- Последний пост
- 12 авг.
- Последнее чтение
- 13 авг.
- Постов за неделю
- 3
- Всего постов
- 23
- Тип
- открытый
- Язык
- bn
- В каталоге с
- 13 авг.
- 1/24сутки в ленте
- 102
- 1/48двое суток
- 116
- 1/72трое суток
- 126
Оценка по просмотрам недавних постов: пост набирает почти всё за первые сутки.
Посты
মদীনার আশেকানদের জন্য সামান্য তোহফা! একদম হুবহু মগটা এরাবিকো তৈরি করছে আলহামদুলিল্লাহ! ঢুঁ মেরে আসতে পারেন, চমৎকার কিছু পাবেন ইনশাআল্লাহ। পেজ: Arabico
লোডশেডিংয়ে অতিষ্ঠ হয়ে রেললাইনে গিয়ে ঘুম, কাটা পড়ে দুই যুবকের মৃ*ত্যু।
আলিয়ার মাদ্রাসার অবস্থা কত ভয়াবহ—এইবার মেট্রিকের রেজাল্টে বের হয়ে এসেছে। ২২৬টা মাদ্রাসার একজনও পাশ করে নাই, যা আগের বছরের তুলনায় ৩ গুণেরও বেশি (৮৪)। ৯টা স্কুল বোর্ডে এমন স্কুলের সংখ্যা যেখানে সাতান্নটা মাত্র, সেখানে মাদ্রাসার একটা বোর্ডের অবস্থা এর ৫ গুণ খারাপ। এমনকি কারিগরি বোর্ডের থেকেও খারাপ (২৯টা)। এমনকি মাদ্রাসায় পাশের গড়ও এবার অনেক কম ৫৫ ভাগ মাত্র, যেখানে স্কুলের পাশের গড় ৬৪; যা আগের বছরগুলোর তুলনায় পুরাই উল্টা। গত বছরও মাদ্রাসায় পাশের হার ছিল ৬৮, এর আগে ছিল ৭৯, এর আগে ছিল ৮২%। বুঝতে পারছেন? এই ঘটনার কারণ কী বলে মনে হয়? এমনিতে গ্রামের দিকের আলিয়া মাদ্রাসাগুলোর অবস্থা ভয়াবহ। যেই ছেলে স্কুলে পরীক্ষা দিলে নিশ্চিত ফেল করবে কিংবা একবছর ফেলও করছে, তাকে এনে মাদ্রাসায় ভর্তি করানো হয়। টিচারদের বেশিরভাগ না আরবি জানে, না ফিকহ, না বাংলা–গণিত–ইংরেজি। অধিকাংশ শিক্ষক মাঠে গরু বেঁধে গাইড পড়ে পড়াতে আসে। আবু বকরের অর্থ বলে—গরুর বাপ। শিক্ষার্থীদের যারা একটু আগ্রহী তারা স্কুলের বা কলেজের ভালো টিচারদের কাছে প্রাইভেট পড়ে। আরেকটা বিষয় গোপনে কাজ করে, তা হলো, পরীক্ষার আগে আগে প্রেস বা অন্য কোথাও থেকে প্রশ্নপত্র কোড আকারে ফাঁস হয়, কেউ জানে না। মোবাইলে মোবাইলে চলে। শুধু নম্বরগুলো যায় আর কি। যেমন প্রথম অধ্যায়ের চার নং হলে ১.৪—এভাবে। অনেক ক্ষেত্র শিক্ষকরা হেল্প করেন। এবার মনে হয় এইটা হয় নাই। আলিয়ার মাদ্রাসায় এমন মড়ক লাগবে, ভাবি নাই। এইখানে বড় বড় কয়েকটা মাদ্রাসা বাদ দিলে না আলেম হবে, না জেনারেল ধারার কিছু হবে। এরা জেনারেলদের চেয়ে বেশি সাবজেক্টে পরীক্ষা দেয়, কিন্তু সবই লবেডঙ্কা হালত। আলিয়ার শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা সরকারি যে সুযোগ–সুবিধা পায়, যে–সকল অপচুনিটি তাদের সামনে থাকে, সেই সমান যদি কওমি মাদ্রাসা পেত, তাহলে দেশে ইসলামি ভাবধারার শিক্ষার চেহারা বদলে যেত। সরকার সেটা করবে না, কারণ, তার কিছু নামকাওয়াস্তে মলুভি লাগবে, যারা পুলিশের মতো যেই সরকারই আসবে, তাদের গুণগান করবে। ✍️লিখেছেন : Manzurul Haque সহসম্পাদক : দৈনিক প্রথম আলো
без подписи
без подписи
রাতের আল-আকসা মসজিদ।।
ইরানের গণমাধ্যম যুক্তরাষ্ট্রের ভূপাতিত একটি F-15E যুদ্ধবিমানের ধ্বংসাবশেষের ছবি প্রকাশ করেছে। এই যুদ্ধবিমানটি গত এপ্রিল মাসে ভূপাতিত হয়েছিল। এ ঘটনার পর যুক্তরাষ্ট্র একটি বড় ধরনের উদ্ধার অভিযান চালিয়ে বিমানের দুই পাইলটকে সফলভাবে উদ্ধার করে।
এক পাগলের গল্প... শুক্রবার - ট্রাম্প: আমি ইরানে বিশাল হামলা করার পরিকল্পনা করেছি আজ রাতেই আসবে সেই আক্রমণ। শনিবার - ট্রাম্প: আরব নেতারা আমাকে ফোন করে আক্রমণ না করতে অনুরোধ করেছি তাই আক্রমণ করিনি। (পেন্টাগন- আসলে এরকম কোন পরিকল্পনাই ছিল না।) (আরব দেশগুলো- আমরা কেউ তো ট্রাম্পকে ফোন করি নাই) রবিবার - ট্রাম্প: আমি আক্রমণ করার হুমকি দিয়ে ইরানকে ভয় দেখিয়েছিলাম যেন ইরান আলোচনার টেবিলে আসে। এখন ইরান আলোচনা টেবিলে আসা শুরু করেছে। সোমবার - ট্রাম্প: ইরান আমাদের সাথে এখন আলোচনা করছে। চুক্তি করতে প্রস্তুত! (ইরান - আমরা ট্রাম্পের সাথে কোন আলোচনা তো দূরের কথা তার নামও তো মুখে আনিনি। (মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় - ইরানের সাথে কোনও আলোচনা চলছে না) মঙ্গলবার -ট্রাম্প: ইরানের মত এতো বড় মিথ্যাবাদী আর নেই। শুক্রবার বলে এক কথা, শনিবার বলে আরেক কথা, রবি বার বলে আবার আরেক কথা এর সোমবার গিয়ে বলে উল্টো কথা। এর কথার উপর ভরসা করা যায় না।
মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি: বদলে যেতে পারে শক্তির ভূগোল ভূগোল কখনোই শুধু মানচিত্রের রেখা নয়। রাষ্ট্রের নিরাপত্তা, বাণিজ্য, জ্বালানি, সামরিক সক্ষমতা এবং কৌশলগত প্রভাব—সবকিছুর সঙ্গেই ভূগোলের গভীর সম্পর্ক রয়েছে। ফলে তুরস্ক, সৌদি আরব ও পাকিস্তানকে ঘিরে সম্ভাব্য একটি প্রতিরক্ষা কাঠামো নিয়ে আলোচনা যতই সামনে আসছে, ততই প্রশ্ন উঠছে—এটি কি শুধু একটি সামরিক সহযোগিতা, নাকি বৃহত্তর কোনো শক্তিবলয়ের সূচনা? মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিকে ঘিরে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সম্ভাবনাটি সামরিক জোটের বাইরে। তুরস্কের সামরিক শিল্প, পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা উৎপাদন সক্ষমতা এবং সৌদি আরবের বিপুল আর্থিক সম্পদ—এই তিনটি উপাদান যদি দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত সহযোগিতার আওতায় আসে, তাহলে একটি নতুন ধরনের প্রতিরক্ষা-অর্থনীতি গড়ে উঠতে পারে। তুরস্ক গত এক দশকে ড্রোন, সাঁজোয়া যান, নৌযান ও বিভিন্ন সামরিক প্রযুক্তিতে নিজস্ব সক্ষমতা বাড়িয়েছে। পাকিস্তানের রয়েছে দীর্ঘদিনের বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র উন্নয়ন অভিজ্ঞতা। অন্যদিকে সৌদি আরবের অর্থনৈতিক সক্ষমতা এবং প্রতিরক্ষা খাতে বড় বিনিয়োগের সামর্থ্য রয়েছে। এই তিন দেশের সক্ষমতার সমন্বয় হলে যৌথ গবেষণা, প্রযুক্তি বিনিময়, প্রতিরক্ষা উৎপাদন ও সরবরাহব্যবস্থায় নতুন সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে। এখানে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হলো—পশ্চিমা প্রযুক্তি ও অস্ত্রের ওপর নির্ভরতা কি ধীরে ধীরে কমবে? বর্তমান বিশ্বব্যবস্থায় অস্ত্র শুধু প্রতিরক্ষার উপকরণ নয়; এটি কূটনৈতিক প্রভাবেরও হাতিয়ার। কোনো দেশ যদি তার যুদ্ধবিমান, ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন, প্রতিরক্ষা সফটওয়্যার কিংবা গোলাবারুদের জন্য দীর্ঘদিন অন্য দেশের ওপর নির্ভরশীল থাকে, তাহলে সংকটের সময় সেই নির্ভরতা কৌশলগত দুর্বলতায় পরিণত হতে পারে। ইউক্রেন যুদ্ধ, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত এবং সাম্প্রতিক বৈশ্বিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা এই বাস্তবতাকে আরও স্পষ্ট করেছে। তবে পশ্চিমা সহযোগিতাকে সরাসরি ‘পরাধীনতা’ হিসেবে দেখাও বাস্তবতার অতিসরলীকরণ। তুরস্ক নিজেই ন্যাটোর সদস্য; সৌদি আরবের নিরাপত্তা কাঠামোও দীর্ঘদিন পশ্চিমা রাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত। পাকিস্তানের ক্ষেত্রেও যুক্তরাষ্ট্র, চীন ও অন্যান্য শক্তির সঙ্গে বহুমাত্রিক সম্পর্ক রয়েছে। ফলে নতুন কোনো প্রতিরক্ষা কাঠামো তৈরি হলেও সেটি রাতারাতি পশ্চিমবিরোধী জোটে পরিণত হবে—এমন ধারণা বাস্তবসম্মত নয়। বরং সম্ভাব্য পরিবর্তনটি হতে পারে বহুমুখী কৌশলগত স্বনির্ভরতা। অর্থাৎ কোনো একটি শক্তির ওপর সম্পূর্ণ নির্ভর না করে নিজেদের মধ্যে প্রযুক্তি, অর্থ, প্রতিরক্ষা উৎপাদন ও কৌশলগত সহযোগিতার নেটওয়ার্ক তৈরি করা। এই জায়গাতেই আসে ভূগোলের প্রশ্ন। তুরস্ক ইউরোপ, মধ্যপ্রাচ্য ও ককেশাসের সংযোগস্থলে। পাকিস্তান দক্ষিণ এশিয়া, মধ্য এশিয়া ও আরব সাগরের প্রবেশপথে। সৌদি আরব মধ্যপ্রাচ্যের কেন্দ্রীয় অবস্থানে এবং বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি অঞ্চলের অন্যতম নিয়ন্ত্রক। এই তিন দেশের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি সহযোগিতা তৈরি হলে তা সরাসরি শুধু তিনটি দেশের সম্পর্ক থাকবে না; মধ্য এশিয়া, উপসাগরীয় অঞ্চল, দক্ষিণ এশিয়া এবং উত্তর আফ্রিকার ওপরও তার প্রভাব পড়তে পারে। সামরিক সহযোগিতার সঙ্গে যদি বন্দর, জ্বালানি, যোগাযোগ, প্রতিরক্ষা শিল্প, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার প্রযুক্তি ও মহাকাশ গবেষণা যুক্ত হয়, তাহলে একটি প্রতিরক্ষা চুক্তি ধীরে ধীরে বৃহত্তর অর্থনৈতিক ও প্রযুক্তিগত অংশীদারত্বে রূপ নিতে পারে। তবে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হবে সদস্যদের ভিন্ন স্বার্থ। তুরস্কের আঞ্চলিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা, সৌদি আরবের উপসাগরীয় নিরাপত্তা অগ্রাধিকার এবং পাকিস্তানের ভারতকেন্দ্রিক নিরাপত্তা বাস্তবতা এক নয়। ফলে রাজনৈতিক সমন্বয় ছাড়া শুধু সামরিক চুক্তি দিয়ে একটি স্থায়ী শক্তিবলয় তৈরি করা কঠিন। তবু একটি বিষয় পরিষ্কার—বিশ্বব্যবস্থা ক্রমেই একক আধিপত্য থেকে বহুমেরুকেন্দ্রিকতার দিকে যাচ্ছে। এই পরিবর্তনের যুগে রাষ্ট্রগুলো নিজেদের প্রযুক্তি, প্রতিরক্ষা ও অর্থনৈতিক সক্ষমতা বাড়াতে চাইবে। সেই অর্থে ‘ভূগোল একটি অস্ত্র’—এটি শুধু একটি স্লোগান নয়; এটি ভবিষ্যৎ ভূরাজনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ বাস্তবতা। মক্কাকে কেন্দ্র করে কোনো নতুন প্রতিরক্ষা কাঠামো যদি সত্যিই দীর্ঘমেয়াদি প্রযুক্তি ও অর্থনৈতিক সহযোগিতায় রূপ নেয়, তাহলে তার প্রভাব শুধু সামরিক মানচিত্রে সীমাবদ্ধ থাকবে না। দক্ষিণ এশিয়া থেকে মধ্য এশিয়া, মধ্যপ্রাচ্য থেকে আফ্রিকা—বিশ্বের এই বিস্তৃত অঞ্চলে নতুন শক্তির সংযোগ তৈরি হতে পারে। আর সেই সংযোগ যদি স্থায়ী হয়, তাহলে পরিবর্তিত হতে পারে শুধু জোটের হিসাব নয়—পরিবর্তিত হতে পারে বিশ্বের শক্তির অক্ষও। — মাসুম খলীল
без подписи
без подписи
без подписи
ইরান যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর পাকিস্তান কেবল কূটনীতি করেনি বরং, এপ্রিল ২০২৬-এ তারা সৌদির উপর আক্রমণ ঠেকাতে আর ডিফেন্স জোরদার করতে প্রায় ৮ হাজার সেনা, JF-17 স্কোয়াড্রন, ড্রোন আর এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম পাঠিয়েছে। ঐতিহাসিকভাবেও পাকিস্তানি বাহিনী সৌদিতে প্রশিক্ষণ ও মক্কা মদিনা প্রতিরক্ষায় থাকে। কিন্তু ইরান বা হুথির বিরুদ্ধে অফেন্সিভ অপারেশন করেনি। এখানে কে কাকে সরাসরি মিলিটারি পাঠিয়ে সহযোগিতা করবে, কে কাকে গোয়েন্দা তথ্য দিবে তা সরল রেখায় চলছে না। ইরানকে মক্কা জোটের সৌদি আরব এনিমি রাষ্ট্র হিসাবে দেখলেও, বোথ পাকিস্তান আর তুরস্ক ইরানকে সীমান্ত এক্টিভিটির গোয়েন্দা তথ্য দিচ্ছে। হিসাব কয়েক স্তরের, আর নানান মুখী। এই নুয়ানসগুলি বুঝতে হবে।
মক্কা চুক্তি: সৌদি-তুরস্ক-পাকিস্তান জোট আজ সৌদি আরবের মক্কায় আল-সাফা প্রাসাদে সৌদি ক্রাউন প্রিন্স ও প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন সালমান, তুরস্কের প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফ “মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি” (Makkah Joint Defence Agreement) স্বাক্ষর করেছেন। পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, সৌদি প্রেস এজেন্সি (SPA) এবং তুর্কি সূত্রের যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, চুক্তির মূল উদ্দেশ্য “যেকোনো আগ্রাসনের বিরুদ্ধে সম্মিলিত প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো” এবং “তিন রাষ্ট্রের যেকোনো একটোর বিরুদ্ধে সশস্ত্র আক্রমণকে তিন রাষ্ট্রের সবার বিরুদ্ধে আক্রমণ বলে গণ্য করা”। চুক্তি প্রতিরক্ষা সহযোগিতার সকল দিক সম্প্রসারণের কথা বলেছে, যদিও বাধ্যবাধকতার নির্দিষ্ট সামরিক বিবরণ প্রকাশ করা হয়নি। তুর্কি কর্মকর্তারা এটিকে “সম্পূর্ণ প্রতিরক্ষামূলক” এবং কোনো নির্দিষ্ট দেশের বিরুদ্ধে নয় বলে বর্ণনা করেছেন; এটি অন্য আঞ্চলিক দেশগুলোর জন্যও উন্মুক্ত রাখা হয়েছে।  এই ত্রিপক্ষীয় চুক্তি ২০২৫ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর সৌদি আরব ও পাকিস্তানের মধ্যে স্বাক্ষরিত “কৌশলগত পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তি”র উপর ভিত্তি করে হয়েছে। এই তিন দেশের মিলিটারি ক্যাপাবিলিটি কমপ্লিমেনটারি : সৌদি আরবের আছে অর্থনৈতিক ও জ্বালানি শক্তি, তুরস্ক ন্যাটো-র দ্বিতীয় বৃহত্তম সেনা ও এক্সপ্যান্ডিং দেশীয় ডিফেন্স ইন্ডাস্ট্রি , এবং পাকিস্তান বিশাল গ্রাউন্ড ফোর্স ও পারমাণবিক প্রতিরোধ ক্ষমতা। এই জোট পূর্ণাঙ্গ ন্যাটো-র মতো সমন্বিত কমান্ড বা স্বয়ংক্রিয় সামরিক প্রতিক্রিয়ার বাধ্যবাধকতা সৃষ্টি করে না; বরং প্রতিষ্ঠানিক সহযোগিতা, যৌথ পরিকল্পনা, গোয়েন্দা তথ্য আদান-প্রদান, প্রশিক্ষণ ও প্রতিরক্ষা শিল্প সমন্বয়ের কাঠামো।  চুক্তির আলোচনা প্রায় এক বছর ধরে চলছিল এবং অক্টোবর ২০২৩-এর পর আঞ্চলিক উত্তেজনা বৃদ্ধির সঙ্গে তাল মিলিয়ে এগোচ্ছিল। কিন্তু ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এর যুদ্ধ ও তার পরবর্তী ইরানি প্রতিশোধমূলক হামলাগুলো চুক্তি স্বাক্ষরের আর্জেন্সি এনেছে। এক বছর আগে দ্বিপাক্ষিক চুক্তি যথেষ্ট মনে হয়েছিল এবং আমেরিকান প্রতিরোধের উপর আস্থা তুলনামূলকভাবে বেশি ছিল। ইরান-আমেরিকান যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর বুঝা গেছে যে আমেরিকানদের কাছে সবচেয়ে জরুরি ইজরায়েলের প্রতিরক্ষা। সৌদি আরব বুঝতে পেরেছে আমেরিকা-ইরান আলোচনা/যুদ্ধবিরতির প্রক্রিয়া উপসাগরীয় দেশগুলোর নিরাপত্তা স্বার্থ পুরোপুরি রক্ষা হচ্ছে না। মক্কায় স্বাক্ষর ইসলামি প্রতীকী গুরুত্ব যোগ করেছে এবং পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরের উপস্থিতি সামরিক প্রতিশ্রুতির গভীরতা নির্দেশ করছে। এই চুক্তিতে লেখা নেই যে আক্রমণ হলেই অন্য দুই দেশ সামরিকভাবে সাড়া দিতে বাধ্য। চুক্তিতে কোনো নির্দিষ্ট বাধ্যবাধকতা বা স্বয়ংক্রিয় সামরিক হস্তক্ষেপের ধারা নেই। এটি মূলত শক্তিশালী প্রতিরোধ সংকেত। যা দিয়ে আক্রমণকারীকে ইঙ্গিত দেয় যে তাদের যে কোনও এক দেশকে আঘাত করলে তিন দেশের সম্মিলিত আর্থিক, সামরিক, আর কূটনৈতিক বাধা সামনে আসবে বা আসতে পারে। এই চুক্তি মূলত যৌথ পরিকল্পনা, গোয়েন্দা ভাগাভাগি, প্রশিক্ষণ ও ডিফেন্স শিল্প সমন্বয়ের কাঠামো তৈরি করেছে। প্রয়োজনে সমন্বিত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাও গড়ে তোলা যাবে। কিন্তু চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণে প্রতিটি রাষ্ট্র ইনডিপেন্ডেন্ট। অর্থাৎ, এটি “ন্যাটো আর্টিকেল ৫”-এর মতো বাধ্যবাধকতা নয়। নিঃসন্দেহে এই চুক্তি ইরান এবং ইজরায়েল উভয় রাষ্ট্রের উপর চাপ বাড়িয়েছে। সৌদির ওপর আরও হামলা এখন তিন দেশের সম্মিলিত হিসাবের মুখে পড়বে। তাই এই দুই দেশের আক্রমণের হিসাব আরও জটিল হয়েছে। যেটা আমি আগেই বলেছি। আমেরিকাও বুঝতে পারছে উপসাগরীয় দেশগুলো এখন শুধু ওয়াশিংটনের ওপর নির্ভর করছে না। আর ইউএই এখন পর্যন্ত ইসরায়েল-আমেরিকা অক্ষেই আছে। যেহেতু এই জোটকে নেতৃত্ব ডিশে সৌদি আরব, তাই ইউএইর আপাতত এই জোটে যোগ দেয়ার সম্ভাবনা কম। আর যোগ দিতে হলে তাদের ফরেন পলিসিকে নতুন ভাবে সাজাতে হবে। আরেকটা ব্যাপার ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এ আমেরিকা-ইসরায়েলের ইরান হামলার পর ইরান ও হুথিরা সৌদি আরবে বারবার ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে, তেল স্থাপনা ও নৌপথ আক্রান্ত হয়েছে। তবু পাকিস্তান সরাসরি যুদ্ধে নামেনি। কারণ পাকিস্তানের ইরানের সঙ্গে সীমান্ত আছে, দেশে বড় শিয়া জনগোষ্ঠী আছে, আফগানিস্তান সীমান্তে নিজস্ব সমস্যা চলছে, নিজে অর্থনীতি চাপে আছে। সরাসরি যুদ্ধে জড়িয়ে পড়লে পাকিস্তানের নিজের নিরাপত্তা ঝুঁকিতে পড়বে। তাই তারা “রেড লাইন” বলে সতর্ক করেছে, মধ্যস্থতা করেছে, কিন্তু যুদ্ধে নামেনি। চুক্তির আওতায় যুদ্ধে নামার কোনও বাধ্যবাধকতা নেই। জোটের প্রতিটি রাষ্ট্র তাদের স্বার্থ বিবেচনা করে ডিসিশন নিবে।
без подписи
без подписи
без подписи
без подписи
без подписи
без подписи