𝙏̣𝙝̣𝙚 𝙈𝙪𝙬𝙖𝙝𝙝𝙞𝙙𝙞̄𝙣
Статистикаকুরআন-সুন্নাহ, সাহাবি গণ (رضي الله عنهم) ও তৎপরবর্তী সালাফদের বিশুদ্ধ তাওহীদ-আক্বীদাহ-মানহাজের দাওয়াহ পৌঁছানো
- Последний пост
- 17 окт. 2024 г.
- Последнее чтение
- 13 авг.
- Постов за неделю
- 0
- Всего постов
- 40
- Тип
- открытый
- Язык
- bn
- В каталоге с
- 13 авг.
- 1/24сутки в ленте
- —
- 1/48двое суток
- —
- 1/72трое суток
- —
Оценка по просмотрам недавних постов: пост набирает почти всё за первые сутки.
Посты
ইবনু মাসউদ رَضِيَ اللّهُ عَنْهُ বলেনঃ «لَا يُقَلِّدَنَّ أَحَدُكُمْ دِينَهُ رَجُلًا، فَإِنْ آمَنَ آمَنَ وَإِنْ كَفَرَ كَفَرَ، وَإِنْ كُنْتُمْ لَا بُدَّ مُقْتَدِينَ فَاقْتَدُوا بِالْمَيِّتِ، فَإِنَّ الْحَيَّ لَا يُؤْمَنُ عَلَيْهِ الْفِتْنَةُ» ❛দ্বীনের ক্ষেত্রে, তোমাদের কেউ যেন অন্য কাউকে অন্ধভাবে অনুসরণ না করে। যদি সে ঈমান আনে তাহলে সেও ঈমান আনে, আর যদি সে কুফরী করে তবে সেও কুফরী করে। আর যদি কাউকে অনুকরণ করতেই হয়, তবে এমন একজনের অনুসরণ করো, যিনি মারা গেছেন। কেননা জীবিত কেউ ফিতনাহ থেকে নিরাপদ নয়!❜ 📕ইমাম ত্ববারনী, আল মু'জামুল কাবিরঃ খণ্ড-৯, পৃষ্ঠা-১৫২, আছার নং-৮৭৬৪ #Self_Purification #Taqlid_Blind_Following #Important_Naseehah
আবু দারদা رَضِىَ اللَّهُ عَنْهُ সালামাহ ইবনু মুখাল্লাদ কে লিখেন, «أما بعد فإن العبد إذا عمل بطاعة الله أحبه الله وإذا أحبه الله حببه في خلقه، وإذا عمل بمعصية الله أبغضه الله فإذا أبغضه بغضه إلى خلقه» ❛এর পরের কথা, যখন কোনো বান্দা আল্লহর ﷻ আনুগত্য করে, আল্লহ ﷻ তাকে ভালোবাসেন, আর যখন আল্লহ ﷻ তাকে ভালোবাসেন, তখন তিনি ﷻ ঐ ব্যক্তিকে তার ﷻ সৃষ্টির মধ্যে প্রিয় করে তোলেন। কিন্তু যখন কোন বান্দা আল্লহর ﷻ অবাধ্যতা করে, আল্লহ ﷻ তাকে অপছন্দ করেন, আর যখন আল্লহ ﷻ তাকে অপছন্দ করেন, তখন তিনি ﷻ ঐ ব্যক্তিকে তার ﷻ সৃষ্টির মধ্যে অপছন্দনীয় করে তোলেন।❜ 📕আয যুহদ লি ইমাম আহমাদ ইবনু হাম্বাল-৭১৯ #Self_Purification
আশ-শাইখ, আল-আল্লামাহ, আল-ইমাম, আল-মুহাদ্দিস, আল-ফাক্বীহ, আল-হাফিয, আন-নাক্বীদ, আল-মুফাসসির, আল-মুহাক্কিক, আল-মুজাহিদ, আল-মুজতাহিদ, শাইখুল ইসলাম ইবনু তাইমিয়্যাহ رَحِمَهُ ٱللَّٰهُ বলেনঃ «وَكَانَ كَثِيرٌ مِمَّنْ يَنْتَسِبُ إلَى الْإِسْلَامِ فِيهِ مِنْ النِّفَاقِ وَالرِّدَّةِ مَا أَوْجَبَ تَسْلِيطَ الْمُشْرِكِينَ وَأَهْلَ الْكِتَابِ عَلَى بِلَادِ الْمُسْلِمِينَ» ❛যারা নিজেদেরকে ইসলামের দিকে সম্পৃক্ত করতো (মুসলিম বলে দাবি করতো) তাদের অনেকেই ছিলো মুনাফিক্ব ও মুরতাদ, যার ফলে মুসলিম ভূখণ্ড গুলোতে মুশরিক ও আহলুল কিতাবরা (ইয়াহুদী খ্রিস্টান) আধিপত্য বিস্তার করতে সক্ষম হয়েছিল!❜ 📕মাজমুউল ফাতাওয়া ৪/১০৪ ___ আজও সেই একই অবস্থা, বর্তমানে মুসলিম দাবীদার অধিকাংশই মুশরিক, মুনাফিক্ব কিংবা মুরতাদ, এছাড়া যারা মুসলিমদের নেতৃত্ব ও প্রতিনিধিত্বের দাবীদার, তারা আলিম হোক বা শাসক তাদের অধিকাংশই মুশরিক। যার কারণে আজও অধিকাংশ জায়গায় মুসলিম ভূখন্ডে কুফফারদের কতৃত্ব চলছে আর এসমস্ত মুসলিম নামধারী মুরতাদ প্রতিনিধিরা তাদের দোসর হয়ে কাজ করছে। এসমস্ত মুরতাদরা মুজাহিদিনদের শত্রু হিসেবে আর ত্বগূতদের বন্ধু হিসেবে উপস্থাপন করে থাকে।
তাওহীদ শরীয়াহ ও মুসলিম মুওয়াহহীদদের বিজয় অনিবার্যঃ আল্লহ ﷻ সুবহানাহু ওয়া তাআলা বলেনঃ «مَنْ كانَ يَظُنُّ أنْ لَنْ يَنْصُرَهُ اللَّهُ فِي الدُّنيا والآخِرَةِ فَلْيَمْدُدْ بِسَبَبٍ إلى السَّماءِ ثُمَّ لْيَقْطَعْ فَلْيَنْظُرْ هَلْ يُذْهِبَنَّ كَيْدُهُ ما يَغِيظُ» ❛যে কেউ ধারণা করে যে, আল্লহ ﷻ দুনিয়া ও আখিরাতে কখনো তাকে (রসূল ﷺ কে) সাহায্য করবেন না, সে আসমানের দিকে একটি রশি প্রসারিত করুক, এরপর তা কেটে দিক, অতঃপর দেখুক তার কৌশল তার আক্রোশ দূর করে কিনা।❜ 📕 কুরআন ২২/১৫ ইবনু আব্বাস رَضِيَ اللّهُ عَنْهُ বলেনঃ «من كان يظنّ أن لن ينصر الله محمداً، فليربط حبلاً في سقف ثم ليختنق به حتى يموت.» ❛এর অর্থ, যে মনে করে আল্লহ ﷻ মুহাম্মাদ ﷺ কে সাহায্য করবেন না সে যেন ছাদের সাথে দড়ি ঝুলিয়ে নেয় এবং নিজেকে সেখানে লটকায় যতক্ষণ সে মারা যায়।❜ 📕 তাফসির ইবনু কাছির একইভাবে, যে ব্যক্তি মনে করে যে আমাদের সময়ে যারা প্রকৃতপক্ষে রসূলুল্লহ ﷺ এর অনুসারী, আল্লহ ﷻ তাদেরকে সাহায্য করবেন না বরং কুফফার মুশরিক ত্বওয়াগীতদের কতৃত্বে সবকিছু ছেড়ে দেবেন সেই ব্যক্তিরও একই কাজ করা উচিৎ।
আহলুল বিদআহ'র উপর আহলুস সুন্নাহর মর্যাদাঃ ইমামি আহলিস সুন্নাহ আহমাদ ইবনু হাম্বাল رَحِمَهُ ٱللَّٰهُ বলেনঃ «قبور الفساق من أهل السنة روضة من رياض الجنة، وقبور العباد من أهل البدعة حفرة من حفر النار.» ❛আহলুস সুন্নাহর ফাসিক্বদের (পাপাচারী) কবরও জান্নাতের বাগান সমূহের মধ্যে একটি বাগান, পক্ষান্তরে বিদআতীদের মধ্যে আবিদদের (প্রচুর ইবাদাতকারী) কবরগুলো জাহান্নামের গর্ত থেকে একটি গর্ত!❜ 📕আল লাত্বইফ মিন দাক্বক্বীল মাআরিফ : পৃষ্ঠা-২১৮
উম্মুল মু'মিনীন আয়িশাহ رضی اللہ عنھا বলেনঃ «من أسخط الناس برضا الله كفاه الناس، ومن أرضى الناس بسخط الله وكله الله إلى الناس» ❛যে ব্যক্তি আল্লহর ﷻ সন্তুষ্টি কামনা করে মানুষকে অসন্তুষ্ট করে, আল্লহ ﷻ তার জন্য মানুষের বিরুদ্ধে যথেষ্ট। আর যে ব্যক্তি আল্লহর ﷻ অসন্তুষ্টি ভোগ করে মানুষকে খুশি করে, আল্লহ ﷻ তাকে মানুষের কাছেই ছেড়ে দেন।❜ 📕আয যুহদ লি ইমাম আহমাদ ইবনু হাম্বাল-৯১০ #Self_Purification
❛(মুসলিমদের) সবচেয়ে বড় উদ্দেশ্য এবং সবচেয়ে বড় মাসলাহা হচ্ছে আল্লহর ﷻ যমীনে আল্লহর ﷻ তাওহীদ প্রতিষ্ঠা করা।❜ __ শাইখ সুলাইমান ইবনু নাসির আল আলওয়ান فرج الله عنه
ইমাম ইবনুল ক্বইয়্যিম رَحِمَهُ ٱللَّٰهُ বলেনঃ «الدِّينُ كُلُّهُ خُلُقٌ. فَمَنْ زَادَ عَلَيْكَ فِي الْخُلُقِ: زَادَ عَلَيْكَ فِي الدِّينِ» ❛দ্বীন পুরোটাই আখলাক্ব। (উত্তম) আখলাক্বে যে কেউ তোমাকে ছাড়িয়ে যাবে সে দ্বীনের ক্ষেত্রে তোমার চেয়ে উত্তম।❜ 📕মাদারিজুস সালিকিন ২/২৯৪ #Self_Purification
আশ-শাইখ, আল-ইমাম তুর্কি ইবনু মুবারক আল বিনালী تَقبَّلهُ اللّٰه এর একটি খুতবার সময়, রাক্কার একটি মাসজিদে, তারা ক্রুসেডার জোটের বিমান হামলায় আক্রান্ত হয়েছিলেন। বোমা হামলার সময় মাসজিদের ভিতরে শাইখ ও মুসলিমদের দৃঢ়তার কথা স্ব কর্ণে শুনুন। 💔
без подписи
без подписи
без подписи
без подписи
সালাফদের মধ্যে মহান মুজতাহিদ মুতলাক ইমাম সুফইয়াস আস সাওরী رَحِمَهُ ٱللَّٰهُ বলেনঃ «فِي جَهَنَّمَ وَادٍ لَا يَسْكُنُهُ إِلَّا الْقُرَّاءُ الزَّوَّارُونَ لِلْمُلُوكِ» ❛জাহান্নামে এমন একটি উপত্যকা রয়েছে যেখানে কেবলমাত্র আলিমদের বসবাস হবে, (সেসমস্ত উলামায়ে সূ) যারা প্রায়শই শাসকদের সাথে দেখা করতেন এবং সর্বদা তাদের দরজায় উপস্থিত থাকতেন।❜ 📕জামিউ বায়ানিল ইলমি ওয়া ফাদ্বলিহ ১/৬১৬
আপনার ইলমের সাথে বয়সের কোন সম্পর্ক নেইঃ ইমাম আয-যুহরী رَحِمَهُ ٱللَّٰهُ বলেছেন, «كَانَ مَجْلِسُ عُمَرَ مُغْتَصًّا مِنَ الْقُرَّاءِ شَبَابًا كَانُوا أَوْ كُهُولًا، فَرُبَّمَا اسْتَشَارَهُمْ فَيَقُولُ: لَا يَمْنَعُ أَحَدَكُمْ حَدَاثَةُ سِنِّهِ أَنْ يُشِيرَ بِرَأْيِهِ، فَإِنَّ الْعِلْمَ لَيْسَ عَلَى حَدَاثَةِ السِّنِّ وَلَا قِدَمِهِ، وَلكنَّ اللَّهَ يَضَعُهُ حَيْثُ شَاءَ» ❛উমার (رضي الله عنه) এর মাজলিশে তরুণ এবং বয়োবৃদ্ধ পাঠকদের ভিড়ে পরিপূর্ণ ছিলো এবং তিনি (رضي الله عنه) মাঝে মাঝে তাদের সাথে পরামর্শ করতেন এবং বলতেন, 'তোমাদের মধ্যে কেউ যেন তার অল্প বয়সের অজুহাতে তার মত প্রকাশে বাধা না দেয়, কারণ ইলম তারুণ্য বা বয়সের উপর ভিত্তি করে নয় বরং আল্লহ ﷻ সুবহানাহুওয়া তা'আলা যেখানে ইচ্ছা তা স্থাপন করেন'।❜ 📕মুসান্নাফ আবদুর রাযযাক: খণ্ড-১০, পৃষ্ঠা-৪৫১, মাকতাবা শামেলা #ILM_Knowledge_Age
শাইখুল ইসলাম ইমাম ইবনু তাইমিয়্যাহ رَحِمَهُ ٱللَّٰهُ বলেনঃ «فَمَوْتُ الشَّهِيدِ أَيْسَرُ مِنْ كُلِّ مِيتَةٍ وَهِيَ أَفْضَلُ الْمِيتَاتِ.» ❛একজন শহীদের মৃত্যু অন্য যে কোন মৃত্যুর চেয়ে সহজ এবং এটি সর্বোত্তম প্রকারের মৃত্যু।❜ 📕মাজমুউল ফাতাওয়া ২৮/৩৫৪
ইমাম আশ শাওকানী رَحِمَهُ ٱللَّٰهُ বলেনঃ «ومن وقع في الشرك جاهلا لم يعذر، لأن الحجة قامت على جميع الخلق بمبعث محمد- صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ- فمن جهل فقد أُتي من قبل نفسه، بسبب الإعراض عن الكتاب والسنة، وإلا ففيهما البيان الواضح كما قال سبحانه في القرآن: {تبيانا لكل شيء وهدى ورحمة}، وكذلك السنة قال أبو ذر- رضي الله عنه-: «توفي محمد -صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ- وما ترك طائرا يقلب جناحيه بين السماء والأرض إلا ذكر لنا منه علما، أو كما قال- رضي الله عنه-. فمن جهل فبسبب إعراضه، ولا يعذر أحد بالإعراض.» ❛যে কেউ অজ্ঞতা বশত শিরকে পতিত হয় সে উযরপ্রাপ্ত হবে না। কেননা রসূলুল্লহ ﷺ এর আগমনের মাধ্যমে সমস্ত সৃষ্টির উপর হুজ্জাহ প্রতিষ্ঠিত হয়ে গেছে। সুতরাং, যে কেউ অজ্ঞ/জাহিল তবে এটা তার নিজের থেকেই এসেছে (সে নিজেই দায়ী), কুরআন এবং সুন্নাহ থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়ার কারণে। যেমনটা কিতাব এবং সুন্নাহ উভয়েই বর্ণনা করা হয়েছে, যেমনটা আল্লহ ﷻ সুবহানাহু ওয়া তাআলা বলেনঃ وَ نَزَّلۡنَا عَلَیۡكَ الۡكِتٰبَ تِبۡیَانًا لِّكُلِّ شَیۡءٍ وَّ هُدًی وَّ رَحۡمَۃً وَّ بُشۡرٰی لِلۡمُسۡلِمِیۡنَ আর আমরা আপনার প্রতি কিতাব নাযিল করেছি প্রত্যেক বিষয়ের স্পষ্ট ব্যাখ্যাস্বরূপ, পথনির্দেশ, দয়া ও মুসলিমদের জন্য সুসংবাদস্বরূপ। [১৬/৮৯] এবং সুন্নাহয় (হাদীসে) বর্ণিত হয়েছে, আবু যার্র رَضِيَ اللّهُ عَنْهُ বলেনঃ রসূলুল্লহ ﷺ আমাদের এমন অবস্থায় রেখে গেছেন যে আসমান ও জমিনের মধ্যে এমন কোন পাখি রেখে যাননি যা তার ডানাগুলো ঝাপটায় আর এব্যাপারে তিনি আমাদের ইতিমধ্যেই ইলম (জ্ঞান) প্রদান করেননি। [মুসনাদ আহমাদ-২১৪৩৯, হাদিসের মান-হাসান] এছাড়া তিনি رَضِيَ اللّهُ عَنْهُ বলেনঃ যে ব্যক্তি অজ্ঞ/জাহিল থাকবে তা তার নিজ উপেক্ষা বা দ্বীন থেকে বিমুখতার কারণে, আর বিমুখতার কারণে কোন ব্যক্তি উযরপ্রাপ্ত হবে না।❜ 📕আল ফাতহুর রব্বানী ১/১৪৫ #Asl_Ad_Deen
ইমাম আশ শাফিয়ী رَحِمَهُ ٱللَّٰهُ বলেনঃ «من أحب أن يفتح الله قلبه ويرزقه العلم؛ فعليه بالخلوة، وقلة الأكل، وترك مخالطة السفهاء وبعض أهل العلم الذين ليس معهم إنصاف ولا أدب» ❛যে ব্যক্তি চায় যে আল্লহ ﷻ তার হৃদয় খুলে দেন এবং তাকে ইলম দান করুন তবে সে যেন নির্জনতায় চলে যায়, অল্প আহার করে এবং আহাম্মক মূর্খ ও এমন কিছু আলিমদের সাথে মেলামেশা করা থেকে বিরত থাকে যাদের মধ্যে ইনসাফ ও আদব নেই।❜ 📕বুস্তানুল আরিফিন লিন নাওয়াউই ১/৫৩
রসূলুল্লহ ﷺ বলেনঃ «إِنَّ اللَّهَ لَا يَقْبِضُ الْعِلْمَ انْتِزَاعًا يَنْتَزِعُهُ مِنَ الْعِبَادِ وَلَكِنْ يَقْبِضُ الْعِلْمَ بِقَبْضِ الْعُلَمَاءِ» ❛আল্লহ ﷻ সুবহানাহু ওয়া তাআলা মানুষের অন্তর থেকে ইলমকে টেনে বের করে নিবেন না বরং (রব্বানী) আলিমদের মৃত্যুর মাধ্যমে ইলম উঠিয়ে নিবেন।❜ 📕মুত্তাফাকুন আলাইহি আবু দারদা رَضِيَ اللّهُ عَنْهُ বলেনঃ «مثل العلماء فى الناس كمثل النجوم فى السماء يهدى بها» ❛মানুষের মধ্যে আলিমদের উদাহরণ আকাশের নক্ষত্রের মত। যার দ্বারা পথের দিশা লাভ করা যায়।❜ 📕 আখলাক্বুল উলামা,পৃষ্ঠা-৪৩ আল-আল্লামাহ, আল-হাফিয, শাইখ সুলাইমান ইবনু নাসির আল আলওয়ান فرج الله عنه বলেনঃ ❛আল্লহ ﷻ সেই উলামাদের প্রশংসা করেছেন যারা তাদের ইলম অনুযায়ী আমল করে । তিনি ﷻ এমন আলিমদের প্রশংসা করেননি যারা ওহীর ইলমকে বিকৃত করে আর এর মাধ্যমে মানুষকে ধোঁকা দেয় বা বিভ্রান্ত করে! আর ইলমের উপকারিতা শুধুমাত্র এই কারণে যে এর মাধ্যমে বান্দা আল্লহ ﷻ কে ভয় করে। আর যে ব্যক্তি রব্বানী উলামা এবং ত্বওয়াগীতের দালালদের (উলামায়ে সূ) মধ্যে পার্থক্য করতে পারে না, সে হয়তো জাহিল নতুবা যার অন্তরে মোহর এঁটে দেয়া!❜ #Scholars_of_Haqq
ইমাম সাঈদ ইবনু যুবাইর رَحِمَهُ ٱللَّٰهُ বলেনঃ «رأيت ابن عباس آخذًا بلسانه وهو يقول: باللسان: قل خيرًا تغنم أو اصمت تسلم قبل أن تندم» ❛আমি ইবনু আব্বাস رَضِيَ اللّهُ عَنْهُ কে তার জিহ্বা চেপে ধরে বলতে দেখেছিঃ জিহ্বা দিয়ে ভালো কথা বলো, তাহলে তোমার উপকার হবে, অথবা চুপ থাকবে তাহলে তোমার অনুশোচনা করার পূর্বে তুমি নিরাপদ থাকবে।❜ 📕আয যুহদ লি ইমাম আহমাদ ইবনু হাম্বাল-১০৪৩ #Self_Purification