Dr. Shafiqur Rahman
Статистика👉Official Telegram Channel of Dr. Shafiqur Rahman MP. 👉Ameer-e-Jamaat (Chief) of Bangladesh Jamaat-e-Islami. 👉Leader of the Opposition of Bangladesh Parliament. Stay Connected on Web👉 www.dr-shafiqurrahman.info 🔵FB : fb.com/DrShafiqurRahman.Official
- Последний пост
- 14 авг.
- Последнее чтение
- 15 авг.
- Постов за неделю
- 4
- Всего постов
- 24
- Тип
- открытый
- Язык
- bn
- Категория
- Новости и СМИ (по похожим)
- В каталоге с
- 13 авг.
- 1/24сутки в ленте
- 5 536
- 1/48двое суток
- 6 344
- 1/72трое суток
- 6 842
Оценка по просмотрам недавних постов: пост набирает почти всё за первые сутки.
Посты
সিএনজি পাম্পগুলোতে সারাদেশে অসহনীয় সংকট চলছে। এ ব্যাপারে সরকারের স্পষ্ট বক্তব্য ও উদ্যোগ দেখতে চাই। আশু সমাধানের জন্য জরুরি পদক্ষেপ নিতে হবে। কোনো গোঁজামিল ও মিথ্যাচারের আশ্রয় নিয়ে এই সংকটের সমাধান করা যাবে না। অতীতে সংকট তৈরি হওয়ার পর আবার জ্বালানির মূল্য বৃদ্ধি করা হয়েছে। তেমনটি মোটেই গ্রহণযোগ্য হবে না।
কিছু মানুষ পৃথিবী থেকে চলে যান, কিন্তু মানুষের হৃদয়ে বেঁচে থাকেন অনাদিকাল ধরে। আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী রাহিমাহুল্লাহ তেমনই একজন মানুষ। আল্লাহ তাআলা বলেন, "তাঁর চেয়ে উত্তম কথা আর কার, যে মানুষকে আল্লাহর দিকে আহ্বান করে, সৎকর্ম করে এবং বলে, আমি মুসলিমদের অন্তর্ভুক্ত।" (সূরা ফুসসিলাত: ৩৩) অর্ধশতাব্দীরও বেশি সময় ধরে তিনি ছুটে বেড়িয়েছেন এই জনপদের এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে, শহরের মঞ্চ থেকে গ্রামের ধুলোমাখা ময়দানে, একটিমাত্র আহ্বান বুকে নিয়ে, আল্লাহর দিকে ফিরে আসার আহ্বান নিয়ে, ডেকে ফিরেছেন কুরআনের দিকে। দেশের গন্ডি অতিক্রম করে বিশ্বেও তাঁর বিচরণ ছিল সমান তালে। শীতের রাতে খোলা মাঠে চাদর মুড়ি দিয়ে বসে থাকা লাখো মানুষ তাঁর কণ্ঠে কুরআনের তাফসির শুনেছেন। বহু মানুষের ধর্মীয় জীবনের মোড় ঘুরে গেছে সেই আলোচনায়। রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, "তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম সেই ব্যক্তি, যে কুরআন শিক্ষা করে এবং অন্যকে শিক্ষা দেয়।" (সহিহ বুখারি) আল্লামা সাঈদীর জীবনের বড় একটি অংশই কেটেছে এই কাজে, কুরআন শেখা, কুরআন শেখানো, আর কুরআনের কথা মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া। কুরআনের শিক্ষা ও প্রসারের জন্য তিনি নানা প্রতিষ্ঠান ও উদ্যোগের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তাঁর ওয়াজের ময়দান হয়ে উঠেছিল অসংখ্য মানুষের ধর্মীয় শিক্ষার পাঠশালা। মানুষের ভালোবাসা তাঁকে তাফসীরের ময়দান থেকে নিয়ে গিয়েছিল জাতীয় সংসদে। সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি কথা বলেছেন ধর্মীয় মূল্যবোধ নিয়ে, আলিয়া ও ক্বওমি মাদ্রাসা শিক্ষা নিয়ে, সাধারণ মানুষের নানা দাবি নিয়ে। সংসদে স্পিকারের সামনে মাথা ঝুঁকিয়ে ঢোকার যে শিরকি রীতি ছিল, আল্লামা সাঈদীর ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় তা বন্ধ হয়েছিল। তাঁর রাজনীতি ও মতাদর্শ নিয়ে মতপার্থক্য থাকতে পারে ; কিন্তু তাঁর বিপুল অনুসারী আর জনসমর্থন এ দেশের ধর্মীয়-রাজনৈতিক ইতিহাসের একটি অস্বীকার করার উপায় নেই এমন বাস্তবতা। যুগে-যুগে আল্লাহর প্রিয় বান্দাদের ওপর যেমন জুলুমের খড়গ নেমে এসেছে, তেমনি আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর ওপরও নেমে এসেছিল নির্মম জুলুম-নির্যাতন। আল্লামা সাঈদীর বিরুদ্ধে সাক্ষী হিসেবে যাকে হাজির করা হয়েছিল, সেই সুখরঞ্জন বালি বরং আল্লামার পক্ষেই সাক্ষ্য দিতে এসেছিলেন। আর সেই সাক্ষ্যের কারণেই ফ্যাসিস্টরা তাকে গুম করেছিল। আল্লামা সাঈদীর ফাঁসির রায়ের দিন দেশজুড়ে নেমে এসেছিল মানুষের ঢল। প্রিয় মানুষটির প্রতি ভালোবাসা আর তাঁর ওপর জুলুমের প্রতিবাদে অগণিত মানুষ রাজপথে নেমে এসেছিলেন। সেই প্রতিবাদে শহীদ হন দেড় শতাধিক মানুষ। রক্তে রঞ্জিত হয়েছিল রাজপথ, কিন্তু মানুষের হৃদয় থেকে মুছে ফেলা যায়নি আল্লামা সাঈদীর প্রতি সেই অকৃত্রিম ভালোবাসা। একদিন বাংলাদেশে আল্লামা সাঈদীর রায়-পরবর্তী হত্যাকাণ্ডের বিচার করার মাধ্যমে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হবে, ইনশাআল্লাহ। কারাগারের দেয়াল একজন মানুষের শরীরকে আটকে রাখতে পারে কিন্তু মানুষের ভালোবাসাকে আটকে রাখতে পারে কোন কারাগার? বছরের পর বছর তিনি কারাবন্দি থেকেছেন। তবুও এ দেশের অসংখ্য ঘরে সন্ধ্যাবেলা বেজেছে তাঁর কণ্ঠে ধারণ করা তাফসিরের রেকর্ডিং; মানুষ শুনেছে, কেঁদেছে, তাঁর জন্য হাত তুলে দোয়া করেছে। প্রজন্মের পর প্রজন্মের কাছে তাঁর পরিচয় থেকে গেছে কুরআনের একজন আলোচক ও দাঈ হিসেবে। আজ আল্লামা সাঈদী আমাদের মাঝে নেই। সময়ের পালাবদলে তাঁকে বন্দি রাখা সেই ফ্যাসিস্ট শাসনেরও অবসান ঘটেছে। রয়ে গেছে শুধু তাঁর কণ্ঠের স্মৃতি, তাঁর তাফসির, তাঁর কাজ, আর অসংখ্য মানুষের ভালোবাসা। মানুষ চলে যায়, দাওয়াত থেকে যায়। কণ্ঠ থেমে যায়, রেখে যাওয়া আহ্বান থামে না। কারাগারের দরজা একজন মানুষকে বন্দি করতে পারে, মানুষের হৃদয়ে তাঁর জায়গাকে বন্দি করতে পারে না। কবি আল মাহমুদ লিখেছেন— "পৌঁছুতে চাই প্রভু তোমার সান্নিধ্যে তোমার সিংহাসনের নীচে একটি ফুরফুরে প্রজাপতি হয়ে যার পাখায় আঁকা অনাদিকালের অনন্ত রহস্য।" যে কণ্ঠ অর্ধশতাব্দী ধরে মানুষকে আল্লাহর দিকে ডেকেছে, সে আজ নীরব হয়ে গেছে। কিন্তু কে জানে, হয়তো এই নীরবতাই প্রিয় প্রভুর কাছে পৌঁছে যাওয়া। আল্লাহ তাআলা আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী রাহিমাহুল্লাহ এর ভুলত্রুটি ক্ষমা করুন, তাঁর নেক আমলগুলো কবুল করুন এবং তাঁকে শাহাদাতের মর্যাদা দিয়ে জান্নাতুল ফিরদাউসের উচু মাকাম দান করুন। আমিন।
সৌদি আরবে এক মর্মান্তিক অগ্নিকাণ্ডে বাংলাদেশের ১৭ জন প্রবাসী ভাই নিহত হয়েছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। মহান আল্লাহর দরবারে তাঁদের জন্য মাগফিরাত কামনা করার পাশাপাশি সরকারের কাছে দাবি জানাই—এই রেমিট্যান্সযোদ্ধাদের মর্মান্তিক মৃত্যুতে রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করুন। তাহলে সকল রেমিট্যান্সযোদ্ধা অন্তত এটুকু আস্থা ফিরে পাবেন যে, দেশ ও জাতি তাঁদের অবদানকে সম্মানের চোখে দেখে।
এসএসসি, দাখিল ও সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ সকল শিক্ষার্থীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। তোমাদের এই সাফল্য জীবনের নতুন অধ্যায়ের সূচনা। যারা কৃতিত্বের সঙ্গে উত্তীর্ণ হয়েছ, তাদের অভিনন্দন। আর যারা প্রত্যাশিত ফলাফল করতে পারোনি, তারা হতাশ না হয়ে নতুন উদ্যমে এগিয়ে যাও। মহান আল্লাহ তোমাদের জ্ঞান, মেধা ও প্রতিভাকে দেশ ও মানবতার কল্যাণে কাজে লাগানোর তাওফিক দান করুন। তোমাদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করছি। আমিন।
গাইবান্ধার সাঘাটায় অতি-দরিদ্র পরিবারের সন্তান সালাউদ্দিন আমাদের মাঝ থেকে বিদায় নিল (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। একটি বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি দখলদারির প্রতিবাদ করতে গিয়ে তার জীবন প্রদীপটাই নিভে গেল। সরকারি দলের যে সন্ত্রাসীদের হাতে তার মূল্যবান জীবনটা চলে গেল তারা কি তার দরিদ্র পিতা-মাতার বুকে তাকে ফিরিয়ে দিতে পারবে? অতি নিন্দনীয় এ ঘটনায় সকল দুষ্কৃতিকারীকে এখনো পাকড়াও করা হয়নি। তাদের পাকড়াও করে আইনের আওতায় এনে কঠিন শাস্তি দিতেই হবে। আল্লাহ তায়ালা প্রিয় সালাউদ্দিনকে ক্ষমা করুন, তার উপরে রহম করুন, শহীদ হিসেবে কবুল করুন। তার পিতা-মাতা, আপনজন এবং সহকর্মীদেরকে ধৈর্য ধারণ করার তাওফিক দান করুন। আমিন। দুর্নীতিবাজ, দখলদার, চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে ন্যায় এবং ইনসাফের বিজয়ের মধ্য দিয়ে এর প্রতিশোধ নেয়া হবে, ইনশাআল্লাহ।
🔴LIVE... *জ্বালানি তেল ও গ্যাস-সংকট, বিদ্যুতের ভূতুড়ে বিল ও মূল্যবৃদ্ধি, আইনশৃঙ্খলার অবনতি এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে অবস্থান কর্মসূচি* উপস্থিত আছেন মাননীয় বিরোধীদলীয় নেতা ও আমীরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমান এমপি সহ ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ। 🗒০৬ আগস্ট ২০২৬।বৃহস্পতিবার। সকাল ১১ টা 📍স্থান: মুক্তাঙ্গন, পল্টন, ঢাকা। আয়োজনেঃ ১১ দলীয় ঐক্য। 🎥 YouTube : https://www.youtube.com/watch?v=481E3zVCpro 🎥 Facebook : https://www.facebook.com/share/v/19QSwRaWNz/
🔴LIVE... জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের ২য় বার্ষিকী উপলক্ষে বিশাল গণসমাবেশ প্রধান অতিথি ডা. শফিকুর রহমান এমপি মাননীয় বিরোধীদলীয় নেতা ও আমীর, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। 🗓০৫ আগস্ট ২০২৬ | বুধবার | সকাল ১০ টা 📍স্থান : জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেট আয়োজনে : ১১ দলীয় ঐক্য 🎥 YouTube : https://www.youtube.com/watch?v=vs6IfDJsN3I 🎥 Facebook : https://www.facebook.com/share/v/1LnM8R2n3m/
১৯৪৭ থেকে ২০২৪। দীর্ঘ এই সংগ্রামের ইতিহাস পরিক্রমা এবং এরই ধারাবাহিকতায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান-এর উপর ভিত্তি করে নির্মিত ‘জুলাই এখনো শেষ হয় নাই’ শীর্ষক আলোকচিত্র প্রদর্শনী। শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করবেন- ডা. শফিকুর রহমান এমপি মাননীয় বিরোধীদলীয় নেতা ও আমীর, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। 📷সময়- ৫ আগস্ট বুধবার | বিকাল ৪টা 📷প্রদর্শনীর স্থান- মাননীয় বিরোধীদলীয় নেতার সরকারি বাসভবন ২৯ মিন্টো রোড, ঢাকা। প্রদর্শনী চলবে- ৫ আগস্ট বুধবার | বিকাল ৪টা - রাত ৮টা ৬ আগস্ট বৃহস্পতিবার | সকাল ১১টা - রাত ৮টা ৭ আগস্ট শুক্রবার | সকাল ১১টা - রাত ৮টা সবাই আমন্ত্রিত।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সকল শহিদের পক্ষে শহিদ আবু সাঈদের বয়ানে লেখা প্রতীকী চিঠি পড়ুন। লিংক... #জুলাই_এখনো_শেষ_হয়_নাই
ঐতিহাসিক ৫ আগস্ট ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ উপলক্ষে দেশবাসী ও বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে অবস্থানরত সকল বাংলাদেশি ভাই-বোনদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাচ্ছি। এই দিনটি আমাদের জাতীয় জীবনের ইতিহাসে এক অনবদ্য, গৌরবময় ও অবিস্মরণীয় অধ্যায়, যেখানে শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবক, তরুণ-তরুণী, শিশু-বৃদ্ধ, নাগরিক সমাজ ও সর্বস্তরের পেশাজীবী মানুষ অভিন্ন দাবিতে ঐক্যবদ্ধ হয়ে রাজপথে নেমে আসেন। একপর্যায়ে ছাত্রদের এই স্বতঃস্ফূর্ত আন্দোলন ফ্যাসিবাদী স্বৈরশাসক শেখ হাসিনার পতনের এক দফার আন্দোলনে পরিণত হয়। ক্ষমতা হারানোর ভয়ে উন্মত্ত ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা আন্দোলন দমনের লক্ষ্যে ছাত্র-জনতার ওপর নির্বিচারে গুলিবর্ষণের নির্দেশ দেন। দেশের মুক্তিকামী সর্বস্তরের মানুষ জালিম শাসকগোষ্ঠীর রক্ত চক্ষু, গুলি, বোমা উপেক্ষা করে স্বৈরশাসনের শৃঙ্খল ভেঙে বৈষম্যমুক্ত এক নতুন বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন নিয়ে দেশব্যাপী দুর্বার গণআন্দোলন গড়ে তোলে। অবশেষে ২০২৪ সালের এই দিনে ছাত্র-জনতার অভূতপূর্ব ও বীরত্বপূর্ণ গণঅভ্যুত্থানের মুখে ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা তাঁর দলের শীর্ষস্থানীয় নেতা ও মন্ত্রী-এমপিদের নিয়ে ভারতে পালিয়ে যেতে বাধ্য হন। ফলে দীর্ঘ সাড়ে ১৬ বছরের একনায়কতন্ত্র, জুলুম-নির্যাতন ও ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসান ঘটে। দেশের মানুষ খুনি স্বৈরাচার ও তাদের বিদেশি পৃষ্ঠপোষকদের আধিপত্য থেকে মুক্তি লাভ করে। এ সবই জুলাই গণআন্দোলনের গৌরবময় ফসল। এই আন্দোলনে জাতিকে চরম ত্যাগ-তিতিক্ষা এবং রক্তমূল্য দিতে হয়েছে। পুলিশ, র্যাব , সেনাবাহিনী ও বিজিবি-র একাংশের মাধ্যমে নির্বিচারে চালানো গুলিতে প্রায় দেড় হাজার মুক্তিকামী মানুষ শহীদ হন এবং প্রায় ৩০ হাজার মানুষ গুরুতর আহত হন। কয়েক হাজার মানুষ তাঁদের হাত, পা বা চোখ হারিয়ে চিরতরে পঙ্গুত্ব বরণ করেন। শহীদ আবু সাঈদ-মুগ্ধ-ওয়াসিম সহ যেসব তাজা প্রাণ বৈষম্য ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে বুক পেতে দিয়ে শাহাদাতবরণ করেছেন, আমি গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার সঙ্গে তাঁদের স্মরণ করছি এবং তাঁদের রূহের মাগফিরাত কামনা করছি। একইসঙ্গে আন্দোলনের সময় আহত, পঙ্গুত্ব বরণকারী, শহীদ পরিবার এবং নির্যাতিত সকলের প্রতি গভীর সমবেদনা ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি। ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক আত্মত্যাগের মূল লক্ষ্য ছিল একটি বৈষম্যহীন, গণতান্ত্রিক, ইনসাফভিত্তিক এবং সুশাসন ও ন্যায়বিচারের বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করা। তারা বুকের তাজা রক্ত দিয়ে এ জাতিকে এক মহৎ ঋণে আবদ্ধ করে গেছেন। আমরা তাঁদের কাছে চিরঋণী। অত্যন্ত দুঃখভারাক্রান্ত হৃদয়ে বলতে হচ্ছে, একটি মহলের কারণে আমরা তাদের সেই প্রত্যাশা আজও পূরণ করতে পারিনি। এখনো আমাদের লড়াই-সংগ্রাম চালিয়ে যেতে হচ্ছে। জাতিকে যে কোনো মূল্যে তাদের এই রক্তঋণ পরিশোধ করতে হবে। আমাদের শপথ নিতে হবে- শহীদদের এই রক্ত যেন কোনোভাবেই বৃথা না যায়। বীর শহীদদের রক্তের ঋণ আমরা কেবল তখনই আংশিক পরিশোধ করতে পারব, যখন একটি বৈষম্যহীন, পূর্ণাঙ্গ গণতান্ত্রিক, সুশাসন ও সামাজিক ন্যায়বিচারভিত্তিক ইনসাফপূর্ণ মানবিক বাংলাদেশ গড়তে সক্ষম হবো। আসুন, আজকের এই দিনে আমরা অতীতের সকল ভেদাভেদ ভুলে একটি বৈষম্যহীন, সুখী-সমৃদ্ধ, মানবিক ও সার্বভৌম বাংলাদেশ গঠনে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার শপথ গ্রহণ করি। আল্লাহ তাআলা আমাদের প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশকে রক্ষা করুন এবং দেশের মানুষকে সুখে-শান্তিতে রাখুন। আমিন। #36july
#জুলাই_এখনো_শেষ_হয়_নাই
🔴LIVE... জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদ পরিবার ও আহত জুলাই যোদ্ধাদের নিয়ে মতবিনিময় সভা প্রধান অতিথি : ডা. শফিকুর রহমান এমপি মাননীয় বিরোধীদলীয় নেতা ও আমীর, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। 🗒 ৩০ জুলাই'২৬ । বৃহস্পতিবার । সকাল ১০টা 📍ভেন্যু : কাউন্সিল হল, আইডিইবি, কাকরাইল, ঢাকা। আয়োজনেঃ বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, ঢাকা মহানগরী উত্তর ও দক্ষিণ। 👉Facebook : https://www.facebook.com/share/v/1GAhQcaDSm/ 👉YouTube : https://www.youtube.com/watch?v=twO5ez_WqO8
উপমহাদেশের প্রখ্যাত হাদীস বিশারদ, আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন বিশিষ্ট আলেমে দ্বীন, অসংখ্য আলেম-ওলামার রুহানী উস্তাদ, সাবেক মন্ত্রী, বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ, বহু গ্রন্থ প্রণেতা বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সাবেক নায়েবে আমীর মাওলানা আবুল কালাম মুহাম্মদ ইউসুফ রাহিমাহুল্লাহ-এর প্রিয়তমা স্ত্রী মুহতারামা রাবেয়া খাতুন দুনিয়ার সফর শেষ করে মহান রবের ডাকে সাড়া দিয়ে ইন্তিকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। মুহতারামা রাবেয়া খাতুন এর ইন্তিকালে আমরা ইসলামী আন্দোলনের একজন নিবেদিত প্রাণ দাঈ বোনকে হারালাম। তিনি ন্যায় ও ইনসাফ ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে নিরলসভাবে মহিলাদের মাঝে কাজ করে গিয়েছেন এবং ইসলামী আন্দোলনের প্রচার ও প্রসারে তাঁর অনেক অবদান রয়েছে। আল্লাহ তা’য়ালা তাঁর এই বান্দীর ওপর রহম করুন, শান্তির ফায়সালা দান করুন, মাগফিরাত এনায়েত করুন এবং শহীদি দরজা ও জান্নাতুল ফিরদাউস নসীব করুন। অনন্ত সফরে আল্লাহ রাব্বুল আলামীন তাঁর করুণা এবং রহমতের ফিরিশতা দিয়ে সাহায্য করুন। মরহুমার সন্তান, আত্নীয়স্বজন ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’য়ালা সবরে জামিল আতা করুন। আমিন।
আল-আকসা মসজিদে ইসরায়েলি তাণ্ডবের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ও মাননীয় বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান এমপি ২৪ জুলাই (জুম'আ বার) বলেছেন, পবিত্র আল-আকসা মসজিদ প্রাঙ্গণে ইসরায়েলের জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন-গাভিরের নেতৃত্বে হাজার হাজার চরমপন্থী ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীর বেআইনি প্রবেশ, ধর্মীয় উসকানি ও তাণ্ডবের ঘটনায় আমি গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছি এবং তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। আমীরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমান আরও বলেন, পবিত্র আল-আকসা মসজিদ বিশ্বের ২০০ কোটিরও বেশি মুসলিমের তৃতীয় পবিত্রতম স্থান ও ঈমানের প্রতীক। আন্তর্জাতিক আইন ও ঐতিহাসিক স্থিতাবস্থা লঙ্ঘন করে উগ্র ডানপন্থী ইসরায়েলি মন্ত্রীর নেতৃত্বে হাজার হাজার বসতি স্থাপনকারীর পবিত্র প্রাঙ্গণে ঢুকে ধর্মীয় উসকানিমূলক আচার-অনুষ্ঠান পরিচালনা করা চরম অসভ্যতা ও আন্তর্জাতিক নিয়মনীতির প্রকাশ্য অবমাননা। মাননীয় বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, ফিলিস্তিনি মুসলিমদের নামাজ আদায়ে বাধা প্রদান, বৃদ্ধ ও তরুণদের ওপর নির্যাতন এবং পবিত্র প্রাঙ্গণের পবিত্রতা নষ্ট করার মাধ্যমে জায়নবাদী ইসরায়েল গোটা মধ্যপ্রাচ্যকে আরও বড় ধরনের সংঘাতের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। এই অমানবিক ও দখলদারিত্বমূলক আচরণ কোনোভাবেই বরদাশত করা যায় না। ডা. শফিকুর রহমান জাতিসংঘ, ওআইসি-সহ শান্তিপ্রিয় বিশ্ব সম্প্রদায় এবং মুসলিম বিশ্বের রাষ্ট্রপ্রধানদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, অবিলম্বে ইসরায়েলের এই অব্যাহত ধৃষ্টতা ও আল-আকসা প্রাঙ্গণে ফিলিস্তিনিদের ওপর দমন-পীড়ন বন্ধে কার্যকর আইনি ও কূটনৈতিক পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। তিনি ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী জনগণের ন্যায়সংগত অধিকার আদায়ের সংগ্রামে বাংলাদেশের জনগণের অবিচল সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন।
রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন মাননীয় বিরোধীদলীয় নেতা ও আমীরে জামায়াত
The Holy Quran
https://www.youtube.com/watch?v=ro6cLnLzoRw
https://www.youtube.com/watch?v=Q2GyXcMKT6w
১৬ জুলাই মহান ‘জুলাই শহীদ’ দিবসে শহীদদের গভীর শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতার সাথে স্মরণ করছি ‘জুলাই শহীদ’ দিবস আমাদের জাাতীয় ইতিহাসে এক গৌরবময় ও বেদনাবিধুর দিন। এই দিনে আমরা গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার সঙ্গে স্মরণ করি সেই সকল শহীদ ভাই-বোনকে, যাঁরা বৈষম্য, জুলুম-নির্যাতন ও অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে এবং ন্যায়ভিত্তিক সমাজ ও গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠার পক্ষে দৃঢ় অবস্থান নিয়ে শাহাদাত বরণ করেছেন। আমি সকল শহীদের রূহের মাগফিরাত কামনা করছি এবং আহত ও নিহতদের শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজনের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করছি।” ২০২৪ সালের ১৬ জুলাই কোটা বিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে রংপুর বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের কৃতী ছাত্র আবু সাঈদ নিজের অধিকার আদায়ের দাবিতে পুলিশের সামনে বীরদর্পে বুক পেতে দাঁড়ান। সে সময় স্বৈরাচারী সরকারের লেলিয়ে দেওয়া পুলিশ বাহিনী নির্মমভাবে গুলি করে তাঁকে হত্যা করে। শহীদ আবু সাঈদের এই আত্মত্যাগের খবর ছড়িয়ে পড়ার সাথে সাথেই সারা দেশে কোটা বিরোধী আন্দোলন এক অভূতপূর্ব গণআন্দোলনে রূপ নেয়। এই গণআন্দোলন ছিল আমাদের ইতিহাসের একটি যুগান্তকারী অধ্যায়, যেখানে শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবক, তরুণ-তরুণী, নাগরিক সমাজ ও সর্বস্তরের পেশাজীবী মানুষ অভিন্ন দাবিতে ঐক্যবদ্ধ হয়ে রাজপথে নেমে আসেন। একপর্যায়ে ছাত্রদের এই স্বতঃস্ফূর্ত আন্দোলন ফ্যাসিবাদী স্বৈরশাসক শেখ হাসিনার পতনের এক দফার আন্দোলনে পরিণত হয়। ক্ষমতা হারানোর ভয়ে উন্মত্ত হয়ে শেখ হাসিনা আন্দোলন দমনের লক্ষ্যে ছাত্র-জনতার ওপর নির্বিচারে গুলিবর্ষণের নির্দেশ দেয়। পুলিশ, র্যাব, সেনাবাহিনী ও বিজিবি-র একাংশের মাধ্যমে নির্বিচারে চালানো গুলিতে প্রায় দেড় হাজার মুক্তিকামী মানুষ শহীদ হন এবং প্রায় ৩০ হাজার মানুষ গুরুতর আহত হন। কয়েক হাজার মানুষ তাঁদের হাত, পা বা চোখ হারিয়ে চিরতরে পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন। অবশেষে ছাত্র-জনতার এক ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানের মুখে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট দীর্ঘ সাড়ে ১৬ বছর ধরে জাতির ঘাড়ে চেপে বসা একনায়কতান্ত্রিক স্বৈরশাসক শেখ হাসিনার ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসান ঘটে। পতন নিশ্চিত জেনে শেখ হাসিনাসহ তাঁর দলের শীর্ষস্থানীয় নেতা ও মন্ত্রী-এমপিরা ভারতে পালিয়ে আশ্রয় নেয়। এর মাধ্যমে দেশের মানুষ খুনি স্বৈরাচার ও তাদের বিদেশি পৃষ্ঠপোষকদের আধিপত্য থেকে মুক্তি লাভ করে। আজ দেশের জনগণ মুক্ত ও স্বাধীনভাবে নিজের মতামত প্রকাশ করতে পারছে, রাজনৈতিক দলগুলোও নির্বিঘ্নে তাদের কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছে। এ সবই জুলাই গণআন্দোলনের গৌরবময় ফসল। জুলাই আন্দোলনের শহীদরা নিজেদের বুকের তাজা রক্ত দিয়ে এ জাতিকে এক মহৎ ঋণে আবদ্ধ করে গেছেন। আমরা তাঁদের কাছে চিরঋণী। আজ আমাদের শপথ নিতে হবে- শহীদদের এই রক্ত যেন কোনোভাবেই বৃথা না যায়। একটি বৈষম্যহীন, গণতান্ত্রিক, ন্যায়বিচারভিত্তিক ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ার মাধ্যমেই কেবল আমরা তাঁদের এই ঋণ আংশিক পরিশোধ করতে পারি। পরিশেষে আবারো ‘জুলাই শহীদ’ দিবসে সকল শহীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও দো'য়া। আল্লাহ তাআলা তাঁদের শাহাদাত কবুল করুন এবং জান্নাতের সর্বোচ্চ মর্যাদা দান করুন। আমীন।
চট্টগ্রাম নগরীতে এক ইন্টারনেট ব্যবসায়ীর প্রতিষ্ঠানে ঢুকে তাণ্ডব চালানো দুর্বৃত্তদের সামাজিক ও রাজনৈতিক পরিচয় থাকলে তা প্রকাশ করুন। তাদের পাকড়াও করে আইনের আওতায় আনুন। জানি না, কঠিন শাস্তির বিধান হবে কি না। লক্ষণ খুব ভালো নয়। জনগণকেই এখন নিজেদের আত্মরক্ষার জন্য সব ধরনের ব্যবস্থা নিতে হবে। কারণ সরকার কোনো কার্যকর নিরাপত্তা দিতে পারছে না। একের পর এক অভিনব ঘটনা ঘটেই চলছে। এদের খুঁটির জোর কোথায়?