tgindex
Muslim Inspiration Official

Muslim Inspiration Official

Статистика

❝Official Telegram Channel❞ Our Youtube Channel — https://youtube.com/c/MuslimInspirationForIbadah Our Facebook Page — https://www.facebook.com/MuslimInspirationForIbadah

Последний пост
14 авг.
Последнее чтение
15 авг.
Постов за неделю
4
Всего постов
27
Тип
открытый
Язык
bn
Категория
Видео
В каталоге с
13 авг.
Подписчики
2 361
+2 за 2 дн.
Сутки
0
0,00%
Неделя
 
Месяц
 
Просмотров на пост
452
26 постов
Вовлечённость
19,1%
к подписчикам
Постов в день
0,6
всего 27
Упоминаний
1
каналов
Охват размещения
оценка
1/24сутки в ленте
133
1/48двое суток
152
1/72трое суток
164

Оценка по просмотрам недавних постов: пост набирает почти всё за первые сутки.

Посты

  • মুসান্নাফ ইবনে আবী শাইবা-তে একটি দুআ আছে— اَللّهُمَّ اشْفِنِيْ مِنَ النَّوْمِ بِيَسِيْرٍ، وَارْزُقْنِيْ سَهَرًا فِيْ طَاعَتِكَ . (15/302) ‘ইয়া আল্লাহ, সামান্য ঘুম দ্বারাই আমার প্রয়োজন পূরণ করুন এবং আপনার আদেশ পালনে রাত্রিজাগরণের তাওফীক দিন।’ . সুস্থতা ও কর্মক্ষমতা রক্ষা করার জন্য ঘুমের প্রয়োজন রয়েছে। তবে আল্লাহ যদি চান তাহলে তিন চার ঘন্টার ঘুমেও আট ঘন্টার সুফল দান করতে পারেন। যাতে তাহাজ্জুদ ও তেলাওয়াত এবং অধিক মুতালাআর সুযোগ পাওয়া যায়। বুযুর্গ তাবেয়ী হাম্মাম ইবনুল হারিছ ও মি’যাদ এই দুআ করতেন এবং নামকেওয়াস্তে সামান্য ঘুমিয়ে রাতভর তাহাজ্জুদ পড়তেন। —মাওলানা আব্দুল মালেক দা.বা.

  • এই দুটি হাদিস জীবন নিয়ে ভাবনা বদলে দেয়ার জন্য যথেষ্ট হবে ইন শা আল্লাহ্। আবান বিন উসমান হতে বর্ণিতঃ জায়দ বিন সাবিত (রাঃ) দুপুরের সময় মারওয়ানের নিকট থেকে বের হয়ে এলে আমি ভাবলাম, নিশ্চয় কোন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় জানার জন্য এ সময় তিনি তাকে ডেকে পাঠিয়েছেন। আমি তাকে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর নিকট আমাদের শ্রুত কতক হাদিস শোনার জন্য মারওয়ান আমাদের ডেকেছেন। আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে বলতে শুনেছিঃ পার্থিব চিন্তা যাকে মোহগ্রস্ত করবে, আল্লাহ তার কাজকর্মে অস্থিরতা সৃষ্টি করবেন, দরিদ্রতা তার নিত্যসঙ্গী হবে এবং পার্থিব স্বার্থ ততটুকুই লাভ করতে পারবে, যতটুকু তার তাকদীরে লিপিবদ্ধ আছে। আর যার উদ্দেশ্য হবে আখিরাত, আল্লাহ তার সবকিছু সুষ্ঠু করে দিবেন। তার অন্তরকে ঐশ্বর্যমণ্ডিত করবেন এবং দুনিয়া স্বয়ং তার সামনে এসে হাজির হবে! [সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদিস নম্বর ৪১০৫, সহিহ] আবদুল্লাহ বিন মাসঊদ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ আমি তোমাদের নবী (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি: যার চিন্তার কেন্দ্রবিন্দু হবে আখিরাত, তার পার্থিব চিন্তার জন্য আল্লাহই যথেষ্ট হয়ে যান। আর যে ব্যক্তি দুনিয়ার চিন্তায় মোহগ্রস্ত থাকে তার যে কোন উপত্যকায় বা প্রান্তরে ধ্বংস হয়ে যাওয়াতে আল্লাহর কোন পরোয়া নাই। [সুনানে ইবনে মাজাহ, ৪১০৬, হাসান।] (হাদীস সমূহ সংগৃহীত) আমাদের চিন্তা-ভাবনা, লক্ষ্য, উদ্দেশ্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ। আল্লাহ্ তো আমাদের দিল দেখেন। আমাদের অন্তরে থাকা সবকিছু জানেন। আমরা কি আখেরাতকেই প্রাধান্য দিয়ে, উদ্দেশ্য লক্ষ্য বানিয়ে দুনিয়ায় আল্লাহর অনুগত থাকার চেষ্টা করছি! সেটাই নিয়মিত ভেবে দেখতে হবে এবং খুব করে দুয়া করতে হবে নিজেদের জন্য..

  • বাসার পাশের আংকেল ফজরে মসজিদ থেকে বের হতে হতে বলছিলেন, ৫ দিন হাসপাতালে ছিলাম, পরিবারের কেউ তেমন কাজে আসে নাই। কী হইবো এই পরিবার দিয়া? উনার দুই স্ত্রী, তিন মেয়ে এবং দুই ছেলে। ছেলেমেয়ে সব প্রথম ঘরের, প্রথম স্ত্রীর সাথেই মেজরিটি সময় থাকেন। -- স্ত্রী ছেলেমেয়েকে পুরা রাজ্য দিলেও তারা দায়িত্ব-কর্তব্য পালন করবে না- এরকম লাখ লাখ উদাহরণ আছে। ইন্সটিল করতে হবে তাক্বওয়া, আল্লাহভীতি। কেউ আল্লাহর যত কাছাকাছি হবে, স্ত্রী-সন্তানও কাছাকাছি হবে, আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্যই। যদি মনে করেন কোটি কোটি টাকা রেখে গেলেই তারা আপনার মরনোত্তর দুয়া করবে - নট রিয়েলি। তাদের ভালো মুসলিম হবার তাগিদ দিন, তরবিয়ত দিন, অটোম্যাটিক্যালি করবে। - লিখেছেন:- M Mahbubur Rahman

  • এক বুযুর্গের কাছে এসে এক মহিলা জানতে চাইলো: শাইখ! আল্লাহ তায়ালা শুধু নারীকেই কেন স্বামীর আনুগত্য করতে বলেছেন? কেন স্বামীকে বলেননি স্ত্রীর আনুগত্য করতে? শাইখ তাকে পাল্টা প্রশ্ন করলেন: তোমার সন্তান কতজন? মহিলা উত্তরে জানালো তার তিনজন পুত্র আছে। এরপর শাইখ বললেন: দেখো! আল্লাহ তায়ালা তিনজন পুরুষের উপর তোমার আনুগত্য ফরয করে দিয়েছেন। তারা তোমার ক্লিয়ারেন্স ছাড়া সেবা করা ছাড়া জান্নাতে যেতে পারবে না। আর তোমাকে শুধুমাত্র জীবনের প্রত্যেক ধাপে একজনের অনুগত থাকতে বলেছেন। কখনো বাবা আর কখনো স্বামী। তো জিতল কে? মহিলা বলল: আল্লাহ তায়ালার শোকর। আল্লাহ তায়ালা আমাকে ইসলামের মত নেয়ামত দান করেছেন। ~ উস্তায আম্মারুল হক হাফিযাহুল্লহ @MuslimInspirationOfficial

  • 9 авг.254117

    তুমি কি নবীজি ﷺ-কে স্বপ্নে দেখতে চাও? তাহলে একটা উপদেশ বলছি, যা তোমার জীবনের ধারা পাল্টে দিতে পারো। . একজন ভালো মানুষ আমাকে একবার এই কথাগুলো বলেছিলেন। আমি তাঁকে জীবনে মাত্র একবারই দেখেছিলাম, কিন্তু তাঁর এই কথাগুলো আমার জীবনে অনেক বড় প্রভাব ফেলেছিল। . আমি একদিন বিদেশের এক মাসজিদে নামাজ পড়তে গিয়েছিলাম। মাসজিদটি প্রায় খালি ছিলো, শুধু আমি আর এক তাজিক (তাজিকিস্তানের) লোক ছিলাম। লোকটির চেহারা ছিল সাধারণ, কিন্তু তাঁর মুখে এক ধরনের অদ্ভুত নূর (আলোকোজ্জ্বলতা) ছিলো। . আমি ইমাম হয়ে নামাজ পড়ালাম। নামাজ শেষে লোকটি ভাঙ্গা আরবিতে বললেন: তোমাকে একটা উপদেশ দিবো, এটি পালন করো। আমি বললাম, বলুন। তিনি বললেন: তুমি প্রতিদিন এক হাজারবার নাবী ﷺ-র প্রতি দুরূদ পাঠ করো। এটি পাঁচ ওয়াক্ত নামাজে ভাগ করে নিতে পারো। তুমি অবাক হবে যে কীভাবে তোমার জীবনে পরিবর্তন আসবে। . তিনি আরও বললেন: দেখো, তখন আর কোনো চিন্তা তোমাকে দমন করতে পারবে না, কোনো ঋণ তোমাকে কষ্ট দেবে না, আর প্রতিটি কষ্ট থেকে তুমি মুক্তি পাবে। নবীজি ﷺ তোমাকে কিয়ামাতের দিনে চিনে ফেলবেন। কারণ, তোমার দুরূদ তাঁর কাছে পৌঁছাবে। . চলে যাওয়ার আগে তিনি হেসে বললেন: তুমি তাঁকে স্বপ্নে দেখবে, 'কখনো তোমাকে শান্তনা দিতে, আবার কখনো সতর্ক করতে'। . আমি সত্যিই সেই উপদেশ মানতে শুরু করলাম। প্রথম তিন বছর কিছুই দেখিনি। তবে আমার জীবন বদলে গেলো, সব কাজ সহজ হয়ে গেলো, আল্লাহর রহমাত ও নিরাপত্তা পেয়ে গেলাম। . এরপর. ধীরে ধীরে নবীজি ﷺ-কে স্বপ্নে দেখতে শুরু করলাম। প্রতিটি স্বপ্নে ছিলো বিশেষ বার্তা, 'হয়তো কোনো গুনাহ থেকে সাবধান করা অথবা কোনো ভালো খবর দেয়া'। . আল্লাহর কসম: আমি যাকে-ই এই উপদেশ দিয়েছি, সবাই-ই নবীজি ﷺ-কে স্বপ্নে দেখেছেন। কখনো সুসংবাদ নিয়ে, কখনো সতর্কবার্তা নিয়ে। . আমি চ্যালেঞ্জ করে বলতে পারি: যেকেউ প্রতিদিন ১০০০ বার দুরূদ শরীফ পড়বে, সে নিশ্চয়ই নবীজি ﷺ-কে স্বপ্নে দেখবে। মূল - শাইখ আহমাদ যায়দান (হাফিজাহুল্লাহ),মিশর ভাষান্তর - ইয়াছিন আরাফাত, আল-আযহার ইউনিভার্সিটি। @MuslimInspirationOfficial

  • মুসলিমদের অনেকেই সোশ্যাল মিডিয়া চালাতেই জানে না।

  • মুসলিমদের অনেকেই সোশ্যাল মিডিয়া চালাতেই জানে না।

  • টেনশন আল্লাহর একটা নেয়ামত। এটা না থাকলে মানুষ অনেক কিছুই পেত না। পরীক্ষার টেনশন না থাকলে পড়ত না; ব্যবসার টেনশন না থাকলে ব্যবসা ভালো করে করবে না; চরিত্র ঠিক করার টেনশন না থাকলে চরিত্র ঠিক করবে না ইত্যাদি। সুতরাং টেনশন যথাযথ জায়গায় হলে এটা খারাপ না। দুনিয়া টেনশনের জায়গা। কেবল জান্নাতে কোনো টেনশন থাকবে না। এখন মানুষ বেশি টেনশন করে কেন? দেখুন, সংসারে কামাই-রোযগারের ব্যাপারে স্ত্রীর কোনো টেনশন নাই। কারণ সে এটা তার অভিভাবক স্বামীর উপর ছেড়ে দিয়েছে। স্বামী যেভাবে পারে, তা করবে। কর্মচারীরা মাস শেষে বেতন পাবে। এ নিয়ে তার কোনো টেনশন নাই। সেটি তার অভিভাবক বসের ব্যাপার। বস যেভাবে পারে ম্যানেজ করবে। এরকম বাবার অধীনে থাকলে ছেলে-মেয়েদের টেনশন থাকে না। তারা মনে করে তাদের একজন অভিভাবক আছে। একজন অভিভাবক থাকলে টেনশন কমে যায়। তেমনি আমাদের একজন অভিভাবক আছে। আমাদের অভিভাবক কে? আল্লাহ। তিনি আমার ব্যাপারে যা ভালো, তা-ই করছেন। সুতরাং আমার এত টেনশন কিসের? এজন্য কুরআনে এসেছে, যে আল্লাহর উপর ভরসা করবে, আল্লাহই তার জন্য যথেষ্ট। @MuslimInspirationOfficial

  • বর্তমানে এই খেলার সবচেয়ে ভয়ংকর অস্ত্রটা কী জানেন?

  • বর্তমানে এই খেলার সবচেয়ে ভয়ংকর অস্ত্রটা কী জানেন?

  • বিলাল ইবনুল হারিস মুযানী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, ‘রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: . “কোনো ব্যক্তি এমন কথা বলে যার ফলে আল্লাহ তাআলা সন্তুষ্ট হন; সে ধারণা করতে পারবে না, তার কথা কোথায় কোথায় পৌঁছে যাবে। উক্ত কথার বদৌলতে আল্লাহ তাআলা তার জন্য সেদিন পর্যন্ত নিজের সন্তুষ্টির কথা লিখতে থাকবেন, যেদিন সে আল্লাহ তাআলার সাক্ষাৎ লাভ করবে। অপরদিকে, কোনো ব্যক্তি এমন কথা বলে যা আল্লাহ’র ক্রোধের উদ্রেক ঘটায়; সে ধারণা করতে পারবে না, তার কথা কোথায় কোথায় পৌঁছে যাবে। উক্ত কথার পরিণতিতে কিয়ামত দিবস পর্যন্ত আল্লাহ তাআলা তার বিরুদ্ধে নিজের ক্রোধের কথা লিখতে থাকবেন।”’ . আলক্বামা (রহিমাহুল্লাহ) বলেন, ‘বহুবার বহু কথা বলতে চেয়েছিলাম। কিন্তু, বিলাল ইবনুল হারিস কর্তৃক বর্ণিত উপরোক্ত হাদীস আমাকে সেসব কথা বলা থেকে বিরত রেখেছে।’ . [কিতাবুয যুহদ, ইমাম আহমাদ, অনুবাদ রাসূলের (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) চোখে দুনিয়া]

  • পাওনা টাকা অথবা টাকা ধার নিয়ে ইচ্ছাকৃতভাবে সময়মত ফেরত না দিয়ে জুলুম করা আজকাল খুবই কমন বিষয়, আসুন এ সম্পর্কিত কিছু হাদিস জেনে নেই এতে যদি কারো হুশ ফেরে - ‘যে ব্যক্তি ঋণ করার পর মনে মনে সঙ্কল্প করে রাখে যে, সে ওই ঋণ পরিশোধ করবে না, তবে সে আল্লাহর সাথে চোর হয়ে সাক্ষাৎ করবে’ (ইবনে মাজাহ : ২৪১০) . রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, ‘যে সচ্ছল ব্যক্তি ঋণ পরিশোধে গড়িমসি করে, তাকে অপমান ও শাস্তি উভয়টিই দেয়া আমার জন্য হালাল’ (নাসায়ি : ৪৬৯০, আবু দাউদ : ৩৬২৮, মুসনাদে আহমাদ: ১৮৯৬২) . . "ধনী/সামর্থ্যবান ব্যক্তির ঋণ আদায়ে টালবাহানা করা অন্যায়’ (সহিহ বুখারি : ২২৮৭, মুসলিম : ১৫৬৪, মুয়াত্তা মালেক : ১৩৭৯)। . ‘কোনো ব্যক্তি তার হাত দিয়ে যা গ্রহণ করেছে, তা পরিশোধ না করা পর্যন্ত সে দায়ী থাকবে (তিরমিজি : ১২৬৬, আহমাদ : ১৯৫৮২) . . রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, ‘ঋণগ্রস্ত ব্যক্তির আত্মা লটকে থাকে, যতক্ষণ না তার পক্ষ থেকে কেউ সেই ঋণের টাকা পরিশোধ করে দেয়’ (ইবনে মাজাহ : ২৪১৩)।এজন্য কেউ মরে গেলে সাথেসাথেই ছেলেমেয়েদের উচিত তার ধার দেনা শোধ করে দেয়া। . রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, ‘যে ব্যক্তি একটি দিনার অথবা দিরহাম ঋণ রেখে মারা যাবে, কিয়ামতের দিন তাকে তার নেকি থেকে সেই ঋণ পরিশোধ করতে হবে। কারণ সেখানে কোনো দিনার ও দিরহাম নেই’ (ইবনে মাজাহ : ২৪১৪, আহমদ : ৫৫১৯)। . রাসূল সা: বলেন, ‘ঋণ পরিশোধের পাপ ছাড়া শহীদের সব পাপই মাফ দেয়া হবে’ (মুসলিম, মিশকাত : ২৯১২)। . যে ব্যক্তি পরিশোধ করার উদ্দেশ্যে মানুষের কাছ থেকে ঋণ গ্রহণ করে, আল্লাহ তায়ালা তা আদায়ের ব্যবস্থা করে দেন। আর যে তা নেয় বিনষ্ট করার উদ্দেশ্যে, আল্লাহ তায়ালা তাকে ধ্বংস করেন’ (সহিহ বুখারি : ৫৭২)। সুতরাং জুলুমকারী ভাইয়েরা সতর্ক হউন।সময়মত ধার পরিশোধ করুন।

  • জর্ডানিয়ান একজন ইসলামি ইনফ্লুয়েন্সার আছেন। নাম হলো ওসামা আল শুরাফা। তার একটা ভিডিও বেশ ভাইরাল হয়েছিলো, সে বলেছিলো- "আপনি যদি কোনো সিরিয়াস সিচুয়েশনে থাকেন বা আপনার খুব টাকার প্রয়োজন হয় তবে আপনি প্রতিদিন ১০ হাজার বার ইস্তেগফার করুন। বেশী না, সপ্তাহে ৭ দিন। ১০ হাজার কমপক্ষে। দ্রুত ফলাফল পেতে ৩০ হাজারবারও করতে পারেন। তাহলে আরও দ্রুত ফলাফল পাবেন।" তার এই ক্লিপ দেখার পরে আমি আসলে দলীল খুজেছিলাম এতোবার ইস্তেগফারের পক্ষে কিছু আছে কিনা। যাইহোক, ইস্তেগফার নিয়ে ডেডিকেটেডলি ভিডিও আপলোড করে আরেকজন বান্দা আছেন নাম হলো এডাম আব্দুল্লাহ। ইন্সটা, টিকটক, ইউটিউব তিন জায়গায় তার শর্ট কন্টেন্ট এভেইলেবল। . ইস্তেগফারের ব্যাপারে কন্সিসটেন্ট থাকার জন্য তার বক্তব্য হলো- আপনাকে অবশ্যই অনবরত ইস্তেগফার করে যেতে হবে৷ ৫ হাজার, ১০ হাজার, ৩০ হাজার, ৫০ হাজার। এডাম আব্দুল্লাহর লেটেস্ট কাউন্ট ছিলো ৭০ হাজারবার। এক সিটি থেকে আরেক সিটিতে যাওয়ার সময় ড্রাইভিং করা অবস্থায় সে অনবরত করে গেছে ইস্তেগফার। তার আরেকটি ভাষ্য যেটা আমার সবচেয়ে বেশী ভালো লেগেছে তা হলো- অনেকে অমনোযোগী ইস্তেগফার নিয়ে কথা বলতে গিয়ে বলেন যে, বিড়বিড় করে অমনোযোগী ইস্তেগফার করার চেয়ে খালেস দিলে অল্প ইস্তেগফার ভালো। হ্যাঁ, এটা সত্যি যে ইস্তেগফারের কোয়ালিটি ইম্পর্ট্যান্ট। তবে এখানে একটা ব্যাপার আছে। যে ব্যক্তি ১০ হাজার থেকে শুরু করে আরও বেশী ইস্তেগফার করার জন্য পুরো দিন জবানকে ব্যস্ত রাখবে, তার পক্ষে গীবত করার সময় থাকবেনা, অপ্রয়োজনীয় কথার সময় থাকবেনা, হারাম কাজে ব্যস্ত হওয়ার সুযোগ থাকবেনা। তার চিন্তা থাকবে একমাত্র কিভাবে ১০ হাজারবার "আস্তাগফিরুল্লাহ" পড়া যায়। তাই অমনোযোগী হলেও ইস্তেগফার করতে থাকুন, উঠতে-বসতে, চলতে-ফিরতে সবসময়। এবং যারা ১০ হাজারবার করেছে তাদের স্টোরিগুলোও অসাধারণ। 10 thousand যেন এটা একটা হিডেন কোড। ইস্তেগফারের কারণে কল্পনাতীত জায়গা থেকে রিজিকের ব্যবস্থা হবে। সব সংকীর্ণতা দূর হবে। - ~ সংগৃহীত

  • কত চমৎকার উপদেশ..

  • যে ভালোবাসা আল্লাহকে ঘিরে হয়না, ওই ভালোবাসা আসলে স্ক্যাম। টিকেনা থাকেনা, ঠুনকো কারণে ভালোবাসা বিদায় নেয়। আল্লাহর জন্য ভালোবাসাই চিরস্থায়ী হয়। হাদীসে কুদসীতে এসেছে, “আমার সন্তুষ্টি লাভের জন্য যারা পরস্পরের মধ্যে মহববত রাখে, একে অপরের সঙ্গে বসে, একে অপরের সাথে সাক্ষাৎ এবং একে অপরের জন্য খরচ করে, তাদের জন্য আমার মহববত ও ভালোবাসা ওয়াজিব হয়ে যায়” [ সহীহ বুখারী ও সহীহ মুসলিম ] @MuslimInspirationOfficial

  • শাইখুল ইসলাম ইমাম ইবনু তাইমিয়্যাহ (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন — “মুত্তাকী হওয়ার জন্য এমন কোনো শর্ত নেই যে, সে পাপ করতে পারবে না। অথবা সে ভুল কিংবা অপরাধ থেকে নিষ্পাপ। যদি এমন কোনো শর্ত থাকতো তাহলে পুরো উম্মাহর মাঝে কেউই মুত্তাকী হতে পারতো না। বরং মুত্তাকী তো সে, যে নিজের কৃত পাপ থেকে তওবাহ করে এবং পাপকে মিটিয়ে দেয় এমন নেক আমল করে।” [মিনহাজুস সুন্নাহ, ৭/৮২]

  • видео или голосовое, без подписи

  • видео или голосовое, без подписи

  • видео или голосовое, без подписи

  • видео или голосовое, без подписи