়তার মাফকাঠি শূন্য। অথচ মেকি উন্মাদনায় আমরা নাকি বিশ্বজয়ী। [৫] এই দাসত্ব, এই মেকি আবেগ আর এই আত্মপরিচয়হীন মানসিকতার মুখে থুথু দেওয়া উচিত। নিজেদের ইতিহাস ভুলে যারা অন্যের সস্তা বিনোদনের বলির পাঠা হয়, তারা কোনো জাতি নয়, তারা কেবল একদল দিকবিদিকশূন্য, পরিচয়হীন ভবঘুরে শোয়ারের পাল। - সুমন আহমাদ

  • без подписи

  • 16 июл.4 531106

    [১] মাদ্রাসার ইকোসিস্টেমটা স্ট্রংলি সারভাইবাল। এই প্রতিকূলতার মহাসমুদ্র পাড়ি দিয়ে যারা শেষ পর্যন্ত টিকে থেকে বের হয়, তারা আসলেই সমাজের সম্পদ। এরাই আমাদের শ্রদ্ধাভাজন আলেম সমাজ। [২] কিন্তু যারা মাদ্রাসার ডিসিপ্লিন সহ্য করতে না পেরে ছিটকে যায়, স্বয়ং ইবলিশও এদের দেখে ভয় পায়। এরা চরম ভাবে জাহেলিয়াতে ডুবে যায়। [৩] টিকে থাকা ও ঝরে পরার মাঝখানে আরেকটা ক্যাটাগরি আছে যারা পুরোপুরি শয়তান, না মানুষ। এরা হলো এই দুই জগতের এক অদ্ভুত সংকরায়ন। এদের রুচির লেভেল এত নিচে যে, একটা স্ট্যান্ডার্ড বস্তির ছেলেও এদের সামনে এলে নিজেকে জেন্টলম্যান দাবি করবে। এরা হচ্ছে মাদ্রাসার ছাপড়ি। [৪] পার্কের কোণা কিংবা খোলা মাঠে গেলেই এই সংকর প্রজাতির দেখা মিলবে। এই থার্ডক্লাস ক্যাটাগরিটা যেভাবে মিউটেশন ঘটিয়ে বাজারে নেমেছে তাতে, অচিরেই এই দেশের মানুষের কাছে ইসলাম,মাদ্রাসা ও ধর্মীয় পোশাক হাসির বস্তু হবে। ব্যাকগ্রাউন্ডে মিউজিক লাগিয়ে এরা কুরআন-হাদিসের বাণী শেয়ার করছে। কেউ মডেলিং আবার কেউ মাদ্রাসার ক্লাস ও ইমামতি নিয়ে ক্রিঞ্জ রিলস বানাচ্ছে। মাদ্রাসার ক্লাসরুম, শিক্ষক কিংবা ইমামতির মতো অত্যন্ত সংবেদনশীল আর মর্যাদাপূর্ণ বিষয়গুলোকে এরা বানিয়ে ফেলেছে এদের ডেইলি ভ্লগিং কনটেন্ট। [৫] সবচেয়ে বড় ভয়ংকর ট্র্যাজেডি হচ্ছে এই সমস্ত ছাপড়িরাই আমাদের কোনো না কোনো মসজিদের মেহরাব দখল করে বসে আছে। আবার কেউ আমাদের দানের টাকায় চলা মাদ্রাসার শিক্ষক। আপনি মসজিদে জামাতে সিজদায় গিয়েছেন আত্মিক প্রশান্তির জন্য, আর সামনে দাঁড়িয়ে থাকা ইমাম সাহেবটিই টিকটকার ছাপড়ি। আপনার নামাজ হবে কিন্তু মুসল্লি হিসেবে আপনার আত্মিক ও নৈতিক পরিবর্তন কতটা আসবে!! [শেষ আলাপ] ডে বাই ডে, মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যাবস্থায় একটা অসুস্থ ছাপড়ি প্রজন্ম তৈরি হচ্ছে। এদের শুধু টাইপ ফিট জুব্বাই নয় বরং নৈতিক নৈতিকতায় ও ছোটলোক। এই বুদ্ধিবৃত্তিক প্রতিবন্ধীদেরকে দমন না করা গেলে এই ভুখন্ডে মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যাবস্থার চল্লিশা দ্রুতই হবে। - সুমন আহমাদ

  • без подписи

  • [১] কি এক শেকড় ছেঁড়া মেরুদণ্ডহীন প্রজন্ম। নিজেদের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস লিট্রিলি ডাস্টবিনে ফালাই দিয়া এরা মেতেছ এক কৃত্রিম উন্মাদনায়। যে রক্তে একদিন বিশ্ব কাঁপানো বীরত্বের ইতিহাস লেখা হইছিলো, সেই রক্ত আজ ফুটবল মাঠের ৯০ মিনিটের দাসত্বে সস্তা বিনোদন খুঁজছে। [২] মুসলমানের পোলায় রাত জেগে যে সান্তিয়াগো বার্নাব্যু আর ক্যাম্প ন্যু-এর জন্য গলা ফাটায়, অথচ অয় জানেই না ওইটা আসলে ওর বাপ-দাদার জমি। ওইটা আমাদের আল-আন্দালুস, তোমাদের মুসলিম পূর্বপুরুষদের ঘাম আর রক্তে ভেজা পুণ্যভূমি। [৩] তোমাদের কাছে এই বিশ্বকাপটা জাস্ট একটা বিনোদন। অথচ তোমার রাত জাগা ভিউ, তোমার কেনা জার্সি, তোমার স্পনসরশিপের প্রতিটা পয়সা রূপান্তর হচ্ছে ডলারে। আর সেই ডলারের রেভিনিউ সোজা চইলা যাচ্ছে সেইসব সাম্রাজ্যবাদী শক্তির তহবিলে, যারা প্যালেস্টাইন, গাজা, ইরাক, লেবানন আর সিরিয়ায় তোমার ভাই-বোনের বুক ঝাঁঝরা করার জন্য অস্ত্র বানাচ্ছে। [৪] তোমার বিনোদনের টিকিট, সাবস্ক্রিপশনের টাকায় কেনা বুলেটে যখন গাজার কোনো নিষ্পাপ শিশুর খুলি উড়ে যায়, তখন তুমি নিজেকে নির্দোষ ভাবো কী কইরা? এই পরোক্ষ অর্থায়ন কি রক্তের দাগে তোমার হাতকে লাল করছে না? [৫] বিশ্বকাপ উন্মাদনায় যখন তোমরা পাগলা কুত্তার মতো করবে, ঠিক তার বিহাইন্ড দ্য সিনে তোমার খেলা দেখার রেভিনিউয়ে ওই কাফের রাষ্ট্রগুলো অর্থনৈতিকভাবে ফুলে-ফেঁপে উঠবে। তারপর তারা অস্ত্র পাঠাবে ন্যাটোতে কিংবা ইসরায়েলের কাছে। আর সেই অস্ত্র দিয়ে ন্যাটো এবং ইসরায়েল ইরাক, ইরান, গাজা আর লেবাননে তোমার ভাই-বোনদের নির্মমভাবে হ ত্যা করবে। [৬] শুনে রাখো, তুমি ইসলাম এবং মুসলমানদের সাহায্য করতে না পারলেও অপারগতার কারণে হয়তো পার পাইয়া যাবা, কিন্তু তোমার কোনো অহেতুক ও অপ্রয়োজনীয় কন্ট্রিবিউশনে যদি কোনো মুসলিমেরই রক্ত ঝরায়, তবে তোমাকে রোজ হাশরে এর কড়ায়-গণ্ডায় হিসাব দিতে হইবে। সেদিন কারো বাবার ক্ষমতা নেই আল্লাহর আদালতের সামনে এক চুল নড়ার। [৭] সেদিন মেসি, রোনালদো, নেইমাররা জাহান্নামের আগুনে পুড়বে। আর এই কথা যদি তোমার বিশ্বাস করতে কষ্ট হয় কিংবা মানতে দ্বিধাবোধ করো, তবে জাইনা রাখো তুমি তুমি আর মুসলিম নাই। আর হাশরের সেই কঠিন দিনে, তাদের প্রতি এই অন্ধ ভালোবাসার কারণে তুমি নিজেও তাদের সাথে জাহান্নামের আগুনে থাকবা। ওকে চালায়া যাও ভায়া... হিসাবের দিন বেশি দূরে নয়। - সুমন আহমাদ

  • без подписи

  • [১] আমরা অন্ধের মতো যে পশ্চিমা বিশ্বের ব্যক্তিতান্ত্রিকতা আর উন্নত লাইফ পাওনের জন্য মরিয়া, তার মূল ভিত্তিটাই দাঁড়ায়া আছে এক নির্মম শূন্যতার উপর। [২] ওয়েস্টে আজ পরিবার নামক পবিত্র সম্পর্কটি বিলুপ্তপ্রায়। সেখানে জীবনের শুরু হয় ডে-কেয়ারের যান্ত্রিকতায়, আঠারো পার হতেই রক্তের সম্পর্কগুলো লিট্রিলি নাই হইয়া যায়। আর নামে মাত্র যে সমস্ত পরিবার টিকা আছে, সেখানেও নীতিনৈতিকতার বালাই নাই। মেয়ে মা-বাবার সামনে অন্য পোলা আইনা রাত্রি যাপন করে, মা পরপুরুষ আইনা ঘরে তুলে। পুরাই বন্য পশুজাত, এগ্লা এখন ওদের কালচার। [৩] অথচ মহান রব মানব সভ্যতার সূচনাই করেছিলেন পরিবার দিয়ে। ইসলাম উঠে এসেছে পরিবারের মাধ্যমে। ইসলামে পরিবারের গুরুত্ব সর্বাধিক। ইসলাম কোনো বিমূর্ত, থিওরিটিক্যাল দর্শন নয় এটি একটি সম্পূর্ণ এবং নিখুঁত জীবনব্যবস্থা যার হৃদপিণ্ড হইলো পরিবার। তাওহীদের পরেই পিতা-মাতা। মহান আল্লাহ নিজের ইবাদতের ঠিক পরপরই স্থান দিয়েছেন মা-বাবার সেবাকে। পিতামাতা ক| ফের হইলেও তার সেবাযত্ন কর‍তে হবে। পিতামাতা যেনো উফ না বলে, সাবধান! [৪] মিরপুর-১১ নম্বরের ফ্ল্যাট থিকা উদ্ধার হওয়া হতভাগা বৃদ্ধা নুরজাহান বেগমের গলিত, পচনধরা মরদেহটি আমাদের সমাজ, আমাদের প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা এবং তথাকথিত উচ্চবিত্ত লাইফস্টাইলের পচে যাওয়া সিস্টেমের অংশ। কারন এই মহিলার ছেলে মেয়েগুলা বাংলাদেশর পরিস্থিতিতে সর্বোচ্চ শিক্ষিত এবং তারা হাইয়ার সোসাইটিতে বিলং করে। [৫] কিন্তু ওয়েস্টে এগুলা ডালভাত। আমাদের দেশের থেকে ফিউচারে বসবাস করা জাপানে এমন মৃত্যু নিয়ে একটা প্রচলিত টার্ম আছে। ‘কোডোকুশি (Kodokushi)’ বা একাকী মৃত্যু। জাপানে অ্যাপার্টমেন্টের বদ্ধ ঘরে মানুষ মরে পচে যায়, কেউ টের পায় না। [৬] সো, সো-কল্ড অতি আধুনিক লাইফ লিড করা পশ্চিমাদের এই নোংরা আত্মকেন্দ্রিকতাকে প্রগতির নামে গিলতে গিয়ে আমরা আসলে নিজের ঘরের ভেতরই একেকটা জীবন্ত কবর খুঁড়ছি। - সুমন আহমাদ

  • без подписи

  • [১] সামনে আরও একটা বিশ্ব উন্মাদনা আসতেছে, আর সেই সাথে শুরু হচ্ছে এই গ্রহের সবচেয়ে বড় ‘কলেক্টিভ ব্রেনওয়াশ’ প্রজেক্ট। ব্রেনলেস জম্বিদের মতো একদল উন্মাদনা নিয়ে মাঠে নামবে, যারা একটা ভিনদেশী ফুটবল টিমের জন্য নিজের খাওয়া-দাওয়া, রাতের ঘুম, স্বাভাবিক কাজ-কর্ম আর মিনিমাম কমনসেন্স বিসর্জন দিয়ে দেবে। [২] স্রেফ একটা চামড়ার বলের পিছে ২২টা কোটিপতির দৌড়ানি দেখার জন্য এরা নিজের ভাই, নিজের বন্ধু আর প্রতিবেশীর সাথে পাগলা কুকুরের মতো কামড়াকামড়িতে লিপ্ত হবে। কেউ বাপের জমি বেঁচে ভিনদেশের কিলোমিটার লম্বা পতাকা টাঙাবে, আবার কেউ ওই সস্তা প্লাস্টিকের কাপড় বাঁশের মাথায় বাঁধতে গিয়ে ছাদ কিনবা গাছ থেকে পড়ে লাশ হয়ে ফিরবে। [৩] আবারো শুরু হবে রোমানদের থেকে শেখা ‘ব্রেড অ্যান্ড সার্কাস’ টেকনিক। এই উন্মাদনায় আপনাদের চোখ এমনভাবে বেঁধে দেওয়া হবে, যাতে দুনিয়ার আসল ক্রাইমগুলো চোখের আড়াল হয়ে যায়। আপনারা যখন টিভির সামনে বসে পপকর্ন চিবাবেন আর প্রিয় দলের জয়ে হুল্লোড় করবেন, তখন ব্যাকস্টেজে গা [জা] য় চলতে থাকা জেনোসাইডের রক্তের দাগ ধুয়ে ফেলা হবে। আপনারা ভুলে যাবেন ইরানের স্কুলগুলোতে নিষ্পাপ শিশুদের ওপর চালানো সেই রাষ্ট্রীয় বর্বরতা। উন্মাদনার এই সস্তা আফিম খেয়ে আপনারা ভুলে যাবেন ভা রতের একটা একটা করে ঐতিহাসিক মসজিদ ভেঙে কীভাবে সেখানে রামরাজ্যের মন্দির বানানো হচ্ছে। উইঘুর মুসলিমদের কনসেন্ট্রেশন ক্যাম্প, কা শ্মী রের খাঁচায় বন্দি জীবন, আর ইরাক-ফি লি°স্তি°নে র লাশের মিছিল সবকিছু এই এক মাসের ফুটবল শো-ডাউন দিয়ে স্ক্রিনআউট করে দেওয়া হবে। [৪] নিজেদের খুব স্পোর্টিং আর মডার্ন ভাবেন তো? আসলে আপনারা হলেন গ্লোবাল পলিটিক্সের সেই বোকার হদ্দ খদ্দের, যাদেরকে সস্তা এন্টারটেইনমেন্টের ট্যাবলেট খাইয়ে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় বড় ট্র্যাজেডিগুলো ভুলিয়ে দেওয়া হয়। লাখ লাখ মানুষের লাশের ওপর দাঁড়িয়ে যখন ওই ট্রফি উঁচিয়ে ধরা হবে, তখন আপনারা উল্লাস করবেন! এর চেয়ে বড় হিপোক্রিসি আর ব্রেন-ডেড জেনারেশনের উদাহরণ এই মহাবিশ্বে আর দ্বিতীয়টা নাই। - সুমন আহমাদ

  • 20 мая3 980610

    [১] কয়েকদিন আগে ঘরের সিধ কেটে ঢুকে একটা মেয়েকে গ্যাংরেপ করা হইলো, আর গতকাল মিরপুর ১১ তে ক্লাস টু-র একটা বাচ্চাকে জানোয়ারের মতো রেপ করে মাথা কেটে আলাদা করে রেখে দিল। জাস্ট থিংক অ্যাবাউট ইট- প্রতিটা দিন, এই নরকের মতো দেশে এমন পৈশাচিক রেপ আর মার্ডারের যেনো মহোৎসব চলতেছে। যেনো কে সবচেয়ে বেশি ব্রুটাল হইতে পারে। [২] জাতি হিসেবে আমরা নীতিনৈতিকতার সর্বনিম্ন স্তরে আছি। জাতিগত এই অধঃপতনের মেইন ভিলেন কে জানেন! এদেশের থার্ড-ক্লাস পঙ্গু আইন ব্যবস্থা। সেই বৃটিশ আব্বোদের তৈরি করে দিয়ে যাওয়া ‘ল’ আজ এই দেশের মানুষের জন্য জ্যান্ত আজাব হইয়া দাঁড়াইছে। অপরাধী কে, সেটা প্রমানিত হওয়ার পরও এই বালছাল আইনে মামলার রায় আসতেই বছরের পর বছর কাইটা যায়। এরপর আবার সেই কাগজের রায় এক্সিকিউট করতে করতে জানোয়ারগুলার চুলও বাঁকা করা যায় না। [৩] ততদিনে ভিক্টিমের ফ্যামিলি কোর্টের চত্বরে চক্কর খাইতে খাইতে, জুতার তলা আর পকেট দুইটাই খুইয়ে পথের ফকির হইয়া যায়। আর মাঝখান দিয়া ওই সাইকোপ্যাথ ধ র্ষ ক আর খু নিরা টাকার জোরে আর পলিটিক্যাল বাপের পাওয়ারে জামিনে বের হইয়া আসে। এসে আবার বুক ফুলায়া ঘুরে বেড়ায়, আর নতুন কোনো শিকার খোঁজে। [৪] কী কুৎসিত এক জিল্লতির জিন্দেগিতে আমরা ফাঁইসা গেছি। কী একটা অভিশাপ আমাদের ঘাড় মটকে ধরে বসে আছে। এই নরক থেকে আমাদের মুক্তি কবে মিলবে হায়! আইন এখানে ক্রাইমকে সিকিউরিটি দেয় আর ভিক্টিমকে জুতাপেটা করে। এই বিচারহীনতার দেশে আমরা সাধারণ মানুষ কোনো মানুষ না, ডেডবডিতে কিলবিল করতে থাকা কিছু পোকা-মাকড়। ধিক্কার এই নপুংসক সমাজকে। - সুমন আহমাদ

  • без подписи

  • কওমি মাদ্রাসা ব্যাকগ্রাউন্ডের পোলাপাইনদের রগে রগে আমি চিনি। দুইটা চরম মেরুকরণ খুব কাছ থেকে দেখা। একদল কওমির খাঁদ থেকে পিওর সোনা হয়ে বের হয়, আরেকদল টোটাল ম্যানুফ্যাকচারিং ডিফেক্টিভ নষ্টা মাল। এখানেই কওমি নামের এই ধাত্রীঘরের সবচেয়ে বড় প্যারাডক্স। আপনি নিজেই তাকায়া দেখেন, কওমি মাদ্রাসার যে ছেলেটা আসলেই ট্র্যাক ধরে রাখতে পারছে, তার লেভেলের আমলদার, জেন্টলম্যান আর ভালা মানুষ আপনি এই জমানায় খুঁজে পাবেন না। কিন্তু এই লাইন থেকে যে ছিটকে গিয়ে বিগড়ে গেছে, তার কাছে স্বয়ং ইবলিশ'ও ফেইল। এই লাইনের সবচেয়ে ইন্টারেস্টিং আর টক্সিক ক্যারেক্টার হলো কওমি আর মাদ্রাসাছাপ কিছু 'জাতে ওঠা' সুশীল হাইব্রিড। এরা না খাটি মোল্লা না প্রগতিশীল ম্লাউন। এরা হইলো এই দুইটার ব্লেন্ড। এরা নারীদের সাথে নোংরা ঢলাঢলি করবে, আবার পরক্ষণেই আইডিতে নাতে রাসূল গেয়ে স্পিরিচুয়াল ভাইব নেবে। একদিকে মিউজিক আর ফ্রি-মিক্সিংয়ের, অন্যদিকে হাদিস-কুরআন নিয়ে সস্তা সুশীলতার বয়ান। টোটালি জগা-খিচুড়ি। ইসলামের সবচেয়ে বড় ড্যামেজটা কিন্তু এই ছদ্মবেশী কালসাপ'রাই করতেছে। ধর্মের মোড়কে এরা আসলে শেষ জামানার সেই আলেম সমাজ, যারা আসমানের নিচে আর জমিনের ওপরে এই মহাবিশ্বের সবচেয়ে নিকৃষ্ট এবং জঘন্যতম জাত। এরাই সবার আগে ধর্মকে বিকৃত করে আর বাকিরা এদের রেফারেন্সেই ইসলাম কোপয়। - সুমন আহমাদ

  • без подписи

  • 17 мая4 031311

    [১] পুরুষ জাতি সৃষ্টির মাথা, নারী জাস্ট পুরুষের কোম্পানি (সঙ্গদাতা)। দুনিয়াতে নারীদের অপিনিয়ন সফট টাইমে চলে, হার্ড টাইমে ওম্যান ভয়েস কোনো ভ্যালু ক্রিয়েট করে না। হ্যাঁ তারা মতামত দিতে পারে কিন্তু ডিসিশন মেকার পুরুষই। [২] সফট টাইমে ড্রয়িংরুমের সোফায় বসে চায়ের কাপে চুমুক দিয়ে, সমঅধিকার আর নারীবাদী তত্ত্বের অপিনিয়নের বাজার জমে ভালো। কিন্তু যখন অস্তিত্বের সংকট দেখা দেয়, তখন সমস্ত তত্ত্ব মাঠে মারা যায়। [৩] ইউক্রেন-রাশিয়ায় যুদ্ধের শুরুতে আমরা ইউক্রেনীয় ফেমিনিস্টদের ডাবল স্ট্যান্ডার্ড দেখেছি। তারা যুদ্ধের আগে নারী-পুরুষ সমান অধিকার চাইলেও, যুদ্ধ শুরু হতেই তারা আবার অবলা ঘরবন্দী নারী হয়ে গিয়েছিলো। অথচ ১৮-৬০ বছর বয়সী পুরুষদের দেশ ত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছিলো। [৪] দিনশেষে প্রকৃতির নিয়ম এটাই,নারী-পুরুষের সমানাধিকারের বড় বড় লেকচার এসি রুমে বসে দেওয়া যায়, কিন্তু তপ্ত রণাঙ্গনে বুক চিতিয়ে লড়াইটা পুরুষকেই করতে হয়। অস্তিত্ব আর জীবন-মরণের সংকটে ইকুয়ালিটির থিওরি খাটে না ভাই। সো নারীবাদী, ফেমিনিস্ট যাই দেখেন না কেন, এগুলা জাস্ট সফট টাইমের আলাপ। হার্ড টাইমে পুরুষই নিয়ন্ত্রক। [৫] ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র খুব বাজেভাবে ফেঁসে গেছে, ইউরোপ-ন্যাটো কেউ পাশে নাই। চীনকে মেনেজ করতে পারলে ইরানকে মোটামুটি বাগে আনা যাবে। আবার এইদেকে ইরানকে দিয়ে মেরিকাকে আরেকটু বেকায়দায় ফালাতে পারলে চীনের সুপার পাওয়ার হওনের স্বপ্ন লাফিয়ে কয়েক ধাপ আগায়া যাবে। সো এই বৈঠক পৃথিবীর দুটা সুপার-পাওয়ার জাতির জন্য কতটা গুরুত্বপূর্ণ তা আর বলতে হইবো না। আর এ জন্যই দেখেন এখানে কোনো নারী নাই। - সুমন আহমাদ

  • без подписи

  • 14 мая4 486210

    ইসলামী শরিয়তে ‘নস’ বা শরিয়তের স্পষ্ট বিধান যেমন ধ্রুব সত্য, তেমনি ‘উরফ’ বা সামাজিক বৈধ প্রথাও জীবন পরিচালনার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ। যখন কোনো মানুষ কেবল কিতাবের পাতার অধিকার নিয়া রশি টানাটানি শুরু কইরা দিবে, তখন সেখান থিকা মায়া, মহব্বত, রহমত সব বিদায় নিবে এবং থাকবে শুধু শুষ্ক আইনি প্রক্রিয়া। অথচ উরফের কারনে অনেক সময় নস'ও স্থগিত হয় বা আগ-পিছ হয়। কোনো স্ত্রী যদি ফিকহি মাসআলার দোহাই দিয়া সন্তানকে দুধ না খাওয়ায় কিনবা এর জন্য পারিশ্রমিক চায় এবং শ্বশুর-শাশুড়ির সেবা না করে তাইলে স্বামী বাধ্য করতে পারবে না এইটা ঠিক। কিন্তু তারপর পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় সেই স্বামীও যখন ফিকহ ঘাঁটতে শুরু করবে, তখন তো দৃশ্যপট বদলায়া যাবে। কারন ফিহক অনুযায়ী যখন সেই লোক হিসাব কইষা দেখবে, বছরে দু’জোড়া মোটা কাপড় আর ডাল-ভাতের ব্যাবস্থা করলেই স্ত্রীর উপর তার দায়িত্ব শেষ। সে তখন কেন স্ত্রীর শৌখিনতা, গয়না, ঘোরাঘুরি আর ফুসকা-আইসক্রিমের বিলাসিতায় যাবে। স্ত্রীর পক্ষের কোনো আত্মীয় স্বজনকে দাওয়াত দিয়া খাওয়ানো বা খুঁজ খবর নিতেও সে বাধ্য নয়। সর্বশেষ সে দেখবে আরো ৩ টা বিয়ে করলেও স্ত্রী তাকে বাধা দিতে পারবে না। স্বামী যখন দেখবে ঘরের ভেতর সেবার বদলে কেবল আইনের ধারার লড়াই চলছে, তখন তিনি এমন একজনকে খোঁজে আনবেন যে আইন নয়, বরং মমতাকে প্রাধান্য দেবে, স্বামীর সকল বৈধ হুকুম মাথা পেতে নিবে। তার কিছুদিন পর যখন সে দেখবে তার নতুন স্ত্রী যে মাসআলার চেয়েও ইহসান এবং ভালোবাসাকে প্রাধান্য দিয়ে স্বামীর অনুগত করছেন, তখন সেই স্বামীই আবারো ফিকহি মাসআলা মেনেই আগের স্ত্রীকে তিন মাসের ইদ্দতকালীন ভরণপোষণের সহীহ তিন তালাক দিয়া করে দিবেন। Faaaahhhhhhhhhhh

  • без подписи

  • 14 мая3 14038

    [১] Shakib Al Hasan এবং Mashrafe Bin Mortaza চাইলে বাংলাদেশের Imran Khan হইতে পারতো। কিন্তু রক্তে লোভ আর আচরণে বেয়াদবি থাকায়, এরা আজ আওয়ামী প্রোপাগান্ডার একেকটা 'ব্র্যান্ডেড ফুটসোলজার'। ক্ষমতার উচ্ছিষ্ট খেয়ে তাঁরা আজ পচে যাওয়া ব্যবস্থার অবিচ্ছেদ্য অংশ। [২] ইমরান খান পাকিস্তানের কিংবদন্তি ক্রিকেটার এবং বিশ্বকাপ জয়ী অধিনায়ক। ইমরান খানের ব্র্যান্ড ভ্যালু এবং লাইফ-স্টাইল সাকিব-মাশরাফির থেকে শতগুণ এগিয়ে। তবুও ইমরান খান এই এলিটেপনা ত্যাগ করে মিশেছেন মাটির মানুষের সাথে। আজ জেলখানায় পচে মরছেন, তবুও আপসহীন। এই আদর্শিক দৃঢ়তাই তাঁকে বানিয়েছে পাকিস্তানের ইতিহাসের অবিসংবাদিত গণনেতা। [৩] আর সারাজীবন কম্ফোর্টজোনে থাইকা, পুরো ক্রিকেট ক্যারিয়ারে বিভিন্ন ব্লান্ডার, জুয়াড়িদের সাথে সখ্যতা আর বেয়াদবি করার পরেও এ দেশের মানুষ তাঁদের নিঃস্বার্থভাবে ভালোবেসেছিল। কিন্তু সেই ভালোবাসার প্রতিদান তাঁরা দিলেন জালেমের দোসর হয়ে। বাস্তবতা হচ্ছে জালেমের সহযোগিরাও হুবহু জালেম। [৪] হাসিনার মতো একটা সাইকো মহিলার ইমেজ এই দুই ক্রিকেটার রক্ষা করেছে। মন্ত্রিত্বের লোভে নূন্যতম নীতিনৈতিকতার তোয়াক্কা করেনি। চোখের সামনে ঘটা জুলাইয়ের নৃ শং সতা নিয়ে সাকিব বা মাশরাফির কেউই একটা টু-শব্দ করেনি। বরং রাজপথে লা শের পর লা শ যখন পড়ছিল, যাত্রাবাড়ীর বাতাস যখন বারুদ আর র ক্তের গন্ধে ভারি, তখন সাকিব আল হাসান বিদেশের মাটিতে পরিবার নিয়ে প্রমোদভ্রমণের ছবি পোস্ট করে জনগণের কাটা গায়ে নুনের ছিটা দিচ্ছিলেন। আর এদিকে 'নড়াইল এক্সপ্রেস' গুপ্ত হয়ে গিয়েছিলেন। [৫] ভাবতেও চরম ঘৃণা লাগে যে, এত কিছুর পরেও এই দুই কুলাঙ্গারের জন্য আমাদের কিছু বে জন্মা পাব্লিক কেঁদে বুক ভাসায়। সামান্য চার-ছক্কা কিভাবে একটা দেশ, একটা জাতি আর হাজারো নিরীহ মানুষের রক্তের মূল্যের চেয়ে বেশি হয়!? - সুমন আহমাদ

  • 9 мая4 336107

    ২০২৬ সালের গ্লোবাল ফায়ার পাওয়ার (GFP) সূচক অনুযায়ী, ইন্ডিয়া সামরিক শক্তিতে বিশ্বের চতুর্থতম স্থানে। USA, চীন ও রাশিয়ার পরেই ইন্ডিয়ার অবস্থান। পারমাণবিক শক্তির পরেও ওদের অগ্নি-৫ নামক ইন্টারকন্টিনেন্টাল ব্যালিস্টিক মিসাইল (ICBM) আছে। ব্রহ্মস (BrahMos) নামক সুপারসনিক ক্রুজ মিসাইল আছে। আরো অনেক কিছুই আছে যার জন্যই ওরা চতুর্থ স্থানে। আপনাকে এই বাস্তবতা স্বীকার করতেই হবে, এটা অস্বীকার করার কোনো ওয়ে নেই। ওদের এই বিশাল শক্তির সামনে বাংলাদেশ কিছুই না। কেউ যদি বলে ইন্ডিয়া বাংলাদেশকে দখল করতে পারবে না তাহলে ধরে নিবেন সে ওদের'ই দালাল। ওয়েল, এজ এ বাঙ্গু আপনার চেতনা ছাড়া কিছুই নেই। ওরা আজ হোক বা কাল আপনার কাছে আসবেই (এটা গ্রেট প্রফেসি)। কিন্তু ওদেরকে মোকাবিলা করার একটা শক্তিশালী অস্ত্র আপনারও আছে। আর সেটা হচ্ছে ওরা মালায়ন আর আমরা মুসলমান, আমরা শাহ-জালালের পোলা আর ওরা লক্ষণ সেনের বংশধর, আমরা তিতুমীরের ভাই ওরা ফিরিঙ্গিদের ফুট সোলজার। ‘আপনি মুসলমান’ এই পরিচয় ছাড়া দুনিয়ার আর কোনো অস্ত্র নিয়েই ওদের সামনে টিকতে পারবেন না। - সুমন আহমাদ